Mijanur Rahman

Mijanur Rahman I am a professional SEO strategist with over 3 years of experience.

13/10/2024
I’m excited to share that I acquired these domains today! While we’re still in the Web3 era, my plan is to hold onto the...
01/10/2024

I’m excited to share that I acquired these domains today! While we’re still in the Web3 era, my plan is to hold onto them for at least 10-15 years. I believe that as we transition to Web4, these domains could potentially sell for three times their expected value!

I’ll keep you updated on any sales. 😊

যেসব প্ল্যাটফর্মে মানুষ টাকা উপার্জন করতে পারে ১। Fiverrফ্রিল্যান্সিং টাইপ: ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সোশ্যা...
24/08/2024

যেসব প্ল্যাটফর্মে মানুষ টাকা উপার্জন করতে পারে

১। Fiverr
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া
সুবিধা: বৈচিত্র্যময় ক্যাটাগরি, বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন কোর্স
অসুবিধা: উচ্চ কমিশন চার্জ, দীর্ঘ পেমেন্ট প্রক্রিয়া
২। Toptal
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ফাইন্যান্সিয়াল কনসাল্টিং, অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনা
সুবিধা: শীর্ষ কোম্পানি ও প্রতিভা, বিনামূল্যে ইনভয়েসিং এবং পেমেন্ট
অসুবিধা: ব্যাপক স্ক্রীনিং প্রক্রিয়া, শুধুমাত্র বড় প্রকল্প
৩। Jooble
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: রাইটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ডেটা এন্ট্রি
সুবিধা: কেন্দ্রীয় চাকরির অনুসন্ধান, ইমেইল এলার্টস, সাইনআপ প্রয়োজন নেই
অসুবিধা: দ্রুত আবেদন নয় – প্রতিটি চাকরির সূত্র থেকে আবেদন করতে হয়
৪। Freelancer.com
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: কন্টেন্ট ট্রান্সলেশন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
সুবিধা: প্রগ্রেস ট্র্যাকার, লাইভ চ্যাট, ২৪/৭ গ্রাহক সেবা
অসুবিধা: জটিল ইন্টারফেস, স্প্যাম আবেদনকারী এবং ভুয়া ক্লায়েন্ট
৫। Upwork
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: ব্র্যান্ড মার্কেটিং, প্রোগ্রামিং, ওয়েবসাইট ডিজাইন
সুবিধা: পেমেন্ট প্রোটেকশন, বিশ্বাসযোগ্য ক্লায়েন্ট, বাজেট ভিত্তিক প্রকল্প
অসুবিধা: দীর্ঘ নির্বাচন প্রক্রিয়া, উচ্চ সেবা ফি
৬। Flexjobs
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: রাইটিং, কন্টেন্ট মার্কেটিং, ট্রান্সক্রিপশন
সুবিধা: স্ক্যাম-মুক্ত, ৩০ দিনের টাকা ফেরত গ্যারান্টি, নির্ভরযোগ্য সাপোর্ট
অসুবিধা: কিছু প্রিমিয়াম চাকরি প্ল্যাটফর্মের বাইরে পাওয়া যেতে পারে
৭। SimplyHired
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: হিউম্যান রিসোর্সেস, ফাইন্যান্স, ডেটা এন্ট্রি
সুবিধা: ইমেইল এলার্টস, সহায়ক গাইডস, বিনামূল্যে চাকরি টুলস
অসুবিধা: অবিশ্বস্ত তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট থেকে স্প্যাম
৮। Guru
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: মার্কেটিং, প্রোগ্রামিং, প্রশাসন
সুবিধা: নিরাপদ পেমেন্ট, কাস্টমাইজড চাকরির তালিকা, বিনামূল্যে সদস্যপদ
অসুবিধা: সম্ভাব্য ভুয়া ক্লায়েন্ট
৯। LinkedIn
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: কপিরাইটিং, ট্রান্সলেশন, গ্রাফিক ডিজাইন
সুবিধা: নেটওয়ার্কিং সুযোগ, সাম্প্রতিক খবর আপডেট, সাশ্রয়ী
অসুবিধা: দূষিত ব্যবহারকারীদের থেকে স্প্যাম কন্টেন্ট
১০। Behance
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: ইলাস্ট্রেশন, ফটোগ্রাফি, ওয়েব ডিজাইন
সুবিধা: বড় দর্শকশ্রেণী, নেটওয়ার্কিং সুযোগ, ব্যক্তিগতকৃত কন্টেন্ট
অসুবিধা: প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ, সীমিত ইমেজ ফাইল সাইজ
১১। 99designs
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: ওয়েব, লোগো এবং গ্রাফিক ডিজাইন
সুবিধা: নিবেদিত পরিবেশ, পেমেন্ট সুরক্ষা, সক্রিয় সম্প্রদায়
অসুবিধা: উচ্চ সেবা ফি, ডিজাইনার স্তর সীমিত হতে পারে
১২। Dribbble
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: মোবাইল ডিজাইন, ইলাস্ট্রেশন, অ্যানিমেশন
সুবিধা: বড় নেটওয়ার্ক, বৈশ্বিক সম্প্রদায়, প্রচুর ডিজাইন অনুপ্রেরণা
অসুবিধা: ফ্রিল্যান্স চাকরির তালিকা শুধুমাত্র প্রো সংস্করণের সাথে উপলব্ধ
১৩। People Per Hour
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: প্রোগ্রামিং, সাংবাদিকতা, ব্র্যান্ডিং
সুবিধা: স্বয়ংক্রিয় ইনভয়েস, স্থানভিত্তিক তালিকা, নিরাপদ পেমেন্ট
অসুবিধা: বিনামূল্যে বিড $১৫/মাস পর্যন্ত সীমাবদ্ধ
১৪। ServiceScape
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: একাডেমিক রাইটিং, ডকুমেন্ট ট্রান্সলেশন, ম্যানুস্ক্রিপ্ট এডিটিং
সুবিধা: কাস্টম প্রাইসিং স্ট্রাকচার, নমনীয় সময়সূচী বিকল্প, কার্যকর যোগাযোগ
অসুবিধা: উচ্চ কমিশন শতাংশ এবং সীমিত ক্ষেত্রের দক্ষতা
১৫। DesignHill
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: ওয়েবসাইট, ব্র্যান্ড এবং পণ্য ডিজাইন
সুবিধা: বিল্ট-ইন অনলাইন স্টোর, কোন সেবা ফি নেই, লাইভ চ্যাট সাপোর্ট
অসুবিধা: নন-ডিজাইনারদের জন্য ভালো বিকল্প নয়
১৬। TaskRabbit
ফ্রিল্যান্সিং টাইপ: ডেলিভারি সার্ভিস, হাউস ক্লিনিং, পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট
সুবিধা: কাস্টম ঘণ্টার হার, কোন সেবা ফি নেই
অসুবিধা: শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শহর এলাকায় উপলব্ধ

এই প্ল্যাটফর্মগুলি বিভিন্ন দক্ষতা সম্পন্ন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য টাকা উপার্জনের সুযোগ প্রদান করে, ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট থেকে শুরু করে গৃহস্থালীর কাজ এবং ব্যক্তিগত সহায়তার ক্ষেত্রে। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মের নিজস্ব সুবিধা এবং সম্ভাব্য অসুবিধা রয়েছে, তাই ফ্রিল্যান্সারদের তাদের প্রয়োজন এবং দক্ষতার সাথে মিলে যাওয়া প্ল্যাটফর্মটি বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

22/08/2024

অনলাইনে টাকা উপার্জনের ২৫টি উপায

বর্তমান সময়ে, অনলাইনে টাকা উপার্জনের অনেক সুযোগ রয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনি সহজেই বিভিন্ন পদ্ধতিতে উপার্জন করতে পারেন। এখানে ২৫টি জনপ্রিয় উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো

১। ফ্রিল্যান্স কাজ খুঁজে নিন: আপনার দক্ষতা অনুযায়ী ফ্রিল্যান্স কাজ যেমন গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, কন্টেন্ট রাইটিং ইত্যাদি করে উপার্জন করতে পারেন। Upwork, Freelancer, Fiverr এর মতো প্ল্যাটফর্মে কাজের সুযোগ রয়েছে।
২। ইউটিউব চ্যানেল শুরু করুন: আপনার পছন্দের বিষয় নিয়ে ইউটিউব চ্যানেল শুরু করতে পারেন। ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে, আপনি ভিউ এবং সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন আয়ের সুযোগ পেতে পারেন।
৩। ড্রপশিপিং ব্যবসা শুরু করুন: ড্রপশিপিং হলো এমন একটি ব্যবসা যেখানে আপনি তৃতীয় পক্ষের পণ্য বিক্রি করবেন এবং সরাসরি সরবরাহকারীর কাছ থেকে পণ্য পাঠানো হবে। Shopify এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এটি শুরু করা যায়।
৪। অনলাইন সার্ভে নিন: বিভিন্ন সংস্থা তাদের পণ্য বা পরিষেবা নিয়ে মতামত জানার জন্য অনলাইন সার্ভে পরিচালনা করে। এই ধরনের সার্ভেতে অংশ নিয়ে আপনি কিছু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
৫। ব্লগ তৈরি করুন: একটি ব্লগ শুরু করে সেখানে নিয়মিত কন্টেন্ট পোস্ট করুন। ব্লগ থেকে আয় করতে গুগল এডসেন্স এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবহার করতে পারেন।
৬। ইবুক লিখুন এবং প্রকাশ করুন: যদি আপনি কোনো বিশেষ বিষয়ে জ্ঞানী হন, তাহলে একটি ইবুক লিখে তা অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এটি আপনাকে একটি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স দিতে পারে।
৭। অ্যাপ ডেভেলপ করুন: মোবাইল বা ওয়েব অ্যাপ ডেভেলপ করে তা Google Play বা App Store এ বিক্রি করতে পারেন।
৮। ভার্চুয়াল টিউটর হয়ে উঠুন: অনলাইনে শিক্ষার্থী বা প্রফেশনালদের বিভিন্ন বিষয়ে পড়াতে পারেন। Tutor.com, Chegg Tutors এর মতো প্ল্যাটফর্মে এই সুযোগ পাওয়া যায়।
৯। ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে উঠুন: সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আপনার ফলোয়ার বাড়িয়ে ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে উঠুন। স্পন্সরশিপ এবং ব্র্যান্ড সহযোগিতার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।
১০। ওয়েবসাইট তৈরি করুন: ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দক্ষতা থাকলে, কাস্টমারদের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে উপার্জন করতে পারেন।
১১। বিনিয়োগ শুরু করুন: স্টক মার্কেট, মিউচুয়াল ফান্ড, ক্রিপ্টোকারেন্সি ইত্যাদিতে বিনিয়োগ করে দীর্ঘমেয়াদী আয় করতে পারেন।
১২। আপনার শিল্পকর্ম ও ফটোগ্রাফি বিক্রি করুন: যদি আপনি একজন শিল্পী বা ফটোগ্রাফার হন, তাহলে আপনার কাজগুলি অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। Etsy, Shutterstock এর মতো প্ল্যাটফর্মে বিক্রি করা সম্ভব।
১৩। অনলাইন ট্রান্সলেটর হন: বিভিন্ন ভাষার জ্ঞান থাকলে অনলাইন ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করতে পারেন।
১৪। পুরনো কাপড় বিক্রি করুন: আপনার ব্যবহৃত পুরনো কাপড়গুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। ThredUp, Poshmark এর মতো সাইটগুলোতে এই কাজ করা যায়।
১৫। পডকাস্ট তৈরি করুন: একটি পডকাস্ট শুরু করে সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। পডকাস্ট থেকে স্পন্সরশিপ এবং বিজ্ঞাপন আয় করতে পারেন।
১৬। অনলাইন কোচ বা পরামর্শদাতা হন: বিশেষজ্ঞ হলে, অনলাইনে কোচিং বা পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করতে পারেন।
১৭। ডিজিটাল পণ্য বিক্রি করুন: ই-বুক, প্রিন্টেবলস, ডিজিটাল আর্ট ইত্যাদি ডিজিটাল পণ্য তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।
১৮। রিমোট কাস্টমার সার্ভিস প্রতিনিধি হন: বিভিন্ন কোম্পানির জন্য রিমোট কাস্টমার সার্ভিস প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে পারেন।
১৯। ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিস অফার করুন: অডিও বা ভিডিও ফাইলের ট্রান্সক্রিপশন করে আয় করতে পারেন।
২০। প্রিন্ট-অন-ডিমান্ড পণ্য বিক্রি করুন: টিশার্ট, মগ, কুশন ইত্যাদিতে নিজের ডিজাইন যুক্ত করে প্রিন্ট-অন-ডিমান্ড পণ্য বিক্রি করতে পারেন।
২১। ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সার্ভিস অফার করুন: বিভিন্ন ব্যাবসায়ী বা উদ্যোক্তাদের ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে সহায়তা করতে পারেন।
২২। স্টক ফটো এবং ভিডিও বিক্রি করুন: বিভিন্ন সাইটে আপনার তোলা ফটো এবং ভিডিও বিক্রি করতে পারেন।
২৩। ড্রপ সার্ভিসিং চেষ্টা করুন: এটি ড্রপশিপিংয়ের মতই, তবে এখানে আপনি সেবা প্রদান করবেন। আপনি ক্লায়েন্টের জন্য কাজ করবেন এবং তা অন্য কোনো বিশেষজ্ঞের কাছে আউটসোর্স করবেন।
২৪। অনলাইন কোর্স বিক্রি করুন: আপনার দক্ষতা শেয়ার করতে একটি অনলাইন কোর্স তৈরি করে তা বিক্রি করতে পারেন।
২৫। অনলাইন মার্কেট রিসার্চে অংশগ্রহণ করুন: বিভিন্ন সংস্থার জন্য অনলাইন মার্কেট রিসার্চে অংশগ্রহণ করে আয় করতে পারেন।

এই সমস্ত উপায়গুলো ব্যবহার করে, আপনি অনলাইনে উপার্জন করতে পারেন। নিজের দক্ষতা এবং আগ্রহ অনুযায়ী উপযুক্ত পদ্ধতি বেছে নিয়ে শুরু করুন।

TV Series: Narcos 2015 (Review) - Spoiler Alertপাবলো এসকোবার সম্পর্কে আমি প্রথম জানি Escobar: Paradise Lost মুভি দেখে, ব...
03/05/2024

TV Series: Narcos 2015 (Review) - Spoiler Alert

পাবলো এসকোবার সম্পর্কে আমি প্রথম জানি Escobar: Paradise Lost মুভি দেখে, বলা যায় আমার দেখা অন্যতম একটা মুভি হলো Escobar: Paradise Lost মুভিটা। মুভিটা এমন ভাবে সাজানো হইছে একদিকে রোমান্স অন্যদিকে টানটান উত্তেজনা। তো মুভিটায় পাবলো এসকোবার জীবনী তেমন একটা দেখানো হয় নাই, শুধু তার ভাতিজীর মারিয়ার ও তার প্রেমিক নিয়েই মুভিটা শুরু এবং শেষ হয়ে যায়, মাঝে কিছু জায়গায় পাবলো এসকোবার কেমন রুথলেস ছিলো তার ছোট ছোট নমুনা ছিলো। সে যাই হোক, Narcos টিভি সিরিজের দুই সিজনে মোটামুটি তার উত্তান পত্তন পুরোটাই সুন্দরভাবে তুলে ধরছে।

ইতিহাসের এমন ক্রেকটারের প্রতি আমার প্রচণ্ড রকমের দুর্বলতা কাজ করে, একটা সাধারণ মানুষ যখন প্রচন্ড প্রাভাশালী হয়, তার আচার আচরণের পরিবর্তন, তার পারস্যুশেন, তার চিন্তাধারা ও বিভিন্ন সিদান্ত নেওয়া বিষয়ে আমার আগ্রহ কাজ করে।

লাস্ট কিছুদিন Narcos 2015, ও Narcos: Mexico 2018 দুইটা সিরিজের ৬০টা এপিসোড দেখলাম, কলোম্বিয়া আর মেক্সিকোর মোটামুটি ড্রাগ বিজনেসের আগামাথা সব এই দুই সিরিজ দেখলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। আরো পরিষ্কার হবে আমেরিকা কত অসহায় একটা দেশ, অন্তত ড্রাগ বিষয়ে, ইভেন ২০২৪ সালে এসেও তারা বর্ডার দিয়ে ড্রাগ আমেরিকাতে প্রবেশ করা বন্ধ করতে পারে নাই। আমেরিকার রাস্তাঘাটে এখনো শত শত পোলাপান জম্বির মতো দেখা যায়, ইউটিউব টিকটকে এসব ভিডিও এভাইলেবল আছে। এবং এসব ড্রাগের অধিকাংশ স্প্লাইয়ার হচ্ছে মেক্সিকো আর কলোম্বিয়া।

পাবলো এসকোবারর উত্থান ৭০ শেষ দিকে, এবং ৯৩ সালে তার গল্প শেষ হয়, ২০ বছরের উপরে ডন পাবলো রাজ করে, এই সময়ে তারে আইনের আওতায় আনতে হ্যান কোন বিষয় নাই কলোম্বিয়া এবং আমেরিকা করে নাই, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় নাই, বরং সে তার কোকেন বিজনেস অন্য এক লেভেলে নিয়ে যায়। সে কোকেন বিজনেস থেকে এতো টাকা ইনকাম করে যে ফোবার্সের শীর্শ ধনীর তালিকাতে ৭ নাম্বারে চলে যায়।

কথিত আছে পাবলো প্রতিদিন তার টাকার বান্ডেল করতে ২৫০০ ডলারের রাবার কিনতো। এবং এইসব কালো টাকা সাদা করতে ফুটবল ক্লাব কিনে, পাবলিক পার্ক, চিড়িয়াখানা করে, হাজার হাজার ঘরবাড়ি করে গরীব মানুষদের দেয়। কারো কাছে সে ছিলো ইশ্বর। আবার কারো কাছে সে ছিলো সাক্ষাৎ যমদুত, তার উত্তান পত্থনের সময়টাতে সে প্রতোক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ৪৬০০০ মানুষের মৃত্যুতে জড়িত ছিলো।

পাবলো কলম্বিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্টক César Gaviria কে মারার জন্যে পুরো একটা বিমানে বোমা মেরে দেয়, তবে সে বিমানে ঐ দিন César Gaviria ছিলোনা, কিন্তু বোমার কারণে ১১০ জন সাধারণ মানুষ মারা যায়। কলোম্বিয়ার পুলিশ, সেনাবাহিনী, রাস্ট্রীয় বিচারপতি, সাংবাদিক কাউকেই ছাড় দেয় নাই, যে তার বিজনেসে থ্রেট হিসাবে দেখা দিছে তারেই মেরে ফেলছে। এছাড়াও কলোম্বিয়ার সুপ্রিম কোর্টে আগুন দিয়ে তার বিরুদ্ধে যত নথিপত্র ছিলো জ্বালিয়ে দেয়, এবং প্রেসিডেন্ট পদপার্থি Luis Carlos Galán কে তার নির্বাচনি প্রচারণায় হত্যা করে।

ডন পাবলোরে মারার জন্যে কলোম্বিয়ার চেয়ে আমেরিকার বেশি মাথা ব্যাথা ছিলো। তার প্রধান বিজনেস ছিলো কোকেনের, কোকেনগুলা যেতো আমেরিকাতে। তো আমেরিকার একটাই উদ্দেশ্য ছিলো পাবলোরে মারতে পারলে হয়তো কোকেন আমেরিকাতে প্রবেশ করা কমবে, আসলে পাবলো মরার পর আমেরিকাতে কোকেন প্রবেশ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে!

তো টিভি সিরিজে দেখানো হইছে আমেরিকা এবং কলোম্বিয়া দুইটা দেশে মূলত পাবলোরে মারছে, তবে আমি কিছু রিসার্চ করে এবং আরো কিছু ডকুমেন্টারি দেখে যা বুঝলাম পাবলো নিজে নিজেই সুসাইড করছে, আর তার মরার পিছনে আমেরিকা এবং কলোম্বিয়া চেয়ে বেশি অবদান হলো তার প্রতিদন্ধী ব্যাবসায়ীদের, যারা পাবলোরে শেষ মুহুর্তে থ্রেট হিসাবে দেখে, এবং বয়কট শুরু করে, এমনকি তার খুব কাছের মানুষদের মেরে ফেলে তারে পুরোপুরি একা করে ফেলে, যার কারণে সে বাধ্য হয়ে নিজে নিজেরে শেষ করে দেয়।

তো পুরো সিরিজটা ছিলো এক কথায় অসাধারণ, পাবলো এসকোবারের চরিত্রে অভনয় করছে Wagner Moura, তার অভিনয় এতো সলিড ছিলো যে মাঝে মধ্যে মনে হবে এটাই আসল এসকোবার। দর্শকদের পর্দায় ধরে রাখতে সত্য কাহিনীর বাহিরে অনেক সাইড স্টোরি যুক্ত করা হইছে, আফটার অল তারা পাবলোর পুরো জীবনী তুলে ধরছে।

গতকাল চ্যাটজিপিটি এনাউন্স করছে চ্যাটজিপিটি এপ স্টোর লান্স করবে, এপল, গুগল প্লে স্টোরের মতো। মূলত এই এপসগুলি চ্যাটজিপিটির...
08/11/2023

গতকাল চ্যাটজিপিটি এনাউন্স করছে চ্যাটজিপিটি এপ স্টোর লান্স করবে, এপল, গুগল প্লে স্টোরের মতো। মূলত এই এপসগুলি চ্যাটজিপিটির নানান কাজে সহায়তা করবে।

Shopify Apps: 33,000 apps, $561M of revenue
App Store: 1.8M apps, $910B of revenue
ChatGPT Store: 0 "agents", $0 revenue

তো যারা এপ ডেভোলাপার এই সুযোগ মিস কইরেন না, আপনারা যা পারেন তা দিয়েই ছোট ছোট ইউনিক এপ বানাতে পারেন। হিউজ সম্ভবনা, এইসব সুযোগ সাধারণত খুব কম আসে।

Cherrapunji ☺️☺️☺️
04/11/2023

Cherrapunji ☺️☺️☺️



















Beautiful Meghalaya 🥰🥰🥰
04/11/2023

Beautiful Meghalaya 🥰🥰🥰




















27/09/2023

টেকনিক্যাল এসিও কি ?
সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগোল , বিং এরা যেন আমাদের ওয়েবসাইটের বিভিন্য পেইজ কে খুঁজে পায়, ক্রল করে, ভালোভাবে বুঝতে পারে আর ইন্ডেক্স ও করে নেয় এর জন্য আমাদের পেইজ গুলোকে ভালোভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে ত্রুটিমুক্ত করে রাখতে হয় বা অপ্টিমাইজ করে রাখতে হয়। আর এই সাজিয়ে গুছিয়ে অপ্টিমাইজ করে রাখার পদ্ধতি টাকেই বলে টেকনিক্যাল এসিও। আমাদের সাইট কে যেনো সার্চ ইঞ্জিন খুব সহজেই খুঁজে পায় আর খুঁজে পেয়ে র‍্যাঙ্কিং ও দিয়ে দেয় মূলত এর জন্যই টেকনিক্যাল এসিও করা হয়।
টেকনিক্যাল এসিও কতটা জটিল ?
বুঝতে না পারলে টেকনিক্যাল এসিও জটিল মনে হতে পারে কিন্তু টেকনিক্যাল এসিও এর ফান্ডামেন্টাল বিষয় গুলোতে দক্ষতা অর্জন করা খুব বেশি কঠিন কোন বিষয় না। আমার এই লিখনিতে আমি টেকনিক্যাল এসিও এর বিষয় গুলোকে খুব সহজ ভাবে বুঝানোর চেস্টা করবো।
ক্রলিং কিভাবে কাজ করে?
যে পদ্ধতিতে সার্চ ইঞ্জিন আমাদের সাইটের বিভিন্য পেইজ থেকে কন্টেন্ট রিড করে বা খুঁজে পেতে চেস্টা করে তাকেই ক্রলিং বলে। ক্রলিং এর সময় সার্চ ইঞ্জন পেইজের বিভিন্য লিংক গুলকে ব্যাবহার করে আরো পেইজ খুঁজে পেতে চেস্টা করে। কিছু পদ্ধতি রয়েছে যার মাদ্ধমে আমরা কন্ট্রোল করতে পারি সার্চ ইঞ্জিন আমাদের ওয়েবসাইটের কি কি বা কোন কোন অংশ ক্রল করবে আর কোন কোন অংশ ক্রল করবে না ।
ROBOTS.TXT
আমাদের সাইটের কোন কোন অংশে সার্চ ইঞ্জিন যেতে পারবে আর কোন কোন অংশে সার্চ ইঞ্জিন যেতে পারবে না এই জিনিশটাই Robots.txt বলে দেয়।
CRAWL RATE
আমরা Robots.txt তে একটা ক্রল ডিলে ডিরেক্টিভ ইউস করতে পারি আর এটা অনেক ক্রলার ই সাপোর্ট করে । এটা কত ঘন ঘন ক্রলার সাইট কে ক্রল করবে সেটাই সেট করতে সাহায্য করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে গুগোল এটা সাপোর্ট করে না । গুগোল যেটা বলে তা হল ক্রল রেইট চেঞ্জ করতে হলে আমাদের গুগোল সার্চ কন্সোল এ গিয়েই তা করতে হবে।
ACCESS RESTRICTIONS
আপনি যদি চান যে আপনার পেইজ টি কিছু ইউসার এর কাছে এক্সেসিবল থাকবে কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন তাতে এক্সেস করতে পারবে না তাহলে আপনি নিচের তিনটি ধাপ অনুসরন করতে পারেনঃ
১/ লগিন সিস্টেম কে কাজে লাগিয়ে করতে পারেন।
২/ এইচটিটিপিএস আথেন্টিকেশন এর মাধ্যমে করতে পারেন । যেখানে পেইজটা এক্সেস করতে গেলে পাসোয়ার্ড এর প্রয়োজন হবে।
৩/ আইপি হোয়াইটলিস্টিং করার মাধ্যমে করতে পারেন। যেখানে নির্দিস্ট কিছু আইপি এড্রেস কে এলাউ করা হবে শুধু।
এই ধরনের সেটাপ সবচেয়ে ভালো হবে ইন্টারনাল নেটোয়ার্ক, নাম্বার ওনলি কন্টেন্ট, টেস্টিং অথবা যে সমস্ত সাইট আন্ডার ডেভ্লোপমেন্ট এ থাকে এই সমস্ত পেইজ বা ফুল সাইটের জন্য। এই পদ্ধতিতে কিছু ইউসার কে বা একটা গ্রুপের সমস্ত ইউসার কে ওই পেইজ টা এক্সেস করতে দিবে, কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন অই পেইজ টাকে ইন্ডেক্স করবে না বা এক্সেস ও করতে পারবে না।
কিভাবে ক্রল এক্টিভিটি দেখা দেখা জেতে পারে
বিশেষ করে গুগোলের জন্য, গুগোল কি ক্রল করছে সেটা দেখার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে গুগোল সার্চ কন্সোল এর ক্রল স্ট্যাটস রিপোর্ট দেখা। এইভাবে দেখলেই আপনি সবচেয়ে বেশি তথ্য পাবেন আপনার সাইট টাকে গুগোল কিভাবে ক্রল করছে এই সম্পর্কে ।
যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সব ক্রল এক্টিভিটি দেখতে চান তাহলে আপনাকে আপনার সার্ভার লগ এ এক্সেস করতে হবে এবনহ যেকোনো একটা টুল ইউস করতে হবে ডাটা গুলোকে এনালাইজ করার জন্য। আর এই ভাবে করলে আপনি অনেক এডভান্সড ডাটা পাবেন। কিন্তু আপনার হোস্টং কম্পানীর যদি কোনো কন্ট্রোল পেনেল যেমন সিপেনেল এর মত কিছু থেকে থাকে তবে র লগ এ এক্সেস করা এবং কিছু এগ্রিগেটর এ এক্সেস করা যেমন AWstats যেমন। Webalizer ।
ক্রল এডজাস্টমেন্টস
প্রত্যেক্টা ওয়েবসাইট এর ভিন্য ভিন্য ক্রল বাজেট থাকে। কত ঘন ঘন গুগোল আপনার সাইট ক্রল করবে এবং কতটা ক্রলিং আপনার সাইট এলাউ করবেন এই গুলার সমন্বয়ে ক্রল বাজেট তইরি হয়। সবচেয়ে জনপ্রিয় পেইজ গুলো এবং যে পেইজ গুলো মাঝে মাঝে চেঞ্জ বা আপডেট করা হয় ওই সমস্ত পেইজ গুলো ক্রল বাজেট বেশি পায়, গুগোল তাদের ক্রলও বেশি ঘন ঘন করে। যেসমস্ত পেইজ খুব বেশি জনপ্রিয় নয় এবং খুব ভালো ভাবে লিঙ্কিং করা থাকে না সেগুলো গুগোল কম কম ক্রল করে।
ক্রলার গুলো যদি আপনার সাইট ক্রল করতে অসুবিধার সম্মুখিন হয় বা স্মুথলি ক্রল করতে না পারে তবে তারা খুব কম ক্রল করবে অথবা আপনার সাইট কে ক্রলিং করা বন্ধ করে দিবে।
ক্রলার ক্রল করার পর তারা পেইজ গুলোকে রেন্ডার করে এবং ইনডেক্স করার জন্য পাঠিয়ে দেয়। ইন্ডেক্স হচ্ছে ওই সমস্ত পেইজ জেগুলো সার্চার সার্চ করলে দেখতে পাবে।
ইন্ডেক্সিং কে আরও ভালোভাবে বুঝব
এখন আমরা দেখবো কিভাবে বুঝতে পারিও যে কোন পেইজ গুলো ইন্ডেক্স হয়েছে এবং ইন্ডেক্স হওয়া পেইজ গুলো আমরা কিভাবে চেক করতে পারি যে তারা আসলেই ইন্ডেক্স হয়েছে।
ROBOTS DIRECTIVES
রোবোটস মেটা ট্যাগ হচ্ছে এমন একটা এইচটিএমেল স্নিপেট জেটা সার্চ ইঞ্জিনকে নির্দেশ দেয় কিভাবে কিভাবে ক্রল অথবা ইন্ডেক্স করতে হবে কোনো একটা নির্দিস্ট পেইজ কে । এটাকে একটা ওয়েবপেইজের হেড সেকশন এ রাখতে হয় এবং এটা এমন দেখা যায় ঃ

CANONICALIZATION
যদি একটা পেইজের মাল্টিপল ভার্সন থাকে , গুগোল যেকোনো একটা কে ইন্ডেক্স করবে। আর এই প্রসেস টাকে বলে কেননিকালাইজেশন। আর যেই ইউয়ারেল তাকে আমরা কেননিকাল হিসেবে সিলেক্ট করবো সেটাই গুগোল সার্চ রেজাল্ট এ শো করাবে। বিভিন্য সিগ্নাল এর মাধ্যমে গুগোল কেননিকাল ইউয়ারেল সিলেক্ট করে যেমন ঃ
১/ কেননিকাল ট্যাগ
২/ ডুপ্লিকেট পেজেস
৩/ ইন্টারনাল লিঙ্কস
৪/ রিডাইরেকসন্স
৫/ সাইট্ম্যাপ ইউয়ারেল
গুগোল কিভাবে একটা পেইজ কে ইন্ডেক্সড করেছে সেটা চেক করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হচ্ছে সার্চ কন্সোল এর ইউয়ারেল ইন্সপেকশন টুল কে ব্যবহার করা। এটা আপনাকে গুগোল যেসমস্ত ইউয়ারেল কে কেননিকাল সিলেক্ট করেছে সেটা দেখাবে। [picture added below]
টেকনিক্যাল এসিও কুইক উইনস
এসিও তে সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে প্রায়োটারাইজ করা। অনেক ধরনের বেস্ট প্রাক্টিস আছে, কিন্তু কিছু কিছু চেঞ্জিং আপনার সাইটের র‍্যাংকিং এবং ট্রাফিক এ বেশি পরিমানে প্রভাব ফেলবে । আমি নিচে এমন ধরনের কিছু প্রজেক্ট এর কথা বলব যেগুলো আপনার উচিত হবে প্রথমে চেক করা এবং সে অনুযায়ী কাজ করা।
ইন্ডেক্সিং চেক করা
যে পেইজগুলোকে আপনি আপনার রিডার বা অডিয়েন্স এর সামনে সার্চ করলেই নিয়ে আসতে চাচ্ছেন সিউর হউন যে সেগুলো ইন্ডেক্স হয়েছে। সার্চ কন্সোল কোন পেইজ ইন্ডেক্সিবল কি না সেটা চেক করার অপ্সন দেয়া আছে। ফিতেই চেক করে নেয়া যায় যে কোনো নির্দিস্ট পেইজ ইন্ডেক্স হতে কোনো সমস্যা আছে কিনা। এইচ্রেফস এও এই ধরনের পেইজ ইন্ডেক্সেবল কিনা সেটা চেক করার টুলস আছে। এইটাও ফ্রিতেই ইউস করা যায়। [picture added]
রিক্লেইম লস্ট লিঙ্কস ( যে লিঙ্ক গুলো লস্ট হয়েছে সেগুলো আবার করে নেয়া )
মাঝে মাঝেই দেখা যায় পুরনো ওয়েবসাইট গুলো বছর বছর চলতে থাকলে ওয়েবসাইট গুলো তাদের অনেক ইউয়ারেল ই চেঞ্জ করে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় এই সমস্ত পুরোনো ইউয়ারেল গুলোতে অন্যান্য ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক থাকে। মানে অন্যান্য ওয়েবসাইট থেকে লিংক পেয়েছিলো। এখন যদি এই পুরোনো পেইজ টাকে নতুন পেইজের সাথে রিডিরেক্ট করে না দেয়া হয় তবে পুরনো ওই পেইজের ইউয়ারেল চেঞ্জ করার ফলে অই পেইজ টা যেমন হারিয়ে যায় তেমনি ওই পেইজের সাথে সাথে ওই পেইজের লিংকগুলোও হারিয়ে যায়।
ফলে যেহেতু অন্যান্য সাইট আমাদের যে পুরোনো পেইজ টাকে লিংক দিয়েছিল যেটার কারণে পেইজ এবং সাইট এর অথরিটি বৃদ্ধি পেয়েছিল বা সার্চ ইঞ্জিনের চোখে ভালো মনে হত সাইট টাকে , যখন লিঙ্ক গুলো লস্ট হয়ে যায় তখন এই লিংক এর জুস গুলো ও আমরা হারিয়ে ফেলি আর তাই রিডীরেক্ট করে দেয়া জরুরী। আর এভাবে আমরা সহজেই হারিয়ে জাওয়া লিংক এর ভেলু ফিরে পেতে পারি। এটাকে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে কিভাবে লিঙ্ক বিল্ডিং করা যায় তার একটা মাধ্যম হিসেবেও ধরা জেতে পারে।
এই লিংক অপরচুনিটি বিভিন্য ভাবেই খুঁজে পাওয়া জেতে পারে তার মধ্যে একটি হচ্ছে এইচ্রেফস এর সাইট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করা। সাইট এক্সপ্লরার এ ডোমেইন দিয়ে দিলে এর পর বেস্ট বাই লিঙ্কস রিপোর্ট এ ক্লিক করলেই এরপর “৪০৪ নট ফাউন্ড “ এইচটিটিপিএস রেস্পন্স ফিল্টার ইউস করলেই এই লিঙ্ক অপরচুনিটি কোথায় কোথায় আছে তা পাওয়া যেতে পারে। আর আমি এই কাজটা করি রেফারিং ডোমেইন এ সর্ট করে।
1800flowers.com এই ডোমেইন টার জন্য জন্য যদি আমি এই লিঙ্ক অপ্রচুনিটি খুঁজে বের করতে চাই তবে এভাবে করতে পারি। [picture added]
আমরা ৩০১ রিডিরেক্ট করে দিতে পারি কোনো পুরনো ইউয়ারেল কে এই লস্ট ভেলু পাওয়ার জন্য। ৩০১ হচ্ছে পার্মানেন্ট রিডিরেকশন। যেকোনো লিঙ্ক কে রিডিরেক্টেড ইউয়ারেল এ পইন্ট করে দিলে গুগোলের চোখে তা নতুন ইউয়ারেল হিসেবে কাউন্ট হবে।
ইন্টারনাল লিংক যোগ করুণ
আপনার সাইটের কোনো এক পেইজ থেকে আপনার নিজের সাইটেরই অন্য কোনো পেইজে লিংক করে দিলে তাকে বলা হবে ইন্টারনাল লিঙ্ক। এই ইন্টারনাল লিংক করলে আপনার পেইজ কে সহজেই খুঁজে পাওয়া যায় আর এটা র‍্যাংকিং এও হেল্প করে।
এইচ্রেফস এর সাইট অডিট সেকশন এ একটা অপ্সন আছে ইন্টারনাল লিঙ্ক অপরটুনিটিস নামে। এই অপ্সন টা খুব দ্রুত এবং সহজে এই সমস্ত ইন্টারনাল লিংক অপরচুনিটি খুঁজে বের করতে সহায়তা করে।
এই টুল্টা প্রথমে আপনার সাইটের যে সমস্ত কিওয়ার্ড অলরেডি র‍্যাংক করেছে সেই গুলোকে খুঁজে বের করে । আর সেই কিওয়ার্ড আপনার অই পেইজে আছে কিনা সেটা দেখে এবং তারপর তাদেরকে কন্টেক্সটচুয়াল ইন্টারনাল লিংক অপ্রতুনিটি হিসেবে সাজেস্ট করে।
উদাহরন হিসেবে বলা যায় টুল্টা দেখাচ্ছে যে একটা পেইজ আছে ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট এর আর এখানে একটা কিওয়ার্ড আছে “faceted navigation” । সাইট অডিট অল্রেডি খুঁজে বের করেছে যে আমাদের সাইটে faceted navigation এর উপরেও একটা পেইজ আছে আর তাই টুলটা সাজেস্ট করছে যে আমরা যেন ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট এই পেইজ টাতে ইন্তারনাল লিংক করে দেই। [picture added below]
স্কিমা মার্কাপ এড করুণ
স্কিমা মার্কাপ হচ্ছে একটা কোড সার্চ ইঞ্জিন কে আপনার কন্টেন্ট আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করে। স্কিমা মার্কাপ আরো অনেক ফিচার কে এক্সট্রা পাওয়ার দেয় যাতে আপনার কন্টেন্ট টা সার্চ রেজাল্ট এর বাকি কন্টেন্ট গুলো থেকে আলাদা করে দিতে সাহায্য করে। গুগোলের সার্চ গ্যালারি রয়েছে জেটা বিভিন্য সার্চ ফিচারকে দেখায়। আর এই সার্চ ফিচার এ আসতে হলে আপনার কন্টেন্ট এর স্কিমা মার্ক আপ থাকতে হবে।
এসিও এর আরো কিছু টেকনিক্যাল প্রজেক্টস
এই চ্যাপ্টারে আমরা যে এসিও প্রজেক্টস গুলো নিয়ে কথা বলবো সেগুলোতে ফোকাস করা অবশ্যই দরকার কিন্তু একটা বিষয় মনে রাখা দরকার যে এই প্রজেক্টস গুলোতে ফোকাস করলে কুইক উইন এর মত এতো বেনিফিট পাওয়া যাবে না, যেমন টা আমরা পেয়েছি কুইক উইন চেপ্টারে। আবার এই এডিশনাল প্রজেক্টস গুলোতে সময়ো বেশি লাগে এফোর্ট ও বেশি দিতে হয়। কিন্তু তুলনামুক ভাবে রেসাল্ট কম আসে।
তার মানে এই না যে আপনি এই প্রজেক্ট গুলোতে ফোকাস দিবেন না বা এগুলোর দরকার নাই। এই কথাটা বলার কারন হচ্ছে আপনাকে বুঝতে হবে কোন প্রজেক্ট গুলকে আপনি প্রায়োটারাইয করবেন ।
Page experience signals
র‍্যাংকিং ফ্যাক্টর এ এগুলো কম প্রভাব ফেলে। কিন্তু তারপরেও আপনার ইউসার দের জন্য এই ফ্যাক্টর গুলোতেও আপনাকে নজর দিতে হবে। এই ফ্যাক্টর গুলো ইউসার এক্সপেরিএন্স এর উপর প্রভাব ফেলে।
Core Web Vitals
কোর ওয়েব ভাইটালস স্পিড এর একটা মেট্রিক্স যেটা গুগোলের পেইজ এক্সপেরিএন্স সিগ্নালস এর একটা অংশ। আর এটা ইউসার এক্সপেরিএন্স পরিমাপ করতেও ব্যবহার করা হয়। লার্জেস্ট কন্টেন্টফুল পেইন্ট (এলসিপি), কিউমুলেটিভ লেয়াউট শিফট (সিএলেস) এবং ফার্স্ট ইনপুট ডিলে (এফাইডি) এই তিন্টার সমন্বয়ে কোর অয়েব ভাইটালস গঠিত।
HTTPS
এটাকার রা যে সার্ভার এর মাধ্যমে এটাক করার চেস্টা করে সেই সার্ভার আর আপনার ব্রাউসার এর মধকার কমিউনিকেশন কে এইচটিটিপিএস রক্ষা করে। এটা গোপোনিয়তা, অথেন্টিকেশন, ইন্টিগ্রিটি প্রদান করে ট্রাফিক কে। আর তাই আপনার সাইট কে এইচটিটিপি নয় বরং এইচটিটিপিএস মাধ্যমে লোড করুণ। কোনো ওয়বসাইট এর বাম পাশে যদি লক চিনহ থাকে তাহলে বুঝে নিতে হবে সাইট টা এইচটিটিপিএস ব্যাবহার করছে।
যেমন ঃ
[image added below]
মোবাইল ফ্রেন্ডলিনেস
মোবাইল ফ্রেন্ডলিনেস চেক করা হয় যেন পেইজ গুলোকে ভালোভাবে এবং সহজে ট্রাফিক রা মোবাইল এ দেখতে পাচ্ছে কিনা। গুগোল সার্চ কোন্সল এ মোবাইল ইউসেবিলিটি নামে একটা রিপোর্ট আছে সেটা দিয়ে সহজেই আমরা এই চেকটা করে নিতে পারি।
[images added below]
এই রিপোর্ট বলে দিবে আপনার পেইজে কোনো মোবাইল ফ্রেন্ডলিনেস এর ইসুস আছে কিনা।
Interstitials
Interstitials কন্টেন্ট কে ব্লক করে রাখে যেন ট্রাফিক দেখতে না পায়। এইগুলা সাধারনত পপ আপ টাইপের হয় যেটা মেইন কন্টেন্ট কে কাভার করে রাখে। আর ইউসার দের সাইট থেকে চলে যাওয়ার আগে হলেও এই পপ আপ গুলোতে ইন্টারেক্ট করতে হয়।
HREFLANG — FOR MULTIPLE LANGUAGES
এইচ্রেফ্ল্যাং হচ্ছে একটা এইচটিএমেল এট্রিবিউট জেটা ব্যাবহার করা হয় কোনো ভাষা এবং ভউগলিক অবস্থান কে স্পেসিফাই করার জন্য। আপনার যদি একি পেইজের মাল্টিপল ভার্সন থাকে ভিন্য ভিন্য ভাষাতে আপনি এইচ্রেফ্ল্যাং ট্যাগ ইউস করতে পারেন। এটা করার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইঞ্জিন কে এই সমস্ত ভেরিএশন সম্পর্কে তত্থ্য বা সিগ্নাল দিচ্ছেন। আর এটা করলে আপনার ট্রাফিক আপনার পেইজের কারেক্ট ভার্সন টাকেই খুঁজে পাবে তার ভাষা ও অবস্থান অনুযায়ী।
GENERAL MAINTENANCE/WEBSITE HEALTH
জেনারেল মেইন্টেইন এর কাজ গুলোর খুব বেশি প্রভাব নেই আপনার সাইট এর র‍্যাংকিং এ কিন্তু এই গুলো ফিক্স করে ফেললেই ভালো ইউসার এক্সপেরিএন্স এর জন্য।
BROKEN LINKS
কোনো রিসোর্স এখন আর এক্সিস্ট করে না এমন সব রিসোর্স গুলকে আপনার সাইট লিঙ্ক দিয়েছে আর এই লিঙ্ক গুলোকেই বলে ব্রকেন লিংক। এই ব্রোকেন লিংক্স গুলো ইন্টারনাল ও হতে পারে আবার এক্সটারনাল ও হতে পারে। আপনি এই সমস্ত ব্রোকেন লিংক গুলো সহজেই খুঁজে পেতে পারেন এইচ্রেফস এর সাইট অডিট এর লিংক রিপোর্ট এর মাধ্যমে। এইচ্রেফস এর ওয়েবমাস্টার টুলস এ এটা ফ্রিতেই করা যায়।
[images added below]
REDIRECT CHAINS
রিডিরেক্ট চেইন হচ্ছে রিডিরেক্ট এর একটা সিরিজ বা অনেক গুলো রিডিরেক্ট জেটা প্রাথমিক ইউয়ারেল এবং ডেস্টিনেশন ইউয়ারেল এর মধ্যে ঘটে।
টেকনিক্যাল এসিও টুল
এই টুল গুলো আপনার সাইটের টেকনিক্যাল এস্পেক্টস এর উন্নতিতে হেল্প করে।
GOOGLE SEARCH CONSOLE
[images added below]
গুগোল সার্চ কোন্সোল একটা ফ্রি সার্ভিস গুগোল এর পক্ষ থেকে। গুগোল সার্চ কন্সোল আপনাকে সাহায্য করবে আপনার ওয়েবসাইত কে মনিটর করতে এবং সার্চ রেসাল্ট এ আপনার সাইট কে নিয়ে আসতে। টেকনিক্যাল সমস্যা গুলকে খুঁজে বের করতে এবং ফিক্স করতে এই টুল্টাকে ব্যবহার করুণ। এটার মাধ্যমে সাইট্ম্যাপ সাবমিট করুণ। স্ট্রাকচার্ড ডাটা ইসুস গুলো চেক করে দেখুন। সব কিছুই করতে পারবেন গুগোল সার্চ কন্সোল এর মাধ্যমে।
বিং , ইয়ান্ডেক্স এবং এইচ্রেফস এ যার যার নিজস্ব ওয়েবমাস্টার টুলস আছে। এগুলো ফ্রি।
এই টুল গুলো দিয়ে আপনি ঃ
ওয়েবসাইটের এসিও হেলথ মনিটর করতে পারবেন। সবগুলো ব্যাক্লিঙ্ক দেখতে পাবেন। কোন কোন কিওয়ার্ড র‍্যাংক করে আছে তা দেখতে পাবেন। আপনার পেইজ কত ট্রাফিক পাচ্ছে তা দেখতে পাবেন । কোথায় কোথায় আরো ইন্টারনাল লিংকিং করতে পারবেন তা দেখতে পাবেন।
গুগোলের মোবাইল ফ্রেন্ডলি টেস্ট
[images added below]
গুগোলের মোবাইল ফ্রেন্ডিলিনেস টেস্ট চেক করে কতটা সহজে একজন ভিসিটর আপনার পেইজ টাকে মোবাইলে দেখতে পারে। মোবাইল এর স্পেসিফিক কিছু ইসুস যেমন কোনো টেক্সট যদি মোবাইল এ অনেক ছোটো দেখা যায় জেটা কিনা পড়াই জাচ্ছে না এমন দেখা গেলেও এইটুল্টা ডিটেক্ট করে। মোবাইল ফ্রেন্ডলিনেস টেস্ট দেখায় জেটা গুগোল দেখতে পায় যখন গুগোল আপনার পেইজ টাকে ক্রল করে। গুগোল আপনার কন্টেন্ট কে মোবাইল এ এবং ডেস্কটপ এ কেমন ভাবে দেখতে পায় এটা দেখার জন্য আপনি রিচ রেজাল্ট টেস্ট টুল্টাও ইউস করতে পারেন ।
CHROME DEVTOOLS
[images added below]
ক্রম ডেভ টুলস হচ্ছে ক্রমের বিল্ট ইন ওয়েবপেইজ ডিবাগিং টুল। আপনি এটাকে পিজ স্পিড ইসুস ডিবাগ করার জন্য , ওয়েবপেইজ রেন্ডারিং পার্ফরমেন্স ইম্প্রুভ করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন। টেকনিক্যাল এসিও এর দিক থেকে এর অনেক ব্যবহার রয়েছে।
AHREFS’ SEO TOOLBAR
এইচ্রেফস এসিও টুল বার হচ্ছে ক্রম এবং ফায়ারফক্স এর জন্য একটা ফ্রি এক্সটেনশন জা কিনা দরকারি এসিও ডাটা দেখায় যে পেইজগুলো বা সাইট গুলো আপনি ভিসিট করবেন তার সম্পরকে ।
এর ফ্রি ফিচারগুলোর মদ্ধ্যে অন্যতম হল ঃ
অনপেইজ এসিও রিপোর্ট , রিডিরেক্ট ট্রাসার উইথ এইচটিটিপিএস হেডারস, ব্রোকেন লিঙ্ক চেক করা যায়। এতে লিংক হাইলাইটার অপ্সন আছে, সার্প পজিসন দেখা যায়।
PAGESPEED INSIGHTS
[images added below]
পেইজস্পিড ইন্সাইটস আপনার পেইজের লোডিং স্পিড কে এনালাইজ করে। সেই সাথে পারফরমেন্স স্কোর কেও এনালাইয করে। কি কি কাজ করা জেতে পারে পেজের লোড স্পিড আরো বাড়ানোর জন্য সেই বিষয়ে সাজেশন ও দেয়।
সংখেপে মুল বিশয়বস্তু আলোচনা করবো এবার
১/ যদি আপনার কন্টেন্ট ইন্ডেক্সড ই না হয় তবে সার্চ ইঞ্জিন সেটা খুঁজে পাবে না।
২/ যখন কোনো কিছু ব্রোকেন হয়ে যাবে সাইটের সেটা সার্চ ট্রাফিক এ প্রভাব ফেলবে। আর তাই সবার আগে এটাকে ফিক্স করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ সাইটের ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে আমরা সাইটের কন্টেনট দিতে এবং লিঙ্ক বিল্ড করতেই বেশ সময় দেই।
৩/ টেকনিক্যাল প্রজেক্টস এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইম্প্যাক্ট থাকে ইন্ডেক্সিং এবং লিঙ্কিং এর।

একটা ব্লগ আপনাকে কখনোই হতাশ করবে না, কোন না কোন ভাবে ব্লগ থেকে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।আমি আমার এসিও প্রেক্টিসের জন্...
21/05/2023

একটা ব্লগ আপনাকে কখনোই হতাশ করবে না, কোন না কোন ভাবে ব্লগ থেকে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আমি আমার এসিও প্রেক্টিসের জন্যে একটা বাংলা ব্লগ খোলেছিলাম প্রথমে। পরে বুঝতে পারি বাংলা ব্লগে র‍্যাংক করা খুব সহজ, এবং আর্নি খুব কম। যথেষ্ট পরিমাণ ট্রাফিক থাকার পরেও ভালো আর্নিং হয় না। এবং কয়েক মাস গুগল এডসেন্স থেকে আর্নিং করার পর গুগল এডসেন্স ইনভ্যালিড ক্লিকের কারণে ডিসেবল হয়ে যায়।

আমার আর অই ব্লগে কাজ করার তেমন আগ্রহ হয় নাই, এবং আমি ইংলিশ ব্লগে কাজ শুরু করি। এবং মোটামুটি ইংলিশ ব্লগগুলি ভালই করতেছে।

তবে অই বাংলা ব্লগে আমি mgid এর এডস লাগিয়েছিলাম, এবং এইটা আমাকে হতাশ করে নাই, যে ব্লগে আমি মূলত কাজই করিনা সেই ব্লগে ডেইলি আমাকে ১ ডলার রেভিনিউ দিতেছে, ইভেন মাঝে মাঝে ২ ডলারো রেভিনিউ আসে।

গত ছমাসে ১৯০ ডলার আসছে!

17/05/2023

প্রফেশনাল গিগঃ যে ছবিতে চোখ আটকায়, যে টাইটেল ক্লিক বাড়ায়।

যেই ১০ টা স্টেপ ফলো করে আমার ফাইভার ক্যারিয়ার কন্টিনিউ করছি তার মধ্যে গিগ তৈরী আছে চতুর্থ নাম্বারে। আর একটা প্রফেশনাল গিগ তৈরীর ৩ টা ভাগের প্রথম ও প্রধান অংশ হলো থাম্বনেইল ও টাইটেল। একটা আরেকটার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এটা একটা দরজার মত যা দিয়ে বায়ার আমার কাছে আসে, যদি থাম্বনেইল দেখে বায়ার এর পছন্দ হয় কেবল তখনি সে ভালোভাবে টাইটেল দেখবে এবং ক্লিক করার সিদ্ধান্ত নিবে। ফাইভারে যেই বিষয়গুলোতে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হয় তার মধ্যে গিগ ইমেজ ও টাইটেল অন্যতম।

আমি কিভাবে গিগ টাইটেল লিখি, ইমেজ তৈরির সময় কোন বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেই আর ফাইনালি কিভাবে তা প্রেজেন্ট করি তাই শেয়ার করবো এই আর্টিকেলে। হয়ত আপনার ক্ষেত্রেও কাজে লাগতে পারে।

এনগেজিং টাইটেল তৈরীর ৪ টা স্টেপ

১। প্রথমে মেইন কিওয়ার্ডটা লিখুন, যেমন ( facebook post thumbnail design বা On-page SEO Audit বা অন্য কিছু যেই সার্ভিস আপনি এই গিগে প্রোভাইড করবেন। )

২। একটু ভাবুন এই সার্ভিসটা বায়ার কেন কিনবে? এটা তার কোন সমস্যা সমাধান করবে? বা কি অর্জন করতে সাহায্য করবে? এই সার্ভিস টা নেয়ার সময় বায়ার কি কি বিষয় লক্ষ্য রাখে? যেমন আমি যদি লোগো তৈরির কথা ভাবি তাহলে চিন্তা করবো এটা যেন মিনিংফুল হয়, এটা যেন আমার প্রতিষ্ঠান কে উপস্থাপন করে। আবার যদি ওয়েবসাইট অডিট এর কথা আসে তাহলে চাইব এমন একটা রিপোর্ট যেন অডিটে থাকে যেখান থেকে আমি সব প্রবলেম গুলো দেখতে পাবো এবং কি কি একশন নিতে হবে তাও জানবো। এখন আপনি যেই সার্ভিস দিচ্ছেন তা বায়ার কেন নেয় এবং কি কি বিষয় কে প্রাধান্য দেয়, সেই দিকগুলো নোট করুন।

৩। আপনি হয়ত নোট করেছেন বায়ার কি কি চায় এবং কিভাবে সেই সার্ভিসটা দিবেন, কিন্তু এসব কিছু তো থাকবে গিগ ডেসক্রিপশনে, টাইটেলে নয়। রাইট, এসব গিগ এর ভিতরেই থাকবে। এবার একটু দূর পর্যন্ত ভাবুন, আপনার সার্ভিস দ্বারা বায়ার সবচেয়ে বড় কোন জিনিস টা এচিভ করতে পারবে বা কোন বড় সমস্যা টা থেকে মুক্তি পাবে। সেটার একটা ধারনা এক লাইনের মধ্যে আপনার টাইটেলে সেট করতে হবে।

৪। এই পর্যায়ে আমি ৩/৪ টা স্যাম্পল টাইটেল লিখি, যেটা বেষ্ট মনে হয় সেটাকেই ফাইনাল করি। ধরা যাক আমার কিওয়ার্ড হচ্ছে “Facebook Ads Campaign Set Up” আমার বিবেচনায় এই সার্ভিস থেকে বায়ার ২ টা জিনিস আশা করে, অনেক বেশি রিচ আর সেল। তাহলে এই দুইটা পয়েন্ট কে টাইটেলে রাখতে হবে। তাহলে আমার খসরা টাইটেল গুলো হতে পারে এরকম…

• I will set up max engaging Facebook Ads Campaign that will catch the target audience.

• I will set up a sales-generating Facebook Ads Campaign to grow your business

• I will do Facebook Ads Campaign that will engage the target audience & increase sales.

একটু লক্ষ করলে দেখবেন প্রতিটা টাইটেলেই বায়ার যা চায় তা ফোকাস করা হয়েছে। টাইটেলে কিছু পাওয়ার ওয়ার্ড রাখলে ক্লিক রেট বারে, এই ব্যাপারে গুগল করে বিস্তারিত জেনে নিন কারন এটা অনেক বর একটা টপিক। এগুলো কিছু খসরা ছিল, খেয়াল রাখতে হবে টাইটেল যেন খুব বেশি লম্বা না হয়, তাহলে হিবিজিবি লাগবে এবং মানুষের চোখ জঞ্জাল পছন্দ করেনা। আমি সাধারনত এই ৪ টা ধাপ ফলো করে টাইটেল লিখি এবং একটা গিগ তৈরী করতে আমার কোন কোন ক্ষেত্রে ১ সপ্তাহের বেশিও লাগে, কারন পারফেক্ট কিওয়ার্ড পেতেই কয়েকদিন লেগে যায়।

আশা করছি উপরের উদাহরন গুলো দেখে আপনি এর চেয়ে অনেক ভালো ও এনগেজিং টাইটেল লিখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

আই-ক্যাচিং গিগ ইমেজ এর ৩ টা পার্ট

আপনি যদি ইতিমধ্যে একটা পারফেক্ট টাইটেল লিখতে পারেন তাহলে গিগ ইমেজ তৈরির অর্ধেক কাজ শেষ করেছেন, ইমেজে মুলত টাইটেল টাকেই প্রেজেন্ট করতে হবে। অর্থাৎ বায়ার এর প্রধান চাহিদা টাই গিগ ইমেজে প্রেজেন্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু বিষয় ফলো করে এগোলে ইমেজ টা হবে ক্লিন, অরগানাইজড ও ক্যাচি। যদি আপনার টাইটেল হয় (I will set up a sales-generating Facebook Ads Campaign to grow your business) তাহলে প্রসেস গুলো হবে এরকম…

১। এখানে আপনি বায়ার কে প্রমিস করছেন এমন একটা ক্যাম্পেইন রান করে দিবেন যেখানে সেল জেনারেট হবে, এখন গিগ ইমেজে এটাই প্রেজন্ট করতে হবে, টাইটেলের প্রধান অংশ টা গিগ ইমেজে রাখতে পারেন, এটা সহযেই চোখে পরবে, যেমন ( Sales Generating Ads Campaing To Grow Business Dramatically.) বায়ার এর মুল উদ্দেশ্যই সেল জেনারেট করা, বিজনেস গ্রো করা, আর এই দুটো যখন আপনার গিগ ইমেজে দেখবে তখন টাইটেল ও পরবে ও ক্লিক করার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

২। এমন একটা ছবি ব্যাবহার করতে পারেন যা আপনার টাইটেল কে প্রেজেন্ট করে, যদি ব্যাকগ্রাউন্ড কালার ইউজ করেন তাহলে লক্ষ্য রাখতে হবে লেখা টা যেন পরিষ্কার দেখা যায়, ভালোভাবে পরা যায়, এবং ব্যাকগ্রাউন্ড কালার যেন স্ট্যান্ডার্ড হয়। মোট কথা ছবিটা যেন খুব বেশি হিবিজিবি না হয়, সহজে যেন মুল মেসেজ টা বায়ার দেখতে পায়। তাহলেই সে একশনে যাবে।

যদি আপনার গিগ টা হয় লোগো ডিজাইন এর ওপর? তাহলে টাইটেল ও ভিন্ন হবে আর ইমেজের স্ট্রাকচার ও ভিন্ন হবে, আপনার কিওয়ার্ডের ওপর নির্ভর করে আগাতে হবে।

কিছু জিনিস গিগ ইমেজে ভুলেও ব্যাবহার করা যাবেনা, ফোন, ইমেইল, ইউ আর এল, যেকোন ঠিকানা, কোন লেভেলের সেলার তা লিখা বা ব্যাজ দেখানো যাবেনা। এগুলো ফাইভার থেকে নিষিদ্ধ।

৩। ফাইভার গিগ ইমেজ সাইজ লিখে সার্চ করলে অনেকগুলো সাইজ দেখতে পাবেন, যেকোন একটা ইউজ করতে পারেন, এক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখবেন ইমেজ টা যেন পুরো এরিয়া কাভার করে, তাহলে দেখতে সুন্দর লাগবে। আমি নিজে যেই সাইজ টা ইউজ করি তাহলো 680x425px.আপনি ট্রাই করে দেখবেন যেটা আপনার জন্য পারফেক্ট হয় সেটাই ইউজ করুন।

ইমেজ আপলোড এর আগে অবশ্যই এটা রিনেম করতে হবে, ইমেজ এর নাম হবে আপনার টাইটেল এর নাম। এটাই ইমেজ এসইও, গিগ এসই করতে গেলে যেখানে যেখানে কিওয়ার্ড ইউজ করতে হয় তার মধ্যে প্রধান হলো টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন, গিগ এর অন্যান্য বিষয় ঠিক থাকলে গিগ ইমেজের নাম এর সুফল পাওয়া যাবে।

গিগ ইমেজ তৈরির ব্যাপার ফাইভার এর একটা অফিসিয়াল গাইডলাইন আছে যা কিনা অনেক হেল্পফুল, কমেন্টে লিঙ্ক দিয়ে দিব এবং এটা অবশ্যই আপনার পরা উচিত।

এই ছিল আমার গিগ ইমেজ ও টাইটেল তৈরির প্রক্রিয়া, আমি নিজে এগুলো ফলো করি এবং আলহামদুলিল্লাহ আমার টপ রেটেড হওয়ার পেছনে এই মেথডগুলো অনেক কার্যকরি হিসেবেই প্রমানিত হয়েছে। হয়ত আপনাদের কাজে লাগতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে নতুন কিছু যোগ করাও লাগতে পারে।

চাইলেই হয়ত এক ঘন্টায় আপনি একটা গিগ তৈরী করে ফেলতে পারেন, কিন্তু যদি একটু স্টাডি করে, সময় নিয়ে ও প্ল্যান করে একটা গিগ তৈরী করেন তাহলে এই একটা গিগ ই আপনার ফিউচার চেঞ্জ করার জন্য যথেষ্ট। প্রথম কাজ পাওয়ার পর থেকে প্রায় ৫ মাস পর্যন্ত আমার শুধু একটা গিগ ই ছিল এবং এখনো নতুন গিগ তৈরী করতে আমার প্রায় ১ সপ্তাহের মত লেগে যায়। ফলাফল হলো আমার বেশিরভাগ গিগ গুলোতেই বায়ার নক করে, সেল এর কথা নাই বললাম।

হয়ত এখন আপনি সময় নিয়ে একটা ভালো টাইটেল আর ইমেজ তৈরী করলেন যা দেখে বায়ার ক্লিক করে গিগ দেখবে, এখন যদি ডেসক্রিপশনে সে স্যাটিসফাই না হয় তাহলে কিন্তু নক করবেনা। তাই স্টাডি করুন কিভাবে কার্যকরি গিগ ডেসক্রিপশন লিখতে হয়। সময় পেলে আমি হয়ত এই বিষয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ।

আজ এ পর্যন্তই, সিনিয়র সেলার কিছু টিপস শেয়ার করতে পারেন যা অনেকের কাজে লাগবে আর নতুনদের কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে পারেন, উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

ধন্যবাদ,

মোঃ মাসুম

Address

Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mijanur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share