Bally. কাগজ কলম কালি , তিন নিয়ে বালি

  • Home
  • India
  • Howrah
  • Bally. কাগজ কলম কালি , তিন নিয়ে বালি

Bally. কাগজ কলম কালি , তিন নিয়ে বালি বালির ঐতিহ্য, এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের তুলে ধরাই মূল উদ্দেশ্য।
আপনার বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন। The town has Historical importance.

Welcome to Bally.Bally is a small city located in Howrah in West Bengal . Bally is located on the banks of River Hooghly near the Belur Math.

শুভ সকাল জয় মা ভবতারিণী।সবার মঙ্গল করো মা...  🌺🌺🌺
22/04/2026

শুভ সকাল
জয় মা ভবতারিণী।
সবার মঙ্গল করো মা...
🌺🌺🌺

শুভ ১লা বৈশাখ, নতুন বছরের দরজায় যখন কড়া নাড়ে ভোরের প্রথম আলো,ঠিক তখনই মনে হয়, সবকিছু আবারও নতুন করে শুরু করা যায়।পুরোনো ...
14/04/2026

শুভ ১লা বৈশাখ,
নতুন বছরের দরজায় যখন কড়া নাড়ে ভোরের প্রথম আলো,
ঠিক তখনই মনে হয়, সবকিছু আবারও নতুন করে শুরু করা যায়।
পুরোনো দিনের সব হিসেব মুছে গিয়ে
জীবন যেন আবার সাদা খাতার প্রথম পৃষ্ঠা।
১৪৩৩ আপনার প্রতিটা স্বপ্নকে ছুঁয়ে যাক,
প্রতিটা ইচ্ছে খুঁজে পাক নিজের ঠিকানা।
আনন্দ , ভালোবাসা, সমৃদ্ধি আর শান্তিতে ভরে উঠুক প্রতিটা মুহূর্ত।
নতুন বছরটা শুধু ক্যালেন্ডার না বদলাক,
বদলে যাক অনুভব, বদলে যাক জীবনের গল্প,
আপনার জীবনটা হয়ে উঠুক আরও সুন্দর, আরও নিজের মতো...
শুভ নববর্ষ 💖💖

আজ সন্ধ্যায় দেখি বেলুড় স্টেশনের পঞ্চানন মন্দিরের কাছে গাজনের সন্ন্যাসীরা প্রসাদি ফল বিতরণ করছেন।
14/04/2026

আজ সন্ধ্যায় দেখি বেলুড় স্টেশনের পঞ্চানন মন্দিরের কাছে গাজনের সন্ন্যাসীরা প্রসাদি ফল বিতরণ করছেন।

প্রবেশ মূল্য নেই।  প্রবেশ অবাধ। সবার আমন্ত্রণ রইলো।
13/04/2026

প্রবেশ মূল্য নেই। প্রবেশ অবাধ।
সবার আমন্ত্রণ রইলো।

সবার আমন্ত্রণ রইলো...
09/04/2026

সবার আমন্ত্রণ রইলো...

01/04/2026

এই এক হুজুগ হয়েছে। ডিসগাস্টিং। সবাই ভাবছে কেমন দিলাম দেখ। কিন্তু এইসব বোকাবোকা এপ্রিল ফুল করার কায়দাটা যে সেই ইলতুতমিসের আমলের বাসি পচে যাওয়া মাল সেটা সবাই বুঝছে। তবুও ভাবছে শেষে See more লিখে দেবে আর সবাই সেটা...See more

31/03/2026

প্রকৃতি মানুষের অঙ্গুলি হেলনের তোয়াক্কা করে না, তার নিজস্বতা আছে, খামখেয়ালিপনা আছে, নিজের খেয়ালে সে সাজিয়ে তোলে রূপ, রস, গন্ধ আর আলোর মালায়।
রঙিন তুলি দিয়ে সে বিশাল আকাশের আঁধার ক্যানভাসে আগুনের রেখা এঁকে চলে।ল)কি.মি.)ল
এক ঝলক বিদ্যুতে মুহূর্তের জন্য জেগে ওঠে নিঃশব্দ পৃথিবী, তারপরই আবার সব ডুবে যায় গভীর, বৃষ্টিভেজা অন্ধকারে।
টুপটাপ বৃষ্টির সুরে মিশে থাকে দূর আকাশের বজ্রগর্জন, আর সেই ঝলমলে আলোর খেলায় প্রকাশ পায় প্রকৃতির নিজস্ব ক্ষেপামির।
যেখানে ভয় আর মুগ্ধতা একসাথে হাত ধরাধরি করে চলে..

29/03/2026

রবিবার মানেই ছুটির দিন, সারা সপ্তাহের ব্যস্ততার পর একটু আরাম, একটু ল্যাদ খাওয়ার সময়। আর এই দিনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো দুপুরের জমিয়ে খাওয়া। কিছু বাঙালির কাছে তো এদিনটা কব্জি ডুবিয়ে খাসির মাংস খাওয়ার দিন।
গরম গরম ভাতের সঙ্গে খাসির মাংসের লাল লাল ঝোল, তার সঙ্গে একটা গোটা আলু এই স্বাদই তো বাঙালির রসনার আসল সুখ।
আর যদি ভালো মানের খাসির মাংস খুঁজে থাকেন, তাহলে একবার ঘুরে আসতেই পারেন বালি ঘাটের কাছে 'লাল' এর দোকানে, যেখানে প্রতিদিনই মেলে একদম টাটকা আর সেরা মানের খাসির মাংস, আপনার রবিবারের ভোজকে আরও জমিয়ে তুলতে।

শতাব্দী প্রাচীন বালিবাজার হরিসভায় মহাসমারোহে বাসন্তী পুজো চলছে।
26/03/2026

শতাব্দী প্রাচীন বালিবাজার হরিসভায় মহাসমারোহে বাসন্তী পুজো চলছে।

হাওড়া জেলার প্রাচীন জনপদ বালির বুকে আজও জীবন্ত এক অনন্য ঐতিহ্য। বালি বাজার ব্যবসায়ী সমিতি পরিচালিত ব্রহ্মা পূজা। শতবর্...
18/03/2026

হাওড়া জেলার প্রাচীন জনপদ বালির বুকে আজও জীবন্ত এক অনন্য ঐতিহ্য। বালি বাজার ব্যবসায়ী সমিতি পরিচালিত ব্রহ্মা পূজা। শতবর্ষেরও বেশি পুরোনো এই পূজা শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি বালির মানুষের বিশ্বাস, আবেগ ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে বহন করে চলা এক গৌরবময় আয়োজন।
নির্দিষ্ট ঠাকুর দালানে প্রতি বছর প্রাচীন রীতি মেনে বাবা ব্রহ্মার বিগ্রহের আরাধনা করা হয়। সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলালেও এই পূজার নিজস্ব ঐতিহ্য ও আচার আজও একইভাবে অটুট রয়েছে। পূজার দিনগুলোতে বালি বাজার চত্বর ভরে ওঠে ভক্তদের উপস্থিতিতে, আর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে ভক্তি ও উৎসবের এক অনন্য আবহ।
এ বছর ব্রহ্মা পূজা শুরু হচ্ছে ১৬ই মার্চ এবং চলবে ১৯শে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। এই কয়েকদিন ধরে বালি বাজার হয়ে ওঠে এক মিলনক্ষেত্র, যেখানে ধর্মীয় আচার, সামাজিক বন্ধন এবং উৎসবের আনন্দ একসূত্রে গাঁথা থাকে।
বালি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে নিষ্ঠা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রতি বছর আয়োজিত এই পূজা আজ শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি বালির ঐতিহ্য, গর্ব এবং মানুষের হৃদয়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা জীবন্ত প্রতীক।

16/03/2026

ফেসবুকে, আমাদের এই পেজের ১১তম বছর চলছে। আপনার প্রত্যেকের সমর্থনের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। সবাইকে অনুরোধ পেজের সঙ্গে থাকুন।
আরও লাইক কমেন্ট করুন।
🙏🤗🎉

16/03/2026

কোনো সন্দেহ নেই, এটা গণতন্ত্রের প্রহসন হচ্ছে। ভোটের ঠিক আগে রাজ্যপাল বদল হয়েছে। এসআইআর চলাকালীনই কার্যত দখল করে ফেলার চেষ্টা হয়েছে রাজ্যকে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বোঝাই করে ফেলা হয়েছে। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক পরেই মধ্যরাতে বদলে দেওয়া হল রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে। ভারতবর্ষে প্রথমবার। এর ঠিক আগে, প্রধানমন্ত্রী দলীয় সভায় এসেছেন না সরকারি, বোঝা যায়নি, সেই ব্যবধানটুকুও মুছে ফেলা হয়েছে। এবং তাঁর জনসভার দিন গোলমালে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী নামেনি, এই নিয়ে কমিশন জবাবদিহি চেয়েছে। ফলে রাজ্যপাল, সচিব এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী, এই ত্র‌্যহস্পর্শে নির্বাচন হবে বোঝাই যাচ্ছে। এর চেয়ে সোজা করে বললেই হত, রাজ্য সরকার ব্যপারটাই আর রাখার দরকার নেই, ফালতু ঝামেলা। মাথার উপর চন্দ্র-সূর্য আছে, দিল্লিতে উনিজি, বঙ্গে সুবাদার রাজ্যপাল, ঢাকের বাঁয়া নির্যাতন কমিশন, আর দিল্লির কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওই দিয়েই চলে যাবে।

শুধু সরকার না, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরও বিশেষ দরকার নেই। কারণ ১ কোটি ২০ লক্ষ তো এমনিই ঝুলে। অর্ধেক বাদ, অর্ধেক লাইন দিয়েও 'বিচারাধীন', তার মধ্যেই নির্বাচন ঘোষণা হয়ে গেল। এতদিন পর্যন্ত নির্বাচকরা শাসক নির্বাচন করতেন, পৃথিবীর ইতিহাসে বোধহয় এই প্রথম সরকারের ঢাকের-বাঁয়ারা ঠিক করে দিচ্ছে কারা তাদের নির্বাচন করবে। এটা যে কী হচ্ছে, সে ভাষায় প্রকাশ করা মুশকিল।কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আপাতত ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ভোটার। ২০২৪ এ ছিল ৭ কোটি ৬০ লক্ষ। ২০২১ এ ছিল ৭ কোটি। ২০১৬তে ছিল ৬ কোটি ৫৫ লক্ষ। অর্থাৎ, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার সংখ্যা কমে গেছে।

২০১৬কে আদৌ টপকানো যাবে কিনা, সেটা নির্ভর করছে আরেক কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা, আদালতের হাতে। সে হিসেবও অতি চমৎকার। এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষ বিচারাধীনের নাকি নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। কী হয়েছে কেউ জানেনা। বাকি অন্তত ৫০ লক্ষ। বিচারবিভাগীয় আধিকারিক মোটামুটি ৭০০ জন। প্রত্যেকের ঘাড়ে তাহলে রইল ৭ হাজার কেস। হাতে সময় ২১ দিন। ছুটিছাটা সব বাদ দিয়ে দিলেও দিনে ৩৩৩ টা কেস। গড়ে ৮ ঘন্টা কাজ হবে ধরলে ঘন্টায় ৪১টা। এক-একটি কেসের জন্য দেড় মিনিট করে বরাদ্দ। সহজ অঙ্কের হিসেব। এতে করে কী 'বিবেচনা' হবে, তাও অর্ধেক অবাঙালি লোক নিয়ে, সে নিজেরাই ভাবুন। এরপরে আছে অ্যাপিল, ট্রাইবুনাল, মান্যবর উকিলদের সেবার জন্য পয়সা খরচ। সে কবে হবে কেউ জানেনা।

সব মিলিয়ে যা দাঁড়াল, রাজ্যের নির্বাচক দরকার নেই, সরকার দরকার নেই। শাসনটা রাজ্যপাল, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই চলে যাবে। আর শাসিত হিসেবে নির্ঘাত আনা হবে গোবলয়ের অনুগত প্রজাদের। এতে লাভ দুটো। হিন্দুস্তানের আগ্রাসন পাকাপোক্ত হবে। আর সামনেই আসছে ডিলিমিটেশন। পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা কমে গেলে আসন কমবে। গোবলয়ের আধিপত্যের বন্দোবস্তো চিরস্থায়ী হবে।

রাজাকারদের কথা ছেড়ে দিন, তারা এই বাজারেও কেউ সোজা বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন, কেউ ঘুরিয়ে সেটিং এর ঢাক বাজাচ্ছেন। কিন্তু বাদবাকি যারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছেন, ঘুমোবেন না। যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাটাই ধ্বংসের মুখে কিন্তু। তৃণমূল-সিপিএমের চেয়ে অনেক বড় সেটা। এরা কতদূর যেতে পারে, সে নিয়ে কোনো ধারণা থাকলে এই সুনামির মধ্যে কেউ মনের আনন্দে নিদ্রা দিতে পারেনা।

Address

Howrah
711201

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bally. কাগজ কলম কালি , তিন নিয়ে বালি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bally. কাগজ কলম কালি , তিন নিয়ে বালি:

Share