Global Digital marketing Agency

Global Digital marketing Agency Global Digital Marketing Agency Boost Up Your Sale & Leads

20টি কোর্স ফ্রিতে দিয়ে দিচ্ছি। যাদের প্রয়োজন নিয়ে শিখুন নিজে কিছু করার চেষ্টা করুন। 🔰অনুগ্রহ করে কেউ কোর্স বিক্রি করবেন ...
24/12/2021

20টি কোর্স ফ্রিতে দিয়ে দিচ্ছি।
যাদের প্রয়োজন নিয়ে শিখুন নিজে কিছু করার চেষ্টা করুন।
🔰অনুগ্রহ করে কেউ কোর্স বিক্রি করবেন না আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সিং এ এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে আমাদের সকলকে একে অপরের পাশে থাকতে হবে।
🔰আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি সবার পাশে থাকার জন্য। চাইলে আমার পেজের সাথে কানেক্ট থাকতে পারেন অন্য কোন কোর্স লাগলে বলবেন চেষ্টা করবো.
কোর্স লিংকঃ👇
https://drive.google.com/.../1hLeSmoe...
সবার জন্য রইলো শুভকামনা 🖤

Safely store and share your photos, videos, files and more in the cloud. Your first 15 GB of storage are free with a Google account.

ফ্রিতে নিয়ে নিন10 MS ২৪ ঘন্টায় কোরআন শিখি https://mega.nz/folder/QRYjwAxD  10 MS English Grammar Crash Course https://...
24/12/2021

ফ্রিতে নিয়ে নিন
10 MS ২৪ ঘন্টায় কোরআন শিখি
https://mega.nz/folder/QRYjwAxD
10 MS English Grammar Crash Course
https://mega.nz/folder/RAAlDSyT
10 MS Facebook Marketing (Ayman Sadiq _ Sadman Sadik)
https://mega.nz/folder/QIIzFCzD
10 MS Facebook Marketing by Ayman _ Sadman
https://mega.nz/folder/jmJHRSwR -v0ZLvWGnba4FoC7EQ
10 MS Ghore Bose Freelancing- Joyeeta Banarjee
https://mega.nz/folder/OzZBVIKJ
10 MS Microsoft Excel by Abtahi Iptesam
https://mega.nz/folder/KmQzxIyB -vw
10 MS Facebook Marketing by Ayman _ Sadman
https://mega.nz/folder/QJgACL7D
10 MS Ghore Bose Freelancing- Joyeeta Banarjee
https://mega.nz/folder/ANhClLpI
10 MS Microsoft Excel by Abtahi Iptesam
https://mega.nz/folder/NQg2gRhT
10 MS PowerPoint by Sadman Sadik
https://mega.nz/folder/VMggVRAa
10 MS Spoken English by Munjerin Shahid
https://mega.nz/folder/0EpG0Rxa -rnWbkbg
10 MS Wedding Photography (Prito Reza)
https://mega.nz/folder/hJ52UJaQ
10 MS চাকরী জীবনের প্রস্তুতি (Solaiman Shukhon)
https://mega.nz/folder/BFwmSRZD
Android
https://mega.nz/folder/jYxTzIjC
Blackhat Money Making Method
https://mega.nz/folder/FlJkgBxT
Bohubrihi Digital Marketing
https://mega.nz/folder/d5QE2LZC
Cders Foundation FIVERR
https://mega.nz/folder/NwZilDhB
Complete Affiliate Marketing
https://mega.nz/folder/tpBylbrB -8WDw
The MERN Stack! - Full Stack Web Development (JS) - Bohubrihi
https://mega.nz/folder/BpBxDCRK
Camtasia Studio Full Professional Video Editing-Beginner to Advance
https://mega.nz/folder/tA4xVITJ -PA
Complete Java Course Bangla
https://mega.nz/folder/Qdhh1KwC -yR6KSnK3ChAjyg
Complete Wordpress Theme customization
https://mega.nz/folder/FMgBCahS
CPA MARKETING
https://mega.nz/folder/JJxjyaLC
Cyber_71 Hacking Video paid
https://mega.nz/folder/NVojwKyL -lB1K3qx_-dC9Mm9ALg
Data Entry
https://mega.nz/folder/pQgBFQyB
Design Master Class
https://mega.nz/folder/gMxjhI4Y
Digital Marketing Course by Problem ki Academy
https://mega.nz/folder/EcwFiYSa -A
Ethical Hacking Full Course
Link:https://mega.nz/folder/66hQQAxQ -Q
Fiverr Special course by Mamunur Rashid
Link:https://mega.nz/folder/zmw03KAL
Fiverr Success Course
Link:https://mega.nz/folder/a65nBYCL
Full ASP.NET by eShikhon
Link:https://mega.nz/folder/a2pyiaxB
Full Microsoft Excel Course
https://mega.nz/folder/LBg1Ea4b
Full Wordpress Theme Development by eShikhon
https://mega.nz/folder/3B5FjCya
Bangla Resources, [14.08.21 15:02]
Google ADS- Class
https://mega.nz/folder/2R5X0A4C
Graphics Design by Programming Point
https://mega.nz/folder/XUoHAayA #-9kwrTy_kMyJadCJKVOQMg
Ghoori learning China Import business
https://mega.nz/folder/zJBl3STL -Oc2QX77KhYA
Graphics Design Update Tutorial Course by eShikhon
https://mega.nz/folder/TUJnUIrQ
GRAPHICS SCHOOL Graphic Design
https://mega.nz/folder/aVQT3aqY
Insta Pro - A Complete Advance Guideline For A Pro Marketer
https://mega.nz/folder/yQRiQRTY
IT FIRM BD Class Completed
https://mega.nz/folder/DBIDFISB
It bari - Word press theme Customization
https://mega.nz/folder/cl0ygQyQ
it bari web guru
https://mega.nz/folder/R082RYrZ -jIVG5r0EdD-vJw
Khalid Farhan video
https://mega.nz/folder/1tlQEKiZ -JbZt3dzAHF2mQ
MATLAB-shikkhok.com
https://mega.nz/folder/7YJi1DAK
Mobile Photography by Ghoori-Learning
https://mega.nz/folder/7AJwzToJ
Online Market Place A-Z
https://mega.nz/folder/2RQ0gZRT
Motion graphics 2D and 3D With After effect and Autodesk
https://mega.nz/folder/WEIU1LaA -ZtUsvB4w
PHP & MySQL Essential Training Bangla
https://mega.nz/folder/PJJ03JCL
Shikbo ami CPA
https://mega.nz/folder/mMRw2LCZ -w
TECHNICAL BANGLA COURSES
https://mega.nz/folder/9oU3SSxS
Typography and caligraphi
https://mega.nz/folder/gxExSAbL
Ultimate Fiverr Success Boost Sells _ Build Career In Online - MSB Academy
https://mega.nz/folder/A5cTBQhB -xQ
Unknown freelancing course
https://mega.nz/folder/8hc3WIha
vissim
https://mega.nz/folder/k8MxhKjI
JavaScript Bohub

14 files

21/12/2021

আমি কিভাবে এসইও করি, তা সংক্ষেপে তুলে ধরলাম।
আমরা বাঙ্গালী, স্বভাবগতই অলস প্রকৃতির। আমরা সব কিছুতেই সর্টকাট খুজি, এমন কি সফলতারও সর্টকাট খুজি। কিন্তু কি-বোর্ডের সর্টকাট এর মাধ্যমেও সফলতা সম্ভব।
ইনশাআল্লাহ আমি কি-বোর্ডের সর্টকাট দিয়েই সফলতা পেয়েছি। যার ফলসরুপ গত কালকে একটি এডসেন্স সহ সাইট ২,১৭,০০০/- টাকা বিক্রি করতে পারছি।
শুধু এই সাইট না আমার আরো বেশ কয়েকটা সাইট আছে। যে গুলো বিক্রি করলে ইনশাআল্লাহ আরোও এক লক্ষ + টাকা হবে।
#প্রিয় গ্রুপের নতুন ব্লগার ভাইয়েরা ইদানিং দেখছি আপনারা হতাস হয়ে পোস্ট করছেন। কেউ কেউ পোস্ট করেছেন--
বিভিন্ন কারনে এডসেন্স এপরুভ পাচ্ছেন না, কিওয়ার্ড যাচাই-বাচাই. কন্টেন্ট ইনডেক্স হচ্ছে না, এফিলিয়েট সাইট র‌্যাংক হচ্ছে না, ফাইবারে ২ বছর যাবৎ লেগে আছেন তবুও কাজ পাচ্ছেন না, পেলেও সঠিক স্কিল এর অভাবে কেউবা কাজ হারাচ্ছেন ইত্যাদি।
সব কিছুর মূলে বলবো আপনাদের সঠিক ভাবে স্কিল ডেভলপ করুন। প্রচুর প্রাকটিস করুন। বিশেষ ভাবে বলবো ভাল ভাবে আয়ত্ব করুন।
কারন ছাড়া আপনি ব্লগিংয়ে কোথাও সফল হতে পাবেন বলে আমার মনে হয় না। এমন কিছু যা সঠিক ভাবে আয়ত্ব করতে পারলে সফলতার স্বর্ণ শিখরে আরোহন করা সম্ভব।.................
এখন চলুন এসইও বিষয়ে কিছু জেনে নেয়া যাক।
এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেটির মাধ্যমে যেকোন ওয়েব পেজ শত শত কিওয়ার্ডের জন্যে সার্চ ইঞ্জিনে টপে জায়গা নিয়ে থাকে যাকে আমরা র‌্যাংক বলে থাকি।.................
এসইও কি?
এসইও এর পূর্ণরূপ হচ্ছে “সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন”। সহজ কথায় আমরা যখন গুগল এ কোন কিছু লিখে সার্চ দিই, তখন গুগল কতগুলো রেজাল্ট দেখায়। সেখান থেকে আমরা আমাদের পছন্দমত লিংকে ক্লিক করে আমার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটে ভিজিট করে আমাদের দরকারি তথ্য খুঁজে পাই। আর যেই কারণে গুগল কিংবা কোন সার্চ ইঞ্জিন ওই রেজাল্টগুলো দেখায়, সেই কারণ কিংবা পদ্ধতিকে বলা হয় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।............
এসইও কেন দরকার ?
মনে করুন, আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি বিবাহিত মেয়েদের থ্রি-পিস কাপড় বিক্রি করেন। এখন আপনি অবশ্যই চাইবেন যে গুগলে কেউ যখন বিবাহিত নারীদের থ্রি-পিস লিখে সার্চ দিবে তখন যেন গুগলে আপনার ওয়েবসাইটকেই প্রথমে দেখায়। তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের লিংকে ক্রেতারা এসে আপনার পণ্যটি কিনবে।
এখন এইযে পুরো প্রক্রিয়া যেটার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটকে গুগল “বিবাহিত মেয়েদের থ্রি-পিস” এই কিওয়ার্ডের জন্যে দেখাবে সেটাই আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভাষায় এসইও বলে থাকি।................
এসইও’র এর মৌলিক বিষয় কি কি ?
১. কম্পিটিটর এনালাইসিস:-
Content Quality,
Content Quantity,
Focus Keyword,
LSI Keyword,
Backlink,
DA/PA etc.
২. কিওয়ার্ড রিসার্চ:-
Keyword search volume,
Keyword difficulty,
keyword quantity,
LSI Keyword,
KGR Keyword etc.
৩. ব্যাকলিংক:-
Anchor Text,
Blog Comment,
Forum Posting,
Guest Posting,
Profile Backlink,
Social Bookmarking,
Web 2.0 etc.
৪. ভিজিটর এনালাইটিক্স:-
Find Search Engine,
Detect Keyword,
Visitor Bounce Rate,
Visitor Time Spend etc.
৫. সার্চ ইন্জিন রোবোট:-
ক্রলার,
ইনডেক্সার,
স্পাইডার
৬. এসইও'র প্রকার ভেদ:-
ক. ব্ল্যাক হ্যাট এসইও
খ. গ্রে হ্যাট এসইও এবং
গ. হোয়াইট হ্যাট এসইও.......................
ক. ব্ল্যাক হ্যাট:-
অবৈধ পন্থায় সাইটে ভিজিটর নিয়ে আসাকে বলা হয় ব্ল্যাক হ্যাট এসইও। আপনি জানলে অবাক হবেন কারন, ব্ল্যাক হ্যাট টেকনিক ফলো করেও যেকোনো ওয়েবসাইটে র‌্যাংকে নিয়ে আসা সম্ভব।
যদি আপনি এই ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করে ভিজিটর আনতে চান। তাহলে আপনাকে যে কাজগুলো করতে হবে,
* কিওয়ার্ড স্টাফিং
* ক্লিকবেট টাইটেল
* অজস্র ব্যাকলিং
খ. গ্রে হ্যাট এসইও:-
এসইও সেক্টরে ভালো এবং খারাপের মাঝামাঝি যে নিয়ম আছে, তাকে বলা হয় গ্রে হ্যাট এসইও। বেশিরভাগ ব্লগার বা এসইও এক্সপার্টরা এই গ্রে হ্যাট এসইওকে পছন্দ করে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, “গ্রে হ্যাট এসইও এর কোনো সাইড ইফেক্ট নেই?”
হুমম, গ্রে হ্যাট টেকনিকেরও ব্যাপক সাইড ইফেক্ট রয়েছে। তবে একটা কথা আছেনা, “চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা, যদি না পড়ো ধরা”।🙃🙃
গ. হোয়াইট হ্যাট এসইও:-
এসইও এর যতো টেকনিক আছে, তার মধ্যেও সবচেয়ে Safe এবং legal হলো হোয়াইট হ্যাট এসইও। আর আপনি যখন হোয়াইট হ্যাটের সবগুলো টেকনিক সম্পর্কে বুঝতে পারবেন। তখন আপনিও নিজেকে একজন এসইও এক্সপার্ট হিসেবে দাবী করতে পারবেন।
কিভাবে এসইও করবো:-
ক. অর্গানিক এসইও এবং
খ. পেইড এসইও।.........
ক. অর্গানিক এসইও:-
যখন আপনি বিভিন্ন টেকনিক অবলম্বন করে সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসবেন। তখন ভিজিটর নিয়ে আসার সেই উপায়কে বলা হয় অর্গানিক এসইও।
খ. পেইড এসইও :-
আপনি পেইড এসইও করার জন্য আগ্রহী হয়ে থাকেন। তাহলে আপনাকে বিপুল পরিমানে অর্থ ব্যয় করতে হবে।
--------------
অর্গানিক এসইও’র প্রকারভেদ:-
ক. অন পেজ এসইও
খ. অফ পেজ এসইও
গ. টেকনিক্যাল এসইও
ক. অন পেজ এসইও:-
অনপেজ এসইও করার জন্য আপনাকে যে কাজগুলো করতে হবে তা হচ্ছে---
Title optimize,
Meta tag,
Optimise Description,
SEO Friendly Content,
Keyword research,
Keyword placement,
LSI keywords,
Content Longer,
Tag,
Category,
Menu placement,
Https,
SSL Certificate,
Robots.txt etc.
খ. অফ পেজ এসইও:-
অফপেজ এসইও করার জন্য কোন টেকনিক গুলো ফলো করবেন.
Anchor Text,
Blog Comment,
Forum Posting,
Guest Posting,
Profile Backlink,
Social Bookmarking,
Web 2.0 etc.
গ. টেকনিক্যাল এসইও:-
এমন কিছু বিষয় রয়েছে৷ যেগুলো টেকনিক্যাল এসইও এর আওতায় পড়ে। বিষয়গুলো হলো..
Sitemap & Robots.txt file upload,
Crawler error fixing,
Duplicate content,
301 redirects,
URL structure,
SSL certificate,
Website structure & Design,
Page Loading speed,
Mobile Usability etc.
৭. এসইও করার টুলস:-
অনলাইনে SEO করার জন্য ২ ধরনের টুলস পাবেন
ক. পেইড টুলস
খ. ফ্রী টুলস
ক. পেইড টুলসের কি কি:-
SEO Spider,
Ahrefs,
SEMrush,
Moz Pro,
KWFinder,
Searchmetrics,
Yoast SEO etc.
খ. ফ্রি টুলস কি কি:-
Google Analytics,
Google Trands,
Search Console,
Keyword Hero,
Screaming Frog,
SEOlyzer,
Answer The Public,
Keyword Planner,
Keyword Surfer,
Ubersuggest etc.
এ পর্যন্ত যা লিখছি তা আমার একান্ত ব্যক্তিগত মতামত। সময় স্বল্পতার কারনে সংক্ষেপে লিখলাম। আশা করছি নতুনদের জন্য উপকারী হবে। ভুল-ত্রটি মার্জনীয়।

21/12/2021

্রেন্ডলি_কন্টেন্ট_লেখার_নিয়ম। নতুনদের জন্য।
ডিজিটাল মার্কেটিং এই সময়ে একটি ওয়েবসাইট কে রেংক করা সহজ বিষয় নয়। যে কোন সাইটকে র‌্যাংক করার জন্য এসইও জ্ঞান আবশ্যক। তন্ম্যেধ্য ্রেন্ডলি_কন্টেন্ট_লেখার বিকল্প নেই।
সুপ্রিয় বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের কন্টেন্ট রাইটিং কি ? এসইও ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট লেখার নিয়ম, কন্টেন্ট রাইটিং কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি এবং কিভাবে শুরু করবেন সহ বিস্তারিত আলোচনা করবো। এছাড়া আরোও বলবো একজন সেরা কন্টেন্ট রাইটার হতে কি কি প্রয়োজন হয়।
#এই কন্টেন্ট টি কাদের জন্য?
#যারা কন্টেন্ট রাইটিং শিখতে আগ্রহী
#যারা কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী
#এক নজরে একজন কন্টেন্ট রাইটার:-
সাধারণ পদবী: কন্টেন্ট বা আর্টিকেল রাইটার, কন্টেন্ট ডেভেলপার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর।
বিভাগ: গণমাধ্যম, মার্কেটিং, বিজ্ঞাপন ও সেলস।
প্রতিষ্ঠানের ধরন: ফ্রিল্যান্সিং, প্রাইভেট ফার্ম/কোম্পানি।
কাজের ধরন: ফুল-টাইম এবং পার্ট-টাইম।
লেভেল: লো, মিডিয়াম, হাই।
সম্ভাব্য অভিজ্ঞতা সীমা: 0 – 2 বছর।
সম্ভাব্য গড় বেতন: ৳10,000 – ৳1,00,000+ যা কাজ, অভিজ্ঞতা সাপেক্ষে
এন্ট্রি লেভেলে সম্ভাব্য বয়স: 18 -35 বছর।
মূল স্কিল: আকর্ষণীয়, সুন্দর বা সাজিয়ে-গুজিয়ে লিখতে পারা, ইমেজ অপ্টিমাইজ ও কিওয়ার্ড রিসার্চ করার দক্ষতা।
বিশেষ স্কিল: অনলাইনে লেখার পারদর্শিতা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি- মাস্টার্স।
#কন্টেন্ট রাইটার কাকে বলে ?
কোন ব্যক্তি যখন নিজের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা কৌশল এবং দক্ষতা ব্যবহার করে একটি কন্টেন্ট তৈরি করেন বা লিখেন তখন সেই ব্যক্তিকে বলা হয় কন্টেন্ট রাইটার।
উদাহরণঃ আমি আমার ব্লগ সাইট এর জন্য বিভিন্ন বিষয়ে কন্টেন্ট লিখে থাকি। সেহেতু আমি এই অনুচ্ছেদ টি লেখার মাধ্যমে কন্টেন্ট তৈরি করছি, এজন্য আমাকে একজন কন্টেন্ট রাইটার বলা যেতে পারে।
বর্তমান যুগ অনলাইন নির্ভর তাই ইন্টারনেটের এই যুগে বিভিন্ন কোম্পনি বা প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের প্রডাক্ট বা সার্ভিস গুলো অনলাইনে প্রচার করার জন্য কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ব্যবহার করে থাকে। আর এই প্রক্রিয়াতে বিজনেস, প্রডাক্ট, সার্ভিস বা ব্রান্ড এর উপর কন্টেন্ট লেখা হয়।
এই কন্টেন্ট গুলোকে ইন্টারনেটে পাবলিশ করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লগ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এছাড়া আপনি যদি মনে করেন ঘরে বসে অনলাইন ইনকাম করার ক্ষেএেও নিজে পার্সোনাল ভাবে নিজের একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে সেখানে নিজের লেখা আর্টিকেল / কন্টেন্ট লিখে পাবলিশ করতে পারবেন।
এভাবে ছোট বড় কোম্পনি, ফার্ম বা ব্লগিং এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত ভাবে অনলাইন ইনকাম করার জন্য কন্টেন্ট এর চাহিদা বর্তমানে প্রচুর পরিমানে। বর্তমানে আমরা সবাই ডিজিটাল হয়ে যাওয়ার কারণে একজন কন্টেন্ট রাইটার এর চাহিদা অনেক এবং আপনি যদি একজন ভালো মানের কন্টেন্ট রাইটার হয়ে থাকেন তাহালে আপনার জন্য প্রচুর পরিমানে চাকরির সুযোগ রয়েছে।
মনে করুন, আপনার বিভিন্ন ব্লগ সাইট রয়েছে অনলাইনে। এবার আমার ব্লগে কন্টেন্ট লেখার উদ্দেশ্য বিভিন্ন কন্টেন্ট রাইটাররা নিজের ঘরে বসে আর্টিকেল লিখছে আমার ব্লগ সাইটে পাবলিশ করার জন্য। এতে করে আমার ব্লগের জন্য কন্টেন্ট লেখা কন্টেন্ট রাইটাররা ঘরে বসে টাকা আয় করার সুযোগ পাচ্ছে। এবার আপনারা ভাবুন কতটা সুবিধা এবং লাভজনক কাজ এটা।
তবে আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা কন্টেন্ট রাইটিং এর বিষয়ে ভালো করে জানে না। এজন্য আমি নিজে সম্পুর্ন সুন্দর করে বুঝিয়ে দিবো কন্টেন্ট রাইটিং কি। তাছাড়া আমি আরো কিছু কন্টেন্ট রাইটিং টিপস অবশ্যই দিবো, যাতে আপনারা সহজে শিখতে পারেন।
#কন্টেন্ট কি ?
কন্টেন্ট কি ? এই বিষয়ে ভালো করে জানার জন্য প্রথমে আমাদের জানতে হবে কন্টেন্ট মানে কি সেই সম্পর্কে। এখানে বাংলাতে কন্টেন্ট এর মানে হলো বিষয়বস্তু। লেখনের উদ্দেশ্য করে কন্টেন্ট এর কথা বলা হয় তাহলে কন্টেন্ট বলতে, আপনি যেটা লিখছেন নিজের কৌশলের মাধ্যমে সেই বিষয় বস্তু তৈরি করেছেন সেটাই একসাথে কন্টেন্ট বলা যেতে পারে।
সহজ ভাবে বললে, যখন আপনি সম্পুর্ন নিজের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান ব্যবহার করে একটি কন্টেন্ট লিখবেন তখন সেটাকে কন্টেন্ট বলা যায়। মনে করুন, আপনি একটি মোবাইলে ভিডিও রেকার্ড করে সেখানে কিছু তথ্য যুক্ত করে সুন্দর করে এডিট করলেন, তখন এই সম্পুর্ন ভিডিওকে একটি ভিডিও কন্টেন্ট বলতে পারবেন।
মনে রাখবেন কন্টেন্ট মানে শুধু লেখা হয় এমন বিষয়বস্তু কে বলা হয় না। সাধরণত কন্টেন্ট বলতে আমরা ৪ ধরনের বিষয়ে বুঝে থাকি, তা হচ্ছে-
content: শব্দ বা ভয়েসের মাধ্যমে রেকর্ড করা কন্টেন্ট। যেমন, FM, podcast ইত্যাদি।
content: যে কন্টেন্ট গুলো লেখার মাধ্যমে তৈরি করা হয় সেগুলোকে টেক্সট কন্টেন্ট বলে। যেমন, আর্টিকেল এবং বই ইত্যাদি।
content: বিভিন্ন ধরনের ছবি এডিটিং করে তৈরি করা বিষয়বস্তু গুলোকে ইমেজ কন্টেন্ট বলা হয়। যেমন- Graphic, logo, template ইত্যাদি।
content: বিভিন্ন ধরনের ভিডিও এক সাথে যুক্ত করে যে কন্টেন্ট গুলো তৈরি করা হয় সেগুলোকে বলা হয় ভিডিও কন্টেন্ট। যেমন – YouTube video, movies, web series ইত্যাদি।
#কন্টেন্ট রাইটিং কি ?
কন্টেন্ট রাইটিং মানে হলো যে কোনো একটি বিষয়কে লেখনের মাধ্যমে সম্পুর্ন নিজের মতো করে তৈরি করা। সহজ ভাবে বললে, কন্টেন্ট রাইটিং মানে হলো এমন একটি লেখন যেখানে একাধিক বিষয়ের উপর তথ্য প্রদান করা হয়।
এই লেখা গুলো বিভিন্ন বিষয়ের উপর হতে পারে। যেমন- ব্লগ কন্টেন্ট, ষ্টোরি, পার্সোনাল রিভিউ, প্রডাক্ট প্রমোশন রিভিউ ইত্যাদি। কন্টেন্ট রাইটিং মূলত একটি বিষয়ের উপর কীওয়ার্ড রিচার্স করে লেখা হয়।
আর এই কীওয়ার্ড এর মাধ্যমে সেই কন্টেন্টকে বিভিন্ন জায়গায় সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে পাওয়া যেতে পারে। আপনি যদি একজন সেরা কন্টেন্ট রাইটার হতে পারেন তাহলে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কন্টেন্ট রাইটিং জব করতে পারবেন । তাছাড়া আপনি কন্টেন্ট রাইটিং এর কাজ গুলো নিজের ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে করতে পারবেন।
#কিভাবে কন্টেন্ট রাইটার হব ?
কন্টেন্ট রাইটার হবার জন্য কোনো কোর্স এর প্রয়োজন হয় না। আপনি যদি শিক্ষিত ব্যক্তি হয়ে থাকেন এবং ভালো লিখতে ও পড়তে পারেন তাহলে আপনি ও একজন কন্টেন্ট রাইটার হতে পারবেন।
তবে, এর জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনার লেখার মধ্যে রুচি থাকতে হবে। আপনি যদি নতুন করে কন্টেন্ট রাইটিং শিখতে চান এবং অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চান তাহালে নিচে দেওয়া বিষয় গুলোর উপর নজর দিন।
১. প্রথমে নিজের পছন্দমত টফিক (niche) বাছাই করতে হবে। মানে আপনি যে বিষয়ে ভালো জ্ঞান রয়েছে সেই বিষয়টা খুজে বের করুন।
২. আপনি যখন নিজের পছন্দমত বা রুচি মতো টফিক খুঁজে পাবেন তখন ধীরে ধীরে একজন সফল কন্টেন্ট রাইটার এর দিকে এগিয়ে যাবেন।
৩. আপনাকে সব সময় ক্রিয়েটিভ হতে হবে এবং নতুন নতুন কৌশল শিখতে হবে। আপনি ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে রাইটিং এর উপর স্কিল বাড়াতে পারবেন।
৪. প্রতিদিন কিছু না কিছু লিখতে থাকুন এবং নিজের ভুল গুলো শুধরাতে থাকুন। এতে ধীরে ধীরে আপনার রাইটিং এ উন্নত হবে।
৫. ইন্টারনেটের বিভিন্ন ব্লগে গিয়ে দেখুন তাহলে কিভাবে আর্টিকেল গুলো লিখেছে।
৬. নিজের লেখার ধারাবাহিতা বজায় রাখতে নিজে একটি ফ্রি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করুন এবং সেখানে প্রতিদিন নিজের পছন্দের বিষয়ে লিখতে থাকুন।
৭. লেখার সময় অবশ্যই পড়ার অভ্যাস থাকতে হবে। যদি না থাকে পড়ার অভ্যাস তাহালে অভ্যাস করে নিন। এতে আপনি অন্যদের লেখা থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবেন।
৮. আর্টিকেল লেখার সময় বাক্যের মধ্যে কিওয়ার্ড সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে হবে। যদি না করেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করবে না। আপনার লেখা ভিজিটরদের পড়তে অসুবিধা যেন না হয়। এজন্য যে ভাষাতে লিখতে চাচ্ছেন সেই ভাষা সম্পর্কে ভালো করে শিখুন এবং জানুন।
৯. আপনার লেখার মধ্যে অবশ্যই একটা মজার বিষয় থাকতে হবে। না হলে মানুষরা আর্টিকেল পড়তে পছন্দ করবে না। তাই সব সময় চেষ্টা করবেন আকর্ষণীয় এবং মজার ধরণ দিয়ে আর্টিকেল লিখতে হবে।
১০. যে বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন সেই সম্পর্কে অবশ্যই রিচার্স করে সমস্ত তথ্যবহুল কন্টেন্ট লেখার চেষ্টা করবেন।
#কন্টেন্ট রাইটিং কত প্রকার ?
অবশ্যই কন্টেন্ট রাইটিং এর কিছু প্রকারভেদ রয়েছে। ইন্টারনেটে এমন প্রচুর প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে আলাদা আলাদা রকমের কন্টেন্ট পাবলিশ করা হয়। যার ফলে বিভিন্ন প্লাটফর্মের চাহিদা অনুসারে তৈরি করা হয় আলাদা আলাদা রকমের কন্টেন্ট গুলো। একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসাবে আপনি নিচের রুচি মতো আলাদা আলাদা ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন। যেমন,
: এখানে সরাসরি কিছু বিষয়ের উপর বিস্তারিত ভাবে আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করতে হয়। তথ্য বহুল দুই ধরনের আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লেখা হয় ব্লগিং এর জন্য।
writing: এখানে মূলত একটি কোম্পনির মার্কেটিং বা প্রচার করার জন্য এই ধরনের কন্টেন্ট লিখতে হয়। এই আর্টিকেল লেখার মুল উদ্দেশ্য হলো ব্র্যান্ড এর গুণমান সম্পর্কে মানুষের মাঝে প্রচার করে কেনার আগ্রহ বাড়িয়ে তোলা।
media: একটি কোম্পানি তাদের প্রডাক্ট বা সার্ভিস ইত্যাদি প্রচার বা মার্কেটিং করার জন্য অনলাইনে ব্র্যান্ড তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়াতে পেজ বা গুরুপ তৈরি করে ছোট ছোট মজার আকর্ষণীয় কন্টেন্ট লিখেন বা পাবলিশ করেন।
writing: যে লেখার মাধ্যমে একজন রাইটার নিজের ক্রিয়েটিভি প্রদর্শন করে থাকে সেই রাইটিংকে ক্রিয়েটিভ রাইটিং বলা হয়।
Expert writing: একজন বিশেষজ্ঞ রাইটার রা যখন যেকোনো বিষয়ে রিচার্স করে সম্পর্ন ডিটেলস সহ লেখেন তখন তাকে এক্সপার্ট রাইটিং বলা হয়।
writing: এখানে নিউজ এর সাথে জড়িত সকল খবর গুলো লেখা হয়। এখানে ছোট ছোট শর্ট আর্টিকেল হিসাবে দৈনন্দিন জীবনের ঘটনাবলি নিয়ে লেখা হয়। বিভিন্ন ধরের অনলাইন নিউজ, সোশ্যাল মিডিয়া নিউজ পেজ, নিউজ ওয়েবসাইট গুলোতে নিউজ রাইটিং করা হয়।
বর্তমান সময়ে অনলাইন ব্যবসা গুলোর প্রচার, ব্র্যান্ডিং, বা মার্কেটিং করার উদ্দেশ্যে এই ধরনের কন্টেন্ট রাইটিং প্রচুুর পরিমানে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাছাড়া আপনি নিজের পছন্দমত বিষয়ে কন্টেন্ট রাইটিং করতে পারবেন।
#এসইও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটার হতে যা যা শিখতে হবে –
:- আপনি যদি একজন কনটেন্ট রাইটার হতে চান এবং সঠিকভাবে কনটেন্ট রাইটিং শিখতে চান তাহলে আপনার জন্য অবশ্যই এসইও জানতে হবে। কারণ আপনি চিন্তা করুন একজন মানুষ কেন আপনার কাছ থেকে কনটেন্ট নিবে ? সোজা কথা সেটা হচ্ছে - রেংক করানোর জন্য, মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন লাগবে।
যে কোন কিছু সম্পর্কে জানার জন্য প্রথমে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে। আর সার্চ রেজাল্ট আপনি যত উপরে থাকবেন ততই আপনার আর্টিকেলটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন। তাই একজন কনটেন্ট রাইটার হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে অবশ্যই এসইও জানতে হবে।
Rearch:- আরেকটি গুরুপ্তপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গিয়ে কিওয়ার্ড রিসার্স। কিওয়ার্ড রিসার্স সম্পর্কে ধারনা থাকলে তাহলে আপনি কোন ভাবেই কনটেন্ট রাইটার পারবেন না।
Optimization:- ইমেজ অপ্টিমাইজেশন কন্টেন্ট রাইটিং এর জন্য বিশেষ ভুমিকা পালন করে। কেননা একটি মান সম্মত কন্টেন্ট এ ফিচার ইমেজ সহ বেশ কয়েকটি ইমেজ ও ব্যবহার করা হয়। যা র‌্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে খুবই গুরুপ্তপূর্ণ্য ।
Density:- Keyword density এমন একটি সংখ্যা বা পরিমাপ যার উপর নির্ভর করে আমরা ব্লগের আর্টিকেলের মধ্যে কীওয়ার্ড ব্যবহার করি। উদাহরণ: আপনি এসইও কি ? নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখছেন। আপানার বেঁচে নেওয়া কিওয়ার্ড গুলো হল বাংলা এসইও টিউটোরিয়াল, SEO কিভাবে শিখবো, SEO করার নিয়ম, এসইও টিউটোরিয়াল, এসইও শিখতে কত দিন লাগে, এসইও এর গুরুত্ব ইত্যাদি।
এবার আপনার বেঁচে নেওয়া keyword গুলো ব্লগের আর্টিকেলের মধ্যে কতবার উল্লেখ করবেন সেই পরিমাপকে keyword density বলে। সব সময় keyword density মেনে আর্টিকেল লেখা জরুরি।আপনি যদি মন মতো আর্টিকেলের মধ্যে keyword লিখেন তাহালে google search algorithm আপনার আর্টিকেলকে penalize করতে পারেন। যায় জন্য আর্টিকেলটি google search এ দেখাবে না।
এ Keyword:- আপনি কোন বিষয়ে আর্টিকেল লিখেছেন সেটা যেন আর্টিকেলের টাইটেল (title) থাকে । তাহলে সহজে ভিজিটররা বুঝতে পারে। এবার আর্টিকেলের মধ্যে টার্গেট keyword অবশ্যই রাখতে হবে। এতে সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটর্সরা আপনার টাইটেল পড়ে সহজে বুঝতে পারবে।
এই আর্টিকেলটি কিসের উপর লেখা হয়েছে। আপনি আমার এই আর্টিকেলের টাইটেল দেখে বুঝতে পাচ্ছেন। এটা আমার keyword. তাছাড়া আমি এই keyword এর সাথে আরও কিছু কিওয়ার্ড টার্গেট করেছি। এই ভাবে আপনার টার্গেট করা কিওয়ার্ড সব সময় আর্টিকেলের টাইটেলে রাখবেন।
Address এ Keyword:- আপনি ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস যেটাই ব্যবহার করেন না কেন আর্টিকেল লেখার সময় আর্টিকেলের URL address অপশন পেয়ে যাবেন। আপনি URL address এডিট করে সেখানে টার্গেট করা keyword বসিয়ে দিবেন। সাথে সাথে আর্টিকেলের URL address সব সময় ছোট করে দিবেন।
Size:- ব্লগের আর্টিকেল সব সময় ১০০০ শব্দের বেশি লেখার চেষ্ট করবেন। যদি পারেন তাহলে ২৫০০ শব্দের মধ্যে লেখার চেষ্টা করবেন। যত বেশি তথ্য বহুল লিখবেন ততই বেশি গুগল সার্চ ইঞ্জিন আপনার লেখাকে পছন্দ করবে।
গুগল সব সময় লং কিওয়ার্ড কে বেশি value দেয় এবং এর মাধ্যমে প্রচুর ট্রাফিক পাবেন। তাছাড়া ভিজিটররা যত বেশি সময় ধরে আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে থাকবে ততই বেশি ওয়েবসাইট রেংক করবে। আর যদি পারেন তাহালে ২০০০ থেকে ৩০০০ শব্দের বেশি আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করবেন। মেমন - আমার এই কন্টেন্ট টিতে ওয়ার্ড সংখ্যা ২০০০ +।
tag:- H tag বলতে H1, H2, H3, H4 এই ট্যাগ গুলো আর্টিকেলের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে seo এর জন্য। H tag গুলো ভিজিটর দের আর্টিকেল গুলো পড়তে অনেক সহজ করে দেয় এবং আর্টিকেল স্পষ্ট ও সুন্দর দেখায়। তাছাড়া আর্টিকেল লেখার সময় অবশ্যই ১/২ টি H1 tag এর মধ্যে LSI keyword ব্যবহার করবেন। এতে সহজে সার্চ ইঞ্জিন আপনার আর্টিকেলের বিষয় বুঝতে পারে।
Link & Outbound Link:- আপনি ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করার সময় আপনার টফিকের সাথে মিল থাকা আপনার অন্যে যে আর্টিকেল গুলো আগে পাবলিশ করেছিলেন সেই আর্টিকেলের লিংক কপি করে এই আর্টিকেলে বসিয়ে দিবেন। তাহালে আপনার আর্টিকেলের সাথে inter linking হয়ে যাবে। যেমন- অন পেজ এসইও কি ? বিস্তারিত
আর আউটবন্ড লিংক হচ্ছে আপনার কন্টেন্ট এ অন্যকোন সাইটের লিংক দেয়া যেমন- Google, Facebook । মনে রাখবেন ইন্টারনাল লিংক ও আউটবন্ড লিংক এসইও এর জন্য খুবই জরুরি।
#কন্টেন্ট রাইটিং এর ভবিষ্যৎ কী?
ইন্টারনেটের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে বেড়ে চলেছে কন্টেন্ট রাইটিং এর চাহিদা। আর বাড়বেই না কেন! যেকোনো ধরনের ডিজিটাল উপস্থিতি অথবা ইন্টারনেটের উপস্থিতি নিশ্চিত করণের পূর্বেই প্রয়োজন পড়ে কন্টেন্টের।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় থাকা বিল গেটস 1996 সালের এক বক্তব্যে বলেন, কন্টেন্ট ইজ কিং। বিষয়টি হয়তো এমনই রয়ে যাবে। কারণ নানা ধরনের কাজে রোবট বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা গেলেও এসইও ফ্রেন্ডলি মান সম্মত লেখালেখির ক্ষেত্রে তা এখনও অসম্ভবই রয়ে গেছে। আর ভবিষ্যতেও হবে কিনা এ ব্যাপারে এখনও সন্দেহ রয়েছে।
#একজন কন্টেন্ট রাইটারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয় ?
বাংলায় লিখতে চাইলে বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের উপর ভালো জ্ঞান ইংরেজিতে লিখতে চাইলে ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণের উপর ভালো জ্ঞান কোন বিষয় নিয়ে গবেষণা করার দক্ষতা সহজেই বোঝা যায়, এমনভাবে লেখার ক্ষমতা লেখার ভেতর বৈচিত্র্য নিয়ে আসতে পারা ঠিক বানানে দ্রুত লেখার অভ্যাস টেকনিক্যাল বিষয়ে লিখতে হলে সে বিষয়ের উপর দীর্ঘমেয়াদি পড়াশোনা থাকা জরুরি।
যেমনঃ ইতিহাসের ছাত্র হয়ে থাকলে মেডিকেল প্রযুক্তি নিয়ে লেখা আপনার জন্য কষ্টসাধ্য হবে। অনলাইনে কাজ করার জন্য কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (যেমনঃ ওয়ার্ডপ্রেস) আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) নিয়ে ভালো ধারণা থাকলে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে অনেক।
উল্লেখিত বিষয়াদি আমার নিতান্তই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তীতে লেখা। ভুল-ত্রটি মার্জনীয়। ভাল-মন্দ কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

 #কিওয়ার্ড_রিসার্চ_কি ?  #কিভাবে_কিওয়ার্ড_রিসার্চ_করতে_হয় ?আমরা যারা ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করি তারা জানি যে একটা ও...
21/12/2021

#কিওয়ার্ড_রিসার্চ_কি ?
#কিভাবে_কিওয়ার্ড_রিসার্চ_করতে_হয় ?
আমরা যারা ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করি তারা জানি যে একটা ওয়েবসাইট বা ওয়েব পেজ রেংক এর পূর্ব শর্ত হলো সঠিক ভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ । #কিওয়ার্ড_রিসার্চ মানসম্মত হলে সেই ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজ টি রেংক করবে।
বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে কিওয়ার্ড রিসার্চ কি আর কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয় সে বিষয়ে কথা বলব যদি আপনি ব্লগিং এখন শুরু করে থাকেন তাহলে আপনি কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করবেন এটি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক ব্লগার আছেন যাদের পোস্ট লিখতে অনেক বেশি কষ্ট করতে হয়। তারা যে সমস্ত পোস্ট লিখেন তাদের জন্য সবথেকে ভালো কিওয়ার্ড কোনটি ? এটি খুঁজতে তাদের অনেক বেশি কষ্ট করতে হয় আর আপনার পোষ্টের জন্য ভালো কিওয়ার্ড খোজা অত্যন্ত জরুরি আর ভালো কিওয়ার্ড খোঁজার জন্য আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ এটি অবশ্যই বুঝতে হবে। আর তারপর আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ কিভাবে করবেন এই বিষয়ে বুঝতে হবে। তাহলে চলুন বিস্তারিত হবে জেনে নিই।
#কিওয়ার্ড রিসার্চ কি?
কিওয়ার্ড রিসার্চ এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে আপনি গুগলে কোন কিওয়ার্ড সবথেকে বেশি সার্চ করা হচ্ছে সেই সম্বন্ধে জানতে পারবেন আর সাথে সেই কিওয়ার্ডের-
Search volume
Competition
CPC
ইত্যাদি এই বিষয়ে জানতে পারবেন। আপনি যদি কনটেন্ট লেখার আগে কিওয়ার্ড রিসার্চ করেন। তাহলে আপনি আপনার পোস্টকে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড এ রেঙ্ক করাতে পারবেন। কিওয়ার্ড কত প্রকারের সেটি জানার আগে কিওয়ার্ড কি সেটা আপনাদের জানতে হবে।
কিওয়ার্ড এমন একটি ওয়ার্ড বা বাক্য যেটি দিয়ে আমরা সার্চ করি এবং কোন টপিক এর সম্বন্ধে জানার জানার জন্য চেষ্ঠা করি। আমরা যেটি গুগলে সার্চ করি সে গুলোকে কিওয়ার্ড বলা হয়। কিওয়ার্ড কি ? তা আমরা একটি উদাহরণের সাথে বুঝবো-
#উদাহরণ: যেমন আমরা অনলাইন থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করবো এই সম্বন্ধে জানতে চাই। তাহলে আমরা গুগলের সার্চ বারে Make Money Online লিখে সার্চ করি। Make Money Online এটি একটি কিওয়ার্ড। মোট কথায় মানুষ যা লিখে সার্চ করে তাকেই কিওয়ার্ড বলে।
#কিওয়ার্ড রিসার্চ এত গুরুত্বপূর্ণ কেন ?
বিগত দশ বছর ধরে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মধ্যে কীভাবে পরিবর্তন এসেছে সেটা আমরা সবাই জানি। আর এই ডিজিটাল মার্কেটে এখন ঠিক কতটা কম্পিটিশন সে কথা আর বলাই বাহুল্য। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের ঝড়ে টিকে থাকার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চটি অনেক সঠিক ভাবে করতে হবে। সঠিক ভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে সেই তথ্যকে কাজে লাগালেই কেবল এখন গুগুল সার্চে র‍্যাংক পাওয়া যায়।
এছাড়া এখনকার নিত্য নতুন গুগল সার্চ এলগরিদমের আপডেটের কারণে এটাও সবাই জানে যে মানুষ যা লিখে সার্চ করছে, শুধুমাত্র সেটার সাথে মানিয়ে কন্টেন্ট তৈরি করলেই এখন আর র‍্যাংক পাওয়া যায় না। বরং বর্তমানে সেই কন্টেন্টে এ আপনি কিওয়ার্ডটি কি জন্য রেখেছেন এবং কীভাবে ব্যবহার করছেন সেটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এছাড়া অনেক বেশি আছে যে কিওয়ার্ড গুলো দিয়ে মানুষ সার্চ করছে। তার পাশাপাশি সেই একই টপিকের উপর কম সার্চ করছে এমন কিওয়ার্ডও এখন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই নির্দিষ্ট একটি টপিকের মধ্যে কি ধরনের কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হবে সেটা জানার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
#কিওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ?
বর্তমানে গুগলের এলগরিদম এমনভাবে আপডেট করা হয়েছে যে, যার মাধ্যমে গুগল বুঝতে পারে আপনি কি জন্য এবং ঠিক কীভাবে এই কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করছেন। গুগল সব সময় ওয়েবসাইট মালিকদের সুবিধা কম দেখে এবং যারা সার্চ করছে তারা কি সঠিক তথ্যটি পেয়ে উপকৃত হল কি না সেটাই গুগলের মূল উদ্দেশ্য ।
আর তাই এখন শুধুমাত্র কিওয়ার্ড ব্যবহার করলেই হবে না বরং সেই কিওয়ার্ডটি সঠিক ভাবে ব্যবহারও করতে হবে। তা না হলে সাধের র‍্যাংকিং এর দেখা আর কখনই পাওয়া যাবে না। র‍্যাংকিং এর জন্য কিছু বিষয় আছে যে গুলো খুবই সহায়ক তা আমি নিচে উল্লেখ্য করছি।
#টপিক সিলেক্ট করুন
আপনি কি ধরনের আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছেন এবং আপনার ব্লগের বা ওয়েবসাইটের জন্য কি ধরনের টপিকের উপর আপনার আর্টিকেল প্রয়োজন হবে তার একটা লিস্ট তৈরি করে রাখুন। আপনি সহজে কন্টেন্ট লিখতে পারবেন এমন টপিক খুজে বের করুন। নিচে থেকে আপনি আপনার পছন্দের টপিক খুজে নিন। যা আপনার জন্য সহজ হবে।
Parenting
Family
Relationships
Weddings
Special Occasions
Education
Personal Growth
Travel
Career
Business
Home
Interior Design
DIY
Photography
Fashion
Beauty
Food
Fitness
Finance
Social Media
Jobs
Nutrition
Teaching
Sports
Kindergarten
Education technology
Higher education
Special education
Music education
Education blogs
Physical education
Science /
chemistry
physics
biology
geology
Math
Classical
Design
Art
Entrepreneur
Healthy
Money
Hotel
Motel
Hostel
Airbnb
Home exchange
Resorts
Skincare
Makeup
Hairstyles
Body care
Routines
Beauty room
Makeup table
Eye makeup
Foundation
Brushes
Hair care
Hair extensions
Eyelash extensions
Natural beauty
Organic beauty
Understanding cosmetics ingredients
Brands
Trends
Tips / tricks
Youth
Cooking
Baking
Recipes
Kitchen
Tools
Cookware
Dinnerware
Baby food
foods
আপনি যদি নিয়মিত ব্লগিং অর্থাৎ আর্টিকেল আপডেট করে থাকেন তাহলে আপনি যে টপিকগুলো বেশ জনপ্রিয় অথবা যে টপিকগুলো থেকে আপনার অর্থ উপার্জন হচ্ছে সে টপিকগুলোর উপরেই বেশি কাজ করে যাওয়া আপাতত বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
যারা সার্চ দেয়, আপনি তাদের মত করে চিন্তা করুন। আপনার যে ওয়েবসাইটটি আছে সেই ওয়েবসাইটে একজন কাস্টোমার বা ভিজিটর হিসেবে আপনি কি চাইতেন? কি ধরনের কিওয়ার্ড দিয়ে আপনি সার্চ করতেন সেটা ভেবে দেখুন। ধরুন আপনার ওয়েবসাইটটি এসইও এর উপরেই তৈরি করেছেন। সেভাবেই নিজেকে ভিজিটর হিসেবে ভেবে নিন।
#রিলেটেড কিওয়ার্ডের গুরুত্ব
কিওয়ার্ড রিসার্চের ক্ষেত্রে এই রিলেটেড কিওয়ার্ড বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোন নির্দিষ্ট টপিক দিয়ে সার্চ দিলে সেই টপিকের সাথে আরো কি ধরনের শব্দ বা বাক্য লিখে মানুষ সার্চ দেয় সেগুলোও চলে আসবে। আপনি যদি সঠিক কিওয়ার্ডটি খুঁজে পেতে কষ্ট হয়ে থাকে তাহলে এই রিলেটেড কিওয়ার্ড খুঁজে বের করার মাধ্যমেও নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলতে পারবেন।
আপনি যদি টপিকের পাশাপাশি সেই রিলেটেড কিওয়ার্ড গুলোও আপনার আর্টিকেলের মধ্যে রাখেন তাহলে গুগল খুব সহজেই বুঝে নিতে পারবে আপনার আর্টিকেলটি আসলে ঠিক কি ধরনের। কি কি তথ্য আপনার আর্টিকেলের মধ্যে রয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, আপনি যদি “কীভাবে ব্লগিং শুরু করবো’’ লিখে সার্চ দেন তাহলে বেশ কিছু রিলেটেড কিওয়ার্ডও গুগলের সার্চ পেজের নিচে চলে আসবে।
সবচাইতে মজার ব্যাপার হল আপনি যদি এই রিলেটেড কিওয়ার্ড গুলো থেকে একটি কিওয়ার্ড নিয়ে গুগলে আবার সার্চ দেন তাহলে সেই রিলেটেড কিওয়ার্ডেরও রিলেটেড কিওয়ার্ড আপনার সার্চ পেজের নিচে চলে আসবে। ধরুন আমরা “ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করা যায়” নামক রিলেটেড কিওয়ার্ড দিয়ে আবার গুগলে সার্চ দিলাম। এখন এই কিওয়ার্ডটিরও রিলেটেড কিওয়ার্ড সার্চ রেজাল্টের সাথে চলে আসবে।
এভাবে আপনি আপনার নির্দিষ্ট টপিকের সাথে সম্পৃক্ত এমন আরো কিওয়ার্ড খুঁজে পাবেন। তবে এগুলো খুঁজে পাওয়ার জন্যও অনেক ধরনের কন্টেন্ট স্ট্র্যাটেজি টুলস রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি একবারেই সব কিওয়ার্ড বের করে ফেলতে পারবেন।
#লং টেইল কিওয়ার্ড বা বড় কিওয়ার্ড খুঁজে বের করুন
যদি কিওয়ার্ড এবং লং টেইল কিওয়ার্ডের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে আপনার জানা না থাকে তাহলে প্রথমেই সেটা বলে নেই। কিওয়ার্ড সাধারণত অনেক ছোট হয় এবং সুনির্দিষ্ট হয়ে থাকে। সাধারণত কিওয়ার্ডের মধ্যে এক থেকে তিনটি শব্দ থাকে। অপরদিকে লং টেইল কিওয়ার্ড হল যে কিওয়ার্ডের মধ্যে সেই সুনির্দিষ্ট কিওয়ার্ড থাকে আবার পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকটি শব্দ থাকে।
আপনার লং টেইল কিওয়ার্ডের মধ্যেও নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডটি আছে কি না সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখুন। কেননা গুগলে র‍্যাংক করানোর জন্য লং টেইল কিওয়ার্ডের মধ্যে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। আসুন তাহলে একটু চিন্তা করে দেখি “ব্লগিং কি ?” এবং “কীভাবে একটি ব্লগ লেখা শুরু করব” অথবা “ব্লগিং করে কীভাবে উপার্জন করব” এগুলোর কোনটি নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড আর কোন গুলো লং টেইল কিওয়ার্ড ?
বুঝতেই পারছেন যে ব্লগিং কি ? শব্দটি এখানে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড, আর বাকিগুলো হল লং টেইল কিওয়ার্ড। যার একটির মধ্যে সরাসরি ব্লগিং শব্দটি আছে এবং অপরটির মধ্যে সরাসরি ব্লগিং লেখা না থাকলে ব্লগ কথাটি লেখা আছে। এটা বুঝাও খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, সরাসরি ব্লগিং শব্দটির মধ্যে গুগলে র‍্যাংক করানো খুবই কষ্টকর হলেও, কীভাবে একটি ব্লগ লেখা শুরু করব বা “ব্লগিং করে কীভাবে উপার্জন করব” এই কিওয়ার্ড টি দিয়ে গুগলে র‍্যাংক করানো অপেক্ষাকৃত সহজ।
#কিওয়ার্ড কত প্রকারের হয় ?
আপনি দেখে থাকবেন আমরা কিন্তু সব সময় এক ধরনের কিওয়ার্ড সার্চ করি না। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করি। যেমন ধরুন – আপনি যদি গুগলে এ গিয়ে ” কিওয়ার্ড রিসার্স কি” লেখে সার্চ দেন । আপনি অনেক গুলো কিওয়ার্ড রিসার্স সম্বলিত ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন কারন আপনি চান কিওয়ার্ড রিসার্স সমন্ধে জানতে।
এবার আপনি আবার যদি সার্চ করেন “কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয় ” গুগল কিন্তু বুঝে যে আপনি কিছু জানতে চাইছেন। সুতরারং সেই সম্পর্কিত ওয়েবসাইট গুলোকে সামনে দেখাবে।
সুতরাং আপনি নিজেই যেমন বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বা সময়ে বিভিন্ন কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেন সে রকমই বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রকমের এর কিওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে কিওয়ার্ড গুলোকে ভাগ করা হয় সুবিধার জন্য।
#ক. অভিপ্রায় ভিত্তিক প্রকার
সাধারন ভাবে কিওয়ার্ড গুলোকে সার্চের অভিপ্রায়ের উপর নির্ভর করে নিচের মতো করে ভাগ করা যায়। যেমন
#মার্কেটিং বেসড কিওয়ার্ড
#ব্রান্ড বেসড কিওয়ার্ড
#লোকেশন বেসড কিওয়ার্ড
#প্রোডাক্ট বেসড কিওয়ার্ড
#কম্পিটিশন বেসড কিওয়ার্ড
#কাস্টমার বেসড কিওয়ার্ড
১. #মার্কেটিং কিওয়ার্ড
মার্কেটিং কিওয়ার্ড কিওয়ার্ড গুলো বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং এর জন্য ভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা হয় সেটা হতে পারে কোন ব্রান্ড এর উপর বা কোনো প্রোডাক্ট এর উপর।
উদাহরন – WordPress hosting , Dress, Smart Phone এই ধরনের কিওয়ার্ড গুলো যেকোনো প্রোডাক্টকে নির্দেশ করে ।
২. #ব্রান্ড বেসড কিওয়ার্ড
Brand based keywords গুলো মূলত কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানি বা ব্রান্ড এর উপর হয়ে থাকে।
উদাহরন – আপনি যদি সার্চ করেন ” Bluehost hosting plans ” , ” Digital ocean hosting plans “এর মানে আপনি Bluehost, digital ocean কোম্পানির hosting plan এর ব্যাপারে সার্চ করে জানতে চাইছেন
কিংবা ধরুন ” SEMrush keyword research tool ” একটি Brand based keyword কারন SEMrush একটি ব্রান্ড keyword research এর জন্য।
৩. #লোকেশন বেসড কিওয়ার্ড
কিছু কিওয়ার্ড আছে যে গুলো বিভিন্ন লোকেশন এর উপর নির্ভর করে সার্চ করা হয় তাদের মুলত লোকেশন বেসড কিওয়ার্ড বলা হয়।
উদাহরন – ” hosting in USA ” ,” hosting in uk “,” hosting in India ” কিওয়ার্ড গুলো সার্চ এর মাধ্যমে লোকজন বিভিন্ন লোকেশান যেমন USA , UK, India তে hosting এর ব্যাপারে জানতে চাইছে সুতরাং এগুলো সবই লোকেশন বেসড কিওয়ার্ড।
৪. #প্রোডাক্ট বেসড কিওয়ার্ড
এতদুর পড়ার পর নিশ্চয় এটি কি আপনি বুঝতে পারছেন। এই ধরনের কিওয়ার্ড গুলো যেকোনো প্রোডাক্টকে টার্গেট করে করা হয়ে থাকে।
উদাহরন –Headphone, Smart Phone, Laptop, মানে আপনি প্রোডাক্ট বেসড কিওয়ার্ড এর উপর সার্চ করছেন সুতরাং এটি একটি প্রোডাক্ট বেসড কিওয়ার্ড।
৫. #কম্পিটিশন বেসড কিওয়ার্ড
কম্পিটিশন বেসড কিওয়ার্ড গুলো মুলত সেই ধরনের কিওয়ার্ড যেগুলো একই প্রোডাক্টের এর উপর বিভিন্ন কোম্পানি কম্পিটিশন করে থাকে ।
উদাহরণ – ''best phone under 20,000" এই কিওয়ার্ডটির মধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি আসে কারন 20 হাজার দামে বিভিন্ন কোম্পানি ভালো ভালো ফোন বিক্রি করে থাকে।
৬. #কাস্টমার বেসড কিওয়ার্ড
এই ধরনের কিওয়ার্ড গুলোর সার্চ মুলত কোনো প্রোডাক্টের একটি নির্দিষ্ট কাস্টমারকে ধরে হয়ে থাকে।
উদাহরণ – ''Best Jeans Pant For Man'' , ''Best Jewelry For Woman'' , ''Top 10 Baby Foods in USA'' এই ধরনের কিওয়ার্ড নির্দিষ্ট কাস্টমার কে উদ্দেশ্য করে ব্যবহার হয়ে থাকে।
খ. #দৈর্ঘ্য নির্ভর করে কিওয়ার্ড এর প্রকারভেদ
আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন বিষয়ে গুগলে সার্চ করে থাকি কেউ সংক্ষেপে সার্চ করি আবার কেউ দীর্ঘ শব্দ বা বাক্য ব্যবহার করে সার্চ করি। আবার যাদের ওয়েবসাইট রয়েছে বা যারা ব্লগিং করেন তারা চিন্তা করছেন যে সাধারন মানুষ কি কি লিখে সার্চ করতে পারে। এছাড়াও দৈর্ঘ্য এর উপর নির্ভর করে কিওয়ার্ড গুলোকে ভাগ করা যায়।যেমন –
১. -tail keyword
এই ধরনের কিওয়ার্ড গুলো মুলত ছোট ছোট শব্দ দিয়ে সার্চ করা হয় । যেমন – best bike, best theme, Best Smartphone এগুলো short-tail keyword। এগুলো খুব বেশি Competitive হয়ে থাকে এবং search অনেক বেশি হয়ে থাকে।
২. -tail keywords
এ কিওয়ার্ড গুলো short-tail keyword এর থেকে একটু বড় হয়ে থাকে । এগুলো একটু কম competitive এবং কম search volume এর হয়ে থাকে। যেমন – ’’best bike under 2 lakh “, ” best WordPress theme ” এ Mid-tail keywords .
৩. -tail keywords
এগুলো আকারে অনেকটায় বেশি বড় হয়ে থাকে এবং সার্চ ও কম্পিটিশন অনেকটায় কম হয়ে থাকে। এই ধরনের long-tail keywords ব্যবহার করে নতুন ওয়েবসাইটগুলো ভালো র‌্যাংকে আস্তে পারে।
যেমন – ” best sports bike under 2 lakh in 2021″ ,” best seo optimized WordPress theme 2021 ” হল long-tail keyword.
গ. #সার্চ নির্ভর কিওয়ার্ডের প্রকারভেদ
আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয়ে গুগলে সার্চ করে থাকি।এই সার্চের উপর ভিত্তি করে অনেক কিওয়ার্ড পাওয়া যায়। এছাড়া আপনার সার্চ এর উপর নির্ভর করে কিওয়ার্ড গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. Keyword
প্রাইমারী কিওয়ার্ড হল যেগুলো আমরা সচরাচর গুগলে লিখে সার্চ দিই।
২. Keywords
LSI কথাটির পুরো নাম Latent Semantic Indexing । গুগলে সার্চ করলে Search engine এর প্রথম পাতার নীচের দিকে primary keyword এর সাথে সম্পর্কিত যে কিওয়ার্ড গুলো show করে তাদের Latent Semantic Indexing Keywords বলে।
#কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হয়?
কিওয়ার্ড রিসার্চ করা খুবই সহজ, কারণ কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য আপনি অনেক ধরনের tools পেয়ে যাবেন। কিন্তু কিওয়ার্ড রিসার্চ করার কোন কোন জিনিসগুলো আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। এটি জেনে রাখা খুবই জরুরি। তাহলে চলুন আগে আমরা এটি বুঝে নেই তারপর কিওয়ার্ড রিসার্চ tool কোন কোন গুলি সেই সম্বন্ধে জানবো।
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় যে বিষয় গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখবেন
Volume:- কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় আপনাকে কিওয়ার্ডের Search Volume কত সেই দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে Search volume এটি বলে দেয় কোন কিওয়ার্ড এক মাসের মধ্যে কতবার সার্চ করা হয়েছে কিংবা এই কিওয়ার্ড রেংক সম্ভব কিনা।
Difficulty: SEO Difficulty এর অর্থ হলো competition. কিওয়ার্ড রিসার্চ করার সময় volume দেখার সাথে সাথে আপনাকে সেই কিওয়ার্ডের SEO Difficulty দেখা খুবই জরুরী SEO Difficulty 0-1000 এর মধ্যে হয়।
আপনাকে অবশ্যই কম SEO Difficulty কিওয়ার্ড বেছে নিতে হবে। কারণ ওই কীওয়ার্ড এ আপনার পোস্ট তাড়াতাড়ি রেঙ্ক হবে যদি আপনার ব্লগটি নতুন হয় তাহলে আপনাকে সর্বদা 0-100 SEO Difficulty কিওয়ার্ড বেছে নিতে হবে কারণ ওই ধরনের কিওয়ার্ডের competition কম হয় আর আপনার পোস্ট তাড়াতাড়ি রেঙ্ক হবে
Difficulty:- Keywords Difficulty হচ্ছে কোন কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম ও কম্পিটিশন এর উপর নির্ভর করা। অর্থাৎ যে কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম ও কম্পিটিশন বেশি সেটা গ্রহন করা যাবে না। বরং সেই রিলেটেড অন্য কোন কিওয়ার্ড নিতে হবে।
: CPC এর অর্থ হলো Cost Per Click এর অর্থ হল যদি আপনার পোস্টের মধ্যে থাকা Ads এ ক্লিক হয় তাহলে আপনি কত টাকা/পয়সা পাবেন।এটি মূলত যারা গুগল এডসেন্স কেন্দ্রি ব্লাগর করেন তাদের জন্য প্রযোজ্য। আপনাকে সর্বদাই বেশি CPC কিওয়ার্ড কে বেছে নিতে হবে
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার ফ্রী টুল
Trends: Google Trends খুবই ভালো tool এখানে trending কিওয়ার্ড সম্বন্ধে জানতে পারবেন আর এর সাথে কোন কি আর কোন কোন দেশে জনপ্রিয় এটিও জানতে পারবেন। যদি আপনি trending টপিক এর উপর পোস্ট লিখতে চান তাহলে আপনি Google Trends থেকে জানতে পারবেন যে কোন টপিক এখন trending এ আছে আর ওই টপিকটি কোন কোন দেশে বেশি সার্চ করা হচ্ছে এখানে আপনি Trending কিওয়ার্ড এর সম্বন্ধে জানতে পারবেন।
AdWords Keyword Planner: Google AdWords এর একটি পার্ট হলো Google Keyword Planer এটি একটি খুবই ভালো Keyword Research tool অনেক ব্লগার এই Keyword Tool টির ব্যবহার করেন এটি সম্পুর্ন ফ্রী। Google Keyword Planner এ আপনি কিওয়ার্ডের সঠিক search volume, competition আর CPC জানতে পারবেন কারণ এটি Google এর নিজস্ব tool.
এখানে আপনি আপনার Main কিওয়ার্ড দিয়ে তার সম্বন্ধিত যত কিওয়ার্ড গুগলে সার্চ করা হয় সেগুলো জানতে পারবেন। এছাড়াও এখানে আপনি কোন কিওয়ার্ড কোন দেশে কতবার সার্চ করা হয় আর ওই কিওয়ার্ডের competition কত আর ওই কিওয়ার্ডের CPC কত সেটিও জানতে পারবেন।
Google Keyword Planer আপনি সর্বদায় 100% সঠিক ফলাফল পাবেন এখানে আপনি 3 টাইপের কিওয়ার্ড জানতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনার সুবিধা মত কিওয়ার্ড বেছে নিবেন।



: Ubersuggest আমার সবথেকে পছন্দের tool এটি Neil Patel প্রতিষ্ঠা করেছেন যদিও এখন এই tool টি paid আর ফ্রি দুটোই হয়ে গিয়েছে কিন্তু এটির ফ্রি ভার্সন খুবই ভালো এখানে আপনি আপনার মেইন কিওয়ার্ড সম্বন্ধিত যত কিওয়ার্ড আছে সেগুলির জানতে পারবেন আর সাথে সেই কিওয়ার্ডের Search Volume, CPC আর SEO Difficulty কত সেটিও জানতে পারবেন।
এর features
এখানে আপনি মেইন কি ওয়ার্ড সম্বন্ধিত বিভিন্ন কিওয়ার্ড জানতে পারবেন।
সাথে কি ওয়ার্ড এর volume, cpc আর seo difficulty ও জানতে পারবেন।
কোন কোন কিওয়ার্ডে কোন কোন ওয়েবসাইট Top 100 এ রেঙ্ক করছে সেটি জানতে পারবেন।
যেকোনো ওয়েবসাইটের overview।
যেকোনো ওয়েবসাইটের top pages।
যেকোন ওয়েবসাইট কোন কোন দেশে রেঙ্ক করছে।
যেকোনো ওয়েবসাইটের পোষ্টের backlinks।
যেকোনো ওয়েবসাইটের কিওয়ার্ড কোন কোন পজিশনে রেঙ্ক করছে সেটি জানতে পারবেন।
SEMrush: এটি Paid আর ফ্রি Keyword Research tool এই tool কে অনেক ব্লগার ব্যবহার করছেন এখানে আপনি আপনার যেকোনো কিওয়ার্ড কে analysis করতে পারবেন যেমন ওই কিওয়ার্ডের search volume, cpc, seo difficulty এইসব আর এর সাথে যেকোনো কিওয়ার্ডের সম্বন্ধিত অনেক কিওয়ার্ড জানতে পারবেন।
এখানে আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরী করলে এই tool টি আপনাকে 14 দিন পর্যন্ত ফ্রিতে ব্যবহার করতে দেবে এরপর আপনাকে টাকা pay করতে হবে।
এর features
আপনার কিওয়ার্ডের সাথে সাথে অন্য কিওয়ার্ড জানতে পারবেন।
কি ওয়ার্ডের search volume, CPC, competition জানতে পারবেন।
যেকোনো ওয়েবসাইটের overview পাবেন।
যেকোন ওয়েবসাইট বা পোষ্টের backlinks জানতে পারবেন।
Paid কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল
: এটি খুবই advance tool এদিকে অনেক ব্লগার ব্যবহার করেন। যে সমস্ত পুরনো ব্লগার আছেন তারা এই টুলটি কে ব্যবহার করেন। আমি নিজেই টুলটিকে ব্যবহার করছিলাম। এখানে আপনি খুবই ভালো ভাবে Keyword Research করতে পারবেন আর তাছাড়া আপনি অন্য ওয়েবসাইট কোন কিওয়ার্ড এর ওপর রেঙ্ক করছে সেটা জানতে পারবেন।
Tool এর features
Advanced Keyword Research।
যেকোনো কিওয়ার্ডের search volume, cpc আর ওই কিওয়ার্ডের competition জানতে পারবেন।
যেকোনো কিওয়ার্ড কোন কোন ওয়েবসাইডের পোস্ট রেঙ্ক আছে সেটি জানতে পারবেন আর সাথে তাদের পোস্ট এর backlinks এর সম্বন্ধে জানতে পারবেন।
অন্য কোন ওয়েবসাইটের পোস্ট কোন কোন কিওয়ার্ড এ রেঙ্ক আছে সেটি জানতে পারবেন।
যেকোনো ওয়েবসাইটের পোষ্টের ব্যাকলিংক সম্বন্ধে জানতে পারবেন।
যেকোনো ওয়েবসাইট monthly কত ইনকাম করছেন সেটি জানতে পারবেন।
যেকোনো ওয়েবসাইটের সবথেকে জনপ্রিয় পোষ্ট কোনটি আর ওই ওয়েবসাইটটি কোন কিওয়ার্ডের ওপর রেঙ্ক আছে তা জানতে পারবেন।
Traffic analysis করতে পারবেন।
Site audit করতে পারবেন।
Rank track করতে পারবেন।
Content Explorer।
SEO toolbar।
Broken link checker।
Website authority checker।
Keyword generator।
এই টুলটি দ্বারা আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে তাড়াতাড়ি রেঙ্ক করাতে পারবেন এর সাথে আপনার competitor দের analysis করতে পারবেন আর তাদের উপর নজর রাখতে পারবেন
SEMrush: এই টুলটি খুবই ভালো এই tool কে অনেক ব্লগার ব্যবহার করেন এছাড়া আমি নিজেও ব্যবহার করি এটি Ahrefs এর মতই advance tool এখানে আপনি অনেক ধরনের advance feature পাবেন
এর features
এখানে আপনি advanced Keyword Research করতে পারবেন।
এখানে আপনি অর্গানিক আর advertising Keyword Research করতে পারবেন।
আপনি যেকোন কী ওয়ার্ড এর search volume, cpc আর ওই কিওয়ার্ডের competition জানতে পারবেন।
যেকোনো কিওয়ার্ড কোন কোন ওয়েবসাইডের পোস্ট রেঙ্ক আছে সেটি জানতে পারবেন আর সাথে তাদের পোস্ট এর backlinks এর সম্বন্ধে জানতে পারবেন।
অন্য কোন ওয়েবসাইটের পোস্ট কোন কোন কিওয়ার্ড এ রেঙ্ক আছে সেটি জানতে পারবেন।
যেকোনো ওয়েবসাইটের পোষ্টের ব্যাকলিংক সম্বন্ধে জানতে পারবেন।
যেকোনো ওয়েবসাইটের সবথেকে জনপ্রিয় পোষ্ট কোনটি আর ওই ওয়েবসাইটটি কোন কিওয়ার্ডের ওপর রেঙ্ক আছে তা জানতে পারবেন।
Traffic analysis করতে পারবেন।
Site audit করতে পারবেন।
Rank track করতে পারবেন।
Content Explorer।
SEO toolbar।
Broken link checker।
Website authority checker।
Keyword generator।
উপরোক্ত তথ্যগুলো নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা। ভুল ত্রুটি মার্জনীয়। মতামত জানাতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Address

Rajshahi
6211

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Global Digital marketing Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share