Biyabd.com

Biyabd.com লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন Biyabd

বিয়ের জন্য পুরুষের যেসব গুণাবলি থাকা জরুরি   বিয়ের জন্য পুরুষের যেসব গুণাবলি থাকা জরুরিযাদের সামর্থ্য আছে, বিয়ের প্রতি আ...
04/12/2021

বিয়ের জন্য পুরুষের যেসব গুণাবলি থাকা জরুরি

বিয়ের জন্য পুরুষের যেসব গুণাবলি থাকা জরুরি
যাদের সামর্থ্য আছে, বিয়ের প্রতি আকর্ষণ আছে, আল্লাহ তাআলা তাদের সবাইকে বিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাছাড়া বিয়ে হচ্ছে সব নবি রাসুলের অন্যতম সুন্নাত। বিয়ের জন্য কনে নির্বাচনে যেমন নির্দেশনা রয়েছে তেমনি বর নির্বাচনেও রয়েছে বিশেষ কিছু উপযুক্ত গুণ ও যোগ্যতা। বিয়ের জন্য বরের কী যোগ্যতা ও গুণ থাকা খুবই জরুরি?

বিয়ের জন্য বরের অন্যতম যোগ্যতা হচ্ছে- ‘দ্বীনদারি ও চারিত্রিক পবিত্রতা’। অর্থাৎ যে বর আল্লাহকে ভয় করে ফরজ ইবাদতসমূহ যথাযথভাবে আদায় করে এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকে। আর আচার-আচরণগত দিক থেকে উত্তম হয়, সেই বরই বিয়ের জন্য উপযুক্ত ও উত্তম। হাদিসে পাকে এসেছে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমাদের কাছে যদি এমন পাত্র বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে- যার দ্বীনদারি ও চরিত্র তোমাদের কাছে পছন্দনীয়; তবে তার সঙ্গে তোমাদের কন্যাদের বিয়ে দিয়ে দাও। যদি তোমরা এরূপ না কর (দ্বীনদার ও চরিত্রবান পাত্রকে ফিরিয়ে দাও এবং তাদের সঙ্গে কনের বিয়ে না দাও) তবে এর কারণে জমিনে অনেক বড় ফেতনা-ফাসাদ সৃষ্টি হবে।’ (তিরমিজি)

এ হাদিসে বরের দুটি গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একটি হলো- দ্বীনদারি আর অন্যটি হলো চারিত্রিক পবিত্রতা। সুতরাং বিয়ের জন্য উপযুক্ত পাত্রের অন্যতম গুণও এ দুটি।

অনেকে আবার দুনিয়ার অর্থ-সম্পদের বিষয়টিকেও উপযুক্ত বরের শর্ত হিসেবে দেখে থাকেন। আসলেই তা যথার্থ নয়। কেননা মহান আল্লাহ ঘোষণা দেন-

‘তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ের বাকি, তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও আর তোমাদের দাস ও দাসিদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ণ, তাদেরও (বিয়ে দাও)। তারা যদি সম্পদহীন নিঃস্ব ও ফকির হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের সবাইকে সচ্ছলতা দান করবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা নুর : আয়াত ৩২)

কুরআন-সুন্নাহর ঘোষণা অনুযায়ী ইসলামিক স্কলাররা বিয়ের কুফু বা উপযুক্ত হওয়ার জন্য বরের নির্বাচনে চারটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েছেন। বিয়ের সময় বরের যে জিনিসগুলো দেখা আবশ্যক, তাহলো-

- ধর্ম তথা দ্বীনদারি : ধর্মহীন কোনো অমুসলিম কিংবা কাফেরের কাছে মেয়ে বিয়ে দেয়া যাবে না। আবার নেককার কন্যাকে ফাসেকের সঙ্গেও বিয়ে না দেয়া।

- স্বাধীন : কোনো স্বাধীন কন্যাকে পরাধীন তথা ক্রিতদাসের কাছে বিয়ে না দেয়া।

- বংশ মর্যাদা : ভালো কাজের জন্য সুনাম আছে এমন বংশের বরের কাছে কনের বিয়ে দেয়া। নিচু বংশের কারো সঙ্গে কনের বিয়ে না দেয়া।

- পেশা : আর যদি কনের পরিবার ভালো ও উচ্চ বংশের হয় তবে নিচু বংশের (নাপিত, ধোপা ও মুচির সম পর্যায়ের) কারো সঙ্গে বিয়ে না দেয়া।

হজরত ইমাম মালেক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বরের জন্য দ্বীনদারি ও চারিত্রিক পবিত্রতাকে যথাযথ উপযুক্ত উত্তম গুণ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।

হজরত মোল্লা আলি কারি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন, ‘ধর্ম ও চরিত্র ব্যতীত পাত্রের যদি আর কোনো উপযুক্ত বিশেষণ না থাকে এবং কনে তাতেই সন্তুষ্ট থাকে, তবে বিয়ে বিশুদ্ধ হতে কোনো অসুবিধা নেই।’

মনে রাখতে হবে

অর্থ-সম্পদ কিংবা অধিক মোহর দেয়ার সক্ষমতা কোনো বরের উপযুক্তগুণ নয় বরং কনের জন্য নিরাপদ ও উত্তম বরের গুণ হবে দ্বীনদারি ও চারিত্রিক পবিত্রতা।

মুমিন মুসলমানের উচিত, কনে বিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে দ্বীনদারি ও চারিত্রিক পবিত্রতার অধিকারী কিনা তা দেখা। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বর-কনের বিয়ে সম্পাদ করাই উত্তম।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক বিয়ে-শাদি ও সংসার জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিয়ে‘যার বিয়ে তার খোঁজ নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই’। শুনতে যেমনই হোক, এটাই বাস্তব এবং স্বাভাবিকও। কারণ, বিয়ে দুজন মানুষকে এক ...
03/12/2021

বিয়ে
‘যার বিয়ে তার খোঁজ নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই’। শুনতে যেমনই হোক, এটাই বাস্তব এবং স্বাভাবিকও। কারণ, বিয়ে দুজন মানুষকে এক করলেও তা মূলত একটি সামাজিক স্বীকৃতি। সমাজের ক্ষুদ্রতম একক পরিবার গঠনের স্বীকৃত পদ্ধতি বিয়ে। যে দেশ বা যে সমাজই হোক না কেন, প্রাচীন এ প্রথাই এখনো পরিবার গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। ফলে বিয়েকে কেন্দ্র করে পাড়াপড়শিদের ঘুম হারাম হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।
বাংলায় ‘বিয়ে’ শব্দটি এসেছে ‘বিবাহ’ থেকে। এখনো বিয়ের কার্ডে হামেশাই দেখা যায় ‘শুভ বিবাহ’ শব্দযুগল। কথা হচ্ছে, এই ‘বিবাহ’ শব্দের অর্থ কী? এর অনুসন্ধান থেকে কি প্রথার খোঁজ মিলতে পারে? দেখাই যাক। ‘বিবাহ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে বি-পূর্বক বহ্ ধাতু ঘঞ্–এর সমন্বয়ে। শব্দটির এই মূলের দিকে তাকালে বোঝা যায়, কাউকে বহন করে আনাকেই বিবাহ বলে। তবে এমন ব্যাখ্যায় বিপদ অনিবার্য। কারণ, মোটাদাগে অর্থটিকে গ্রহণ করলে এমন অনেক কিছুর সঙ্গেই আমাদের ‘বিবাহ’ সম্পাদন হয়ে যেতে পারে, যা আদতে প্রয়োগমূল্য রাখে না।

23/11/2021
বিবাহ বা বিয়ে হল একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে দু'জন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়।[১] বিভি...
04/11/2021

বিবাহ বা বিয়ে হল একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে দু'জন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়।[১] বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতিভেদে বিবাহের সংজ্ঞার তারতম্য থাকলেও সাধারণ ভাবে বিবাহ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে দু'জন মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও যৌন সম্পর্ক সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে। কিছু সংস্কৃতিতে, যে কোন প্রকারের যৌন কর্মকাণ্ডে প্রবৃত্ত হওয়ার পূর্বে বিবাহ সম্পন্ন করাকে বাধ্যতামূলক হিসেবে পরামর্শ দেওয়া হওয়া অথবা বিবেচনা করা হয়। বিশদ বিবৃত সংজ্ঞার ভাষায় বলতে গেলে, বিবাহ হল একটি বৈশ্বিক সার্বজনীন সংস্কৃতি। বিবাহ সাধারণত কোন রাষ্ট্র, কোন সংস্থা, কোন ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ, কোন আদিবাসী গোষ্ঠী, কোন স্থানীয় সম্প্রদায় অথবা দলগত ব্যক্তিবর্গের দ্বারা স্বীকৃত হতে পারে। একে প্রায়শই একটি চুক্তি হিসেবে দেখা হয়। সাধারণত আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মীয় অথবা ধর্মনিরপেক্ষ আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। বৈবাহিক কার্যক্রম সাধারণত দম্পতির মাঝে সমাজ-স্বীকৃত বা আইনগত দায়িত্ববোধ তৈরি করে, এবং এর মাধ্যমে তারা বৈধভাবে স্বেচ্ছায় সন্তানসন্তানাদির জন্ম দিতে পারে। বিশ্বের কিছু স্থানে, পরিবার-পরিকল্পিত বিবাহ, শিশু বিবাহ, বহুবিবাহ এবং জোরপূর্বক বিবাহ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে পালিত হয়। বলা বাহুল্য, আন্তর্জাতিক আইন ও নারী অধিকার বিষয়ক উদ্যোগের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখিত বিবাহরীতিগুলো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আইনগত স্বীকৃতির ক্ষেত্রে, অধিকাংশ সার্বভৌম রাষ্ট্র ও অন্যান্য বিচারব্যবস্থা বিবাহকে দু'জন বিপরীত লিঙ্গের মানুষের মধ্যে সীমিত করে এবং এদের মধ্যে হাতে গোনা কিছু রাষ্ট্র বহুবিবাহ, শিশুবিবাহ এবং জোরপূর্বক বিবাহকে স্বীকৃতি দেয়। বিগত বিংশ শতাব্দীতে এসে, ক্রমবর্ধমানভাবে বহুসংখ্যক রাষ্ট্র এবং অন্যান্য বিচারব্যবস্থা আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিবাহ, আন্তঃধর্মীয় বিবাহ এবং অতি সাম্প্রতিকভাবে সমলিঙ্গীয় বিবাহের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে এদেরকে আইনগত স্বীকৃতি নিয়েছে। কিছু সংস্কৃতি তালাকের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দেয় এবং কিছু স্থানে রাষ্ট্রের আইনগত নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও শিশুবিবাহ এবং বহুবিবাহ সংঘটিত হয়ে থাকে। বিবাহের মাধ্যমে পরিবারের সূত্রপাত হয়। এছাড়া বিবাহের মাধ্যমে বংশবিস্তার ও উত্তরাধিকারের সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিবাহের মাধ্যমে পরস্পর সম্পর্কিত পুরুষকে স্বামী (পতি) এবং নারীকে স্ত্রী (পত্নী) হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। স্বামী ও স্ত্রীর যুক্ত জীবনকে "দাম্পত্য জীবন" হিসাবে অভিহিত করা হয়। বিভিন্ন ধর্মে বিবাহের বিভিন্ন রীতি প্রচলিত। একইভাবে বিভিন্ন সমাজে বিভিন্ন প্রথায় বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বিবাহ মূলত একটি ধর্মীয় রীতি হলেও আধুনিক সভ্যতায় এটি একটি আইনি প্রথাও বটে। বিবাহবহির্ভুত যৌনসঙ্গম অবৈধ বলে স্বীকৃত এবং ব্যভিচার হিসাবে অভিহিত একটি পাপ ও অপরাধ।

ইসলাম বিয়েকে ঈমানি দাবি হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিয়ের মাধ্যমে জীবনসঙ্গী হিসেবে নারী-পুরুষ পরস্পরকে বেছে নেয়ার অধিকার লাভ কর...
25/10/2021

ইসলাম বিয়েকে ঈমানি দাবি হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিয়ের মাধ্যমে জীবনসঙ্গী হিসেবে নারী-পুরুষ পরস্পরকে বেছে নেয়ার অধিকার লাভ করে।
ইসলামের দৃষ্টিতে সুস্থ, সবল ও সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য বিয়ে করা আবশ্যক। যেহেতু বিয়ের মাধ্যমে মানুষ জীবনসঙ্গী নির্বাচন করে, ইসলামী শরিয়ত বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর সাক্ষাৎকে বৈধ করেছে। বরং তাতে উৎসাহিত করেছে। যেন দাম্পত্যজীবনে অতৃপ্তি থেকে না যায়।

কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা বিয়ে করো সেই স্ত্রীলোককে, যাদের তোমাদের ভালো লাগে।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩)

আপনি কি পাত্র বা পাত্রী খুঁজছেন কিন্তু পছন্দের পাত্র পাত্রী খুজে পাচ্ছেন না । আপনার পছন্দের পাত্র বা পাত্রী খুজে পেতে এখ...
06/10/2021

আপনি কি পাত্র বা পাত্রী খুঁজছেন কিন্তু পছন্দের পাত্র পাত্রী খুজে পাচ্ছেন না । আপনার পছন্দের পাত্র বা পাত্রী খুজে পেতে এখনি রেজিস্টেশন করুন আমাদের এখানে

রেজিস্টেশন লিংকঃ https://cutt.ly/iECNQB1
মোবাইল অ্যাপ লিংকঃ https://cutt.ly/vECNZl0

মেয়েদের বিয়ের বিষয়ে যেন নিজে থেকে কিছু বলতে নেই। ছেলে দেখতে-শুনতে যেমনই হোক তাতে কি; ছেলে তো প্রতিষ্ঠিত! পরিবারের পছন্দ ...
02/12/2020

মেয়েদের বিয়ের বিষয়ে যেন নিজে থেকে কিছু বলতে নেই। ছেলে দেখতে-শুনতে যেমনই হোক তাতে কি; ছেলে তো প্রতিষ্ঠিত! পরিবারের পছন্দ হয়েছে তো - ব্যাস; এখন বিয়েটা হয়ে যাক।
না! এভাবে মেয়ের উপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিবেন না। আপনি অবশ্যই মেয়ের জন্য যোগ্য পাত্র খুঁজবেন তবে মেয়ের কেমন জীবনসঙ্গী পছন্দ তা আগে জেনে নিন ।
একটি মেয়ে জীবনসঙ্গী নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখে, কল্পনায় গুছানো সংসারের ছবি আঁকে কিন্তু মেয়েদের পছন্দ কে আমাদের সমাজে অনেকাংশেই গুরুত্ব দেয়া হয় না যা অনুচিত।
তরুণীরা যেমন পাত্র পছন্দ করেঃ
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
পাত্র পছন্দে নারীরা সব থেকে বেশী প্রাধান্য দেয় যে বিষয়ে তা হল শিক্ষাগত যোগ্যতা। কেবলমাত্র আর্থিক সচ্ছলতার জন্য নয় এক্ষেত্রে একজন শিক্ষিত পুরুষের মানবিক মানসিকতা নারীর কাছে মুখ্য।
মতের বা মানসিকতার মিলঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান নেহাল করিম বলেন - ‘এখন পাত্র-পাত্রী উভয়েই খুব সচেতন। তাঁরা নিজেরাই পছন্দ করে বিয়ে করছেন। এ ক্ষেত্রে শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে তাঁদের সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক মিলের বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে, বিয়ের ক্ষেত্রে আইনি বন্ধনই বড় নয়, মানসিক বন্ধনটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
বর্তমানে মেয়েরা চায় তাদের জীবনসঙ্গী এমন হবে যার সাথে মতের মিল থাকবে। বছরের পর বছর একটি মানুষের পছন্দের বা মতের সাথে নিজের জীবন বলি দেয়ার বিষয়ে মেয়েরা আজকাল বেশ সতর্ক।
কর্মঠ সঙ্গীঃ
পুরুষের শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে, চাকরি বা ব্যবসা করছে কিন্তু কর্মঠ নয় এরকম পাত্র নারীরা পছন্দ করেনা। বর্তমান শিক্ষিত নারীরা এ বিষয়ে বেশী সচেতন। নারীরা যেমন পুরুষদের উপর এখন আর নির্ভরশীল হতে চায় না তেমনি কর্মঠ নয় এমন পুরুষও তাদের পছন্দ নয়।
পোশাকে রুচিশীলঃ
বিশেষজ্ঞদের মতে, রুচিহীন পোশাকের পুরুষদের কোনো কিছুই নারীদের আকর্ষণ করে না। সাধারণত চলতি ফ্যাশন নারীদের কাছে প্রিয়। ভালো পোশাকই ব্যক্তির রুচির পরিচায়ক।
সঠিক বয়সের পার্থক্যঃ
আজকাল নারীরা যেমন স্বাবলম্বী হচ্ছে তেমনি জীবনসঙ্গিনীর বয়সের ব্যবধানের বিষয়ে বিশেষ পছন্দ রাখছে। পুরুষের বয়সসীমা নারীর বয়সসীমার চেয়ে বেশী ব্যবধান হলে এখনকার নারীরা বিয়ের সম্মতি দিতে নারাজ। একজন জীবনসঙ্গী বাছায়ের জন্য স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী পাত্রের পাত্রীর চাইতে ৩-৫ বছরের বয়সের পার্থক্য থাকা উচিত।
শারীরিক সুস্থতাঃ
এখন আর পূর্বের মত পাত্র বাছায়ে নারীরা শুধুমাত্র বাহ্যিক সৌন্দর্য ও ক্যারিয়ারের কারণে পাত্র পছন্দ করে ফেলেন না। পাত্রের শারীরিক গঠন ও সুস্থতা নিয়ে সচেতন নারীরা। ভবিষ্যৎ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে পাত্র/পাত্রীর সুস্থতার পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়।
সৎ এবং বিশ্বস্তঃ
সঙ্গী সৎ এবং বিশ্বস্ত হবে এমনটা প্রতিটি নারী আশা করেন। তারা চান সঙ্গী যেন অবশ্যই সৎ হয়। নারীরা সততার মাপকাঠিতে পুরুষকে সবার আগে যাচাই করেন তার বিশ্বস্ততা।
ব্যক্তিত্ববানঃ
ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন পুরুষদের নারীরা বেশি পছন্দ করে থাকেন। কারণ ব্যক্তিত্ববান পুরুষ সঙ্গীর পাশাপাশি অন্যের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম। কোন পুরুষ দেখতে আকর্ষণীয় না হলেও ব্যক্তিত্ববান হলে নারীরা তাদের পছন্দ করেন।
মানবিক গুণাবলীঃ
ব্যাক্তির আচরণে তার মানবিক ও মানসিকতার প্রকাশ পায়। নারীকে কে নারী হিসেবে না দেখে নারীকে মানুষ হিসেবে দেখবে, সম্মান করবে, ইচ্ছে কে প্রাধান্য দিবে, সফলতা কে শ্রদ্ধা করবে, স্বাধীনতা দিবে। এসকল মানবিক গুনাবলিগুলো একজন জীবনসঙ্গীর মাঝে থাকবে এরকমটাই নারীরা চান।
কথা বলার ধরনঃ
একজন মানুষের কথা বলার ধরণের উপর ঐ ব্যাক্তির অনেকগুলো দিক ফুটে উঠে। একজন পুরুষের কথা বলা যত মার্জিত-ভদ্র ও আকর্ষণীয় হবে নারীরা সহজেই সে পুরুষের উপর আকৃষ্ট হয়ে উঠে।
কাজে গোছালোঃ
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেশিরভাগ নারীরা স্বাবলম্বী। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরা বাহিরে কাজ করছে তবে অনেক নারীকে চাকরির পাশাপাশি একা ঘর সামলাতে হচ্ছে। তাই নারীরা চায় এমন জীবনসঙ্গী পেতে যারা ঘরের কাজে সহায়ক ও গোছালো হবে।
পৃথিবীতে সমস্ত গুণাবলীর ভাণ্ডার নিয়ে কোনো পুরুষই জন্মায়নি। সবদিক থেকে গুণাবলীসম্পন্ন পুরুষ সঙ্গী মেলা ভার। কিছু মৌলিক জিনিস আছে যেগুলো নারী-পুরুষের চাওয়ার মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তবে পাওয়ার মধ্যে অনেক অনেক পার্থক্য আছে। সবার দৃষ্টিভঙ্গি কিন্তু এক নয়। আপনার চোখে যা সুন্দর অন্যের চোখে তা তেমন সুন্দর নাও হতে পারে। নারীর পছন্দ, অপছন্দ চাওয়া-পাওয়া ইত্যাদির বিস্তর সন্ধান করেছেন গবেষকরা। অনাবৃত রয়েছে অনেক রহস্য।
অস্ট্রেলিয়ান মনোবিজ্ঞানী সিগমন্ড ফ্রয়েড মনে করেন -
মেয়েদের মন পুরুষদের চেয়ে অনেক পরিষ্কার থাকে। আর সে কারণে মেয়েরা তাদের মনটাকে ঘন ঘন বদলান। আবার তাদের অনেক প্রিয় বিষয় আছে যা তারা একেবারেই বদলান না।
www.biyabd.com

পাত্র বা পাত্রী খুজার সহজ মাধ্যম https://www.biyabd.com/
02/12/2020

পাত্র বা পাত্রী খুজার সহজ মাধ্যম https://www.biyabd.com/

Address

Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Biyabd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share