Egoo ঠিকঠাক যদি হয় ফেসবুক মার্কেটিং, বিক্রি হবে সীমাহীন।

20/10/2025
🎥 আপনার ভিডিও এডিটিং হবে আরও প্রিমিয়াম! 🎞️🎬 CapCut | KineMaster | InShot | Filmora | PowerDirector🔥 প্রিমিয়াম ভার্সনে ...
27/11/2024

🎥 আপনার ভিডিও এডিটিং হবে আরও প্রিমিয়াম! 🎞️
🎬 CapCut | KineMaster | InShot | Filmora | PowerDirector
🔥 প্রিমিয়াম ভার্সনে আপগ্রেড করুন আজই! 🔥

✅ সব প্রিমিয়াম ফিচার আনলক
✅ নতুন টেমপ্লেট ও ইফেক্টস
✅ ঝামেলামুক্ত এডিটিং অভিজ্ঞতা

📲 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন এখনই!
💥 বিশেষ অফার চলাকালীন পেয়ে যান সেরা ডিল! 💥

📌 তাড়াতাড়ি করুন, স্টক সীমিত!

27/11/2024

🎥 আপনার ভিডিও এডিটিং হবে আরও প্রিমিয়াম! 🎞️
🎬 CapCut | KineMaster | InShot | Filmora | PowerDirector
🔥 প্রিমিয়াম ভার্সনে আপগ্রেড করুন আজই! 🔥

✅ সব প্রিমিয়াম ফিচার আনলক
✅ নতুন টেমপ্লেট ও ইফেক্টস
✅ ঝামেলামুক্ত এডিটিং অভিজ্ঞতা

📲 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন এখনই!
💥 বিশেষ অফার চলাকালীন পেয়ে যান সেরা ডিল! 💥

📌 তাড়াতাড়ি করুন, স্টক সীমিত!

Call now to connect with business.

শিক্ষক: সাফল্যের আলোকবর্তিকাএকজন সফল মানুষ হওয়ার পথে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। জীবনের প্রথম পাঠ থেকে শুরু করে, জীবনের না...
05/10/2024

শিক্ষক: সাফল্যের আলোকবর্তিকা
একজন সফল মানুষ হওয়ার পথে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। জীবনের প্রথম পাঠ থেকে শুরু করে, জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে, একজন শিক্ষকের সঠিক দিকনির্দেশনা ও মূল্যবান শিক্ষাই মানুষকে গড়ে তোলে। একজন শিক্ষক কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান বিতরণ করেন না, বরং জীবনের সব ক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তা, নৈতিকতা, এবং আদর্শের বীজ বপন করেন।

শিক্ষকের কাছ থেকে আমরা শুধু তথ্য ও জ্ঞান অর্জন করি না, বরং শেখার পদ্ধতি, কৌশল এবং জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করি। শিক্ষকরা আমাদের সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যান, স্বপ্ন দেখার সাহস যোগান এবং সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এজন্য একজন মানুষের সাফল্যের পেছনে শিক্ষকের অবদান অবিস্মরণীয়।

শুভ শিক্ষক দিবস!
আজ শিক্ষক দিবসে, আমরা আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যাঁরা আমাদের জীবনে পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ও অমূল্য শিক্ষার জন্য আমাদের সালাম। আপনারা আমাদের জীবন আলোকিত করেছেন, আর আমরা আপনাদের দেখানো পথে এগিয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি,
শুভ শিক্ষক দিবস!

01/10/2024

খাগড়াছড়ির নৃশংসতা: মানবতার কলঙ্ক ও আইনের অবমাননা।

খাগড়াছড়ি পাহাড়ি জেলায় ঘটে যাওয়া দুটি নৃশংস ঘটনা আমাদের মনে মানবতার প্রশ্ন তুলে ধরেছে। কথিত চুরির দায়ে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা এবং এরপর এক শিক্ষককে ধর্ষণের অভিযোগে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা - এ দুই ঘটনা সভ্য সমাজের জন্য অশোভন। এবং সৃষ্টি করছে জাতিগত দাঙ্গা।

গণপিটুনি: আইনের বাইরে ন্যায়বিচারের ভুল ধারণা

অপরাধীকে শাস্তি দেওয়ার নামে গণপিটুনি দেওয়া কখনোই যুক্তিযুক্ত নয়। আইন আমাদের সকলের জন্য সমান। কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী সাব্যস্ত করার অধিকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। গণপিটুনির মাধ্যমে কেউ নিজে নিজে ন্যায়বিচার করতে পারে না। এটি আইনের পরিপন্থী এবং অমানবিক।

অবৈধ এবং অসাংবিধানিক: গণপিটুনি বাংলাদেশের আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি সংবিধানের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন।
মানবাধিকার লঙ্ঘন: প্রত্যেক ব্যক্তির জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে। গণপিটুনি এই অধিকারকে হরণ করে।
সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট: এ ধরনের ঘটনা সমাজে বিভক্তি সৃষ্টি করে এবং শান্তি বজায় রাখতে বাধা দেয়।
আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কেন ভয়াবহ:

ভুল সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা: ক্ষোভের বশে মানুষ প্রায়ই ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। নিরপরাধ ব্যক্তিও গণপিটুনির শিকার হতে পারে।
আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার উপর চাপ: গণপিটুনির ঘটনা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাজকে জটিল করে তোলে।
সামাজিক অস্থিরতা: আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে এবং দেশের উন্নয়নে বাধা দেয়।
আমাদের করণীয়:

আইনের প্রতি আস্থা বাড়ানো: আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সচেতনতা বৃদ্ধি: মানুষকে আইন সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।
শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন: শিষ্যদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে।
সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা: বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

গত দুই দিন যা ঘটেছে তা আমরা সকলেই দেখছি আর এই ঘটনা এখনে যে প্রথম হচ্ছে এমন না তবে এটা নিয়ে আমাদেরকমিউনিটির কিছু সিনিয়র জ...
20/09/2024

গত দুই দিন যা ঘটেছে তা আমরা সকলেই দেখছি আর এই ঘটনা এখনে যে প্রথম হচ্ছে এমন না তবে এটা নিয়ে আমাদের
কমিউনিটির কিছু সিনিয়র জুনিয়োর ভাই, বন্ধুরা দেখলাম পাহাড় নিয়ে উস্কানিমূলক তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। আপনারা সব বিষয়ে পান্ডিত্য না দেখানো টাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ইতিপূর্বেও দেখেছি ফেসবুক গরম করে বিভিন্ন আবেগী কথা-বার্তা ছড়িয়ে ফ্যান ফলোয়ার বৃদ্ধির এক অসুস্থ বা অলিখিত খেলায় মেতে ছিলেন। যার যার ফলে হিংসা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কিছু করতে পারলে সরাসরি মাঠে আসুন আর না পারলে চুপ থাকুন। তবুও উস্কানিমূলক তথ্য দিয়ে বিবেধ তৈরি করবেন না।
উল্লেখ্য, পাহাড় নিয়ে স্পেসিফিক কাউকে দোষারোপ করার সুযোগ নাই। এখানে অনেকগুলো কারণ আছে। পাহাড়কে অস্থিতিশীল করার রাজনীতি অনেক পুরানো। আপনি যদি আমার সামনে প্রতিদিন আমার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন আর আমি আপনার বিরুদ্ধে প্রতিদিন স্লোগান দিতে থাকি তাহলে সংঘর্ষতো বাঁধবেই।
এখানে পাহাড়ি বা বাংগালী সাধারণ জনগণ একেবারেই দাবার গুটির মত ব্যবহৃত হচ্ছে। আর কলকাঠি যারা নাড়ছেন তারা চুপ-চাপ বসে দেখছেন।
তবে বর্তমান অবস্থা হল কয়েকটি স্থানে সংঘর্ষ হচ্ছে এবং হয়েছেও, এতে পাহাড়ি - বাংগালী উভয়েরই অনেক ক্ষয়-ক্ষতি হচ্ছে। এমন না যে শুধু বাঙ্গালি কিংবা শুধু পাহাড়ি জনগোষ্টিই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
তাই পাহাড় নিয়ে নোংরা রাজনীতি বন্ধ করে পাহাড়কে সংঘাতমুক্ত ও নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে সকলে সহায়তা করুন।

11/09/2024

“পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যের আগাগোড়া”

৫ মিনিট সময় নিয়ে পাহাড় সম্পর্কে জানুন। পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যের আগাগোড়া। বৈষম্য দূর করুন।
দেশে পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচন হচ্ছে না প্রায় ৩৫ বছর। জেলা পরিষদ আইনে পার্বত্য জেলার স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান বিরোধী আলাদা ভোটার তালিকায় নির্বাচন করার বিধান থাকায় জেলা পরিষদে নির্বাচন করা যাচ্ছে না। এ অজুহাতে অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদটি উপজাতীয়দের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং সদস্যদের ক্ষেত্রে জনসংখ্যার অনুপাতে বাঙ্গালীদের সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়নি।
তাই, পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ সকল সম্প্রদায়ের জন্য উন্মুক্ত করে জেলার জনসংখ্যা অনুপাতে সদস্য সংখ্যা নির্ধারণের লক্ষ্যে আইন সংশোধন দরকার।
অথবা
প্রচলিত ভোটার তালিকায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা দরকার। এতে করে কেউ আর কথা বলার সুযোগ পাবে না। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে যে-কেউ অংশগ্রহণ করতে পারবে, জনগণের ভোটে যিনি বিজয়ী হবেন তিনিই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
অন্যথা যে সরকার দেশ পরিচালনায় আসবে, তিনি তাঁর অনুসারিদের চেয়ারে বসিয়ে দিয়ে পুরো জেলা নিয়ন্ত্রণ করবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ,
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড,
পার্বত্য জেলা পরিষদ,
পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে,
শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান, -
পদে আইনের আলোকে উপজাতীয়দের মধ্য হতে মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। ঐ সকল প্রতিষ্ঠানে বাঙ্গালীসহ সংখ্যাগরিষ্ট উপজাতীয়দের মধ্য হতে মনোনয়ন দেয়া প্রয়োজন। তাই, পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড, জেলা পরিষদ, টাস্কফোর্স এর চেয়ারম্যান পদে বাঙ্গালীসহ সংখ্যাগরিষ্ট উপজাতীয়দের মধ্য হতে মনোনয়ন দেয়ার লক্ষ্যে আইন সংশোধন দরকার।
পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে উপজাতীয় প্রতিনিধিদের(১। আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান বা তাহাঁর প্রতিনিধি ২। সংশ্লিষ্ট পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ৩। সংশ্লিষ্ট সার্কেল চীফ) ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার বা তাঁর মনোনীত একজন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নিয়ে গঠিত।
এখানে পার্বত্য অঞ্চলের বাঙ্গালীদের কোন প্রতিনিধি নেই। তাই, এ কমিশনে বাঙ্গালীদের ভূমির ন্যায় বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতের জন্য তিন পার্বত্য জেলা হতে অন্ততঃ তিনজন বাঙ্গালী সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার বিধান প্রণয়ন প্রয়োজন।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালী ও উপজাতী জনসংখ্যার অনুপাত দেখা যাক। ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী-
বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালীর অনুপাত ৫১% যেখানে খাগড়াছড়িতে ৫১.০৮%, রাংগামাটিতে ৪২.৪২% ও বান্দরবানে ৫৮.৮৫% এবং
অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীদের অনুপাত ৪৯% যেখানে খাগড়াছড়িতে ৪৮.৯২%, রাংগামাটিতে ৫৭.৫৮% ও বান্দরবানে ৪১.১৫%
বাঙ্গালী ও উপজাতির জনসংখ্যার অনুপাত প্রায় সমান হলেও জেলা পরিষদের অধীনস্থ সকল বিভাগে ও অন্যান্য প্রায় সকল নিয়োগে বাঙ্গালীদের মাত্র ৩০% নিয়োগ করা হচ্ছে, বিপরীতে ৭০% নিয়োগ করা হচ্ছে উপজাতীদের মধ্য থেকে।
উপজাতি ৭০% এর বিভাজন কোন অনুপাতে হয় তা জানেন?
চাকমা ৩০%, মারমা ২০%, ত্রিপুরা ২০%। এখানেও কি বৈষম্য নেই?
আপনি জেনে অবাক হবেন, বিএনপির সময়কাল থেকে শুরু করে অর্থাৎ ২০০২ থেকে শুরু করে ২০০৮ সাল পর্যন্ত নিয়োগ পক্রিয়ায় বাঙ্গালীদের ৪৮% এবং উপজাতিদের ৫২% অনুপাতে নিয়োগ দেওয়া হতো যেটা আওয়ামী সরকার এসে বন্ধ করে দেয়।
তাই, সকল প্রকার নিয়োগসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধায় জনসংখ্যা অনুপাতে প্রদানের সরকারি সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রয়োজন।
আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে, জেলায় নিয়োগ আর কয়টি হয়?
বা জেলা পরিষদের অধীনে কতগুলো ডিপার্টমেন্ট রয়েছে?
যেটা হয়তো জেলার অনেকেরই অজানা।
জেলা পরিষদের অধীনস্থ বিভাগগুলোর তালিকা –
১. স্বাস্থ্য বিভাগ
২. যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর
৩. প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ
৪. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
৫. পর্যটন কর্পোরেশন
৬. মৎস্য অধিদপ্তর
৭. পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
৮. সমাজ সেবা অধিদপ্তর
৯. প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর
১০. তুলা উন্নয়ন বোর্ড
১১. সমবায় অধিদপ্তর
১২. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন
১৩. জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
১৪. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
১৫. হর্টিকালচার বিভাগ
১৬. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি
১৭. বাজারফান্ড প্রশাসন
১৮. শিল্পকলা একাডেমী
১৯. স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
২০. সরকারী শিশু সদন
২১. জেলা ক্রীড়া অফিস
২২. মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
২৩. রামগড় মৎস্য হ্যাচারী
২৪. জেলা গণগ্রন্থাগার
আপনি কি জানেন?
পার্বত্য চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী/ঠিকাদারদের মধ্যে উপজাতীয়দের কোন আয়কর দিতে হয়না।
এক্ষেত্রে একটি দারুণ বৈষম্য লক্ষণীয় যেখানে সরকার বড় অংকের রাজস্ব হারিয়ে ফেলছে। সুতরাং উপজাতীয়দের আয়করের আওতায় আনা দরকার অথবা পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল সম্প্রদায়ের জন্য একই সুবিধা প্রদানের বিষয়ে সরকারী সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। নয়তো বাঙ্গালী জাতি বরাবরের মতই পিছিয়ে পড়ছে, পাশাপাশি একটি বৈষম্যকে জিইয়ে রেখে এখানকার মানুষের মধ্যে একটি কঠিন সমস্যাকে সাদরে লালন-পালন করা হচ্ছে।
সহজ উদাহরণে বুঝিয়ে দিই-
যারা সুপার ট্যাক্স দেয়, তাঁদের থেকে ৭% পর্যন্ত আয়কর কেটে রাখা হয়। অর্থাৎ আপনি যদি ১ কোটি টাকার কাজ করেন তা থেকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সরকারকে দিয়ে দিতে হবে। যেটা আমার উপজাতি ভাইদের দিতে হয় না। এবং এই একমাত্র ট্যাক্স এর কারণে এখানকার বাঙ্গালীরা অনেকগুণ পিছিয়ে পড়ছে। এবং একটা দারুণ বৈষম্য এখানে পরিলক্ষিত।
আপনি জানেন কি?
পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া এখানে অর্থাৎ ৩ পার্বত্য জেলায় অন্য জেলার কোন ব্যক্তি জায়গা-জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে না। যেখানে উপজাতিরা সমগ্র বাংলাদেশে জমি ক্রয় থেকে শুরু করে চাকরি-ব্যবসা করতে পারে। স্থায়ী বাসিন্দার সনদপত্র নিতে উপজাতীয় হেডম্যান, উপজাতীয় ইউপি/পৌর চেয়ারম্যান এবং উপজাতীয় সার্কেল চীফ(রাজা)গণ বাঙ্গালীদের সনদ না দিলে স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া যায়না। এ বৈষম্য ঠেকাতে পার্বত্য চট্টগ্রামেও সমতলের ন্যায় এনআইডির মাধ্যমে জায়গা ক্রয়/বিক্রয় করার ব্যবস্থার সরকারি সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।
জেলায় আগে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম ছিলো এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলা যাওয়ার মাঝপথে। এখন সেসব ছাড়িয়ে বর্তমানে বাজারের অফিস, দোকানদার তথা ব্যবসায়ীরাও এ থেকে রেহায় পাচ্ছে না। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে সরকারের উচিৎ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অপরিহার্যতা না বললেই নয়। এখানকার বিচ্ছিন্নবাদী অবৈধ সশস্ত্র সংগঠনের সংঘাত, অপহরণ, চাঁদাবাজী এসব বন্ধ করতে এবং উক্ত সংগঠনসমূহের সদস্যদের আলোর পথ দেখাতে সেনাবাহিনীর বিকল্প কিছু নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামে আপামর জনসাধারণের মাথার উপরের ছায়া হিসেবে যুগ যুগ ধরে কাজ করে আসছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। আবহমানকাল থেকে আমাদের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিদ্যমান। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙ্গালী ও উপজাতি ভাইবোনদের সহাবস্থান ও ভাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে সর্বোপরি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির স্থাপন করতে অসাম্প্রদায়িক মনোভাবসম্পন্ন হওয়া উচিৎ আমাদের সকলের।
ব্রিটিশ শাসকরা “ডিভাইড অ্যান্ড রুল” নীতির মাধ্যমে এ দেশে বৈষম্য তৈরি করে যেটা সম্মিলিতভাবে পরবর্তীতে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এসব বৈষম্য দূরীভূত হয়, এবং দেশে সৃষ্টি হয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির।
সম্প্রতি আমরা আমাদের খাগড়াছড়ি জেলার কমলছড়ি গ্রামের সন্তানকে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের একজন উপদেষ্টা হিসেবে পেলাম যেটা আমাদের জেলাবাসির জন্যে অনেক বড় প্রাপ্তি বলা চলে। বলছি দুটি দেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জনাব সুপ্রদীপ চাকমা স্যারের কথা। স্যার দীর্ঘ সময় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন শেষে অর্জিত জ্ঞান ও প্রজ্ঞা এবার আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত মানুষগুলোর প্রতি কাজে লাগানোর সুযোগ পেয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়নবোর্ডে দায়িত্ব পালনকালে অনেক বাধ্যবাধকতা থাকলেও এখন অতটা নেই, এখন অনেক কিছুই চাইলেই সম্ভব। তাই স্যারের প্রতি অনুরোধ থাকবে, উপর্যুক্ত বিষয়গুলোর প্রতি সদয় বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
পরিশেষে বলি, আমি কোনোভাবেই উপজাতী ভাই-বোনদের নিয়ে কিছু লিখছি না। আমার জীবদ্দশায় আমি অসংখ্য উপজাতি ভাই-বোনের ভালোবাসা পেয়েছি, আমার অসংখ্য উপজাতি ভালো বন্ধু রয়েছে, অসংখ্য সিনিয়র-জুনিয়র আছে যাদের সাথে আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। শুধু তাই নয়, আমি আমার সামাজিক কার্যক্রমে অসংখ্য উপজাতি ভাইদের পাশে দাঁড়িয়েছি, নিজের রক্ত দিয়েছি, ব্যবস্থা করে দিয়েছি, বিভিন্নভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছি।
আমি শুধুমাত্র পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈষম্য ও বাঙ্গালীদের অধিকার রক্ষার কথা লিখেছি। এ বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের কেউই খুব একটা লিখে না, অনেকে হয়তো জানেও না। বিষয়গুলো সবার জানা জরুরী, তাই ভাবলাম নিজের পরিধি থেকে যতটুকু পারা যায় জানানোর চেষ্টা করি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পরবর্তী দেশের যত বৈষম্য তা যেন আরও বহু গুণে আলোকিত হয়ে সকলের সম্মুখে ধরা দিচ্ছে। তাই সকলের সাথে আমিও বলতে চাই, এ স্বাধীন বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই। একইসাথে আরও বলি, এক দেশে দুই নীতি থাকতে পারে না।
আমরা পাহাড়বাসী সকলে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যেতে চাই। কাউকে পেছনে ফেলে রেখে কেউ এগিয়ে যাবে এ ধরণের বৈষম্য যেন পাহাড়ে না থাকে সে উদ্দেশ্যেই এ লিখা।
(অসমাপ্ত)
বিষয়গুলো সবার জানা জরুরী। শেয়ার করতে পারেন। কপি-পেস্ট করতে পারবেন।
লিখেছেন Hasanul Karim ভাই

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে নিজের ছবি ও নাম পদবি সহ ফেসবুক পোষ্টার কর জন্য আমাদের টেলিগ্র...
31/08/2024

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে নিজের ছবি ও নাম পদবি সহ ফেসবুক পোষ্টার কর জন্য আমাদের টেলিগ্রাম গুপে যুক্ত হন। এবং খুব সহজে করে ফেলুন ।

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক প্যাকেজ সমূহ:১) ১ হাজার লাইক ১০০ টাকা। 🔥২) ৩ হাজার লাইক ২৮০ টাকা। 🔥৩) ৫ হাজার লাইক ৪২০ টাকা। 🔥ব্য...
22/06/2024

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক প্যাকেজ সমূহ:
১) ১ হাজার লাইক ১০০ টাকা। 🔥
২) ৩ হাজার লাইক ২৮০ টাকা। 🔥
৩) ৫ হাজার লাইক ৪২০ টাকা। 🔥

ব্যবসা আপনার , প্রচার করার দায়িত্ব আমাদের।🔥
📣 মনে রাখবেন অফারটি সীমিত সময়ের জন্য। তাই দেরি করে সময় নস্ট না করে এখনি অর্ডার করুন। 🔥

আমাদের সাথে যোগাযোগ:
📞মোবাইলঃ 01537-350706

নতুন অফার! মাত্র ৫০ টাকায় ৫০+ প্রিমিয়াম অ্যাপস!আপনি কি একজন অ্যাপ প্রেমী? নতুন নতুন অ্যাপস ব্যবহার করতে পছন্দ করেন? তাহ...
20/06/2024

নতুন অফার! মাত্র ৫০ টাকায় ৫০+ প্রিমিয়াম অ্যাপস!
আপনি কি একজন অ্যাপ প্রেমী? নতুন নতুন অ্যাপস ব্যবহার করতে পছন্দ করেন? তাহলে এই অফারটি আপনার জন্য!

মাত্র ৫০ টাকায়, আপনি ৫০+ টি প্রিমিয়াম অ্যাপসের একটি বান্ডল পেতে পারেন। এই অ্যাপসগুলোর মধ্যে রয়েছে:

ভিডিও এডিটিং: KineMaster Pro, Filmora Pro, CapCut Pro, InShot Pro, PowerDirector Pro
ফটো এডিটিং: Photoshop Pro, Photo Editor Pro, Pixel Lab Pro, YouCam Perfect Pro, Lightroom Pro, PicsArt Pro
অন্যান্য: Remini, Photo Room Pro, Reface Pro, GB WhatsApp, Cam Scanner Pro, Eyecon Pro (Truecaller), Telegram Premium, Spotify Premium, Al Chat Pro, Alight Motion Pro, App Cloner Pro, File Hide Pro, FL Studio Pro, Health Pro, Audio Player Pro, Tube Mate Pro, VPN Pro, Playit Premium, Vidmate Premium, Snaptube Premium, Chorki Premium, Bongo Premium, WPS Premium, Macrodroid Pro
এই অফারটি সীমিত সময়ের জন্য পাওয়া যাচ্ছে। তাই দেরী না করে আজই এই অফারটি গ্রহন করুন!

কীভাবে কিনবেন:

এই লিঙ্কে ক্লিক করুন
আপনার ইমেইল এবং ফোন নম্বর দিয়ে সাইন আপ করুন
৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন
আপনার ইমেইলে অ্যাপসগুলোর ডাউনলোড লিঙ্ক পাবেন
এই অফারটি কেন গ্রহন করবেন:

সস্তা: মাত্র ৫০ টাকায় ৫০+ টি প্রিমিয়াম অ্যাপস!
সহজ: অ্যাপসগুলো ডাউনলোড এবং ইনস্টল করা সহজ
বিশ্বস্ত: আমরা একটি বিশ্বস্ত বিক্রেতা, তাই আপনার অর্থ এবং তথ্য নিরাপদ
সমর্থন: আপনার যদি কোন সমস্যা হয়, আমাদের গ্রাহক সহায়তা টিম সাহায্য করার জন্য এখানে আছে
আর দেরী কেন? আজই এই অফারটি গ্রহন করুন!

#অ্যাপস #প্রিমিয়াম_অ্যাপস #অফার াকা #ভিডিও_এডিটিং #ফটো_এডিটিং #অন্যান্য_অ্যাপস

Address

Chittagong
4400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Egoo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Egoo:

Share