সিরিকোটের আলো

সিরিকোটের আলো আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ্ "সিরিকোটের আলো"পেইজে আপনাকে স্বাগতম।

সিলসিলায়ে আলিয়া কাদেরিয়া দরবারে সিরিকোট শরীফের অনুসরণ মতাদর্শ💚

নূরানী তাক্বরীর থেকে,দরবারে সিটিকোট শরীফের পীর ভাই/বোনদের জন্য হুজুর ক্বিবলা নসিহত💚 #দরবারে_সিরিকোট_শরীফ  #জামেয়া  #গাউছ...
12/06/2026

নূরানী তাক্বরীর থেকে,দরবারে সিটিকোট শরীফের পীর ভাই/বোনদের জন্য হুজুর ক্বিবলা নসিহত💚

#দরবারে_সিরিকোট_শরীফ
#জামেয়া #গাউছিয়া_কমিটি_বাংলাদেশ
#আহলে_সুন্নাত_ওয়াল_জামাত

❝এ সিলসিলার আদর্শকে মজবুতভাবে ধারণ করুন। সিলসিলাকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে হুযূর করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এব...
29/05/2026

❝এ সিলসিলার আদর্শকে মজবুতভাবে ধারণ করুন। সিলসিলাকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে হুযূর করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এবং সমস্ত মাশা-ইখ হযরাতের ফুয়ূয়াত ও বরকতরাজি লাভ করে ধন্য হওয়া যাবে। হৃদয়গুলো আলোকিত হবে। আপনাদের বক্ষ আলোকোজ্জ্বল হবে। আপনাদের কাজে বরকত হবে। আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর সন্তুষ্টি অর্জিত হবে। অতএব, সিলসিলাকে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরুন। যে এটাকে আঁকড়ে ধরবে, সে এ সিলসিলার সমস্ত মাশা-ইখে কেরাম-এর সান্নিধ্য অর্জন করবে।❞

ණগাউসে জমান আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রা.)
➥নুরানী তাক্বরির সম্ভার-১

হযরত দাতা গঞ্জেবখশ লাহোরী (রহ.) বলেন,❝যে ব্যক্তি স্বীয় চরিত্র; আচার ব্যবহার সুন্দর করে, স্বভাবকে অন্যায়-অনাচার থেকে দূ...
24/04/2026

হযরত দাতা গঞ্জেবখশ লাহোরী (রহ.) বলেন,
❝যে ব্যক্তি স্বীয় চরিত্র; আচার ব্যবহার সুন্দর করে, স্বভাবকে অন্যায়-অনাচার থেকে দূরে রাখে এবং আল্লাহর দাসত্ব করার গুণাবলি নিজের মধ্যে পরিপূর্ণভাবে আয়ত্ব করে নেয় সে-ই সুফি এবং তাসাউফধারীদের মধ্যে পরিগণিত হয়। অতএব সুফির আসল কাজ হলো আল্লাহ ব্যতীত অন্যের ধ্যান-ধারণা অন্তর থেকে বিলীন করে দেওয়া এবং
পৃথিবীর প্রতি নির্লিপ্ত এবং অনাসক্ত হওয়া। হযরত আবু বকর (রা.)'র মাঝে এই দুইটি স্বভাব পূর্ণ মাত্রায় বিদ্যমান ছিল।❞

[কাশফুল মাহজুব]
#সিরিকোট
#সিরিকোটি
#সিরিকোটের_আলো

প্রতিটা মুরিদ হুজুর কেবলা গাউসে জমান  তৈয়্যব শাহ (রহঃ)দৃষ্টিগোচরে!গাউসে জমান আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব...
12/01/2026

প্রতিটা মুরিদ হুজুর কেবলা গাউসে জমান তৈয়্যব শাহ (রহঃ)দৃষ্টিগোচরে!

গাউসে জমান আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রা.)'র নিকট বায়াত হওয়ার উদ্দেশ্যে রাউজান উত্তর সত্তা মৌলভী বাড়ি নিবাসী সৈয়্যদ মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন ১৯৮৫ সনে জামেয়ার সালানা জলসায় উপস্থিত হোন। জামেয়া ময়দানে তিনি হুজুর কেবলার হাতে বায়াত গ্রহণ করেন। বায়াত শেষে হুজুর কেবলা প্রত্যেকের হাতে ফুঁক দিচ্ছিলেন। হাজার হাজার মানুষের মাঝে তিনিও হুজুর কেবলার নিকট থেকে বরকত হাসিল করেন, ফুঁক গ্রহণ করার মাধ্যমে। তিনি মনে মনে বললেন, যদি আরেকবার ঐ বরকত হাসিল করতে পারলে ভাল হত। তাই তিনি আবারো হাজার মানুষের ভীড়ে হুজুর কেবলার নিকট পৌঁছে ফুঁক নেওয়ার জন্য হাত বাড়ালেন। কিন্তু গাউসে জমান হুজুর কেবলা বললেন, "তোমকো দিয়া, এক মর্তবা কাফী হ্যায়।" অর্থাৎ, তোমাকে ফুঁক দিয়েছি, একবারই যথেষ্ট। সুবহানআল্লাহ! এজন্যই হুজুর কেবলা (র.) বলেন, "যে পীর নখদর্পে মুরীদের অবস্থা অবলোকন করতে পারে না, সে পীর হওয়ারও যোগ্যতা রাখে না।"

★তথ্যসূত্রঃ আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.)'র জীবনী গ্রন্থ, পৃষ্টাঃ ১৯৫ কৃত অধ্যক্ষ সৈয়্যদ মুহাম্মদ অসিয়র রহমান।

হজ্জে এসে একদিন মাগরিব নামাজের আগে বসে আছি রাসূল (সা:) এঁর রওজা মোবারকে মসজিদে নবুবীতে। নামাজ শুরুর বেশ কিছু সময় বাকি আছ...
21/12/2025

হজ্জে এসে একদিন মাগরিব নামাজের আগে বসে আছি রাসূল (সা:) এঁর রওজা মোবারকে মসজিদে নবুবীতে। নামাজ শুরুর বেশ কিছু সময় বাকি আছে। আমাদের কাতারে খাবার বিতরণের জন্য প্রচুর শুকনা খাবারের প্যাকেট নিয়ে দানকারী এক গ্রুপ দুই কাতারের প্রায় শতখানেক মুসল্লি মুখোমুখি করে বসিয়ে কার্পেটের উপর দস্তরখানা বিছিয়ে দিল। আমি এক কাতারের মাঝামাঝি অবস্থানে।

ট্রলিতে করে প্রচুর প্যাকেট নিয়ে এসেছে তারা।

হঠাৎ মাথায় অদ্ভুত এক খেয়াল চেপে বসল। সরল মনেই চিন্তাটা করেছিলাম। মহান রব অবশ্যই ক্ষমা করবেন আমায়।

দুই দিক থেকে খাবার বিতরণ শুরু হল। আমি মনে মনে বললাম, হে আল্লাহ তুমিই তো রিজিকের একমাত্র মালিক। আজ এখন তোমার হাবিবের এখানে মসজিদে নবুবীতে বসে আমি দেখতে চাচ্ছি, রাসূল (সা:) এঁর উসিলায় তুমি আমাকে দেখাও এই খাবার বিতরণে একমাত্র আমি ছাড়া সবাই খাবার পাবে। এত লোক আর এত খাবারের মাঝে আমার রিজিকে নেই, সেটাই তুমি আমাকে দেখাও।

তাকিয়ে আছি। কয়েকজন মিলে দুই কাতারে খাবার বিতরণ হচ্ছে। আমার ডানের এবং বাঁয়ের জনে এসে খাবার শেষ হয়ে গেল। মাথা হেলে দুই দিকে সবার খাওয়া দেখছি। প্রত্যেকে খাচ্ছে, প্রত্যেকেই খাবার পেয়েছে। শুধু আমি ছাড়া। দানকারীরা আমি না পাওয়াতে দু:খও প্রকাশ করল না। তারা দাঁড়িয়ে থেকে সবার খাওয়া শেষে সব পরিস্কার করে চলে গেল।

আমার হতবাক হওয়া ছাড়া মুখে কোনো ভাষা ছিল না। হ্যাঁ রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহপাক। আমরা যা খাই, যা খাইনা, বা পাইনা সব তাঁরই ইচ্ছায়। আলহামদুলিল্লাহ।

রওজা মোবারকে এসে চাক্ষুষ প্রমাণ দিলেন আল্লাহ আমায়।

রাব্বিল আ'লামীন এবং রাহমাতুল্লিল আলামীন। রাহমাতুল্লিল আলামীন এখানে শুয়ে আছেন, উপরে রাব্বিল আ'লামীন। এবার মহান রবের কাছে যা কিছু আদায় করে নিতে পারেন। এটাই মদিনা আল মুনাওয়ারা।

কিছুদিন আগে ওমরাহ করতে মক্কা থেকে মদিনা এসে হোটেলে সিরিয়াস অসুস্থ হয়ে পড়লেন আমার স্নেহভাজন এক ছোট ভাইয়ের বয়স্ক মা এবং দুই বাচ্চা। সাথে আছে তার স্ত্রী এবং শাশুড়ি। তাঁরাও অসুস্থ। এই বেচারাকেই সবাইকে দেখভাল করতে হচ্ছে।

হোটেলে মা এর কথা এবং খাওয়া দাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। সাথে নড়াচড়া। ফোনে আমাকে বলল, স্যার আমি তো হোটেল থেকে এদের ছেড়ে নামাজ পড়তেও মসজিদে নবুবীতে যেতে পারছি না, অথচ দুইদিন পরেই দেশে ফেরা। এখানে এসে আমি কী বিপদে পড়ে গেলাম!! সন্ধ্যায় আমার সাথে কথা।

বললাল তুমি এখুনি রওজায় গিয়ে আল্লাহকে শুধু বল, হে আমার রব, তোমার হাবিবের এখানে এসে আমি কী এই বিপদেই পড়ে থাকব!! আমার অসহায়ত্ব তুমি কি দূর করবে না!! প্রাণভরে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা কর।

আর খোঁজ নেয়নি। দেশে আসার পর সে ফোন করে বলল, স্যার আপনার কথা মত রাতে গিয়ে তাই করেছিলাম। কী মিরাকল! পরদিন সকাল থেকে সবাই সুস্থ হয়ে গেল। দুইদিন ভালভাবেই সবাই মসজিদে নবুবীতে ইবাদত করে দেশে ফিরে আসলাম।

আল্লাহপাক কবুল করুন সবাইকে তাঁর ঘর ও রাসূল (সা) এঁর রওজায় আসার।

মসজিদে নবুবী এক আজব জায়গা। এই শান্তির সমুদ্র জগতে আর কোথাও পাবেন না। যেখানে এলে অটোমেটিক সবার মানসিকতা চেঞ্জ হয়ে যায়।

স্বীকারোক্তি : আমার পাপ আসমান পেরিয়ে গেছে।

©মাহবুব কবির মিলন।

পীর-মুর্শিদের সাথে মুরিদের রূহানী সম্পর্ক তৈরির উপায় ও মহান আল্লাহ পাক পর্যন্ত পৌঁছানোর অতি সংক্ষিপ্ত রাস্তা!পীর-মুর্শিদ...
30/11/2025

পীর-মুর্শিদের সাথে মুরিদের রূহানী সম্পর্ক তৈরির উপায় ও মহান আল্লাহ পাক পর্যন্ত পৌঁছানোর অতি সংক্ষিপ্ত রাস্তা!

পীর-মুর্শিদের সাথে মুরিদের রূহানী সম্পর্কের তিনটি স্তর রয়েছে, যথাঃ

★এক- তাসাউরে শায়েখঃ সবসময় পীরের চেহারা মুবারক ধ্যান করা। এটার মাধ্যমে মুরিদের ক্বলবে পীরের প্রতিচ্ছবি মজবুত হয় এবং রূহানী স্তরে উন্নতি লাভ করে।

গাউসে জমান আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ কেবলা (রা.) বলেন,
❝শায়খ বা পীর মুর্শিদের প্রতিচ্ছবি মুরীদের হৃদয়ে যতবেশি মজবুত হবে, রূহানী স্তরসমূহ ততবেশি দ্রুত অতিক্রম করবে।❞

★দুই- রাবেতায়ে শায়েখঃ পীরের অনুপস্থিতিতে মুরীদ তাজিম ও মহব্বতসহকারে তাঁর গুনাবলীকে সামনে রেখে ধ্যান করা। এটার মাধ্যমে পীরের উপস্থিতিতে যে ফায়দা হাসিল হয়, অনুরূপভাবে অনুপস্থিতিতেও একই ফায়াদা হাসিল করা সম্ভব হয়।

প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ হযরত শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দেস দেহলভী (রা.) বলেন,
❝পীরের ধ্যান করতে হবে। রাবেতায়ে শায়খ মানে হলো পীর সাহেব যখন মুরিদ থেকে দূরে থাকেন তখন মুরিদ তাজিম ও মহব্বতে তাঁর গুণাবলিকে সামনে রেখে পীরের ধ্যান করলে তাঁর সোহবতে থাকার ন্যায় ফয়েজ ও বরকত লাভ করতে সক্ষম হয়।❞

★তিন- ফানাফিশ শায়েখঃ মুরিদ তার চাল চলন ও যাবতীয় সবকিছুতে পীরের নির্দেশ ও সন্তুষ্টির প্রতি পরিপূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করে। মুরিদ পীরের সত্ত্বায় বিলীন হয়ে যায় এবং মুরিদের মধ্যে পীরের প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে।

কুতুবুল আউলিয়া আল্লামা সৈয়্যদ আহমদ শাহ সিরিকোটি (রা.) বলেন,

❝ফানা ফিশ্ শায়খ’র স্তর অত্যন্ত প্রিয় ও তরীকতপন্থীর অভীষ্ট লক্ষ্যও। কামিল শায়খ (পীর)'র স্থান জাবারূত স্তরে উন্নীত। ওই স্তরে কামিল পীর মহান আল্লাহর গুণাবলীর জুব্বা পরিধান করে থাকেন। হ্যাঁ, ঐ স্তরের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম’র মহান সত্ত্বা। অর্থাৎ তিনি আল্লাহর প্রথম নূর, অন্যসবকিছু তাঁর নূরের অনুকণা।❞

তিনি আরো বলেন,

❝যতক্ষণ ফানাফিশ শায়েখ এর মক্বাম অর্জিত হবে না, ততক্ষণ হুজুর পাক ﷺ'র নৈকট্য অর্জন এবং হুজুর করিম ﷺ'র দিদার লাভ করাও অসম্ভব।❞

গাউসে জমান আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ কেবলা (রা.) উপরোক্ত বানীর ব্যাখ্যায় বলেন,
❝ফানাফিশ শায়েখের মক্বামের সাথে ফানাফির রাসুলের মক্বাম আর এর সাথে হচ্ছে ফানাফিল্লার মক্বাম। (আল্লাহ তা'আলাকে পাওয়ার) এটা অতি সংক্ষিপ্ত রাস্তা।❞

সূফিদের আদর্শ প্রতীক মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমী (রা.) বলেন,

❝ছোঁ কেহ্ জাতে শায়খ রা করদী কবূল
দা’ খোদা দর জাতশ আমদ হাম রসূল।❞

অর্থাৎ যে ব্যক্তি পীরের সত্ত্বাকে কবূল করেছে, (পীরের সত্ত্বায় নিজেকে বিলীন করেছে) তাঁর সত্ত্বায় আল্লাহ্ ও তাঁর প্রিয় রসূলের ফয়েজ তার প্রতি বর্ষিত হবে।

মোটকথা, পীর মুর্শিদের সোহবতে থেকে তাসাউরে শায়খের মাধ্যমে রাবেতায়ে শায়েখের মক্বামে পৌঁছে ফানাফিশ শায়েখের মক্বাম হাসিল করতে হবে। ফানাফিশ শায়েখ হওয়ার মাধ্যমে ফানাফির রাসুলের মক্বাম আর ফানাফির রাসুলের মাধ্যমে ফানাফিল্লার মকাম হাসিল করা সম্ভব হবে। মহান আল্লাহকে পাওয়ার অসংখ্য মাধ্যম রয়েছে, এরমধ্যে আল্লাহ পাক পর্যন্ত পৌঁছানোর এটাই অতি সংক্ষিপ্ত রাস্তা। মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে সেই মহান মক্বাম হাসিল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

❝আপনাদের এ সিলসিলাহ্ (তরীক্বাহ্), যে সিলসিলায় আপনারা আছেন, এ সিলসিলার উদ্দেশ্যও  এটাই যে, এটা দ্বারা আমাদের স্ব স্ব গন্ত...
20/11/2025

❝আপনাদের এ সিলসিলাহ্ (তরীক্বাহ্), যে সিলসিলায় আপনারা আছেন, এ সিলসিলার উদ্দেশ্যও এটাই যে, এটা দ্বারা আমাদের স্ব স্ব গন্তব্যস্থলে অর্থাৎ হুযূর করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-পর্যন্ত পৌঁছানো। আর এ যাত্রাপথে নানা ধরনের লোক রয়েছে। এ পথে ডাকাতও রয়েছে। ইনশা-আল্লাহুল আযীয, যখন আমাদের সুদৃঢ় ইচ্ছা থাকবে, নিষ্ঠা ও ভালবাসা থাকবে, তখন আমরা এ কাফেলার সাথে থাকবোই। যখন কোন কাফেলার সাথে পাহারাদার ও সৈন্য বাহিনী মোতায়েন থাকে, তখনতো সেটার উপর কেউ হামলা করতে এ ভেবে ভয় পাবে যে, ‘সবাই ধরা পড়ে যাবো যদি আমরা হামলা করি।’ আলহামদুলিল্লাহ্! আমাদের এ কাফেলায় সায়্যিদুনা আব্দুল ক্বাদির জীলানী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু রয়েছেন, শাহানশাহে চৌহরভী ও শাহান শাহে সিরিকোটি সাথে আছেন। আমাদের ভয় করার কোন কারণ নেই। তবে আমাদের উচিত তাঁদের (আর্দশ ও নীতি)কে ভালোভাবে আকঁড়ে ধরা এবং তাঁদের অনুসরণ করে চলা। আল্লাহ্ তা‘আলা আপনাদেরকে এবং আমাদেরকে বুঝার তাওফীক্ব দিন। আ-মী-ন।❞

ණগাউসে জমান আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রা.)

গাউসে জমান আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রা.)'র খাদেম মরহুম আয়ূব আলী চৌধূরী (র.) বলেছিলেন,আল্লামা সাবির শাহ কেবল...
18/11/2025

গাউসে জমান আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রা.)'র খাদেম মরহুম আয়ূব আলী চৌধূরী (র.) বলেছিলেন,

আল্লামা সাবির শাহ কেবলা কৈশরে তাঁর পিতার সঙ্গে ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে (১২ বছর বয়সে) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আসেন। তখন একটি মাহফিলে যাওয়ার জন্য আমরা একটি কার-এ উঠি। গাড়ীর পিছন সিটে আমি, আল্লামা সাবির শাহ ক্বিবলা ও আল্লামা আযীযুল হক্ব শেরে বাংলা রহমাতুল্লাহি তাআলা আলায়হি বসেছিলাম আর গাড়ীর সামনে সিটে বসেছিলেন হুজুর ক্বিবলা আল্লামা সায়্যিদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ রহমাতুল্লাহি তা'আলা আলায়হি । গাড়ী হতে নামার পর শেরে বাংলা রহমাতুল্লাহি তা'আলা আলায়হি আল্লামা সাবির শাহ (মাদ্দা যিল্লাহুল আলী)'র দিকে ইশারা করে আমাকে বললেন,
❝আয়ূব আলী! এ পীরজাদা একজন সাংঘাতিক ধরনের উঁচু মাপের অলি!❞

সুবহানআল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক আমাদের প্রত্যেককে এই মহান পীরে কামেল ও উঁচু মাপের ওলীর ফয়ুজাত দ্বারা ধন্য করুন। আমিন।

হো মেরা ঈমান কামেল আওর হো রওশন জমীর সৈয়্যদ শাহ পীর সাবির বা- জিয়াকে ওয়াস্তে...

#সূত্রঃ আধ্যাত্মিক মহান সাধক আল্লামা খাজা আবদুর রহমান চৌহরভী (রা.) ইসলামী শিক্ষা ও আরবী সাহিত্যে তাঁর অবদান, কৃত ড. মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল আলম (মা.জি.আ)।

হুজুর কেবলার কেরামতসিরিকোট শরীফ যাওয়ার পথে অন্ধকার রাত্রে ভক্তের জন্য সাহায্য পাঠালেনগাউসে জমান আল্লামা তৈয়্যব শাহ (রহ.)...
18/11/2025

হুজুর কেবলার কেরামত

সিরিকোট শরীফ যাওয়ার পথে অন্ধকার রাত্রে ভক্তের জন্য সাহায্য পাঠালেন
গাউসে জমান আল্লামা তৈয়্যব শাহ (রহ.)!
হাজী হাবিবুর রহমান কাদেরী (তৈয়্যব শাহ কেবলার পাকিস্তানি একনিষ্ঠ মুরিদ) বর্ণনা করেন আমি ১৯৮৯ সালে একাকী পেশওয়ারী স্বীয় বাসভবন থেকে সিরিকোট শরীফের উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করলাম

সঙ্গে কেউ ছিল না পথে রাত প্রায় ৯/১০ টা হয়ে গেল তখনো সিরিকোট দরবার শরীফ ৯/১০ কিলোমিটার দুরে চারিদিক অন্ধকার আর রাস্তা একেবারে জন শূন্য ছিল গুদ ওয়ালি নামক স্থান থেকে হঠাৎ দুটি কুকুর আমার সাথি হয়ে গেল সিরিকোট পর্যন্ত প্রায় ৮/৯ কিলোমিটার পথ কুকুর দুইটি আমার সাথেই ছিল আমার মনে আর কোনপ্রকার ভয় ভীতি সৃস্টি হল না কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, সিরিকোট শরীফ পৌঁছানোর সাথে সাথেই কুকুর দুটি গায়েব হয়ে গেল আমি হুজুর আল্লামা তৈয়ব শাহ্ কেবলাকে আমার আসার সংবাদ আগে থেকে জানাইও নি কিন্তু হুজুর কেবলা আমাকে দেখার সাথে সাথে বললেন যে, আমি তোমার জন্য অপেক্ষাই আছি দুটি কুকুরের কথা হুজুর কেবলাকে ব্যক্ত করার

সাথে সাথে হুজুর কেবলা এরশাদ করলেন,

"হযরাতে কেরাম আপনার হেফাযতের জন্য এ দুইটি কুকুর প্রেরণ করেছেন।"

আমার বিশ্বাস, এটা আমার মুর্শিদ কেবলা আল্লামা তৈয়ব শাহ্ রাহমাতুল্লাহি আলাইহির জিন্দা কারামাত ছাড়া আর কিছুই নই তিনি স্বীয় অলৌকিক ক্ষমতা দ্বারা এ ব্যাবস্থা
করেছেন যাতে অন্ধকার রাতে পথ অতিক্রম করতে আমি ভয়অনুভব না করি।

#সুবহানআল্লাহ!

#সূত্রঃ আল্লামা হযরত সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব (রহ.)'র জীবনী, পৃঃ ১৬৪

কৃত- সৈয়্যদ মুহাম্মদ অসিয়র রহমান আল কাদেরী।

আল্লাহর অলিদের মাঝে কখনও কখনও এমন বিষ্ময়কর অলৌকিক ক্ষমতা প্রতিভাত হয়, যা সাধারণ বোধে ধরা দেয় না। খাজা চৌহর রাহ. ছিলেন...
16/11/2025

আল্লাহর অলিদের মাঝে কখনও কখনও এমন বিষ্ময়কর অলৌকিক ক্ষমতা প্রতিভাত হয়, যা সাধারণ বোধে ধরা দেয় না। খাজা চৌহর রাহ. ছিলেন সেই বিরল অলিদের একজন, যার ছিল কুওয়াতে খিজির—অর্থাৎ যা চাইতেন, আল্লাহর ইজাজতে তা মুহূর্তে প্রদর্শন করতে সক্ষম হতেন।
জৈনক এক ব্যক্তি একবার প্রশ্ন করেছিল— “হুজুর, গাউসে জামান কাহাকে বলে?”

এ প্রশ্নের উত্তরে খাজাজি দূরে থাকা একটি গাছকে ডাকলেন। সঙ্গে সঙ্গে গাছ সাড়া দিল—হেঁটে হেঁটে তাঁর সামনে এসে দাঁড়াল। যেতে বললে আবার নিজ স্থানে ফিরে গেল। এরপর খাজাজি বললেন— “গাউসে জামান বলতে একেই বোঝায়।”

আমাদের পরম প্রিয় মুর্শিদে কারীম, সৈয়দ তাহের শাহ্ কেবলা কাবা–এর মধ্যেও এই খিজরী ক্ষমতার মারাত্মক প্রভাব আমরা প্রত্যক্ষ করি।

বোধহয় এবং আমি নিজে সাক্ষী, ২০১৯/২০২০ সালে জুলুসের আগে ১০ নং বিপদসঙ্কেত— তুফানের নাম ছিল বুলবুল। সে সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নাকি জুলুস স্থগিত বা সীমিত করার প্রস্তাবও এসেছিল। কিন্তু হুজুর কেবলা দৃঢ়স্বরে বলেছিলেন— “এই জুলুস হবে।”

আমরা সবাই দেখেছি—রাতভর বৈরী আবহাওয়া, আকাশে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস। কিন্তু সকালবেলা আকাশে একবার মেঘ, একবার রোদ—অদ্ভুত এক খেলা চলছিল। কখনও গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি, আবার থেমে যাওয়া।

হুজুর কেবলা জুলুস সম্পন্ন করে মঞ্চে বসলেন—
নামাজ পড়ালেন, বায়‘আত দিলেন, মুনাজাত করলেন। এরপর হুজরা শরীফে প্রবেশ করলেন। আর ঠিক সেই মুহূর্তেই নেমে এলো প্রবল বর্ষণ— মুষলধারে বৃষ্টির স্রোতে পুরো চট্টগ্রাম যেন জলে র ঢেউয়ে ভেসে গেল।

এ দৃশ্য দেখে আমাদের অন্তরে নিশ্চিতভাবে উদয় হয় একটিমাত্র সত্য—
হুজুর কেবলা কোন তবকাতের ওলিউল্লাহ হলে প্রকৃতি, তুফান, ঝড়-বৃষ্টি— এসবের উপর এমন প্রভাব বিস্তার করতে পারেন।
আল্লাহু আকবর!
অলিদের রহস্যময় জগত সত্যিই অপার বিস্ময়ে ভরা।

আই আল্লাহু রাব্বুল ইজ্জত! তুমি এমন মুর্শিদে কামেল, খিজরে আসর মুর্শিদের চরণ ছায়া আমাদের উপর দীর্ঘায়ু কর।

Address

Chittagong
4330

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সিরিকোটের আলো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share