Classic Digital Marketing

Classic Digital Marketing Classic Digital Marketing is ready to give you full computer skill development and freelancing service. We can give you 100% satisfied support.

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ?আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছে। যারা মনে করে শুধু Logo, Vector, illusions কে গ্রাফিক্স  ডিজাইন মনে...
03/11/2021

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ?
আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছে। যারা মনে করে শুধু Logo, Vector, illusions কে গ্রাফিক্স ডিজাইন মনে করে। কিন্তু আদে ও তা নয়। এগুলো হলো গ্রাফিক্স সেক্টরের কিছু অংশ মাএ। অপরদিকে গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো বৃহৎ একটি প্ল্যাটফর্ম।

গ্রাফিক ও ডিজাইন- এই শব্দ দুটোকে যদি আমরা আলাদা করি। তাহলে গ্রাফিক্স এর অর্থ হলো, কালার (Colour) এর সংমিশ্রন। আর ডিজাইন (Design) এর অর্থ হলো নকশা।

যদি সংঙ্গায়িত করি, তাহলে এর অর্থ দাড়াবে, অসংখ্য কালারের সংমিশ্রণে কোনো দৃশ্যমান চিএের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তাকে বলা হয় গ্রাফিক্স ডিজাইন।

আর যখন কোনো ব্যক্তি,তার ডিজাইন শিল্পকে পূর্নাঙ্গভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে। তখন সেই ব্যক্তিকে বলা হয় গ্রাফিক্স ডিজাইনার।

★এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? এবং কেন করবো? এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো একটি বিক্রয় চালানো এবং উল্লেখযোগ্য অনলাইন আয় উপার্জনের এক...
01/11/2021

★এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? এবং কেন করবো?

এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো একটি বিক্রয় চালানো এবং উল্লেখযোগ্য অনলাইন আয় উপার্জনের একটি জনপ্রিয় কৌশল বা মাধ্যম। উভয় ব্র্যান্ড এবং অনুমোদিত বিপণনকারীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর এফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যয়ের ক্ষেত্রে 10.1% বৃদ্ধি রয়েছে, যার অর্থ 2021 সালের মধ্যে এই সংখ্যাটি 7.8 বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে।যদি সফল হতে চান তাহলে প্রথমেই নিজের সাথে কমিটমেন্ট করতে হবে – “যে কোন মূল্যে সফল হবোই”। সাধারণ মানুষ এর চাইতে কমিটেড মানুষ দের সাফল্য অনেক গুন বেশি।

আর এই কমিটমেন্ট টি করতে হবে একদম মন থেকে, আপনাকে আপনি বলবেন – যে কোন মূল্যে আমি সফল হবোই। কমিটমেন্ট করার পর একটি প্লান করবেন – কবে থেকে কাজ শুরু করবেন, কত টাকা আপনার ইনভেস্টমেন্ট, দিনে কত ঘণ্টা কাজ করবেন, কত ঘণ্টা কাজ শিখার জন্য দিবেন, কি কি ওয়েবসাইট ফলো করবেন ইত্যাদি। কাজ সম্পর্কিত সকল কিছু একটি প্লান এর মধ্যে নিয়ে আসবেন, তাই সব কিছু প্রথমেই প্লান আকারে নোট করে নিবেন।

অনেকেই যেনতেনভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করেন, ফলে কাঙ্খিত সাফল্য পাওয়া তাদের জন্য দুস্কর হয়ে যায়। তবে আপনি যদি সঠিক উপায়ে এটি শুরু করতে পারেন, তবে অনেক ভাল করতে পারবেন । যাই হোক, এখন আমি আপনাকে প্রতিটি স্টেপ একে একে দেখাব।

ভালো বক্তব্য দিতে পারা কিংবা নেটওয়ার্কিং করতে পারা- একটি মানুষের এধরনের নন-টেকনিক্যাল স্কিলগুলোকেই বলা হয় সফট স্কিল। ক্য...
27/10/2021

ভালো বক্তব্য দিতে পারা কিংবা নেটওয়ার্কিং করতে পারা- একটি মানুষের এধরনের নন-টেকনিক্যাল স্কিলগুলোকেই বলা হয় সফট স্কিল। ক্যারিয়ারে সফলতা পেতে টেকনিক্যাল স্কিলের পাশাপাশি নন-টেকনিক্যাল স্কিলগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। চাকরি দেওয়া থেকে শুরু করে,চাকরিতে পদোন্নতি দেওয়া, সকল ক্ষেত্রেই সফট স্কিলেকে গুরুত্ব দেওয়া হয় অনেক। একবিংশ শতাব্দীতে ক্যারিয়ারে প্রয়োজনীয় সফট স্কিল নিয়ে আমাদের এই আর্টিকেলটি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ক্যারিয়ারে সফলতা লাভ করতে হলে কী কী সফট স্কিল থাকা উচিত।

কমিউনিকেশন স্কিল : কমিউনিকেশন স্কিল বা যোগাযোগ দক্ষতা মানে এই নয় যে, জোরালো বক্তব্য দিতে পারতে হবে। কমিউনিকেশন স্কিল বলতে যার সাথে কথা বলা হবে, তার কথা বলার ভঙ্গিমা কিংবা ধরনের সাথে মিলিয়ে নিয়ে কোন কিছু বোঝাতে পারার সক্ষমতা। যেকোন বিষয় সহকর্মী কিংবা ক্রেতা সবার কাছেই সহজভাবে বোঝাতে পারা। এছাড়া নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রেও সবার আগে এই গুণটির দরকার হয়।

নেটওয়ার্কিং : বিভিন্ন রকম মানুষের সাথে সম্পর্ক গড়তে আমাদের যে দক্ষতাটির প্রয়োজন সেটিই হচ্ছে নেটওয়ার্কিং। নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে দক্ষ ও যোগ্য মানুষদের সাথে যুক্ত থাকতে পারার সুফল অনেক। চাকরি পাওয়া,পদোন্নতি কিংবা কোন দরকারে সাহায্য পাওয়া- নেটওয়ার্কিং সবকিছুই করে দেয় অনেক সহজ।

রাইটিং স্কিল: মনে মনে যা ভাবি আমরা,সেটি নিজের লেখার মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা কিন্তু বড় একটি দক্ষতা। সহকর্মী কিংবা বসের কোন একটি কাজে কিন্তু প্রয়োজন হতেই পারে এই দক্ষতাটির। লেখনীতে বানান কিংবা ব্যাকরণ- সব ঠিক রেখে মনোভাব সম্পূর্ণভাবে ফুটিয়ে তোলার দক্ষতাটি কিন্তু তাই আমাদের জন্য অবশ্য কর্তব্য।

সঠিক উচ্চারণ ও ভঙ্গিতে শুদ্ধভাবে কথা বলা: যেকোন জায়গাতেই সঠিক ভঙ্গিতে ও উচ্চারণে গুছিয়ে কথা বলা খুব বেশী গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি কথাকে অনেক বেশি শ্রুতিমধুর করে এবং গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়। কর্মক্ষেত্র কিংবা যেকোনো ক্ষেত্রেই তাই এই বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখা উচিত। কথা যেন খুব বেশী জটিল না হয়ে সহজেই বোধগম্য হয় মানুষের, সেদিকেও খেয়াল রাখা উচিত।

লিসেনিং স্কিল: গুছিয়ে কথা বলতে পারা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনিভাবে মনোযোগ দিয়ে শুনতে পারাও সমান গুরুত্ব বহন করে। মনোযোগ দিয়ে শুনতে পারার দক্ষতা থাকলে অফিসে অনেক সফলতা আসে। কারণ, যেকোন বিষয়ে দ্রুত সাড়া দেওয়া যায়। এটি যেমনভাবে আপনাকে বসের সুনজরে আনে, তেমনিভাবে সহকর্মীদের সাথে গড়ে তোলে সুসম্পর্ক। তাই বোঝাই যাচ্ছে, মনোযোগ দিয়ে শোনাটা কতটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

পেশাদারিত্ব: কর্মক্ষেত্রে যে বিষয়টি নিজের গুরুত্ব অনেক বেশী বাড়িয়ে দেয়,তা হচ্ছে পেশাদারিত্ব। কারণ, যকোন দায়িত্ব দিয়ে এই গুণসম্পন্ন ব্যক্তির উপরই তখন ভরসা করা যেতে পারে এবং এই নির্ভরতা ঐ ব্যক্তির ক্যারিয়ারে সফলতা নিশ্চিত করে। সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকা, যে কোন কাজ সময়মতো করে দেওয়া কিংবা সঠিক জায়গায় সঠিক পোশাক পরা, নিজের কোন কাজের ব্যর্থতা নিজে নিতে শেখা, অন্যকে দোষারোপ না করা- এসবই পেশাদারিত্ব বা প্রফেশনালিজ্ম এর অন্তর্গত।

দলগত থাকার মানসিকতা: দলের সবার সাথে মিলেমিশে কাজ করার মানসিকতা ও সক্ষমতা থাকা উভয়ই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, নিজের মতামত ঠিকভাবে দিতে পারা এবং দলনেতার নির্দেশনা অনুসারে কাজ করা এসবকিছুই কর্মজীবনে সফলতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

যেকোন পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া: অনেক ক্ষেত্রে সময়সীমা পূরণ করার চাপ কিংবা নানা ধরনের প্রতিকূল অবস্থায় কাজ করে যেতে হয়। এরকম পরিস্থিতে মানিয়ে নিয়ে স্বাভাবিক ভাবে কাজ করার সক্ষমতা আপনাকে ব্যতিক্রমী করে তুলবে।

চিন্তন দক্ষতা: কঠিন সময়ে যিনি চিন্তা করে সহজ সমাধান বের করতে পারেন, দিনশেষে তিনিই সফলতা অর্জন করেন। সবসময় অন্যের কথা অনুসরণ না করে, নিজেরও চিন্তাভাবনা করা উচিত। প্রতিযোগিতাপূর্ণ চাকরির বাজারে যে নিজেকে যতটা বেশী সৃষ্টিশীল হিসেবে প্রমাণ করতে পারবেন, কর্মক্ষেত্রে তার সফলতার পরিমাণ তত বৃদ্ধি পাবে।

দ্রুত শিখতে পারার সক্ষমতা: কর্মক্ষেত্রের বিস্তৃতির সাথে সাথে কাজের ধরণও দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল এ কাজগুলো সহজে আয়ত্তে আনতে না পারলে ক্যারিয়ারে সফল হওয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়। তাই প্রয়োজন- দ্রুত শিখে নেয়ার ক্ষমতা। কর্মক্ষেত্রে যত দ্রুত কোন নতুন প্রয়োজনীয় বিষয় আয়ত্তে এনে তার প্রয়োগ করা সম্ভব হয়, সফলতা তত দ্রুত হাতে ধরা দিবে।

★ ফ্রীল্যান্সিং কি?বর্তমান সময়ে তরুনদের কাছে সবচাইতে জনপ্রিয় শব্দ হচ্ছে ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং । ফ্রীল্যান্সিং এর অ...
23/10/2021

★ ফ্রীল্যান্সিং কি?

বর্তমান সময়ে তরুনদের কাছে সবচাইতে জনপ্রিয় শব্দ হচ্ছে ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং । ফ্রীল্যান্সিং এর অর্থ হল স্বাধীন বা মুক্তপেশা। এক কথায় বলা যায়, নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করাকেই বলা হয় ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং।
এ ধরনের পেশাজীবীকে বলা হয় ফ্রীল্যান্সার ( freelancer), চাকুরীজীবীদের মতো তারা কোন বেতনভুক্ত হিসেবে কাজ করেনা, তারা কাজ ও চুক্তির উপর নির্ভর করে তাদের আয়ের পরিমাণ।
তাদের কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক কম বেশি হলেও তাদের কাজে রয়েছে পূর্ণ স্বাধীনতা। এ জন্য যারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই মুক্ত পেশাটি অন্যতম।
এই আধুনিক যুগে বেশীরভাগ মুক্তপেশার কাজগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। ফলে মুক্ত পেশাজীবিরা ঘরে বসেই বিদেশি বায়ারদের কাজগুলো করে দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।
এই পেশার মাধ্যমে প্রচলিত চাকুরীর থেকে বেশি আয় করে থাকেন। ইন্টারনেটভিত্তিক কাজ হওয়াতে এ পেশার মাধ্যমে দেশী-বিদেশী ক্লায়েন্টের সাথে পরিচিত হওয়া যায়। যার কারনে বর্তমানে এই পেশায় ছাত্র-ছাত্রি সহ সকল পেশাজীবী মানুষ অনেক চাকুরীজীবীরাই এই পেশায় আসছেন।

★  গুগল এনালাইটিক্স কি?গুগল এনালাইটিক্স মূলত একটি ওয়েবসাইট এনালিটিক্স টুল ,যেটি মূলত গুগল এর একটি প্রোডাক্ট।গুগল এনালাই...
29/09/2021

★ গুগল এনালাইটিক্স কি?

গুগল এনালাইটিক্স মূলত একটি ওয়েবসাইট এনালিটিক্স টুল ,যেটি মূলত গুগল এর একটি প্রোডাক্ট।
গুগল এনালাইটিক্স হলো একটি ওয়েব এনালিটিক্স টুল যার সাহায্যে আমরা কোন ওয়েবসাইটের সমস্ত ভিসিটর স্ট্যাটিসটিকস জানতে পারি। ডিজিটাল মার্কেটিং এর জগতে গুগল এনালাইটিক্স একটি খুবই পরিচিত নাম।
বাজার এ গুগল এনালিটিক্স ছাড়াও আরো অনেক ওয়েব এনালিটিক্স টুল রয়েছে যেমন ইয়ান্ডেক্স মেট্রিকা ,এডোবি এনালিটিক্স ,ক্লিকটেল ইত্যাদি ।
তবে কোনটি গুগল এনালাইটিক্স এর মত এত ব্যাপক নয় এবং সারাবিশ্বে যত ওয়েব এনালিটিক্স ব্যবহার হয় তাদের মধ্যে গুগল এনালাইটিক্স অন্যতম।
ওয়েব এনালিটিক্স এর মধ্যে গুগল এনালাইটিক্স প্রায় ৩৬% মার্কেট শেয়ার ধরে রেখেছে।
মূলত এটি একটি প্রিমিয়াম টুল। আপনার মাসিক ওয়েবসাইট বিস্তর এর সংখ্যা যদি ১০ মিলিয়নের কম হয় গুগল এনালাইটিক্স কে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।
আপনার ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ মিলিয়ন এর বেশি হলে তখন আপনাকে গুগলের কোন প্রিমিয়াম প্ল্যান কিনতে হবে। যদিও সাধারণ ভাবে বলা যায় একটি ভালো মানের ওয়েবসাইট আপনি চালালে মাসিক ১০ মিলিয়ন ভিসিটর এর সীমা আপনার ব্যাবসার জন্য পর্যাপ্ত।
যদিও গুগল এনালাইটিক্স একটি ওয়েবসাইট এনালিটিক্স টুল কিন্তু বর্তমানে গুগল এনালাইটিক্স সাহায্যে আপনি একই সাথে আপনার ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপটি পরিমাপ করতে পারবেন।
গুগল এনালাইসিস সাহায্যে কি কি জানতে পারি?
- আমাদের ব্লগে কতো ভিজিটর এক্টিভেট আছে।
- আমাদের ভিজিটর কোন পোস্টটা এখন পরছে
- আমাদের ভিজিটরের কোন দেশের।
-কোন বিষয় নিয়ে সে আমাদের সাইডে এসেছে।
-কোন ডিভাইশে এসেছে মোবাইল, ট্রাবলেট না ল্যাপটপ।
-কোন ব্রাউজার ব্যবহার করছে।
-আমাদের নতুন ট্রাফিক আর পুরানো ট্রাফিক কত?
-ভিজিটর মোট কত আছে।
-কোন পেজ কতবার দেখা হয়েছে।
আরও অনেক কিছু আমরা জানতে পারি গুগল এনালাইসিস এর সাহায্যে।

★ এসএমএস মার্কেটিং কি?বিজনেসের প্রোমোশনের জন্য টার্গেট কাস্টমারদের লক্ষ্য করে টেক্সট মেসেজ প্রেরন করাকেই এসএমএস মার্কেটি...
28/09/2021

★ এসএমএস মার্কেটিং কি?

বিজনেসের প্রোমোশনের জন্য টার্গেট কাস্টমারদের লক্ষ্য করে টেক্সট মেসেজ প্রেরন করাকেই এসএমএস মার্কেটিং বলে। বিজনেসের আপডেট, অফার, কুপন ইত্যাদি প্রদান করতে এসএমএস মার্কেটিং ব্যবহার করা হয়। তবে এর ব্যাপ্তি আরও বড় পরিসরে রয়েছে যদি এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
বিজনেসের প্রচারে কেন SMS মার্কেটিং প্রয়োজনঃ-
এসএমএস ও ইমেইল প্রায় একই কাজ করে পার্থক্য শুধু টেক্সটের দৈর্ঘ্যে।
ইমেলের টেক্সট বড় আকারের হয় আর এসএমএস ছোট আকারের। এসএমএস সাথে সাথে ইনবক্সে আসে, পড়া সহজ ও পড়তে সময় কম প্রয়োজন।
বর্তমানে প্রায় সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করে এবং অধিকাংশ সময় মানুষ স্মার্টফোনেই কাটায়।
ফলে, তাদের ই কমার্স লিংক ভিজিট করাতে এটি কার্যকর ও সহজ। আবার যাদের স্মার্টফোন নেই তাদের কাছে বিজনেসের তথ্য পৌঁছে দিতে এটি একটি আদর্শ মাধ্যম।
গ্রাহকদের ক্রয়মূখী করতে এসএমএস দারুন, গ্রাহকদের কাছে প্রোডাক্টের তথ্য পৌঁছে দেবার মাধ্যমে তাদের কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নিতে এটি সহায়ক।

★ ই-মেল মার্কেটিং কি?কোন কিছু প্রচার বা প্রসার এর উপায় হচ্ছে মার্কেটিং। আর ই-মেইলের মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা সেবা গ্রাহ...
22/09/2021

★ ই-মেল মার্কেটিং কি?

কোন কিছু প্রচার বা প্রসার এর উপায় হচ্ছে মার্কেটিং। আর ই-মেইলের মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা সেবা গ্রাহকের কাছে প্রচারের উপায় কে email-marketing বলা হয়।ইমেইল মার্কেটিং অনলাইন মার্কেটিং এর একটি কার্যকরী এবং গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক। এর মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে আপনি অনেক অনেক গ্রাহকের কাছে আপনার পণ্য প্রচার করতে পারবেন।
আমরা এখানে ব্যবসায় ই-মেল মার্কেটিংয়ের কতটা গুরুত্ব রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা করব:
প্রথমে কী কনটেন্টের জন্য ই-মেল মার্কেটিং করবেন তার প্ল্যান তৈরি করুন। এরপর ই-মেল লিস্ট খুব জরুরি। ই-মেল এমন একটা জিনি যা সবাই ব্যবহার করে। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, গোটা বিশ্বে বর্তমানে ৪ বিলিয়ন মানুষের ই-মেলে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এছাড়া গোটা বিশ্বে প্রতি মাসে ১.৫০ মিলিয়ন ই-মেল ব্যবসার জন্য পাঠানো হয়। সুতরাং এখন থেকে ই-মেল শুরু না করলে আপনার ব্যবসা পিছিয়ে পড়তে পারে।
ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে কত রকম স্ট্র্যাটেজি আসবে বলা মুশকিল। কিন্তু, ই-মেল মার্কেটিং Email Marketing কিন্তু রয়ে যাবে। ডিজিটাল ফ্ল্যাটফর্মে বাকি বিজ্ঞাপনের থেকে ই-মেল মার্কেটিংয়ে একটু কম খরচ পরে। আপনি ১ ডলার খরচ করলে আপনাকে ৩৮ ডলার পর্যন্তও লাভ এনে দিতে পারে ই-মেল মার্কেটিং।
ই-মেল মার্কেটিং শুধু আয় ব্যয়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘ মেয়াদী সম্পর্ক গড়ে তুলতে সচেষ্ট হবেন।

★ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি? সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হলো বর্তমানে যে সোশ্যাল মিডিয়া  রয়েছে সেখানে আপনার সার্ভিস ব...
13/09/2021

★ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি?

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হলো বর্তমানে যে সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে সেখানে আপনার সার্ভিস বা পণ্য টা কে বিজ্ঞাপন বা শেয়ারিং এর মাধ্যমে প্রচার করা কে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media Marketing) বলে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমাদের যে কোন পণ্য বা সার্ভিস খুব সহজেই কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দিতে পারি। শুধুমাত্র কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইস দিয়ে কয়েকটি ক্লিকের মাধ্যমেই সফলভাবে এ কাজটি করা সম্ভব।
সোজা ভাবে বললে, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM) হলো এমন এক টেকনিক বা প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন আলাদা আলাদা Social Media Platform যেমন, Facebook, YouTube, Instagram, LinkedIn এবং আরো অন্যান্য প্লাটফর্ম গুলিতে সক্রিয় থাকা লোকেদের লক্ষ্য করে, পণ্যের গুণমান সচেতনতা ছড়ানো হয় বা বিভিন্ন product, service এবং business এর প্রচার করা হয়।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing) এর মধ্যে পার্থক্য কি? হ্যাঁ, পার্থক্য অবশ্যই রয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (Social Media marketing) হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing) এর একটা অংশ। এবং এটাকে আমরা অনলাইন মার্কেটিং (online Marketing) ও বলতে পারি কেননা এর মাধ্যমে আমরা যে কাজটি করি সেটা হলো অনলাইনে সক্রিয় থাকা যে সমস্ত লোকজন বা কাস্টমার (customer) রয়েছে তাদের কাছে আমাদের পণ্য বা আমাদের ব্যবসা কে প্রচার প্রসার করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ইমেজ ভিডিও এবং অডিও আপলোড করে থাকি। যাতে কাস্টমাররা এসমস্ত ভিডিও ইমেজ বা অডিও শুনে একটি কোম্পানির প্রোডাক্ট (Product) ব্যবসা (business) সম্পর্কে ধারণা পায়।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ভ্যালু কেমন?
বর্তমান সময়ে এক কথায় বলতে গেলে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর চাহিদা বা গুরুত্ব অনেক বেশি। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ফ্রিল্যান্সাররা প্রতিনিয়ত কাজ করে আসছে সোশ্যাল মিডিয়ার মার্কেটার হিসেবে। আপনি যদি একজন দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটের হন তাহলে আপনিও কিন্তু খুব ভালো পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে।
এছাড়াও আরও অনেক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে সেই সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী সেখানে আপনাকে কাজ শিখতে হবে এবং কাজ করতে হবে।

★ এসইও এবং এসইএম এর মাঝে পার্থক্য কি? সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন – অর্গানিক সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং – পেইডএসইও অর্থ হচ্ছে স...
07/09/2021

★ এসইও এবং এসইএম এর মাঝে পার্থক্য কি?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন – অর্গানিক
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং – পেইড

এসইও অর্থ হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। এই এসইও হচ্ছে –অর্গানিক।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর সংক্ষিপ্ত রুপ হচ্ছে এসইএম। এই এসইএম হচ্ছে –পেইড।

অর্গানিক মানে আমরা এসইও এর ক্ষেত্রে সহজে বুঝে থাকি- যার জন্য পয়সা খরচ করতে হয় না, তাকেই অর্গানিক রেজাল্ট ধরা হয়। আমাদের সাধারণ গুগল এর রেজাল্ট গুলো হচ্ছে অর্গানিক।

আর পেইড ভার্সন হচ্ছে, টাকার বিনিময়ে অর্থাৎ সিপিসির মাধ্যমে পেইড রেজাল্ট গুলো দেখানো হয়ে থাকে। এগুলো সাধারন ভাবে আমাদের ‘email marketing’ কি-ওয়ার্ড এর জন্য আসেনি।

যদি আরেকবার বলি- সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং হ’লো পেইড মার্কেটিং যা মূলত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মত। আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হ’লো ফ্রী মার্কেটিং যা শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন গুলোর অপটিমাইজ করার রুল মেনে চললে সার্চ ইঞ্জিন গুলো নিজে থেকেই অডিয়েন্সের নিকট পোঁছে দেয়।

★ সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং কি?সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং কে সংক্ষেপে বলা হয় এসইএম(SEM)। ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানোর উদ্দেশ্যে...
03/09/2021

★ সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং কি?

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং কে সংক্ষেপে বলা হয় এসইএম(SEM)। ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ওয়েবসাইটের মার্কেটিং করানোর পদ্ধতিকে বলা হয় এসইএম বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং। বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ড তাদের প্রচারণার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকেন।
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ওভারভিউ-
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং একটি ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্ধতি। যার মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে এড দেওয়া যায় সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজে বা সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে। যেমন গুগল, বিং, এবং ইয়াহু সার্চ ইত্যাদি। সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজকে সংক্ষেপে বলা হয়ে থাকে এসইআরপি (SERP) এটি আর কিছু না, আপনি যখন গুগলে কোন কিছু সার্চ করেন তখন রেজাল্ট সহ যে পেজ আসে তাকেই সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজ বলা হয়।
অর্গানিক নিয়মে সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্ক করতে অনেক ভালো মানের এসইও জ্ঞান থাকা লাগে, এর পরে এসইওর সকল নিয়ম রক্ষা করে র‍্যাঙ্ক এ আসতে হয়। এটি অনেক ঝামেলা পূর্ন কাজ। অর্গানিক নিয়মে র‍্যাঙ্ক করতে কখনো কখনো ৬ মাসের অধিক সময় লেগে যায়। aherf এর দেওয়া তথ্য মতে, গড়ে প্রতি পেইজ গুগল টপ-টেন র‍্যাঙ্ক করতে সময় লাগে ২-৬ মাস এবং দিনের হিসেবে সেটি গিয়ে পৌছায় ৬১- ১৮২ দিনে।

বলছিলাম সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংকিং এর কথা, সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম পেইজে র‍্যাঙ্ক করতে পারে সর্বোচ্চ ৮-১০ টি ওয়েবসাইট। অর্গানিক নিয়মে র‍্যাঙ্ক করতে অনেক সময় লেগে যায়। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এতদিন অপেক্ষা করতে চায় না, তাই তারা পেইড এডভার্টাইজিং এর মাধ্যমে গুগলের সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজের প্রথমে নিয়ে আসেন।

★ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন  গুরুত্বপূর্ণ কেন?সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অনেকগুলো ধাপের সমষ্টি । অর্থাৎ, একটি ওয়েব পেইজকে ...
31/08/2021

★ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ কেন?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অনেকগুলো ধাপের সমষ্টি । অর্থাৎ, একটি ওয়েব পেইজকে সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথম পেইজ এ আনতে হলে আপনাকে অনেক ধাপ পার হতে হবে । কেননা, এসইও একটি চলমান প্রক্রিয়া । আজ আমি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করবো ।
ডোমেইন নেম
একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনতে ডোমেইন নেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । একটি ভাল ডোমেইন নেম খুব সহজেই আপনার সাইটকে প্রথম পেইজ এ নিয়ে আসতে পারে ।
কিওয়ার্ড
কিওয়ার্ড হচ্ছে কতগুলো বর্ণ বা শব্দসমষ্টি । কিওয়ার্ড এর ভিত্তিতে-ই সার্চ ইঞ্জিন একটি সাইটকে র্যাঙ্কিং করে । কোন সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনতে আপনাকে প্রথমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে । মূলত, নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের ভিত্তিতে-ই ওয়েবপেইজকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনা হয় ।
ব্যাকলিংক
ব্যাকলিংক তৈরি করা অফপেইজ এসইও এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ । কোন ওয়েবপেইজ কে সার্চ ইঞ্জিনের এর প্রথম পেইজ এ আনতে ব্যাকলিংক সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । এমনকি, একটি ওয়েবসাইটের পেইজর‌্যাঙ্ক বাড়াতে ব্যাকলিংক এর ভূমিকা সর্বাধিক । তাই, যথাসম্ভব কোয়ালিটি ব্যাকলিংককে গুরুত্ব দিন ।
পেইজ লোডিং টাইম
সার্চ ইঞ্জিন একটি ওয়েবসাইটের পেইজ লোড হওয়ার সময়কে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় । এক্ষেত্রে, সাইট ডিজাইন করার সময় সাইটটি হালকা রাখুন । যেন দ্রুত পেইজ লোড হয় । ওয়েবপেইজ এ অতিরিক্ত জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করবেন না । এতে, পেইজ লোডিং টাইম বেড়ে যায় । অপরদিকে, সার্চ ইঞ্জিন জাভাস্ক্রিপ্ট এ থাকা হাইপারলিঙ্ক এক্সেস করতে পারে না ।
হোস্টিং
অনেকে এ বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেয়না । অথচ, ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি সার্চ ইঞ্জিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । এক্ষেত্রে, সর্বদা ভাল মানের ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করুন । এতে একদিকে আপনার ওয়েবসাইট নিরাপদে থাকবে অপরদিকে আপনার সাইটে সার্চ ইঞ্জিনের র্যাঙ্কিং এর জন্য ভাল হবে ।
ভিজিটর
একটি সাইটের ভিজিটর এর ভিত্তিতে সার্চ ইঞ্জিন সাইটের র্যাঙ্কিং দিয়ে থাকে । ভিজিটর সাইটে কেমন সময় ব্যয় করছে তাও সার্চ ইঞ্জিন খোঁজ রাখে । এক্ষেত্রে, সাইটে ভাল মানের কনটেন্ট রাখুন যেন ভিজিটর আপনার সাইটে দীর্ঘ সময় কাটায় ।

★ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কেউ সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহার করে একট...
29/08/2021

★ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি?
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে যে কেউ সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহার করে একটি ওয়েব সাইটকে বিনামূল্যে সকলের কাছে পৌছে দিতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কে সংক্ষেপে SEO এসইও বলে। ইন্টারনেটের ব্যবহার যত বাড়ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও এর জনপ্রিয়তা তত বাড়ছে। অনেকে একে ফ্রিল্যান্সিং কাজ হিসেবে ব্যবহার করছেন। এছাড়া যারা ব্লগ পরিচালনা করছেন তাদের ব্লগের পরিচিতি বাড়ানোর প্রয়োজন তো আছেই। ইন্টারনেটে ব্যবসা বাণিজ্য করে টিকে থাকার জন্য এসইও (SEO) এর গুরুত্ব অপরিসীম।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে
-একটি সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া।
-ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা।
-সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বৃদ্ধি করা।
-বিভিন্ন ধরনের অনলাইন থেকে আয় করার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
-তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসেবে কাজ করে।

Address

Kazir Dewri
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Classic Digital Marketing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share