Purnota Multimedia

  • Home
  • Purnota Multimedia

Purnota Multimedia We are a trustfully media production company in Bangladesh. We make Drama, Short Film & Film. We offe

05/07/2022

চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন 😍😍😍😍

14/09/2020
 #বাংলাদেশের_সর্বাধিক_জাতীয়_চলচ্চিত্র_পুরষ্কার_প্রাপ্ত_শ্রেষ্ঠ_নারী_কণ্ঠশিল্পীঃ #নামঃ সাবিনা ইয়াসমিন  #জন্ম: ৪ সেপ্টেম্...
21/02/2020

#বাংলাদেশের_সর্বাধিক_জাতীয়_চলচ্চিত্র_পুরষ্কার_প্রাপ্ত_শ্রেষ্ঠ_নারী_কণ্ঠশিল্পীঃ
#নামঃ সাবিনা ইয়াসমিন
#জন্ম: ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪)
#জাতীয়তাঃ একজন খ্যাতনামা বাংলাদেশি গায়িকা।
#মোট_পুরস্কারঃ বাংলা চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য তিনি চোদ্দবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
দেশাত্মবোধক গান থেকে প্রায় চার দশক ধরে বাংলা গানের বিভিন্ন ধারার নানান (উচ্চাঙ্গ ধ্রুপদ, লোকসঙ্গীত থেকে আধুনিক বাংলা গানসহ চলচ্চিত্র) মিশ্র আঙ্গিকের সুরে শিল্পীর অবাধ যাতায়াতে সঙ্গীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের খ্যাতি বিশ্বব্যাপী।
সব ক’টা জানালা খুলে দাও না, জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো, মাঝি নাও ছাড়িয়া দে, সুন্দর সুবর্ণ – এ ধরনের অসংখ্য কালজয়ী গানের শিল্পী তিনি। ছায়াছবিতে ১২ হাজারের মতো গান করছেন তিনি।সাবিনা ইয়াসমিন চোদ্দবার পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার।

 #বাংলাদেশের_সর্বাধিক_জাতীয়_চলচ্চিত্র_পুরষ্কার_প্রাপ্ত_শ্রেষ্ঠ_পুরুষ_কণ্ঠশিল্পীঃ #নামঃ এন্ড্রু কিশোর । #জন্ম ৪ নভেম্বর ১...
21/02/2020

#বাংলাদেশের_সর্বাধিক_জাতীয়_চলচ্চিত্র_পুরষ্কার_প্রাপ্ত_শ্রেষ্ঠ_পুরুষ_কণ্ঠশিল্পীঃ
#নামঃ এন্ড্রু কিশোর ।
#জন্ম ৪ নভেম্বর ১৯৫৫
#জাতীয়তাঃ একজন বাংলাদেশী গায়ক।
#মোট_পুরস্কারঃ বাংলা চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য তিনি আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
এন্ড্রু কিশোর বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের বহু চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। যেজন্য তিনি 'প্লেব্যাক সম্রাট' নামে পরিচিত। তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে, জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙের ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যে খানে, আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান, ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা, সবাই তো ভালোবাসা চায় প্রভৃতি। বাংলা চলচ্চিত্রের গানে অবদানের জন্য তিনি আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। বর্তমানে তিনি দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরের একটি নামি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

 #বাংলাদেশের_সর্বাধিক_জাতীয়_চলচ্চিত্র_পুরষ্কার_প্রাপ্ত_অভিনেত্রীঃ #নামঃ আফরোজা সুলতানা রত্না (মঞ্চ নাম শাবানা হিসাবেই অধ...
20/02/2020

#বাংলাদেশের_সর্বাধিক_জাতীয়_চলচ্চিত্র_পুরষ্কার_প্রাপ্ত_অভিনেত্রীঃ
#নামঃ আফরোজা সুলতানা রত্না (মঞ্চ নাম শাবানা হিসাবেই অধিক জনপ্রিয়)
#জন্মঃ ১৫ জুন ১৯৫২ গেন্ডারিয়া, ঢাকা, বাংলাদেশ।
#পেশাঃ চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, প্রযোজক।
#কার্যকালঃ ১৯৬২–১৯৯৭
#দাম্পত্য_সঙ্গীঃ ওয়াহিদ সাদিক (বি. ১৯৭৩)
#সন্তানঃ ৩ জন।
#মোট_পুরস্কারঃ প্রধান ও পার্শ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ১১ বার ।
আশির দশকে শাবানা বেশ কিছু ব্যবসাসফল ও অসাধারণ চলচ্চিত্র দর্শকদের উপহার দেন। ১৯৮০ সালে আবদুল্লাহ আল মামুন পরিচালিত সখী তুমি কার এবং আজিজুর রহমান পরিচালিত শেষ উত্তর ও ছুটির ঘণ্টা চলচ্চিত্রগুলো তাকে সুখ্যাতি এনে দেয়। রোম্যান্টিক-নাট্যধর্মী "সখী তুমি কার" চলচ্চিত্রে রাজ্জাক ও ফারুকের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি প্রথমবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

শাবানা ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত টানা তিনবার যথাক্রমে দুই পয়সার আলতা (১৯৮২), নাজমা (১৯৮৩) ও ভাত দে (১৯৮৪) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। আমজাদ হোসেন পরিচালিত দুই পয়সার আলতা চলচ্চিত্রে চাচার সংসারে পালিত পিতামাতাহীন এক মেয়ে কুসুম চরিত্রে অভিনয় করেন। সুভাষ দত্ত পরিচালিত নাজমা চলচ্চিত্রে স্বামীর সংসার থেকে নিগৃহীত নাজমা রহমান চরিত্রে অভিনয় করেন।আমজাদ হোসেন পরিচালিত ভাত দে চলচ্চিত্রে দরিদ্র বাউলের কন্যা জরি চরিত্রে অভিনয় করেন। এসময়ে তার অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রসমূহ হল কামাল আহমেদ পরিচালিত রজনীগন্ধা (১৯৮২), লালু ভুলু (১৯৮৩), ও মা ও ছেলে (১৯৮৫), মতিন রহমান পরিচালিত লাল কাজল (১৯৮২), মমতাজ আলী পরিচালিত নালিশ (১৯৮২), মালেক আফসারী পরিচালিত ঘরের বউ (১৯৮৩), আমজাদ হোসেন পরিচালিত সখিনার যুদ্ধ (১৯৮৪), ও শেখ নজরুল ইসলাম পরিচালিত নতুন পৃথিবী। এছাড়া তিনি হিম্মতওয়ালী (১৯৮৪), বাসেরা (১৯৮৪), ও হালচাল উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

১৯৮৬ সালে শাবানা নায়করাজ রাজ্জাক পরিচালিত চাঁপা ডাঙ্গার বউ, এ জে মিন্টু পরিচালিত অশান্তি বাংলা চলচ্চিত্র এবং প্রমোদ চক্রবর্তী পরিচালিত শত্রু শিরোনামেত একটি হিন্দি চলচ্চিত্রে রাজেশ খান্নার বিপরীতে অভিনয় করেন। পরের বছর সুভাষ দত্ত পরিচালিত স্বামী স্ত্রী, দিলীপ বিশ্বাস পরিচালিত অপেক্ষা, বুলবুল আহমেদ পরিচালিত রাজলক্ষী শ্রীকান্ত, এ জে মিন্টু পরিচালিত লালু মাস্তান, জহিরুল হক পরিচালিত সারেন্ডার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। অপেক্ষা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি পঞ্চমবারের মত শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৮৯ সালে তিনি মতিন রহমান পরিচালিত রাঙা ভাবী, কামাল আহমেদ পরিচালিত ব্যাথার দান, ও এ জে মিন্টু পরিচালিত সত্য মিথ্যা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। রাঙা ভাবী ছবিটি তার নিজের প্রযোজনা সংস্থা থেকে নির্মিত। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন আলমগীর ও শিশু শিল্পী তাপ্পু। শাবানা স্বামী পরিত্যক্ত নারী রোকেয়া চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেন। ১৯৯০ সালে তিনি আজহারুল ইসলাম খান পরিচালিত মরণের পরে, কামাল আহমেদ পরিচালিত গরীবের বউ ও স্বপন সাহা পরিচালিত ভাই ভাই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। বিয়োগাত্মক মরণের পরে চলচ্চিত্রে শাবানা ছয় সন্তানের জননী সাথী চরিত্রে অভিনয় করেন। প্রথমদিকে হাসিখুশি শাবানা হঠাৎ পাল্টে যাওয়া চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করেন। ১৯৯১ সালে তিনি শিবলি সাদিক পরিচালিত অচেনা, শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত টপ রংবাজ, এ জে মিন্টু পরিচালিত পিতা মাতা সন্তান, কাজী মোরশেদ পরিচালিত সান্ত্বনা, শেখ নজরুল ইসলাম পরিচালিত স্ত্রীর পাওনা এবং নজরুল ইসলাম পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র আন্ধি-এ অভিনয় করেন। শাবানা ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত পুনরায় টানা তিনবার যথাক্রমে রাঙা ভাবী (১৯৮৯), মরণের পরে (১৯৯০) ও অচেনা (১৯৯১) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এবং ১৯৯০ সালের গরীবের বউ চলচ্চিত্র প্রযোজনার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র প্রযোজক পুরস্কার লাভ করেন।

 #বাংলাদেশের_সর্বাধিক_জাতীয়_চলচ্চিত্র_পুরষ্কার_প্রাপ্ত_অভিনেতাঃ #নামঃ মহিউদ্দিন আহমেদ আলমগীর। #জন্মঃ ৩ এপ্রিল ১৯৫০ (বয়স...
20/02/2020

#বাংলাদেশের_সর্বাধিক_জাতীয়_চলচ্চিত্র_পুরষ্কার_প্রাপ্ত_অভিনেতাঃ
#নামঃ মহিউদ্দিন আহমেদ আলমগীর।
#জন্মঃ ৩ এপ্রিল ১৯৫০ (বয়স ৬৯) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা, বাংলাদেশ।
#জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী
#পেশাঃ অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, উপস্থাপক।
#কার্যকালঃ ১৯৭৩–বর্তমান।
#আদি_নিবাসঃ নবীনগর উপজেলা, ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা।
#দাম্পত্য_সঙ্গীঃ খোশনুর আলমগীর (বি. ১৯৭৩; বিচ্ছেদ. ১৯৯৯) রুনা লায়লা (বি. ১৯৯৯)
#সন্তানঃ আঁখি আলমগীর
#মোট_পুরস্কারঃ প্রধান ও পার্শ চরিত্র সহ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ৯ বার।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা আলমগীর আশি ও নব্বইয়ের দশকে দাপটের সঙ্গে কাজ করেছেন। পারিবারিক টানাপোড়েন, সামাজিক অ্যাকশন, রোমান্টিক অ্যাকশন, ফোক ফ্যান্টাসিসহ সব ধরনের চলচ্চিত্রে তিনি ছিলেন সফল। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক, গায়ক ও পরিচালক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে ৯ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন।

আলমগীরের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ১৯৭৩ সালে "আমার জন্মভূমি" দিয়ে। জিঞ্জীর (১৯৭৮) চলচ্চিত্রে রাজ্জাক ও সোহেল রানার সাথে অভিনয় করে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৮৫ সালে নিষ্পাপ চলচ্চিত্র দিয়ে তার পরিচালনায় অভিষেক হয়। মা ও ছেলে (১৯৮৫) ছবিতে দীপক চৌধুরী চরিত্রে অভিনয় করে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। পরবর্তীতে অপেক্ষা (১৯৮৭), ক্ষতিপূরণ (১৯৮৯), মরণের পরে (১৯৯০), পিতা মাতা সন্তান (১৯৯১), অন্ধ বিশ্বাস (১৯৯২), দেশপ্রেমিক (১৯৯৪) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে আরও ছয়টি জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি নির্মাণ করেন নির্মম।

২০১০-এর দশকে তিনি জীবন মরণের সাথী (২০১০) ও কে আপন কে পর (২০১১) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য টানা দুবার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৮ সালে তার পরিচালিত তৃতীয় চলচ্চিত্র একটি সিনেমার গল্প মুক্তি পায়।

 #সর্বকালের_সেরা_চলচ্চিত্র_নির্মাতাঃসর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতার নাম নির্দিষ্ট ভাবে বলা সম্ভব নয়, কারন চলচ্চিত্র ই...
02/02/2020

#সর্বকালের_সেরা_চলচ্চিত্র_নির্মাতাঃ
সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতার নাম নির্দিষ্ট ভাবে বলা সম্ভব নয়, কারন চলচ্চিত্র ইতিহাসে অনেকেই রয়েছেন যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলা চলচ্চিত্র একটি উচ্চ মর্যাদায় অবস্থান করেছে, তবে হ্যা, সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতাদের তালিকার শীর্ষে বা প্রথমে যার নাম না বললেই নয়, তিনি হলেন আমাদের শ্রদ্ধেয় "জহির রায়হান" স্যার।

'জহির রায়হান' স্যার ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট বর্তমান ফেনী জেলার সোনাগাজি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক, এবং গল্পকার। বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেন। চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার জহির রায়হানকে ১৯৭৭ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক এবং সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৯২ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। চলচ্চিত্রে তার সামগ্রিক অবদানের জন্য ১৯৭৫ সালে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে মরণোত্তর বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

'জহির রায়হান' স্যার রচিত প্রথম উপন্যাস শেষ বিকেলের মেয়ে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়। তার রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো হাজার বছর ধরে ও আরেক ফাল্গুন। হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য ১৯৬৪ সালে আদমজী সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেন। তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনো আসেনি (১৯৬১) মুক্তি পাই । ১৯৬৪ সালে কাঁচের দেয়াল চলচ্চিত্রের জন্য তিনি নিগার পুরস্কার অর্জন করেন। তার নির্মিত অন্যান্য চলচ্চিত্রগুলো হলো বেহুলা, সঙ্গম, আনোয়ারা এবং জীবন থেকে নেওয়া। স্টপ জেনোসাইড প্রামাণ্যচিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে তিনি বেশ প্রশংসিত হন। এই মহান চলচ্চিত্রকর ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২ পাকিস্তানি হানাদারের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেন।

 #বাংলাদেশের_প্রথম_রঙ্গীন_চলচ্চিত্রঃ #চলচ্চিত্রের_নামঃ  সঙ্গম (১৯৬৪-এর উর্দু চলচ্চিত্র) #পরিচালকঃ  জহির রায়হান। #প্রযোজ...
02/02/2020

#বাংলাদেশের_প্রথম_রঙ্গীন_চলচ্চিত্রঃ
#চলচ্চিত্রের_নামঃ সঙ্গম (১৯৬৪-এর উর্দু চলচ্চিত্র)
#পরিচালকঃ জহির রায়হান।
#প্রযোজকঃ ইফতেখারুল আলম কিসলু।
#অভিনয়েঃ রোজী সামাদ, হারুন রশীদ, খলিলউল্লাহ খান, সুমিতা দেবী।
#সুরকারঃ খান আতাউর রহমান।
#চিত্রগ্রাহকঃ কিউ, এম, জামান।
#প্রযোজনা_কোম্পানিঃ লিটল সিনে সার্কেল ।
#শুভমুক্তিঃ ২৩ এপ্রিল ১৯৬৪ ।
#দেশঃ পাকিস্তান ও বাংলাদেশ (প্রাক্তন পূর্ব পাকিস্তান)।
#ভাষাঃ উর্দু ।
#সম্মাননাঃ ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা 'নিগার অ্যাওয়ার্ড ১৯৬৪' এ সুমিতা দেবী শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্র অভিনেত্রী হিসাবে পুরস্কৃত হন।

সঙ্গম ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) আমলে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি ১৯৬৪ সালের ২৩ এপ্রিল ঈদ উল আযহাতে সমগ্র পাকিস্তান জুড়ে মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন জহির রায়হান ও প্রযোজনা করেছেন ইফতেখারুল আলম কিসলু। এটিই সমগ্র পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে নির্মিত প্রথম রঙ্গীন চলচ্চিত্র। এ ছবিতে অভিনয় করেন রোজী সামাদ, হারুন রশীদ, খলিলউল্লাহ খান, সুমিতা দেবী প্রমুখ।

একজন অধ্যাপকের নেতৃত্বে শহীদ (হারুন রশীদ) ও একদল ছাত্রছাত্রী ভ্রমণ করতে যায় একটি স্থানে যেখানে শহীদের (খলিল) দেখা হয় পুরনো বন্ধু শংকরের সাথে। শংকর হোটেল চালায়। ওখানে আরেকটি হোটেল চালায় শায়লা (সুমিতা দেবী) নামক এক মেয়ের চাচা। শংকরের মা ও শায়লার চাচার মধ্যে ব্যবসায়িক কোনো দ্বন্দ্ব থাকলেও এই দুই তরুণ-তরুণী একে অপরকে গভীরভাবে ভালোবাসে। তাদের এই প্রেমে বাধা হয়ে দাড়ায় এক মন্দ লোক।
অন্যদিকে শহীদ ও তার দল শায়লা ও শংকরকে সহায়তা দেয়। ঠিক এমন সময় নিশাত (রোজী সামাদ) নামের এক তরুণীর সাথে পরিচয় ঘটে শহীদের। পরিচয় থেকে দুজনের প্রেম। ঘটনার আবর্তে শংকর ও শায়লা নিহত হয়। শেষদৃশ্যে বিষাদের মধ্যে শহীদ - নিশাতের বিয়ে হয়।

 #বাংলাদেশের_সর্বপ্রথম_পূর্ণদৈর্ঘ্য_নির্বাক_চলচ্চিত্রঃ #চলচ্চিত্রের_নামঃ '' দ্য লাস্ট কিস '' #প্রযোজনাঃ ইস্ট বেঙ্গল সিনে...
01/02/2020

#বাংলাদেশের_সর্বপ্রথম_পূর্ণদৈর্ঘ্য_নির্বাক_চলচ্চিত্রঃ
#চলচ্চিত্রের_নামঃ '' দ্য লাস্ট কিস ''
#প্রযোজনাঃ ইস্ট বেঙ্গল সিনেমাটোগ্রাফ সোসাইটি।
#পরিচালনাঃ অম্বুজপ্রসন্ন গুপ্ত।
#অভিনয়েঃ খাজা আজমল, ললিটা, ও চারুবালা।
#ব্যাপ্তিকালঃ ৯৯ মিঃ
#শুভমুক্তিঃ ১৯৩১ সাল।
ঢাকার প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র 'দ্য লাস্ট কিস' ১৯২৯ সালে দৃশ্য ধারণ শুরু হয় এবং ১৯৩১ সালে শুভমুক্তি লাভ করে। ১২ রিলের এই নির্বাক চলচ্চিত্রটি নির্মান করতে সে সময়কালে ব্যয় হয় ১২ হাজার টাকা। চলচ্চিত্রটির একটি মাত্র প্রিন্ট তৈরি হয়, যার ফলে ১৯৩১ সালে তৎকালীন ঢাকার মুকুল (আজাদ) সিনেমা হলে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় এবং এই হলে টানা একমাস প্রদর্শিত হয়।
নায়িকা ললিটার আসল নাম ছিল বুড়ি, চলচ্চিত্রে তখন কোন ভদ্রঘরের মেয়েকে অভিনয়ের জন্য পাওয়া যেত না বলে, বাদামতলীর পতিতালয় থেকে বুড়িকে "দ্য লাস্ট কিস" ছবির নায়িকা হিসেবে আনা হয়। তার নাম দেওয়া হয় ললিটা, তখন তার বয়স ছিল ১৪ বছর, "দ্য লাস্ট কিস" ছবির কাজ শেষ হওয়ার পর ললিটা আবার তার পুর্ব পেশায় ফিরে যায়।

01/02/2020

#বাংলাদেশের_স্বাধীনতার_পরবর্তী_চলচ্চিত্রের_বিষয়বস্তুঃ
স্বাধীনতার পরে আবির্ভূত চলচ্চিত্র পরিচালকদের মধ্যে আলমগীর কবির (১৯৩৮-১৯৮৯) উল্লেখযোগ্য। তার নির্মিত চলচ্চিত্র হলো 'ধীরে বহে মেঘনা' (১৯৭৩), সূর্য কন্যা (১৯৭৬), সীমানা পেরিয়ে (১৯৭৭), রূপালী সৈকতে (১৯৭৯), মোহনা (১৯৮২),পরিণীতা (১৯৮৬) ও মহানায়ক (১৯৮৪)।

স্বাধীনতার বছর ১৯৭১ সালে এদেশে ৮টি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। এর মধ্যে নজরুল ইসলামের 'স্বরলিপি', অশোক ঘোষের 'নাচের পুতুল', আলমগীর 'কুমকুমের স্মৃতিটুকু থাক' এবং খান আতাউর রহমানের 'সুখ দুঃখ' সামাজিক চলচ্চিত্র হিসেবে উল্লেখযোগ্য।

১৯৭২ সালে আলমগীর কবিরের 'ধীরে বহে মেঘনা', জহিরুল হকের 'রংবাজ', সুভাষ দত্তের 'বলাকা মন', ঋত্বিক ঘটকের 'তিতাস একটি নদীর নাম' বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশেষ মানে উন্নীত করে। এই সুস্থ ও সৃজনশীল ধারায় ১৯৭৪ সালে নির্মিত হয় নারায়ণ ঘোষ মিতার 'আলোর মিছিল'। ১৯৭৫ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার 'লাঠিয়াল', খান আতার 'সুজন সখী' এই ধারারই প্রবাহ। ১৯৭৬ সালে ছয়টি চলচ্চিত্র বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ধারণাকেই পাল্টে দেয়। যেমন রাজেন তরফদারের 'পালঙ্ক', হারুনর রশীদের 'মেঘের অনেক রঙ', আলমগীর কবিরের 'সূর্য কন্যা', কবীর আনোয়ারের 'সুপ্রভাত', আবদুস সামাদের 'সূর্যগ্রহণ' এবং আমজাদ হোসেনের 'নয়নমনি'। ১৯৭৭ সালে আলমগীর কবিরের 'সীমানা পেরিয়ে', সুভাষ দত্তের 'বসুন্ধরা' পরিচ্ছন্নতা ও সুস্থতার দাবিদার। ১৯৭৮ সালে আমজাদ হোসেনের 'গোলাপী এখন ট্রেনে' এবং আবদুল্লাহ আল মামুনের 'সারেং বৌ' শিল্পসফল চলচ্চিত্র হিসেবে নন্দিত। স্বাধীন বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয় ১৯৭৯ সালে। মসিউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলীর যৌথ নির্মাণ 'সূর্য দীঘল বাড়ি' বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচয় করিয়ে দেয়। আলমগীর কবিরের 'রূপালী সৈকতে'ও এই সময়ের উৎকৃষ্ট চলচ্চিত্র। সত্তর দশক ও আশির শুরুতে সময়ে নির্মিত চলচ্চিত্র জহিরুল হকের 'রংবাজ' (১৯৭৬), প্রাণসজনী (১৯৮২), রুহুল আমিনের 'বেইমান' (১৯৭৪), অশোক ঘোষের 'নাচের পুতুল' (১৯৭১), সিবি জামানের 'শুভরাত্রি' (১৯৮৫), বেবী ইসলামের 'চরিত্রহীন' (১৯৭৫), নজরুল ইসলামের 'স্বরলিপি' (১৯৭১), আবদুল রতিফ বাচ্চুর 'যাদুর বাঁশি' (১৯৭৭), আবদুল্লাহ আল মামুনের 'সখি তুমি কার' (১৯৮০), এখনই সময় (১৯৮০), সৈয়দ হাসান ইমামের 'লাল সবুজের পালা' (১৯৮০) প্রভৃতি । ১৯৮০ সালে আমজাদ হোসেনের 'কসাই', দিলীপ সোমের 'স্মৃতি তুমি বেদনা' দর্শকপ্রিয়তা লাভ করতে সমর্থ হয়।

১৯৮১ সালে আমজাদ হোসেনের 'জন্ম থেকে জ্বলছি' চলচ্চিত্রের সুস্থ মেজাজ বজায় রাখে। ১৯৮২ সালে চাষী নজরুল ইসলামের 'দেবদাস', মোস্তফা আনোয়ারের 'কাজল লতা', আবদুস সামাদ খোকনের 'বড় বাড়ীর মেয়ে', মতিন রহমানের 'লাল কাজল', আলমগীর কবিরের 'মোহনা' সকল অর্থে সুস্থধারার সামাজিক চলচ্চিত্র। ১৯৮৩ সালে সিবি জামানের পুরস্কার ও এজে মিন্টুর মান সম্মান, সুভাষ দত্তের 'নাজমা' চলচ্চিত্র চলনসই।

১৯৮৪ সালে আখতারুজ্জামানের 'প্রিন্সেস টিনা খান', কাজী হায়াৎ-এর 'রাজবাড়ি', কামাল আহমেদের 'গৃহলক্ষ্মী', সুভাষ দত্তের 'সকাল সন্ধ্যা', চাষী নজরুল ইসলামের 'চন্দ্রনাথ', আমজাদ হোসেনের 'সখিনার যুদ্ধ ও ভাত দে। ১৯৮৫ সালে 'শক্তি সামন্ত' ও সৈয়দ হাসান ইমামের 'অবিচার', শেখ নিয়ামত আলীর 'দহন', রাজ্জাকের সৎভাই ও শহিদুল আমিনের রামের সুমতি দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়। আশির দশকের শেষার্ধে সুভাষ দত্তের 'ফুলশয্যা' (১৯৮৬), আলমগীর কবিরের 'পরিণীতা' (১৯৮৬), চাষী নজরুল ইসলামের 'শুভদা', বুলবুল আহমেদের 'রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত' (১৯৮৭), নারায়ণ ঘোষ মিতার 'হারানো সুর' (১৯৮৭), আফতাব খান টুলুর 'দায়ী কে' (১৯৮৭), কবীর আনোয়ারের 'তোলপাড়' (১৯৮৮), মহিউদ্দিন ফারুকের 'বিরাজ বৌ' (১৯৮৮) এবং নব্বই দশকের প্রথমার্ধে সৈয়দ সালাহ্উদ্দিন জাকীর 'আয়না বিবির পালা' (১৯৯১), এহতেশামের 'চাঁদনী' (১৯৯১) প্রভৃতি চলচ্চিত্র আলোচিত হয়েছে।

চাষী নজরুল ইসলামের 'হাসন রাজা', তানভীর মোকাম্মেলের 'লালন' (২০০৪), মোরশেদুল ইসলামের 'দুখাই', 'লালসালু', আখতারুজ্জামানের 'পোকামাকড়ের ঘরবসতি', তারেক মাসুদের 'মাটির ময়না' (২০০২), কাজী মোরশেদের 'ঘানি' (২০০৮) উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। সামজিক বিষয়কে অবলম্বন করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রগুলো নির্মাণ-কুশলতায় বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছে।

01/02/2020

#পূর্ব_পাকিস্তানকালীন_চলচ্চিত্রের_বিষয়বস্তুঃ
বাংলাদেশের পূর্বপাকিস্তান পর্বে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শুরু হয়েছে ডাকাতের কাহিনী নিয়ে। আবদুল জব্বার খান রচিত নাটক ডাকাত-এর চিত্রায়নই 'মুখ ও মুখোশ' (১৯৫৬)। এই চলচ্চিত্রে পেশাদারিত্বের ছাপ থাকার কথা নয়। কিন্তু প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে এর গুরুত্ব রয়েছে। গ্রামের এক জোতদার বাবার এক সন্তান ঘটনা-পরম্পায় ডাকাতদলের খপ্পরে পড়ে তাদের মতো বেড়ে ওঠে। আরেক ছেলে পড়ালেখা করে পুলিশ হয়। কিন্তু ডাকাতদলের সঙ্গে পুলিশের সখ্য ছিল। ভাই-ভাই পরিচয় না জানলেও ডাকাত-পুলিশ সম্পর্ক ছিল। এক পর্যায়ে ডাকাত ছেলে তার সর্দারকে খুন করে। গ্রেফতার হয় অসৎ পুলিশ। কাহিনীর পরিণতি বাবার কাছে দুই ছেলেকে ফিরে পাওয়ার মধ্য দিয়ে। আবদুল জব্বার খান (১৯১৬-১৯৯৩) জোয়ার এলো (১৯৬২), নাচঘর (উর্দু ১৯৬৩), বাঁশরী (১৯৬৮), কাচ কাটা হীরা (১৯৭০) ও খেলারাম (১৯৭৩) নির্মাণ করে চলচ্চিত্রশিল্পে তার অবদানের স্বাক্ষর রাখেন। উজালা নামে একটি চলচ্চিত্রও তিনি প্রযোজনা করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের চলচ্চিত্র বিভাগের প্রধান হিসেবে আবদুল জব্বার খান কাজ করেন। চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তিনি বাচসাস পুরস্কার, এফডিসি রজত জয়ন্তী পদক, উত্তরণ পদক, হীরালাল সেন স্মৃতি পদক, বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সম্মান পদক, ফিল্ম আর্কাইভ সম্মান প্রতীক ও রেইনবো ফিল্ম সোসাইটি সম্মান পদক লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের পথিকৃৎ। তার সম্মানার্থে এফডিসি-তে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আবদুল জব্বার খান পাঠাগার।

১৯৫৯ সালে আখতার জং কারদার পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র 'জাগো হুয়া সাভেরা' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি'র কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত। এটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পুরস্কৃত ও আলোচিত হলেও বাণিজ্যিকভাবে এটি সাফল্য অর্জন করেনি। এই চলচ্চিত্রের প্রধান সহাকারী হিসেবে কাজ করেন 'জহির রায়হান'। একই বছরে এহতেশাম নির্মাণ করেন গ্রামীণ পটভূমিতে 'এ দেশ তোমার আমার'। ফতেহ লোহানীর 'আকাশ আর মাটি' এবং মহিউদ্দিনের 'মাটির পাহাড়' — এই বছরের অন্যদুটি চলচ্চিত্র। কারিগরি মানের দিক থেকে চলচ্চিত্রদুটি ভালো হলেও বোম্বে ও লাহোরের চলচ্চিত্রের সঙ্গে লড়াই করে টিকতে পারেনি। ফতেহ লোহানীর 'আসিয়া' (১৯৬০) এবং এহতেশামের 'রাজধানীর বুকে' (১৯৬০) পঞ্চাশের দশকের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র। 'রাজধানীর বুকে' চলচ্চিত্রটি বেশ জনপ্রিয় হয়। আসিয়া বাবসায়িক সাফল্য না-পেলেও এটি প্রেসিডেন্ট পুরস্কারও নিগার পুরস্কার লাভ করে। গ্রামবাংলার চিরায়ত দৃশ্য নিয়ে জীবনধর্মী এই চলচ্চিত্রটি বোদ্ধা মহলে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে। কেউ কেউ একে পথের পাঁচালীর অনুকরণ বলে অভিহিত করে। ফতেহ লোহানী (১৯২০-১৯৭৫) বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে অগ্রণী অভিনেতা ও চিত্রপরিচালক। চলচ্চিত্রকার বিমল রায়ের হিন্দি চলচ্চিত্র হামরাহী (১৯৪৫)-তে অভিনয়ে করেন কিরণকুমার ছদ্মনামে। তিনি অভিনয় করেন রঙিলা আর্ট করপোরেশন প্রযোজিত উদয়ন চৌধুরী (ইসমাইল মোহাম্মদ) পরিচালিত জোয়ার নাটকে এবং হিমাদ্রি চৌধুরী (ওবায়েদ-উল হক) পরিচালিত দুঃখে যাদের জীবন গড়া (১৯৪৬) চলচ্চিত্রে। ঢাকা থেকে ১৯৪৯-এ মাসিক সাহিত্য পত্রিকা অগত্যা প্রকাশে তিনি প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেন। ঐ বছরই তিনি যোগ দেন করাচি বেতারে, পরে বিবিসি-তে। ১৯৫৪ সালে ঢাকায় ফিরে তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে জড়িত হন, পাশাপাশি বেতার অনুষ্ঠান, অভিনয় এবং লেখালেখিতেও অংশ নেন। পরিচালনা ছাড়াও তিনি বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র রাজা এলো শহরে (১৯৬৪)। ফতেহ লোহানী অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে মুক্তির বন্ধন (১৯৪৭), তানহা (১৯৬৪), বেহুলা (১৯৬৬), ফির মিলেঙ্গে হাম দোনো (১৯৬৬), আগুন নিয়ে খেলা (১৯৬৭), দরশন (১৯৬৭), জুলেখা (১৯৬৭), এতটুকু আশা (১৯৬৮)মোমের আলো (১৯৬৮), মায়ার সংসার (১৯৬৯), মিশর কুমারী (১৯৭০), তানসেন (১৯৭০) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

ষাটের দশকে সালাহ্উদ্দিনের যে নদী মরূপথে (১৯৬১), সূর্যস্নান (১৯৬২) ও ধারাপাত (১৯৬৩) প্রভৃতি সামাজিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। জহির রায়হান এই সময়ের উল্লেখযোগ্য পরিচালক। তার যে নদী মরুপথে ও কখনো আসেনি(১৯৬১), সোনার কাজল (১৯৬২, কলিম শরাফী সহযোগে), কাচের দেয়াল (১৯৬৩), সঙ্গম (উর্দু ১৯৬৪), বাহানা (উর্দু, ১৯৬৫) এই সময়ের উজ্জ্বল সৃষ্টি। উর্দু চলচ্চিত্রের দিকে ঝুঁকেও তিনি আবার চোখ ফেরালেন লোকজ কাহিনীর দিকে। এরপর তিনি আনোয়ারা (১৯৬৭) নির্মাণ করেন। জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), লেট দেয়ার বি লাইট (১৯৭০) (অসমাপ্ত), স্টপ জেনোসাইড (১৯৭১) ও এ স্টেট ইজ বর্ন (১৯৭১) চলচ্চিত্র গুলো ছিল বহিরবিশ্বের চলচ্চিতের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মত।

ষাটের দশকেই কীর্তিমান পরিচালক হিসেবে আবির্ভূত হন খান আতাউর রহমান (১৯২৯-১৯৯৭)। তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কেবল পরিচালক নন, অভিনেতা, কাহিনীকার, কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার হিসেবে খ্যাতিমান।১৯৫৬ সালে ঢাকায় ফিরে এ.জে কারদারের জাগো হুয়া সাভেরা চলচ্চিত্রে প্রখ্যাত অভিনেত্রী তৃপ্তি মিত্রের সঙ্গে প্রধান চরিত্রে রূপদান করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি অনেক দিনের চেনা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আবির্ভূত হন। তার পরিচালিত রাজ সন্ন্যাসী, আবার তোরা মানুষ হ, সুজন সখী, দিন যায় কথা থাকে, ডানপিটে ছেলে (১৯৮০), এখনও অনেক রাত প্রভৃতি চলচ্চিত্র বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে উচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত করে। চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃত-স্বরূপ তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ছাড়াও পাকিস্তান, মস্কো এবং তাসখন্দ চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার লাভ করে।

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Purnota Multimedia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Purnota Multimedia:

  • Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company?

Share