25/06/2026
🔴 বিবাহিত যুবকের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্ক, রহস্যজনক মৃত্যু তরুণী নেত্রীর, ভিন্ন ধর্মের ছেলে খুনে করেছে বলে অভিযোগ পরিবারের....
গুজরাতের জেটপুর-নভাগড় মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে আম আদমি পার্টির (আপ) প্রার্থী ছিলেন ২৩ বছর বয়সী নন্দিনী বোসমিয়া। পেশায় তিনি একজন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ ছিলেন। গত ২৪ জুন ২০২৬, রাজকোটের গোন্ডাল চৌকাদি এলাকায় নিজের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, নন্দিনী দীর্ঘদিন ধরে আসলাম হুসেইন সামা নামে এক বিবাহিত যুবকের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। তবে এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে মানতে নারাজ নন্দিনীর পরিবার। বিশেষ করে তাঁর বাবা দাবি করেছেন, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত খুন।
পরিবারের অভিযোগ, অতীতেও নন্দিনী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। তাঁকে মারধর, ছুরি দিয়ে আক্রমণ, আর্থিক শোষণ এবং হয়রানির অভিযোগও সামনে এসেছে। এমনকি মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে নন্দিনী নিজের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে লিখেছিলেন, “বাবা, আমি জীবনের লড়াইয়ে হেরে গেছি।”
প্রথমদিকে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা হিসেবে দেখলেও, বর্তমানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে আসলাম ও তাঁর কয়েকজন বন্ধুকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে তদন্ত এখনও চলমান।
যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে এটি খুন, তাহলে আইনের আওতায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হলেও, কোনো ঘটনার তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই ধর্ম বা সম্প্রদায়ভিত্তিক সাধারণীকরণ করা উচিত নয়। সম্পর্ক যেকোনো ধর্ম বা সম্প্রদায়ের মধ্যেই হতে পারে, এবং নির্যাতন বা সহিংসতার ঘটনাও সব ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতন, মানসিক চাপ, আর্থিক শোষণ, লুকোচুরি বা প্রতারণার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনে দ্রুত সাহায্য চাওয়া অত্যন্ত জরুরি।