Digital blowing

Digital blowing Digital Blowing are ready to give you full computer skill development and freelancing service. Our team can give you 100% Satisfied support. Digitablowing

so come first knocking and get quick service.

বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা ও প্রতিকারঃবেকারত্ব কি?বেকার সমস্যা বলতে আমরা বুঝি কোন দেশের জনশক্তির তুলনায় কর্মসংস্হানের ক...
10/08/2021

বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা ও প্রতিকারঃ

বেকারত্ব কি?

বেকার সমস্যা বলতে আমরা বুঝি কোন দেশের জনশক্তির তুলনায় কর্মসংস্হানের কমতির ফলে সৃষ্ট সমস্যা।দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বেকারত্বের হার বাংলাদেশেই বেশি। ২০১০ সালের পর থেকে প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা এবং ভুটান এ হার কমিয়ে এনেছে কিন্তু ভারতে স্থিতিশীল রয়েছ , তবে বেড়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও নেপালে।

কেন এই বেকারত্ব?

আসুন আমরা জানার চেষ্টা করি বেকারত্ব নামের এই অভিশাপের পেছনে লুকিয়ে থাকা কারণ গুলো।

১.জনসংখ্যা বৃদ্ধিঃ

আমাদের দেশের আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার হার খুব বেশি। আর সেই তুলনায় কর্ম-সংস্থানের ততোটা সুব্যবস্হাও নেই । যার কারণে অনেক সময় আমাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বা কারিগরি শিক্ষা থাকা সত্ত্বেও কাজের সুযোগ হয়ে ওঠে না।

২.প্রযুক্তির উন্নয়নঃ

বর্তমান বিশ্ব প্রযুক্তির বিশ্ব।পৃথিবী যতো এগোচ্ছে তার সাথে এগোচ্ছে প্রযুক্তির উন্নয়ন। আর মানুষকে করে ফেলছে অলস। যখন কোনো একটা কাজ করতে ৫ জন বা ১০ জন মানুষের প্রয়োজন হতো ,প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সেই কাজ এখন ১ জন বা ২ জন করতে পারেন । এবং পুর্বের থেকে কম সময় ব্যয় করে। যার কারনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানায় জনবল কম প্রয়োজন হয় আর বেড়ে যায় বেকারত্বের সংখ্যা।

৩.দুর্নীতিঃ

যেকোনো দেশের উন্নয়নের পথের একমাত্র বাধা হচ্ছে দুর্নীতি। বাংলাদেশে দুর্নীতি হল একটি চলমান সমস্যা।
এছাড়াও বাংলাদেশ ২০০৫ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় পৃথিবীর তৎকালীন সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে স্থান লাভ করে এবং যার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩ তম।
এ অবস্থায় কোন একটা চাকরির জন্য প্রতিযোগিতা করতে গেলে তাতে মোটা অংকের টাকা তথা ঘুষ প্রদান করতে হয়। এক্ষেত্রে যাদের টাকা আছে তাদের হয়তো চাকরি হচ্ছে যোগ্যতার হিসাব ব্যতীত আর যাদের যোগ্যতা আছে কিন্তু টাকা নেই তাদের চাকরি হচ্ছে না।
যেই দেশের ২০ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র সিমার নিচে বসবাস করে তাদের জন্য ঘুস দিয়ে চাকরি পাওয়াটা ও অনেক কষ্টের। আর এই টাকা না দিতে পারলে তার নাম চলে যায় বেকারের খাতায়।

৪.রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ

বেকারত্বের পিছনে রাজনৈতিক অস্থিরতা খুব বিরূপ প্রভাব ফেলে। দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্হা যদি সুষ্ঠ না থাকে তাহলে দেশে কলকারখানা ঠিক মতো গড়ে ওঠেনা । যার ফলে বেকারত্বের সৃষ্টি হয় এবং বিদেশি বিনিয়োগ কমে যায় ও বিদেশি কোম্পানি গুলো কাজ করতে অনার্গহ দেখায়। ফলে কর্মসংস্হানের অভাবে মানুষ বেকার বসে থাকে। আর এই পরিস্থিতি দিন দিন বেড়েই চলছে।

৫.মূলধনের অভাবঃ

আমাদের দেশে দারিদ্র্য সিমার নিচের মানুষের হার ২০.৫ শতাংশ। যার মধ্যে ১০.৫ শতাংশ মানুষ অতি দারিদ্র্য সিমার নিচে বসবাস করে। আমাদের দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় খুব কম। যার কারনে সঞ্চয়ের হার ও খুব কম।মুলধন সংগ্রহ না হওয়ার দরুন যুবসমাজ উদ্যোগ গ্রহন করতে পিছিয়ে যায় আর যার ফলে চাপ পড়ে চাকরির বাজারে। মুলধন সংগ্রহ না করতে পারাটাও বেকারত্বের অন্যতম কারন।
আর এই বেকারত্বের প্রভাব দিনে দিনে বৃদ্ধির ফলে অসামাজিক ও অনাচার এবং যৌতুক প্রথার রীতিনীতি বহু গুণ বেড়ে যাচ্ছে।

প্রতিকারঃ

সমস্যা যেটাই হোক না কেন প্রতিটা সমস্যারই সমাধান আছে । হয়তো সেটা একদিনেই আসবে না কিন্তু চেষ্টা করলে অচিরেই সমাধান আসবে এই সমস্যার।

১. শিক্ষা ব্যবস্থাঃ

শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে।যাতে শিক্ষার্থীরা আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে।

২.আত্মনির্ভরশীলঃ

শিক্ষিত বেকার যুবকদের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা যেতে পারে এবং তাদের মুলধনের জন্যে সরকারি ও বেসরকারি ঋণের ব্যবস্হা করা যেতে পারে।

৩. কর্মসংস্থান সৃষ্টিঃ

ভূমির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন নতুন শিল্প এলাকা গড়ে তোলা যেতে পারে। যার ফলে বেকার যুবকদের কর্মসংস্হানের সুযোগ হবে।

৪. প্রশিক্ষণঃ

বিভিন্ন সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এর মাধ্যমে শিক্ষিত বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কৃষি ও কুটিরশিল্পের উপর, গবাদিপশু পালন,মৎস চাষ ইত্যাদি বিষয়ে সেমিনার ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

সর্বপরি বলা যেতে পারে সরকারি বেসরকারি এবং সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগ গ্রহন এবং সচেতনতাই পারে আমাদের এই সমস্যার হাত থেকে পরির্তান দিতে।

স্বাগতম হে মাহে মুহররম।
09/08/2021

স্বাগতম হে মাহে মুহররম।

ফ্রিল্যান্সিং কিঃসহজ ভাষায় বোঝাতে গেলে বলা যায় কোনো কম্পানির বা ব্যক্তির অধীনে না থেকে নিজের সময় সুবিধে মতন মুক্তভাবে কা...
08/08/2021

ফ্রিল্যান্সিং কিঃ

সহজ ভাষায় বোঝাতে গেলে বলা যায় কোনো কম্পানির বা ব্যক্তির অধীনে না থেকে নিজের সময় সুবিধে মতন মুক্তভাবে কাজ করাকেই ফ্রিল্যান্সিং বলে।

ফ্রিল্যান্সিং কেন করবেনঃ

বর্তমান বিশ্বে বেকারত্ব এক অন্যতম সমস্যা। তাই পড়াশোনা বা চাকরির চেষ্টার পাশাপাশি ঘরে বসে পার্ট টাইমে সৎভাবে উপার্জনের জন্য ফ্রিল্যান্সিং অত্যন্ত ভালো একটি উপায়।
যদি আপনি ইতিমধ্যে কোনো কাজের সাথে যুক্ত থেকে থাকেন সেক্ষেত্রেও অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং কে বেছে নিতেই পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করতে হয়ঃ

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, সেটা নির্ভর করবে কম্পানি বা ব্যক্তির প্রয়োজন এবং আপনার স্কিলের ওপর। বর্তমানে সবথেকে চাহিদায় থাকা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজগুলি হলো :-

➣ গ্রাফিক ডিজাইনিং (Graphics Designing)
➣ ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্ট (Web Development)
➣ App ডেভলপমেন্ট (Mobile App Development)
➣ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
➣ কন্টেন্ট রাইটিং (Content Writing)
➣ ভিডিও এডিটিং (Video Editing)

উপরে উল্লেখ করা কাজগুলি ছাড়াও অনেক ধরনের ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ রয়েছে।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবোঃ

ফ্রিল্যান্সিং এ পারদর্শী হওয়ার জন্য আপনার নির্দিষ্ট কিছু স্কিল থাকা চাই, কাজ ভালো হলে তবেই কম্পানি গুলো আপনাকে কাজ দেবে। বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ অনলাইনের মাধ্যমেই হয়ে থাকে, তাই আপনাকে সেই সমস্ত স্কিলে পারদর্শী হতে হবে যেগুলির মার্কেট ডিমান্ড রয়েছে।
আপনি সাধারণ গুগল বা ইউটিউবে সার্চ করে এই বিষয়গুলি সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন বা খুব অল্প সময়ে প্রফেশনালি এই কাজগুলি আপনি যেকোনো অনলাইন লার্নিং পোর্টাল থেকেও শিখতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ কিভাবে পাবোঃ

স্কিল ডেভলপ করার পর সবথেকে প্রয়োজন হলো কাজ পাওয়া। আপনি লোকাল বিভিন্ন কম্পানি গুলিতে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ খুঁজে দেখতে পারেন, কিন্তু সবথেকে ভালো উপায় হলো অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলিতে একাউন্ট বানিয়ে নিজেদের সার্ভিস প্রোভাইড করা।
ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলিতে সারা বিশ্বের লোক নিজেদের প্রয়োজন মতন ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ করে, এর ফলে আপনার কাজ পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই বেড়ে যায়। মনেরাখতে হবে আপনি যত ভালোভাবে সার্ভিসগুলি প্রোভাইড করবেন তার ওপর আপনার রেটিং বা জনপ্রিয়তা নির্ভর করবে। রেটিং ভালো থাকলে বেশি করে কাজ পাবেন আর খারাপ থাকলে পাবেন না।

ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধাঃ

একজন ফ্রিল্যান্সার নিজেই তার পচ্ছন্দের কাজ বেছে নেয়, এক্ষেত্রে কেউ তাকে জোর করে কোনো কাজ চাপিয়ে দিতে পারে না। আপনি কত পারিশ্রমিক মূল্যে কাজ করবেন এটা অনেক সময় আপনি নিজেই নির্ধারন করে থাকেন। আপনি ফ্রিল্যান্সিং যেকোনো সময় শুরু করতে পারেন। এর জন্য খুব বেশী কোনো পূর্ব প্রস্তুতি দরকার পরেনা।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবংডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা কি?ভূমিকাঃ ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং এটির প্রয়োজনীয়তাই বা কি? এই...
06/08/2021

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবংডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা কি?

ভূমিকাঃ

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং এটির প্রয়োজনীয়তাই বা কি? এই প্রশ্নটি এখন সবার। উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সবাই এখন ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে চায়। বর্তমান যুগ ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগ। এখন ঘরে বসে অনলাইনে কেনা কাটা থেকে শুরু করে, অনলাইনে ইনকাম করা সবটাই এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ওপর নির্ভর করে।

ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে মানুষ মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় পন্যের বিজ্ঞাপনকেই বুঝে। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা কি তাই?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং মানে অনলাইনে পন্য বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন প্রচার করাকেই বুঝায়। এখন সেটা হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে, আবার হতে পারে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

আবার ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া যেমন, টিভি, রেডিও ইত্যাদির মাধ্যমে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করাটাও এক ধরণের ডিজিটাল মার্কেটিং। এছাড়া মোবাইলে ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জিং, ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড, মোবাইল এপ্লিকেশনের মাধ্যমে পণ্যের প্রচারণাকেও ডিজিটাল মার্কেটিং বলা যেতে পারে।

বুঝতেই পারছেন, আধুনিক বিশ্বে নিজেকে ও নিজের ব্যবসার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার কোনো বিকল্প নেই।
এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন ধাপ আলোচনা করা হবে।

এক নজরে Digital Marketing এর সেরা ৮ টি ধাপ বা
মাধ্যমঃ

1.Search engine optimization (SEO)
2.Search Engine Marketing (SEM)
3.Content marketing
4.Social Media Marketing(SMM)
5.Digital Display Marketing
6.Mobile media marking
7.Email Marketing
8.Affiliate Marketing

1.Search engine optimization (SEO):
সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান বা SEO মূলত আপনার ওয়েবসাইট এটি গুগল, ইয়াহু বিং বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধান ফলাফলগুলি পর্যালোচনা করে থাকে। আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। এসইওর মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের সবচাইতে উপরে নিয়ে আসবেন, তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রিও বৃদ্ধি পাবে কারন বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে সার্চ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। গুগল তার তথ্য গুলো নিয়মিত আপডেট করে।

2.Search Engine Marketing (SEM):
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা SEM এটি ব্যাপক মার্কেটিং কৌশল যা প্রাথমিকভাবে দেওয়া প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপনার ব্যবসা ট্রাফিক ড্রাইভ হয়। তাকে আমরা Paid সার্চ মার্কেটিং বলে থাকি। আপনার ব্যবসার গঠনশৈলীর উপর ভিত্তি করে সাধারনত এ ধরনের মার্কেটিং করা হয়।এসইএম সাধারনত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের হয়ে থাকে। যেমন-গুগুলের AdWords এবং বিং বিজ্ঞপ্তি (গুগল নেটওয়ার্কে), ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এছাড়াও এসইএম বিজ্ঞাপন অনুসন্ধান, মোবাইল মার্কেটিং, পুনঃবাজারজাতকরণের এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

3.Content marketing:
যে কোন বিষয় অথবা বস্তু সম্পর্কে একটি সাজানো কন্টেন্ট তার মান বাড়াতে সাহায্য করে। অনলাইনে আপনার কনটেন্ট, যেকোনপোস্ট কিংবা ফোরাম অথবা পণ্যের ডিসকাশনে যাতে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকে যাতে খুব সহজে আপনার টার্গেটেড পাঠক বা ক্রেতা আপনার পণ্যকে খুঁজে পেতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।মনে রাখবেন, একটি কার্যকর কৌশল আপনার পাঠক বা ক্রেতা তৈরি করবে এবং তারা আপনার কাছ থেকে আরো তথ্য জানতে আগ্রহী হবে। একটি ভাল কন্টেন্ট তৈরি করতে পারলে আপনার ব্যবসা ব্র্যান্ডিং জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হবে।Digital Marketing এ ভালো কন্টেন্টের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।

4.Social Media Marketing(SMM) :
সোশ্যাল মিডিয়া বলতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেইসবুক (Facebook), টুইটার (Twitter), লিংকডইন (LinkedIn), ইমু (Imo), ভাইবার (Viber), ট্রাম্বলার (Trumblr), ইনস্ট্রাগ্রাম (Instagram), পিন্টারেস্ট (Pinterest), ইউটিউব (Youtube), রেডিট (Reddit) ইত্যাদিকে বোঝায়।

আর এসব যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে কোন পণ্য কিংবা সেবার বিপণন বা প্রচার করা হলে একে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে। বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই মাধ্যমটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।

5.Digital Display Marketing:

এটি অনেকটা আবার আপনার SEM ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি উপসেট মার্কেটিং ব্যবস্থা। সম্ভাব্য শ্রোতাদের লক্ষ্য করে ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন ফরম্যাটের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করতে পারেন- এটি টেক্সট, ইমেজ, ব্যানার, সমৃদ্ধ মিডিয়া, ইন্টারেক্টিভ বা ভিডিও বিজ্ঞাপন হতে পারে। আপনার আগ্রহ, বিষয়বস্তু বিষয় বা ক্রয় চক্রের গ্রাহকের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে আপনার বার্তা কাস্টমাইজ করতে পারেন।
তবে মনে রাখবেন, ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল। আপনি আপনার ব্যবসার জন্য ভাল ROI চালনা করলে বিশেষজ্ঞদের মতামতের প্রয়োজন হতে পারে।

6.Mobile media marking :
এসএমএস(SMS) মার্কেটিং, এমএমএস(MMS) মার্কেটিং, ব্লুটুথ মার্কেটিং, ইনফ্রারেড মার্কেটিং এর মাধ্যমে মোবাইল মার্কেটিং করা হয়। আর এগুলোর মধ্যে “SMS FOR MOBILE” মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই গুরুতুপূর্ণ। আপনি ভার্চুয়াল জগৎ এর, ডিজিটাল যুগের মানুষ। আপনার ফেসবুক, টুইটারে অনেক ফলোয়ার থাকতে পারে। তাদেরকে আপনি মেসেজ অথবা টুইট করতে পারেন আপনার keyword গুলো। হয়তো তারাও SMS এর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টের সাবস্ক্রাইবার হতে পারে। যারা আপনার প্রডাক্টের নিয়মিত সাবস্ক্রাইবার হয়েছে তাদেরকে আপনি আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত বিবরণের মেসেজ পাঠাতে পারেন। মেসেজ হবে সংক্ষিপ্ত, to-the–point এ এবং ১৬০ ওয়ার্ডের বেশী নয়। মেসেজ হবে ফ্রেণ্ডলি যাতে সাবস্ক্রাইবার এমন মনে না করে যে আপনি আপনার কোম্পানীর প্রোডাক্ট কেনার জন্য তাকে প্ররোচিত করছেন। এই মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই ফ্লেক্সিবল এবং এটি টাকা তৈরীর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

7.Email Marketing:
ইমেইল এর মাধ্যমে কোন পণ্য বা সার্ভিসের মার্কেটিং করাকে সাধারন ভাবে Email Marketing বলা হলেও এর ক্ষেত্র টি বিশাল। ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি সাজানো আর্টিকেল বা কন্টেন্ট এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পণ্যের গুণাগুণ তুলে ধরে, তাকে ওই পন্য ক্রয়ে আগ্রহী করে তোলা। এর মাধ্যমে অল্প সময়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাওয়া যায়। স্মার্ট ইমেইল প্রেরণের মাধ্যমে ব্যবসায় লাভবান হওয়া সম্ভব।

8.Affiliate Marketing:
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
নিজের ব্রেইনকে ওয়াশ করার মাধ্যমে অর্জনকৃত স্কিলকে কাজে লাগিয়ে অন্য কারও কোন পণ্য, সেবা কমিশন ভিত্তিক প্রমোশন করা হলে তাকেই মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়।

এখানে বিষয়টি এমন নয় যে এর মাধ্যমে আপনি রাতারাতি বড়লোক হতে পারবেন। আর এমন স্বপ্ন দেখে থাকলে আপনি বোকাবনে চলে গেছেন!

বস্তুত অনলাইনে এমন কোন সেক্টর নেই যার মাধ্যমে আপনি রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যাবেন।

কারন এখানে প্রচুর পরিমাণে ধৈর্যের প্রয়োজন। বলতে গেলে অনলাইনে সফল হওয়ার অন্যতম এবং অনন্য একটি হাতিয়ার হচ্ছে ধৈর্য।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তা কি?

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি অপরিহার্য অংশ। কারণ মানুষ এখন যেকোন পণ্য ক্রয় করার আগে ইন্টারনেটে ওই পন্য সম্পর্কে জেনে বুঝে তারপর ক্রয় করে। তাছাড়া মানুষ এখন দোকানে ঘুরে ঘুরে না কিনে, অনলাইন থেকেই বেশিরভাগ কেনা কাটা করে থাকে।
সমগ্র বিশ্বে মোট প্রায় ২ বিলিয়ন মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে

বর্তমান বিশ্বে মোট প্রায় ৫.১১ বিলিয়ন মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে।প্রায় ৮৪% বিক্রেতা, মার্কেটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে ক্রেতার তথ্য সংগ্রহ করার জন্যে।সারা বিশ্বে ৫৫% মানুষ যেকোন পন্য ক্রয়ের জন্যে সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল। ৪৩% ই-কমার্স ক্রেতা গুগলে সার্চ করে তাদের পছন্দের ই-কমার্স ওয়েবসাইটে আসে।
বিশ্বে প্রায় ৫১% ক্রেতা তাদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা অনলাইন থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করে থাকে।
আপনি হয়ত এখন কিছুটা হলেও বুঝতে পারছেন, আপনার ক্রেতারা কিভাবে অনলাইনে তাদের কেনাকাটা সম্পন্ন করেন। তাই আপনি যদি এই ডিজিটাল যুগে, ডিজিটাল মার্কেটে টিকে থাকতে চান, তাহলে আপনার এখনই ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে ভাবা উচিত।

Digital Blowing are ready to give you full computer skill development and freelancing service. Our team can give you 100% Satisfied support. so come first knocking and get quick service.

Address

Chittagong
4000

Telephone

+8801880683011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital blowing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Digital blowing:

Share