18/05/2026
ক্যা'ন্সারে আ'ক্রান্ত স্ত্রীকে রেখে মাত্র ১৮ দিনের মাথায় দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন স্বামী!😥💔
ক্লাস নাইনে পড়া একটা ছোট্ট মেয়ে যে বয়সে বইয়ের পাতায় স্বপ্ন আঁকার কথা, সে বয়সেই সে বিশ্বাস করেছিল ভালোবাসা নামের এক মানুষকে। স্কুল ড্রেসের বয়সেই সে পরে নিলো সংসারের দায়িত্ব। প্রেম থেকে বিয়ে তারপর এক বুক স্বপ্ন নিয়ে শুরু হলো তার ছোট্ট ঘর।
মেয়েটার নাম উম্মে হাবিবা মিম। চোখে ছিলো হাজারো রঙিন স্বপ্ন৷ প্রিয় মানুষটার হাত ধরে সারাজীবন সুখে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু জীবন যে কখন কোন গল্প লিখে ফেলে, সেটা হয়তো মিমও জানতো না…🙂
বিয়ের মাত্র কয়েক মাস পর স্বামীর সাথে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়েছিল সে। হাসতে হাসতে বের হওয়া সেই পথটাই হয়ে গেলো জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অধ্যায়। একটা ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে সবকিছু। মিমের শরীর ভেঙে পড়তে শুরু করে। একসময় নাক, কান আর চোখ দিয়ে রক্তক্ষরণ পর্যন্ত শুরু হয়৷
তারপর দীর্ঘদিন আইসিইউ ঢাকা নিউরোসায়েন্স আর পিজি হাসপাতালের সাদা দেয়ালের ভেতরে মৃত্যুর সাথে প্রতিটা দিন যুদ্ধ করেছে মেয়েটা। ডাক্তাররা জানালেন, মিম আক্রান্ত এক বিরল ধরনের ব্লাড ক্যান্সারে।
কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যথাটা ক্যান্সারও না সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যথা ছিল সেই মানুষটার আচরণ, যার হাত ধরে সে নিজের পৃথিবী বদলে ফেলেছিল।
যে মানুষটার জন্য এত অল্প বয়সে পরিবার, শৈশব, পড়াশোনা সব ছেড়ে এসেছিল মিম সেই মানুষটাই এই কঠিন সময়ে তার হাত ছেড়ে দিলো। মিমের অসুস্থতার খবর জানার পর পাশে দাঁড়ানো তো দূরের কথা তাকে ডিভোর্স দিয়ে দিলো। আর বিচ্ছেদের মাত্র ১৮ দিনের মাথায় নতুন করে বিয়ের সাজে বসলো 🙂
ভালোবাসা আসলে এতটাই সস্তা? একটা মানুষ অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে এভাবে ফেলে চলে যাওয়া যায়? ১৯ বছরের একটা মেয়ের হৃদয় কতবার ভাঙলে সে পুরোপুরি নিঃশেষ হয়ে যায়? 💔
রাজশাহীর চারঘাটের এই মেয়েটার এখন খুব প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা। প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা লাগবে। কিন্তু তার বাবা একজন সাধারণ অটোমেকানিক্স। দিন এনে দিন খাওয়া একজন বাবার পক্ষে এত বড় যুদ্ধ একা লড়া সম্ভব না।
একদিকে শরীরজুড়ে ক্যান্সারের অসহ্য যন্ত্রণা অন্যদিকে প্রিয় মানুষটার বিশ্বাসঘাতকতা এই বয়সে এত কষ্ট কেউ কীভাবে সহ্য করে?
মিম হয়তো এখনো বাঁচতে চায়। হয়তো এখনো মনে মনে ভাবে “একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে…” 💔
Copy Post✅