19/09/2026
গিয়াস উদ্দিন আল মামুন—বন্ধুত্ব, বিশ্বাস ও দীর্ঘ প্রতিকূলতার এক নাম।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত এই নামটি শুধু একজন ব্যবসায়ী হিসেবে নয়; বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহযোগী হিসেবেও পরিচিত।
২০০৭ সালে গ্রেপ্তারের পর মামলা, দীর্ঘ কারাবাস ও আইনি লড়াই তাঁর জীবনের গতিপথ বদলে দেয়। প্রায় ১৭ বছর কারাবাসের পর ৬ আগস্ট ২০২৪ তিনি মুক্তি পান।
তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে আদালতের রায়ও হয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে একাধিক মামলায় উচ্চ আদালত ও আপিল বিভাগে তাঁর পক্ষে রায় এসেছে। তাই কোনো পুরোনো অভিযোগকে বর্তমানের চূড়ান্ত সত্য হিসেবে তুলে ধরার আগে সর্বশেষ আদালতের সিদ্ধান্ত জানা জরুরি।
প্রায় ১৭ বছর—শুধু একটি সংখ্যা নয়।
এটি দীর্ঘ অপেক্ষা, বিচ্ছেদ, কষ্ট ও প্রতিকূলতার এক অধ্যায়। তাঁর সমর্থকদের কাছে বিএনপির প্রতি তাঁর ত্যাগ ও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে চলার ইতিহাস বিশেষভাবে মূল্যবান।
মামুন সাহেবের ত্যাগ তাই শুধু মামলা বা কারাবাসের গল্প নয়—এটি বন্ধুত্ব, বিশ্বাস, ধৈর্য ও প্রতিকূলতা পেরিয়ে ফিরে আসার এক ইতিহাস।
সমালোচনা থাকতেই পারে, মতভেদও থাকতে পারে। কিন্তু কাউকে নিয়ে কথা বলার আগে তথ্য যাচাই করা জরুরি।
অপপ্রচার নয়—তথ্য দিয়ে কথা বলুন।
গুজব নয়—পুরো ইতিহাস জানুন।
অভিযোগ নয়—সর্বশেষ আইনি অবস্থাটিও দেখুন।
যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলছেন, তাঁদের প্রতি অনুরোধ—বিষয়গুলো জানুন, বুঝুন, তারপর মন্তব্য করুন। উস্কানিমূলক বক্তব্য, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা সাইবার বুলিং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
গিয়াস উদ্দিন আল মামুন একজন ভদ্র ও ধৈর্যশীল ব্যক্তি হিসেবে যাঁদের কাছে পরিচিত, তাঁদের প্রত্যাশা একটাই—মতভেদ থাকুক, কিন্তু শালীনতা ও সত্যের সীমা যেন অতিক্রম না হয় এবং কঠোর হতে তাকে বাধ্য না করি।
গিয়াস উদ্দিন আল মামুন সাহেবের প্রতি রইল ভালোবাসা ও সম্মান।।