13/04/2026
আপনি জানেন কি? আপনার দেশে এমন একটা স্থান আছে যেখানে ৪ হাজার নারী যৌ" ন পেশায় জড়িত।
#একই পরিবারের সকল নারী সদস্য একই সাথে সামনা সামনি পরপুরুষের সাথে স" ঙ্গমে লিপ্ত হচ্ছে। হাতে সিগারেট, টেবিলে ইয়াবা, মদের বোতল। মা মেয়ে একই খাটে একজন পুরুষের সাথে যৌ" নতা করছে বিনা সংকোচে।
হ্যাঁ, এটা বৈধ। আপনার দেশেই হচ্ছে প্রতিনিয়ত। প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই হচ্ছে। এসব থেকে বড় একটি অংশ চলে যাচ্ছে সরকারি তহবিলে।
#বলছি গোয়ালন্দ, রাজবাড়ির দৌলতদিয়া পতিতা পল্লীর কথা। বাংলাদেশে সরকারিভাবে অনুমোদিত পতিতালয়ের মধ্যে দৌলতদিয়া সবচেয়ে বড় যৌ" ন পল্লী। এশিয়ার সবচেয় বড় পতিতালয়ের অন্যতম এই পল্লীতে প্রতিদিন ৩ হাজারের বেশি পুরুষ যৌ" ন খুদা নিবারণে এখানে আসে। যাদের অধিকাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী।
মরণব্যাধি এইডস, ক্যান্সার এবং ভয়াবহ সব ছোঁয়াছে রোগ ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে এসব নোংরা পল্লী থেকেই।
১৯৮৮ সালে সরকারিভাবে অনুমোদনের পর থেকে আজ অব্দি নিরলসভাবে এখানে পতি" তাবৃত্তি হচ্ছে অত্যন্ত স্বাভাবিক নিয়মে। অধিকাংশ যৌন কর্মীর বয়স ১৫ এর নিচে।
#যৌনতার পাশাপাশি প্রত্যেক আড্ডাখানায় আছে জুয়া, মদের আসর, ইয়াবা, গাঁজা অর্থাৎ ইসলামী শরিয়ায় নিষিদ্ধ সকল কার্যক্রম চলছে কোনোপ্রকার বাধা বিপত্তি ছাড়াই। অথচ দিনমজুর অনেক ব্যক্তির কাছে মাদক পেলে দেয়া হচ্ছে বছর খানেক জেলসহ সাধ্যের বাহিরের জরিমানা।
১৪টি অনুমোদিত পতিতালয়, সহস্রাধিক অনুমোদনহীন প" তিতালয় আছে বাংলাদেশে।
#প্রায় ৩৮ বছর যাবত বাংলাদেশে কয়েক কোটি ওয়াজ মাহফিল হয়েছে। এখনও প্রতিদিন হচ্ছে বিভিন্ন জেলায়। আজ অব্দি কোনো ওয়াজ মাহফিলে এসব পতি" তালয়ের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। ইসলামী শরিয়া আইনে পরপুরুষ পরনারী সঙ্গমে লিপ্ত হলে এটাকে 'জেনা' বলা হয়। যার শাস্তি পাথর মেরে হ" ত্যা করা।
ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে যেহেতু বন্ধ করা যায়নি, এর অর্থ দাঁড়ায় ৩৮ বছরের সব ওয়াজ মাহফিল ব্যর্থ।
#এবার_আসা_যাক_দ্বিতীয়_পয়েন্টে।
৩৮ বছরে বাংলাদেশে ক্ষমতায় ছিলেন এরশাদ, যিনি বাংলাদেশকে ইসলামী জমহুরিয়াত বানাতে চেয়েছিলেন। ক্ষমতায় ছিল বি এনপি, এরপর আওয়ামী লীগ, চারদলীয় জোট (বি এনপি জামায়াত), মইনুদ্দিন ফখরুদ্দিন, আবার আওয়ামী লীগ টানা ৩ সেশন, এরপর ইউনুস রেজিম যিনি আমূল পরিবর্তন করে ফেলবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। এখন আবার বি এনপি জামায়াত। কোনো সরকারই দৌলতদিয়ার ৪ হাজার নারী পতিতার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেনি।
#সংসদে দাঁড়িয়ে বড় বড় বক্তৃতা দিতে দেখা যায়। স্বার্থে আঘাত লাগলে ওয়াক আউট। দৌলতদিয়ার নারী যৌ" নকর্মীদের কর্মসংস্থানের দাবীতে ওয়াকআউট করলে অন্তত একটা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ পাওয়া যেত।
প্রায়শই ছাত্রদের আন্দোলন করতে দেখি। রাস্তায় বসে, বৃষ্টিতে ভিজে ঢাবির শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে। এটা চাই ওটা চাই, দাবী পূরণ করতে হবে। কিন্ত কারও দাবীতে যৌ" নকর্মীদের কথা নেই।
#একটি দেশে ১৪ টি অনুমোদিত (এবং সহস্রাধিক অনুমোদনহীন) যৌন পল্লী থাকা নিশ্চয়ই গর্বের বিষয় নয়। বরং এটি আমাদের জাতীয় লজ্জা।
যতদিন অবাধে এসব যৌ" নতা চলবে, ততদিন এদেশে কোনো ওয়াজ মাহফিল, তাবলীগ জামাত, ইজতেমা, নামাজ রোজা হজ্ব যাকাত কতদূর ও ফলপ্রসূ তা এখন প্রশ্নবিদ্ধ।
#যৌন পল্লী বন্ধ না করে উন্নয়ন প্রকল্পের পদক্ষেপ নিলে সেটাও অর্থহীন।
সরকারের উচিত দ্রুত এগুলোর অনুমোদন বাতিল করে হালাল পন্থায় যৌন কর্মীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা...
.
#আবাসিক
#ঢাকা
#অনৈতিক
#বাংলাদেশ
#সর্বশেষ_সংবাদ
#সাম্প্রতিক_সংবাদ
#ইসলামিকসংবাদ