23/08/2024
বন্ধুরা আজ কাল সামাজিক মাধ্যম খুললেই বাংলাদেশী দের ভারত কে আক্রমণ করে নানা রকম অসন্মান জনক পোস্ট দেখতে পাচ্ছি যার কারণ হিসাবে তারা সম্প্রতি বন্যার কারণ হিসাবে মত তৈরি করেছে যে ভারত ইচ্ছাকৃত ভাবে জল ছেড়ে তাদের ক্ষতি করেছে , তাই তাদের পোস্ট গুলোতে ভিত্তিহীন কমেন্ট না করে সত্যি টা জানুন এবং তাদের যথাযত উত্তর দিন।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যা যেটি ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশ সীমান্তে ভয়ানক ক্ষতি সাধন করেছে, তার জন্য বাংলাদেশী সামাজিক মাধ্যমে সম্পূর্ণ ভারত কে দায়ী করা হচ্ছে তার সাথে চরমতম ভারত বিদ্বেষ দেখা যাচ্ছে, এমন কি আমাদের দেশের মিডিয়া zee ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত ত্রিপুরা এর দুমবুর বাঁধ কেই দায়ী করেছে, কিন্তু বিশেষজ্ঞ দের মতে সত্যি টা হলো ত্রিপুরার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত গোমতী নদী যেটি পরবর্তীতে বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, এই নদী টি বাংলাদেশ সীমান্তের থেকে 120 কিমি দূরে ত্রিপুরায় দুম বুর বাঁধটি 94 মিটার উচ্চতায় ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, প্রবল বৃষ্টির ফলে এই বাঁধ উপচে পড়ে জল নিম্নগামী হয়, এখানে মনে রাখতে হবে এই ড্যাম টি এই নদীর মাত্র 20% জল ধারণ করে, এই সময় জলস্তর পরিমাপ করে অমরপুর ওয়াটার লেভেল চেকিং সেন্টার থেকে বাংলাদেশ কে সংকট এর কথা জানানো হয়, তাছাড়া ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয় আগেই, এখন স্যাটেলাইট এর যুগ আগে থেকেই সব জানা যায়, এক্ষেত্রে বলে রাখি তাদের বঙ্গবন্ধু নামে স্যাটেলাইট আছে।
ত্রিপুরা তে স্থান বিশেষে রেড এবং অরেঞ্জ সংকেত জারি করা হয়, সেখানে বাংলাদেশ সব জেনেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, বরং বহু রকম ভারত বিরোধী গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে ওই ড্যামের জল ফ্যেনি তে বন্যার কারণ, কিন্তু আসলে ঐ জল ফেনী তে যায় না , যায় কুমিল্লা তে,
শেষে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্ঠা মোহাম্মদ ইউনুস ভারতের হাই কমিশনার প্রণব ভার্মার কাছে তাদের সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য সম্পর্কে দুঃখ প্রকাশ করেন।