Channel Sampan

Channel Sampan Channel Sampan is an online and social media-based channel. Our purpose is to search for truth and beauty. We want to hear from you and talk to you.
(11)

জানেন কি? সুইজারল্যান্ড একমাত্র দেশ যেখানে পারমাণবিক হামলা হলেও  সে দেশের সমস্ত মানুষ মাটির নিচে নিরাপদে থাকতে পারবে! আপ...
09/02/2026

জানেন কি? সুইজারল্যান্ড একমাত্র দেশ যেখানে পারমাণবিক হামলা হলেও সে দেশের সমস্ত মানুষ মাটির নিচে নিরাপদে থাকতে পারবে! আপনার কি মনে হয় সব দেশের এমন বাঙ্কার থাকা উচিত? ...

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রিক সেতুটি চীনের দখলে। সেতুটি ৫৫ কিলোমিটার (৩৪ মাইল) বিস্তৃত হয়ে পার্ল রিভার ডেল্টার ওপর দিয়ে চলে গ...
07/02/2026

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রিক সেতুটি চীনের দখলে। সেতুটি ৫৫ কিলোমিটার (৩৪ মাইল) বিস্তৃত হয়ে পার্ল রিভার ডেল্টার ওপর দিয়ে চলে গেছে।

​এই বিশাল কাঠামোটি হংকং, ঝুহাই এবং ম্যাকাও-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে, যার ফলে এই তিনটি অঞ্চলের মধ্যে ভ্রমণের সময় ৪ ঘণ্টা থেকে কমে মাত্র ৩০ মিনিটে নেমে এসেছে।

​৪,০০,০০০ টনেরও বেশি ইস্পাত দিয়ে নির্মিত এই সেতুটি ভূমিকম্প, টাইফুন এবং জাহাজ সংঘর্ষ সহ্য করার উপযোগী করে ডিজাইন করা হয়েছে। এর নির্মাণ কাঠামোর মধ্যে সমুদ্রের নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গ এবং কৃত্রিম দ্বীপপুঞ্জও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই প্রকল্পটি আধুনিক পুরকৌশলের অন্যতম সেরা কীর্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

​যাতায়াত সহজতর করা ছাড়াও, এই সেতুটি আঞ্চলিক সংহতি এবং অবকাঠামোতে চীনের আধিপত্যের আকাঙ্ক্ষাকে এক শক্তিশালী প্রতীকী রূপ দিয়েছে।

সোর্স: Crossing Hong Kong–Zhuhai–Macau Bridge: The world's longest fixed sea crossing
Author: Craig Platt
Sydney Morning Herald.

আরাল সাগর বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। একসময় বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদ হওয়া সত্ত্বেও, ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়ের শ...
07/02/2026

আরাল সাগর বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। একসময় বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদ হওয়া সত্ত্বেও, ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়ের শিকার হয়ে এটি তার আদি আকারের মাত্র ১০ শতাংশে সংকুচিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কাজাখস্তান হাল ছাড়তে অস্বীকার করে। মাত্র কয়েক বছরে তারা যা অর্জন করেছে, তা কোনো অলৌকিক ঘটনার চেয়ে কম নয়। এটি আমাদের গ্রহের এমন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প যা বর্তমান সময়ে আমাদের জরুরিভাবে শোনা প্রয়োজন!

আরাল সাগরের পুনর্জন্মের এই অসাধারণ প্রচেষ্টার মূলে রয়েছে Kok-Aral Dam যা, ২০০৫ সালে কাজাখস্তান সরকার নির্মাণ করে। এটি উত্তর আরাল সাগরকে দক্ষিণ অংশ থেকে আলাদা করে দেয়। এটি মূলত পানির অপচয় রোধ করার জন্য করা হয়েছিল।

বাঁধটি নির্মাণের মাত্র সাত মাসের মধ্যে পানির উচ্চতা ৩ মিটার থেকে বেড়ে ৩৮ মিটারে উন্নীত হয়, যা বিজ্ঞানীদের ধারণার চেয়েও দ্রুত ছিল। ​যার ফলে সাগরের লবণাক্ততা কমে গিয়ে স্বাদুপানির মাছের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়, যা স্থানীয় মৎস্য শিল্পকে পুনরায় জীবিত করেছে।

​পানির প্রবাহ ফিরে আসায় আশেপাশের এলাকাগুলোয় আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্থানীয় জলবায়ু আগের চেয়ে কিছুটা সহনীয় হয়েছে। একসময় সাগরটি আরলস্ক (Aralsk) শহর থেকে ১০০ কিমি দূরে সরে গিয়েছিল, যা বর্তমানে ২০-২৫ কিমি-এর মধ্যে চলে এসেছে।

​এই উদ্যোগটি প্রমাণ করে যে, সঠিক পদক্ষেপ নিলে মৃতপ্রায় প্রকৃতিকেও আবার বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব।

চীনের সাংহাইয়ের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত জিনক্সি  নামক একটি এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। সেখানে হুয়াং পিং নামের একজন বৃদ্ধ ব্যক্ত...
07/02/2026

চীনের সাংহাইয়ের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত জিনক্সি নামক একটি এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। সেখানে হুয়াং পিং নামের একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি তার বসতভিটা ছাড়তে রাজি না হওয়ায় সরকার তার বাড়ির চারপাশ দিয়েই হাইওয়ে বা মহাসড়ক তৈরি করে ফেলে। চীনে এই ধরণের বাড়িগুলোকে "নেইল হাউস" বা "ডিংজিহু" বলা হয়।

সরকার তাকে ১.৬ মিলিয়ন ইউয়ান এবং তিনটি নতুন ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল।
হুয়াং পিং মনে করেছিলেন তিনি আরও বেশি টাকা বা ভালো অফার পাবেন, অথবা তার আপত্তির কারণে হয়তো রাস্তার নকশা বদলে যাবে।তাই তিনি প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।
রাস্তাটি তার দোতলা বাড়ির একদম গা ঘেঁষে তৈরি করা হয়েছে, ফলে বাড়িটি এখন মহাসড়কের মাঝখানে একটি দ্বীপের মতো হয়ে গেছে।
​ বর্তমানে দিনরাত যানবাহনের তীব্র শব্দ, ধুলোবালি এবং যান্ত্রিক কম্পনের কারণে সেখানে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি এখন মিডিয়ার কাছে স্বীকার করেছেন যে, সেই সুযোগ হাতছাড়া করাটা তার জীবনের একটি বড় ভুল ছিল।

এটা স্টিফেন হকিং-এর কথা। তিনি নাসার বিজ্ঞানীদের শেষ উপদেশে বলেছিলেন যে, মানুষের উচিত নয় কোনো এলিয়েন প্রাণীর সঙ্গে যোগাযো...
07/02/2026

এটা স্টিফেন হকিং-এর কথা। তিনি নাসার বিজ্ঞানীদের শেষ উপদেশে বলেছিলেন যে, মানুষের উচিত নয় কোনো এলিয়েন প্রাণীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা।

স্টিফেন হকিং মৃত্যুর আগে শেষ সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, মানুষ ছাড়া অন্য কোনো প্রাণী নিশ্চয়ই কোথাও না কোথাও আছে। কিন্তু তিনি মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, এমন কোনো প্রাণীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা উচিত নয়, কারণ এটা আমাদের সবার জন্য ভয়ানক ধ্বংসের কারণ হতে পারে।

তাঁর মতে, এমন প্রাণী মানুষের চেয়ে অনেক বেশি চালাক হতে পারে এবং খুব সম্ভব তারা পৃথিবীতে এসে আমাদের সম্পদ কেড়ে নিতে পারে।

স্টিফেন হকিং এর মতে, যদি কোনো এলিয়েন প্রাণী পৃথিবীতে আসে, তাহলে মানুষের সঙ্গে যা ঘটবে তা ঠিক সেই রকম হবে যা কলম্বাস যখন আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন তখন সেখানকার আদিবাসীদের সঙ্গে ঘটেছিল—যা নিশ্চিতভাবেই ভালো কিছু ছিল না।

তাঁর অভিমত ছিল যে, এলিয়েন প্রাণীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা না করে মানুষের উচিত তাদের থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করা।

স্টিফেন হকিং বলেছিলেন, আমরা নিজেদের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি আমরা কতটা উন্নতি করেছি। যদি আরও বুদ্ধিমান কোনো প্রাণী আসে, তাহলে তারা হয়তো এমন কিছু রূপ নিতে পারে যা আমরা পছন্দ করব না।

তবুও নাসার বিজ্ঞানীরা মহাকাশে এমন মিশন পাঠিয়েছেন যাতে মানুষের ছবি আর পৃথিবী পর্যন্ত পৌঁছানোর মানচিত্র রয়েছে। ভয়েজার-১ এবং ভয়েজার-২-এ মানুষের কণ্ঠস্বরও রেকর্ড করা আছে।

এটা সত্যি যে এপস্টিইন ফাইলে স্টিফেন হকিং-এর নাম ২৪৭ বার এসেছে, অর্থাৎ তিনি সেখানে অনেকবার গিয়েছিলেন।

কিন্তু তিনি কি শুধু গবেষণার জন্য যেতেন নাকি অন্য কোনো কারনে যেতেন জানিনা।

অনেকেই বলেন, তিনি যেহেতু ২১ বছর বয়সে প্যারালাইজড হয়ে গেছেন তাই উনাকে নিয়ে অন্যকিছু ভাবার কারণ নেই।

কিন্তু একটা বিষয় মাথায় রাখবেন, উনি ২ বার বিয়ে করেছিলেন এবং উনার ৩ সন্তানের জন্ম তার প্যারালাইজড হ‌ওয়ার পরে হয়েছিল। বুঝতে পারছেন?

তাই আদৌ বুঝা মুশকিল যে উনি কী উদ্দেশ্যে ওখানে যাতায়াত করতেন...........! 😂

✅ জমজম কূপের ইতিহাস ও কীভাবে পানি আসে – সহজ ভাষায় সম্পূর্ণ ব্যাখ্যাজমজম মুসলমানদের কাছে শুধু একটি কূপ নয়—এটি ঈমান, ইতিহা...
07/02/2026

✅ জমজম কূপের ইতিহাস ও কীভাবে পানি আসে – সহজ ভাষায় সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা

জমজম মুসলমানদের কাছে শুধু একটি কূপ নয়—এটি ঈমান, ইতিহাস এবং আল্লাহ্‌র এক বিশেষ নিদর্শন।
নীচে জমজমের উৎপত্তি, ইতিহাস, এবং ছবিতে দেখানো ভূগর্ভস্থ পানির উৎস—দুটোই সহজভাবে তুলে ধরা হলো।

১️⃣ জমজমের সূচনা — হজরাহ ও ইসমাইল (আ.)-এর অলৌকিক ঘটনা

ইব্রাহীম (আ.) আল্লাহর হুকুমে হজরাহ ও শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-কে মক্কার নির্জন স্থানে রেখে যান।
খাবার-পানি শেষ হয়ে গেলে হজরাহ (আ.) পানি খুঁজতে সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার দৌড়ান।

ঠিক তখনই নবজাতক ইসমাইল (আ.)-এর পায়ের কাছে জমজমের পানি অলৌকিকভাবে বের হয়ে আসে।
সেখান থেকেই জমজম কূপের পথচলা শুরু।

২️⃣ “জমজম” নামের অর্থ কী?

“জম” শব্দ থেকে এসেছে—অর্থাৎ ‘থামা’, ‘জমা হওয়া’।
হজরাহ (আ.) পানি থামানোর জন্য “জম, জম” বলেছিলেন—এটাই একটি প্রচলিত ব্যাখ্যা।

৩️⃣ ইসলামের আগে ও পরে জমজম

ইসলাম-পূর্ব যুগেও কাবার যাত্রী ও স্থানীয়রা জমজমের পানি ব্যবহার করত।

সময়ে সময়ে কূপটি ভরাট হয়ে গেলে পুনরায় খনন করা হয়।

নবী মুহাম্মদ (স.) নিজেও জমজম পান করেছেন এবং এর ফজিলত সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণনা করেছেন।

মুসলিম খিলাফত ও পরবর্তী যুগে কূপের সংস্কার, দেয়াল নির্মাণ, পানি সংরক্ষণসহ নানা উন্নয়ন হয়েছে।

৪️⃣ জমজমের ভূগর্ভস্থ গঠন — ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে (সহজ ব্যাখ্যা)

ছবিটি দেখাচ্ছে জমজম কূপের প্রাকৃতিক পানির উৎস কীভাবে কাজ করে:

✔ বৃষ্টির পানি নিচে নামা

মক্কার চারপাশের পাহাড়ে বৃষ্টি হলে সেই পানি ধীরে ধীরে পাথরের ফাঁক দিয়ে কূপের দিকে নেমে আসে।

✔ প্রাকৃতিক অ্যাকুইফার (ভূগর্ভস্থ জলের স্তর)

কূপের চারপাশের বড় পাথরের ভেতরে বিশাল জলাধার থাকে। এগুলো থেকেই নিয়মিত পানি জমজমে প্রবেশ করে।

✔ হরাইজন্টাল ওয়াটার চ্যানেল

পাথরের স্তরগুলোর ভেতরে সরু “পানির পথ” থাকে। সেখান দিয়ে পানি কূপে ঢোকে।

✔ মেইন স্প্রিং – স্বয়ং-পুনরায় পূর্ণ হওয়া উৎস

সবচেয়ে নিচে জমজমের প্রধান উৎস। এখান থেকে চাপের মাধ্যমে পানি ওঠে, যেটা জমজমকে অবিরাম প্রবাহমান রাখে।

✔ পাথর, বালি, গ্রাভেল — প্রাকৃতিক ফিল্টার

ভূগর্ভের বিভিন্ন স্তর পানিকে প্রাকৃতিকভাবে পরিশোধিত করে।

৫️⃣ আধুনিক যুগে জমজম

আজ জমজম সম্পূর্ণ আধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা পরিচালিত।
সৌদি কর্তৃপক্ষ পানি

সংগ্রহ,

ফিল্টার,

বিশুদ্ধীকরণ

এবং বোতলজাত করে হাজিদের মাঝে বিতরণ করে।

৬️⃣ জমজমের বিশেষত্ব

পানির স্বাদ আলাদা

খনিজ উপাদান বিশেষ

বহু বছর ধরে নিরবিচ্ছিন্নভাবে প্রবাহিত

হজ ও উমরাহর স্মৃতির সাথে জড়িত

জমজম শুধু একটি কূপ নয় — এটি হজরাহ (আ.)–এর ত্যাগ, ইসমাইল (আ.)–এর অলৌকিক ঘটনা এবং আল্লাহর রহমতের জীবন্ত নিদর্শন।

নিউজিল্যান্ডের প্রকৃতি পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেকটাই আলাদা। এখানকার বন, পাহাড় ও দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে সঙ্গে প্রাণ...
07/02/2026

নিউজিল্যান্ডের প্রকৃতি পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেকটাই আলাদা। এখানকার বন, পাহাড় ও দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে সঙ্গে প্রাণীজগতও অনন্য বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো নিউজিল্যান্ডের কিছু পাখি একেবারেই উড়তে পারে না। বিষয়টি শুনে অবাক লাগলেও এর পেছনে রয়েছে লক্ষ লক্ষ বছরের প্রাকৃতিক বিবর্তনের ইতিহাস।

প্রাচীন কালে নিউজিল্যান্ড ছিল একটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। দীর্ঘ সময় ধরে এখানে ছিল না কোনো সাপ, বড় স্তন্যপায়ী শিকারি বা ভয়ংকর প্রাণী। পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলে পাখিদের উড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ ছিল শিকারিদের হাত থেকে বাঁচা। কিন্তু নিউজিল্যান্ডে সেই হুমকি না থাকায়, কিছু পাখির ক্ষেত্রে উড়ার ক্ষমতা আর অপরিহার্য হয়ে থাকেনি।

এই নিরাপদ পরিবেশে পাখিরা ধীরে ধীরে মাটিতে বসবাসের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। যেসব শারীরিক বৈশিষ্ট্য উড়ার জন্য প্রয়োজন, যেমন শক্তিশালী ডানা ও হালকা দেহ সেগুলোর গুরুত্ব কমে যায়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলতে থাকা এই অভিযোজনের ফলে কিছু প্রজাতি উড়ার ক্ষমতাই হারিয়ে ফেলে।

এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো কিউই পাখি। নিউজিল্যান্ডের জাতীয় প্রতীক এই পাখিটির ডানা অত্যন্ত ছোট এবং কার্যত অকার্যকর। কিউই মূলত রাতের বেলা সক্রিয় থাকে এবং মাটিতে খাদ্য সংগ্রহ করে। উড়তে না পারলেও, তার ঘ্রাণশক্তি ও শ্রবণশক্তি অত্যন্ত উন্নত।

আরেকটি বিস্ময়কর পাখি হলো কাকাপো। এটি পৃথিবীর একমাত্র নিশাচর তোতাপাখি, যা উড়তে পারে না। কাকাপো গাছ বেয়ে উঠতে পারে, কিন্তু আকাশে উড়ার ক্ষমতা নেই। নিরাপদ পরিবেশই এই পাখিকে এমনভাবে বিবর্তিত করেছে।

নিউজিল্যান্ডের এই উড়তে না পারা পাখিরা প্রমাণ করে—প্রকৃতি যদি কোনো প্রজাতিকে নিরাপদ আশ্রয় দেয়, তবে তাদের আচরণ, দেহগঠন এমনকি সক্ষমতাও বদলে যেতে পারে। বিবর্তনের এই অনন্য উদাহরণ সত্যিই বিস্ময়কর।

এটি এমন এক বিরল প্রস্ফুটন, যা জীবনের শেষ মুহূর্তকে চিহ্নিত করে।​প্রকৃতির প্রত্যেকটি সৃষ্টির নিজস্ব এক শক্তিশালী গল্প বলা...
07/02/2026

এটি এমন এক বিরল প্রস্ফুটন, যা জীবনের শেষ মুহূর্তকে চিহ্নিত করে।

​প্রকৃতির প্রত্যেকটি সৃষ্টির নিজস্ব এক শক্তিশালী গল্প বলার ভঙ্গি আছে, আর তালিপট পাম (Talipot palm) তার অন্যতম এক অসাধারণ উদাহরণ। এই অসাধারণ গাছটি তার জীবনের অধিকাংশ সময়, প্রায় ৩০ থেকে ৮০ বছর ফুল ছাড়াই শুধু বড় হয়ে কাটায়।

​তারপর, সারাজীবনে মাত্র একবার, এই গাছটি তার শ্বাসরুদ্ধকর শেষ প্রদর্শনীটি দেখায়। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম পুষ্পমঞ্জরিগুলোর একটির মাধ্যমে প্রস্ফুটিত হয়, যা লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্র ফুলের সমন্বয়ে গঠিত এবং গাছের চূড়ায় একটি সোনালী মুকুটের মতো জেগে ওঠে। এই দৃশ্যটি এতটাই বিরল যে অনেক মানুষ কখনোই এটি সরাসরি দেখার সুযোগ পান না।

​ফুল ফোটার এবং ফল দেওয়ার পর, পাম গাছটি তার জীবনচক্র সম্পন্ন করে এবং মারা যায়। যা এই একটিবার ফুল ফোটাকে একই সাথে সুন্দর এবং বেদনাদায়ক করে তোলে।

এটি প্রকৃতির একটি শক্তিশালী স্মারক যে, জীবনের শ্রেষ্ঠ কিছু মুহূর্ত কেবল একবারই আসে।

বিভিন্ন দিক থেকে অনেকগুলো পুলিশ ছুটে এসে সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত করছিলো এই ছেলেটিকে। ভিডিওতে দেখলাম, সে কোনো ধরনের প্রতিরোধ ...
07/02/2026

বিভিন্ন দিক থেকে অনেকগুলো পুলিশ ছুটে এসে সর্বশক্তি দিয়ে আঘাত করছিলো এই ছেলেটিকে। ভিডিওতে দেখলাম, সে কোনো ধরনের প্রতিরোধ করেনি বা চেষ্টাও করেনি, সে জাস্ট ভাবলেশহীনভাবে মাথানিচু করে এগিয়ে যাচ্ছিলো। কোনো অভিযোগ নেই, মাথানিচু করে চলে যাচ্ছে আর মার খাচ্ছে।

আঘাতের পর আঘাত করা হচ্ছিল তাকে। শেষের দিকে একজন পুলিশ এসে তাকে রক্ষা করেছিল। এখানে আমরা দুই ধরেনের পুলিশ দেখতে পাচ্ছি। মানবিক ও অমানবিক।

প্রশ্ন হলো, নিরস্ত্র, প্রতিরোধবিহীন, শান্ত-শিষ্ট একজনকে এভাবে পিঠাতে হবে কেন?

জানা গেছে, ছেলেটি ছারছীনা মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে কবি নজরুল কলেজে মাস্টার্সে পড়াশোনা করছেন।

পৃথিবীর বুকে এমন একটি স্থান রয়েছে যা এতটাই নতুন যে প্রায় সমস্ত মানবজাতির জন্য সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ। এটি অগ্ন্যুৎপাতের ...
05/02/2026

পৃথিবীর বুকে এমন একটি স্থান রয়েছে যা এতটাই নতুন যে প্রায় সমস্ত মানবজাতির জন্য সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ। এটি অগ্ন্যুৎপাতের লাভা থেকে জন্ম নেওয়া এক জীবন্ত গবেষণাগার।
​১৯৬৩ সালের ১৪ই নভেম্বর, আইসল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলের কাছে একটি মাছ ধরার ট্রলারের কর্মীরা সমুদ্রের বুক থেকে ধোঁয়ার একটি কালো কুণ্ডলী উঠতে দেখেন। তাঁরা এটিকে একটি জ্বলন্ত নৌকা বলে ভুল করেছিলেন, কিন্তু এটি ছিল তার চেয়ে অনেক বেশি বিরল কিছু, যা একটি দ্বীপের জন্ম।
আসলে সেদিন, ​সমুদ্রের তলদেশে পৃষ্ঠ থেকে ৪২৬ ফুট নিচে, একটি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছিল। একদিন পর, সার্টসি (Surtsey) নামের একটি একেবারে নতুন দ্বীপ ঢেউয়ের বুক চিরে জেগে ওঠে।

​অগ্ন্যুৎপাতটি কোনো ক্ষণিকের ঘটনা ছিল না। এটি সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলেছিল, ছাই এবং লাভা দিয়ে নতুন ভূখণ্ডটিকে ক্রমাগত বৃদ্ধি করে।
​১৯৬৭ সালের জুন মাসে যখন অগ্ন্যুৎপাত শেষ হয়, তখন সার্টসি ছিল এক বর্গমাইলেরও বেশি আয়তনের একটি স্থিতিশীল দ্বীপ, যা বিশ্বের মানচিত্রে একটি স্থায়ী নতুন ভূখন্ড হিসেবে যুক্ত হয়।
​একটি অমূল্য সুযোগ উপলব্ধি করে বিজ্ঞানীরা এই দ্বীপটিকে একটি নেচার রিজার্ভ (Nature Reserve) বা প্রকৃতি সংরক্ষণাগার হিসেবে ঘোষণা করেন। এটি ছিল আগ্নেয়গিরি দ্বারা সৃষ্ট একটি সম্পূর্ণ খালি জায়গা, একটি শূন্য স্লেটে জীবন কীভাবে তার জীববৈচিত্র বসতি স্থাপন করে, তা দেখার একটি সুযোগ।
​সেই থেকে, কেবল হাতে গোনা কয়েকজন অনুমোদিত গবেষককে সার্টসিতে পা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বাতাস ও ঢেউয়ের মাধ্যমে বাহিত প্রথম বীজ, ছাঁচ এবং পোকামাকড়ের আগমনকে সতর্কতার সঙ্গে নথিভুক্ত করেছেন। 🌱
​অবশেষে পাখিরা বাসা বাঁধতে শুরু করে, যা মাটিকে আরও সমৃদ্ধ করে এবং আরও জটিল গাছপালা জন্মাতে সাহায্য করে। দ্বীপটি শূন্য থেকে একটি বাস্তুতন্ত্র (ecosystem) কীভাবে তৈরি হয়, তার একটি অনন্য, রিয়েল-টাইম গবেষণাগারে পরিণত হয়েছে।
​আজ, সার্টসি হলো একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট (UNESCO World Heritage Site), যা মানুষের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত, যাতে আমরা প্রকৃতির সবচেয়ে মৌলিক প্রক্রিয়াগুলির মধ্যে একটির উন্মোচন দেখতে পারি।
©

ভাবা যায়? ৫ ফুটের একটি বিশাল লোহার রড শরীরের একপাশ দিয়ে ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বের হয়ে গেছে, তবুও মানুষটি বেঁচে আছেন! 🤯ঘটনাট...
05/02/2026

ভাবা যায়? ৫ ফুটের একটি বিশাল লোহার রড শরীরের একপাশ দিয়ে ঢুকে আরেক পাশ দিয়ে বের হয়ে গেছে, তবুও মানুষটি বেঁচে আছেন! 🤯

ঘটনাটি ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসের। সাউথ আফ্রিকার এক সোনার খনিতে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করছিলেন ড্যানিয়েল ডি ওয়েট। মাটির প্রায় ৩.৫ কিলোমিটার গভীরে একটি ড্যাম পরিষ্কার করার সময় তিনি পা পিছলে পড়ে যান এবং হাতে থাকা বিশাল লোহার সাবল বা রডটির ওপর গিয়ে পড়েন।

৫ ফুটের সেই লোহার দণ্ডটি তার কুঁচকি দিয়ে প্রবেশ করে শরীরের ভেতর দিয়ে গিয়ে পিঠের কাঁধের ঠিক নিচ দিয়ে বের হয়ে আসে! ⚠️

দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ডাক্তাররা এক্স-রে দেখে চমকে যান। রডটি ড্যানিয়েলের হার্ট বা বড় কোনো আর্টারি কে আঘাত করেনি।

অপারেশন মাধ্যমে ডাক্তাররা রডটি বের করেন। এই দুর্ঘটনায় তার একটি কিডনি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় এবং স্মল ইন্টেসটাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু এত বড় ইনজুরি সত্ত্বেও তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

এই ভয়াবহ ঘটনার পর মাত্র ১৯ দিন হাসপাতালে থাকার পরেই তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান! 🏥

05/02/2026

𝗔𝗖𝗧𝗜𝗩𝗘🥰আছি🟢
𝗙𝗢𝗟𝗟𝗢𝗪 দিন✅
নোটিফিকেশন পাওয়া মাত্রই 𝗕𝗔𝗖𝗞 দিবো💯

Address

96 Chowdury Plaza (3rd Floor), Opposite Chattogram Shopping Complex, Nasirabad, Chattogram
Chittagong
4212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Channel Sampan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Channel Sampan:

Share