06/09/2023
✈️✈️ IELTS VS PTE 🔥🔥
পিটিই(PTE) হচ্ছে একটি ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা যা বাংলাদেশে ২০১৬ সালে পিয়ারসন নামের একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা পরিচালনা প্রতিষ্ঠানের অধীনে যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশে এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করলেও অনেক আগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা থেকে এই পরীক্ষার ভিন্নতা হচ্ছে, এটি পুরোই কম্পিউটার ভিত্তিক। অর্থাৎ নির্দিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রে পুরো পরীক্ষাটি পিয়ারসনের তৈরি একটি সফ্টওয়ারের মাধ্যমে ডেস্কটপ কম্পিউটারে নেওয়া হয়।
পরীক্ষা চলাকালে মানুষের কোন হস্তক্ষেপ থাকে না। নাম্বার দেওয়া সহ সবকিছু এই সফ্টওয়ার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বর্তমান সময়ে অস্ট্রোলিয়া, কানাড, নিউজিল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইংল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটির দেশের নামীদামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি ক্ষেত্রে ”আইইএলটিএর” ও “টোয়েফল” ছাড়াও পিটিই কে বেচে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশে পিটিই তেমন পরিচিত হয়নি এখনো। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভাড বিজনেস স্কুল, ইয়ের ইউনিভার্সিটি থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় পিটিই স্কোরকে গুরুত্ব দিচ্ছে
PTE পরীক্ষার ধরণ বা পরীক্ষা ফরম্যাট কি?
অন্যান্য পরীক্ষাগুলো থেকে এখানে অনেকটাই আলাদা হয়ে থাকে। এর চারটি মডিউল তথা স্পিকিং, রাইটিং, রিডিং ও লিসেনিং ক্রমে সাজানো থাকে। তিনটি পার্টে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
পার্ট-১: স্পিকিং ও রাইটিং সেকশন
পার্ট-২: রিডিং সেকশন
পার্ট-৩: লিসেনিং সেকশন ইত্যাদি।
এই পরীক্ষা একটানা ৩ ঘন্টায় শেষ হয়। পরীক্ষার মোট নাম্বার ৯০ এর মধ্যে দিতে হয়। এখানে বিশেষ লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে যে, প্রতিটি মডিউলে কিছু টাস্ক অন্য একটা মডিউলে আংশিক স্কোরিং করে।
আপনি যখন স্পিকিং টেস্ট দিচ্ছেন তখন এমনও কিছু টাস্ক থাকবে, যেখানে ছোট ছোট ইংরেজি প্যাসেজ দ্রুত পড়তে হচ্ছে কিংবা কিছু বাক্য শুনে সেগুলো আবার বলতে বলা হচ্ছে।
অর্থাৎ স্পিকিং টেস্ট এর ভিতর অন্যান্য মডিউল ( রিডিং ও লিসেনিং) এর কিছু টাস্কও করা হচ্ছে। তাই এগুলো সংশ্লিষ্ট সেকশনে স্কোরিং করতে প্রভাব ফেলে।
এই পেইজে PTE সম্পর্কে পুরো পুরি ধারণা দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ❤️
The fastest way to prove your English language skills. Book quickly. Prepare for success. Then get your results in 48 hours. Accepted around the world.