Abdullah-Ibne Abdul Jalil

Abdullah-Ibne Abdul Jalil Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Abdullah-Ibne Abdul Jalil, Sylhet.

আসলে তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে ছিল একটি উত্তম আদর্শ এমন প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য যে আল্লাহ‌ ও শেষ দিনের আকাঙ্ক্ষী এবং বেশী করে আল্লাহকে স্মরণ করে। সূরা আহযাব-২১

16/04/2026

📖👻 সূরা বাকারার শক্তি

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবরে পরিণত করো না (নামাজ ও তিলাওয়াত বন্ধ রেখো না)। নিশ্চয়ই শয়তান সেই ঘর থেকে পলায়ন করে, যে ঘরে সূরা আল-বাকারা পাঠ করা হয়।" (অন্য বর্ণনায় আছে: জাদুকররা এর মোকাবিলা করতে পারে না)। Reference: সহীহ মুসলিম ৭৮০

Key Points: ✅ ঘরে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা যাদু ও শয়তানি আছর দূর করার শ্রেষ্ঠ আমল। ✅ এই সূরাটি 'বাতালার' (জাদুকরদের) সব চক্রান্ত নস্যাৎ করে দেয়। ✅ জিনের আছর বা যাদুগ্রস্ত রোগীর জন্য এই সূরাটি প্রতিনিয়ত শোনা বা পড়া উচিত।

🚩🏳️ কিয়ামতের দিন বিশ্বাসঘাতকের পতাকাইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতক...
16/04/2026

🚩🏳️ কিয়ামতের দিন বিশ্বাসঘাতকের পতাকা

ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের (যে ওয়াদা বা চুক্তি ভঙ্গ করে) জন্য একটি করে পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং ঘোষণা করা হবে: 'এটি অমুকের পুত্র অমুকের বিশ্বাসঘাতকতা'।" Reference: সহীহ বুখারী ৬১৭৮

Key Points: ✅ দুনিয়াতে মানুষ গোপনে ওয়াদা ভঙ্গ বা বিশ্বাসঘাতকতা করে, কিন্তু আখিরাতে তা সবার সামনে প্রকাশ করে দেওয়া হবে। ✅ 'পতাকা' হলো অপমানের চিহ্ন, যা দেখে হাশরের ময়দানের সবাই তাকে চিনতে পারবে। ✅ রাষ্ট্রীয় বা ব্যক্তিগত—যেকোনো পর্যায়ে চুক্তি ভঙ্গ করা এর অন্তর্ভুক্ত।

16/04/2026

🛡️⚔️ আত্মরক্ষায় হত্যা বা নিহত হওয়া

সাঈদ ইবনে জায়েদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহীদ। যে ব্যক্তি নিজের পরিবার বা সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহীদ। যে ব্যক্তি নিজের প্রাণ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহীদ। এবং যে ব্যক্তি নিজের দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহীদ।" (আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে যদি আক্রমণকারী নিহত হয়, তবে তার জন্য কোনো কিসাস বা গুনাহ হবে না)।

Reference: জামে আত-তিরমিজি ১৪২১, সুনান আবু দাউদ ৪৭৭২

Key Points: ✅ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ইসলামি অধিকার। ✅ ডাকাত বা খুনির হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে পাল্টা আঘাতে খুনি মারা গেলে তা অপরাধ নয়।

#দাওয়াহ

15/04/2026

🌟🤲 কাজে আল্লাহর ওপর ভরসা (তাওয়াক্কুল)

উমর ইবনে আল-খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছেন: "যদি তোমরা আল্লাহর ওপর সঠিক ও যথাযথভাবে ভরসা করতে, তবে তিনি তোমাদের ঠিক সেভাবেই রিযিক দান করতেন যেভাবে পাখিদের দান করেন—তারা ভোরে ক্ষুধার্ত অবস্থায় বের হয় এবং সন্ধ্যায় তৃপ্ত পেটে ফিরে আসে।" Reference: জামে আত-তিরমিজি ২৩৪৪, সুনান ইবনে মাজাহ ৪১৬৪

Key Points: ✅ কাজ করা মানেই দুশ্চিন্তা করা নয়, বরং সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ফল আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া। ✅ তাওয়াক্কুল মুমিনের কর্মজীবনে প্রশান্তি আনে। ✅ পাখি যেমন ঘরে বসে না থেকে বের হয়, আমাদেরও কর্মক্ষেত্রে বের হতে হবে এবং রবের ওপর ভরসা রাখতে হবে।

#ইসলামিক_রিমাইন্ডার #দাওয়াহ

15/04/2026

🌪️ শেষ জমানার ভয়াবহ ফিতনাহ ও সত্যের পথে অবিচল থাকার গুরুত্ব

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তোমরা দ্রুত নেক আমলের দিকে ধাবিত হও। কারণ অচিরেই এমন সব ফিতনাহ বা বিপর্যয় দেখা দেবে যা অন্ধকার রাতের মতো ঘন অন্ধকারাচ্ছন্ন হবে। তখন মানুষ সকালবেলা মুমিন অবস্থায় ঘর থেকে বের হবে কিন্তু সন্ধ্যাবেলা কাফির হয়ে ফিরে আসবে, অথবা সন্ধ্যাবেলা মুমিন অবস্থায় থাকবে কিন্তু সকালবেলা কাফির হয়ে যাবে। মানুষ তাদের দ্বীন বা ঈমানকে সামান্য পার্থিব সম্পদের বিনিময়ে বিক্রি করে দেবে। নবী করীম ﷺ আরও ইরশাদ করেছেন, যখন কিয়ামত নিকটবর্তী হবে এবং ফিতনাহর সয়লাব বেড়ে যাবে, তখন ধৈর্য ধারণকারী মুমিনরা আগুনের জ্বলন্ত কয়লা হাতের মুঠোয় রাখার ন্যায় কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তখন কি আমাদের সংখ্যা খুব কম থাকবে? তিনি বললেন, না, বরং তখন তোমরা সংখ্যায় অনেক বেশি হবে, কিন্তু তোমরা সমুদ্রের ফেনার মতো ভাসমান হবে। তোমাদের অন্তরে ওয়াহন বা দুনিয়ার মোহ এবং মৃত্যুর ভীতি প্রবেশ করবে। ফলে তোমরা শত্রুর চোখে তুচ্ছ হয়ে পড়বে এবং তোমাদের ঈমানের তেজ হারিয়ে যাবে। তাই সেই ফিতনাহর যুগে তোমরা তোমাদের দ্বীনকে অত্যন্ত মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরে রাখবে এবং সত্যের ওপর অবিচল থাকার জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে। কোনোভাবেই দুনিয়ার চাকচিক্য যেন তোমাদের আখিরাতের পথ থেকে বিচ্যুত করতে না পারে, কারণ সেই সময়টি হবে চরম পরীক্ষার সময়, যখন ঈমান রক্ষা করা হবে হাতের তালুতে জ্বলন্ত কয়লা রাখার মতো কষ্টসাধ্য।

Reference: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ১১৮ এবং সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং ২১৯৬।

Key Points:

✧ ফিতনাহর যুগে ঈমান রক্ষা করা অত্যন্ত কঠিন হবে এবং পার্থিব মোহে মানুষ দ্বীন বিসর্জন দিবে। ✧ দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি বা ওয়াহন মুমিনের অন্তরের তেজ নষ্ট করে দেয় এবং তাকে শত্রুর কাছে দুর্বল করে তোলে। ✧ প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করে দ্বীনের ওপর অটল থাকাই হলো মুমিনের প্রকৃত মুক্তি ও কামিয়াবীর পথ।

14/04/2026

🚫🔥 জান্নাত থেকে বঞ্চিত

জুবাইর ইবনে মুতঈম (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: "আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" Reference: সহীহ মুসলিম ২৫৫৬

Key Points: ✅ আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা কবিরা গুনাহ (বড় পাপ)। ✅ নামাজ-রোজা থাকা সত্ত্বেও কেবল এই একটি কারণে জান্নাত আটকে যেতে পারে। ✅ ইসলামে পারিবারিক বন্ধন রক্ষা করা ঐচ্ছিক নয়, বরং আবশ্যিক (ফরজ)।

#ইসলামিক_রিমাইন্ডার #দাওয়াহ

12/04/2026

ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ: ইসলামের প্রথম মহান বিজয়, বদলে দেয় ইতিহাসের ধারা

মদিনা, ২ হিজরি (৬২৪ খ্রিস্টাব্দ): ইসলামের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ও সিদ্ধান্তমূলক ঘটনা ঘটে—Battle of Badr। এই যুদ্ধকে কুরআনে “ইয়াওমুল ফুরকান” অর্থাৎ সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যের দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুদ্ধের পটভূমি
মক্কার কুরাইশরা মুসলমানদের উপর দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। মুসলমানদের হিজরতের পরও শত্রুতা বন্ধ হয়নি। এ সময় কুরাইশদের একটি বড় বাণিজ্য কাফেলা সিরিয়া থেকে মক্কার দিকে ফিরছিল, যা আটকানোর উদ্দেশ্যে মুসলমানরা বের হন।

⚔️ যুদ্ধের পরিস্থিতি
বদর নামক স্থানে উভয় পক্ষ মুখোমুখি হয়।
মুসলিম বাহিনী: প্রায় ৩১৩ জন
কুরাইশ বাহিনী: প্রায় ১০০০ জন
অস্ত্র ও সংখ্যার দিক থেকে মুসলমানরা দুর্বল হলেও তাদের ঈমান ছিল অটল।

🕌 কুরআনের ঘোষণা
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন:
“আল্লাহ তোমাদের বদরে সাহায্য করেছেন, যখন তোমরা দুর্বল ছিলে।” (আলে ইমরান 3:123)
আরও বলা হয়েছে:
“আমি তোমাদের সাহায্য করেছি এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা।” (আনফাল 8:9)

🤲 নবী ﷺ এর দোয়া
যুদ্ধের আগের রাতে Prophet Muhammad গভীরভাবে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন এবং সাহাবীদের মনোবল দৃঢ় করেন।

🏆 যুদ্ধের ফলাফল
মুসলমানদের ঐতিহাসিক বিজয়
কুরাইশদের বড় বড় নেতা নিহত (আবু জাহলসহ)
প্রায় ৭০ জন নিহত ও ৭০ জন বন্দী
ইসলামি রাষ্ট্রের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়

📖 বিশ্লেষণ
বদর যুদ্ধ প্রমাণ করে যে, সংখ্যা বা অস্ত্র নয়—ঈমান, ধৈর্য ও আল্লাহর সাহায্যই প্রকৃত বিজয়ের মূল শক্তি।

📌 উপসংহার
বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা সত্যের বিজয় ও আল্লাহর সাহায্যের স্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

#ইসলামিক_রিমাইন্ডার

🔑 তাওহীদের সাক্ষ্য এবং এর মাধ্যমে জান্নাত প্রাপ্তির সুনিশ্চিত ঘোষণাইবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বল...
12/04/2026

🔑 তাওহীদের সাক্ষ্য এবং এর মাধ্যমে জান্নাত প্রাপ্তির সুনিশ্চিত ঘোষণা

ইবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন যে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো প্রকৃত উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল, এবং ঈসা (আলাইহিস সালাম) আল্লাহর বান্দা, তাঁর রাসূল, মারইয়ামের প্রতি প্রেরিত তাঁর বাণী এবং তাঁর পক্ষ থেকে একটি রূহ বা আত্মা, এবং জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, তবে আল্লাহ তাকে তার আমল যা-ই হোক না কেন, জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে আরও বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করে না, সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে। আল্লাহ তাআলার একত্ববাদের এই সুমহান ঘোষণা মুমিনের হৃদয়ে ঈমানের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। যে ব্যক্তি অন্তরে এই বিশ্বাস দৃঢ়ভাবে পোষণ করবে যে, সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ তাআলা, তিনিই সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই সবকিছুর নিয়ন্ত্রণকারী, তার জন্য পরকালের মুক্তি নিশ্চিত। এই তাওহীদের সাক্ষ্য কেবল মুখের বুলি নয়, বরং এটি অন্তরের বিশ্বাস এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান মেনে চলার নামান্তর। মুশরিক বা অংশীবাদীদের থেকে মুক্ত থেকে যে ব্যক্তি খালেস অন্তরে আল্লাহর ইবাদত করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দেবেন এবং জান্নাতের সুশীতল ছায়ায় স্থান দেবেন। এই হাদিসটি তাওহীদের গুরুত্ব এবং এর মাহাত্ম্যকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, যা একজন মুমিনকে শিরক মুক্ত জীবন গড়তে উদ্বুদ্ধ করে।

Reference: সহীহ বুখারী ৩৪৩৫ এবং সহীহ মুসলিম ৪৯।

Key Points:

✧ তাওহীদ বা আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য প্রদান জান্নাতে প্রবেশের প্রধান শর্ত। ✧ ঈসা (আঃ)-কে আল্লাহর রূহ এবং রাসূল হিসেবে বিশ্বাস করা ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ✧ আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক না করা বা শিরক থেকে মুক্ত থাকাই হলো জান্নাত লাভের অন্যতম সহজ ও শক্তিশালী মাধ্যম।

14/08/2025

দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচার জন্য মুসলমানদের করণীয়

১. ঈমান ও আমল মজবুত রাখা

কোরআন:
আল্লাহ বলেন —
﴿ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اثْبُتُوا ﴾
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা দৃঢ় থাক।”
(সূরা আনফাল: 45)
➤ অর্থাৎ, দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচতে ঈমানকে দৃঢ় করতে হবে, নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, আল্লাহর জিকির ইত্যাদি আমল বাড়াতে হবে।

---

২. সূরা আল-কাহফের প্রথম ও শেষ দশ আয়াত মুখস্থ ও পাঠ করা

সহিহ মুসলিম:
রাসূল ﷺ বলেন —
«مَن حَفِظَ عَشْرَ آيَاتٍ مِن أَوَّلِ سُورَةِ الكَهْفِ، عُصِمَ مِنَ الدَّجَّالِ»
“যে ব্যক্তি সূরা আল-কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ রাখবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস 809)

আরেক বর্ণনায় —
«مِن آخِرِ سُورَةِ الكَهْفِ» অর্থাৎ শেষ দশ আয়াতও উল্লেখ আছে।
➤ সপ্তাহে অন্তত একবার (শুক্রবার) সূরা আল-কাহফ পড়া সুন্নাহ।

---

৩. দাজ্জালের ফিতনা থেকে আল্লাহর কাছে দোয়া করা

সহিহ বুখারি ও মুসলিম:
রাসূল ﷺ সালাতে তাশাহহুদের পরে এই দোয়া করতে বলতেন —
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِن عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِن عَذَابِ القَبْرِ، وَمِن فِتْنَةِ المَحْيَا وَالمَمَاتِ، وَمِن شَرِّ فِتْنَةِ المَسِيحِ الدَّجَّالِ»
“হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জাহান্নামের শাস্তি, কবরের শাস্তি, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা এবং মসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস 588; সহিহ বুখারি, হাদিস 1377)

---

৪. মক্কা ও মদিনায় অবস্থান করা (সম্ভব হলে)

সহিহ মুসলিম:
রাসূল ﷺ বলেন —
«ليس من بلد إلا سيطؤه الدجال، إلا مكة والمدينة، ليس له من نقابها نقب إلا عليه الملائكة صافين يحرسونها»
“দাজ্জাল পৃথিবীর প্রতিটি শহরে প্রবেশ করবে, তবে মক্কা ও মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতিটি রাস্তা ফেরেশতারা পাহারা দেবে।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস 2943)

---

৫. দাজ্জালকে দেখা হলে দূরে থাকা

সহিহ মুসলিম:
রাসূল ﷺ বলেন —
«فمن سمع به فلينأ عنه»
“যে কেউ দাজ্জালের কথা শুনবে, সে যেন তার থেকে দূরে থাকে।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস 2933)
---

৬. শক্ত ঈমান ও দুনিয়ার লোভ থেকে মুক্ত থাকা

দাজ্জাল মানুষের দুনিয়ার প্রলোভন (খাবার, পানি, ধন-সম্পদ) দিয়ে প্রতারণা করবে। তাই আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল শক্ত করতে হবে।
কোরআন: “আল্লাহর উপর ভরসা কর; আল্লাহই তোমার জন্য যথেষ্ট।” (সূরা তলাক: 3)

---

সংক্ষেপে করণীয় লিস্ট

1. ঈমান ও আমল মজবুত করা (নামাজ, জিকির, কুরআন)

2. সূরা কাহফের প্রথম ও শেষ দশ আয়াত মুখস্থ ও শুক্রবারে তেলাওয়াত

3. সালাতে তাশাহহুদের পরে দাজ্জাল থেকে বাঁচার দোয়া

4. দাজ্জালের কাছাকাছি না যাওয়া

5. সম্ভব হলে মক্কা-মদিনায় অবস্থান

6. আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা

Address

Sylhet

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdullah-Ibne Abdul Jalil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abdullah-Ibne Abdul Jalil:

Share