13/01/2013
বীমা পেশা ও একান্ত ভাবনা
বাবু অজিত চন্দ্র আইচ
জীবন বীমা কর্পোরেশনে একজন ফিল্ড অফিসার হিসেবে বীমা জগতে আমার কর্মজীবন শুরু হয়। অতএব জীবন বীমা কর্পোরেশন সম্পর্কে একটি ধারনা এখানে তুলে ধরতে চাই। একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে আর্জিত হলো আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। মুক্ত স্বদেশ গড়তে হবে। বিধ্বস্থ বাংলাদেশকে পূণর্গঠন করতে হবে। পাকিস্তানীদের ফেলে যাওয়া কলকারখানা, ব্যাংক বঅমা প্রতিষ্ঠান গুলোকে আবার সচল করে জাতীয় অর্থনীতির গতিকে বেগবান করা প্রয়োজন। তৎকালীন সরকার ১৯৭২ সালে সকল বেসরকারী পরিত্যাক্ত বীমা কোম্পানীগুলোকে নিয়ে পাঁচটি কর্পোরেশন করার ঘোসণা দিল।
১৯৭২ সালের ৮ ই আগষ্ট রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বলে বীমা কোম্পানীগুলোকে জাতীয় করণ করে জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, কর্ণফুলী বীমা কর্পোরেশন, সুরমা বীমা কর্পোরেশন ও রূপসা বীমা কর্পোরেশন-এ পাঁচটি কর্পোরেশন গঠন করে।
বীমা কার্যক্রমকে আরো সুগঠিত করার জন্য সরকার ১৯৭৩ সালের ১৪ মে পূর্বের পাচটি কর্পোরেশনকে বাতিল করে জীবন বীমা কর্পোরেশন ও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন গঠন করে। এভাবেই গড়ে উঠলো জীবন বীমা জগতে একমাত্র সরকারী বীমা প্রতিষ্ঠান জীবন বীমা কর্পোরেশন। পাকিস্তান আমলে এখানে ৪৯টি বীমা কোম্পানী ছিল। জীবন বীমা কর্পোরেশন ৩৭টি জীবন বীমা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে তাদের অ্যাসেট ও লায়াবিলিটিস নিয়ে ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে যাত্রা শুরু করে। ১৯৭৩ সালে জীবন বীমা কর্পোরেশনের লাইফফান্ড ছিল মাত্র ২১.৮৩ কোটি টাকা। ঐ সময়ে জেবিসির অ্যাসেট ও লায়াবিলিটিস (Assets & Liabilities) ছিল ১৫.৭০ কোটি টাকা।
সত্তরের দশক এবং আশির দশকে জীবন বীমা কর্পোরেশন একক ভাবেই জীবন বীমা ফিল্ডে কাজ চালিয়ে গেছে। যদিও এসময়ের আলিকো ছিল, পোষ্টাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান ছিল। ভারতে যেমন জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান বলতে লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন বা এলআইসি কে (LIC) বলা হয় তেমনি বাংলাদেশেও জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান বলতে এক সময় জেবিসিকেই বুঝানো হতো।
তাছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় জেবিসির একটি আলাদা গুরুত্ব ছিল। বীমা প্রতিষ্ঠান সরকারি হওয়ার মানুষের মধে সঞ্চয় করার প্রবনতা দেখা যায়। এ প্রতিষ্ঠান মানুষকে বীমা গ্রাহক হতে আগ্রহী করে তোলে।। ১৯৮৫ তে জেবিসিতে যোগদান কালেই আমার মনে হয়েছে বীমা বীমা একটা সম্ভাবনাময় পেশা। আমি নিশ্চিত হলাম, এ দেশে বীমার দ্রুত বিকাশ ঘটবে।
জীবন বীমা কর্পোরেশনে বিচিত্র অভিজ্ঞতা
সত্তর এবং আশির দশকে ব্যাপক জনগোষ্ঠির বীমা সম্পর্কে কোন ধারণা ছিল না। শিক্ষিত শ্রেণীর একটি অংশ সচেতন ছিল। তবে আলিকো আমেরিকান বা বিদেশী কোম্পানী হওয়ায় অনেকে জেবিসির চেয়ে আলিকোকে বেশী গুরুত্ব দিত। বিশেষ করে শিক্ষিত ব্যবসায়ীরা এবং চাকরিজীবিরা আলিকোকে বেশি প্রধান্য দিত। আলিকে তাদের কর্মকান্ডে একটি উচ্চমান বজায় রাখতো। তাদের অফিস ব্যবস্থাপনা, উন্নত প্রশিক্ষণ, পরিকল্পিত প্রোগ্রাম এবং সবকিছুতে একটা আধুনিকতার ছোয়া লক্ষ্য করা যেতো।
জীবন বীমার উপকারিতা ঃ
১. বীমার মাধ্যমে সঞ্চয় নিরাপদ ও লাভজনক।
২. জীবন বীমা প্রিমিয়াম আয় কর মুক্ত।
৩. বীমা মানুষকে হিসাবি হতে সাহায্য করে।
৪. পরিবারের জরুরী অবস্থা মোকাবেলায় জীবন বীমা সহায়ক।
৫. অকাল মৃত্যুতে অসহায় পরিবারের পাশে বীমার মৃত্যু দাবী বন্ধুর মতো ভূমিকা পালন করে।
যাহোক, জীবন বীমা কর্পোরেমনে পাঁচ মেশালী নানা রকমের স্কিম বা পরিকল্পের সাথে পরিচিত হলাম। মেয়াদী বীমা, তিন কিস্তি বীমা, পেনশন বীমা, শিশু বীমা, এসব নানা নামের বীমা পরিকল্পের সাথে পরিচিত হলাম। শিশু বীমাকেই আমরা ছেলেদের জন্য শিক্ষা বীমা এবং মেয়েদের জন্য বিবাহ বীমা হিসেবে চালিয়ে দিতাম।
এখানে বলে রাখা ভাল, জেবিসিতে ঐ সময়ে কোন ক্ষুদ্র বীমা ছিল না। আমরা একক বীমার কাজ করতাম। বীমা অংক ছিল বেশির ভাগ পলিসির ক্ষেত্রে ৩০,০০০ বা ৫০,০০০ টাকা। অনেকে দীর্ঘ মেয়াদী পলিসি করতো। বীমা অংক, মেয়াদ এবং বয়স আনুযায়ী বার্ষিক, ষাষ্মাষিক বা ত্রৈমাসিক প্রিমিয়াম নির্ধারণ হতো। এক্ষেত্রে তখনকার নিয়ম এবং এখনকার নিয়মের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নেই। একক বীমার রেট চার্ট অতীতে এবং বর্তমানে প্রায় একই। একক বীমাতে তখন মাসিক কিস্তির কোন সুযোগ ছিল না। সাপ্তাহিক কিস্তির তো প্রশ্নই আসে না। প্রিমিয়াম সংগ্রহ হতো নগদে বা চেকের মাধ্যমে। পুরা প্রিমিয়াম অফিসে যথাযথভাবে জমা এবং পরীক্ষার পর কেন্দ্রীয় কার্য্যালয় বা আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে মাস শেষে কমিশন বাবদ প্রাপ্য টাকা পাওয়া যেতো। তখন নিয়ম ছিল, প্রিমিয়ামের টাকায় হাত দেয়া যাবে না। এক টাকাও প্রিমিয়াম থেকে খরচ করা যাবে না। জেবিসিতে এস,এস,সি পাশের নিচে কাউকে ফিল্ড অফিসার নিয়োগ করতে আমি দেখিনি। বি,এ এম,এ পাশ লোকেরা হরহামেশা বীমা পেশায় আসতো। সোজা কথা, তখনকার সময় ফিল্ড লেবেলে শিক্ষিত লোকেরা কাজ করত। আবার শিক্ষিত শ্রেণীর লোকেরা বীমা গ্রাহক হতো। ফলে ঐ সময় বীমা ফিল্ডে অনিয়ম, অনাচার তেমন ছিল না বললেই চলে।
পূর্বেই বলেছি, এটিএম জাফরউল্লাহ চৌধুরী আমার বীমার জীবনের শুরুতে শিক্ষাগুরু। তারই আহ্বানে এবং তার দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে আমি এ পেশায় আসি। ক্লাইন্ট খুঁজে বের করা শুরুতে বেশ কঠিন হলেও জাফর উল্লাহ স্যারের সর্বাত্মক সহযোগিতায় এবং তার কাছ থেকে কৌশল সমূহ রপ্ত করে আমি সফলতার দিকে এগিয়ে যাই। বীমা পেশায় কাজ শুরুর পর বুঝতে পারলাম, বীমা একটি স্বাধীন পেশা। এটা একটি সেবামূলক পেশা।
আসলে পেশা দু ধরনের। অকুপেশন (Occupation) এবং প্রফেশন (Profession)। অকুপেশন হলো নির্ধারিত কাজ এবং নির্ধারিত বেতন। অন্যদিকে প্রফেশন হলো Unlimited work, unlimited income এবং সেবা। প্রফেশনে সেবা নির্ধারিত আছে কিন্তু অকুপেমনে সেবা নির্ধারিত নেই। বেকারত্ব দূরীকরণ, মানুষকে সঞ্চয়মুখী করা, অর্থনীতিকে গতিশীল করা সব মিলিয়ে বীমা পেশাকে আমার পছন্দ হয়েছে। এটাকে শ্রেষ্ঠ পেশা মনে হয়েছে।
জীবন বীমার নানা সফলতা
আজকের তুলনায় ২৫ বছর আগে মানুষের মধ্যে বীমা সচেতনতা এত বেশি ছিল না। অনেক সামাজিক বাধা, অন্ধ বিশ্বাস এসব ছিল। একবার আমি জাফরউল্লাহ স্যার সহ একজনের কাছে বীমা করার জন্য যাই। তিনি সব কিছু শুনে বলে উঠলেন, বীমা একটি হারাম কাজ। আমার তখন কিছু বলা কঠিন হয়ে দাড়ালো। কিন্তু জাফরউল্লাহ স্যার পবিত্র কোরআনের আয়াত এবং ধর্মীয় মূল্যবান ব্যাখ্যা দিয়ে তাকে বুঝালেন। দুর্দিনে সঞ্চয়ের কথা ইসলাম ধর্মে আছে একথা তিনি সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে বললেন। তিনি ধর্মীয় ভাবে বিষয়টি বুঝিয়ে বললেন, তখন ভদ্রলোক ইতিবাচক সনোভাব দেখালেন এবং সেখানে আমরা দশলক্ষ টাকা বীমা অংকের পলিসি করতে সমর্থ হলাম। আসলে চমৎকার বিক্রয় শৈলী, উপস্থাপনা কৌশল, বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি বিষয় বীমা পেমায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এ পেশা ধৈর্যশীল পেশা। কিন্তু মানুষ সুদ মনে করে বীমা করেনা। ধর্মীয় ভাবে এদের বুঝিয়ে একটা চমৎকার আবহাওয়অ সৃষ্টি করে যে কোন নেতিবাচক পরিবেশ ইতিবাচক করা ইত্যাদির জন্য প্রচন্ড ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। ১০০% নিগেটিভ মানুষকেও পজেটিভ করা যায়। জাফর উল্লাহ স্যারের থেকে আমি এটা শিখেছি।
যা হোক, জেবিসিতে ১৯৮৫ সালের মে মাসে কাজ শুরু করে প্রথম মাসেই বেশ ভাল সফলতা পেলাম। আমার বীমা কর্মজীবনে অর্থাৎ জীবনের প্রথম পলিসি হোল্ডার হচ্ছেন চট্টগ্রামের বারিক বিল্ডিং বাংলা বাজার এলাকায় এস.এম তাহের। তিন বার প্রোগ্রাম করার পর পাঁচ লক্ষ টাকা বীমাঅংক দিয়ে তার বীমাটি ক্লোজ করি। বার্ষিক প্রিমিয়াম হয় ৩০ হাজার টাকা এবং ১৮ বছর মেয়াদী।
আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরু জনাব এটিএম জাফর উল্লাহ চৌধুরী যিনি ঐ সময়ে ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার হিসেবে জেবিসিতে কর্মরত ছিলেন, তার অসাধারণ বিক্রয় শৈলী দেখে সে দিন আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। বলতে গেলে তার বিক্রয় শৈলী কৌশলের কারনে আমার জীবনে প্রথমেই পাঁচ লক্ষ টাকার একটি বীমা বিক্রি করতে সক্ষম হই। নিজে থেকে অযাচিতভাবে মানুষের কুশলাদি বিনিময় করাটা প্রথম দিকে অনভিজ্ঞতার কারণে আমি মুগ্ধ হতাম।
অচেনা মানুষকে ভালবেসে আপন করে নেয়া, তার সাথে মিশে একটা আত্মীয়তা সম্পর্ক গড়ে তোলা অর্থাৎ আন্তরিকতার হাত দশ দিকে প্রসার করতে পারলে বীমা পেশায় সফলতা অনিবার্য। শত্র“ হোক মিত্র হোক সবাইকে আপন করে নেয়ার কৌশল অর্জন করতে হবে। বিশ্বকবি রবীন্দ্র নাথ বলেছেন, সবারে বাসরে ভাল, নইলে মনের কালি ঘুচবে নারে।
পল্লীকবি জসীমউদ্দিন মানুষকে আপন করে নেওয়ার চন্য তার কবিতায় বলেছেন,
আমার এঘর ভাঙ্গিয়াছে যেবা
আমি বাঁধি তার ঘর
আপন করিতে খুঁজিয়া বেড়াই
যে মোরে করেছে পর।
জেবিসিতে ফিল্ড অফিসার হিসেবে প্রথম মাসেই সাত হাজার টাকা কমিশন পেলাম। পাঁচ লাখ টাকার বীমা ছাড়াও আরও দু তিনটি বীমা বিক্র করেছিলাম। আমি তো আনন্দে আত্মহারা। এত টাকা কমিশন। তাও আবার প্রথম মাসে। ১৯৮৫ সালে চালের কেজি ছিল বড়জোর চার-পাঁচ টাকা। এসময় সাত হাজার টাকা মানে অনেক টাকা। কমিশনের টাকা পেয়ে বন্ধদের আপ্যায়িত করলাম, ভাবাকে একটি গিফট্ কিনে দিলাম। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাতেও কিছু টাকা ব্যায় করলাম। তখন আমাকে আর পায় কে। কাজের উৎসাহ বেড়ে গেল।
জেবিসেতে পেশাগত জীবনে ছয় মাসের মধ্যে আমার জীবনে প্রথম একটি মৃত্যুদাবীর চেক হস্তান্তর করি। বীমা গ্রাহক আনোয়ার হোসেন লোহাগড়া থানার আধুনগর গ্রামের বাসিন্দা ছেলেন। তার ৫০ হাজার টাকার বীমা ছিল। তার মৃত্যুতে তিন জন এতিম বাচ্চা এবং বিধবা স্ত্রী তথা এ পরিবারে দুঃখ এবং দারিদ্রের কালো ছায়া নেমে আসে।
মরহুম আনোয়ার হোসেনের তিন জন এতিম বাচ্চা ও তার বিধবা স্ত্রীর হাতে ৫০ হাজার টাকা বীমা দাবীর চেক তুলে দেয়ার মুহুর্তটি আমার জীবনে স্মরনীয় ঘটনা। জীবন বীমা পেশা যে পৃথিবীর মহান ও সর্বশ্রেষ্ঠ পেশা হৃদয়ে এদিন আমার দাগ কেটে যায়। চেক হস্তেন্তর অনুষ্ঠানে ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার এটি এম জাফরউল্লাহ চৌধুরী সহ পটিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করে। কারন ১৯৮৫ সালে একটি গ্রামে একজন ব্যক্তি বীমা প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ হাজার টাকা মৃত্যু দাবীর চেক পেতে পারেন এটা ছিল একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা। মানুষ মরে গেলে তার লাশেল কোন মূল্য নেই। দুুর্দিনে শান্তনা দেয়া ছাড়া কেউ আর্থিক সাহায্যে বিশেষ করে এত বড় অংকের আর্থিক সাহায্যে এগিয়ে আসার ঘটনা বিরল।
মরহুম আনোয়ার হোসেনের অকাল মৃত্যুতে তার অসহায় পরিবার বর্গের পাশে এসে দাড়িয়েছে জীবন বীমা কর্পোরেশনের ম্যানেজার ও অফিসাররা। এরাই বিপদের বন্ধু। এদিন থেকে আমি মনে মনে শপথ নেই, এ পেশার মাধ্যমে মানুষের সেবা করবো এবং গ্রামে গঞ্জে ও শহরে সমাজে বেকার ছেলে মেয়েদের কর্মসংস্থান করবো। সর্বোপরি শ্রমজীবী মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ গড়ে তুলবো।
দিনে দিনে আমার কাজে অগ্রগতি হতে থাকল। ফিল্ড অফিসার থেকে কাজের মধ্যে দিয়ে আমি একসময় ডেভেলপমেন্ট অফিসার হয়ে গেলাম। অনেক ফিল্ড অফিসার এখন আমার অধীনে থেকে কাজ করছে। জেবিসির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, সম্মেলনে কাজের স্বীকৃতি বাবদ পুরস্কার পেলাম। এ সময় জীবন বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন জনাব মুস্তাফিজুর রহমান।
বীমা জগতে একটি বহুল আলোচিত এবং জনপ্রিয় বই, যে ব্যবসা সম্মানের, যে ব্যবসায় মূলধন লাগেনা বইটির লেখক জনপ্রিয় এবং সুনাম খ্যাত বীমা ব্যক্তিত্ব এম. এ সামাদ। ঢাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয় আয়োজিত একটি পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বীমা ব্যক্তিত্ব জনাব এম. এ সামাদ স্যারের কাছ থেকে পুরষ্কার নিলাম। তিনি তখন বিজিআইসি এর প্রতিষ্ঠাতা এম,ডি। স্যারের সাথে আমার পরিচয় হলো। পুরষ্কার নেওয়অর সময় স্যার আমাকে বললেন, কনগ্রাচুলেশন, গো আ্যহেড (Congratulation, go ahead)| । এখানে সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মুস্তাফিজুর রহমান স্যারের সাথে পরিচিত হলাম। তিনি ও আমার কাজের প্রশংসা করলেন। কাজের প্রশংসা কে না চায়। তার জন্য তো কাজ করা চাই। পরিশ্রম করতে হবে, কঠোর পরিশ্রম। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা চাই।