Freelancing Education Institute

Freelancing Education Institute ফ্রিলেনসিং শিখুন আয় করুন।

04/11/2023

ডাটা এন্ট্রি কাজ করে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে কিনা ?
মজার একটা বিষয় হল নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চায় তারা চিন্তা করে প্রথমে ডাটা এন্ট্রি দিয়ে আমি টুক টাক ইনকাম করব । কিন্তু আসলে বাস্তবতা হল – ডাটা এন্ট্রি কাজটাই সবচাইতে কঠিন । নতুনদের জন্য এই কাজ একদম উপযুক্ত নয় । কেন ?
১. নতুনদের কল্পনায় থাকে বায়ার আমাকে হাতে লিখে কিছু ডকুমেন্ট ইমেইল বা হোয়াটস এপে দিবে আর আমি মনের সুখে সেগুলো টাইপ করে বায়ারকে ইমেইল করব । কত্ত সোজা । হা হা । আসলে এই কাজগুলো সফটওয়্যার দিয়ে করানো যায় । বাস্তবে এই রকম কোন কাজ কোন বায়ার দেয় না ।
২. কিন্তু মার্কেটপ্লেসে তো ডাটা এন্ট্রি লিখে সার্চ করলে অনেক কাজ পাওয়া যায় !! ওকে পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো সবচাইতে কঠিন কাজ । কেন কঠিন ? কারণ আপনাকে সেই কাজগুলো করার জন্য অনেক অনেক কিছু জানতে হবে এবং বুঝতে হবে । যেমন: ডাটা স্ক্রপিং, ডাটা মাইনিং, ডাটা রিসার্চ, প্রাইমারী ডাটা এন্টি, সেকেন্ডারী ডাটা এন্ট্রি, ওয়েবসাইটে এন্ট্রি, ই. আর . পি সফটওয়্যারে ডাটা এন্টি…… ইত্যাদি ইত্যাদি আরো অনেক কিছু ।
৩. এই সামান্য কাজটা করতে এত কিছু জানতে হবে কেন । শুধু A B C D টাইপ করতে পাররেই তো পারার কথা !! Ok, মনে করুন আপনার এলাকায় যে কম্পিউটারের দোকাকে টাইপিং এর কাজ করে অর্থাৎ ডাটা এন্ট্রি করে তাকে অনেক কিছু জানতে হয় যেমন: বিভিন্ন দলিল ফরমেট তৈরী, চুক্তি নামা ফরমেট, এই রকম আরো শত রকম ডকুমেন্ট তৈরী সম্পর্কে তার নলেজ থাকতে হবে । না থাকলে শুধুমাত্র টাইপিং এর নলেজ নিয়ে সে কখনো কম্পিউটার কম্পোজের দোকানে চাকরী করতে পারবে না ।
৪. তো এই সাধারণ একটি দোকনে কাজ করা লোক কে যদি এত কিছু জানতে হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানীতে ডাটা এন্ট্রি করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক কিছু জানতে হবে । এটাই স্বাভাবিক ।
৫. তাই ফ্রিল্যান্সিং এ ডাটা এন্ট্রির কাজ আছে । কিন্তু সেগুলো অনেক জটিল এবং এই কাজে সবচাইতে বেশী সেলারী দেয়া হয় । কিন্তু এই মুহুর্তে আপনি সেই কাজগুলো করতে পারবেন না । অনেকদিন ফ্রিল্যান্সিং করার পর অভিজ্ঞতা হলে পারবেন ।
৬. ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য সবচাইতে সহজ কাজ হল : ফেসবুক ফ্রি মার্কেটিং, ক্লাসিফাইড পোষ্টিং, লিডস জেনারেশন, লিংক বিল্ডিং, ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট, ওয়েব রিসার্চ ইত্যাদি । কাজগুলো এতই সহজ যে আপনি মাত্র এক দিনে একটি কাজ শিখতে পারবেন ।
ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত সকল লেখা, ভিডিও এবং টিউটোরিয়াল পেতে ফেসবুক, গুগল এবং ইউটিউবে সার্চ করুন । যেগুলো দেখে আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং শিখে খুব দ্রুত ইনকাম শুরু করতে পারবেন ।

30/10/2023

সম্পূর্ণ নতুন অবস্থায় কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া খুব সহজেই কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ পাবেন ?
যে যে সকল বায়ার কম টাকায় কাজ করাতে চায় তারাই নতুনদেরকে হায়ার করে। এখন কিভাবে করবে ? চোখ বন্ধ করে বা লটারী করে বাছাই করবে ? একদমই না । হায়ার করার আগে বায়ার যাচাই করবে আপনি আসলে কাজ পারেন কিনা এবং আপনার কাজের মান কত ভাল । তো কিভাবে যাচাই করবে ?
যাচাইয়ের মানদন্ডগুলো হল:
১. পোর্টফোলিও বা স্যাম্পল:
আপনাকে অবশ্যই সম্যাল তৈরী করতে হবে এবং কোন রকম স্যাম্পল হলে হবে না খুব ভাল মানের হতে হবে । ভাল স্যাম্পল দেখলে বায়ার বুঝবে যে আপনি ভাল মানের কাজ পারেন । আর স্যাম্পলগুলো অন্য কোথাও থেকে কালেকশন করা যাবে না । অবশ্যই অবশ্যই আপনাকেই তৈরী করতে হবে । কারণ এই স্যাম্পলের উপর বায়ার আপনাকে ইন্টারভিউতে বিভিন্ন প্রশ্ন করবে । ভাল স্যাম্পল দেখলে বায়ার নিশ্চিত হবে যে আপনি কাজ করেন নাই কিন্ত আপনি কাজ পারেন এবং কাজের মান ভাল ।
২. প্রফেশনাল মানের এবং নির্ভুল গিগ:
শুধু কোন রকম একটি গিগ তৈরী করলে কাজ পাবে না । চাকরী দেয়ার আগে বায়ার অনেক সময় নিয়ে আপনার গিগটি পড়বে । সুতরাং গিগটি যদি মানসম্মত না হয় তাহলে শুরুতেই আপনার প্রতি একটি নেগেটিভ ধারণা তৈরী হবে ।
৩. আপনার প্রোফাইল:
অবশ্যই প্রফেশনাল মানের প্রোফাইল তৈরী করতে হবে এবং এটি ১০০ % কমপ্লিট হতে হবে । প্রোফাইলে আপনি কিভাবে নিজেকে উপাস্থাপন করছেন, কিভাবে আপনার স্কিল এবং এক্সপার্টাইজগুলোকে ডেসক্রাইব করছেন এটা খুবই গুরুত্বর্ণ । যারা কাজ পারে না তারা স্বাভাবিকভাবে নিজের প্রোফাইলকে প্রফেশনাল লুক দিতে পারবে না ।
৪. কয়টি টেষ্টে পাশ করেছেন:
প্রত্যেক মার্কেটপ্লেসে টেষ্ট এর ব্যাবস্থা আছে । আপনি যত বেশী টেষ্ট দিয়ে পাশ করবেন ততই আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং ক্রাউডের মধ্যে আপনি আলাদাভাবে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে পারবেন ।
৫. বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই:
অনেকেই মনে করেন যেনতেন ভাবে ২/৩ লাইন রিপ্লাই লিখে দিলেই হয়ে যায় । একদমই না । আপনার রিপ্লাইগুলো অবশ্যই বায়ারের সবগুলো সেনসেটিভ পয়েন্টকে কাভার করতে হবে । একটি ভাল মানের রিপ্লাই কমপক্ষে ১০/১২ হওয়াটা স্বাভাবিক । বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই লিখা একটি টেকনিক্যালি বিষয় । অবশ্যই এটি ভালভাবে শিখতে হবে । আপনার রিপ্লাই পড়ার পর বায়ার ডিসাইড করবে আপনাকে নক করবে কি করবে না ।
৬. বায়ারের সাথে ইন্টারভিউ:
আপনার রিপ্লাই পাওয়ার পর বায়ার যদি সেটা পছন্দ করে তবে আপনাকে ইন্টারভিউতে ডাকবে । ইন্টারভিউ মানে লিখে লিখে চ্যাট করবে । অবশ্যেই এই ইন্টারভিউর ম্যানারগুলো জানতে হবে এবং কিভাবে বায়ারকে ইন্টারভিউতে বিভিন্ন যুত্তি ও তথ্য দিয়ে ইমপ্রেস করবেন তা শিখতে হবে ।
৭. খুব ভালভাবে কাজ শিখতে হবে:
সবচাইতে বড় কথা হল খুব ভালভাবে কাজ শিখতে হবে এবং একই কাজ বার বার করার মাধ্যমে স্কীল অর্জন করতে হবে । চাকরী পাওয়ার পর যদি কাজ করতে না পারেন তবে চাকরী এমনিতেই থাকবে না ।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে আপনি নতুন অবস্থায় সহজেই চাকরী পাবেন এবং আরো বুঝতে পেরেছেন কেন অনেক ফ্রিল্যান্সার মাসের পর মাস এপ্লাই করেও কাজ পায় না ।
বিশ্বাস করুন ৯৫% ছেলে উপরোক্ত বিষয়গুলো জানে না বুঝে না । জাষ্ট একটা একাউন্ট খুলেই এপ্লাই করতে থাকে । কিন্তু আপনি যদি উপরোক্ত বিষয়গুলো ফলো করেও কাজ না পান তাহলে আপনাকে আমরা পুরষ্কার দিব ।

26/10/2023

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি শিখব ? কিসের উপর প্র্যাকটিক্যাল স্কীল ডেভেলপ করব ?
প্রথমত ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংক্রান্ত বেসিক কাজগুলো শিখতে হবে ।
দ্বিতীয়ত আপনি যে সাবজেক্টে অনার্স বা মাষ্টার্স করেছেন বা বর্তমানে যেই বিষয়ের উপর পড়াশুনা করছেন সেই রিলেটেড জব সেক্টরে কি রকম স্কিল দরকার তা খোঁজ খবর নিন । যেমন আপনি যদি একাউন্টিং মেজর নিয়ে বিবিএ বা এম.বি এ করেছেন বা এখনো স্টূডেন্ট তবে আপনি সিদ্ধান্ত নিন যে কোন ধরনের কোম্পানীতে আপনি একাউন্টিং জব করতে চান ।
ধরে নিলাম আপনি রিয়েল এষ্টেট কোম্পানী তে জব করতে চান । তাহলে বিদেশী রিয়েল এষ্টেট বা হসপিটালে কিভাবে প্র্যাকটিক্যাল একাউন্টিং করা হয় তা শিখুন । ঐ সেক্টরে জব করছে এমন কারো কাছ থেকে শিখতে পারবেন । এমন কাউকে না পেলে Linked in এই রকম লাখ লাখ প্রফেশনাল পাবেন । তাছাড়া গুগল এবং ইউটিউবে হাজার হাজার ভিডিও ও টিউটোরিয়াল পাবেন যেগুলো দেখে আপনি প্র্যাকটিক্যাল নলেজ গ্রো করতে পারবেন ।
না আমি আমার সাবজেক্ট মেটার নিয়ে কাজ করতে চায় না । অন্য কিছু আরো সহজ কিছু নিজে কাজ করতে চায় এবং দ্রুত ইনকাম শুরু করতে চায়:
ভেরি গুড তাহলে নতুন অবস্থায় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে ঢুকার সবচাইতে সহজ কাজ হল – ডিজিটাল মার্কেটিং । খুব সহজ কাজ, কম সময়ে শিখা যায়, প্রত্যেক কোম্পানীকে এই কাজটা করাতেই হয় তাই এই কাজটাই সবচাইতে বেশী পরিমানে পাওয়া যায় । শুধুমাত্র এই কাজটি করেই আপনি প্রতি মাসে ৫০ হাজার বা তার বেশী ইনকাম করতে পারবেন । প্রতি মাসে কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা স্থায়ীভাবে ইনকাম হতে থাকলে তখন আপনি অন্যান্য রিটেটেড কাজেও স্কীল ডেভেলপ করতে পারবেন । শিখার জন্য সারা জীবন সময় আছে । আগে মূল কাজগুলো শিখে উপার্জন শুরু করতে হবে ।

16/09/2023

কিভাবে সহজে কোটিপতি হবেন ?
সহজে বলতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে না । সঠিক স্কীল ডেভেলপ করে, কিভাবে খুব কম সময়ে সফলতার পিকে পৌঁছাবেন সেটাই আজ বলব । যারা কোন প্ররিশ্রম না করে বড়লোক হতে চান তার নিচের লিখাগুলো পড়বেন না প্লিজ ।
ধরে নিচ্ছি আপনি খুব বেশী পড়শুনা করেন নাই । রেজাল্ট ও মোটামোটি । ইংলিশ এবং কম্পিউটার নলেজও একদম বেসিক । এখন আপনি চান খুব দ্রুত কোটিপতি হতে । ইনশাল্লাহ অবশ্যই পারবেন । আপনার এলাকায় যে সকল কোটিপতি পাবেন দেখন কারো রেজাল্ট ভাল নাই, ইংলিশ কম্পিউটার ইত্যাদিও ভালভাবে পারে না, ইভেন অনেকে শিক্ষিতও না । তো তারা যদি কোটিপতি হতে পারে আপনি পারবেন না কেন ? মনকে শক্ত করুন । স্টিয়ারিং শক্ত করে ধরুন । সিটবেল্ট বাঁধুন – আসেন কোটিপতি হওয়ার জার্নি শুরু করি ।
আগে বিশ্লেষণ করি তার কিভাবে কোটিপতি হয়েছে । প্রথমত তারা একটা ব্যবসা বা কাজ খুব ভালভাবে শিখেছে । এবং ঐ কাজেই সম্পূর্ণ ফোকাস দিয়েছে । যার ফলে সে তার ব্যবসা বা সার্ভিস উন্নত করতে পেরেছে, মানুষের গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে, ভালবাসা পেয়েছে তার ব্যবসা বড় হয়েছে এবং সে স্বাভাবিকভাবেই কোটিপতি হয়েছে । এক কথায় তারা তাদের কাজকে ভালবেসেছে এবং পরম মমতা দিয়ে নিজের কাজটি করেছে ।
তারা কখনো কোটিপতি হওয়ার চেষ্টা করেনাই । কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখে নাই । শুধুমাত্র কাজকে ভালবাসার কারণেই তাদের আজ টাকা-পয়সা, সামাজিক সম্মান, প্রতিপত্তি সবকিছুই আছে ।
এখন আপনি কি কাজ করবেন আর কিভাবে কাজকে ভালবাসবেন ?
১. আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ আছে সেটাকেই আপনার পেশা বানিয়ে ফেলুন । যেমন আপনি ছবি আঁকতে পছন্দ করেন তাহলে ইউটিউব দেখে গ্রাফিক ডিজািইন শিখুন ।
এখন এই গ্রাফিক ডিজাইন শিখে কিভাবে কোটিপতি হওয়া সম্ভব ? জাষ্ট এক্সপান্ড ইউর ইমাজিনেশন । আপনি একটি ফার্ম তৈরী করুন । সেখানে ৫ জন লোক নিয়োগ দিন । এর পর বড় বড় কোম্পানীগুলোর সাথে চুক্তি করুন যাদের প্রতিদিন হাজার হাজার গ্রাফিক ডিজাইন করাতে হয় যেমন: ইকমার্স সাইট । এই রকম ২/৩ টি কোম্পানীর কাজ পেলে আপনি কাজ করে শেষ করতে পারবেন না । কমপক্ষে আপনি মাসে ১০ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন । বড়জোড় ১ লাখ টাকা খরচ হবে । ক্যালকুলেশন করুন কোটিপতি হতে কয়দিন লাগবে ।
বুদ্ধিমানরা নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন ”গ্রাফিক ডিজাইন” একটি উদাহরণমাত্র এটি যে কোন কাজ হতে পারে ।
আসুন এইবার আলুর ব্যাবসা করে কোটিপতি হই । আলু ? হ্যা আলু । এক টাকাও ইনভেষ্ট করতে হবে না । আপনি একটি ওয়েব সাইট তৈরী করুন যেখানে সর্বপ্রকার আলু পাওয়া যাবে, যেমন গোল আলু, লাল আলু, ঠান্ড আলু, দেশী, বিদেশী ইত্যাদি । সবগুলোর সুন্দর ছবি ডেসক্রিপশন, গুণাগুণ এবং দাম লিখুন । তারপর আপনার ওয়েবসাইটে এস. ই.ও করে লাখ লাখ মানুষকে দেখান । অনেক আলুর অর্ডার আপনি পাবেন । কিন্তু আপনার কাছে তো প্রোডাক্ট নাই । কোন সমস্যা নাই । বাংলাদেশের অনেক জায়গা আছে যেখানে কৃষকরা দাম না পেয়ে আলু ফেলে দেয় । অনলাইনের মাধ্যমে তাদেরকে খুঁজে বের করুন । তারাই ঐখানে থেকে আলু ডেলিভারী দিবে । আর আপনি এইখান থেকে অর্ডার নিবেন । আপনি ২০ টাকায় আলু বিক্রি করলে কৃষককে ১৫ টাকা দেয়ার পরও আপনার ৫ টাকা লাখ থাকবে । বাংলাদেশের সকল রেষ্টুরেন্টে কম দামে ফ্রেস আলু সাপ্লাই দিতে পারবেন । ব্যবসা আরো বড় করলে আপনি দেশের বাইরেও ওয়েবসাইটের প্রচার করে আলু রপ্তানী করতে পারবেন ।
মজার বিষয় হচ্ছে আপনার কোন খরচ নাই, রিস্ক নাই , ইনভেষ্ট নাই । ইনভেষ্ট শুধু আপনার ব্রেইন । এখানে আমি জাষ্ট দুইটা উদাহরণ দিলাম । এমন না যে আপনি আলুর ব্যবসা করবেন । আমি জাষ্ট আপনাকে ভাবনার পথ দেখিয়ে দিলাম । দুনিয়াতে এই রকম হাজারো ব্যাবসা বা পেশা আছে ।
এত সহজ ? না এত সহজ না । আমি আপনাকে হিমালয় পর্বতের চূড়া দেখিয়ে দিলাম । এখন আপনাকে হাঁটতে হবে । চলতে চলতে আপনার পা রক্তাক্ত হয়ে যাবে । সেই রক্তাত্ত পা নিয়ে আপনাকে দিনের পর দিন হাঁটতে হবে একা একা । সাহস আছে ? যাদের এই সাহস আছে তারাই কোটিপতি হওয়ার যোগ্য ।
ধন্যবাদ
©

Address

Tangail
Tangail

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Freelancing Education Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share