Dowa Media Group

Dowa Media Group Dowa Media Group Is A International News Agency, Broadcast, Podcast & Information Collecting Company.

‘Dowa Media Group Limited’ is a media company and news agency. The company launched a joint online business license in 2018. Later, in 2020, during the pandemic, it changed its name to a sole proprietorship and launched as ‘Dowa Media Group Limited’. This company basically collects various information from all over the world and publishes it in the form of news and articles in various news portals

, blog sites, online magazines. In addition, this organization conducts online news agency activities, news Collections activities and news publishing activities. This company mainly produces its online content in three formats: articles, audio, video. This company produces content for online news portals, online TV and online radio. Moreover, they have their own online news portal, online TV and online radio. This company’s online content creation programs are designed for Bengali speaking people spread across the globe. Although ‘Dowa Media Group Limited’ started operations with an online business license in 2018, currently the company’s license is registered in the UK. At present, all the activities of ‘Dowa Media Group Limited’ are being conducted as per the guidelines approved by the UK Government. ‘Dowa Media Group Limited’ is mainly working with information and news in the global virtual world with these two languages, Bengali and English.

কমফোর্ট জোনের বাহিরে যাওয়ার থিওরি
05/06/2026

কমফোর্ট জোনের বাহিরে যাওয়ার থিওরি

গুগলের বার্ষিক ডেভেলপার কনফারেন্স 'Google I/O 2026' শুরু হয়েছে এবং প্রথম দিনেই গুগল এমন সব এআই (AI) প্রযুক্তির ঘোষণা দিয়...
20/05/2026

গুগলের বার্ষিক ডেভেলপার কনফারেন্স 'Google I/O 2026' শুরু হয়েছে এবং প্রথম দিনেই গুগল এমন সব এআই (AI) প্রযুক্তির ঘোষণা দিয়েছে, যা আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরন পুরোপুরি বদলে দেবে। চ্যাটবট থেকে বের হয়ে গুগল এবার প্রবেশ করেছে স্বয়ংক্রিয় "এআই এজেন্ট" এর দুনিয়ায়।

প্রথম দিনের সেরা ১০টি বড় ঘোষণা:

১. Gemini 3.5 Flash (নতুন ডিফল্ট মডেল): গুগল তাদের নতুন Gemini 3.5 সিরিজ উন্মোচন করেছে। এর প্রথম মডেল 'Gemini 3.5 Flash' এখন থেকে গুগল সার্চের AI Mode এবং জেমিনি অ্যাপে ডিফল্ট হিসেবে কাজ করবে। এটি পূর্বের চেয়ে ৪ গুণ দ্রুত এবং কোডিং ও জটিল টাস্কে অনেক বেশি নির্ভুল।

২. Gemini Spark (২৪/৭ ব্যক্তিগত এআই এজেন্ট): প্রথম দিনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ঘোষণা! এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় সচল থেকে আপনার হয়ে ইমেইল লেখা, স্টাডি গাইড বানানো বা শিডিউল ম্যানেজ করার মতো কাজগুলো নিজে থেকেই করে দেবে। এটি অ্যাডোবি, ড্রপবক্স এবং উবারের মতো ৩০টিরও বেশি থার্ড-পার্টি টুলের সাথে যুক্ত হতে পারে।

৩. Gemini Omni (ভিডিও জেনারেশন ও এডিটিং): ওপেনএআই-এর সোরা (Sora)-কে টেক্কা দিতে গুগলের নতুন চমক। এই মাল্টিমোডাল মডেলটি বাস্তব দুনিয়ার গতিবিদ্যা এবং অভিকর্ষ বোঝে। সাধারণ টেক্সট প্রম্পট দিয়ে সিনেমাটিক কোয়ালিটির ভিডিও তৈরি ও শুধু কথা বলে সেই ভিডিও এডিট বা রি-ইমাজিন করা যাবে।

৪. সার্চ বক্সের ২৫ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন: গুগলের সার্চ বক্স সম্পূর্ণ রিডিজাইন করা হয়েছে। এখন টেক্সটের পাশাপাশি ইমেজ, ভিডিও, ফাইল বা ক্রোম ট্যাব সরাসরি সার্চ বক্সে ইনপুট দেওয়া যাবে এবং সার্চের ভেতরেই ফলো-আপ কনভারসেশন চালিয়ে যাওয়া যাবে।

৫. Generative UI এবং কাস্টম অ্যাপ তৈরি: গুগল সার্চ এখন আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী অন-দ্য-ফ্লাই ইন্টারঅ্যাক্টিভ ভিজুয়াল ইন্টারফেস তৈরি করবে। এমনকি আপনি চাইলে জেমিনি ৩.৫ ফ্ল্যাশ ব্যবহার করে সার্চের ভেতরেই আপনার ডায়েট ট্র্যাকার বা ফিটনেস অ্যাপের মতো নিজস্ব কাস্টম অ্যাপ বানিয়ে নিতে পারবেন।

৬. Daily Brief (পার্সোনালাইজড মর্নিং সামারি): জেমিনি অ্যাপের নতুন এই ফিচারটি আপনার জিমেইল, ক্যালেন্ডার এবং অন্যান্য কানেক্টেড অ্যাপের ডেটা অ্যানালাইসিস করে প্রতিদিন সকালে আপনার জন্য একটি চমৎকার ব্যক্তিগত সংক্ষিপ্ত বিবরণী বা ব্রিফিং তৈরি করে দেবে।

৭. Google Pics (ক্যানভার বিকল্প এআই টুল): গুগল ওয়ার্কস্পেস (Docs, Keep) অ্যাপগুলোতে আসছে 'গুগল পিকস'। এটি অনেকটা Canva-এর মতো একটি এআই ইমেজ এডিটর ও ডিজাইনিং টুল, যা দিয়ে সহজেই ইমেজ তৈরি, অবজেক্ট এডিটিং এবং ইন-ইমেজ টেক্সট ট্রান্সলেশন করা যাবে।

৮. Docs Live (কথা বলুন, ডকুমেন্ট তৈরি হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে): গুগল ডকস-এর এই ফিচারে আপনি শুধু আপনার চিন্তাভাবনাগুলো মুখে বলে যাবেন (Verbal Brain Dump), আর জেমিনি রিয়েল-টাইমে সেটিকে একটি চমৎকার গোছানো লিখিত ডকুমেন্টে রূপান্তর করে দেবে।

৯. Audio Smart Glasses (অডিও স্মার্ট গ্লাস): স্যামসাং, জেন্টল মনস্টার এবং ওয়ারবি পার্কারের সাথে যৌথ পার্টনারশিপে গুগল নিয়ে আসছে 'অ্যান্ড্রয়েড এক্সআর' চালিত ইন্টেলিজেন্ট অডিও গ্লাস। স্টাইলিশ ডিজাইনের এই চশমায় থাকবে বিল্ট-ইন ক্যামেরা ও এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট।

১০. Neural Expressive (জেমিনির নতুন রূপ): জেমিনি অ্যাপ পাচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন একটি ভিজুয়াল ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ। এতে থাকছে ভাইব্রেন্ট কালার, ফ্লুইড অ্যানিমেশন এবং হ্যাপটিক ফিডব্যাক, যা এআই-এর সাথে কথোপকথনকে আরও জীবন্ত করে তুলবে।

গুগল এবার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এআই শুধু প্রশ্নের উত্তর দেবে না বরং আপনার হয়ে নিজে থেকেই কাজ সম্পন্ন করবে (Agentic Era)!

😊

12/05/2026

শোবিজে এখন একটা ট্রেডিং হয়ে গেছে অ'শালীন ড্রেস পড়ে এসে বলে উপর থেকে কেউ ভিডিও করবেন না। কি হাস্যকর তাই না।

প্রিয় মাতৃভূমি প্রিয় বাংলাদেশ
02/05/2026

প্রিয় মাতৃভূমি প্রিয় বাংলাদেশ

৯.৬ মিলিয়ন ডাউনলোড হওয়া Sora এপ বন্ধ করে দিচ্ছে Open AI!!১ বিলিয়ন ডলারের ডিজনি সাথে করা ডিল ও বাতিল হয়ে গেলো! অথচ লঞ্চ হ...
25/03/2026

৯.৬ মিলিয়ন ডাউনলোড হওয়া Sora এপ বন্ধ করে দিচ্ছে Open AI!!
১ বিলিয়ন ডলারের ডিজনি সাথে করা ডিল ও বাতিল হয়ে গেলো!

অথচ লঞ্চ হওয়ার মাত্র ৫ দিনের মাথায় Sora ১ মিলিয়ন ডাউনলোডের মাইলফলক স্পর্শ করেছিল! এটা ছিল OpenAI-এর ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম গ্রোথ, এমনকি ChatGPT-কেও এটি হার মানিয়েছিল!

শুধুমাত্র ভাইরাল হওয়াই যে শেষ কথা নয়,
তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ আজ আমাদের সামনে।

কিন্তু কেন Open AI এমন সিদ্ধান্ত নিলো জানেন?

🟣 হাই-কোয়ালিটি ভিডিও জেনারেশন করতে যে পরিমাণ 'Compute Power' লাগে, তার খরচ ছিল আকাশচুম্বী। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী, Sora এর ইউনিট ইকোনমিক্স কোনোভাবেই লাভজনক ছিল না। অর্থাৎ, ১ টাকার ভিডিও বানাতে গিয়ে কোম্পানির খরচ হচ্ছিলো অনেক বেশি।

🟣 শুরুতে Sora অ্যাপ স্টোরে ১ নম্বর পজিশনে থাকলেও, দ্রুতই তা ১৭২ নম্বরে নেমে আসে। এর মানে হলো, মানুষ 'Curiosity' থেকে একবার ব্যবহার করলেও, প্রতিদিনের জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা খুঁজে পায়নি।

🟣 OpenAI বুঝতে পেরেছে যে ভিডিও বানিয়ে বিনোদন দেওয়ার চেয়ে Robotics এবং AGI (Artificial General Intelligence) এর দিকে ফোকাস করা তাদের আসল লক্ষ্য।

আমরা যখন কোনো নতুন আইডিয়া বা স্টার্টআপ নিয়ে কাজ করি,
আমরা চিন্তা করি কত দ্রুত ভাইরাল করা যায়।
কিন্তু Sustainability নিয়ে কি আমরা ভাবি?

- প্রোডাক্টের 'Unit Economics' ঠিক না থাকলে যত বড় কোম্পানিই হোক, একদিন হাত গুটিয়ে নিতে হবে।

- ইউজারের কাছে আপনার প্রোডাক্টের 'Daily Utility' না থাকলে হাইপ খুব দ্রুত মরে যায়।

-বড় লক্ষ্যের জন্য মাঝেমধ্যে জনপ্রিয় কোনো প্রজেক্ট বা 'Side Quest' বন্ধ করে দেওয়ার সাহস থাকতে হয়।

সোজা কথায়, শুধু 'Wow' ফ্যাক্টর দিয়ে বিজনেস চলে না,
বিজনেস চলে ভ্যালু এবং সাস্টেইনেবিলিটি দিয়ে।

আপনার Sora তে জেনারেট করা কোন ভিডিও থাকলে...
দ্রুত ডাউনলোড করে নিন,
কারণ মার্চ ২০২৬ এর পর সব ডেটা মুছে ফেলা হবে।

© Atiqur Rahaman

অবশেষে ৮০ বিলিয়ন ডলার খরচের পর 'মেটাভার্স' বন্ধের ঘোষনা দিলেন ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ!টেক দুনিয়ার বিশ্লেষকদের মতে...
19/03/2026

অবশেষে ৮০ বিলিয়ন ডলার খরচের পর 'মেটাভার্স' বন্ধের ঘোষনা দিলেন ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ!

টেক দুনিয়ার বিশ্লেষকদের মতে, টেক দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ভুল বিনিয়োগ ছিলো এটা!

মার্ক জাকারবার্গের মেটাভার্স প্রকল্প আসলে ছিল এক বিশাল পরীক্ষা—কিন্তু ফলাফল হলো ইতিহাসের অন্যতম বড় ব্যর্থতা।

👉 ভিশন বনাম বাস্তবতা : ২০২১ সালে ফেসবুককে "মেটা" বানিয়ে তিনি ঘোষণা দিলেন—ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা ভিআর হবে ভবিষ্যৎ। কিন্তু প্রযুক্তি তখনও প্রস্তুত ছিল না। ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দুর্বল, অ্যাভাটারের পা নেই, রুম ফাঁকা! ভিশন আর বাস্তবতার ফারাক স্পষ্ট হয়ে গেল।

👉 অতিরিক্ত বিনিয়োগ, কম গ্রহণযোগ্যতা : ২০২২–২৩ সালে ৩১ বিলিয়ন ডলার খরচ করেও ব্যবহারকারী আসেনি। বিনিয়োগকারীরা ক্ষুব্ধ, শেয়ার ভ্যালু ধসে পড়ল। এখানে দেখা যায়—শুধু টাকা ঢাললেই প্রযুক্তি জনপ্রিয় হয় না, ব্যবহারকারীর চাহিদা ও অভিজ্ঞতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

👉 এআই-এর উত্থান : ২০২৪ সালে এআই হঠাৎ টেক দুনিয়ার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যায়। সবাই এআই-এ ঝুঁকে পড়ে। জাকারবার্গও মেটাভার্স থেকে সরে এসে এআই-কে নতুন ব্র্যান্ডিং হিসেবে ব্যবহার করেন। এটি জরুরি করে তোলে যে—টেক ইন্ডাস্ট্রিতে সময়ের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া জরুরি।

👉 রিব্র্যান্ডিং দিয়ে ব্যর্থতা ঢেকে রাখা : ২০২৫–২৬ সালে Llama লঞ্চ করে মেটা এআই কোম্পানি হিসেবে পরিচিতি পায়। মেটাভার্সের নাম আর কেউ নেয় না। ব্যর্থতাকে ঢাকতে নতুন গল্প বানানো হয়।

সবমিলিয়ে ৮০ বিলিয়ন ডলার খরচের পর বোঝা গেলো —

- প্রযুক্তি যদি ব্যবহারকারীর প্রয়োজন মেটাতে না পারে, বড় বিনিয়োগও ব্যর্থ হয়।
- ভবিষ্যৎ অনুমান করা যায়, কিন্তু বাস্তবায়ন করতে হলে সময়, প্রযুক্তি ও মানুষের প্রস্তুতি দরকার।
- টেক দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় শক্তি হলো অভিযোজন—যে দ্রুত দিক বদলাতে পারে, সে-ই টিকে থাকে।

12/02/2026

এপস্টেইন ফাইলস বিষয়ে আমি জানা শুরু করি যেদিন থেকে চ্যাটজিপিটি প্রথম ব্যবহার শুরু করি সেদিন। মূলত তিন গোয়েন্দার রকি বীচ ন...
02/02/2026

এপস্টেইন ফাইলস বিষয়ে আমি জানা শুরু করি যেদিন থেকে চ্যাটজিপিটি প্রথম ব্যবহার শুরু করি সেদিন। মূলত তিন গোয়েন্দার রকি বীচ নামে বাস্তবে আমেরিকায় কোন বীচ আছে কিনা তা জানার জন্য সার্চ করতেই এমন ঘটনা জানার সূত্রপাত ঘটে। তখন রকিবীচ নামে কোন বীচ নেই বলে আমাকে জানায়। আমি তখন তিন গোয়েন্দার বইয়ের রকিবীচ দেখতে কেমন তার একটি বর্ণনা দিতেই চ্যাটজিপিটি পাম বীচ নামে একটি বীচের কথা জানায় আমাকে যা তিনি গোয়েন্দার রকিবীচের সঙ্গে ৭০% মিলে যায়। এরপর পর্যায়ক্রমে পাম বীচে কোন রহস্যের ঘটনা ঘটেছে কিনা জানতে চাইলে এই এপস্টেইনের কথা উঠে আসে। তখন এই বিষয়ে কারা কারা ছিল অপরাধী সেটা বলেনি চ্যাটজিপিটি, কিন্তু চ্যাটজিপিটির আকার ইঙ্গিত ছিল আজ যাদের নাম ও ছবি প্রকাশ হচ্ছে তারাই। আমি বার বার চিন্তা করতাম 'ই-জ-রা-ইলের বিপক্ষে কেন সৌ-দির রাজা মুখ খুলে না। আজ আশা করি অনেকে জবাব পেয়েছেন। আমি আগেই থেকেই বুঝেছিলাম সৌ-দির হর্তাক-র্তাদের কোন ফাঁ-দে ফেলা হয়েছে। হয় হা-নিট্র‍্যা-প বা ব্ল্যা-কমেইল এমন একটা কিছু আছে। যেজন্য তারা ফি-লি-স্তি-ন বা ই-রা-ন এর পক্ষ না নিয়ে তারা নিউটলে থেকেছে। মূলত এটি ই-হু-দিদের শত শত বছর পরিকল্পনার অংশ ছিল এটি। কিভাবে তারা পৃথিবীর মানুষের উপর একক আধিপত্য বিস্তার করবে সেটার জন্যই তারা এই রকম কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। এবং আমার ধারণা এটি ই-জ-রায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মো-সা-দ এর মূল পরিকল্পক। কারণ এরা না-রী ঘটিত বিষয় দিয়ে বিভিন্ন ইনফরমেশন কালেক্ট করে থাকে। যার মধ্যে হা-নিট্র‍্যা-প অন্যতম। তাই তারা শুরু থেকেই এমন এক ছক কষেছে যার ফলে তাদের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে পৃথিবীর সব রাঘব-বোয়ালরা। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন আরও হাজারও পৈ-শাচিক ঘটনা আছে। যা হয়তো আজও আমাদের অজানা। তবে অনলাইনে প্রচুর পড়াশোনা করলে আংশিক অনেক কিছুর জবাব খুজে পাওয়া যায়।

-©®RM
Dowa Media Group

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন।একদিন তাকে বলা হলো, তাকে...
02/02/2026

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা। বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন।

একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।

সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lo**ta Express)।

সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দাজ্জালিক সভ্যতার এক গোপন জাহান্নামে নিয়ে যাচ্ছে।

যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।

দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল।

সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে।

কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশাচিক ক্ষুধা।

মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর।

এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁড়ে খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।

আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?

জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত।

এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।

কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না।

'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেয়।

সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়।

বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জঘন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

জেফ্রি এপস্টেইন কি কেবল একজন বিকৃতকামী ধনী ছিল? না। সে ছিল মোস।দ এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার একটি হানি ট্র্যাপ প্রজেক্টের এজেন্ট।

তার কাজ ছিল বিশ্বনেতাদের এই দ্বীপে নিয়ে এসে তাদের নোংরা কাজের ভিডিও রেকর্ড করে রাখা যাকে গোয়েন্দা ভাষায় বলা হয় Kompromat। পরবর্তীতে এই ভিডিওগুলো দিয়েই তাদের ব্ল্যাকমেইল করা হতো।

আপনার প্রিয় নেতারা যখন টিভিতে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে বা অদ্ভুত সব সেকুলার এজেন্ডার পক্ষে কথা বলে, তখন তাদের গলার দড়িটা আসলে জায়নবাদীদের হাতে থাকে। তারা জানে, মুখ খুললেই তাদের ওই গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কোনো মাদ্রাসার শিক্ষক যদি শরিয়া নিয়ে কথা বলে, নারীদেরকে ঘরমুখী করার কথা বলে, অল্প বয়সে বিয়ে নিয়ে কথা বলে তখন এই দেশের সুশীলরা, নারীবাদীরা চিৎকার করে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলে, "মোল্লারা সব শিশুকামী!"

কিন্তু আজ যখন শত শত প্রমাণ সামনে আসছে যে, তাদের স্বপ্নের আমেরিকা, তাদের সভ্যতার ধারক-বাহকেরা একেকজন জঘন্য লেভেলের পেড|ফ|ইল তখন তারা মুখে কুলুপ এঁটেছে।

কেন? কারণ এই পিশাচরা টাই পরে, ইংরেজিতে কথা বলে এবং দামী পারফিউম মাখে। তাদের কাছে সাদা চামড়ার অপরাধ কোনো অপরাধ না, ওটা লাইফস্টাইল।

যত্তসব ভন্ড হিপোক্রিটের দল, সবগুলারে আমেরিকান হাই হিল দিয়ে পিডানো দরকার।

এই দাজ্জালিক বা NWO (New World Order) এর মূলমন্ত্রই হলো পারিবারিক প্রথা ধ্বংস করা এবং বিকৃত যৌনতাকে নরমাল করা। এই এপস্টেইন চক্র কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থার পচে যাওয়া কলিজার বাস্তব ছবি।

আপনার রব কি বলেননি, "ফিতনা হত্যা অপেক্ষা গুরুতর"?

ইসলাম ছাড়া, শরিয়াহ ছাড়া এই পিশাচদের থামানোর কোনো আইন দুনিয়াতে নেই। কারণ আইন যারা বানায় (Lawmakers), তারাই আজ এই অপরাধের হোতা।

কান্না করেন। শুধু ওই নির্যাতিত শিশুদের জন্য না, নিজের ঈমানের অবস্থার জন্য কান্না করেন। আপনি কাদের ফলো করছেন?

হাশরের মাঠে এই পেডোফাইলরা যখন জ।হ।ন্ন।মে যাবে, আপনাকে যেন তাদের ফ্যান বা সাপোর্টার হিসেবে তাদের পেছনে লাইনে দাঁড়াতে না হয় সেই মোনাজাত করেন! এখন সিদ্ধান্ত আপনার।

31/01/2026

জীবনের নির্দিষ্ট কিছু বিষয় উচ্চ আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন ব্যক্তিরা অন্যের কাছে ব্যাখ্যা করতে পছন্দ করেন না।

​১. ব্যক্তিগত জীবনের খুঁটিনাটি: যাদের আত্মসম্মান বেশি, তারা তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা সম্পর্কের বিষয়গুলো নিজেদের কাছেই রাখতে পছন্দ করেন। তারা মনে করেন না যে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপের জন্য অন্যদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

​২. অতীতের ভুল: তারা অতীতের ভুলগুলোকে ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করেন। তারা এই ভুলগুলো নিয়ে অন্যের কাছে দুঃখ প্রকাশ বা সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করেন না, বরং এগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যান।

​৩. ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা বা লক্ষ্য: মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী, লক্ষ্য শেয়ার করলে অনেক সময় কাজের উৎসাহ কমে যায়। তাই তারা তাদের স্বপ্ন বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো গোপন রাখেন এবং প্রচার না করে কাজের মাধ্যমে ফল দেখাতে পছন্দ করেন।

​৪. নিজের দুর্বলতা: তারা জানেন যে সবাই দুর্বল হতে পারে, কিন্তু তারা কেবল তাদেরকেই তা দেখান যাদের তারা গভীরভাবে বিশ্বাস করেন। তারা অন্যদের কাছে করুণা বা সহানুভূতির পাত্র হতে চান না।

​৫. জীবনের সংগ্রাম ও বোঝা: তারা বিশ্বাস করেন যে জীবনের কঠিন সময়গুলো তাদের সহনশীলতার পরীক্ষা। তাই তারা তাদের সমস্যার কথা বলে অন্যদের ওপর বোঝা চাপাতে চান না, বরং নীরবে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেন।

​৬. ব্যক্তিগত উন্নতির প্রক্রিয়া: তারা কীভাবে নিজেদের দক্ষ করে তুলছেন বা কী শিখছেন, তা নিয়ে বড়াই করেন না। তারা নীরবে নিজেকে উন্নত করতে থাকেন এবং তাদের কাজের মাধ্যমেই সেই পরিবর্তন প্রকাশ পায়।

​৭. আর্থিক অবস্থা: উচ্চ আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন ব্যক্তিরা মনে করেন একজন মানুষের প্রকৃত মূল্য তার চারিত্রিক গুণাবলীতে, ব্যাংক ব্যালেন্স বা সম্পদে নয়। তাই তারা তাদের আর্থিক অবস্থা নিয়ে অন্যের সাথে আলোচনা করাকে অপ্রয়োজনীয় মনে করেন।

​৮. নিজের আত্মমর্যাদা বা যোগ্যতা: তাদের কাছে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য অন্যের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। কেউ তাদের সম্পর্কে কী ভাবলো, তাতে তাদের কিছু আসে যায় না। তারা আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকেন।
​•
উচ্চ আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন ব্যক্তিরা অন্যদের কাছে কিছু লুকানোর জন্য নয়, বরং নিজেদের মর্যাদা এবং ব্যক্তিগত সীমানা (Personal Boundaries) রক্ষা করার জন্য এই বিষয়গুলো গোপন রাখেন। তারা বিশ্বাস করেন যে তাদের নিজেদের জীবনের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং তারা কারোর কাছে কিছু প্রমাণ করতে বাধ্য নন।

Address

Dhaka
Bhairab Town
2350

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dowa Media Group posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category