28/10/2023
আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় পাঠকমণ্ডলী।
"পয়গম্বর মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম"।
****************************************
বইটি একটি যাদুকরী ঐতিহাসিক উপন্যাস। যেখানে প্রায় চৌদ্দশ বছর পূর্বের আরবের সময় ও জীবনচিত্রকে জীবন্ত এবং সচল করে চিত্রায়িত করা হয়েছে। মুহাম্মদ সা. মরুভূমির যে প্রাকৃতিক পটভূমি ও পর্বতময় পরিবেশে বড় হয়েছেন তার বর্ণনা এসেছে। এমন পাঠযোগ্য, প্রাণবন্ত এবং সরস জীবনী সত্যিই ব্যতিক্রমী ও অতুলনীয়।
বালকের বয়প্রাপ্ত হওয়া, নবুওত লাভ করা যেই সমাজে, সে সমাজের পরিবেশই তাঁকে গড়ে তুলেছিল। ঐ সময় ও ঐ পরিবেশ এমন প্রাণবন্ত ছিল যে, তরুণ মানুষটির ওপর নৈতিক ও আধ্যাত্মিক প্রভাব পড়েছিল। যার শিক্ষা একদিন মানবজাতির এক অষ্টমাংশকে নির্দেশনা দিয়েছিল ও পরিচালিত করেছিল।
জয়নুল আবেদিন রাহনুমা একজন কবি, দার্শনিক ও সাধক। ইরানের নেতৃস্থানীয় জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। একজন প্রভাবশালী সুন্নী মুসলিম। শিয়া সমাজেও তিনি পণ্ডিত হিসেবে দেশ ও সমাজের প্রশংসনীয় সেবাদান করেন।
তিনি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য উভয় সংস্কৃতির সাথেই সুপরিচিত ছিলেন। দীর্ঘ চল্লিশ বছরের চেয়েও বেশি সময় ধরে তিনি একজন সক্রিয় সাংবাদিক ও প্রকাশক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯১৬ সালে The Daily Iran প্রকাশের পর থেকেই তিনি এর সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯২১ সালে তিনি এই পত্রিকার মালিক হন।
এরপর তাঁর একটি প্রধান কাজ হয় স্বাধীন দৈনিক হিসেবে এর প্রকাশনা চালিয়ে নেয়ার জন্য সরকারের সাথে এর অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা। তাঁর স্পষ্টবাদী আচরণের জন্য ১৯৩৫ সালে তাঁকে ইরান ছাড়তে হয় এবং পত্রিকার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব অন্যের হাতে অর্পন করে যেতে হয়।
কিন্তু ১৯৪১ সালে মরহুম রেজা শাহের সিংহাসন ত্যাগের পর রাহনুমা দেশে ফিরে এসে পত্রিকাটির দায়িত্বভার পুনরায় গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে তেহরান ও ইরানের সকল প্রভাতী পত্রিকার মধ্যে এটি নেতৃস্থানীয় মান অর্জন করে।
রাহনুমা ঐ সময়ের পর থেকে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এগুলোর মধ্যে ১৯৪২ সালে ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার, ১৯৪৫ সালে প্যারিসের ইরান দূতাবাসে ইরানিয়ান মিনিস্টার এবং ১৯৪৬ সালে সিরিয়া, লেবানন ও ট্রান্সজর্দানের মিনিস্টারের পদমর্যাদার কথা উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তিনি ইরানের মজলিশ বা নিম্নপরিষদে বহু বছর ধরে ডেপুটি এবং সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নবি সা.-এর জীবনী লেখা শুরু হয় তাঁর নির্বাসিত জীবনে। তাঁর প্রণীত জীবনী গ্রন্থের প্রথম খণ্ডটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৭ সালে দামেস্কে, দ্বিতীয়টি ১৯৫৩ সালে তেহরানে এবং তৃতীয়টিও ১৯৫৬ সালে তেহরানে। তাঁর এই গ্রন্থটিকে গভীর পাণ্ডিত্যপূর্ণ ও আবেগপ্রবণ লেখার উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে। এ গ্রন্থে এমন কোনো ঘটনার অবতারণা করা হয়নি, যা ঐ সময়ের কোনো স্বীকৃত কাহিনীকারের দ্বারা প্রমাণিত নয়। তাছাড়া এ গ্রন্থটি ইতিহাস বা কোনো রেফারেন্স গ্রন্থের মত ধূলিসম শুষ্ক কিছু নয়।
অনুবাদক এম রুহুল আমিন ১৯৫৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর কুমিল্লার লাকসামের ছিলইন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আব্দুল জব্বার। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে অর্থনীতিতে স্নাতক-সম্মান (১৯৭৮) ও স্নাতকোত্তর (১৯৮০) ডিগ্রি।
তার প্রণীত ও অনূদিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্যর শাহওয়ালী উল্লাহ ও সমকালীন রাজনীতি, ইসলামী ব্যাংকিং ও জাকাত, ইসলামে বাণিজ্য আইন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, আব্বাসউদ্দীন, মওলানা আকরাম খাঁ, জামাল উদ্দীন আফগানী, মুহাম্মদ সা. : আদর্শ ও বিজ্ঞান, পয়গম্বর মুহাম্মদ সা., খলিফা কাহিনী, জ্ঞানের ইসলামায়ন, ইসলাম ও নয়া আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা,
রসুল সা.-এর যুগে মদিনার সমাজ, মুসলিমের ইউরোপ পাশ্চাত্যের মুসলিম ও ইসলামের ভবিষ্যৎ, স্প্রিড শীট এনালাইসিস, গণতন্ত্র ও ইসলাম, সন্ত্রাসবাদ ও ইসলাম, হাজী শরীয়তউল্লাহ, ইসলামী অর্থনীতিতে পণ্য বিনিময় ও স্টক এক্সচেঞ্জ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, ইসলামি সভ্যতা : রেনেসায় মুসলিম অবদান, মুসলিম নারী ও পর্দার নতুন ধারণা, কুরআনের বিশ্বদর্শনঃ সাংস্কৃতিক সংস্কারের মহাপরিকল্পনা, রসূলের পদপ্রান্তে ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া তার সাতটি গবেষণামূলক আর্টিক্যালও বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত।
# বইটির মুদ্রিত মূল্য-৬০০টাকা
বিক্রয় মূল্য-৩৯০(৩৫% ছাড়ে!!)
তাই বইটি সরাসরি/কুরিয়ারে পেতে যোগাযোগা করুনঃ
২নং গেইট, চট্টগ্রাম - 01845725924. (WhatsApp, Telegram, Imo)
অথবা-- (ইনবক্স)