23/02/2025
আইসিসির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে কোনো ম্যাচ না জিতেও সর্বশেষ অবস্থানে থাকলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম পাবে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা (১,২৫,০০০ ডলার)। এছাড়া, অংশগ্রহণের জন্য পাবে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা (১,৪০,০০০ ডলার)। অর্থাৎ, কোনো ম্যাচ না জিতে শুধুমাত্র ৩ ম্যাচে অংশগ্রহণ করে (পিকনিক করে) তারা পাচ্ছেন ৩ কোটি ২০ লাখ++ টাকা। তেমন ভালো পারফরম্যান্স ছাড়াই ম্যাচপ্রতি ১ কোটিরও উপরে আয়। সাথে বিসিবির দেয়া অর্থ তো আছেই।
জাতীয় দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বিসিবি থেকে প্রাপ্ত বেতন প্রতিমাসে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা, ২০২৪ সালের চুক্তি অনুযায়ী। (তথ্যসূত্র: বিসিবি ওয়েবসাইট ও ঢাকা ট্রিবিউন)। এছাড়া ম্যাচ ফি সহ অন্যান্য সব মিলিয়ে তিনি ১০-১১ লাখের মতো বেতন পান। এছাড়া জাতীয় দলে না খেলেও বিসিবির সেন্ট্রাল চুক্তিতে থাকা সর্বনিম্ন ক্যাটাগরির যেকোনো খেলোয়াড়ের বেতনও বাংলাদেশের যেকোনো সরকারি/বেসরকারি সর্বোচ্চ লেভেলের চাকরির চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।
শুধুমাত্র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ৩ ম্যাচ খেলে সাড়ে ৩ কোটি টাকার কাছাকাছি পান তারা। এই পরিমাণ টাকা দিয়ে দেশের কয়েক হাজার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসককে এক মাস ন্যূনতম বেতন দেয়া যায়, বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রাপ্য সম্মানি দেয়া যায়। কিন্তু আমরা আছি দায়িত্বজ্ঞানহীন, অপেশাদার কিছু লোককে নিয়ে, যারা দেশের জার্সি গায়ে বিশ্বমঞ্চে বছরের পর বছর নিয়মিত সার্কাস করে যাচ্ছেন।
দেশের ট্রেইনি চিকিৎসক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, মাদ্রাসার শিক্ষকদের ৬-৮ মাস বেতনহীন কাজ করে ন্যূনতম বেতনের দাবিতে বারবার রাস্তায় বসতে হয়, একই দেশের কিছু অপেশাদার ক্লাউন লক্ষ-লক্ষ টাকা বেতন নিয়ে বিশ্বমঞ্চে গিয়ে সার্কাস দেখাচ্ছেন, ম্যাচের আগে কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়ে আমোদ-প্রমোদ করেন, ক্যামেরার সামনে নির্লজ্জের মতো বক্তব্য দেন।
বিসিবির উচিত পারফরম্যান্স অনুযায়ী বেতন স্কেল ঠিক করে দেয়া।
পারফরম্যান্স না থাকলে, এদেরকে বেতন দিয়েন না প্লিজ।
-Collected