Digitive

Digitive Welcome to this Digitive . This page is all about Technology, IT knowledge, digital marketing, and o

social media marketing হছে এমন একটি প্লাটফর্ম যা আপনাকে আপনার ব্রান্ড তৈরি করতে এবং বিক্রয় বারাতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ভাবে social media marketing করা যায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে -কন্টেট শেয়ার করা, আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্সেরা কোন কোন ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করছে তা বুঝতে পারা ইত্যাদি।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ social media marketing প্লাটফর্ম হচ্ছে - Facebook, Instagram, Twitter, LinkedIn, Pinta rest, You

tube, Snapchat ইত্যাদি।
আর Digitive আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে social media marketing এর সব ধরনের প্লাটফর্ম এ আপনার বিজনেসকে পৌছানোর সুজোগ।

16/05/2021

🟣🟠🔹ফার্স্ট ইমপ্রেশন/ প্রথম প্রভাব

ফাস্ট ইমপ্রেশন বিষয়টা আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের সবার জন্য। কিন্তু হতাশাজনক হলেও সত্য যে আমরা অনেকেই এই বিষয়টাকে এত গুরুত্বপূর্ণ ভাবে দেখি না।

🔹 ফাস্ট ইমপ্রেশন কী?

একেবারে সহজ ভাষায় বললে কোন একজন ব্যাক্তির সাথে প্রথমবার দেখা হওয়ার পর সাথে সাথে সেই ব্যাক্তি সম্পর্কে আমাদের মনে যে যে ধারনা তৈরী হয় কিংবা আমাদের সম্পর্কে সেই ব্যাক্তির মনে যে ধারনা তৈরী হয় তাই হলো ফাস্ট ইমপ্রেশন।

🔹 ফাস্ট ইমপ্রেশনে আমরা কেন গুরুত্ব দিব?

ধরুন আপনি একটি চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছেন। আপনিই হলেন এই চাকরির জন্য সব থেকে উপযুক্ত । অবশ্যই আপনার মতো আরও হাজার জনও সেখানে ইন্টারভিউ দিতে আসবেন। এত ভিড়ের মধ্যে আপনার ইন্টারভিউ এর সময় আসলো। আপনি ভিতরে গেলেন গিয়ে ‍বিনা অনুমতিতে চেয়ারে বসে পরলেন। যিনি ইন্টারভিউ নিবেন তার দিকে ভয়ে তাকালেনও না। পোষাক আষাক সব অপরিচ্ছন্ন।ভিতরে গিয়ে কোন প্রকার সম্মান প্রদর্শণ করলেন । তাহলে এর পর আপনি যত উপযুক্তই হোন না কেন চাকরিটা কি আপনার কপালে জুটবে? অবশ্যই না। এটাতো কেবল একটা সাধারন উদাহরণ মাত্র। একটু খেয়াল করলে এরকম আরও অসংখ্য উদাহরন আমরা আমাদের বাস্তব জীবনেই দেখতে পারি।
একজন মানুষ আরেকজন মানুষের সাথে প্রথম দেখা হওয়ার মাত্র ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই তার মনে সেই মানুষের সম্পর্কে একটি ধারণা চলে আসে। যে ধারনার উপরই অনেকাংশে দুই জনের মধ্যাকার সম্পর্ক কেমন হবে তা নির্ভর করে। আপনি নিশ্চই চাইবেন না যেকোনো কেউই আপনার সম্পর্কে বিপরীত ধারনা নিয়ে থাকুক।

🔹 ফাস্ট ইমপ্রেশন ‍নিয়ে ভুল ধারনা

অনেকেই ভাবতে পারেন ‍যে ফাস্ট ইমপ্রেশন মানেই অন্য একজনের কাছে ভালো সাজা। কিন্তু এই ভাবনাটি সম্পুর্ণ ভূল! সব সময় খুব বেশি ভালো সাজাও আপনার জন্য অনেক সমস্যার কারন হয়ে যেতে পারে।
মনোবিজ্ঞানীদেন মতে মানুষের মধ্যে আপনার আসল পার্সোনালিটির যেমন ঠিক তেমনি ফাস্ট ইমপ্রেশন তৈরী করাই মানুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে সব থেকে কার্যকরি ।

🔹 ভালো ফাস্ট ইমপ্রেশন তৈরীর কিছু হ্যাকস

▪️সবসময় আত্মবিশ্বাসী থাকা ।
▪️পোষাক পরিধানে সচেতন হওয়া ।
▪️একটি মুচুকি হাসির মাধ্যমে কথা বলা শুরু করা ।
▪️চোখে চোখ রেখে স্বাচ্ছন্দের সাথে কথা বলা ।
▪️মনোযোগের ‍সাথে কথা শুনা ।
▪️ইতিবাচক থাকা
▪️নিজের মতো নিজেকে উপস্থাপন করা ।
▪️বুঝে শুনে কথা বলা ।
▪️বন্ধুত্বপূর্ন দেহ ভঙ্গি প্রদর্শন করা ইত্যাদি ।

10/05/2021

কম্পিউটার ব্যবহারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ - 20-20-20 rule

তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে প্রায় সব ধরনের পেশা ও লেখাপড়ার কাজে কম্পিউটার ব্যবহার করতে হয়। তবে মাত্রাতিরিক্ত কম্পিউটার ব্যবহারে অনেক রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর দীর্ঘ সময় কম্পিউটার ব্যবহার করলে চোখের মারাত্মক বিপদ হতে পারে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের ব্যবহারে চোখের পানি শুকিয়ে যেতে পারে।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, চোখের দুইপাশে দুইটা গ্ল্যান্ড আছে। সেখান থেকে প্রতিনিয়ত পানি সিক্রেশন হচ্ছে। সিক্রেশন হয়ে আমাদের চোখে দুইটা নালি আছে, সেখান থেকে নাক দিয়ে চলে যায়। এই পানিটা সব সময় আসছে এবং পানিটাকে ধরে রাখার জন্য বাইরে থেকে একটা তৈলাক্ত সিক্রেশন হচ্ছে। এ সবকিছু মিলে যে একটা কম্পনেন্ট আছে সেটা চোখটাকে ভেজা ভেজা রাখছে। এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
কিন্তু ডিজিটাল যুগে আমাদের বেশির ভাগ সময়ই ল্যাপটপ, কম্পিউটার, স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে হয়। এটাও চোখ শুকিয়ে যাওয়ার একটা বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই ল্যাপটপ, কম্পিউটার স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ২০ মিনিট করে ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। যাকে বলা হয় 20-20-20 rule.

20-20-20 rule-

এক্ষেতে ২০ মিনিট ব্যবহার করার পর ২০ সেকেন্ড বা এক মিনিটের জন্য অন্যদিকে একটু দূরে বা একটু সবুজের দিকে তাকালে ভালো। আর এক থেকে দুই মিনিট চোখকে বিশ্রাম দিতে হবে।

এছাড়া ল্যাপটপ, কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় বসার লেভেল এবং কম্পিউটার রাখার লেভেলটা যেন ঠিক থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশটা খেয়াল রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, সেন্ট্রাল এসিতে থাকা বা নরমাল পরিবেশে বসে কাজ করলে সেটিও দেখার রাখতে হবে। কারণ সেন্ট্রাল এসিতে থাকার ফলে চোখটা শুকনা হয়ে যায়। সবকিছু মেনে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।

মা। পৃথিবীর মধুরতম শব্দ। একটি মাত্র অক্ষরের শব্দ ‘মা’, অথচ তাতেই যেন সমস্ত ভালোবাসা, আবেগের সম্মিলন। এ ভুবনে মা থেকে আপন...
09/05/2021

মা। পৃথিবীর মধুরতম শব্দ। একটি মাত্র অক্ষরের শব্দ ‘মা’, অথচ তাতেই যেন সমস্ত ভালোবাসা, আবেগের সম্মিলন। এ ভুবনে মা থেকে আপন আর কে-ই বা হতে পারে? দুঃখের দরদী আমার জনম দুঃখী মা গর্ভধারিণী মা।

সম্পর্কের বেড়াজাল ছিন্ন করে সবাই দূর পরবাসে মিলতে পারে। চলে যেতে পারে প্রেমাবেগের বন্ধনের প্রিয়সীও। কিন্তু মা’র স্নেহ-ভালোবাসার বন্ধন কখনই ছিন্ন হবার নয়।

তাই তো সাধু জনার কাছে মা-ই গুরু, মা-ই ভজন দেবি। কবি, সাহিত্যিক, ঋষি-মুনি কাছে মা-ই পরমাশ্বর। ‘মাকে ভজলেই ইশ্বর ভজন’ এ গুরুজনের আদি বচন।

আজ বিশ্ব মা দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার এ দিবসটি পালন করা হয়। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী মা দিবস পালন করার চলছে মহাআয়োজন।

প্রতিটা দিনই বিশ্ব মাতৃদিবস। মায়ের কোনো বিকল্প নেই, প্রতিটা দিনই মায়ের। কিন্তু সারা বিশ্বে একটি বিশেষ দিন এই বিশ্ব মাতৃদিবস পালন করা হয়। মায়ের সঙ্গে পৃথিবীর কোনো কিছুর তুলনা হয় না। প্রতিটি মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ মা। আর এই মায়ের জন্য কোনো বিশেষ দিনের দরকার হয় না। মায়ের জন্য সম্মান, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা জানাতেই এই বিশেষ দিনের আয়োজন। মায়ের জন্য নির্ধারিত এই দিনটি শুধু মায়ের। তাই বিশেষ এই দিনে প্রত্যেকেই নিজের মতো করে মাকে বিশেষ সম্মান জানায়।

মা—ছোট্ট একটা শব্দ, কিন্তু কী বিশাল তার পরিধি! সৃষ্টির সেই আদিলগ্ন থেকে মধুর এই শব্দটা শুধু মমতার নয়, ক্ষমতারও যেন সর্বোচ্চ আধার। মার অনুগ্রহ ছাড়া কোনো প্রাণীরই প্রাণ ধারণ সম্ভব নয়। তিনি আমাদের গর্ভধারিণী, জননী।

কোনো মা, তা তিনি যে পেশাতেই থাকুন না কেন, যত কুশ্রীই হন না কেন, সন্তানের কাছে তিনি দেবীর মতোই। আর শুধু হিন্দু ধর্মে কেন? ইসলামে মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশতের কথা বলা হয়েছে। খ্রিষ্টধর্মেও রয়েছে মাদার মেরির বিশেষ তাত্পর্য। সেই মায়ের জন্য কি না বছরে একটা মাত্র দিন!

আমরা তো দেশকেও ‘মা’ বলে ডাকি। দেশের মাটিকে মা জ্ঞান করে তার পায়ে মাথা ঠেকাই আমরা। বড় গলায় গর্ব করি দেশমাতৃকার জন্য।

কিন্তু নিজের মায়ের বেলায়? কতবার বলেছি—মা, তোমায় ভালোবাসি? জীবনচক্রের ঘূর্ণন শুরু হয় সেই জন্মলগ্ন থেকে। এরপর ছোটবেলা কাটিয়ে ওঠে কৈশোর, যৌবন, প্রৌঢ়ত্ব, বার্ধক্য আর সবশেষে অনিবার্য মৃত্যু। এই ধ্রুব সত্য শুধু আপনার-আমার নয়, সবার জন্য। তাই দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দিন। যতদিন ‘মা’ বেঁচে আছেন, ততদিন, প্রতিটি দিন পালন করুন মা দিবস হিসেবে।

🥰(ভালোবাসি তোমায় মা)🥰

ধন্যবাদ

〰 Webmail/ওয়েব মেইল কি ?  🔰 Mail বলতেই আমরা সাধারণত ইমেইল বুঝি। কিন্তু  শুধু ইমেইল না জিমেইল, ইয়াহু ইত্যাদি আরও অনেক মেই...
07/05/2021

〰 Webmail/ওয়েব মেইল কি ?

🔰 Mail বলতেই আমরা সাধারণত ইমেইল বুঝি। কিন্তু শুধু ইমেইল না জিমেইল, ইয়াহু ইত্যাদি আরও অনেক মেইল আছে। এদের মধ্যে ওয়েব মেইল ও আছে।
অর্থাৎ নিজস্ব ওয়েব সাইট থেকে যে মেইল তৈরি করা হয় তাকেই ওয়েব মেইল বলে। ওয়েব মেইল হচ্ছে Gmail, Yahoo, Nokiamail ইত্যাদি অন্যান্য ই-মেইল এর মত একটি ই-মেইল একাউন্ট, আপনি যদি G-mail.Com এ একটি একাউন্ট তৈরী করেন তাহলে আপনার ই-মেইল এর ইউজার নেম এর শেষে G-mail.Com থাকবে।

ধন্যবাদ।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণার প্রতিষ্ঠান নাসায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিলেটের মেয়ে মাহজাবিন হক। তার ন...
06/05/2021

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণার প্রতিষ্ঠান নাসায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিলেটের মেয়ে মাহজাবিন হক। তার নিয়োগের মধ্য দিয়ে সিলেট তথা বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে আরো একবার পরিচয় করিয়ে দিলেন তিনি। বিশ্বমঞ্চে লাল সবুজের পতাকাকে আরো একবার তুলে ধরলেন তিনি

সিলেটের মেয়ে মাহজাবিন হক। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে নাসায় কাজ করবেন তিনি। মাহজাবিন হকের বাবা সৈয়দ এনামুল হক পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার। তাদের গ্রামের বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলার কদমরসুল গ্রামে। মাহজাবিন হক এ বছরই মিশিগান রাজ্যের ওয়েন স্টেইট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। পেইন্টিং ও ডিজাইনে পারদর্শী মাহজাবিন হক ২০০৯ সালে বাবা-মায়ের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে যান। কর্মসূত্রে তার বাবা সৈয়দ এনামুল হক বর্তমানে সিলেটে অবস্থান করলেও তার সাথে আছেন মা ফেরদৌসী চৌধুরী ও একমাত্র ভাই সৈয়দ সামিউল হক। নাসা অ্যামাজনসহ বিশ্বের অনেক খ্যাতনামা কোম্পানি থেকে তিনি চাকরির অফার পেয়েছেন। এর মধ্যে নাসাকেই বেছে নেন তিনি। উল্লেখ্য, ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত অবস্থায়ই মাহজাবিন হক দুই দফায় টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থিত নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে ইন্টার্নশিপ করেন। প্রথমদিকে তিনি ডাটা অ্যানালিস্ট এবং পরে সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে মিশন কন্ট্রোলে কাজ করেন।

Plankalkül ~প্লানকালাল ছিল বিশ্বের প্রথম হাইলেভেল পোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।
06/05/2021

Plankalkül ~প্লানকালাল ছিল বিশ্বের প্রথম হাইলেভেল পোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।

ভুল করে আবিষ্কারের ৫টি মজার ঘটনা🤩😍ভুল থেকে যদি দারুণ কিছু হয়, তবে মন্দ কি? আর সেই “দারুণ কিছু” যদি হয় পৃথিবী কাঁপিয়ে ...
06/05/2021

ভুল করে আবিষ্কারের ৫টি মজার ঘটনা🤩😍

ভুল থেকে যদি দারুণ কিছু হয়, তবে মন্দ কি? আর সেই “দারুণ কিছু” যদি হয় পৃথিবী কাঁপিয়ে দেওয়া সব বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, তবে তো কথাই নেই! মজার ব্যাপার হচ্ছে, বিজ্ঞানের ইতিহাসে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আবিষ্কৃত হয়েছে যেগুলো আসলে আবিষ্কার করার কথা কল্পনাই করেননি আবিষ্কারক! যা হওয়ার তা হয়েছে নিতান্তই দুর্ঘটনা বা ভুলবশত। এমন আরো কিছু আবিষ্কার আর তার পেছনের মজার সব ঘটনা নিয়ে এই লেখা।

💥 মাইক্রোওয়েভ ওভেন

গবেষণাগারে খাওয়া–দাওয়া করা নিশ্চয়ই খুব কাজের কথা নয়! কিন্তু এই কাজটি করতে গিয়েই পার্সি স্পেনসার নামের এক আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার যুগান্তকারী এক আবিষ্কার করে ফেলেন!
তিনি ম্যাগনেট্রন নামে একটি ভ্যাকুয়াম টিউব নিয়ে কাজ করছিলেন, যেটি থেকে মাইক্রোওয়েভ নির্গত হয়। টিউবের সামনে দাঁড়িয়ে কী যেন ভাবছিলেন তিনি, হঠাৎ অবাক হয়ে লক্ষ্য করলেন বিচিত্র একটি ব্যাপার ঘটেছে– তার প্যান্টের পকেটে রাখা চকলেটের বার গলতে শুরু করেছে!
বুদ্ধিমান বিজ্ঞানী স্পেনসার তখনই বুঝতে পারেন একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার ততক্ষণে তিনি করে ফেলেছেন।
বিভিন্ন পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর ১৯৪৫ সালে তিনি প্রথম মাইক্রোওয়েভ ওভেন তৈরি করেন, আকারে সেটি ঢাউস একটি জিনিস ছিল। ১৯৬৭ সাল থেকে মাইক্রোওয়েভ ওভেন যুক্তরাষ্ট্রের ঘরে ঘরে ব্যবহৃত হওয়া শুরু হয়। এখন তো পৃথিবীজুড়ে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের জনপ্রিয়তার জুড়ি মেলে।

💥 পেনিসিলিন

পেনিসিলিন চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি অসামান্য আবিষ্কার। এটি পৃথিবীতে আবিষ্কৃত প্রথম এ্যান্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়া ঘটিত বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং, যিনি ছিলেন একজন চিকিৎসক এবং জীবাণুতত্ত্ববিদ।
১৯২১ সালের ঘটনা, তখন ইংল্যান্ডের সেন্ট মেরিজ মেডিকেল স্কুলের ল্যাবরেটরিতে কাজ করতেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। কয়েকদিন ধরে তিনি ঠাণ্ডায় ভুগছিলেন। জীবাণু কালচার নিয়ে ল্যাবরেটরিতে কাজ করার সময় হঠাৎ তীব্র হাঁচি এলো। ফ্লেমিং নিজেকে সামলাতে পারলেন না, সেটটা সরানোর আগেই হাঁচির দমকে নাক থেকে কিছুটা সর্দি সেটের উপর পড়ে গেলো!
পুরো জিনিসটা নষ্ট হয়ে গেল দেখে সেটটা সরিয়ে রেখে নতুন আরেকটা সেট নিয়ে কাজ শুরু করলেন। পরদিন ল্যাবরেটরিতে ঢুকে সরিয়ে রাখা সেই সেটটার দিকে নজর পড়ল তার, ভাবলেন সেটটা ধুয়ে কাজ করবেন। কিন্তু সেটটি হাতে তুলেই চমকে উঠলেন ফ্লেমিং। অবাক ব্যাপার, গতকালের জীবাণুগুলো আর নেই! তিনি দেহ থেকে বের হওয়া এই প্রতিষেধকটির নাম দিলেন লাইসোজাইম।
অনেক বছর পরের কথা, ১৯২৮ সালে ফ্লেমিং স্টেফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া নিয়ে গবেষণা করছিলেন লন্ডনের এক ল্যাবরেটরিতে। মাঝে গবেষণা স্থগিত রেখে তিনি বেড়াতে যান স্কটল্যান্ডে। যাবার সময় তিনি স্টেফাইলোকক্কাসটি একটি কাঁচের পাত্রে রেখে যান এবং একটি ভুল করেন- গবেষণাগারের জানালা খুলে রেখে যান! এই ভুলের বদৌলতেই ফ্লেমিং চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে বিস্ময়কর জিনিসটি আবিষ্কার করেন।
দু’সপ্তাহ ছুটি কাটিয়ে গবেষণাগারে ফিরে তিনি আবিষ্কার করেন, কোন ফাঁকে ঝড়ো বাতাসের দমকে খোলা জানালা দিয়ে ল্যাবরেটরির বাগান থেকে কিছু ঘাস পাতা উড়ে এসে পড়েছে জীবাণু ভর্তি প্লেটের উপর। তিনি প্লেটগুলোতে দেখলেন জীবাণুর কালচারের মধ্যে স্পষ্ট পরিবর্তন।
ফ্লেমিং বুঝলেন এই আগাছাগুলোর মধ্যে এমন কিছু আছে যার জন্য পরিবর্তন ঘটেছে, পরীক্ষা করে দেখা গেলো আগাছাগুলোর উপর একরকম ছত্রাক জন্ম নিয়েছে। সেই ছত্রাকগুলো বেছে বেছে জীবাণুর উপর দিতেই জীবাণুগুলো ধ্বংস হয়ে গেল! তিনি বুঝতে পারলেন, তার এতোদিনের গবেষণা অবশেষে সার্থক হয়েছে! ছত্রাকগুলোর বৈজ্ঞানিক নাম ছিল পেনিসিলিয়াম নোটেটাম, তাই তিনি এর নাম দিলেন পেনিসিলিন।
১৯৪৫ সালে পেনিসিলিন আবিষ্কার এবং মানবকল্যাণে এর অসামান্য অবদানের জন্য আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত হন। পুরষ্কার পেয়ে ফ্লেমিং কৌতুক করে বলেন, ‘এ পুরষ্কারটি ঈশ্বরের পাওয়া উচিত, কারণ তিনিই সবকিছুর আকস্মিক যোগাযোগ ঘটিয়েছেন।’
চিকিৎসা বিজ্ঞানের অসামান্য গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার এই পেনিসিলিন। জীবনের ছোট্ট একটি ভুলের পুরষ্কার স্বরুপ আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ইতিহাসের পাতায় চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন।

💥 এক্স–রে

এক্সরে বা রঞ্জন রশ্মি হচ্ছে একটি তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণ। এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য টেন ইনভার্স টেন মিটার যা সাধারণ আলোর চেয়েও অনেক কম। তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকার কারণে এটি যে কোনো পদার্থকে খুব সহজেই ভেদ করতে পারে।
“ক্যাথোড রে” আবিষ্কার হয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু গবেষকরা তখনও জানতেন না এটি ব্যবহার করে মানবদেহের কঙ্কালের ছবি তোলা সম্ভব। ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিদ উইলহেম রঞ্জন একটি কালো কাগজে ঢাকা গ্লাস টিউবে ক্যাথোড রশ্মি চালিয়ে পরীক্ষা করছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল কাঁচ থেকে ক্যাথোড রে বের হয় কিনা সেটি পরীক্ষা করা।
কিন্তু এমন সময় একটি মজার ঘটনা ঘটলো, রঞ্জন লক্ষ্য করলেন, তিনি যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন তার কয়েক ফুট দূরে একরকম আলোক রশ্মি দেখা যাচ্ছে! তিনি ভাবলেন কার্ডবোর্ড কোথাও ফেটে গিয়ে হয়ত আলো বের হচ্ছে। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা গেলো- কার্ডবোর্ড ফেটে নয় বরং কার্ডবোর্ড ভেদ করে রশ্মি বের হচ্ছে!
ঘটনা দেখে রঞ্জনের মাথায় বিচিত্র একটি আইডিয়া খেলে গেলো- যে রশ্মি কার্ডবোর্ড ভেদ করতে পারছে তা মানবদেহ কেন ভেদ করতে পারবে না? যেই ভাবা সেই কাজ, তিনি তার স্ত্রীর হাত সামনে রেখে পরীক্ষা চালালেন এবং ইতিহাস বদলে দেওয়া একটি ঘটনা ঘটলো- প্রথমবারের মতো কাটাছেঁড়া না করেই মানবদেহের কঙ্কালের ফটোগ্রাফিক ইমেজ তৈরি সম্ভব হলো! রঞ্জনের স্ত্রী নিজের কঙ্কালের ছবি দেখে আঁতকে উঠে বলেন, “আমি যেন সাক্ষাৎ মৃত্যুকে দেখতে পাচ্ছি চোখের সামনে!”
অদৃশ্য এই রশ্মির বৈশিষ্ট্য অজানা থাকায় রঞ্জন এর নাম দেন এক্স-রে। অবশ্য একে তার নাম অনুসারে অনেকে রঞ্জন রশ্মি নামেও ডাকে।

💥 ক্লোরোফর্ম

সেকালে অস্ত্রোপচার করা হতো কোনরকম চেতনানাশক ছাড়া, ফলে রোগীকে অমানুষিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হতো অস্ত্রোপচার টেবিলে। এ অবস্থার নিরসন ঘটে ক্লোরোফর্ম আবিষ্কারের পরে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ক্লোরোফর্ম আবিষ্কারের ঘটনাটি দুর্ঘটনার চেয়ে কম কিছু নয়!
স্যার জেমস ইয়ং সিম্পসন বহুদিন ধরেই চেতনানাশক নিয়ে গবেষণা করছিলেন। একদিন এডিনবার্গে নিজ বাড়িতে আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে আলাপচারিতার ফাঁকে তার মনে হলো নিজের আবিষ্কার পরীক্ষা করে দেখলে কেমন হয়?
যেই ভাবা সেই কাজ, একটি শিশিতে করে ক্লোরোফর্ম অতিথিবৃন্দের সামনে আনলেন। তারপর আর কারো কিছু মনে নেই! হুঁশ ফিরলো পরদিন সকালে, এদিকে অতিথিরা একেকজন বেহুঁশ হয়ে এদিক ওদিক পড়ে আছেন। শুরুতে তিনি ভয়ই পেয়ে গেলেন। পরে সবার জ্ঞান ফিরলে আশ্বস্ত হন।
যদিও পরবর্তীতে এমন বিপজ্জনক পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যাপারে খুব সতর্ক ছিলেন তিনি, কারণ বর্ণহীন এই জৈন যৌগটি খোলা জায়গায় রেখে দিলে উড়ে যেতে থাকে। বাতাসে ক্লোরোফর্মের পরিমাণ খুব বেশি হয়ে গেলে তা মারাত্মক ক্ষতিকর। যেহেতু এটি সরাসরি স্নায়ুর ওপর ক্রিয়া করে, তাই বেশি পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করলে মাথাব্যথা থেকে শুরু করে কিডনি ও লিভারের স্থায়ী সমস্যা তৈরি হতে পারে।
বড় ধরনের অপারেশনে ক্লোরোফর্ম ব্যবহার করা হয়ে থাকে
যাই হোক, সিম্পসন অবশেষে ১৯৪৭ সালে এই আবিষ্কারের কথা জানান সবাইকে, এবং মাত্র তিন বছরের মাথায় শুরু হয়ে যায় রোগীদের অপারেশনের বেলায় অজ্ঞান করার কাজে আন্তর্জাতিকভাবে ক্লোরোফর্মের ব্যবহার।
ক্লোরোফর্ম সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় রাসায়নিক ল্যাবরেটরি ও বাণিজ্যিকভাবে প্লাস্টিক তৈরিতে। এর পরই ব্যবহৃত হয় মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর শরীরের কিছু অংশ অবশ করতে বা সাময়িকভাবে অজ্ঞান করতে। রোগীদের দেহের সূক্ষ্ম কাটাকাটি থেকে শুরু করে বড় ধরনের অপারেশনে ক্লোরোফর্ম ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

💥 ডায়নামাইট

নোবেল পুরষ্কারের প্রবক্তা হিসেবে আলফ্রেড নোবেল চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন ইতিহাসে, তিনি ছিলেন একজন সুইডিশ রসায়নবিদ এবং ইঞ্জিনিয়ার। রাসায়নিক বিভিন্ন বিপদজনক তরল পদার্থ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে নোবেল এবং তার ল্যাবরেটরির মানুষজন বেশ কয়েকবার ভয়াবহ সব দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিলেন। এর মধ্যে একটি দুর্ঘটনা খুব মারাত্মক ছিল, ১৮৬৪ সালে সুইডেনের স্টকহোমে সেই বিস্ফোরণে আলফ্রেড নোবেলের ছোটভাই সহ আরো কয়েকজন মারা যায়।
ভাইয়ের মৃত্যুতে নোবেল ভীষণ বিচলিত হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পর আলফ্রেড নোবেল নিরাপদভাবে বিস্ফোরণ ঘটানোর উপকরণ আবিষ্কারের জন্য উঠে-পড়ে লাগেন।
মজার ব্যাপার হলো মারাত্মক বিস্ফোরক নাইট্রোগ্লিসারিনকে সামলানোর উপায় নোবেল খুঁজে পান আরেকটি দুর্ঘটনার মাধ্যমে! একবার নাইট্রোগ্লিসারিন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নেওয়ার সময় নোবেল দেখেন একটি পাত্র ছিদ্র হয়ে খুলে গেছে। দেখা গেল পাত্র মোড়ানো ছিল যে জিনিসটি দিয়ে সেটি ভয়াবহ বিস্ফোরক নাইটড়োগ্লিসারিনকে খুব ভালোভাবে শোষণ করেছে। কিয়েসেলগার নামে এক ধরনের পাললিক শিলার মিশ্রণ দিয়ে পাত্রগুলো মোড়ানো ছিল।
নাইট্রোগ্লিসারিন যেহেতু তরল অবস্থায় খুব বিপদজনক, তাই নোবেল সিদ্ধান্ত নেন এই কিয়েসেলগারকে তিনি বিস্ফোরকের স্ট্যাবিলাইজার হিসাবে ব্যবহার করবেন। ১৮৬৭ সালে নোবেল তার আবিষ্কৃত নিরাপদ কিন্তু মারাত্মক শক্তিশালী এই বিস্ফোরকটি ‘ডিনামাইট’ নামে পেটেন্ট করান।

Copy Post

বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গতির ইন্টারনেট ব্যবস্থা আছে লিশটেন্সটাইনে
05/05/2021

বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গতির ইন্টারনেট ব্যবস্থা আছে লিশটেন্সটাইনে

Address

Maulvi Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digitive posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Digitive:

Share