31/05/2026
প্রশ্ন: জিলহজ মাসে আইয়ামে বীযের রোজা রাখার বিধান কী?
উত্তর: আইয়ামে বীয বলতে প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখকে বোঝায়। এই তিন দিন রোজা রাখা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি সুন্নত আমল। তিনি নিয়মিত এই দিনগুলোতে নফল রোজা রাখতেন এবং সাহাবিদেরও উৎসাহিত করতেন।
তবে জিলহজ মাসে একটি বিশেষ বিষয় রয়েছে। ১০ জিলহজ ঈদুল আজহা এবং ১১, ১২ ও ১৩ জিলহজ হলো আইয়ামে তাশরিক। এই দিনগুলোতে রোজা রাখা হারাম। তাই জিলহজ মাসের ১৩ তারিখে আইয়ামে বীযের রোজা রাখা যাবে না।
এ কারণে জিলহজ মাসে প্রচলিত আইয়ামে বীযের তিন দিনের রোজা (১৩, ১৪, ১৫) পূর্ণভাবে পালন করা সম্ভব হয় না। অধিকাংশ আলেমের মতে, যেহেতু ১৩ জিলহজে রোজা রাখা নিষিদ্ধ, তাই ১৪ ও ১৫ জিলহজে নফল রোজা রাখা যেতে পারে। তবে এটি সাধারণ আইয়ামে বীযের পূর্ণ সুন্নতের সমতুল্য হবে না।
গুরুত্বপূর্ণ আমল
জিলহজের প্রথম ৯ দিনের মধ্যে বিশেষ করে ৯ জিলহজ (আরাফার দিন) রোজা রাখা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। রাসুল (সা.) বলেছেন, আরাফার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছর ও পরবর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয় (মুসলিম)।
সংক্ষেপে
✅ আইয়ামে বীযের রোজা সাধারণত ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে সুন্নত।
❌ ১৩ জিলহজে রোজা রাখা জায়েজ নয় (আইয়ামে তাশরিক)।
✅ ১৪ ও ১৫ জিলহজে নফল রোজা রাখা যেতে পারে।
⭐ ৯ জিলহজের আরাফার রোজা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ।
আল্লাহ তাআলা আমাদের জিলহজের ফজিলতপূর্ণ দিনগুলোতে বেশি বেশি ইবাদত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।