Digital Marketing enthusiast

  • Home
  • Digital Marketing enthusiast

Digital Marketing enthusiast Welcome to the new Marketing era ....

হলিস্টিক মার্কেটিংপ্যাটাগোনিয়া একটা জনপ্রিয় আউটডোর পোশাক ও গিয়ার ব্র্যান্ড, যারা টেকসই পণ্য আর পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের জন্...
21/03/2025

হলিস্টিক মার্কেটিং

প্যাটাগোনিয়া একটা জনপ্রিয় আউটডোর পোশাক ও গিয়ার ব্র্যান্ড, যারা টেকসই পণ্য আর পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের জন্য পরিচিত।

২০১১ সালে তারা "Don't Buy This Jacket" নামে একটা বিতর্কিত ক্যাম্পেইন চালায়। ব্ল্যাক ফ্রাইডের সময় দেওয়া এই বিজ্ঞাপনে তারা মানুষকে নতুন কিছু কেনার আগে দুইবার ভাবতে বলে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সবাইকে টেকসই জীবনযাত্রায় উৎসাহিত করা—যাতে মানুষ নতুন করে কেনার বদলে পুরোনো জিনিস মেরামত করে ব্যবহার করে।

প্যাটাগোনিয়ার এই হলিস্টিক মার্কেটিং (Holistic Marketing) প্রচারণার ফলাফল অবাক করার মত। প্রচারণার পর বিক্রি কমার বদলে উল্টা বেড়ে যায়!

ক্রেতারা বুঝতে পারে, প্যাটাগোনিয়া শুধু ব্যবসার জন্য কাজ করে না, বরং বাস্তবেই টেকসই উন্নয়নের পক্ষে। এ থেকে বোঝা যায়, হলিস্টিক মার্কেটিং শুধু বিজ্ঞাপন বা প্রচারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

হলিস্টিক মার্কেটিং হল এমন একটি মার্কেটিং পদ্ধতি, যেখানে ব্যবসার সব দিক—ব্র্যান্ড ইমেজ, গ্রাহক সম্পর্ক, সামাজিক দায়বদ্ধতা, অভ্যন্তরীণ টিমওয়ার্ক এবং বাজার কৌশল—একসঙ্গে যুক্ত থাকে।

এটি শুধু বিজ্ঞাপন বা বিক্রয়ের কৌশল নয়, বরং পুরো ব্যবসাকে সমন্বিতভাবে পরিচালনার ধারণা। মূল লক্ষ্য হলো দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য ও গ্রাহকদের আস্থা তৈরি, যাতে কোম্পানি শুধু পণ্য বিক্রি না করে, বরং সমাজ ও পরিবেশের প্রতিও দায়বদ্ধ থাকে।

হলিস্টিক মার্কেটিং মূলত ৫টি প্রধান উপাদানের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যা একসঙ্গে ব্যবসার সামগ্রিক সাফল্য নিশ্চিত করে।

১. রিলেশনশিপ মার্কেটিং

রিলেশনশিপ মার্কেটিং (Relationship Marketing) মানে হল গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলা। যাতে তারা শুধু একবার না, বার বার ব্র্যান্ডের পণ্য বা পরিষেবা ব্যবহার করেন।

যেমন, একজন ব্যাংক গ্রাহক যদি নিয়মিত লেনদেন করেন, তাহলে ব্যাংক তাকে বিশেষ সুবিধা দিতে পারে। এর মধ্যে থাকতে পারে লোনে কম ইন্টারেস্ট রেট বা ফ্রি ক্রেডিট কার্ড। এসব অফার গ্রাহককে দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে উৎসাহিত করে।

২. ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং

ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং (Integrated Marketing) মানে সব মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম ও কৌশলকে সুসংগঠিতভাবে ব্যবহার করা। এতে ব্র্যান্ডের বার্তা সব চ্যানেলে একই থাকে। ফলে গ্রাহক বিভ্রান্ত হন না।

যেমন, কোকা-কোলা যখন নতুন ক্যাম্পেইন চালায়, তখন টিভি, সোশ্যাল মিডিয়া, বিলবোর্ড ও ওয়েবসাইট—সব জায়গায় একই টোন ও বার্তা ব্যবহার করা হয়। এতে গ্রাহকের মনে একটি সুসংহত ইমেজ তৈরি হয়।

৩. ইন্টারনাল মার্কেটিং

ইন্টারনাল মার্কেটিং (Internal Marketing) মূলত কোম্পানির কর্মীদের জন্য, যাতে তারা ব্র্যান্ডের লক্ষ্য, মিশন ও ভ্যালুজ বুঝতে পারেন এবং সেভাবেই কাজ করেন। একজন কর্মচারী যদি ব্র্যান্ডের প্রতি বিশ্বস্ত থাকেন, তবে সেটার প্রভাব গ্রাহকদের উপরও পড়ে।

৪. পারফরম্যান্স মার্কেটিং

পারফরম্যান্স মার্কেটিং (Performance Marketing) এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি মার্কেটিং কার্যক্রমের ফলাফল পরিমাপ করা হয়। বিজ্ঞাপন, ক্যাম্পেইন বা অন্যান্য প্রচারণা থেকে কতজন গ্রাহক আসছে এবং কী পরিমাণ বিক্রি হচ্ছে—এসব বিশ্লেষণ করা হয়। এতে ব্যবসা কার্যকর কৌশল নির্ধারণ করতে পারে এবং অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়ানো যায়।

৫. সোসাইটাল মার্কেটিং

সোসাইটাল মার্কেটিং (Societal Marketing) শুধু ব্যবসার মুনাফার দিকে নয়, সমাজ ও পরিবেশের কল্যাণের দিকেও নজর দেয়। এটি এমন কৌশল, যেখানে কোম্পানিগুলি সামাজিক দায়িত্ব (CSR) পালন করে এবং টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। এতে ব্র্যান্ডের ভাবমূর্তি উন্নত হয় এবং গ্রাহকদের আস্থা বাড়ে। যেমন, পেপসি এবং কোকা-কোলা প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে পরিবেশবান্ধব বোতল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।

# হলিস্টিক মার্কেটিং-এর বিবর্তন

হলিস্টিক মার্কেটিং-এর ধারণা আধুনিক মার্কেটিংয়ের বিবর্তনের অংশ হিসাবে এসেছে। এর ইতিহাস মূলত মার্কেটিংয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের পরিবর্তনের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে।

১. উৎপাদন-ভিত্তিক যুগ (Production-Oriented Era) – ১৯০০-এর দশকের শুরু

প্রথমদিকে, ব্যবসাগুলি মূলত উৎপাদন বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিত। বাজারে প্রতিযোগিতা কম থাকায়, যারা বেশি পণ্য উৎপাদন করতে পারত, তারাই সফল হত। মার্কেটিং তখন খুব একটা গুরুত্ব পেত না, কারণ পণ্যের চাহিদা নিজ থেকেই ছিল।

যেমন. হেনরি ফোর্ড যখন তার বিখ্যাত Model T গাড়ির উৎপাদন শুরু করেন, তখন তিনি মূলত ব্যবসার উৎপাদন-ভিত্তিক দর্শন অনুসরণ করছিলেন। তার উক্তি—"Any customer can have a car painted any color that he wants so long as it is black."—এই দর্শনেরই প্রতিফলন।

এই নীতির পেছনে মূল কারণ ছিল কারখানার উৎপাদন খরচ কমানো এবং দ্রুত উৎপাদন নিশ্চিত করা। ফোর্ড বুঝতে পেরেছিলেন যে, যদি তিনি নির্দিষ্ট একটি রঙেই (কালো) গাড়ি তৈরি করেন, তাহলে উৎপাদন প্রক্রিয়াটি সহজ হবে, কম খরচ হবে এবং বেশি গাড়ি বানানো সম্ভব হবে। কারণ কালো রঙ দ্রুত শুকিয়ে যেত এবং এটি অন্যান্য রঙের তুলনায় সস্তা ও টেকসই ছিল।

২. বিক্রয়-ভিত্তিক যুগ (Sales-Oriented Era) – ১৯২০-১৯৫০

প্রতিযোগিতা বাড়ার ফলে কোম্পানিগুলি সতর্ক হয় যে শুধু উৎপাদন করলেই হবে না, পণ্য বিক্রির জন্য প্রচার ও বিক্রয় কৌশল দরকার। ফলে বিজ্ঞাপন, সরাসরি বিক্রয় প্রচারণা (Direct Sales) এবং ব্র্যান্ডিং গুরুত্ব পেতে শুরু করে।

এই সময়ে রেডিও এবং টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন প্রচলিত হয়, যা কোম্পানিগুলিকে ব্যাপকভাবে বাজার ধরতে সাহায্য করে।

৩. মার্কেটিং কনসেপ্ট যুগ (Marketing Concept Era) – ১৯৫০-১৯৮০

এই সময়ে ব্যবসাগুলি বুঝতে পারে, শুধু বিক্রয় করাই মূল লক্ষ্য নয়, বরং গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ফলে গ্রাহকের চাহিদা বোঝা এবং তার ওপর ভিত্তি করে পণ্য ও পরিষেবা তৈরি করার প্রবণতা বাড়ে।

ম্যাকডোনাল্ডস, কোকা-কোলা, এবং নেস্টলের মত ব্র্যান্ডগুলি গ্রাহকের পছন্দ ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে নতুন পণ্য এবং কাস্টমাইজড পরিষেবা আনতে শুরু করে এই সময়।

৪. সম্পর্ক-ভিত্তিক মার্কেটিং (Relationship Marketing) – ১৯৮০-২০০০

এই যুগে কোম্পানিগুলির জন্য নতুন গ্রাহক পাওয়ার চেয়ে বিদ্যমান গ্রাহকদের ধরে রাখা বেশি জরুরি। ফলে গ্রাহকের সাথে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

যেমন, এই সময়ে ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলি পুরনো গ্রাহকদের জন্য লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু করে। কফি ব্র্যান্ড Starbucks কাস্টমার লয়্যালটির জন্য "Starbucks Rewards" প্রোগ্রাম চালু করে।

৫. হলিস্টিক মার্কেটিং যুগ (Holistic Marketing Era) – ২০০০-বর্তমান

২০০০ সালের পর থেকে ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের বিকাশের ফলে ব্যবসাগুলির মার্কেটিং কৌশলে বড় পরিবর্তন আসে। কোম্পানিগুলি বুঝতে পারে, শুধু গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলাই যথেষ্ট নয়, বরং ব্যবসার প্রতিটি অংশকে সংযুক্ত করা জরুরি। ফলে হলিস্টিক মার্কেটিং কনসেপ্ট জনপ্রিয় হয়। যেখানে ব্যবসার অভ্যন্তরীণ, বহিরাগত এবং সামাজিক দিকগুলিকেও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

Apple তাদের পণ্য ডিজাইন, কর্মচারী ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ চেইন এবং গ্রাহক অভিজ্ঞতা—সবকিছুকে একসঙ্গে মিলিয়ে কাজ করে, যা হলিস্টিক মার্কেটিংয়ের অন্যতম উদাহরণ। আবার Nike শুধু তাদের প্রডাক্ট বিক্রির দিকে না দেখে ব্র্যান্ড কমিউনিটি তৈরি করেছে, যেখানে গ্রাহকরা Nike-এর সাথে যুক্ত থাকতে আগ্রহী হয়।

# হলিস্টিক মার্কেটিং-এর বর্তমান প্রবণতা (২০২৫ সালের প্রেক্ষাপটে)

বর্তমানে হলিস্টিক মার্কেটিং আগের চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ গ্রাহকদের চাহিদা, প্রযুক্তির উন্নতি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ওপর ব্যবসার ভূমিকা আগের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাব ফেলছে। ব্র্যান্ডগুলির জন্য শুধু প্রডাক্ট বিক্রি করাই যথেষ্ট নয়, বরং তারা কীভাবে গ্রাহকদের সাথে সংযুক্ত হচ্ছে, কর্মচারীদের অনুপ্রাণিত করছে, সামাজিক ও পরিবেশগত ইস্যুতে অবদান রাখছে—এই সবকিছুর ওপর ব্যবসার সফলতা নির্ভর করছে।

১. ডিজিটাল এবং পার্সোনালাইজড মার্কেটিং

আজকের যুগে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আধিপত্য রয়েছে, যেখানে কাস্টমারদের জন্য কনটেন্ট ও বিজ্ঞাপনকে ব্যক্তিগতকৃত (Personalized) করা হচ্ছে। AI এবং ডাটা অ্যানালিটিক্সের সাহায্যে কোম্পানিগুলি গ্রাহকদের পছন্দ-অপছন্দ অনুযায়ী মার্কেটিং কৌশল নির্ধারণ করছে।

Netflix ও Amazon কাস্টমারদের আগের দেখার/কেনার ইতিহাস বিশ্লেষণ করে তাদের জন্য কাস্টমাইজড রেকমেন্ডেশন দেয়। Google এবং Facebook-এর বিজ্ঞাপন অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং হ্যাবিট অনুযায়ী কনটেন্ট সাজেস্ট করে।

২. সোশ্যাল মিডিয়া এবং কমিউনিটি বিল্ডিং

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ব্র্যান্ড এবং গ্রাহকদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ব্র্যান্ডগুলি এখন শুধুমাত্র পণ্য বিক্রি করছে না, বরং গ্রাহকদের সাথে আবেগপূর্ণ সংযোগ স্থাপন করছে।

যেমন, Nike শুধুমাত্র স্পোর্টস গিয়ার বিক্রি করে না, বরং সোশ্যাল মিডিয়ায় "Just Do It" ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ফিটনেস কমিউনিটি গড়ে তুলেছে। Tesla তাদের CEO ইলন মাস্কের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি গ্রাহকদের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং কাস্টমার ফিডব্যাককে গুরুত্ব দেয়।

৩. কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স (CX) উন্নত করা

বর্তমানে শুধু ভাল প্রডাক্ট থাকলেই হয় না, বরং গ্রাহকরা যেকোনো ব্র্যান্ডের সাথে কী ধরনের অভিজ্ঞতা পাচ্ছেন, সেটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য AI চ্যাটবট, ২৪/৭ কাস্টমার সার্ভিস, এবং স্মার্ট ইউজার ইন্টারফেসের ব্যবহার বেড়েছে।

Apple Store-এ কাস্টমারদের জন্য ইন্টারেক্টিভ এক্সপেরিয়েন্স তৈরি করা হয়েছে, যাতে তারা পণ্য ব্যবহারের আগে সেটার সাথে পরিচিত হতে পারেন। Amazon-এর "One-Click Purchase" ও ফাস্ট ডেলিভারি সিস্টেম গ্রাহকের জন্য কেনাকাটাকে সহজ করে তুলেছে।

৪. কর্মচারীদের সন্তুষ্টি এবং ইন্টারনাল মার্কেটিং

কোনো প্রতিষ্ঠান যদি তাদের কর্মচারীদের খুশি ও অনুপ্রাণিত রাখতে পারে, তাহলে তারা আরও ভাল গ্রাহক পরিষেবা দিতে পারে। এজন্য আজকের কোম্পানিগুলি কর্মীদের জন্য ভাল ওয়ার্ক এনভায়রনমেন্ট তৈরি করছে, ফ্লেক্সিবল ওয়ার্কিং অপশন দিচ্ছে, এবং মানসিক স্বাস্থ্য ও কল্যাণের দিকে নজর দিচ্ছে।

Google তাদের কর্মীদের জন্য ফ্রি ফুড, ফিটনেস সুবিধা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সহায়তা প্রদান করে। Microsoft কর্মীদের জন্য "Work-Life Balance" পলিসি নিয়ে এসেছে, যাতে তারা দূর থেকে কাজ (remote work) করার সুযোগ পান।

৫. পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR ও Sustainability)

বর্তমানে গ্রাহকরা শুধু ব্র্যান্ডের পণ্য বা পরিষেবা দেখেন না, তারা চায় কোম্পানি সামাজিক ও পরিবেশগত দায়বদ্ধতা পালন করুক। এজন্য কোম্পানিগুলি কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানো, পরিবেশবান্ধব প্রডাক্ট তৈরি করা, এবং সামাজিক ইস্যুতে অবদান রাখার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

যেমন, Patagonia তাদের পোশাক তৈরিতে পুনর্ব্যবহৃত উপাদান ব্যবহার করছে এবং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। Tesla সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন করছে, যা কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসাবে কাজ করছে। Unilever প্লাস্টিক বর্জ্য কমানোর জন্য পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং ব্যবহার করছে।

# হলিস্টিক মার্কেটিং এর চ্যালেঞ্জ আর ভবিষ্যৎ

হলিস্টিক মার্কেটিং যতই কার্যকর হোক, কিছু বড় চ্যালেঞ্জ থাকছেই। এখন গ্রাহকদের জন্য পার্সোনালাইজড বিজ্ঞাপন বানাতে কোম্পানিগুলি প্রচুর ডাটা সংগ্রহ করে, যা প্রাইভেসি লঙ্ঘনের ঝুঁকি বাড়ায়।

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে যেকোনো ব্র্যান্ড খুব সহজেই নেতিবাচক প্রচার বা "Cancel Culture" এর শিকার হতে পারে, যা তাদের ইমেজের জন্য বড় বিপদ। অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেদের পরিবেশবান্ধব বলে প্রচার করলেও বাস্তবে তারা খুব একটা কার্যকর কিছু করে না। এটা "Greenwashing" নামে পরিচিত, যা গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করতে পারে।

হলিস্টিক মার্কেটিং ভবিষ্যতে আরও নতুন নতুন রূপ নেবে। AI আর মেটাভার্স মার্কেটিং জনপ্রিয় হয়ে উঠবে, যেখানে ভার্চুয়াল রিয়ালিটির মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে আরও ইন্টারঅ্যাকটিভ সম্পর্ক তৈরি হবে। ব্লকচেইন টেকনোলজি ব্যবহার করে কোম্পানিগুলি গ্রাহকদের ডাটা সুরক্ষিত রাখতে পারবে আর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে। ভবিষ্যতে হলিস্টিক মার্কেটিং শুধু ব্যবসার লাভের দিকে তাকাবে না, বরং সামাজিক আর মানবিক ইস্যুতে অবদান রাখার দিকেও নজর দেবে। এতে গ্রাহকদের আস্থা আরও বাড়বে, আর ব্র্যান্ডগুলির সাফল্যও দীর্ঘমেয়াদি হবে।

#হলিস্টিক #মার্কেটিং #বিজনেস

Top link building tools for 2024:Backlink GapLink Building ToolHunterMentioned - Outreach WizardBuzzStreamBuzzSumoHelp a...
14/02/2024

Top link building tools for 2024:
Backlink Gap
Link Building Tool
Hunter
Mentioned - Outreach Wizard
BuzzStream
BuzzSumo
Help a Reporter Out
Help a B2B Writer
Raven Tools
Postaga
Pitchbox
Respona
Ontolo
Linkody
Media Monitoring
BacklinkGap

learn more ⬇️
https://social.semrush.com/3url76F.

We‘ve compiled the 16 best link building tools of 2024 to help you build links more efficiently.

What Is Ad Trafficking?Ad trafficking is a process of setting up an ad campaign from a technical aspect. Which means Set...
06/09/2022

What Is Ad Trafficking?

Ad trafficking is a process of setting up an ad campaign from a technical aspect. Which means Setting up the campaign, tracking links, the creatives etc… It is usually performed using an ad server or an advertising platform. For example Ad Trafficking is used in DFA/DFP.

একজন ব্র্যান্ড প্র্যাক্টিশনার এর জন্য মার্কেট ট্রেন্ডটাকে নিয়মিত ফলো করাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ফলে একদিকে আপনি মার...
24/08/2022

একজন ব্র্যান্ড প্র্যাক্টিশনার এর জন্য মার্কেট ট্রেন্ডটাকে নিয়মিত ফলো করাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর ফলে একদিকে আপনি মার্কেটকে বুঝে সেভাবে প্ল্যান সাজাতে পারবেন, অন্যদিকে ভবিষ্যতের জন্য কোন স্কিল বা রিসোর্স ডেভেলপ করাটা জরুরী সেটাও আইডেন্টিফাই করতে পারবেন।

ঈদের লম্বা ছুটিতে আমি অন্যান্য বেশ কিছু কাজের সাথে বাংলাদেশে 2022 সালের Digital Marketing Trend নিয়ে কিছুটা রিসার্চ এবং এনালাইসিস করার চেষ্ট করছিলাম। চলুন আজকে 5 টি important ট্রেন্ড নিয়ে কিছু খোলামেলা আলোচনা করা যাক, আশা করি আপনার ক্যারিয়ার এবং বিজনেস দুই ক্ষেত্রেই এই আলোচনা অত্যন্ত হেল্পফুল হবে।

1. Facebook still rules, and Metaverse will rise

অনেকেই ধারণা করেছিলেন ফেইসবুক declining stage এর দিকে যাবে। কিন্তু ফ্যাক্ট হচ্ছে আগামী কয়েক বছরেও সবচেয়ে বড় সোশ্যাল মিডিয়া হিসেবে ফেইসবুকের কোন রিপ্লেসমেন্ট আসার সম্ভাবনা খুবই কম। বরং ফেইসবুক এখন প্রচুর ইনভেস্ট করছে Metaverse এর পিছনে। এই মেটাভার্স সামনের দিনে game-changer হবে বিজনেসগুলোর জন্য।

জানুয়ারী 2022 সালে বাংলাদেশে 49.55 million সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার ছিল, যা আমাদের টোটাল জনসংখ্যার 29.7%। এর মধ্যে ফেইসবুক ব্যবহারকারী 44.70 million, যার মধ্যে 31.6% নারী, এবং 68.4% পুরুষ।

যে কোন বিজনেস এর জন্যই ফেইসবুক (পড়ুন Meta) তাই সামনের দিনগুলোতেও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল মিডিয়া হিসেবেই থাকবে। কিন্তু ফেইসবুকের অর্গানিক রিচ, এলগরিদম, পলিসি এগুলোতে অনেক পরিবর্তন আসার কারণে আগের অনেক স্ট্র্যাটেজি এবং মেথডই এখন আর কাজ করে না। বিজনেসগুলোকে তাই আবার প্ল্যানিং বোর্ডে ফিরে যেতে হবে, স্ট্র্যাটেজি revamp করতে হবে। একজন ব্র্যান্ড প্র্যাক্টিশনার হিসেবে 2022 সালে আপনি ফেইসবুক এড এবং মার্কেটিং এর উপর এডভান্সড স্কিল তৈরিতে ফোকাস করতে পারেন।

2. Influencer marketing is the next big thing

বিশ্বজুড়েই মার্কেটাররা ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংকে তাদের মার্কেটিং এর অন্যতম পার্ট হিসেবে এডপ্ট করে নিচ্ছে। সেদিন Forbes ম্যাগাজিন এ একটা আর্টিকেলে পড়ছিলাম যে 2022 সালে ব্র্যান্ডগুলো $15 billion ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর পিছনে ইনভেস্ট করবে।

আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণ influencer marketing হলেও ইন্ডাস্ট্রি পুরোপুরি ম্যাচিউর হয়নি। সঠিক influencer selection, স্পেসিফিক গোল, কাজের কোয়ালিটি, প্রফেশনালিজম, রেজাল্ট এই জায়গাগুলোতে প্রচুর ঘাটতি রয়েছে এবং কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

Influencer marketing কে একটা শর্ট টার্ম ট্যাকটিক চিন্তা না করে লংটার্ম স্ট্র্যাটেজি হিসেবে চিন্তা করতে হবে। এজন্য বিচ্ছিন্ন ভাবে কাজ না করে সময় নিয়ে ইন্টারন্যাল পলিসি, প্রসেস, গাইডলাইন ডেভেলপ করতে হবে। Micro এবং Nano-Influencers সাথে কিভাবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একযোগে কাজ করে রেজাল্ট বের করে আনা যায় সেই ফর্মুলাটা রপ্ত করতে হবে। শুধুমাত্র awareness স্টেজে ইনফ্লুয়েন্সারদেরকে ব্যবহার না করে কিভাবে মার্কেটিং ফানেল এর অন্যান্য স্টেজগুলোতেও ইফেক্টিভলি ব্যবহার করা যায় সেটা শিখতে হবে।

3. Digital marketers are getting more strategic

বাংলাদেশে প্রথম প্রথম যখন ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল, তখন ডিজিটাল মার্কেটার এর সংখ্য ছিল অপ্রতুল। প্রাইমারী ফোকাস তাই ছিল টুলস শেখা। কিন্তু আমাদের দেশ ডিজিটাল মার্কেটিং এর শৈশবকাল পার হয়ে এসেছে, হামাগুড়ি দেয়া ছেড়ে উঠে এখন হাঁটতে শিখছে। Fcommerce এর বদৌলতে ডিজিটাল মিডিয়া টুলস ব্যবহার করতে পারে এমন ব্যক্তি এখন ঘরে ঘরে।

প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটার হতে চাইলে তাই এখন এর শুধু টুলস ব্যবহার কোনভাবেই যথেষ্ট না। বিজনেস গ্রোথ এবং প্রফেশনাল ক্যারিয়ার এর স্বার্থে মার্কেটারদেরকে এখন স্ট্র্যাটেজি ফোকাসড হতে হবে। এজন্য strategic thinking, বিভিন্ন strategic framework এর ব্যবহার ইত্যাদি স্কিল রপ্ত করতে হবে। সলিড ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা শিখতে হবে।

আনফরচুনেটলি আমাদের দেশে এই রিলেটেড রিসোর্স এবং লার্নিং ম্যাটেরিয়াল এর এখনও প্রচন্ড অভাব। এই ঘাটতি দূর করার জন্য যোগ্য ব্যক্তি এবং অর্গানাইজেশনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রত্যকে ব্র্যান্ড প্র্যাক্টিশনার কে স্কিল ডেভেলপমেন্টে আগ্রহী হতে হবে, সেই সাথে কোম্পানিগুলোকেও তাদের হিউম্যান রিসোর্সকে ট্রেইন করার জন্য সময় এবং অর্থ বরাদ্দ করতে হবে।

4. Customer Experience is the new social currency

প্যান্ডেমিক পরবর্তী দুনিয়াতে কাস্টোমাররা এখন অনেক বেশি সচেতন এবং সেনসিটিভ। প্রোডাক্ট এর সহজলভ্যতা বা প্রাইস এখন কোনমতেই ব্র্যান্ড চয়েজের জন্য deciding factor না। Advertising landscape যত বেশি noisy হবে, earned media এবং word of mouth তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে কাস্টোমারের কাছে পৌছাতে। মার্কেটারদেরকে তাই কাস্টোমারদের প্রতিটা টাচপয়েন্টে amazing customer experience তৈরিতে মনোযোগ দিতে হবে।

5. Data is the new Oil

দুনিয়াকে ইলেকক্ট্রিক কার আর মংগলগ্রহে যাবার স্বপ্ন দেখানো ইলন মাস্ক সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম Twitter কিনে নেবার পিছনের আসল রহস্য কি? 44 billion dollar শুধুমাত্র কি ফ্রি স্পিচ নিশ্চিত করার জন্য? শুধুমাত্র টুইটার কন্ট্রোল করলেই দুনিয়াতে ফ্রি স্পিচ নিশ্চিত হয়ে যাবে?

বিশ্বের এক নাম্বার ধনী ব্যক্তি ইতিহাসের সবচেয়ে খরুচে সোশ্যাল মিডিয়া acquisition ডিসিশন নেবার সময় তার জিনিয়াস বিজনেস মাইন্ড এবং বিজনেস ভিশন কাজে লাগান নি এটা হতেই পারে না।

ইলন আসলে কেন টুইটার কিনলেন সেটা নিয়ে অসংখ্য আলোচনা চলবে। কিন্তু একটা জিনিস ক্লিয়ার যে এই একটা ইনভেস্টমেন্ট থেকে তার এমন একটা জিনিসে একসেস হলো যেটা আগে ছিল না - Massive Data!

আমরা প্রায়ই Data Driven Marketing নিয়ে অনেক কথা বলি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এখন পর্যন্ত Data র সিকিভাগ পটেনশিয়ালও আমরা ব্যবহার করতে পারি নি। সেজন্য আমাদের যথেষ্ট রিসোর্স এবং দক্ষ্য জনবলও নেই। বিজনেস ওয়ার্ল্ডের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য অপরচুনিটিগুলোকে কাজে লাগাতে এই জায়গাটাতে আমরা অনেক বেশি ফোকাস করতে পারি। Big Data, AI, Machine Learning, Growth Hacking এগুলো শুধুমাত্র বাজওয়ার্ডে সীমাবদ্ধ না রেখে যতদ্রুত মেইনস্ট্রীম করতে পারবো ততই আমরা সামনের দিকে এগোতে পারবো।

Foundation Still Matters

যতই ট্রেন্ড নিয়ে আলোচনা করি, আমাদেরকে একটা কথা সবসময় মাথায় রাখতে হবে - মার্কেটিং এর ফাউন্ডেশনটা ঠিক মতো দাঁড় না করালে দুনিয়ার কোন মার্কেটিং টুলস, কোন ডিজিটাল চ্যানেলই আপনাকে বেস্ট রেজাল্টটা এনে দিতে পারবে না।

স্টোরিটেলিং, কপিরাইটিং, মার্কেটিং ফানেল, হিউম্যান সাইকোলোজি ইত্যাদি হচ্ছে ফাউন্ডেশন। একটা শক্ত ফাউন্ডেশন এর উপর দাঁড়িয়ে ট্রেন্ডগুলোকে কেয়ারফুলি ফলো করে এবং সুযোগ বুঝে ব্যবহার করে এই কঠিন কম্পিটিশনের যুগেও পালে হাওয়া লাগিয়ে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান এই শুভকামনা থাকলো।

For More Update Visit - www.crackbrigade.com

29/07/2022

23 Blogs you should follow as a Marketer

1- Backlinko - For SEO
2- Neil Patel – SEO/Internet Marketing
3- Jeff Bullas - Internet Marketing
4- Smart Blogger - Blogging
5- Blogging Wizard - Blogging
6 - Adam Enfroy - Affiliate Marketing
7 - Niche Site Project - Affiliate Marketing & Niche Blogging
8- Content Marketing Institute - Content Marketing
9- Jeff Goins - For Content and Copywriting
10 - Elna Cain 🇨🇦- For Content Writing
11- Copyblogger Media - For copywriting
12- Enchanting Marketing Limited - For copywriting
13- Search Engine Journal - For updates in the industry
14- Social Media Examiner - For social media marketing
15 - Social Media Today, LLC - for social media marketing
16- ShoutMeLoud - For blogging, WordPress, affiliate marketing
17 - BloggerPassion - Blogging & SEO
18- MarketingProfs - For marketing knowledge
19- HubSpot - Marketing and multiple topics
20 - Moz - For SEO and content marketing
21 - Semrush - For SEO
22 - Ahrefs - For SEO
23 - Screaming Frog - for SEO

What would you add to the list?
Comment below

There are so many elements in the digital marketing world. That's why we created the 🌟 Periodic Table of the Digital Mar...
22/07/2022

There are so many elements in the digital marketing world. That's why we created the 🌟 Periodic Table of the Digital Marketing Elements 🌟

How many of these can you quickly refer to?

17/07/2022

13 FREE Sites To Find Your Next Remote Job

💰angel. co
💰remote. co
💰remoteok. io
💰remotive. io
💰flexjobs. com
💰justremote. co
💰remotefront .io
💰powertofly. com
💰skipthedrive. com
💰authenticjobs. com
💰workingnomads. co
💰virtualvocations. com
💰weworkremotely. com

What is White Hat SEO?White Hat SEO is ethical and legal SEO, which helps get a positive rating from a search engine. It...
17/06/2022

What is White Hat SEO?

White Hat SEO is ethical and legal SEO, which helps get a positive rating from a search engine. It is done by organic link building. Organic link building is mainly created by valuable content and user popularity.

White-hat SEO includes the following techniques:

-quality content.
-Content-relevant keywords
-Keyword-rich page titles and metadata
-Lean code
-Trustworthy inbound links
-Easy website navigation
-Fast page loading times
-Optimize for Rich Snippets

What is Black Hat SEO?

Hat in black SEO and spam techniques are used. These are far-reaching and can include using methods such as link farms or text hiding, and even more, aggressive approaches are used.
The goal is to create many links on different pages using automated software programs. These normally don’t include any real content but meaningless, automatically formed text. A boost in link popularity is hoped to be obtained from this.

Advantages and disadvantages:

An advantage of black hat SEO is that the website operators can achieve a high link reputation in the minimum possible time and produce huge profits. Many webmasters make use of it because some time is required for search engines to identify spam. Penalties from the Google index may be the result of the use of black hat SEO.


What is Gray Hat SEO?

It’s essential to know the grey hat. SEO accurately works because it can grow your website’s ranking without negatively affecting or spending thousands of dollars on traffic. Google’s best methods and terms may hinder intelligence and innovative thinking.
Search engine marketers and search engines themselves will not be automatically helped by this ban. In addition, Grey-hat SEO will be changed frequently. Hence, it is essential for search engine marketers to stay updated with the latest categories.

Grey hat SEO includes the following techniques:

-Paid Reviews
-Creating a Large Number of Social Media Accounts
-Growing Keyword Density with Hidden Text
-Spinning Content
-Using Private Blog Networks (PBN)

Address

350/A Dilu Road , Eskaton

1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital Marketing enthusiast posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Digital Marketing enthusiast:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company?

Share