14/06/2025
গতকাল ১৩ জুন ’২০২৫ শুক্রবার বিকেল ৪.৩০ ঘটিকার সময় ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) “জুলাই ঘোষণাপত্র : নেত্রকোনাবাসীর প্রত্যাশায় ন্যায়ের রাজনীতি” শীর্ষক আলোচনা সভা নেত্রকোনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ)-এর জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নিয়ে সারা দেশব্যাপী ধারাবাহিক আলোচনার ৮ম পর্ব।
নেত্রকোনাবাসীর প্রত্যাশায় ন্যায়ের রাজনীতি শীর্ষক আলোচনায় উপস্থিত স্থানীয় নাগরিকরা জানান জুলাই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে নেত্রকোনাবাসী প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। পিছিয়ে পড়া জনপদ নেত্রকোনার সুযোগ সুবিধা মানসম্পন্ন করতে হবে।
এই আলোচনায় ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুল্লাহ আল মিনহাজ(ভিপি) বলেন, আত্মতৃপ্তির ফলে বিপ্লবী সরকার ঘটন হয়নি বলে ঘোষণাপত্র এখনো আসেনি। জুলাই ইমামরা সরকারে বসে থাকার পরও ঘোষণাপত্রের আশায় আমাদের ছুটতে হচ্ছে সবার দ্বারে দ্বারে।
এসময় বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির, নেত্রকোনা জেলা শাখার সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক রেজওয়ান খান হৃদয় বলেন: জান,জীবন,শ্রম,ঘাম,ত্যাগ-তিতিক্ষার মূল্য দিতে হবে জুলাই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
তার প্রত্যাশা জুলাইয়ে সবার অবদান স্বীকারে কার্পণ্য করবেনা কেউ। সহাবস্থান ও প্রতিযোগিতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকটা মানুষ যদি নিজের পরিবার থেকে পরিবর্তনের ডাক দেয় তাহলে দেশ বদলাতে সময় লাগবেনা।
আপ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সদস্য আরাফাত ই রাব্বি প্রিন্স বলেন ঢাকায় বসে ডিসিশন নিলে জনগণ আর মানবেনা তাই ৯০ হাজার গ্রাম বাংলাকে কানেক্ট করে সেই আলোকে পলিসি মেক করতে হবে। পলিসি এমনভাবে মেক করতে হবে যেন সর্বস্তরের সরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবার মান শতভাগ নিশ্চিত হয়।
উক্ত সভায় নেত্রকোনা জেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা জুবায়ের সাজিদ বলেন,রাজনীতির সমালোচনা করে কখনো রাজনীতির পরিবর্তন করা যাবেনা - এক্ষেত্রে জুলাই যোদ্ধাদের এগিয়ে আসতে হবে।
এছাড়াও ন্যায়ের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করার আশাবাদ ব্যক্ত করায় স্থানীয় সুধী জনেরা আপ বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান। অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ, বেকারত্ব মুক্ত, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা, ট্যাগিং মুক্ত রাজনীতির নতুন বাংলাদেশ চান বক্তারা।
জুলাই ঘোষণাপত্রের প্রয়োজনীয়তা ব্যক্ত করে উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি আপ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বদরে আলম শাহীন জানান “জুলাই ঘোষণাপত্র হবে বাংলাদেশ এর নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরির দরজা”। প্রায় পঞ্চাশের অধিক আগত অতিথির সম্মেলনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অন্যান্য সকল আলোচকবৃন্দ অতিদ্রুত জুলাই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।