Raju The Designer

Raju The Designer I'm working in this industry since 2006.

I have the experience with Hotel InterContinental Dhaka, BICC, BASF, NRB Bank, Symphony, NOVA, SSG, East West Media Group, Bashundhara Group, Ain Sams General Hospital, TVS Bangladesh Ltd., HONDA Bangladesh Ltd.etc

Name badgeOrder Now: 01844174939 (what's app)
13/07/2023

Name badge
Order Now: 01844174939 (what's app)

Hi All Please Contact With Us
09/04/2021

Hi All Please Contact With Us

Eid Mubarok
25/06/2017

Eid Mubarok

শুভ নববর্ষ-১৪২৪
13/04/2017

শুভ নববর্ষ-১৪২৪

19/03/2017

সকল সেচ্ছাসেবকদের অবগতির জন্যে জানানো যাচ্ছে যে, রক্তের প্রয়োজনে কোন পোষ্ট করার সময় অবশ্যই নিম্নোক্ত তথ্য সমূহ প্রদান করুনঃ
১. রোগির সমস্যা কি?
২. রক্তের গ্রুপ ও কত ব্যাগ লাগবে ?
৩. হাসপাতালের নাম ও ঠিকানা, ব্লক/ওয়ার্ড, কেবিন/বেড নং, কত তলায়? (হাসপাতালে ভর্তি না থাকলে, বহিঃবিভাগ লিখবেন) ।
৪. কোন দিন ও কোন সময়ের মধ্যে লাগবে এবং
৫. অবশ্যই রুগির রিলেটিভের মোবাইল নাম্বার, যিনি বর্তমানে রুগির কাছে আছেন এবং ওনি রোগীর কি হন?
৬. রক্তের ব্যবস্থা হলে অবশ্যই পোষ্ট এর নিচে রক্তের ব্যবস্থা হয়েছে লিখে কমেন্টস করবেন বা এডিট করে পোষ্টের উপরে ব্লাড ম্যানেজ লিখে দিবেন ।
৭. রক্তের জন্য কোন লোক রিকুয়েস্ট করলে, বিস্তারিত না লিখলে পোষ্ট করবেন না, বিস্তারিত জানার জন্যে প্রয়োজনে তাদের মোবাইলে কল/মিসড কল দিয়ে বিস্তারিত জেনে তার পর পোষ্ট করবেন ।
৮. আপনাদের কাছে কেউ রক্তের জন্যে কল করলে ওনার নাম, রক্তের গ্রুপ ও ঠিকানা জেনে নিবেন এবং নোট করে রাখবেন । পরবর্তী সময়ে ওনার এলাকায় অথবা উনার কাছা-কাছি ওই গ্রুপের রক্ত লাগলে ওনাকে ফোন করে রক্ত দেওয়ার জন্য বলবেন ।
৯. আর পারলে বাংলাতে লিখে পোষ্ট করার জন্যে চেষ্টা করবেন ।
অনুগ্রহ করে তথ্যগুলো দিয়ে পোস্ট করুন/ ইনবক্স করুন আমরা অবশ্যই আপনাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো, ইন'শা'আল্লাহ

সংগ্রহ:
#ফারুক হোসাইন জনী এর ওয়াল থেকে

15/03/2017

দীর্ঘশ্বাষ:::::: নোংরামীর জন্য আমরা আর কত নিচে নামব::::::
ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া যমুনা টিভির একটা ক্লিপ দেখলাম। আমি ভিডিওটা দেখে স্রেফ আঁতকে উঠলাম। স্রেফ আঁতকে।
ধর্ম যার যার, উৎসব সবার - কথাটার মানেও শিখলাম নতুন করে। আচ্ছা এই কথাটার প্রবক্তা কে? কার অসাধারণ মস্তিষ্ক থেকে এক কথাটা এসেছে??
আমরা যারা মুসলিম। তাদের প্রধান দুটি উৎসব হলো ঈদুল ফিতর আর ঈদুল আজহা। আমাদের এই উৎসবের বিশেষত্ব কি? স্পেশালি ঈদুল ফিতরের? নামাজ পড়া একত্রিত হয়ে। নতুন জামাকাপড় পড়ে ঘুরে বেড়ানো, গরীব দুখিদের মধ্যে আনন্দ ভাগ করা - এইতো?? কখনো কোনো অন্য ধর্মের কাউকে আমি নামাজে দেখলাম না। তাহলে এই উৎসব তারা কীভাবে পালন করে? আমার খুব কাছের বন্ধুদের মধ্যে কিছু অন্য ধর্মের মানুষ আছেন, তাদের নতুন জামাকাপড় কেনা তো দূরের কথা - দাওয়াত দিয়ে বাসায়ও আনতে পারিনি। তাহলে এই উৎসবে তারা কীভাবে শামিল হয় - আমার অল্পবয়সী মস্তিষ্ক আজও ধরতে পারেনি।
ঈদুল আজহায় আমরা পশু কুরবানি করি। সৃষ্টিকর্তার খুশির উদ্দেশ্যে, নিজের মনের পশুকে বিসর্জনের উদ্দেশ্যে আমরা পশু কুরবানি দেই। গোশত তিন ভাগে ভাগ করে বিলিয়ে দেই। কই এই উৎসবেও কখনো কোনো অমুসলিমকে আমি অংশগ্রহণ করতে দেখিনি।
ধর্ম যার যার - উৎসব সবার! এই কথাটা আসলে কোন ভিত্তিতে দাড় করানো হয়েছে??
আমি ঢাকায় বড় হয়েছি। হোলি উৎসব সম্পর্কে তেমন ধারণাও আমার ছিলো না। এমনকি ঢাকায় আসার পরের পর্যন্ত আমার হোলি কেবল বলিউড ফিতার সেলুলয়েডে বন্দী একটা রং খেলা মনে হয়েছে। আমাদের দেশের সনাতন ধর্মালম্বীরা হয়তো এটা অনেক আগে থাকতেই পালন করে আসছেন, আমি যেহেতু আমার এলাকায় আমার হিন্দু বন্ধুদের করতে দেখিনি - তাই এগুলো আমার জ্ঞানের বাইরে ছিলো এতদিন। গত দুই তিন বছর ধরে ফেসবুক খুললেই দেখছি হিন্দুদের পাশাপাশি আমাদের মুসলিমদের অনেকেই এই উৎসবে সমান ভাবে অংশগ্রহণ করছেন।জি গত বছর আমিও উৎসাহীত হয়ে যাওয়ার প্লান করছিলাম কিন্তু অতদুর যাওয়ার সাহস পাইনি।
এই ব্যাপারে যতটুকু জানি তা হলো, হিন্দু কোনো রাজার অত্যাচারের স্বীকার হওয়া তার বোনের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিয়েছিলেন কোনো এক দেবতা। সেই প্রতিশোধের মূহুর্তকে স্মরণ করতে সনাতন ধর্মালম্বীরা ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে আবীর মেখে একে অপরের গায়ে, দেবতাকে ধন্যবাদ জানান।
আমরা যেহেতু খুবই অকামের সুযোগসন্ধানী জাতি, তাই রং চং মাখার এই উৎসবে সবাই একসাথে ঢলে পড়ি। আসলে কি আমরা মুসলিমরা দেবতাকে ধন্যবাদ দিতে যাই? নাকি আমাদের উদ্দেশ্য থাকে ভিন্ন??
এই অবাধ রং চং মাখার উৎসবে সবচেয়ে বড় ফায়দা নিচ্ছে একদল মস্তিষ্ক বিকৃত যৌন আসক্তিতে আক্রান্ত যুবক। যাদের কাজ হলো, ভীড়ের মধ্যে মেয়েদের গায়ে হাত দেয়া! এরা মার্কেটে ভিড়ের মধ্যে মেয়েদের পিছনে হাত দেয়, বাসে ঝাকি খেয়ে মেয়েদের কোলে ঘেষে পড়ে। এরা পহেলা বৈশাখে মেয়েদের ঘিরে রেখে ভীড়ের মধ্যে সেক্সুয়াল হ্যারাজমেন্ট করে! হোলি উৎসব এসেছে তাদের কাছে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হিসেবে!
কাল যমুনা টিভির ওই ক্লিপে দেখলাম, রাস্তায় হেটে যাওয়া পথচারী, স্কুল কলেজের পিচ্চি পিচ্চি মেয়েদের টেনে হিচড়ে রিক্সা থেকে নামিয়ে গায়ে রং মেখে দিচ্ছে! একটা মেয়ে যমুনা টিভির রিপোর্টারের সাথে কথা বলার সময়ে, সেই রিপোর্টারের সামনেই মেয়ের মুখে বিশ্রীভাবে হাত দিয়ে রং মাখিয়ে দিচ্ছে এক যুবক। মেয়েটা হতাশায়, ঘৃনায় স্রেফ তাকিয়ে রইলো! এটা কোন ধরণের উৎসব?
"ধর্ম যার যার - উৎসব সবার", এই স্লোগানের আসল মানে কি?? বর্বরতা, নোংরামি, যৌনতা?? ধর্ম যার যার, উৎসব সবার - এই কথাটাকে এভাবেও তো প্রকাশ করা যায়, 'সকল ধর্মের মানুষেরা নিরাপদে যার যার মতো করে উৎসব পালন করবে।' কারো ধর্ম পালনে কোনো বাধা থাকবে না। সবার সকল নিরাপত্তা থাকবে।
এভাবে জাপ্টে ধরে, অনুমতি ছাড়া টেনে হিচড়ে গায়ে রং মাখানো দিয়ে নোংরামি হতে পারে, বিকৃত যৌনতার খায়েশ মিটতে পারে, বদমাইশি হতে পারে - উৎসব পালন হইতে পারেনা। এটাকে অংশগ্রহণ বলে না।
"ধর্ম যার যার - উৎসব সবার" - এই জিকিরের নামে মেয়েদের বুকে পিঠে হাত না দিয়ে সনাতন ধর্মালম্বীরা হোলি খেলা কীভাবে বাঁধাহীনভাবে পালন করতে পারে - সেদিকে খেয়াল দিন।
Collected

15/03/2017

25/02/2017

এই পোস্টটি আমার মত বেসরকারী চাকুরিজীবিদের জন্য
উৎসর্গ করলাম....

18/01/2017

Address

Fakirapool
Motijheel C/A
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raju The Designer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share