Hillson - পাহাড়পুত্র

Hillson - পাহাড়পুত্র Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hillson - পাহাড়পুত্র, Media Agency, Bandarban.

অনেকে মনে করেন পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা সম্ভবত বাঙালির পহেলা বৈশাখ দেখেই তাদের নববর্ষ বা 'বৈসাবি' পালন কর...
14/04/2026

অনেকে মনে করেন পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা সম্ভবত বাঙালির পহেলা বৈশাখ দেখেই তাদের নববর্ষ বা 'বৈসাবি' পালন করে। আবার অনেকে মনে করেন এটা একই উৎসবের ভিন্ন নাম। কিন্তু সত্যিটা হলো, পাহাড়ের এই উৎসবের ভিত্তি আর পঞ্জিকা গণনার ইতিহাস সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র এবং কয়েক হাজার বছরের পুরনো।
​আজকের এই বিশেষ দিনে চলুন জেনে নিই কেন পাহাড় আর সমতলের উৎসব একই সময়ে হয়েও আলাদা:
​🌕 ১. বৌদ্ধ পঞ্জিকা ও বৈসাবির ভিত্তি
​পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা মূলত বৌদ্ধ পঞ্জিকা অনুসরণ করেন। এই পঞ্জিকা শুরু হয়েছে গৌতম বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণের সময় (খ্রিস্টপূর্ব ৫৪৪ অব্দ) থেকে। আজ যখন আমরা ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ পালন করছি, বৌদ্ধ পঞ্জিকায় তখন চলছে ২৫৭০ বুদ্ধাব্দ! অর্থাৎ বাংলা সনের অনেক আগে থেকেই এই অঞ্চলে এই পঞ্জিকা ও সেই অনুযায়ী উৎসব পালিত হয়ে আসছে।
​☀️ মিল কেন হয়? (জ্যোতির্বিজ্ঞানের খেলা)
​বাংলা পঞ্জিকা আর বৌদ্ধ পঞ্জিকা—উভয়ই সূর্যের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে বছরের দিন গণনা করে। সূর্য যখন তার বার্ষিক চক্র শেষ করে 'মীন রাশি' থেকে 'মেষ রাশিতে' প্রবেশ করে (যাকে আমরা সংক্রান্তি বলি), ঠিক সেই মুহূর্তেই নতুন বছর শুরু হয়। এই মহাজাগতিক পরিবর্তনের কারণেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর (থাইল্যান্ডের সংক্রান, মিয়ানমারের থিং ইয়ান) মতো আমাদের পাহাড়ের আদিবাসীরাও একই সময়ে উৎসব পালন করেন।
​🌾 সাংস্কৃতিক ভিন্নতা
​বাঙালির পহেলা বৈশাখ যতটা না প্রশাসনিক ও কৃষিভিত্তিক (সম্রাট আকবরের সংস্কার করা), পাহাড়ের বৈসাবি (বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু) ততটাই ধর্মীয় ও প্রকৃতি-নির্ভর।
​বিজু (চাকমা): নদীতে ফুল ভাসিয়ে শান্তি প্রার্থনা করা।
​সাংগ্রাই (মারমা): জলকেলি বা পানি বর্ষণের মাধ্যমে গত বছরের গ্লানি মুছে ফেলা।
​বৈসু (ত্রিপুরা): গরাইয়া নৃত্যের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ।
​💡 ভুল ধারণা বনাম বাস্তবতা
​বাঙালিরা যখন পহেলা বৈশাখ উদযাপন করে, তখন অজান্তেই অনেকে ভাবেন আদিবাসীরাও হয়তো 'বাংলা নববর্ষ' পালন করছে। কিন্তু আসলে তারা পালন করছে তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের বৌদ্ধ পঞ্জিকা ভিত্তিক নববর্ষ। এটি কোনো অনুকরণ নয়, বরং আদি কাল থেকে চলে আসা তাদের স্বতন্ত্র জাতিগত সত্তার অংশ।
​তাই সমতলের পহেলা বৈশাখ আর পাহাড়ের বৈসাবি — এই দুই উৎসবের সুর এক হলেও এদের বাদ্যযন্ত্র আর রাগ সম্পূর্ণ আলাদা। আমাদের এই বৈচিত্র্যকেই সম্মান জানানো উচিত।
​শুভ নববর্ষ এবং সবাইকে বৈসাবির মৈত্রীময় শুভেচ্ছা! 🌸💦
​ #বৈশাখ #বৈসাবি #পার্বত্যচট্টগ্রাম #পঞ্জিকা #বৌদ্ধপঞ্জিকা #সংস্কৃতি #ইতিহাস #বিজু #সাংগ্রাই

23/02/2026

আমার পেইজের নতুন পথযাত্রা 🙏🙏🙏

জাতকের অমর সব নীতিগল্প, যা হাজার বছর ধরে আমাদের নৈতিকতা ও মানবতার শিক্ষা দিয়ে আসছে, সেগুলোকে আমরা নিয়ে আসছি আধুনিক অ্যানিমেশনের পর্দায়। গৌতম বুদ্ধের পূর্বজন্মের এই কাহিনীগুলো কেবল গল্প নয়, বরং জীবন দর্শনের এক অমূল্য ভাণ্ডার।আমরা বিশ্বাস করি, এই গল্পগুলো বর্তমান প্রজন্মের কাছে সহজ এবং আকর্ষণীয়ভাবে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় পাশে থাকতে এবং প্রতিটি পর্ব সবার আগে দেখতে এখনই আমাদের পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

সবাইকে আদিবাসী দিবসের শুভেচ্ছা 🥰
08/08/2025

সবাইকে আদিবাসী দিবসের শুভেচ্ছা 🥰

08/08/2025

বৌদ্ধধর্ম যে শুধু ধর্ম না, তা একটি দর্শন, একটি জীবনপদ্ধতি — তা এই ভিডিওতেই প্রমাণ!

🔟 দেশের তালিকা, 🎯 গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, 📊 পরিসংখ্যান এবং 📚 মতবাদ—সব একসাথে!
চোখ রাখো আমাদের নতুন কনটেন্টে — পাহাড়, প্রাচীন ইতিহাস আর আত্মিক প্রশান্তির ছোঁয়া যেখানে একসাথে মিশে যায়।

🎬 ভিডিওটি এখনই দেখো!
📲 লিংকে ক্লিক করো 👇
#বৌদ্ধধর্ম #আন্তর্জাতিক_বৌদ্ধ_দেশ #বিশ্বধর্ম #ইতিহাস_ও_সংস্কৃতি #হিলসন

06/08/2025

📊 বাংলাদেশের ১০টি বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী — ২০২২ সালের আদমশুমারির ভিত্তিতে!

বাংলাদেশ শুধু বাঙালিদের দেশ নয়—এখানে শত শত বছর ধরে বসবাস করছে বহু আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী, যাদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি আর ইতিহাস।
এই ভিডিওটিতে তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ ১০টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নাম, আনুমানিক জনসংখ্যা ও তাদের মূল আবাসভূমি।

🎤 কণ্ঠ দিয়েছেন একজন আদিবাসী তরুণ, যিনি নিজ জাতির পক্ষ থেকে কথা বলছেন — ইতিহাস, অধিকার ও অস্তিত্বের পক্ষে।

📌 তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আদমশুমারি ২০২২
(জনসংখ্যা সময়ের সাথে কমবেশি হতে পারে)

📽️ ভিডিওটি দেখে আদিবাসীদের সম্পর্কে জানুন, তাদের পাশে থাকুন।
👉 শেয়ার করুন, লাইক দিন, আর আমাদের যাত্রায় সাথে থাকুন!

#আদিবাসী #বাংলাদেশ #জনসংখ্যা #সংস্কৃতি #জাতিসত্তা

02/08/2025

এই পেজ/চ্যানেলটি বাংলাদেশের এক অনন্য বাস্তবতার গল্প বলে—
যেখানে একসাথে বাঁচে আদিবাসী সংস্কৃতি, পার্বত্য ইতিহাস আর বৌদ্ধ দর্শন।

📍 আমরা তুলে ধরছি—
🌀 বাংলাদেশের আদিবাসীদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি,
⛰️ পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাস ও সংগ্রাম,
📿 আর বৌদ্ধ ধর্মের মূল্যবোধ ও জীবনের প্রয়োগ।

এই প্ল্যাটফর্মটি শুধু তথ্যভিত্তিক নয়—এটা একান্তভাবে আমাদের নিজেদের গল্প বলা, নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টা।

🎬 মোবাইলে তৈরি হলেও, প্রতিটি ভিডিও হৃদয়ের গভীরতা থেকে বলা।
আমরা বলি বাস্তব কথা—যা হয়তো অনেকেই বলেনা।

👉 আপনি যদি মনে করেন, এই ইতিহাস, এই সংস্কৃতি, এই ধর্মীয় চেতনা হারিয়ে যাওয়া উচিত নয়—তাহলে পাশে থাকুন।

#আদিবাসীসংস্কৃতি #পার্বত্যচট্টগ্রাম #বৌদ্ধধর্ম #শেকড়েরগান #বাংলাদেশ

25/09/2024

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের তঞ্চঙ্গ্যারা কেন চাকমা টাইটেল লিখে তার উত্তর- (সাক্ষাৎকার পড়ুন)।

[বিঃদ্রঃ সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে মাতৃভাষায়, বাংলাদেশী তঞ্চঙ্গ্যাদের সুবিধার্থে বাংলায় লেখা হয়েছে ক'দিন পর ইংরেজি ভাবানুবাদে প্রকাশ করা হবে। সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে অনলাইনে]

আত্মকথা- দাদা নমস্কার।

অমৃত নন্দ - হুম, আপনাকেও নমস্কার।

আত্মকথা- কেমন আছেন দাদা? কেমন আছে আপনার ত্রিপুরা রাজ্যের জাতি ভাইয়েরা?

অমৃত নন্দ- হুম, ভালো আছি। আপনি, আপনারা কেমন আছেন?

আত্মকথা- ভালো মন্দ মিলেই আছি আমরা। তো দাদা আপনি চাকমা লিখেন? আপনি চাকমার কোন গছার?

অমৃত নন্দ- হুম, আমরা চাকমা লিখতাম। আমি "কারওয়া গছা" তবে আমাদের এখানে "মো'অ গছা, ধন্যা গছাও আছে এবং মিজোরাম ও অরুণাচলেও আমাদের জাত ভাই আছে।

আত্মকথা- হ্যাঁ আমিও তাই শুনেছি। আমাদের অনেকেই নাকি (দাদুর দাদুরা) অরুণাচল চলে গিয়েছিল। কিন্তু দাদা, চাকমা জাতিতে আপনার উল্লিখিত কোন গছার অস্তিত্বই নাই? তো আপনি কিভাবে চাকমা পরিচয় দেন অর্থাৎ কোন যুক্তিতে? ত্রিপুরা রাজ্যে কতজন আছেন আপনারা?

অমৃত নন্দ- আমাদের দাদুর দাদুরা আগে থেকেই চাকমা লিখতো। আমাদের দাদু এবং বাবারা বলতো আমরাই নাকি আসল এবং খাঁটি চাকমা। সেই যুক্তিতে এবং সূত্রে আমরা চাকমা লিখি। তবে আনক্যা চাকমাও আছে। যারা বাংলাদেশের চাকমা নামে পরিচিত এবং এখানেও অনেক আছে। এখানে প্রায় ৬-৭ হাজার মতো আছি আমরা, তবে আনক্যা বেশি।

আত্মকথা- আনক্যা চাকমা আবার খাঁটি বা আসল চাকমা বিষয়টা বুঝতে পারছি না দাদা। আর আপনারা কী বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় গেছেন? নাকি আগে থেকেই ওই খানে?

অমৃত নন্দ- আমার দাদুরা আগে থেকেই এখানে আছে, সেই সূত্রে বাবা মা এ আর কী ☺ ! আর আনক্যা চাকমা মানে হলো যারা পূর্বেকার থেকে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে আসছিল, আর আমরা হলাম রোয়াইঙয়া চাকমা নামে পরিচিত অর্থাৎ যারা আরাকান প্রদেশে বাস করত এবং এখনো আছে, যাদেরকে মায়ানমারেরা দৈংনাক বা দাইনাক বলে আখ্যায়িত করতো। আরাকানে এখনো দৈংনাক পাড়া নামে গ্রাম আছে। আপনাদের দেশে কক্সবাজারেও নাকি আছে।

আত্মকথা- কিন্তু দাদা ত্রিপুরা রাজ্যে যারা আপনারা চাকমা টাইটেল ধারণ করেন, অন্যান্য যে চাকমা (বাংলাদেশের) আছে তারা মনে করে আপনারা তাদের এক জাতি ভাই।

অমৃত নন্দ- টাইটেল এক হলে যে একই জাত হবে তা তো নয়, দেখতে হবে গছা গোষ্ঠী মিলে কিনা, পোশাক এবং ভাষা মিলে কিনা। বাংলাদেশী যে চাকমা আছে তাদের গছা গোত্রের মধ্যে তো কারওয়া গছা, মো'অ গছা, ধন্যা গছা, লাঙ গছা নাই। সুতরাং এক জাতি দাবি করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত। তাছাড়া পোশাক পরিচ্ছদ এবং ভাষাও ভিন্ন।

আত্মকথা- আপনারা নিজেদের মধ্যে কিভাবে পরিচয় চিহ্নিত করেন?

অমৃত নন্দ- সেটা কিরকম পরিচয় চিহ্নিতকরণ?

আত্মকথা- ধরুন, আপনারাও চাকমা লিখেন, আর আনক্যারাও চাকমা লিখে?

অমৃত নন্দ - ও আচ্ছা, তারা আমাদেরকে তঞ্চঙ্গ্যা চাকমা ডাকে, আর আমরা ওদেরকে আনক্যা চাকমা বলে ডাকি।

আত্মকথা- কিন্তু দাদা, তারাতো উভয়কে চাকমা জাতি বলে দাবি করে, এমনকি বাংলাদেশের তঞ্চঙ্গ্যাদেরও। সেটা আপনার দৃষ্টিতে কিরকম ভাবায়?

অমৃত নন্দ- দেখেন, ভুলভাল তথ্য দিয়ে যা ইচ্ছে তা বললেতো হয় না। এখানে দেখতে হবে রিয়াল কোনটা। তারা দাবি করলে যে সব হয়ে যাবে সেটা তো না, তার ভিত্তি থাকতে হবে। ওরা তো মায়ানমারের যারা দাইনাক বা দৈংনাক লিখতো তাদের আনক্যা চাকমা বলে দাবি করে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, ওদেরকে ভুল বুঝিয়ে অনেক কিছু বলছে। মায়ানমারের যে মেয়েটা ক'দিন আগে বি.এড ডিগ্রি লাভ করেছিল সে তো দৈংনাক এবং ধন্যা গছার মেয়ে। কিন্তু তারা তাদের বিভিন্ন পেইজে দাবি করছে সেটা চাকমা মেয়ে এই সেই। চাপিয়ে দিয়ে তো কারোর পরিচয় নির্ধারণ করে দেওয়া যায় না। যেটা মানবাধিকারের প্রশ্নও বটে।

আত্মকথা- মায়ানমারে যারা প্রোপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে বলছেন তারা আসলে কারা এবং কোত্থেকে?

অমৃত নন্দ- যারা প্রোপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে তারা হলো বৌদ্ধ সন্ন্যাসী, তারা রং কাপড় নিয়ে বুদ্ধের অনুশাসনে ঢুকে মায়ানমারে ধর্ম প্রচারের নামে প্রবেশ করে জাত নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে। তারা মূলত বাংলাদেশী চাকমা জনগোষ্ঠীর বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে। তাদের উদ্দেশ্যে মহৎ নয়।

আত্মকথা- আপনারাও চাকমা লিখেন, ওরাও চাকমা লিখে। জাত ভিন্ন বলছেন, অথচ টাইটেল এক হয়ে গেলো না?

অমৃত নন্দ- আগেও বলেছি আমরা (তঞ্চঙ্গ্যারা) হলাম আসল, খাঁটি চাকমা এবং এখনো অনেক বুড়ো বুড়ি বলতো। কিন্তু তারা কোন উদ্দেশ্যে চাকমা টাইটেল ধারণ করে আসছিল সেটা আসলে বোধগম্য নয়। দেখেন তাদের মধ্যে আবার খাঁ ছিল, রায়, দেওয়ান, লারমা প্রভৃতি। অথচ আমাদের ত্রিপুরায় এরকম কোন কিছু নাই অন্তত আমরা যারা খাঁটি চাকমার উত্তরাধিকারী হিসেবে দাবি করি। রায়, লারমা, দেওয়ান এসব লিখি না, শুধু চাকমায় লিখি।

আত্মকথা- সেক্ষেত্রে খাঁটি নাকি নকল চাকমা তা কিভাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে? যেটা এক কথায় চিহ্ন বা সাইন বলা যায়।

অমৃত নন্দ- আমাদের যে পাঁচ কাপড় (পাইত্৷ কাবর) আছে না, সেটায় আসল পরিচয়। সেটাই চিহ্ন হিসেবে ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।

আত্মকথা- আপনি জানেন কিনা তারা তো আপনাদের দেখিয়ে বলে এই দেখ আমাদেরও পাঁচ কাপড়, এরা চাকমা জনগোষ্ঠীর লোক।

অমৃত নন্দ- সেক্ষেত্রে যারা এরকম দাবি করে তাদের উদ্দেশ্যে মহৎ নয়।

আত্মকথা- শেষের আগে একটা প্রশ্ন করি, এখনকার সময়ে তো অনেকে পাইত্ কাবর ব্যবসা করছে। সেটা আপনি কিভাবে দেখছেন?

অমৃত নন্দ- সেটা নেগেটিভ পজিটিভ দুটোই আছে, তবে পজিটিভের চেয়ে নেগেটিভ মাত্রা বেশি। কারণ এই পাইত্ কাবর নিয়ে অনেকে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে, যেটা একটু আগে আপনি একটু করে বলেছিলেন। পাইত্ কাবরের বিশেষত্ব হারিয়ে যেতে পারে, যতটা সম্ভব সেটা ধরে রাখাটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দেখা যাবে আনক্যারা পাইত্ কাবর কিনে এবং নকশা নকল করে শেষমেশ নিজেদের বলে দাবিও করতে পারে।

আত্মকথা- তার মানে আপনি বুঝাতে চাচ্ছেন, পাইত্ কাবরই আমাদের আসল পরিচয়?

অমৃত নন্দ- অবশ্যই। ভাষা আর পোশাক যদি হারিয়ে ফেলি তাহলে জাতির অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে।

আত্মকথা- শেষ প্রশ্ন দাদা, আপনি নিশ্চয়ই রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথেরর কথা শুনেছেন! বাংলাদেশের অনেক চাকমা (আপনার মতে আনক্যা চাকমা) দাবি করতো এরকম, রাজগুরু ভান্তেও নাকি নিজেকে চাকমা দাবি করতেন, অপরদিকে দেখা যাচ্ছে চাকমা আর তঞ্চঙ্গ্যাদের (বাংলাদেশ) ইতিহাস প্রায়ই কাছাকাছি এবং অভিন্ন সেটা কিভাবে বিশ্লেষণ করবেন।

অমৃত নন্দ- হ্যাঁ ভালো একটা কথা বলেছেন আপনি, আমিও উনার নাম শুনেছি। শুনেছি রাজগুরু অগ্রবংশ ভান্তে বেশ জ্ঞানী ও মহৎ লোক। রাজগুরু ভান্তে নিজেকে চাকমা দাবি করতেন অনেকটা আমাদের মতো, খাঁটি বা আসল চাকমা এ সূত্র থেকে। তবে মজার বিষয় তিনি আনক্যা চাকমাদের যে গছা গোত্র আছে সেই গছা গোত্রের কোনটায় না। তিনি মো'অ গছা এবং বিলাইছড়ি তঞ্চঙ্গ্যা অধ্যুষিত অঞ্চলের তঞ্চঙ্গ্যা পরিবারের সন্তান।
উভয়ের ইতিহাস কাছাকাছি বা অভিন্ন হবেই না বা কেন? তাদের বংশদ্ভূত বা মূল শেকড় তো শাক্যবংশীয়। পুরনো বুড়ো-বুড়িদের কথা যদি সত্যি দাবি করা হয় যে, অর্থাৎ আমরা যে খাঁটি চাকমা বা আসল চাকমা তাহলে ওই ইতিহাস আমাদের ছিলো। কিন্তু কালেক্রমে তখনকার থেকেই কিছু মানুষ ইতিহাস বিকৃত করে নিজেদের দাবি করে আসছে। এখন তাদের উদ্দেশ্য কী সেটাও ভাবার বিষয়।

আত্মকথা- আপনার কথা ভাববার বিষয় তো! এখন সাধক কবি শিবচরণ যে ওদের চাকমা (আনক্যা) দাবি করা হয়, অথচ দেখা গেছে সেই শিবচরণের আদি বাড়ি হচ্ছে রাজস্থলী নাড়াইছড়িতে যেটা তঞ্চঙ্গ্যা অধ্যুষিত এলাকা। গোজেন লামা (তঞ্চঙ্গ্যারা বলে গোসাইন লামা) নামক গ্রন্থেও তা উল্লেখ আছে। রাধামন ধনপুদি নিয়ে বাংলাদেশে এক চাকমা (আনক্যা) কবি ও লেখক সরকারি টাকায় গ্রন্থ ছাপিয়েছে সেই গ্রন্থে প্রারম্ভে উল্লেখ আছে সেই রাধামন ধনপুদি কাহিনি তিনি এক তঞ্চঙ্গ্যা বুড়ো (শ্রী কার্তিক চন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা'র মামা) থেকে পান্ডুলিপিটা সংগ্রহ করেছিলেন। তবেই কী এগুলি সেটার আলামত যে তঞ্চঙ্গ্যাদের (খাঁটি বা আসল চাকমা যাদের বলা হয়) ইতিহাস মুছে ফেলার তাগিদে পরিকল্পিত ভাবে বিকৃতি করা হচ্ছে?

অমৃত নন্দ- আপনার অনুমান বা ব্যাখ্যাটা অমূলক নয়। তবে এই নিয়ে আরও গবেষণার দাবি রাখে। আসল কথা কী জানেন এসব গবেষণা কর‍তে সময় ও অর্থ দরকার, কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য অপ্রতুল। যার ফলে আমাদের অনেক মূল্যবান জিনিস অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে কিংবা অন্যকেউই চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।

আত্মকথা- হ্যাঁ অমৃত দা, আপনার সাথে আমিও একমত। বাংলাদেশের তঞ্চঙ্গ্যাদের উদ্দেশ্যে আপনি কিছু বলবেন কিনা?

অমৃত নন্দ- কি আর বলব! আপনারা তঞ্চঙ্গ্যা লিখেন আর আমরা চাকমা লিখি, কিন্তু আমাদের গছা গোত্র এক এবং অভিন্ন। আমাদের পাইত্ কাবরই পরিচয় করিয়ে দেয় আমরা এক জাতিগোষ্ঠীর। সেক্ষেত্রে আমাদের যোগাযোগ আরও বাড়বে, সখ্যতা বৃদ্ধি পাবে সেটায় প্রত্যাশা। এ পাইত্ কাবর কিন্তু অন্য কারোর নেই, সেটা নিয়ে যেন অন্য কেউই অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে আমাদের সবার।

আত্মকথা- আচ্ছা, অমৃত দা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের টিমকে পরামর্শ ও সময় দেওয়ার জন্য। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে যেন বাংলাদেশে বেড়াতে আসেন।

অমৃত নন্দ- অবশ্যই! আপনাদেরকেও অসংখ্য ধন্যবাদ সময় দেওয়ার জন্য, ভালো থাকবেন এবং ভারতে (ত্রিপুরা, মিজোরাম, অরুণাচল) বেড়াতে আসেন।

আত্মকথা- আপনিও ভালো থাকবেন।

©Tanchangya Nation

এই পূজা অর্থ কী? এই পূজার উদ্দেশ্য কী? কার জন্যে এই পূজা? বুদ্ধ কী এমন পূজা চেয়েছেন? পূজার নামে এমন বিকৃত চর্চা কতটুকুই...
31/08/2023

এই পূজা অর্থ কী? এই পূজার উদ্দেশ্য কী? কার জন্যে এই পূজা?
বুদ্ধ কী এমন পূজা চেয়েছেন?
পূজার নামে এমন বিকৃত চর্চা কতটুকুই যৌক্তিক?
কোনো সভ্য সমাজে এমন বুদ্ধপুজার প্রচলন আছে কী না?
ছবি দেখে মনে হচ্ছে-বনে জঙ্গলে বসবাস করা আদিম কোনো জনগোষ্ঠীর আচার সংস্কৃতি। যেখানে বৃক্ষপুজা, পাহাড় পুজা কিংবা নরবলি, পশুবলির চর্চা হয়। যেখানে এখনো জ্ঞান-বিজ্ঞান, বৌদ্ধিক বিচারবোধ এখনও পৌঁছায় নি।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে কখনও বুদ্ধপুজার বিরোধ নই, লোকিক জীবনে এমন চর্চা খুবই অর্থবহ। বুদ্ধ এবং বৌদ্ধিক আর্দশ অনুশীলনের অন্যতম প্রাথমিক মাধ্যম এটি।
তবে এভাবে জনে জনে হাজারো থালাভর্তি বিকৃত পুজা না করে, যদি এটি নির্দিষ্ট একটি থালায় পরিপাটিরূপে পুজাটি পরিবেশিত হতো।

বর্তমানে আমাদের প্রত্যকটি গ্রামে গ্রামে লক্ষ-কোটি টাকা ব্যায়ে সুরম্য বিহার, দৃষ্টি নন্দন দেশী-বিদেশী বুদ্ধমূর্তি, ভিক্ষুরাও একাডেমিক শিক্ষায়, ধর্মীয় শিক্ষা-অধ্যানে নানা উপাধি ও নানা বিশেষণে বিশেষায়িত খ্যাতি প্রাপ্ত। বাংলা ভাষাতেও ত্রিপিটক প্রায় সকলই বিহারে সুলভ্য।
বিহারে বিহারে-গ্রামে গ্রামে বছরের প্রায়শ বিদর্শন শিক্ষা কোর্চ সবর্ত্র চর্চা হয়।
তথাপি বর্তমানে এমন বিকৃত বুদ্ধপুজার চর্চা প্রমান করে,
আমাদের পারিপার্শ্বিক এতো কিছু থাকা সর্ত্ত্বেও আমরা প্রকৃত বুদ্ধ চর্চায় ব্যর্থ।

যেখানে চারিদিকে অর্থনৈতিক সংকট, নিত্য প্রয়োজনী দ্রব্যাদির ঊর্ধ্বমুল্য! মধ্যবিত্ত-নিন্মমধ্যবিত্তদের নুন আনতে পান্তা পুরায় অবস্থা সেখানে এভাবে অবিবেচক বুদ্ধপূজার চর্চা ও অপচয় কতটুকু যৌক্তিক?

21/03/2023

▪︎হাঁটার মেশিন ট্রেডমিলের উদ্ভাবক ৫৪ বছর বয়সে মারা গেছেন।

▪︎জিমন্যাস্টিকসের উদ্ভাবক ৫৭ বছর বয়সে।

▪︎ওয়ার্ল্ড বডি বিল্ডিং চ্যাম্পিয়ন ৪১ বছর বয়সে মারা গেছেন।

▪︎বিশ্বের সেরা ফুটবলার ম্যারাডোনা ৬০ বছর বয়সে মারা গেলেন।

▪︎বিশ্বসেরা ক্রিকেটার(স্পিনার) শেন ওয়ার্ন ৫২ বছর বয়সে মারা গেছেন।

▪︎কেএফসি আবিষ্কারক মারা গেলেন ৯৪ এ।

▪︎নিউটেলার বিনিয়োগকারী ৮৮ বছর বয়সে মারা যান।

▪︎তুর্কি শুরমেহ এবং স্টেকের আবিষ্কারক ১০৪ বছর বয়সে মারা যান।

▪︎সিগারেট উদ্ভাবক এবং প্রস্তুতকারী উইনস্টন ১০২ বছর বয়সে মারা গেছেন।

▪︎আফিমের আবিষ্কারক এক ভূমিকম্পে ১১৬ বছর বয়সে মারা যান।

▪︎হেনেসি হুইস্কি আবিষ্কারক ৯৮ বছর বয়সে মারা যান।

▪︎আফগানি খাবারের উদ্ভাবকরা (কাবেলি, মান্টো এবং চাপলি কাবাব) এখনও বেঁচে আছেন।

**এখন চিকিৎসকরা কীভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন যে ব্যায়াম জীবনকে দীর্ঘায়িত করে ?

খরগোশ সর্বদা প্রাণবন্ত এবং ২ বছর বাঁচে, আর কচ্ছপ যে জায়গা থেকে নড়ে না সে বাঁচে ৪০০ বছর।

বৌদ্ধ মেয়েরা অবৌদ্ধ  ছেলে বিয়ে করলে ১৫ প্রকার সমস্যা সমুখীন হতেহয়। যতা:-(১) স্বধর্ম ত্যাগ করতে হয়।(২) ফলে পরিবার থেকে বি...
16/03/2023

বৌদ্ধ মেয়েরা অবৌদ্ধ ছেলে বিয়ে করলে ১৫ প্রকার সমস্যা সমুখীন হতেহয়। যতা:-

(১) স্বধর্ম ত্যাগ করতে হয়।

(২) ফলে পরিবার থেকে বিতাড়িত হতে
হয়।

(৩) সমাজের কাছে কলঙ্কিত হতে হয়।

(৪) মা বাবা আত্মীয় স্বজনদের
অভিশাপ নিয়ে সংসার শুরু করতে হয়।

(৫) অন্য ধর্মকে নতুন করে শিখতে
হয়, গরুর মাংস খেতে হয়।

(৬) স্বামীর ৪ বিয়ের অধিকার আছে
বলে সব সময় সতীনের ভয়ে
থাকতে হয়।

(৭) তালাক প্রথা থাকায় সব সময়
তালাকের ভয়ে থাকতে হয়।

(৮) তালাক প্রাপ্ত হলে পথে বসতে
হয়,তা না হলে পতিতালয়ে যেতে হয়।

(৯) যেহেতু অভিবাবক থাকে না সেহেতু
নানা অত্যাচারের স্বীকার হতে হয়।

(১০) অনেক সময় আত্মহত্যার পথ
বেছে নিতে হয়।

(১১) যেহেতু মেয়েটিকে সব ত্যাগ করতে
হয় তাই মেয়েটি নির্যাতিত হলে কোথাও
আশ্রয় পায় না। সবকিছু সহ্য করতে
হয়, না হলে আত্মহত্যা করা ছাড়া
কোন উপায় থাকে না।

(১২) এতোই ভালোবাসা যে একটা
ছেলের জন্য স্বর্গ তুল্য পিতা মাতা
যারা পৃথিবীর আলো দেখালো তাদেরকেই
ত্যাগ করতে হয় এটা কেমন ভালোবাসা।

(১৩) আজ অবধি কোন বৌদ্ধ মেয়ে কোন
অবৌদ্ধ ছেলেকে বিয়ে করে সুখী হতে
পারে নি। অবশেষে তাদের ভয়াবহ
পরিণতি হয়।

(১৪) যারা পিতা মাতা বা ধর্ম ত্যাগ করে
তারা কখনোই সুখী হতে পারে না।
এখনো সময় আছে সাবধান হোন অন্যকে
সাবধান করুন।

(১৫) অবৌদ্ধ ছেলে কে বিয়ে করা মানে আগুনে ঝাপ মারা সমান।

ভূলেও এ পথে পা বাড়াবেন না।

এ ব্যাপারে নিজে সচেতন হন অন্যকে
সচেতন করুন।
(সংগৃহিত)

Address

Bandarban

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hillson - পাহাড়পুত্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category