Belal Hossain

Belal Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Belal Hossain, Baipail , Ashulia, Savar , Dhaka, Baipail.

ফেব্রিক GSM নিয়ে কিছু তথ্য জেনে রাখুন | Fabric GSMফেব্রিক GSM নিয়ে কিছু কথা এবং সমস্যা গুলিজিএসএম( GSM) মানে হলো গ্রাম /...
06/03/2026

ফেব্রিক GSM নিয়ে কিছু তথ্য জেনে রাখুন | Fabric GSM

ফেব্রিক GSM নিয়ে কিছু কথা এবং সমস্যা গুলি

জিএসএম( GSM) মানে হলো গ্রাম /স্কয়ার মিটার । সহজ করে বললে – এক স্কয়ার মিটার কাপড়ের ওজন যত গ্রাম সেটাই তার জিএসএম । আর স্কয়ার মিটার হলো এক মিটার দৈর্ঘ্য ও এক মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট কোন বর্গ ।

জিএসএম মাপা কাপড়ের মাপঃ
আর স্কয়ার মিটার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বিশিষ্ট বর্গ উভয় কোন = ১১ সেন্টিমিটার হয়।

ফেব্রিক GSM : নিয়ে কিছু আলোচনা

১. নীট কাপড় কে কেজি হিসেবে কেনা হয় আর ওভেন কাপড় কে গজে কেনা।

২. GSM শুধু মাত্র নীটে মাপা হয় ওভেন কাপড় এর GSM মাপা হয় না। ইদানীংকালে আমাদের বায়াররা কাপড় এর জন্য GSM এর লিমিট ধরিয়ে দিচ্ছেন।

৩. ওভেন কাপড় এর বডি বা সেল কাপড় এর GSM চেক করেন বায়ার পকেটিং এর কাপড় বা কন্ট্রাস্ট কাপড় এর GSM চেক করেন না।

৪. GSM টলারেন্স +-৫ এটাই স্টেন্ডার্ড কিন্তু প্রডাকশনে আমরা +-১০ পর্যন্ত আমরা ডেলিভারি দেই নীট ও ওভেন উভয়ের জন্য।

৫. ফিজিক্যাল প্রপার্টির মধ্যে Shrinkage এর পর GSM সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

৬. নীট এবং ওভেন উভয়ের Width কমাইয়া Length এ ওভার ফিড দিলে GSM এমন বাড়ে।

৭. কাপড় রিলাক্সয়ে রাখলে বা ঠান্ডা করলে GSM বাড়ে।

৮. ওভেন কাপড় এর GSM বাড়াইতে কাপড় কে সানফোরাইজ করে দিতে হয়। ফুল স্টিম দিলে GSM বেশি বাড়ে।

১০. নীট কাপড় এর GSM বায়ার Required GSM এর চেয়ে বেশি হয়ে গেলে এর জন্য বেশি কাপড় দিতে হয় কারন কাপড় খেপে যায় এর জন্য বডি কম বা শর্ট হয়ে যায়, তাই বাডি কোয়ানটিটি ফিল আপ এর জন্য বাড়তি কাপড় জরিমানা দতে হয়।

GSM বাড়ানোর ম্যাকানিক্যাল প্রসেস

Dia ফিক্সড + GSM বাড়াতে হবেঃ

১. টেনশন লেস করে ৮০% - ১০০% ওভার ফিড দিয়ে স্টেনটারে ফিনিশ করে দিতে পারেন

২. ফেব্রিক রোল বাই রোল হাইড্রো এক্সট্রাক্ট করে রিলাক্স ড্রায়ারে ড্রাই করে নিতে হবে।

৩. ফেব্রিক রোল বাই রোল হাইড্রো এক্সট্রাক্ট করে ট্রাম্বেল ড্রায়ারে ড্রাই করে নিতে হবে।

Dia ফিক্সড না + GSM বাড়াতে হবেঃ

১. ওভার ফিড দিয়ে কম্পেক্টিং করে নিলেই GSM বাড়বে ।

২. স্টিমে দিয়ে সানফোরাইজ করে নিতে হবে এবং ব্লাংকেট প্রেশার বাড়িয়ে দিতে হবে।

GSM কমাতে হবেঃ

১. Dia + করে আন্ডার ফিডিং করে চালালে GSM কমে যাবে

২. বিনা স্টিমে ব্লাংকেট প্রেশার কমিয়ে কম্পেক্টিং করতে হবে।

GSM কম বেশি হলে যে যে সমস্যা গুলি হতে পারেঃ

GSM কম বেশি হলে সমস্যা হয়ঃ

GSM এর জন্য বায়ার এর সুনির্দিষ্ট এপ্রুভাল এবং রিঞ্জেক্টশন টলারেন্স রেঞ্জ আছে যা Target GSM এর +/- 5% পর্যন্ত চলে । কিন্তু ফেক্টরি গুলিতে ইন হাউস টলারেন্স রেঞ্জ +/- 10%.

GSM কম বেশি হলে যে যে সমস্যা গুলি হতে পারে :

১. কাপড় এর GSM বেশি মানে ওই কাপড়ে লুপের পরিমান বেশি আর লুপের পরিমান বেশি মানে সুতার পরিমান বেশি তাই কাপড়ে সুতা বেশি ব্যাবহার করা ম্যানুফেচারার এর লসের কারন। তাই চাইলে GSM বেশি দেয়া যাবে না ।

২. GSM বাড়লে কাপড় এর কম ভলিউমে বা আয়তনে ওয়েট বেড়ে যায় যার ফলে গার্মেন্টস কাটিংয়ে গেলে ওয়েট অনুযায়ী কাপড় পেলেও বডির পরিমান শর্ট হয়ে যায়।

৩. বায়ার প্যাকিং এর জন্য আলাদা নির্দেশনা দেয়া থাকে যে প্রতিটা প্যাকে কয়টা বডি থাকবে এখন GSM বড়লে বডির ভলিউম বড়বে যা প্যাকে নাও ধরতে পারে তাই বায়ার এর ক্যাল্কুলেটেড এবং এক্সপেক্ট GSM অনুযায়ী কাপড় দিতে হবে।

৪. কাপড় এর GSM অনুযোয়ী তার জন্য কেয়ার লেবেল তৈরি করা হয় যার কিন্তু GSM এর ভেরিয়েশন হলে কাপড় এর ওয়াসিং এর ক্যামিকেল এর রেসিও কাজ করবে না যার ফলে সুনির্দিষ্ট GSM অনুযায়ী কাপড় দিতে হবে।

৫. গার্মেন্টস যদি শিপমেন্ট এর পরিবর্তে এয়ার হয় তবে বেশি GSM এর ফলে প্যাকেট এর ওয়েট বেড়ে যাবে যার ফলে এয়ার কস্ট / চার্জ বেড়ে যাবে আর এই চার্জ কোম্পানিকে বহন করতে হবে।

৬. ফ্যাশন ডিজাইনার গন GSM নির্ধারন করেন এনভায়রনমেন্ট, ওয়েদার অনুযায়ী যেমন প্রডাক্ট কি মিডেল ইস্ট, ইউরোপ, আমেরিকা কোথায় চলবে তার উপর ভিত্তি করে যেমন সৌদিতে High GSM হলে যেমন তাদের বিরক্তির কারন হবে তেমনি ইউরোপ এর জন্য লোয়ার GSM তাদের জন্য আরামদায়ক হবে না।

৭. GSM কম হলে তা রিকোভার করার জন্য রিফিনিশিং, রিপ্রসেস করার প্রয়োজন হয় যা চার্জ ফিনিশিং চার্জ এর মতোই তাই ম্যানুফেচারার এর কস্টিং বাড়ায়।

লেটার অব ক্রেডিট Latter Of Credit LCলেটার অব ক্রেডিট বিস্তারিত:আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক কর্তৃক ...
06/03/2026

লেটার অব ক্রেডিট Latter Of Credit LC

লেটার অব ক্রেডিট বিস্তারিত:

আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক কর্তৃক রপ্তানিকৃত পণ্যের মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে আমদানিকারকের পক্ষে ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণপত্র বা লেটার অব ক্রেডিট (এল সি) খোলার প্রচলন হয়।

লেটার অব ক্রেডিট বা ঋণপত্র হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ঋণপত্র ইস্যুকারি ব্যাংক রপ্তানিকারকের প্রতি এই মর্মে অপ্রত্যাহারযোগ্য নিশ্চয়তা প্রদান করে যে, যদি রপ্তানিকারক বা ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারি ঋণপত্রে বর্ণিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে ঋণপত্রে নির্দিষ্ট মূল্যের ভিত্তিতে ঋণপত্রে উল্লেখিত পরিমাণ পণ্য বা সেবা রপ্তানি করে ঋণপত্রে বর্ণিত শর্ত পূরণ এর পক্ষে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট (যেমন: ইনভয়েস, প্যাকিংলিষ্ট, পরিবহন দলিল, বিল অব এক্সচেঞ্জ, কান্ট্রি অব অরিজিন ইত্যাদি) ঋণপত্র ইস্যুকারি ব্যাংক বা তার মনোনীত কোন ব্যাংকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করে তাহলে ঋণ ইস্যুকারি ব্যাংক ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারকে মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। তাই রপ্তানিকারক এল সি-এর মাধ্যমে তার পণ্যের মূল্য প্রাপ্তি সম্পর্কে যেমন নিশ্চিন্ত হতে পারে তেমনি আমদানিকারকও এল সি-এর বিপরীতে পণ্য প্রাপ্তির পর রপ্তানিকারককে পণ্য মূল্য পরিশোধ করতে পারে।

আমদানিকারকের ধরন

আমদানিকারককে তিনভাগে ভাগ করা যায়:

১. শিল্পকারখানাভিত্তিক আমদানিকারক

২. বাণিজ্যিক আমদানিকারক

৩.ওয়েজ আর্নার বা বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারি আমদানিকারক

লেটার অব ক্রেডিটের ধরন

প্রধানত: লেটার অব ক্রেডিট (ইররিভোকেবল) অপ্রত্যাহারযোগ্য প্রকৃতির হয়ে থাকে। এছাড়াও অন্য যেসব ধরনের এল সি হয়ে থাকে তা হচ্ছে:

১. ট্রান্সফারেবল এল সি

৩. রেড ক্লজ এর সি

৪. গ্রীণ ক্লজ এল সি

৫. উইথ রিকোর্স এল সি

৬. উইথাউট রিকোর্স এল সি

৭. রিভলভিং এল সি

৮. এ্যাট সাইট এল সি

লেটার অব ক্রেডিট-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত পক্ষসমূহ এল সি-এর সঙ্গে জড়িত পক্ষসমূহ হচ্ছে:

ক. ইম্পোর্টার/বায়ার: যার অনুরোধে ব্যাংক এল সি খোলে তাকে এপ্লিকেন্ট বলে এবং তিনিই ইম্পোর্টার বা বায়ার।

খ. ইস্যুয়িং ব্যাংক: যে ব্যাংক ইম্পোর্টার-এর পক্ষে এল সি খোলে তাকে ইস্যুয়িং ব্যাংক বলে।

গ. রপ্তানিকারক/বিক্রেতা/বেনিফিশিয়ারি: যে পক্ষের অনুকূলে এল সি খোলা হয়ে থাকে রপ্তানিকারক/ বিক্রেতা/ বেনিফিশিয়ারি বলে।

ঘ. এডভাইজিং/নোটিফাইং ব্যাংক: রপ্তানিকারকের দেশে অবস্থিত যে ব্যাংকের মাধ্যমে এল সি এডভাইস পাঠানো হয় তাকে এডভাইজিং ব্যাংক বলে।

ঙ. কনফার্মিং ব্যাংক: যে ব্যাংক ইস্যুয়িং ব্যাংকের অনুরোধে এল সি-তে তার নিশ্চয়তা (কনফার্মেশন) প্রদান করে তাকে কনফার্মিং ব্যাংক বলে। এটা এডভাইজিং ব্যাংকও হতে পারে।

চ. নেগোশিয়েটিং ব্যাংক: এটা এমন এক ব্যাংক (ঋণপত্রে উল্লেখিত ব্যাংক বা ঋণপত্রে উল্লেখ না থাকলেও যেকোন ব্যাংক) যেখানে ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারি উক্ত ঋণপত্রে নিদিষ্ট মূল্যের ভিত্তিতে ঋণপত্রে উল্লেখিত পরিমাণ পণ্য বা সেবা রপ্তানির স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস-এর বিপক্ষে ঋণ নিতে সক্ষম।

ছ. পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক: যে ব্যাংকের উপর বিল এর মূল্য দেওয়া হয় তাকেই পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক বলে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইস্যুয়িং ব্যাংকই পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক হিসেবে কাজ করে।

লেটার অব ক্রেডিট খুলতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ:

এল সি খুলতে আগ্রহী বায়ার বা ইম্পোর্টার-এর এল সি ইস্যুয়িং ব্যাংক-এ অবশ্যই ব্যাংক একাউন্ট বা ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। এছাড়া এল সি খোলার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন তা হচ্ছে:

১. ইম্পোর্ট রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট (আই আর সি) যা চীফ কন্ট্রোলার অব ইম্পোর্ট এ- এক্সপোর্ট (সি সি আই এ- ই) এর দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হয়।

২. কোন স্বীকৃত চেম্বার বা এসোসিয়েশনের সদস্য সনদ পত্র

৩. ইন্স্যুরেন্স কভার নোট এবং ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম পরিশোধ রশিদ

৪. ইনডেন্ট বা প্রোফর্মা ইনভয়েস (পি আই) এর কপি

৫. টিন সার্টিফিকেট

৬. ট্রেড লাইসেন্স

৭.ভ্যাট সার্টিফিকেট

৮.জাতীয় পরিচয় পত্র কপি

এছাড়া ব্যাংক-এর সরবরাহ করা নিম্নোক্ত কাগজ পত্রাদি পূরণ ও স্বাক্ষর করে জমা দিতে হয়।

১.এল সি এপ্লিকেশন ফরম

২.আই এম পি ফরম

৩. ব্যাংক চুক্তি সংক্রান্ত ডকুমেন্ট

৪. গ্যারান্টি ফরম

যদি এল সি খোলার সময় জামানত বা সিকিউরিটি প্রদান করতে হয় তাহ’লে উক্ত জামানত বা সিকিউরিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

লেটার অব ক্রেডিট সাধারণ আলোচনা

আমদানি-রপ্তানির প্রতি পদে পদে ঝুঁকি বিরাজমান। রপ্তানিকারকের ভয় থাকে যদি ক্রেতা পণ্যের মূল্য পরিশোধে ব্যর্থ হয়। আবার আমদানিকারকের ভয় থাকে অর্থ পেয়ে যদি বিক্রেতা মালামাল না পাঠায়। এক দেশ থেকে আরেক দেশে দূরত্বের কারণে বিরোধ নিষ্পত্তি করা সহজ হয়না। এসব ঝুঁকি এড়াতে পণ্যের ক্রয় বিক্রয়ে লেটার অব ক্রেডিট বা ডকুমেন্টরি ক্রেডিটের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এর মাধ্যমে বিক্রেতাকে এক ধরনের গ্যারান্টি প্রদান করা হয় যে, বিক্রেতা তার পণ্যের মূল্য নিশ্চিতভাবে বুঝে পাবে এবং ক্রেতা এই মর্মে নিশ্চিত হবেন যে, পণ্য তার জিম্মায় না পৌঁছানো পর্যন্ত কোন আর্থিক লেন-দেন সম্পন্ন হবে না।

লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে মুলত: ব্যাংকের দেওয়া এক ধরনের গ্যারান্টি যে নির্দিষ্ট বিক্রেতা কোন পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের জন্য তার প্রাপ্য সে ক্রেতার কাছ থেকে পাবে। ব্যাংক নিশ্চিত ক’রে বলে দেয়, ক্রেতা ঠিক কোন্ সময়ে কোন্ কোন্ কাগজ পত্রের ভিত্তিতে প্রাপ্য অর্থ পাবে। এর বিনিময়ে বিক্রেতার কাছ থেকে অর্থ পাবার জন্য কঠোর শর্ত পালনের অঙ্গীকার গ্রহন করে থাকে। এর মধ্যে থাকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট- যেমন শিপিং-এর প্রমাণ পত্র-বিল অব লেডিং।

লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারে বিক্রেতার সুবিধা

ক্রয়-বিক্রয়ে লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে ক্রেতা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেন যে, সে কত টাকা পাবে বা কোন্ সময়ে পাবে। রপ্তানিকারকের কাছে লেটার অব ক্রেডিট অর্থ প্রাপ্তির নিরাপদ মাধ্যম। অবশ্য এজন্য তাকেও এল সি-তে বর্ণিত শর্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করতে হয়। অর্থ না পাবার ঝুঁকি এল সি-র ক্ষেত্রে ব্যক্তির থেকে ব্যাংকের কাছে হস্তান্তরিত হয়।

ক্রেতার সুবিধা

এল সি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্রেতা নিশ্চিত হয় যে, বিক্রেতা তার শর্ত যথাযথভাবে পূরণ করেছে কারণ প্রতিটি পদক্ষেপে তাকে ডকুমেন্টরি এভিডেন্স ব্যাংকে জমা দিতে হয়। যেমন পণ্যের শিপমেন্ট হয়েছে কি-না তা বিল অব লেডিংস-এর মাধ্যমে প্রমাণ মেলে। যেহেতু বিল অব লেডিংস শিপিং কোম্পানি অর্থাৎ একটি তৃতীয় পক্ষ প্রদান করে, এখানে ক্রেতা শিপমেন্টের তারিখ নিয়ে ছল-চাতুরি করতে পারে না। তেমনি পণ্যের মানের ক্ষেত্রেও তৃতীয় পক্ষ ইন্সপেকশন কোম্পানি সনদপত্র প্রদান করলে তা ব্যাংকে জমা দিতে হয়। কারণ অনেক সময় এল সি-তে এই সনদ পত্র জমা দেওয়ার বিধান থাকে এবং ব্যাংক এই সনদ পত্র ব্যতিত ক্রেতার প্রাপ্য অর্থ ছাড় করণের পদক্ষেপ গ্রহন করে না।

তবে মনে রাখা দরকার

লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে ক্রেতা বা বিক্রেতা উভয়কেই বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়। লেটার অব ক্রেডিট প্রতিপালনের জন্য ব্যাংক নির্দিষ্ট হারে চার্জ আদায় করে। রপ্তারিকারক হলে তাকে মনে রাখতে হবে লেটার অব ক্রেডিটে বর্ণিত সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালন করলেই কেবল সে তার প্রাপ্য দাবি করতে পারে, অন্যথায় তার পাওনা আটকে যেতে পারে। লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে পণ্য সরবরাহে দেরি হতে পারে।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ি সকল আমদানি কেবল লেটার অব ক্রেডিটের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে হবে। কিন্তু বিশে^ বেশির ভাগ দেশে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে ক্রেডিট কার্ড, পে-পাল অথবা টি টি-র মত সহজ ট্রানজেকশন জনপ্রিয়। সেকারণে বেশির ভাগ দেশে এল সি সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন স্বচ্ছন্দ নয়। বাংলাদেশী আমদানিকারকেরা এতে রপ্তানিকারককে লেটার অব ক্রেডিটের বিষয়টি বোঝাতে হিমসিম খায়। বিশেষ ক’রে উন্নয়নশীল দেশগুলো অর্থ যাতে সহজে পাচার হয়ে যেতে না পারে সেজন্য এল সি-র মত পদ্ধতি বাধ্যতামুলক করে থাকে। লেটার অব ক্রেডিট সঠিক ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করে তবে সঠিক পণ্যের নিশ্চয়তা দেয়না।

লেটার অব ক্রেডিটের ধরন

-ইররিভোকেবল

-রিভোকেবল

-আনকনফার্মড

-কনফার্মড

-ট্রান্সফারেবল

অন্যান্য ধরনগুলো হচ্ছে:

-স্টান্ড-বাই

-রিভলভিং

-ব্যাক টু ব্যাক

রিভোকেবল এবং ইররিভোবেল এল সি

রিভোকেবল এল সি-ও ক্ষেত্রে যে ব্যাংক এল সি-টি ইস্যু করেছে সে ইচ্ছে করলে যেকোন সময়ে বা যেকোন কারণে তা বাতিল করতে পারে। তবে ইররিভোকেবল এল সি-র ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষ একমত না হলে এর কোন পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না।

কনফার্মড এবং আনকনফার্মড লেটার অব ক্রেডিট

ক্রেতা লেটার অব ক্রেডিট যে ব্যাংকে খোলে তাকে ইস্যুয়িং ব্যাংক বলে। বিক্রেতা চায় তার দেশের কোন ব্যাংক সেই লেটার অব ক্রেডিট সঠিক আছে কি-না তা পরীক্ষা ক’রে দেখুক। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য বিক্রেতা চায় যে ব্যাংক (কনফার্মিং ব্যাংক) এটা পরীক্ষা করেছে তারা একটা নিশ্চয়তাও প্রদান করুক। এই নিশ্চয়তা দেওয়ার ফলে ইস্যুয়িং ব্যাংক যদি বিক্রেতাকে পণ্য মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় তবে কনফার্মিং ব্যাংক তা পরিশোধ করবে। সেকারণে কনফার্মড লেটার অব ক্রেডিট সবসময় বিক্রেতাকে আনকনফার্মড লেটার অব ক্রেডিটের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা দেয়।

ট্রান্সফারেবল লেটার অব ক্রেডিট

ট্রান্সফারেবল লেটার অব ক্রেডিট একজন বেনিফিশিয়ারির কাছ থেকে অপর বেনিফিশিয়ারির কাছে হস্তান্তর করা যায়। এধরনের লেটার অব ক্রেডিট সাধারণতঃ মধ্যস্বত্ব ভোগী জড়িত থাকলে (ক্রয়-বিক্রয়ে) ব্যবহৃত হয়।

স্টান্ড-বাই লেটার অব ক্রেডিট

স্টান্ড-বাই লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে ব্যাংকের এই মর্মে নিশ্চয়তা দেওয়া যে, ক্রেতা পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে সক্ষম এবং বিক্রেতাকে সে মূল্য পরিশোধ করবে।

রিভলভিং লেটার অব ক্রেডিট

একটি রিভলভিং লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে একাধিক দেনা-পাওনা মেটানোয় সক্ষম এক বিশেষ এল সি।

ব্যাক টু ব্যাক লেটার অব ক্রেডিট

রপ্তারিকারকের অনুকূলে যখন এল সি খোলা হয় কিন্তু পণ্যাদি সরবরাহ করার মত প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের রপ্তানি এল সি টি সহায়ক জামানত হিসেবে রেখে এডভাইজিং ব্যাংকে বা তার দেশীয় কোন ব্যাংক পণ্যের মূল্য সরবরাহকারির অনুকূলে আর একটি এল সি খোলা হলে তাকে ব্যাক টু ব্যাক এল সি বলে। প্রথম এল সি-র প্রায় সব শর্তাবলি অবিকল অবস্থায় দ্বিতীয় এল সি-তে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। সাধারণতঃ কোন রপ্তানি এল সি-র বিপরীতে ইউজেন্স ব্যাক টু ব্যাক এল সি খোলা হয়। তবে এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফা- স্কীম (ই ডি এঅ এস)-এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা করে “ এট সাইট ব্যাক টু ব্যাক এল সি” খোলা হয়।

দেশের রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে রপ্তানি সহায়তা (এক্সপোর্ট ইনসেনটিভ) হিসেবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক রপ্তানিকারকদের ই ডি এফ সুবিধা প্রদান করে থাকে। এ সুবিধার আওতায় রপ্তানিকারক বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে রপ্তানির বিপরীতে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আমদানিকারককে ঋণ গ্রহনের তারিখ হতে ১৮০ দিনের মধ্যে (অনুরোধে ২৭০ দিন) লাইবর রেটের চেয়ে ১% বাড়তি হারে গৃহিত ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হয়। বাংলাদেশে তৈরী পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক টু ব্যাক এল সি-র মাধ্যমে পোশাক তৈরীর উপকরণাদি সংগ্রহ করে থাকে। রপ্তানিকারককে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ মোতাবেক ব্যাক টু ব্যাক এল সি খুলতে হয়। ব্যাক টু ব্যাক এল সি-র ক্ষেত্রে নীচের শর্তাবলি অবশ্যই পালন করতে হয়।

(ক) শুধুমাত্র অনুমোদিত রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান যাদের সি সি আই এ- ই থেকে রপ্তানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট আছে এবং বৈধ বন্ডেড ওয়ারহাউস লাইসেন্স আছে তারাই ব্যাক টু ব্যাক এল সি খুলতে পারে।

(খ) ব্যাক টু ব্যাক এলসি এর মূল্য অবশ্যই মাষ্টার/মাদার এল সি তে উল্লিখিত এফওবি এর মূল্যেও চেয়ে কম হতে হবে ।

(গ) বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বার্টার (স্পেশাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট) এর অধীনে রপ্তানীর ক্ষেত্রে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা যাবে না।

(ঘ) ব্যাক টু ব্যাক আমদানী এলসির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক খ্যতি সম্পন্ন ইন্সপেকশন ফার্ম এর ইন্সপেকশন সার্টিফিকেট সংযোজন করতে হবে।

ব্যাক টু ব্যাক এলসি’র ক্ষেত্রে নিমোক্ত কাগজ ও দলিল দরকার হয় :

১.মাষ্টার এলসি (রপ্তানী এলসি)

২.বৈধ বন্ডেড ওয়ার হাউজ লাইসেন্স

৩.বস্ত্র মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যুকৃত টেক্সটাইল অনুমতিপত্র

৪. লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে যৌথ মূলধনী কোম্পানীর ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট

৫.এলসি অবেদন পত্র

৬. আমদানী অনুমতি পত্র

৭. প্রোফরমা ইনভয়েস/ইন্ডেন্ট

৮. টাকা জমা রশিদসহ ইন্সুরেন্স কভার নোট

৯.পূরণকৃত ও সংরক্ষিত এলসি ফরম

১০.সি আই বি রিপোর্ট

১১.কোটার ক্ষেত্রে কোটা কাগজপত্র

১২.ট্রেড লাইসেন্স

১৩.বৈধ আইআরসি ও ইআরসি

১৪. বিজিএমই এর সদস্য সার্টিফিকেট

১৫.টিন সার্টিফিকেট

PH কি ? ফেব্রিকের PH টেস্টের নিয়ম💠PH কি ?PH কি ? ফেব্রিকের PH টেস্টের নিয়মPH হলো কোনো জলীয় দ্রবণ অম্লীয় , ক্ষারীয় নাকি ন...
05/03/2026

PH কি ? ফেব্রিকের PH টেস্টের নিয়ম

💠PH কি ?

PH কি ? ফেব্রিকের PH টেস্টের নিয়ম
PH হলো কোনো জলীয় দ্রবণ অম্লীয় , ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা জানার একক। সহজে বুঝতে গেলে pH হলো কোনো দ্রবণে উপস্থিত হাইড্রোজেন আয়নের (H+) ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম।

💠 ফেব্রিকের Ph টেস্ট কেন করতে হয় ?

এসিড/ক্ষার শরীরের জন্য খুব মারাত্মক উপাদান।ফেব্রিকে এর মাত্রা ঠিক আছে কি না তা জানতে এই টেস্ট করা হয়। এসিডিক/ক্ষারীয় মিডিয়া চামড়ার ক্ষতি করে আর ফেব্রিক এর সেড নষ্ট করে তাই ফেব্রিক নিউট্রাল কিনা তার জন্য pH চেক করতে হয়। সারা বিশ্বে দিন দিন ডেনিম এবং টুইল, নীট ফ্রেবিকের তৈরি পোশাকের চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলছে।।

এই সমস্ত গার্মেন্টস ওয়াশিং / ডাইং করার সময় বিভিন্ন প্রসেসে আমরা ব্লিচিং,কাস্টিক, সোডা সহ বিভিন্ন ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ব্যবহার করে থাকি।। এই প্রসেস গুলার শেষে যদি ph সঠিক ভাবে কন্ট্রোল না করা হয় তাহলে উক্ত কাপড় পরিধানের ফলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হতে পারে।কাপড় ঘামে ভিজে শরীরে চুলকানি সহ স্কিনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে।। তাই ওয়াশিং অথবা ডাইং এর সর্বশেষ প্রসেসে ph কন্ট্রোল করা জরুরি। এই টেস্ট করার ২ টি Method আছে।

1.ISO (International Organization For Standardization)

2.AATCC(Americal Association Of Textile Chemists and Colorist)

এখন কোন Method এ টেস্ট টি করতে হবে সেটা সম্পর্ন ভাবে Buyer Requirement এর উপর নির্ভর করবে। বুঝার সুবিধার জন্য আমরা ISO method কিভাবে ফেব্রিকের Ph টেস্ট করা যায় তা উপস্থাপন করা হল।
💠Sample preparation

✅প্রথমে আমাদের যে ফেব্রিকের Ph টেস্ট করতে হবে সেই ফেব্রিক থেকে (2.00 ± 0.05)gm ফেব্রিক কেটে নিতে হবে।পরে 2 gm ফেব্রিকটিকে কেটে ছোট ছোট টুকরা করে নিতে হবে এবং প্রত্যেক টুকরোর সাইজ হবে (5mm*5mm).

✅একইভাবে আমাদের আরও ২ টা নমুনা পস্তুত করতে হবে।

💠 Solution preparation Solution তৈরির জন্য আমাদের KCl এর 0.1 mole Solution তৈরি করে নিতে হবে। KCl এর আনবিক ভর=74.55gm/mole তাহলে 1 mole KCL=74.55 gm 0.1 mole KCL=7.455gm সুতরাং 1 L পানিতে 7.45gm KCL নিয়ে আমাদের Solution তৈরি করে নিতে হবে।

✅ Solution তৈরি করা হলে একটি কনিক্যাল ফ্লাস্কে 100 ml KCL Solution নিয়ে তাতে ফেব্রিকের টুকরোগুলা দিয়ে দিয়ে দিতে হবে।

✅ এখন কনিক্যাল ফ্লাস্কটিকে Automatic shaker machine Adjust করে 60 rpm এ 2 hrs Shaking করতে হবে যাতে Solution এর সাথে ফেব্রিকের টুকরোগুলা ভালে ভাবে মিশে যায়।

✅ Ph মিটার দিয়ে Ph মাপার আগে অবশ্যই মেশিনটি Calibration করে নিতে হবে।

✅ তারপর কনিক্যাল ফ্লাস্ক থেকে একটি বিকারে সামান্য mixing Solution নিয়ে তার মধ্যে ph মিটারে Electrod টি ডুবাতে হবে এবং মিটারে স্কিনে কত Ph সেটা দেখা যাবে।এভাবে আর ২ টা কনিক্যাল ফ্লাস্কের Ph মাপতে হবে।পরে লাস্টে পাওয়া ২ টা Ph এর Average করলেই আমরা Actual Ph পেয়ে যাব।

টি-শার্টের 30 টি মজার তথ্য আপনি জানতে চানটি শার্ট উপর বিস্ময়কর মজার ঘটনাঃ1) 1932 সালে উইজার্ড অফ ওজের প্রথম প্রোমো টি-শ...
25/02/2026

টি-শার্টের 30 টি মজার তথ্য আপনি জানতে চান

টি শার্ট উপর বিস্ময়কর মজার ঘটনাঃ

1) 1932 সালে উইজার্ড অফ ওজের প্রথম প্রোমো টি-শার্ট তৈরি হয়েছিল।

2) কোকা-কোলা প্রথম টি-শার্ট ব্র্যান্ড প্রচার করেছিল, বিশেষ করে 80 এর দশকে দিকে ।

3) F. Scott Fitzgerald প্রথম ব্যক্তি যে তাঁর উপন্যাস 'দ্য সাইড অফ প্যারাড্রেডে' 1920 সালে টি-শার্ট শব্দটি মুদ্রাঙ্কিত করেন।

4) টি-শার্ট তৈরির প্রথম কোম্পানি ছিল ট্রপিক্স টিগস । আসলে এটি পপ সংস্কৃতির আইকনগুলির সাথে টি-শার্ট প্রিন্ট করে যা টি-শার্টগুলি কাস্টমাইজ করার পথ সুগম করে ।

5) 1904 সালে টি-শার্টটি প্রথম কুপার আন্ডারওয়্যার কোম্পানি দ্বারা উৎপাদিত এবং বাজারজাত করা হয়, এ কারণে তাদেরকে লং আন্ডারওয়্যার বলা হয়। টি-শার্টটি টপ এবং বটম হাফ আলাদা করে চিনতো ।

6) টি-শার্ট প্রথম দশকের দশকে পপ সংস্কৃতিতে প্রবেশ করেছিল যা 1980 এর দশকে জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। এই সময় ছিল যখন রিংকেল ফ্রি টি শার্ট ম্যানুফেক্টারিং শুরু হয় ।

7) মারলন ব্র্যান্ডো, জন ওয়েইন এবং জেমস ডিনের মুভি স্টারগুলি টি-শার্ট জনপ্রিয় করেছে। তারপর পর্যন্ত, তারা এখনও আন্ডারওয়্যার হিসাবে বিবেচিত হয়।

8] তুলা উৎপাদন 7000 বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। , Mehrgarh city শহরে সিটি ব্যবহার প্রথম পাওয়া যায়।

9) বর্তমানে, চীন ও ভারত দুটো বৃহত্তম তুলো উৎপাদনকারী দেশ, যারা প্রায় 60 মিলিয়ন বেল বিক্রয় করে প্রতি বছর ।

10) বিশ্বের মোট তুলোর বাজার প্রায় 12 বিলিয়ন ডলার।

11) সাথে টি-শার্ট তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরণের উপকরণ যেমন চামড়া, সোনা এমনকি মানব চুলের ব্যবহার করা হয়।

12) 1905 সালে টি-শার্ট ইউ এস নেভিের ইউনিফর্ম হয়ে ওঠে।

13) 1930 সাল পর্যন্ত, টি-শার্টগুলি 'স্কিভিটি' এবং 'জিম শার্টস' লেবেলযুক্ত ছিল। তারপরে টি-শার্টগুলি খুব হালকা ছিল 1.5 থেকে ২ অউন্স ওজনের ছিলো ।

14) পল্টিসোল আবিষ্কার হয় 1959 সালে যার ফলে প্রিন্টেড টি-শার্ট ডিজাইন তৈরি সম্ভব হয় । এই প্রিন্ট কালার টেকসই এবং নমনীয় ছিল যা দিয়ে নানা রকম কালারের টি শার্ট প্রিন্ট করা সম্ভব ছিলো ।

15) আপনি কি জানেন যে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী 2 বিলিয়ন পিস টি-শার্ট বিক্রি হয় ।

16) আপনি কি জানেন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল টি-শার্ট প্রায় 400,000 ডলারে বিক্রি হয় । এটি ভেতরে মধ্যে 16 হীরা সেইলাই করা আছে।

17) 60 এর দশকে রক এবং রোল ব্যান্ডগুলিও কাস্টম স্ক্রীন প্রিন্টেড টি-শার্ট গুলিকে জনপ্রিয় করেছে । যাদের ব্রেন্ডের কস্টিউম ছিলো তাদের লোগো প্রিন্ট করা টি শার্ট।

18) প্রাচীনতম টেক্সটাইল প্রিন্টিং পদ্ধতিটি তৃতীয় শতাব্দীর চীন থেকে এসেছে, এটি ছিল কাঠের ব্লক প্রিন্টিং ।

19) প্রাচীনতম টি-শার্ট স্লোগান প্রিন্টিং এর কৃতিত্ব নিউইয়র্ক গভর্নর থমাস ই ডেভিয়ের যে প্রেসিডেন্টশিয়াল প্রচারণাতে এই স্লোগান যুক্ত টি শার্ট প্রথম ব্যাবহার করেন ।

20) মূলত টি-শার্টগুলি কেবল পুরুষের জন্যই ব্যবহৃত পোশাক ছিল, ফলে এটি কয়েক দশক ধরে পুরুষদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল । যা এখন নারী পুরুষ উভয় ব্যাবহার করে।

21) মার্কিন সেনারা প্রতি বছর লাখ লাখ টি শার্ট দান গ্রহণ করে । যা তৃতীয় বিশ্বের গরীব দেশ গুলিতে দিয়ে দেয়া হয়।

22) গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সবচেয়ে বেশি টি-শার্ট পরার রেকর্ড সংখ্যা
"257" টি । সব গুলির ওজন একসাথে প্রায় 200 পাউন্ড ।

23) টি-শার্ট রিসাইক্লেবল বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য এছাড়াও প্রায় 5 বিলিয়ন টন টেক্সটাইল বর্জ্য বছরে ল্যান্ডফিল করে।

২4) দত্ত ফুজ নামে একজন ব্যক্তি 3 কিলোগ্রাম সোনার একটি শার্ট তৈরি করেছেন। এটার বাজার মুল্য প্রায় $250000 ডলার ।

25) আপনি কি জানেন যে বিশ্বের বৃহত্তম টি-শার্টটি 300 ফুট দীর্ঘ এবং 200 ফুট প্রশস্ত।

২6) যুক্তরাষ্ট্রে 35000 তুলা খামার রয়েছে এবং ফলস্বরূপ তারা লোক নিয়োগ করে 4 ফুটবল স্টেডিয়ামগুলি পূরণের জন্য যথেষ্ট ।

27) আমেরিকার 60% এরও বেশি লোকের গড়ে 10 টি টি-শার্ট রয়েছে । যা ৩৪ বারের বেশি বৃত্তাকারে সারা বিশ্বকে জুড়ে দেয়া যাবে । পৃথীবির আয়তনের একটি পূর্ণ বৃত্ত তৈরি করতে আপনাকে প্রায় 56 মিলিয়ন টি-শার্ট লাগবে।

28) টি-শার্টের জন্য দ্বিতীয় সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্যাব্রিক তুলো পরে পলিয়েস্টার ফেব্রিক ।

২9) "1 টি টি শার্ট" তৈরির জন্য 6 মাইল দৈর্ঘ ইয়ার্ন লাগে কিন্তু প্রায় 1200 টি শার্ট তৈরির জন্য শুধুমাত্র 1 একর জমিনের তুলো লাগে ।

30) আন্তর্জাতিক টি-শার্ট দিবস হচ্ছে 21 জুন।

Crew Neck T-Shirt
24/02/2026

Crew Neck T-Shirt

জেনে নিন মেজারমেন্ট টেপ সম্পর্কেগার্মেন্টস কোয়ালিটির কাজ শিখতে সবার আগে মেজারমেন্ট  ভালো ভাবে জানতে হবে ৷ মেজারমেন্ট ছা...
24/02/2026

জেনে নিন মেজারমেন্ট টেপ সম্পর্কে

গার্মেন্টস কোয়ালিটির কাজ শিখতে সবার আগে মেজারমেন্ট ভালো ভাবে জানতে হবে ৷ মেজারমেন্ট ছাড়া কোয়ালিটির কোন মুল্য নেই গার্মেন্টস জগতে ৷ সুতরাং মেজারমেন্ট জানতে হলে আগে মেজারমেন্ট টেপ সম্পর্কে ভালো জানতে হবে ৷ দেখুন নিচের দিকে মেজারমেন্ট টেপ সম্পর্কে A to Z তুলে ধরা হয়েছে ।

✅ মেজারমেন্ট:

মেজারমেন্ট একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ পরিমাপ, পরিমান কিংবা মাপ। মেজারমেন্ট এর ইংরেজি বানান Measurement. ইংরেজি Measure (পরিমাপ করা) থেকে এসেছে ।

Measurement. কোন বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা ওজন। বা অন্য কিছুর যে মাপ নেয়া হয় সেটাই মেজারমেন্ট ৷

✅মেজারমেন্ট বলতে কি বোঝ ?

উওরঃ মেজারমেন্ট অর্থ হচ্ছে পরিমাপ করা ! যে কোন পণ্যের গুণগত মান ও মাপ সঠিক রাখার জন্য মেজারমেন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

✅ একটা মেজারমেন্ট টেপকে কয় ভাগ করা হয়?

*একটা মেজারমেন্ট টেপকে ২ ভাগে ভাগ করা! হয় । (১) ইঞ্চি
(২) সিএম,

✅ একটা মেজারমেন্ট টেপ-এ কয় ইঞ্চি ?
*একটা মেজারমেন্ট টেপ-এ ৬০ ইঞ্চি ৷

✅ একটা মেজারমেন্ট টেপ-এ সি এম & মিলিমিটার আছে?
*১৫০ সি,এম এবং ১৫০০ মিলিমিটার আছে।

✅ ১ ইঞ্চিকে আবার ৮ ভাগে ভাগ করা হয় এবং ১ সিএম কে ১০ ভাগে ভাগ করা হয়।

(বায়ার স্পেক শীট অনুযায়ী মেজারমেন্ট করতে হবে।)

✅ আমরা জানি সাধারনত:

১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার

১ ইঞ্চি = ২৫.৪ মিলিমিটার

১২ ইঞ্চি = ১ ফুট

৩৬ ইঞ্চি বা ৩ ফুট = ১ গজ

৩৯.৩৭ ইঞ্চি = ১ মিটার

✅ ইঞ্চি মেজারমেন্ট :

*১ম অংশ ৮ ঘরের সুত্র:

১ ইঞ্চি = ৮ সুতা বা ২৫.৪ মিলিমিটার

১/৮ ইঞ্চি = ১ সুতা বা ৩ মিলিমিটার

২/৮ বা ১/৪ ইঞ্চি = ২ সুতা বা ৬ মিলিমিটার

৩/৮ ইঞ্চি = ৩ সুতা বা ৯.৫৩ মিলিমিটার

৪/৮ বা ১/২ ইঞ্চি = ৪ সুতা বা ১৩ মিলিমিটার

৫/৮ ইঞ্চি = ৫ সুতা বা ১৫.৮৮ মিলিমিটার

৬/৮ বা ৩/৪ ইঞ্চি = ৬ সুতা বা ১৯ মিলিমিটার

৭/৮ ইঞ্চি = ৭ সুতা বা ২২.২৩ মিলিমিটার

⇘ ২য় অংশ ১৬ ঘরের সুত্র:

১/১৬ ইঞ্চি = ১/২ (আধা সুতা) বা ১.৫৯ মিলিমিটার

৩/১৬ ইঞ্চি = ১. ১/২ (দেড় সুতা) বা ৪.৭৬ মিলিমিটার

৫/১৬ ইঞ্চি = ২. ১/২ (আঁড়াই সুতা) বা ৭.৯৪ মিলিমিটার

৭/১৬ ইঞ্চি = ৩. ১/২ (সাড়ে ৩ সুতা) বা ১১.১১ মিলিমিটার

৯/১৬ ইঞ্চি = ৪. ১/২ (সাড়ে ৪ সুতা) বা ১৪.২৯ মিলিমিটার

১১/১৬ ইঞ্চি = ৫. ১/২ (সাড়ে ৫ সুতা) বা ১৭.৪৬ মিলিমিটার

১৩/১৬ ইঞ্চি = ৬. ১/২ (সাড়ে ৬ সুতা) বা ২০.৬৪ মিলিমিটার

১৫/১৬ ইঞ্চি = ৭. ১/২ সাড়ে ৭ সুতা বা ২৩.৮১ মিলিমিটার

✅ হাজারের মাপ:

১২৫ = ১ সুতা বা ১/৮
২৫০ = ২ সুতা বা ১/৪
৩৭৫ = ৩ সুতা বা ৩/৮
৫০০ = ৪ সুতা বা ১/২
৬২৫ = ৫ সুতা বা ৫/৮
৭৫০ = ৬ সুতা বা ৩/৪
৮৭৫ = ৭ সুতা বা ৭/৮
১০০০ = ৮ সুতা বা ১ ইঞ্চি

✅ ১টি মেজার্মেন্ট টেপ এ সাধারণত ৫’ ফুট বা ৬০” ইঞ্চি বা ১৫০ সেন্টিমিটার বা ১৫০০ মিলিমিটার হয়:

» ১ ইঞ্চি = ২.৫৫ সি.এম
» ১ সুতা = ০.৩১ সি.এম
» ২ সুতা = ০.৬৩ সি.এম
» ৩ সুতা = ০.৯৩ সি.এম
» ৪ সুতা = ১.২৭ সি.এম
» ৫ সুতা = ১.৫৫ সি.এম
» ৬ সুতা = ১.৮৬ সি.এম
» ৭ সুতা = ২.১৭ সি.এম
» ৮ সুতা = ২.৫৫ সি.এম

24/02/2026

Common T-Shirt Styles

1. Crew Neck
2. V-Neck
3. Henley
4. Graphic Tee
5. Pocket Tee
6. Long Sleeve
7. Ringer Tee
8. Longline/Oversized

Call now to connect with business.

Address

Baipail , Ashulia, Savar , Dhaka
Baipail
1349

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801671166625

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Belal Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Belal Hossain:

Share