Mehedi Hasan

Mehedi Hasan Full-Stack Software Developer
JavaScript, MERN Expert. Just Love my Profession❤️

I’m Mehedi Hasan, a full-stack developer and digital marketing enthusiast with expertise in JavaScript, React.js, Node.js, Express.js, Facebook marketing, and content creation and Graphic Design. I specialize in building web and marketing solutions while helping businesses grow their online presence. I aim to leverage technology and creativity to develop sustainable products, innovative apps, and marketing strategies that make a real impact.

তুমি এখন যে জানালার কাঁচের দিকে তাকিয়ে আছো, সেটা আসলে কঠিন পদার্থ নয়।হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছো।আমরা ছোটবেলা থেকে পদার্থের তিন...
19/04/2026

তুমি এখন যে জানালার কাঁচের দিকে তাকিয়ে আছো, সেটা আসলে কঠিন পদার্থ নয়।
হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছো।

আমরা ছোটবেলা থেকে পদার্থের তিনটি অবস্থা পড়ে এসেছি। কঠিন, তরল আর গ্যাস। কাঁচকে আমরা সবসময় কঠিন পদার্থের উদাহরণ হিসেবেই জেনেছি। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। কাঁচ আসলে এই তিনটি অবস্থার কোনোটিতেই পুরোপুরি পড়ে না।
কাঁচ হলো একটি অ্যামরফাস সলিড (Amorphous Solid)।

এই নামটা একটু অদ্ভুত লাগছে, তাই না? চলো সহজ করে বুঝি।
সাধারণ কঠিন পদার্থ, যেমন লবণ বা বরফ, এগুলোর ভেতরে অণু-পরমাণুগুলো একটি নির্দিষ্ট নিয়মে, একদম সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকে। বিজ্ঞানীরা এই গঠনকে বলেন ক্রিস্টাল স্ট্রাকচার। ঠিক যেমন সেনাবাহিনীর কুচকাওয়াজে প্রতিটি সৈনিক নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে, প্রতিটি অণুও তেমনি নিজের নির্ধারিত স্থানে স্থির থাকে।
কিন্তু কাঁচের ভেতরে ঘটনাটা সম্পূর্ণ আলাদা।

কাঁচ তৈরি হয় বালি বা সিলিকাকে প্রচণ্ড তাপে গলিয়ে তারপর দ্রুত ঠান্ডা করার মাধ্যমে। এত দ্রুত ঠান্ডা করা হয় যে অণুগুলো নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার সময়ই পায় না। ফলে তারা তরলের মতো এলোমেলো অবস্থায়ই আটকে যায়। না পারে পুরোপুরি কঠিন হতে, না থাকে তরলের মতো বহমান।

Penn State বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী John Mauro এই বিষয়টিকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে, কাঁচ হলো এমন একটি অবস্থা যা বাইরে থেকে কঠিন মনে হয় কারণ আমরা যে সময়ের মধ্যে এটি ব্যবহার করি, সেই সময়ে এর পরিবর্তন চোখে পড়ে না। কিন্তু আসলে এটি খুব ধীরে ধীরে, কোটি কোটি বছরের স্কেলে, তরলের দিকে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

এখানেই আসে সবচেয়ে মজার অংশ।
ইউরোপের পুরনো গির্জাগুলোতে গেলে দেখা যায় যে জানালার কাঁচগুলো নিচের দিকে একটু মোটা। অনেকদিন ধরে একটি গল্প প্রচলিত ছিল যে শত শত বছর ধরে কাঁচ অভিকর্ষের টানে নিচের দিকে প্রবাহিত হয়েছে, তাই নিচটা মোটা হয়ে গেছে। এই গল্পটা শুনতে বেশ রোমান্টিক।
কিন্তু সত্যটা আরও বেশি আকর্ষণীয়।

বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখেছেন যে কাঁচের ঘনত্ব এত বেশি এবং এর প্রবাহের গতি এত ধীর যে মাত্র কয়েকশ বছরে এটি দৃশ্যমানভাবে নিচে নামতে পারে না। এমনকি কয়েক কোটি বছরেও না। তাহলে পুরনো জানালাগুলোতে নিচের অংশ মোটা কেন? কারণ সেই যুগে কাঁচ তৈরির প্রযুক্তি সমানভাবে পাতলা কাঁচ বানাতে পারত না। গ্লাসব্লোয়ারেরা নলের আকারে কাঁচ বানিয়ে সেটা চ্যাপ্টা করতেন, ফলে পুরুত্ব সমান হতো না। জানালায় লাগানোর সময় কারিগরেরা ভারী দিকটা নিচে রেখে লাগাতেন স্থিতিশীলতার জন্য।

প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতাই সেই মোটা তলার কারণ, কাঁচের প্রবাহ নয়।
তাহলে এখন প্রশ্ন আসতে পারে, কাঁচ কি আদৌ কোনো দিন প্রবাহিত হয়? হ্যাঁ, হয়। তবে সেই সময়কাল মানুষের কল্পনার বাইরে। বিজ্ঞানীরা বলেন, ঘরের তাপমাত্রায় একটি কাঁচের টুকরো দৃশ্যমানভাবে প্রবাহিত হতে কোটি কোটি বছর লাগবে।
এটাই অ্যামরফাস সলিডের মূল বৈশিষ্ট্য। কঠিনের মতো আকৃতি ধরে রাখে, কিন্তু আণবিক পর্যায়ে তরলের এলোমেলো গঠন বজায় থাকে।

বিজ্ঞানের এই ধারণাটি পদার্থের অবস্থার চিরচেনা সংজ্ঞাকেই প্রশ্ন করে দেয়। কারণ প্রকৃতিতে সবকিছু বাক্সে আটকানো যায় না। কাঁচ তার নিজস্ব এক মধ্যবর্তী অবস্থায় বিরাজ করে, কঠিন ও তরলের মাঝামাঝি এক অদ্ভুত বৈজ্ঞানিক পরিচয় নিয়ে।
পরের বার যখন কোনো কাঁচের জিনিস হাতে নেবে, মনে রেখো, তোমার হাতে আছে এমন কিছু যা কঠিন হওয়ার ভান করছে, কিন্তু আসলে তরল হওয়ার পথে কোটি বছরের এক যাত্রায় আছে।

#কাঁচ #অ্যামরফাস_সলিড #বিজ্ঞান #পদার্থবিজ্ঞান #রসায়ন #বাংলায়_বিজ্ঞান #পদার্থের_অবস্থা #বিজ্ঞানের_মজা #অজানা_বিজ্ঞান #বিজ্ঞান_চর্চা #বাংলাদেশ_বিজ্ঞান #বিজ্ঞানপ্রেমী #রহস্যময়_বিজ্ঞান #আণবিক_গঠন #পদার্থবিদ্যা

মঙ্গলগ্রহে প্রাণের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে।২০২৪ সালের জুলাই মাসে NASA-র Perseverance রোভার মঙ্গ...
19/04/2026

মঙ্গলগ্রহে প্রাণের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে NASA-র Perseverance রোভার মঙ্গলের Jezero Crater-এ অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে একটি অদ্ভুত পাথরের মুখোমুখি হয়। পাথরটির নাম দেওয়া হয় "Cheyava Falls"। দেখতে লালচে, আর তার গায়ে ছড়িয়ে আছে ছোট ছোট গোলাকার দাগ। বিজ্ঞানীরা এই দাগগুলোকে বলেছেন "leopard spots" বা চিতা বাঘের গায়ের মতো ছোপ।
এটি কোনো সাধারণ পাথর নয়।

এই পাথর থেকে সংগ্রহ করা নমুনাটির নাম রাখা হয়েছে "Sapphire Canyon"। দীর্ঘ এক বছর ধরে গবেষণা ও পিয়ার-রিভিউ শেষে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিখ্যাত বিজ্ঞান জার্নাল Nature-এ ফলাফল প্রকাশিত হয়। ফলাফল যা বলছে, তা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো।
পাথরটির মধ্যে পাওয়া গেছে জৈব কার্বন, সালফার, ফসফরাস এবং দুটি বিশেষ আয়রন-সমৃদ্ধ খনিজ — vivianite এবং greigite। পৃথিবীতে vivianite পাওয়া যায় পচা জৈব পদার্থের কাছে, আর greigite তৈরি করে কিছু ক্ষুদ্রাণু বা মাইক্রোব। এই দুটির একসাথে উপস্থিতি ঠিক সেই প্যাটার্ন তৈরি করে যা পৃথিবীতে প্রাণের চিহ্ন হিসেবে পরিচিত।

গবেষকরা বলছেন, প্রায় ৩২০ থেকে ৩৮০ কোটি বছর আগে এই অঞ্চলে নদীর জল বয়ে যেত। সেই প্রাচীন নদীখাতেই তৈরি হয়েছিল এই পাথর। তখনকার মঙ্গল ছিল উষ্ণ, ছিল তরল পানি, ছিল বায়ুমণ্ডল। সেই পরিবেশে অণুজীবের অস্তিত্ব অসম্ভব ছিল না।
NASA-র কার্যনির্বাহী প্রশাসক Sean Duffy এই আবিষ্কার সম্পর্কে বলেছেন, এটি মঙ্গলে প্রাণের সবচেয়ে কাছের চিহ্ন যা আমরা এখন পর্যন্ত দেখেছি। তবে বিজ্ঞানীরা একই সাথে সতর্ক করে দিচ্ছেন, এটি এখনো "potential biosignature" অর্থাৎ সম্ভাব্য প্রাণের চিহ্ন। চূড়ান্ত নিশ্চিতের জন্য পাথরটির নমুনা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করতে হবে।

প্রশ্নটা এখন আর কল্পবিজ্ঞানের পাতায় নেই। বরং এটি একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালের পিয়ার-রিভিউড গবেষণাপত্রে লেখা আছে।
আমরা কি সত্যিই মহাবিশ্বে একা?
এই একটা পাথর সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়ার সবচেয়ে কাছে নিয়ে গেছে আমাদের।

#মঙ্গলে_প্রাণের_চিহ্ন #মঙ্গলগ্রহ #মহাকাশ_বিজ্ঞান #মহাবিশ্ব #বিজ্ঞান #বাংলায়_বিজ্ঞান #জেমস_ওয়েব_নয়_পার্সিভেরান্স #প্রাণের_খোঁজে #বিজ্ঞানের_অগ্রগতি

বাইরে ২,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ, ভেতরে চার নভোচারী বসে আছেন একদম স্বাভাবিক তাপমাত্রায়।এটা কোনো কল্পবিজ্ঞানের গল্প নয়।...
17/04/2026

বাইরে ২,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ, ভেতরে চার নভোচারী বসে আছেন একদম স্বাভাবিক তাপমাত্রায়।

এটা কোনো কল্পবিজ্ঞানের গল্প নয়। এটাই ঘটেছে গত ১০ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে, যখন NASA-র Artemis II মিশনের Orion ক্যাপসুল "Integrity" পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে।

কিন্তু এটা কীভাবে সম্ভব?
প্রথমে বুঝতে হবে, এই তাপ আসে কোথা থেকে।
Orion ক্যাপসুলটি চাঁদের কাছ থেকে ফিরে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ঘণ্টায় প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার বেগে, যা শব্দের গতির প্রায় ৩৫ গুণ। এই অবিশ্বাস্য গতিতে ক্যাপসুলটি যখন বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে প্রবেশ করে, তখন সামনের বায়ু এত দ্রুত সরে যেতে পারে না। ফলে বায়ু সংকুচিত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে একটি শক্তিশালী শক-ওয়েভ তৈরি করে। এই শক-ওয়েভের কারণে বায়ু এতটাই গরম হয়ে যায় যে তার তাপমাত্রা পৌঁছায় প্রায় ১০,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ। বায়ুর অণুগুলো পরমাণুতে ভেঙে যায় এবং ইলেকট্রন ছিটকে পড়ে, তৈরি হয় উজ্জ্বল প্লাজমার একটি আবরণ, যা ক্যাপসুলকে ঘিরে ধরে। এই প্লাজমার কারণে প্রায় ছয় মিনিটের জন্য রেডিও সিগন্যাল সম্পূর্ণ বাধাপ্রাপ্ত হয়। ভূপৃষ্ঠের Mission Control-এর সাথে সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চার নভোচারী সেই মুহূর্তে কার্যত একা।

তাহলে ক্যাপসুল এই তাপ সহ্য করে কীভাবে?
এখানেই আসে প্রকৌশলের এক অসাধারণ কৃতিত্ব। Orion-এর নিচের দিকে রয়েছে ৫ মিটার ব্যাসের একটি হিট শিল্ড, যা ১৮৬টি ব্লক নিয়ে তৈরি, তৈরি করা হয়েছে AVCOAT নামের একটি অ্যাবলেটিভ উপাদান দিয়ে। এই উপাদানটি Apollo মিশনের সময় থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে, তবে আধুনিক প্রযুক্তিতে উন্নত করা হয়েছে।
AVCOAT কাজ করে একটি অনন্য পদ্ধতিতে। এটি সরাসরি তাপ শুষে নেওয়ার চেষ্টা করে না। বরং এটি নিয়ন্ত্রিতভাবে পুড়তে থাকে। পোড়ার সময় এটি ক্যাপসুলের পৃষ্ঠ থেকে তাপকে নিজের সাথে টেনে নিয়ে বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। এই পদ্ধতিতে হিট শিল্ডের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৩,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেই সীমাবদ্ধ থাকে, বাইরের ১০,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ভেতরে ঢুকতে পারে না। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ablation, এবং এটি পদার্থবিজ্ঞানের তাপ স্থানান্তরের এক চমৎকার প্রায়োগিক উদাহরণ।

আর ভেতরের তাপমাত্রা?
Artemis I মিশনের ডেটা অনুযায়ী, বাইরে ২,৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকার সময়ও ক্যাপসুলের ভেতরের তাপমাত্রা ছিল মাত্র ২৩ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা একটি সাধারণ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘরের মতো। চার নভোচারী Reid Wiseman, Victor Glover, Christina Koch এবং Jeremy Hansen সেই ভয়াবহ তাপের এতটুকুও অনুভব করেননি।

তারপর কীভাবে নিরাপদে নেমে আসে?
তীব্র তাপের পর্যায় পার হলে ক্যাপসুলটি ধীরে ধীরে গতি হারাতে শুরু করে। প্রায় ৭,১৩০ মিটার উচ্চতায় প্রথমে দুটি ছোট ড্রগ প্যারাশুট খুলে গিয়ে ক্যাপসুলকে স্থিতিশীল করে। তারপর ধাপে ধাপে মোট ১১টি প্যারাশুট খুলে গিয়ে ক্যাপসুলের গতি কমিয়ে আনে ঘণ্টায় মাত্র প্রায় ৩০ কিলোমিটারে। শেষ পর্যন্ত ১০ এপ্রিল রাত ৮টা ৭ মিনিটে (EDT) ক্যাপসুলটি প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে সান দিয়েগোর উপকূলে নিরাপদে স্প্ল্যাশডাউন করে। সেখানে অপেক্ষায় থাকা USS John P. Murtha জাহাজের রিকভারি টিম চার নভোচারীকে উদ্ধার করে।
মানুষ চাঁদের দিকে গিয়েছিল। সূর্যের দ্বিগুণ তাপ পার করে ফিরে এসেছে পৃথিবীতে। নিরাপদে।
এটাই বিজ্ঞানের শক্তি।

#মহাকাশ #মহাকাশবিজ্ঞান #বিজ্ঞান #চাঁদ #বাংলাদেশ #বিজ্ঞানচর্চা #বিজ্ঞানপ্রেমী #মহাকাশ_অভিযান

I Wasted 3 Years Learning Everything. Here's What I Wish I Knew.I used to think being a "jack of all trades" made me val...
18/12/2025

I Wasted 3 Years Learning Everything. Here's What I Wish I Knew.

I used to think being a "jack of all trades" made me valuable.
Frontend? Check.
Backend? Learning it.
DevOps? Watching tutorials.
Design? Dabbling on weekends.

My resume looked impressive. My GitHub looked busy.
But when clients asked, "Can you build this?" I froze.
When jobs required portfolios, I had nothing complete.
When I tried to explain my skills, even I wasn't sure what I was good at.

Here's the brutal truth I learned:
Knowledge without depth is just noise.
I had a surface-level understanding of 10 things but couldn't professionally execute even one. I couldn't confidently say "yes" to any opportunity because I knew my foundation was shaky.
Then I made a decision that changed everything.
I stopped.

I picked ONE thing: Frontend development.
I went deep. Really deep.
Not just "I know React." But "I can build a production-ready, accessible, performant React application from scratch and explain every decision I made."

Six months later, I had:
3 portfolio projects I was proud to show
My first client who paid me well
Confidence in interviews
Actual skills, not just tutorial completions

The paradox?
Focusing on less made me worth more.

The lesson?
Depth beats breadth. Every single time.

If you're currently "learning everything," ask yourself:
Can you build something RIGHT NOW that proves you're good at it?
If the answer is no, you're collecting information, not building skills.
Pick one. Go deep. Build something real. Then move to the next.
Your future self will thank you.

hashtag hashtag hashtag hashtag hashtag

আজ ১৬ ডিসেম্বর - বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় দিন, মহান বিজয় দিবস।১৯৭১ সালের দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্...
16/12/2025

আজ ১৬ ডিসেম্বর - বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় দিন, মহান বিজয় দিবস।

১৯৭১ সালের দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর আজকের এই দিনে অর্জিত হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা ।
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ - ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ।
ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ এবং অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার অবদানে পেয়েছি এই স্বাধীন দেশ ।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ আজও দাঁড়িয়ে আছে তাঁদের অমর আত্মত্যাগের সাক্ষী হয়ে।

৫৪ বছর পর, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে আজ বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে একটি উদীয়মান ডিজিটাল অর্থনীতিতে। টেক কমিউনিটির সদস্য হিসেবে আমরা প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রেখে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।

আমরা স্মরণ করি সেই সব বীর সন্তানদের যাঁরা আমাদের স্বাধীনতার জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগই আমাদের স্বপ্ন দেখার, উদ্ভাবন করার এবং একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ দিয়েছে।

তাঁদের আত্মত্যাগ আমরা কখনো ভুলব না। 🙏

#বিজয়দিবস #বাংলাদেশ #১৬ডিসেম্বর

I still remember the moment clearly. I had just spent months mastering the MERN stack—late nights debugging MongoDB quer...
15/12/2025

I still remember the moment clearly. I had just spent months mastering the MERN stack—late nights debugging MongoDB queries, countless hours perfecting React components, wrestling with Express middleware. Finally, I felt confident. I could build anything.

Then came the client requests: "Can you use Next.js for this project?"
My first reaction? Frustration.
"Why should I abandon what I've mastered?" I thought. "MERN works perfectly fine. I can build any application with it. Why add another layer of complexity?"

But request after request kept coming. Every client conversation seemed to end with "We prefer Next.js." I was at a crossroads—stick to my comfort zone or embrace something new.
So I took a deep breath and dove in.

And here's what I discovered:
The routing that used to take me hours to set up? Done in minutes with file-based routing.
The SEO headaches that kept me up at night? Solved with server-side rendering.
The messy project structure I constantly battled with? Organized beautifully by Next.js conventions.

It wasn't that MERN was wrong—it's still powerful and essential. But Next.js wasn't replacing my knowledge; it was amplifying it. All those React skills I worked so hard to learn? They became even more valuable.
The lesson?

Sometimes what feels like starting over is actually leveling up. The frameworks change, but the fundamentals remain. Today, I'm grateful I pushed through that resistance.

To every developer feeling frustrated by the "next new thing"—I get it. But trust the journey. Your existing knowledge isn't wasted; it's the foundation for what's next.
What's a technology you initially resisted but now can't imagine working without?

09/12/2025

🚀 New Project Showcase — Full-Featured E-Commerce Web Application!

Very excited to share my newly developed full-stack e-commerce web application, built to deliver a smooth, modern, and complete online shopping experience.

🛒 E-Commerce Features
> Single product page
> Cart system
> Checkout & payment flow
> Clean and responsive user experience

🛠️ Services Module
> Development Services
> Graphic Design Services
> Users can easily select packages based on their needs

👤 User Dashboard
> Login & Registration (Firebase Auth)
> Personal profile with user details
> Order history
> Billing information
> Fully mobile responsive

⚙️ Tech Stack Used
> Frontend: React.js, Tailwind CSS
> Backend: Node.js, Express.js
> Database: MongoDB (NoSQL)
> Authentication: Google Firebase
> Hosting: Vercel
> Version Control: GitHub

This project is built using the MERN Stack, integrating real-world e-commerce logic with modern UI, strong backend architecture, and secure authentication.

👇 Explore the Project

🔗 Live Demo: [ Check the link in the comment box ]
💻 Source Code: [ Check the link in the comment box ]

Feel free to check it out and share your feedback! 🚀

#️⃣ Research-Based Facebook Hashtags (High Reach + Relevant)

29/11/2025

কখনো কখনো নীরবে পাশে থাকাও একরাশ ভালোবাসা !
সারপ্রাইজ গিফট দিন এখনি...!

Alhamdulillah!Started another new journey with a fresh commitment to mastering development.Hey, Typescript, Redux, Next....
24/04/2024

Alhamdulillah!
Started another new journey with a fresh commitment to mastering development.
Hey,
Typescript, Redux, Next.js, Mongoose, AWS, Docker, Redis, DBMS, SQL, PostgreSQL, Prisma—I'm diving deep into each to hone my skills with mastering.

Ready to navigate the seas of success over the next six months.
I can't stop myself from learning new powerful things to make me a better version than previous. Keep me in your prayers.🤲

09/02/2024

আজকের দিন টি যদি জীবনের শেষ দিন হয় তবে যে কাজ গুলো প্রতিদিন করছি সেই কাজ গুলো কি আজো করবো?

Address


1216

Telephone

+8801316265634

Website

http://coredenz.com/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mehedi Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mehedi Hasan:

  • Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company?

Share