14/10/2025
Mojo বনাম Coca-Cola: বাংলাদেশে নতুন এক গল্প
আগে সফট ড্রিংক মানেই ছিল Coke, 7up বা Pepsi। রেস্টুরেন্টে, বাসায়, পার্টিতে সব জায়গায় এই দুই নাম ছাড়া কিছুই ভাবা যেত না। কিন্তু এখন? মানুষ বলছে, “Coke কে বাদ দে, Mojo খা ভাই!” 😎
💥 কিভাবে এমনটা হলো?
সব শুরু গা_জা–ই_স_রা_য়ে_ল যু_দ্ধের পর থেকে।অনেক মুসলিম দেশেই মানুষ Coca-Cola আর Pepsi বর্জন করা শুরু করে, কারণ তারা ভাবে এই কোম্পানিগুলোর ই_স_রা_য়ে_ল_র সঙ্গে সম্পর্ক আছে। বাংলাদেশেও একই ঢেউ লাগে। আর Mojo তখন একদম perfect সময়টা ধরে ফেলে।
🧃 Mojo’র চালাকি (স্মার্ট মার্কেটিং!)
Mojo তখন “Support P_a_l_e_s_t_i_n_e” নামে একটা ক্যাম্পেইন চালু করে, প্রতি বোতল বিক্রি থেকে ১ টাকা যাবে ফিলিস্তিনের সহায়তায়। শুনতে ছোট ব্যাপার মনে হলেও, মানুষের মনে এর প্রভাব দারুণ পড়ে। লোকজন ভাবে: “আমি Mojo কিনলে শুধু soft drink না, একটা ভালো কাজও করছি।” এই emotional connect-টাই মোজো কে এগিয়ে নিয়ে যায়।
💸 লোকাল ব্র্যান্ড
Mojo বাংলাদেশী ও Akij Group-এর ব্র্যান্ড। তাই দাম কম, দোকানে সহজে পাওয়া যায়, আর সেই সঙ্গে “Made in Bangladesh” বলে একটা গর্বও আছে। আবার Coke-এর দাম বাড়ছে, Mojo steady. তাই অনেকে বলেই ফেলছে, “নিজের দেশের পণ্যই ভালো ভাই!”
📱 সোশ্যাল মিডিয়ায় আগুন 🔥
Facebook, TikTok, Twitter—সব জায়গায় “ ” ট্রেন্ড। অনেকে ভিডিও বানাচ্ছে Coke ফেলে Mojo খাচ্ছে। ইনফ্লুয়েন্সাররাও Mojo-কে “Proudly Bangladeshi drink” বলে প্রচার দিচ্ছে। এই ভাবেই Mojo একটা ট্রেন্ড না, বরং একটা মুভমেন্টে পরিণত হয়েছে।
📈 ফলাফল?
Dhaka Tribune-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, Mojo তাদের ক্যাম্পেইন থেকে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা দান করেছে ফিলিস্তিনের জন্য। আর বিক্রি? আগের চেয়ে বহুগুণ বেড়েছে। Coke এখন বোঝাতে ব্যস্ত যে ওরা ই_স_রা_য়ে_ল এর সঙ্গে জড়িত না, আর Mojo তখন হাসছে; কারণ বাজারের বেশির ভাগ জায়গা ওরা নিয়ে নিয়েছে।
Mojo প্রমাণ করে দিয়েছে, বাংলাদেশে এখন ব্র্যান্ডের চেয়ে অনুভূতি আর লোকাল প্রাইড অনেক বড় বিষয়। Coke এখনো আছে, কিন্তু Mojo-র গল্পটাই আসল অনুপ্রেরণা, “যদি মনের জায়গা দখল করতে পারো, বাজারটা আপনিই আপনার হয়ে যাবে।”