Baiyhola dokkhinpara young society

Baiyhola dokkhinpara young society আমাদের ঐক্য আমাদের শক্তি �

শব্দটি আসলে কতটা মারাত্মক আর আমরা অহরহ বলে থাকি। নাউজুবিল্লাহ।
25/02/2026

শব্দটি আসলে কতটা মারাত্মক আর আমরা অহরহ বলে থাকি। নাউজুবিল্লাহ।

05/02/2026

❝ যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো,
তবে আমি অবশ্যই তোমাদের (নিয়ামত) বাড়িয়ে দেব। ❞

— (সুরা ইব্রাহিম, আয়াত: ৭)

25/01/2026
এক ব্যক্তি স্বপ্নে খলিফা হারুনুর রশিদের স্ত্রী রাণী জুবাইদা (রহ.)-কে অত্যন্ত চমৎকার ও মর্যাদাপূর্ণ একটি সিংহাসনে উপবিষ্ট...
24/01/2026

এক ব্যক্তি স্বপ্নে খলিফা হারুনুর রশিদের স্ত্রী রাণী জুবাইদা (রহ.)-কে অত্যন্ত চমৎকার ও মর্যাদাপূর্ণ একটি সিংহাসনে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখলেন।

সেই ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, "আল্লাহ তা’আলা আপনাকে এই সুউচ্চ মাকাম ও মর্যাদা কিসের বিনিময়ে দান করেছেন?"

রাণী জুবাইদা উত্তর দিলেন, "একদিন আমি আমার সখী এবং প্রতিবেশী নারীদের সঙ্গে বসে গল্পগুজব করছিলাম। এমন সময় আমি মুয়াজ্জিনের আযানের আওয়াজ শুনতে পেলাম। মুয়াজ্জিন যখনই 'আল্লাহু আকবার' ধ্বনি দিলেন, আমি মহান আল্লাহর নামের প্রতি সম্মানের খাতিরে উপস্থিত সকল নারীকে চুপ করিয়ে দিলাম। মুয়াজ্জিন আজান শেষ না করা পর্যন্ত আমরা সবাই নীরবতা পালন করলাম। আমার এই আমলটিই আল্লাহ তাআলা কবুল করে নিয়েছেন এবং এর বিনিময়েই তিনি আমাকে আজ এই সুউচ্চ মর্যাদা ও নেয়ামত দান করেছেন যা তুমি দেখতে পাচ্ছ।"

(সূত্র: আল-ইশারাত ফি ইলমিল ইবারাত)

কোনো নেক কাজকেই ছোট মনে করা উচিত নয়। একটি ছোট আমলও পরকালে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম হতে পারে। আযানের সময় কথাবার্তা বন্ধ রাখা এবং আযানের উত্তর দেওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং এটি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। দুনিয়াবি গুরুত্বপূর্ণ কাজের চেয়েও আল্লাহর নিদর্শনাবলির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করাই ঈমানদারের আসল পরিচয়।

ইসলামে গোটা পরিবারের ভরন পোষণের দায়িত্ব একমাত্র পুরুষের উপর। যে পুরুষ তার স্ত্রীর বাহিরে গিয়ে ফ্রী মিক্সিং পরিবেশে কাজ ক...
24/01/2026

ইসলামে গোটা পরিবারের ভরন পোষণের দায়িত্ব একমাত্র পুরুষের উপর। যে পুরুষ তার স্ত্রীর বাহিরে গিয়ে ফ্রী মিক্সিং পরিবেশে কাজ করা, পর-পুরুষের সাথে উঠা-বসা, গল্প-গু'জব, হাসিঠাট্টায় মেতে উঠাতে কোনো আপত্তি থাকে না, সে পুরুষ স্বামী হওয়ার যোগ্যতা রাখে না।

একজন প্রকৃত গা'য়রতবান মুমিন পুরুষ কখনো চাইবে না তার স্ত্রী বাহিরে গিয়ে ফ্রিমিক্সিং পরিবেশে কাজ করুক।

সে তার স্ত্রীকে ভিক্ষা করে হলেও খাওয়াবে, তাও তার ঘরের রানীকে বাহিরে গিয়ে চাকরি করতে দিবে না।

#ইসলামিক

হালাল বিনোদন:- এই পোস্টটা সবাই পড়ুন আর একটু হাসুন!ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?"এটি ইয়েমেনের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া ...
23/01/2026

হালাল বিনোদন:- এই পোস্টটা সবাই পড়ুন আর একটু হাসুন!

ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?"

এটি ইয়েমেনের একটি মসজিদে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। শায়খ আবু ইমাদ ঘটনাটি বর্ণনা করছিলেন এভাবে:

আমার এক বন্ধু বলল, 'গতকাল আমার পাশের গলির একজন মারা গেছেন। নাম আবু নাসের, বেশ বয়স্ক মানুষ ছিলেন। আল্লাহ ওনাকে জান্নাত নসিব করুন। তো, জানাজা আর দাফন শেষে খাটিয়াটা (মৃতদেহ বহনের খাট) যখন ফেরত আনা হলো, তখন বেশ রাত। এশার নামাজ শেষ, মসজিদও বন্ধ। তাই লোকেরা খাটিয়াটা মসজিদের দরজার বাইরের উঠোনে রেখে দিল, যাতে সকালে মুয়াজ্জিন বা খাদেম এসে সেটা জায়গামতো রেখে দেয়।

রাত তখন প্রায় সাড়ে ৩টা। এক লোক মসজিদে আসল। দেখল উঠোন খোলা কিন্তু মসজিদের মেইন দরজা তালাবদ্ধ। সে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল, কিন্তু কেউ খুলল না। ওদিকে হাড় কাঁপানো শীত। হঠাৎ তার নজর পড়ল ওই খাটিয়াটার দিকে। ওটার ওপর আবার একটা চাদর বিছানো ছিল। ব্যাস! সে আর দেরি না করে খাটিয়ার ঢাকনা সরাল, ভেতরে মোটা কাপড় পাতা ছিল, আরামসে ওটার ভেতরে ঢুকে শুয়ে পড়ল। আর সাথে সাথেই গভীর ঘুম!

আধঘণ্টা পর মসজিদের খাদেম এলেন দরজা খুলতে। তিনি খাটিয়াটা দেখে ভাবলেন, হয়তো ফজরের পর জানাজা হবে, তাই লাশসহ কেউ রেখে গেছে। মুসল্লিরা আসতে শুরু করল, কেউ অজু করতে গেল, কেউ সালাম বিনিময় করল। খাদেম আর কয়েকজন মিলে খাটিয়াটা ধরাধরি করে একেবারে মেহরাবের পাশে নিয়ে রেখে দিল। সবাই ভাবছে ভেতরে লাশ আছে, তাই কেউ আর ওটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেনি। তাছাড়া ভোরের বেলা সবার চোখে তখনও ঘুমের রেশ।

ফজরের আজান হয়ে গেল। মসজিদে প্রায় ৫০ জনের মতো লোক। আমরা কাতার সোজা করে নামাজে দাঁড়ালাম। আমি ছিলাম একদম প্রথম কাতারে। দ্বিতীয় রাকাতেও সব ঠিক ছিল, হঠাৎ দেখলাম খাটিয়াটা নড়ছে! ভাবলাম, এ কী! চোখের ভুল নাকি? চোখ কচলে আবার তাকালাম। না! স্বপ্ন না! ইমাম সাহেবের ঠিক পেছনে রাখা খাটিয়াটা সবার চোখের সামনে সত্যিই নড়ছে! আমার তো ভয়ে কলিজা শুকিয়ে গেল, পুরো কাতারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল।

ঠিক তখনই খাটিয়ার ভেতর থেকে লোকটা ঘুম ভেঙে ঢাকনাটা সরাল। মাথা বের করে সোজা জিজ্ঞেস করল, 'ভাই, আপনারা কি নামাজ পড়ে ফেলেছেন?'

ওরে ভাই! এরপরের দৃশ্য আর কী বলব! আল্লাহর কসম, সেই দৃশ্য দেখার মতো ছিল। আমি জুতো ফুতোর কথা ভুলে জান নিয়ে দে দৌড়! এক দৌড়ে মনে হয় এক কিলোমিটার পার হয়ে গেছি, তাও খালি পায়ে! ওদিকে ইমাম সাহেব তো বেহুঁশ হয়ে ফ্লোরে পড়ে গেলেন। ভয়ে কেউ কেউ দেয়ালে গিয়

আমি ছাড়া আর কেউ যেন জাহান্নামে না যায়!হযরত মূসা আলাইহিস সালামের যমানায় এক বড় আবেদছিল। সে আল্লাহর খুব ইবাদাত করতো। না...
23/01/2026

আমি ছাড়া আর কেউ যেন জাহান্নামে না যায়!

হযরত মূসা আলাইহিস সালামের যমানায় এক বড় আবেদ
ছিল। সে আল্লাহর খুব ইবাদাত করতো। নামাজ, রোজা
সব কিছুতেই তার বেশ খ্যাতি ছিলো। প্রায় সকলেই তাকে
চিনতো।

একদিন মূসা (আঃ) এর সাথে তার দেখা। সে মূসা
আলাইহিস সালামের সাথে কুশল বিনিময় করলো। এরপর
মূসা (আঃ) কে জিজ্ঞাসা করলো- 'আল্লাহর নবী! আপনার
কাছে একটা অনুরোধ ছিলো, আমি কি তা পেশ করব?'
মূসা (আঃ) তাকে বললেন- 'নিশ্চয়ই, পেশ কর'।

এরপর সেই আবেদ মূসা (আঃ) কে বললো- 'হে আল্লাহর
নবী, আপনি তো আল্লাহর মনোনীত বান্দা। আল্লাহ
আপনাকে ভালোবাসেন। আপনিও আল্লাহকে ভালবাসেন।
আপনি আল্লাহর কাছে কোন কিছু জানতে চাইলে তিনি তা
জানিয়েও দেন। আমারও আল্লাহর কাছে একটা ব্যাপার
জানার ছিলো'।

হযরত মূসা (আঃ) তাকে বললেন- 'আচ্ছা বল তুমি কি
জানতে চাও। আমি আল্লাহর কাছ থেকে জেনে তোমাকে
জানাবো'।

তখন সেই আবেদ লোকটি মূসা (আঃ) কে জিজ্ঞাস করলো- আপনি কী আল্লাহকে আমার ব্যাপারে একটু জিজ্ঞাসাকরবেন? আমি জান্নাতী হব নাকি জাহান্নামী হব?

মূসা (আঃ) তার কথায় রাজি হলেন। এরপর তিনি
আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেন- 'হে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন,আপনি তো সর্বশ্রোতা, সর্বজান্তা, আপনার এই বান্দাজানতে চায় সে কী জান্নাতে যাবে? নাকি জাহান্নামে যাবে?

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মূসা (আঃ) এর ডাকে সাড়া
দিলেন। তিনি হযরত মুসা (আঃ) কে বললেন- 'হে মূসা,
এই লোক জাহান্নামী, আমি তার স্থান নির্ধারণ করে
রেখেছি জাহান্নামের প্রজ্বলিত অগ্নিকুণ্ডে'। একথা শুনে
সেই আবেদ লোকটি খুব কান্না করতে লাগলো। তার কান্না
এতো তীব্র হলো যে আশপাশের বাতাস ভারি হয়ে উঠলো।
এরপর একপর্যায়ে সে নিজেকে স্থির করে বললো- 'ঠিক
আছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাকে যখন জাহান্নামী
বানাবেনই, তখন তো আর কেউ আমাকে সেই আগুন থেকেরক্ষা করতে পারবে না। কারণ আল্লাহর ইচ্ছার বিরুদ্ধেদাঁড়াবে, এমন কেউ নেই। তিনি সর্ব শক্তিমান। তবে আপনিএকটা কাজ করুন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে বলুন,তিনি যেন আমার শরীরকে খুব বড় করে দেন। এত বড়করে দেন যে, কেবল আমার শরীর দ্বারাই জাহান্নাম পূর্ণহয়ে যায়; আর কারো জাহান্নামে স্থান না হয়। অর্থাৎ শুধু আমি একাই জাহান্নামে যাই আর সকলে জাহান্নাম থেকে বেঁচে যায়।

মূসা (আঃ) তার এই কথা শুনে খুব অবাক হলেন। সেই
সময় আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মূসা (আঃ) কে বললেন-
'হে মূসা, আমার এই বান্দাকে আমি ক্ষমা করে দিলাম।
সে

Address

Sirajganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Baiyhola dokkhinpara young society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share