Digital Poka - ডিজিটাল পোকা

Digital Poka - ডিজিটাল পোকা We are a Strategic & Data-Driven Marketing Agency to build a strong online presence in your Industry

" কার কাছে মার্কেটিং করবেন❓"প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বুঝতে হবে আপনি যে অডিয়েন্সের কাছে মার্কেটিং করছ...
10/08/2021

" কার কাছে মার্কেটিং করবেন❓"

প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বুঝতে হবে আপনি যে অডিয়েন্সের কাছে মার্কেটিং করছেন তারা ক্রয় প্রক্রিয়ায় কতটুকু ভূমিকা পালন করে।

ক্রয় প্রক্রিয়ায় এই ভূমিকাকে বায়িং রোল বলে।

কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৫ ধরণের বায়িং রোল থাকেঃ

☑️ ইনিশিয়েটরঃ কোন প্রোডাক্ট যারা সর্বপ্রথম কেনার জন্য উদ্যোগ গ্রহন করে

☑️ ইনফ্লুয়েন্সরঃ যারা সরাসরি কাস্টমার বা কনজ্যুমারকে প্রোডাক্টি বা সার্ভিসটি নিতে প্রভাবিত করে

☑️ ডিশিসন মেকারঃ প্রোডাক্টটি কেনার ডিসিশন নেন যিনি

☑️ বায়ারঃ যিনি প্রোডাক্ট ক্রয় করেন বা কেনার সাথে সরাসরি যুক্ত থাকেন

☑️ কনজ্যুমারঃ অবশেষে যিনি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস গ্রহণ করেন

না বুঝলে সমস্যা নেই, উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছিঃ

➡️ ইনিশিয়েটরঃ এক্ষেত্রে কোন পণ্য বাজারে নতুন আসলেই তা ক্রয় করে। সাধারনত এরা নির্দিষ্ট কোন সেগমেন্ট নিয়ে বেশি উৎসুক বা এরা এই ক্যাটাগরীর লাভার বলতে পারেন। এরা সংখ্যায় অনেক কম হয়।

➡️ ইনফ্লুয়েন্সরঃ একজন ইনফ্লুয়েন্সর কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস গ্রহনের ক্ষেত্রে কাস্টমার বা ডিসিশন মেকারকে প্রভাবিত করে। যেমনঃ আপনি যখন নতুন ফোন কিনবেন এবং ডিসিশন নিতে পারছেন না কোন মডেল কিনবেন বা কোন ব্র্যান্ড কিনবেন? তখন আপনি একজন এক্সপার্ট এর কাছ থেকে সাজেশন নেন। এক্সপার্ট এর সাজেশন অনুযায়ী নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বা মডেল বাছাই করেন।

এখানে এক্সপার্ট একজন ইনফ্লুয়েন্সর এর কাজ করে।
অনেক সময় এই ইনফ্লুয়েন্সর আবার ডিসিশন মেকারের কাজ কর থাকে।

➡️ ডিশিসন মেকারঃ ডিসিশন মেকার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। যেমনঃ বাড়ির গৃহিনী বাড়ির মাসের বাজারের সময় তার পছন্দের সাবান লিস্টে লিখেন। এখানে কোন সাবান কিনবে তিনি তা সিদ্ধান্ত নেন।

➡️ বায়ারঃ বায়ার সরাসরি পণ্য ক্রয় করে থাকে কিন্তু বায়ার ও ডিসিশন মেকারের ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমনঃ বাড়ির গৃহিনী নিজেই মাসের বাজার করে থাকলে তিনিই পন্যের ভালো মন্দ যাচাই বাচাই করে থাকে এবং ক্রয় করে।

➡️ কনজ্যুমারঃ সরাসরি পণ্য বা সার্ভিস ভোগ করে থাকে বিধায় এখানে তাদের সবোর্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

একজন কনজ্যুমার একই সাথে কনজ্যুমার, বায়ার, ডিসিশন মেকার হতে পারে।

⭐️ তাই পণ্য বা সার্ভিস মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কাস্টমারের ভূমিকা গুলো ভালো ভাবে বুঝতে হবে। তখন সে অনুযায়ী সঠিক টার্গেট অডিয়েন্স ঠিক করা খুবই সহজ,সাশ্রয়ী ও কার্যকর হয়।

⏹ এই রকম ইনফরমেটিভ পোষ্ট পেতে লাইক করে আমাদের সাথে থাকুন ❤️️

Crucial Elements of Segmentation
29/07/2021

Crucial Elements of Segmentation

11/07/2021
“ক্রেতার সিদ্ধান্তই হবে মার্কেটিং ট্র্যাটেজি”ক্রেতার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া বা ধাপ ভালো করে বুঝতে পারলে ঠিক কোথায় কী...
07/07/2021

“ক্রেতার সিদ্ধান্তই হবে মার্কেটিং ট্র্যাটেজি”

ক্রেতার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া বা ধাপ ভালো করে বুঝতে পারলে ঠিক কোথায় কী ধরণের মার্কেটিং ট্র্যাটেজি প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা খুবই সহজ।

🌟 কোনো পণ্য বা সেবা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ক্রেতা ৫ টি ধাপ অতিক্রম করে।
👉 প্রয়োজনঃ সামিন কেবল ষষ্ঠ শ্রেনীতে উঠল। নতুন স্কুল বাসা থেকে খানিকটা দূরে। তাই স্কুলে যাওয়া আসায় বেশ সমস্যা হচ্ছে। যাতায়াতের এই সমস্যা সমাধানে তার এখন একটি সাইকেল হলে ভালো হয়।
এখানে যখনই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে তখনই সমাধানের জন্য চাহিদা/প্রয়োজন সৃষ্টি হয়েছে। এটা খুবই সাধারণ বিষয় যা আমরা সবাই জানি।
কিন্তু চাহিদা অনেক আগেই সৃষ্টী হয়েছে কিন্তু তা এখনো পূরণ হয়নি এমন ও হতে পারে। যেমন সামিনের বন্ধু নতুন সাইকেল কিনল তা দেখে তারও সাইকেল কিনার ইচ্ছে হলো। কিন্তু কোন কারণে কেনা হয়নি
(পছন্দের সাইকেলের দাম বেশি/তখন তার কাছে টাকা ছিলো না)। কিন্তু এখনো সাইকেলের কেনার প্রতি আগ্রহী আছে তবে তা সুপ্ত ভাবে আছে।
এক্ষেত্রে এই সুপ্ত চাহিদাকে জাগিয়ে তোলা যেতে পারে মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

***মার্কেটিং টেকনিকঃ সাইকেলের আগ্রহী সামিন যদি কখনো লেটেস্ট সাইকেলের লঞ্চ বিজ্ঞাপন দেখে/সাইকেল ফেয়ার/স্টান্ট শো/বাইসাইকেল কন্টেস্ট ইত্যাদি সম্পর্কে জানে/দেখে তাহলে তার সুপ্ত চাহিদাটি আবার জাগ্রত হবে যা সাইকেল কেনার জন্য প্রয়োজনীয় একশন নিতে সাহায্য করবে।

মার্কেটিং এর মাধ্যমে আমরা সামিনের সুপ্ত চাহিদাকে এক্সটার্নালি ট্রিগার করে দিলাম।

কাস্টমারের সুপ্ত চাহিদাকে এক্সটার্নালি ট্রিগার করার জন্য সবচেয়ে এফোরডেবল মার্কেটিং মিডিয়া হচ্ছে ফেসবুক গ্রুপ মার্কেটিং/ফেসবুক পেইড মার্কেটিং/ অনলাইন ইভেন্ট আয়োজন/কন্টেস্ট আয়োজন।
বিঃদ্রঃ এখানে সাইকেল উদাহরণ হিসেবে ধরা হলো, এখান থেকে আপনি আইডিয়া পেলেন যা আপনি আপনার পণ্য/সার্ভিস অনুযায়ী সাজিয়ে নিয়ে প্রয়োগ করতে পারনে।

👉 তথ্য খোজাঃ এ স্টেপে কাস্টমার পণ্য সম্পর্কে জানার জন্য চেষ্টা করে (তথ্য খোজার বিষয়টি আসে যখন পণ্য টি দামী/অনিয়মিত ক্রয়/ দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না )। পণ্য সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টারনেটে খোজ করে,বন্ধুবান্ধব কে জিজ্ঞাসা করে, এক্সপার্ট এর পরামর্শ নেয়।

তাহলে আপনি বলতে পারেন আমি কিভাবে এখানে মার্কেটিং করার সুযোগ পাবো ?

***মার্কেটিং টেকনিকঃ Be A Guide. আপনি সে পণ্য বা সার্ভিস নিয়ে কাজ করছেন তার এক্সপার্টিস শো করেন। বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্ম (ফেসবুক/ইউটিউব/ব্লগ) এ এই বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন/ভিডিও তৈরি করেন/সরাসরি মানুষকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করেন । তাতে আপনার এক্সপার্টিস শো হবে। কাস্টমার আপনার কাছ থেকে মূল্যবান ভ্যালু পাবার জন্য আপনার উপর ট্রাস্ট করবে।

👉 তুলনাঃ বাজারে পণ্য ও তার ধরনের অভাব নেই। এত অপশন থাকার কারনে ক্রেতা কনফিউড হয়ে যায়। তখন তারা বিভিন্ন ফ্যাক্টর এর উপর পণ্য/সেবার তুলনা করে।

এই কম্পিটিটিভ মার্কেটে টিকে থাকার জন্য আপনাকে ইউনিক ভাবে পণ্য/সেবা উপস্থাপন করতে হবে।

***মার্কেটিং টেকনিকঃ পণ্যে/সেবায় ইউনিক (কম্পটিটরা যা দিচ্ছে না) ভ্যালু যোগ করেন। ইউনিকনেস আপনার পন্যকে টপ অপ দ্যা লিস্ট রাখতে সাহায্য করবে। পন্যের ইউনিক ভ্যালু গুলো বার বার কাস্টমারের নিকট তুলে ধরুন এবং ইউনিক ভ্যালুর সুবিধা/ইম্পেক্ট তুলে ধরুন।

"It will help you to stand out from the crowd".

এক্ষেত্রে মনে রাখবেন, যারা ইতিমধ্যে আপনার পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে জানে তাদের কাছে ইউনিক ভ্যালু সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন বেশি প্রচার করুন।

👉 চূড়ান্ত সিদ্ধান্তঃ এই ধাপে কাস্টমার কোন পণ্য কিনবে তা ঠিক করে ফেলে। কিন্তু এখানেও কাস্টমার তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারে যদি সে কোন অবস্থার দ্বারা ইনফ্লুয়েন্সড হয়। যেমনঃ নিদিষ্ট ব্র্যান্ডের পন্যের দামের তারতম্য, আশে পাশের কোন ব্যক্তি/বস্তু/ঘটনা(বন্ধু “X” বাইক কিনলো আমি ও তাই কিনব) দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়া।

***মার্কেটিং টেকনিকঃ এখানে আপনি আপনার কাস্টমারকে ফলো-আপ এ রাখতে পারেন। কাস্টমারকে প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন ভ্যালু এডেড অফার যেমনঃ ফ্রী শিপিং/ফ্রী ইন্সটল/ফ্রী সার্ভিসিং/ক্যাশব্যাক ইত্যাদি।
??? এখন আপনি বলবেন কারা আমার চূড়ান্ত কাস্টমার? কিভাবেই বা আমি তাদের খুজে পাবো?

প্রশ্নটা স্বাভাবিক!!! ছোট বা মাঝারি ব্যবসায় কাস্টমারকে ট্র্যাক করা সম্ভব হয় না।

আর এই সমস্যা সমাধান করে ডিজিটাল মার্কেটিং ট্র্যাটেজি। ডিজিটাল মার্কেটিংর মাধ্যমে অল্প খরচ ও সল্প সময়ের মধ্যেই ছোট বা মাঝারি ব্যবসায়ও সহজেই কাস্টমারের ডাটা সংগ্রহ ও ট্র্যাক করতে পারবে।
ডাটা থাকলেই তো কাস্টমারের বিহেবার বুঝতে পারবেন এবং তারা কোন স্টেজ এ আছে্ তা নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী ভ্যালু এড করতে পারবেন।

👉 বিক্রয় পরবর্তি আচরণঃ পছন্দের ফোন কিনার কিছুদিন পর দেখলেন হ্যাং করছে/ব্যাটারি তেমন ব্যাকাপ দিতে পারছে না/ক্যামেরার পারফরমেন্স ডাউন। তাহলে কি করবেন? অবশ্যই এই ব্র্যান্ডের ফোন কাউকে কেনার জন্য সাজেস্ট করবেন না। অথবা কেউ কিনতে চাইলে তাকে না কিনার জন্য পরামর্শ দিবেন। কিন্তু সেই ব্র্যান্ডের ফোন যদি আপনাকে সেটেইসফাই করতে পারে। তাহলে আপনার কাছের মানুষ ফোন কিনার সময় আপনি ওই ব্র্যান্ডটি সাজেস্ট করবেন। খুবই সহজ বিষয়।

তাহলে এখানে মার্কেটিং টেকনিক টা কি তাহলে? পণ্য বিক্রয়ের পর পরই মার্কেটিং এর কাজ শেষ হয়ে যায় না। এখানেই খেলা শুরু।

***মার্কেটিং টেকনিকঃ পণ্য বা সার্ভিস ডেলিভারী দেওয়ার সময় যত পারেন আপনার ব্র্যান্ডের ছোয়া রাখুন। কাস্টমারের অর্ডারকৃত পন্যের সাথে ছোট খাটো কোন কিছু সারপ্রাইজড গিফট হিসেবে দিয়ে দিন। পন্যের সাথে শুভেচ্ছা লেটার দিন যাতে কাস্টমারের নাম থাকবে।পণ্য প্যাকেজিং ছাড়া ও ডেলিভারি প্যাকেজিং এ আপনার ব্র্যান্ডের ছোয়া রাখুন। দামি পন্যের ক্ষেত্রে স্পেশালাইজড ডেলিভারী সিস্টেম রাখতে পারেন। বিক্রয়ের পর কাস্টমারের ফিডব্যাক নিন। আপনার পণ্য সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যায় সাহায্য করুন।

এই ছোট খাটো বিষয়গুলো অনেক বেশি ইকফেক্টিভ যা কাস্টমারকে ব্যতিক্রম অভিজ্ঞতা দেয়।কাস্টমার ভালো অভিজ্ঞতা লাভ করলে সে আপনার পণ্য বা সার্ভিসের প্রমোটার হয়ে ওঠবে।

বিঃদ্রঃ এখানে আমি বার বার কাস্টমারের পছন্দ অনুযায়ী ট্রীট করার কথা বলছি। কারণ, কাস্টমার পারসোনালাইজড অভিজ্ঞতা পছন্দ করে। এটা কিন্তু কাস্টমারের বিহেবার দেখে বুঝা সম্ভব ।

আপনার কাস্টমারের বিহেবার ডাটা থাকলে আপনি তাকে সে অনুযায়ী সার্ভিস/পন্য/কন্টেন্ট/বিজ্ঞাপন সার্ভ করতে পারবেন।

▶️ তাই ডিজিটাল মাধ্যমের কোন বিকল্প নেই।

সো, আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনার মাথায় অনেক মার্কেটিং আইডিয়া 🤔 ঘুরপাক খাচ্ছে।

👍 এই রকম ইফেক্টিভ কন্টেন্ট পেতে আমাদের সাথে থাকুন আর ধৈর্য্য রাখুন 😍

“ক্রেতার আচরণ বুঝে পন্যের মার্কেটিং করুন”⚠️ প্রথমেই একটু ক্লিয়ার করে নেই ক্রেতা আর ভোক্তা এক না।⭐️ ক্রেতা পণ্য কিনে থাকে...
04/07/2021

“ক্রেতার আচরণ বুঝে পন্যের মার্কেটিং করুন”

⚠️ প্রথমেই একটু ক্লিয়ার করে নেই ক্রেতা আর ভোক্তা এক না।

⭐️ ক্রেতা পণ্য কিনে থাকে এবং ভোক্তা তা গ্রহন করে।
কখনো ক্রেতাই ভোক্তা হয় আবার কখনো বিভিন্নতা দেখা যায়। যেমনঃ বাচ্চাদের খাওয়ার দুধ সাধারণত বাচ্চার বাবা-মা কিনে থাকে। কিন্তু গ্রহণ করে বাচ্চা।

তাই ক্রেতা/ভোক্তার আচরণ বুঝে মার্কেটিং টেকনিক খাটাতে হবে।

মোটামুটি ৪ ভাবে ভোক্তার আচরণ লক্ষ্য করা যায়।

👉আবেগপ্রবণ/অভ্যাসগতঃ গতকাল বিকাশ রিচার্জ করার জন্য পাড়ার মোড়ের দোকানে যাই। রিচার্জ করার পর টাকা দেওয়ার সময় চোখে পড়লো ক্যাডবেরী চকলেট । ভাগিনার পছন্দের চকলেট । তাই দুই টা নিয়ে নিলাম। গিয়েছিলাম রিচার্জ করতে চকলেট কিনার কোন পরিকল্পনা ছিলো না।

হয়তো আপনারাও এই রকমই করেন।

***মার্কেটিং টেকনিকঃ এমন ভাবে মার্কেটিং করেন যাতে কাস্টমার আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন দিনে বা সপ্তাহে কয়েকবার দেখে। এতে আপনার ব্র্যান্ডটি ক্রেতার মস্তিকে সেট হয়ে যায়,এবং সে আপনার ব্র্যান্ড এর সাথে কানেক্টেড ফিল করে।

সল্প বাজেটের মাধ্যম হতে পারে ডিজিটাল মাধ্যম (ইউটিউব মার্কেটিং,ফেসবুক মার্কেটিং)।

👉 একই পন্যের বিভিন্নতাঃ আপনি হয়তো একই ধরনের বিস্কুট মাসের পর মাস খান না। রুচি পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভার ট্রাই করেন। যাতে বিস্কুটের ওপর একঘেয়ামি না আসে। (বিস্কুট উদাহরণ হিসেবে ধরা হলো)

এক্ষেত্রে ক্রেতা পন্যের খারাপ মানের জন্য একই পণ্যের বিকল্প খোজে না। বরং একই পন্যের ব্যবহারে একঘেয়ামি কাটানোর জন্য পন্যের বিভিন্নতা খোজে। তাই পন্যের বিভিন্নতা এনে মার্কেটে শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে হবে।

***মার্কেটিং টেকনিকঃ পুরানো ক্রেতাদের কাছে নতুন প্রোডাক্ট তুলে ধরুন, এবং নতুন প্রোডাক্টের বিশেষত্ব বলুন। কারণ নতুন কাস্টমারের চেয়ে পুরানো কাস্টমারের কাছে আপনার নতুন প্রোডাক্টের গ্রহনযোগ্যতা সবচেয়ে বেশি। তারা ইতিমধ্যে আপনার ব্র্যান্ডের সাথে সম্পৃক্ত। ফিজিকাল স্টোরের ক্ষেত্রে সেলফ ম্যানেজ খুবই ইফেক্টিভ।

👉 অসংগতিঃ আবির নতুন মোবাইল কেনার জন্য মার্কেটে গেল। দোকানদার কয়েকটি ভালো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন দেখালো। সব গুলোর বৈশিষ্ট্য ও মান প্রায়ই একই। এখন আবির যে কোম্পানির আফটার সেলস সার্ভিস ভালো এবং দামেও কম সেই ফোনটি কিনলো।
যেহেতু এটি একটি অনিয়মিত ক্রয় তাই ক্রেতা সে পণ্য বা সার্ভিস টি ক্রয় করে যাতে ক্ষতির সম্মুখীন না হয় তাই ক্রয়ের আগে ঝুকি গুলো বিবেচনা করে ।

যেমনঃঅন্য পন্যের সাথে মান/বৈশিষ্ট্য/দাম তুলনা,আফটার সেলস সার্ভিস ইত্যাদি।

***মার্কেটিং টেকনিকঃ যেহেতু অনিয়মিত/দামী পণ্য তাই কাস্টমারের ডিশিসনে রিস্ক ফ্যাক্টর গুলো কমাতে তাকে আফটার সেলস সার্ভিস/গ্যারান্টি প্রদানের বিষয় জানান। যাতে সে ফিল করে পণ্য ক্রয়ের পরও আপনার কোম্পানি তাকে যেকোনো সম্যসায় সাহায্য করবে।

👉 জটিল সিদ্ধান্তঃ লেপটপ কিনবেন। কিন্তু আপনার বাজেটের ভিতর একেক কোম্পানি একেক স্পেসিফিকেশনের ল্যাপটপ বিক্রয় করছে। কোনটা নিবেন ঠিক করতে পারছেন না। আপনার পছন্দের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী নিতে গেলে দাম বেশি হয়ে যায়। আবার বাজেটের ভিতর নিতে গেলে আপনার পছন্দের স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী হচ্ছে না। এমন সমস্যায় প্রায়ই পড়তে হয়। বিশেষ করে দামী এবং অনিয়মিত কোন পণ্য বা সার্ভিসের ক্ষেত্রে।

***মার্কেটিং টেকনিকঃ ক্রেতাকে পণ্য কিনতে সাহায্য করুন। যেহেতু ক্রেতা কনফিউজড থাকে তাই ক্রেতাকে পন্য সম্পর্কে তথ্য দিন। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী পণ্য কিনতে গাইড করুন। এতে করে সে আপনাকে বিশস্ত্ব ভাববে এবংওই বিষয়ে এক্সপার্ট মনে করবে। এই পদ্ধতি খুবই ইফেক্টিভ।

আলোচ্য বিষয়গুলো প্রয়োগে কম্পিটিটিভ মার্কেটে টিকে থাকতে সাহায্য করবে। কারণ ব্যবসা করা টা বড় কথা না তা টিকিয়ে রাখাটাই মুখ্য।

" কেনো আউটবাউন্ড মার্কেটিং ট্র্যাটেজি হলো গেল পুরানো❓"👇👇👇কাশেম ও হাসান দুই বন্ধু একটি শপিং মলে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। হঠাত এক...
17/06/2021

" কেনো আউটবাউন্ড মার্কেটিং ট্র্যাটেজি হলো গেল পুরানো❓"

👇👇👇
কাশেম ও হাসান দুই বন্ধু একটি শপিং মলে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। হঠাত এক লোক কাছে এসে জিজ্ঞসা করে স্যার "আপনারা কি ব্র্যান্ডের মোবাইল ব্যবহার করেন?" দুই বন্ধুই একটু বিরক্ত হলো। এই দেখে লোকটি কথা আর না বাড়িয়ে তার ব্র্যান্ডের ফোন এর একটি করে লিফলেট ধরিয়ে দিয়ে গেল।

এখানে কাশেম ও হাসান না চাওয়া সত্বে ও তাদের বিজ্ঞাপন দেখানো হলো।

👉 এটিকেই বলা হয় আউটবাউন্ড মার্কেটিং।

আরেকটা উদাহরণ দিচ্ছি,

👉 আনিছা সারাদিন সংসারের কাজ করার পর বিকাল বেলায় একটু অবসর সয়ম পায়। টিভি চালিয়ে বসলো পছন্দের কুকিং শো দেখবে। কিছুক্ষ্ণ শো চলার পর বিজ্ঞাপন। মেজাজ খারাপ। “ যত্তসব আজাইরা জিনিসের বিজ্ঞাপন তার কুকিং দেখার সময় ” এইরকম বলে উঠলো। তাহলে বুঝা যাচ্ছে সে বিজ্ঞাপন দেখতে ইচ্ছুক না। বা যেসব পন্যের বিজ্ঞাপন হচ্ছে সে সেগুলোর ব্যবহারকারী ও না।

অনিচ্ছাসত্ত্বে ও বিজ্ঞাপন দেখানো আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর বৈশিষ্ট্য।

আউটবাউন্ড মার্কেটিং "মার্কেটিং" শব্দ আবিষ্কারের আগে থেকেই ব্যবহার হচ্ছে। গ্রাহকের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেয় না বলে এই মার্কেটিং এখন আর তেমন কাজ করে না। আপনার ইচ্চার বিরুদ্ধে আপনাকে বিজ্ঞাপন দেখালে তো আপনার বিরক্তই লাগবে। পূর্বে এই সব বিরক্তির স্বীকার হয়ে আসছিলাম আমরা। আমাদের ছোটবেলার টিভি দেখার অভিজ্ঞতার কথা মনে করলেই হবে।

এখনো অনেক কোম্পানী আউটবাউন্ড মার্কেটিং করে থাকে। কিন্তু তা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।

আউটবাউন্ড মার্কেটিং এর মাধ্যম (টিভি বিজ্ঞাপন, রেডিও বিজ্ঞাপন, লিফলেট ইত্যাদি)।

⭐️ মার্কেটিং এর খুটিনাটি জানার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন 😊

👟 জুতা জোড়া পুরানো হয়ে গিয়েছে। এক জোড়া নতুন না কিনলেই না হয়। করোনায় জন্য মার্কেটে যেতেও ভয় লাগে। তাই গুগল এ সার্চ করলাম ...
15/06/2021

👟 জুতা জোড়া পুরানো হয়ে গিয়েছে। এক জোড়া নতুন না কিনলেই না হয়। করোনায় জন্য মার্কেটে যেতেও ভয় লাগে। তাই গুগল এ সার্চ করলাম buy shoes in bd। প্রথম কয়েকটা ওয়েবসাইটে দেখলাম জুতার ডিজাইন ভালো লাগে কিন্তু এত চিনি (টাকা) নাই। একটু বিরক্ত লাগলো। কি আর করার সাইট থেকে বের হয়ে ঢুকলাম ফেসবুক এ। ২-৩ মিনিট স্ক্রল করার পর দেখি একটা জুতার এড। এড এ ক্লিক করে সাইটে প্রবেশ করলাম। অস্থির সব জুতার কালেকশন। দামও রিজেনেবেল। এক জোড়া অর্ডার দিয়ে ফেললাম।

তাহলে এখানে বিক্রেতা আমাকে খুজে বের করলো নাকি আমি তাকে❓

🔎 অবশ্যই, আমি (একজন ক্রেতা) 😊

অর্থাৎ, বিক্রেতা ইন্টারনেটে মাধ্যম গুলোতে মূল্যবান কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে ক্রেতা আকৃষ্ট করে তখন তা ইনবাউন্ড মার্কেটিং।

এখানে ক্রেতা বিক্রেতার কন্টেন্ট দেখে পণ্য বা সার্ভিস নেওয়ার জন্য আকৃষ্ট হয়।

ইনবাউন্ড মার্কেটিংএর সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যমগুলো হচ্ছেঃ

👉 টপিক্যাল বল্গ

👉 সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন

👉 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

👉 ইবুক’স

👉 ভাইরাল ভিডিও/ভিডিও

👉 ওয়েব বেসড সেমিনার

⏭ পরবর্তী পোষ্টের জন্য অপেক্ষা করুন

আমাদের সাথে থাকুন 😊

📖 গল্পে গল্পে শিখা হোক ডিজিটাল মার্কেটিং।👉👉 আগের পোস্টে আমরা জেনেছি মার্কেটিং ও মার্কেটিং এর কিছু অংশ (আগের পোস্ট না দেখ...
15/06/2021

📖 গল্পে গল্পে শিখা হোক ডিজিটাল মার্কেটিং।

👉👉 আগের পোস্টে আমরা জেনেছি মার্কেটিং ও মার্কেটিং এর কিছু অংশ (আগের পোস্ট না দেখলে দেখে আসুন )।

📱 এইবার জানবো ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

👨‍💼 নাঈম ভাই আম বিক্রেতা। এইবার আমের ফলন ভালো হয়েছে।তাই দাম টাও হাতের নাগালে।কিন্তু 😷😷কোভিড-১৯ এর পুরো দেশে লকডাইন। তার তো মাথায় হাত। এই এক মৌসুমে তার এই ব্যবসা টা ভালো হয়। তার ছোট ভাই বুলু বড় ভাইয়ের এই অবস্থা দেখে ভাইকে পরামর্শ দিলো অনলাইনের মাধ্যমে আম বিক্রির চেষ্টা করতে। নাঈম ভাই অনলাইন সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। তিনি যোগাযোগ করল ডিজিটাল পোকা নামক 💻 ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সির 💻 সাথে। তারা তাকে প্রাথমিক ভাবে ফেসবুক বিজনেস পেজ সেটাপ করে দিলো। এবং তার পন্যের প্রচার করা শুরু করল। এতে করে বিভিন্ন জেলা থেকে আমের অর্ডার আসা শুরু করল।

👉 এখানে ডিজিটাল মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে পন্যের প্রচার করা হয়েছে , তাই এটি ডিজিটাল মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং ২ প্রকার।

⭐️ ইনবাইন্ড এবং আউটবাউন্ড মার্কেটিং।

⏭ আগামী পোষ্টে ইনবাউন্ড মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করবো।

😊 সেই পর্যন্ত সাথে থাকবেন 😊

আমরা সবাই মোটামুটি মার্কেটিং শব্দাটার সাথে পরিচিত । কিন্তু মার্কেটিং  এর বিভিন্ন অংশ কে ভালোকরে হয়তো জানি না।আসেন গল্পে ...
15/06/2021

আমরা সবাই মোটামুটি মার্কেটিং শব্দাটার সাথে পরিচিত । কিন্তু মার্কেটিং এর বিভিন্ন অংশ কে ভালোকরে হয়তো জানি না।

আসেন গল্পে গল্পে শিখি ......
👇👇👇
সুরমা কোম্পানি তার ভোক্তাদের জন্য বাজারে নতুন একটি বিউটি সোপ আনতে যাচ্ছে। কিন্তু নতুন পণ্য যে বাজারে আসছে তা ভোক্তা বা ক্রেতা জানবে কিভাবে? তাই সুরমা কোম্পানির মার্কেটিং হেড গেল আজব টিভির অফিসে। আজব টিভির কর্মীদের জানালো নতুন সাবান টির জন্য টিভিতে প্রচার করা যায় কিনা। আজব টিভি থেকে জবাব হ্যা আসল এবং একটি প্রাইসিংও দিল। সুরমা কোম্পানি প্রাইসিং এ রাজি। ব্যস! প্রচার শুরু।

📺📺📺 তাহলে এটি হলো একটি বিজ্ঞাপন।

সুরমা কোম্পানির মার্কেটিং হেড ও তার কর্মীরা শুধু টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দিয়ে বসে নেই। তাদের নিজস্ব পণ্য ডিস্ট্রিবিউশনের ট্রাকের পুরো বডিতে তাদের সোপের ছবি বড় করে লাগিয়ে দিল।

🔊 এটিকে বলা চলে প্রমোশন।

মানুষ এই দেখে (বিশেষ করে মেয়েরা) এই সাবান নিয়ে একে অপরের সাথে বলাবলি শুরু করল।

😮 এটিকে বলা হয় পাবলিক রিয়েকশন।

বিজ্ঞাপন ভাইরাল হওয়ায় কিছু মিডিয়া, প্ত্রিকা এই সাবানের গুণাগুণ নিয়ে লেখা শুরু করল।

📣 এখানে তা পাবলিসিটি।

এত এত আলোচনায় কারণে মানুষ এই সাবান ক্রয় করতে শুরু করে।

অবশেষে আসল কার্য সিদ্ধ হলো, সেলস।

এই আয়োজনের নামই মার্কেটিং 📣📣📣

Address

Holding No:628, Horodoyal Road
Chandpur
3600

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Friday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801861956976

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital Poka - ডিজিটাল পোকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Digital Poka - ডিজিটাল পোকা:

Share