Opinion আড্ডা

Opinion আড্ডা কিছু গল্প পড়ার জন্য নয়, অনুভব করার জন্য।

একটা ছেলে একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসতো, মেয়েটা খুব সুন্দরী ছিল না কিন্তু ঐ ছেলেটির জন্য মেয়েটিই ছিল সব।ছেলেটি স্বপ্ন দেখ...
20/03/2026

একটা ছেলে একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসতো, মেয়েটা খুব সুন্দরী ছিল না কিন্তু ঐ ছেলেটির জন্য মেয়েটিই ছিল সব।ছেলেটি স্বপ্ন দেখতো মেয়েটির সাথে তার বাকি জীবন কাটানোর। তার বন্ধুরা একদিন তাকে বললো, “তুমি যে মেয়েটিকে এত ভালবাস, কখনো কি তাকে বলেছ? মেয়েটি তো জানেও না যে তুমি তাকে নিয়ে এত স্বপ্ন দেখ। প্রথমে তাকে সবকিছু বল, তারপর তার কাছ থেকে শুন যে সেও তোমাকে ভালবাসে কিনা”।

ছেলেটি ঠিক করলো, সে মেয়েটিকে তার ভালবাসার কথা জানাবে। মেয়েটি শুরু থেকেই জানতো যে ছেলেটি তাকে ভালবাসে। যখন ছেলেটি মেয়েটিকে প্রপোজ করল, তখন মেয়েটি না করে দিল। ছেলেটির বন্ধুরা ভাবলো ছেলেটি এবার হয়তো ড্রাগ, অ্যালকোহল নেয়া শুরু করবে এবং নিজের জীবনটাকে ধ্বংস করবে। কিন্তু তারা অবাক হল যখন ছেলেটি এসবের কিছুই করল না।

ছেলেটি বললো, “আমার কেন খারাপ লাগবে? আমি এমন একজনকে হারিয়েছি যে কখনোই আমাকে ভালবাসেনি আর সে এমন একজনকে হারিয়েছে যে সত্যিই তাকে অনেক ভালবাসতো”।

মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার তারসেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন,'আমার মৃত্যুরপর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।আমার প্রথম...
19/03/2026

মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার তার

সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন,'আমার মৃত্যুর

পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে।

আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে,শুধু আমার

চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন করবেন।

আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছে, আমার কফিন যে পথ

দিয়ে গোরস্থানে যাবে সেই পথে আমার

অর্জিত সোনা ও রুপা ছড়িয়ে থাকবে |

আর শেষ অভিপ্রায় হচ্ছে, কফিন বহনের সময়

আমার দুইহাত কফিনের

বাইরে ঝুলে থাকবে।'

তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র

অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন। দীর্ঘ

শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন,

'আমি দুনিয়ার

সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।

*আমার চিকিৎসকদের কফিন বহন করতে এই

কারনে বলেছি যে যাতে লোকে অনুধাবন

করতে পারে যে চিকিৎসকেরা কোন

মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারে না।

তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর

থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।'

*'গোরস্হানের পথে সোনা-

দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য যে

সোনা-দানার একটা কণাও আমার

সঙ্গে যাবে না।এগুলো পাওয়ার

জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি কিন্তু নিজের

সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না।মানুষ

বুঝুক এসবের পেছনে ছোটা সময়ের অপচয়।'

* 'কফিনের বাইরে আমার হাত

ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা জানাতে

খালি হাতেই পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি. . . .


Story - Collected
Image courtesy - Ai generated

সেদিন বিকেলে রাস্তার মোড়ে, একটা ছোট্ট চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলাম। চারপাশে মানুষের ভিড়, কেউ ব্যস্ত, কেউ ফোনে কথা বল...
14/03/2026

সেদিন বিকেলে রাস্তার মোড়ে, একটা ছোট্ট চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলাম। চারপাশে মানুষের ভিড়, কেউ ব্যস্ত, কেউ ফোনে কথা বলছে, কেউ আবার চুপচাপ বসে আছে।

চা খেতে খেতে হঠাৎ সামনে একটা ছোট্ট ঘটনা চোখে পড়লো।

একজন বয়স্ক ভদ্রলোক ধীরে ধীরে হেঁটে এসে চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়ালেন। বয়স মোটামুটি ৭৫ তো হবে , পরনে একটা কলার লাগানো গেঞ্জি আর লুঙ্গি। রূক্ষ রোদেপোড়া চুল আর ধুলোবালি লাগানো হাত, পা। হাতে একটা পুরনো ব্যাগ ছিলো মুখে ক্লান্তির ছাপ। তিনি একটু ইতস্তত করে দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলেন—

“এক কাপ চা কত?”

দোকানদার দামটা বলতেই (৪ টাকা)ভদ্রলোক পকেট থেকে কয়েন বের করে গুনতে লাগলেন। কয়েকটা কয়েন গুনে আবার থেমে গেলেন। তারপর খুব আস্তে করে বললেন—

“থাক… দরকার নেই।”

কথাটা বলেই তিনি ধীরে ধীরে চলে যেতে লাগলেন।

আমি তখন সবটা চুপ করে দেখছিলাম। মনে হচ্ছিল কিছু একটা বলি, কিন্তু তার আগেই চায়ের দোকানদার হঠাৎ তাকে ডাক দিল—

“কাকা, এই নিন আপনার চা।”

ভদ্রলোক অবাক হয়ে ফিরে বললেন—
“কিন্তু আমি তো চা চাইনি!”

দোকানদার হেসে বললো—
“আজ আমার তরফ থেকে। অনেকদিন পরে আপনাকে দেখলাম।”

ভদ্রলোক কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন। তারপর ধীরে ধীরে চায়ের কাপটা হাতে নিলেন। ওই দৃশ্যটা হয়তো বর্ণনা করা সম্ভব না , তবুও বলছি - তার চোখে তখন একটা অদ্ভুত শান্তি আর কৃতজ্ঞতা ছিল।
আমার খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছিলো লোকটা কি করে?
...ইতস্তত বোধ হচ্ছিলো তবুও দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করলাম লোকটা কি করে জানেন দাদা?
দোকানদার বললো - "এই তো সামনের বাজারের পাশে বাড়ির চাষ করা কিছু শাকসবজি নিয়ে বসে। যা উপার্জন করে বেশিরভাগটাই ওনার গিন্নির ঔষুধ কিনতেই চলে যায়। তাই ওনার এমন পরিস্থিতি। আমি মাঝে মাঝে কাকাকে মাত্র একটা চা ছাড়া আর কিছুই দিতে পারি না । আমারও তো ব্যাবসা তাই যেটুকু পারি দিই ।"

আমি তখন বুঝতে পারলাম—
এই পৃথিবীতে এখনও এমন মানুষ আছে, যারা কোনো বড় কিছু না করেও অন্য কারও মুখে একটু হাসি এনে দিতে পারে।

সেদিন বাড়ি ফেরার পথে একটা কথা বারবার মনে হচ্ছিল— আমাদের দেশে যেখানে বড়ো বড়ো রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, ফুডকোট এ মানুষ শত শত পয়সা কয়েক ঘন্টাতেই ব্যয় করে ফেলে সেখানে এই মানুষগুলো ৪ টা টাকা খরচ করতে গেলেও দুইবার ভাবে।

আমরা অনেক সময় ভাবি বড় কিছু করলেই মানুষ হওয়া যায়।
কিন্তু আসলে মানুষের প্রতি ছোট ছোট দয়া আর সহানুভূতিই মানুষকে সত্যিকারের বড় করে তোলে।
সত্যিই আমার এই পোস্টটা শুধুমাত্র ওই চাওয়ালা দাদার জন্য। 🙌🏻
Image courtesy - AI generated
লেখক - নিজস্ব লেখা

13/03/2026

Even the sun is alone
But it still shines.

.......সেদিন আমি একটা চাকরির পরীক্ষা দিয়ে ফিরছিলাম। ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনে পৌঁছে দেখি এখনও বেশ খানিকটা সময় বাকি। প্ল্...
13/03/2026

.......সেদিন আমি একটা চাকরির পরীক্ষা দিয়ে ফিরছিলাম। ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনে পৌঁছে দেখি এখনও বেশ খানিকটা সময় বাকি। প্ল্যাটফর্মটাও বেশ নিস্তব্ধ, হাতে গোনা কয়েকজন আছে। হঠাৎ মনে হলো—এক কাপ চা খেলে মন্দ হয় না।

স্টেশনের পাশের একটা ছোট্ট চায়ের দোকানে গিয়ে চা নিয়ে বেঞ্চে বসে পড়লাম। হাতে সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োও নেই। চারপাশের মানুষজনকে দেখছিলাম, নিজের পরীক্ষার কথাও ভাবছিলাম।

ঠিক তখনই পাশে একটা ছোট্ট দৃশ্য চোখে পড়লো।

বছর নয়েকের একটা বাচ্চা ছেলে একটা বই নিয়ে বসে পড়ছে। মনে হলো ইংরেজি পড়ছে। কিন্তু একটা শব্দে এসে বারবার আটকে যাচ্ছে। শব্দটা উচ্চারণ করতে গিয়ে কপাল কুঁচকে যাচ্ছে, আবার চেষ্টা করছে, আবার ভুল হচ্ছে।

আমি ভাবলাম, একটু সাহায্য করি। বলতেই যাচ্ছিলাম, এমন সময় চায়ের দোকানের লোকটা নিজেই হেসে বলল—
“ওটা এভাবে পড়তে হয় বাবা…”

ছেলেটা আবার শব্দটা পড়ার চেষ্টা করলো। এবার ঠিক হলো।

আমি একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম,
“আপনার ছেলে?”

লোকটা মৃদু হেসে বলল—
“হ্যাঁ স্যার, আমারই ছেলে। টিউশন দিতে পারিনি, তাই উচ্চারণটা এখনও ঠিকমতো শেখেনি। দোকানের ফাঁকে ফাঁকে আমি যতটা পারি শেখাই।”

কথাটা শুনে অজান্তেই চুপ হয়ে গেলাম। চা শেষ হলেও উঠতে ইচ্ছে করছিল না। যেহেতু ট্রেনের এখনও সময় আছে, তাই লোকটার সাথে গল্প জুড়ে দিলাম।

কথা বলতে বলতে জানলাম— লোকটা আসলে গ্রাজুয়েট পাশ। বহু বছর ধরে চাকরির পরীক্ষা দিয়েছে। একটার পর একটা চেষ্টা করেছে। কিন্তু কোথাও সফল হতে পারেনি। শেষে সংসার চালানোর জন্য এই ছোট্ট চায়ের দোকানটাই খুলতে হয়েছে।

লোকটা খুব শান্ত গলায় বলল—
“চেষ্টা আমি কম করিনি স্যার। কিন্তু সব চেষ্টা যে সফল হবে, এমনও তো নয়। তাই ভাবলাম, যেটা আছে সেটাকে নিয়েই এগোই। এখন আমার স্বপ্ন— আমার ছেলে যেন ভালো পড়াশোনা করে।”

আমি তখন ছেলেটার দিকে তাকালাম। সে আবার বই খুলে পড়ছে। এবার আর থামছে না।

সেদিন ট্রেনে বসে বাড়ি ফিরতে ফিরতে একটা জিনিস খুব গভীরভাবে মনে হলো—

আমরা জীবনে শুধু সফল মানুষের গল্পই বেশি শুনি। কিন্তু এই সাধারণ মানুষগুলোর নীরব লড়াইয়ের গল্পগুলোই আসলে সবচেয়ে বড়।

সেদিন বুঝলাম—
জীবনে চেষ্টা করলেই সব সময় সবকিছু পাওয়া যায় না। কিন্তু চেষ্টা মানুষকে ছোট করে না, বরং মানুষকে আরও বড় করে দেয়।
হয়তো কিছু স্বপ্ন নিজের জীবনে পূরণ হয় না, কিন্তু সেই স্বপ্নই একদিন নিজের সন্তানের জীবনে আলো হয়ে ফিরে আসে।

Moral of the story:❤️‍🩹
জীবনে সবাই জেতে না, কিন্তু যে মানুষ হেরে গিয়েও স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে না— আসল নায়ক সে-ই।
📷 Image Courtesy: AI Generated

Address

Kolkata
700014

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Opinion আড্ডা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share