Online Advertising Agency

Online Advertising Agency Business Web Site Create, Facebook Marketing, Online Advertiser / Promoter, Business & Product (SEO/

27/02/2021

ক্যারিয়ার বিষয়ক কিছু কথা (কিছু উপলব্ধি)
১.
২০১২ সালের ফেব্রুয়ারির শেষে আরএফএলে জয়েন করি। প্রথম চাকরি সেটা নয়, কিন্তু আগের মাত্র ২ মাসে ২টা কোম্পানি ট্রাই করে ফেলায় আরএফএল এর জব তখনো আমার কাছে একদম নতুনের মতই।
জয়েনের ২দিন পরেই আমার বস বললেন আপনি রামপুর থেকে কুড়িল একটা হাঁটা দেন, আশে পাশে যত দরজার দোকান পড়বে সব ভিজিট করবেন, কি বলে শুনবেন। ফাঁকি দিবেন না, আমি কিন্তু এই এলাকার সব দোকান চিনি।
উনি প্রচন্ড জাঁদরেল লোক, নতুন বলেই সেটা সবাই জানিয়ে দিয়েছিল আমাকে। ফাঁকি দেবার প্রশ্নই আসে না। তবে আমি ভাবছিলাম যে না হেঁটে কি হবে না? যদি রিকশা বা বাসে যাই। পরে ভেবে দেখলাম যে এটা আসলে বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা, কারণ কোন পাশে কি দোকান আছে বুঝবো কিভাবে।
শেষ ফাগুনের ঠাডা রোদে হাঁটা শুরু হলো। সকাল থেকে সন্ধ্যা, ভিজিট করলাম, কথা বললাম, কাজ শেষ করলাম। পরদিন যখন বললাম বস রিপোর্ট কিভাবে দিব? উনি বললেন রিপোর্ট দিয়ে কি করবো, এটা তো আপনার লার্নিং এর জন্য ছিল! খুব রাগ হলো, এটা কোন কথা? এভাবে হাঁটায় মারলো, এটা লার্নিং?
২.
মাস দুয়েক পরের কথা। বস চেঞ্জ হয়েছে। আরএফএল তখন রিকশার রিম, স্পোক এসব বের করবে। একটা নাম দিতে হবে সেই ব্র‍্যান্ডের জন্য। গুগল নিয়ে বসে পড়লাম, আর নিজের প্রতিভা। কিছু অপশান বের হলো - দুরন্ত, দুর্বার, দুর্জয়। এসব অপশান দেখে শুনে বস বললেন, আপনি এক কাজ করেন, রিকশার গ্যারেজে চলে যান, ওদেরকে জিজ্ঞাসা করেন যে এর মধ্যে থেকে ওদের কাছে কি পছন্দ, কোনটার অর্থ ওরা বুঝে, কোনটা উচ্চারণ করতে সহজ হয়। এটার ইউজার ওরা, আমার-আপনার পছন্দ আর ওদের পছন্দ তো এক হবেই না।
আরে মহা মুসিবত, রিকশার গ্যারেজে যাব! এটা কোন কথা! আমি বিবিএ-এমবিএ হোল্ডার, আমার একটা স্ট্যাটাস আছে না। বস মানবেনা, যেতেই হবে।
তো গেলাম। আগের ভিজিটের অভিজ্ঞতা কাজে লাগলো, কিছু লোকেশন চেনা ছিল। উত্তর বাড্ডার পিছনে, রামপুরা, মালিবাগের এদিকে কয়েকটা গ্যারেজে গেলাম। ওদের সাথে কথা বললাম। ওরা দুর্বার আর দুরন্ত দুইটা বলেছিল। আরো নানা রকম প্রোডাক্ট ফিডব্যাক দিল। ততক্ষণে আগের বস আর নতুন বস কারো উপরেই রাগ নেই কারণ বুঝে গেছি এই এক্সপেরিয়েন্স আসলে অফিসে বসে হবেনা।
৩-৪টার দিকে সার্ভের ভার্সিটিকালিন অভিজ্ঞতাকে (!) কাজে লাগিয়ে বাসায় এসে ঘুমিয়ে পড়লাম। পরদিন বসকে সব বললাম যে ৩০জনের মত সার্ভে করেছি। উনি ১৫জন বাদ দিয়ে বললেন তুমিও জানো, আমিও জানে যে তুমি এতজনের সাথে কথা বলোনাই, তবে যা বলেছ তাতেই চলবে। শেষ পর্যন্ত ম্যানেজমেন্ট দুরন্ত নামটাকে নিল। এই নামটাই আজকের 'দুরন্ত' বাইসাইকেলের ব্র‍্যান্ড যার জন্মস্থান বলা যায় রিকশার গ্যারেজ!!!
৩.
উপরের যে দুইটা ঘটনা বললাম সেটা চাকরির একদম প্রথম ২-৩ মাসের মধ্যে ঘটা ঘটনা। পথ যে একজন মার্কেটারকে পথ দেখিয়ে দেয় সেটা আমার বসেরা একদম শুরুতেই আমাদের ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তাতে উনারা সফল। ইনিশিয়ালি আমরা মনে করি যে বস রাগী, কিচ্ছু বুঝেনা, খালি চাপ দেই। আসলে এর সবই যে ভুল ধারণা সেটা একবার মার্কেটে গিয়ে সেই অভিজ্ঞতাকে হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করলে বোঝা যায়।
মাঠে মাঠে আমাদের অনেক সময় গিয়েছে। তখন বসেরাও আমাদের চাপ দিয়ে আনন্দ পেতেন কারণ আউটপুটগুলোও হয়ত উনারা ভালো পেতেন।
কেন যেন মনে হয় এখন বসের চেয়ারে বসার পরে সেই আনন্দের জায়গাটায় একটা কমতি পড়ছে আমাদের। যারা এখন নতুন আসছেন, তাদেরকে ঠিক ধরতে পারিনা। এখন প্রত্যেকের কিছু আলাদা প্রায়োরিটি থাকে। অল্প সময়ে ৬ডিজিট, দেশের বাইরে যাওয়া, আমি তো ভাই ব্র‍্যান্ড ম্যানেজার - আমি কেন প্রোডাক্টের কার্টন ধরবো এই টাইপ একটা এটিটিউড তাদের মাঝে যেটা নিজের চোখ দিয়ে দেখেছি। আইফোন হাতে নিয়ে যার চাকরি শুরু তাকে রিকশার গ্যারেজে যেতে বললে সে কি আজ যেত? নাকি আসলে সে আইডিয়া দিত বস, আমাদের আসলে এসব সার্ভের জন্য ইন্টার্ন নেয়া প্রয়োজন?!
এই প্রজন্ম অস্থির, এই প্রজন্মের সাথে গ্রামের সম্পর্ক কম, পাবলিক বাসের সম্পর্ক কম। আমার তৎকালিন বস একটা কথা সবসময় বলতেন যারা পাবলিক বাসে ঝুলেনাই, তারা আসলে কখনো ব্র‍্যান্ডে জব করতে পারবে না। এটা শুধু একটা বাক্য না, বরং এখানে অনেকগুলো ডিপ মিনিং আছে। কালারফুল এই প্রজন্ম কি শুধু লাইফের তাদের অংশটুকুই জানে, আর বাকি সব কি তাদের কল্পনা কিনা এইটুকু নিয়ে মাঝে মাঝে সংশয় কাজ করে।
আমি বহুদিন কোন বিজ্ঞাপনে গ্রাম দেখিনা, খুব বেশি মফস্বল ও দেখিনা। আমরা কি একটা বড় কনজিউমার গ্রুপ থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছি? এর পিছনে কি এই সময়ের ব্র‍্যান্ড ম্যানেজারদের কালচারাল ওরিয়েন্টেশন দায়ী?
আমি জানিনা। হয়ত সবই আমার এজাম্পশান। আবার কিছুটা সত্যি। সবাই এক রকম অবশ্যই না। তবে একটা সংশয় কিন্তু দিন দিন বাড়ছে।
সবশেষে এইটুকু বলতে চাই, নবীন মার্কেটার যারা এই লেখা পড়ছেন, তারা যেন ফাগুনের এই কড়া রোদেই মার্কেটে যান। একটা ডাব ওয়ালার কাছে গিয়ে একটা ডাব নিয়ে খান, দুইটা প্রশ্ন করেন, কাস্টমারদের সাথে তার কিছু কথোপকথন শুনেন। দেখবেন তার বলার মত অনেক কিছু আছে, যা আপনার ব্র‍্যান্ড স্টোরিটেলিং এ আজ অথবা কাল সাহায্য করবেই।
ব্র‍্যান্ড মার্কেটিং একটা সাইকোলজিক্যাল গেম ছাড়া আর কিছুই নয়। এবং এই খেলার বিজয়ী নির্ধারণের নিয়ামক সব থাকে পথে ঘাটে।
সবাই ভালো থাকবেন।

23/02/2021

টপিকঃ অনলাইন ব্যবসার সমস্যা ও সমাধান
বর্তমান সময়ে প্রতিদিনেই বেড়ে চলছে অনলাইনে ব্যবসা। আর এই ব্যবসা করতে এসে প্রথম অবস্থায় অনেকেই লাভবান হলেও কিছু সময় পরে এসে মুখ থুবড়ে পড়ছে। যার কারণটি হচ্ছে ব্যবসা শুরু করার পূর্বে সঠিক পন্থা অবলম্বন না করা। অনলাইন ব্যবসা শুরু করার সময় কিছু বিষয়ে ধারণ রাখা দরকার। আজকে সেই বিষয়গুলো তুলে ধরবো আপনাদের কাছে। যেখানে নতুন ও পুরাতন উদ্দোক্তাদের কে অনলাইন ব্যবসার সফল হবার একটি পুর্নাঙ্গ ধারণা প্রদাণ করবো। আর্টিকেলটি অবশ্যই একটু সময় নিয়ে সম্পূর্ণ পড়বেন।
চলুন শুরু করা যাকঃ
অনলাইন ব্যবসা নিয়ে শুরু করার পূর্বে একটু অফলাইন ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করি। আমি যদি অফলাইনে একটি ব্যবসা করতে চাই সেক্ষেত্রে আমাকে কয়েকটি কাজ করতে হবে। প্রথমত ব্যবসা করার জন্য আমাকে ব্যবসার জন্য ভালো প্রডাক্ট নির্বাচনসহ ভালো জায়গা নির্বাচণ করে একটি রুম বা দোকান ভাড়া নিতে হবে। এরপর রুমে আমাকে লাইটিং, ফ্যান বা এসি ইত্যাদি লাগাতে হবে, এরপর ব্যবসার অবস্থার উপর ভিত্তি করে আমাকে দোকানে এক বা একাধিক কর্মচারী রাখতে হবে। আর ব্যবসার প্রচারের দিকে লক্ষ্য রেখে আমাকে বিভিন্ন ইভেন্ট টার্গেট করে ব্যানার, পোস্টার এবং মাইকিং করতে হবে। এই এত কিছুর পরেও আমার দোকান থেকে প্রডাক্ট সেল করতে হলে আমাকে আমার কাস্টমারের সাথে যথেষ্ট ভালো আচরণ এবং প্রয়োজনে ডিস্কাউন্ট দিয়ে আমার পন্য সেল করতে হবে। এই সব কাজগুলো শেষ করেই একজন ব্যবসায়ী লাভবান হবেন। এখন যদি আমারা একটু পুনরায় লক্ষ্য করি অফলাইন ব্যবসা করতে গেলে কি কি পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।
১. পন্য নির্বাচণ
২. ব্যবসার স্থান নির্বাচন
৩. ব্যবসার স্থানকে আকর্ষনীয় করা (লাইটিং, ডেকরেশন, নেইমপ্লেট, সাইনবোর্ড ইত্যাদি)
৪. প্রমোশন (ব্যানার, পোস্টার, মাইকিং)
৫. কর্মচারী নিয়োগ
৬. ভালো আচরণ ও ডিস্কাউন্ট
এই ছয়টি কাজ করার পরেই সেল আনা সম্ভব। যেখান থেকে সেল নিশ্চিত হবে।
এবার যদি একটু ব্যবসায়ীর ইনভেস্টমেন্ট এর স্থানগুলো চেক করি তাহলে দেখতে পাবো।
১. পণ্য ক্রয়ের মূল্য
২. দোকান ভাড়া (মাসিক)
৩. ইলেক্ট্রিসিটি বিল (মাসিক)
৪. ডেকরেশন বিল (বার্ষিক)
৫. প্রমোশন বিল (মাসিক)
৬. কর্মচারী বিল (মাসিক)
এখন যদি আমি ব্যবসা করে লাভবান হতে চাই তাহলে আমাকে এই ছয়টি বিলের চার্জ একত্রিত করে পন্যের মুল্য নির্ধারণ করতে হবে, তবেই আমি লাভবান হবো এবং আমার ব্যবসা চলমান থাকবে।
অনলাইনে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে আমরা যদি একটু লক্ষ্য করি তবে ধাপগুলো দেখতে পারবো, (আমরা যারা অনলাইনে ব্যবসা চলমান রেখেছি বা শুরু করবো ভাবছি এদের মধ্যে ৮০-৯০ শতাংশ ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে)
১. পন্য নির্বাচন
২. ফেইসবুক পেইজ
৩. সেল (অধিকাংশের ক্ষেত্রে)
৪. বুস্ট + সেল।
যদি একটু লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পারবো অধিকাংশ লোকই ৩ স্টেপ এবং প্রায় ব্যক্তিরাই ৪ স্টেপে এসে সেল প্রত্যাশা করছে।
যা সম্পূর্ণভাবে একটি ভূল পদক্ষেপ। যার কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনলাইন ব্যবসায়ীরা ব্যবসা শুরু করার পর থুবড়ে পড়ছে।
অনলাইন ব্যবসার সঠিক ধাপগুলো নিয়ে পূর্নাঙ্গ আলোচনা করার পূর্বে একটু আমার কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।
৬ বছর ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ২ বছর ধরে ডিজিটাল এজেন্সী পরিচালনা করতে গিয়ে আমি অনেক দেশীয় উদ্দোক্তার সাথে পরিচিত হই এবং সার্ভিস দিয়ে থাকি। যাদের মধ্যে ৯৯% লোক আমার কাছে আসে তাদের ফেইসবুক পেইজের বুস্ট করতে। যাদের বুস্ট বাজেট থাকে ২০০০-৩০০০ টাকা। টার্গেট থাকে পুরো দেশ, আর প্রত্যাশা থাকে ১০০-১৫০ সেল। আর প্রায় ক্ষেত্রে ৬০% উদোক্তারা ১ বার বুস্ট করেই থেমে যায়। বাকি ৩৮% ২-৩ বার বুস্ট করেই থেমে যায়। আর বাকি ২% আমার সাথে বিজনেস স্টাট্রেজি মেনে কাজ করে যায় এবং লাভবান হয়।
আমি প্রায়ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টদের কাজ থেকে কয়টি প্রশ্ন পেয়ে থাকি এর উত্তর দিতে গিয়ে আমি তাদেরকে কিছু প্রশ্ন করে থাকি।
ক্লায়েন্ট প্রশ্নঃ ভাইয়া আমি ১০০০০-২০০০০ টাকার পন্য ক্রয় করেছি আপনি কতটি সেল দিবেন বুস্ট থেকে।
আমার ক্লায়েন্ট কে উত্তরঃ আপনাকে ফেইসবুক প্রতিদিন ২০-৩০ টি এডস দেখায় আপনি এখান থেকে ১ মাসে কতটি পন্য কিনেছেন, কতটি দোকানে মেসেজ করেছেন? বা আপনার পরিচিত জনেরা কতটি পন্য অনলাইনে অর্ডার করেছে?
ক্লায়েন্টের উওরঃ প্রায়ক্ষেত্রে একটিও না। ২-১ জনের ক্ষেত্রে ১টি সর্বোচ্চ।
এখন আমার উওর তাহলে আপনি কিভাবে ১০০০-২০০০ টাকা বাজেটে কেবল একটি পেইজ খুলে প্রত্যাশা রাখেন যে আপনার ১০০-১৫০ সেল আসবে।
আমার ক্লায়েন্টকে আবার প্রশ্ন ( যারা অনলাইনে কেনাকাটা করেন): আপনি অনলাইনে পন্য কেনার ক্ষেত্রে সময় যার থেকে পন্য কেনেন আর যার থেকে কেনেন না সেক্ষেত্র কি কি বিষয় খেয়াল করেন?
ক্লায়েন্টের উত্তরঃ
*** যাদের থেকে কিনি না।
১. নতুন পেইজ এবং লাইক কম
২. যাদের পেইজে কাস্টমার রিভিউ একদম কম
৩. যাদের পেইজে লাইভ নেই।
৪. যাদের পেইজের পূর্বের পোস্ট এবং কমেন্টে বিশ্বাস যোগ্যতা আছে।
৫. ভালো রেসপন্স করে না
৬. ডেলিভারীর আগেই টাকা চায়।
*** যাদের থেকে কিনি
১. পেইজের বয়স আছে এবং লাইক মোটামুটি ভালো।
২. যাদের পেইজে কাস্টমার রিভিউ আছে।
৩. যাদের পেইজে লাইভ আছে।
৪. যাদের পেইজের পুর্বের পোস্ট এবং কমেন্টে বিশ্বাস যোগ্যতা আছে।
৫. ভালো রেসপন্স করে।
৬. ডেলাভারীর পরে টাকা চায়।
এবার আমি ক্লায়েন্টকে প্রশ্ন করি যে ৫ টি বিষয় আপনি নিজে অন্য পেইজ থেকে পন্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে খেয়াল করেন এর মধ্যে আপনার পেইজে কয়টি বৈশিষ্ট্য আছে।
ক্লায়েন্টের উত্তরঃ সর্বোচ্চ ১-২ টি।
এবার আমার উত্তর তাহলে আপনি কিভাবে আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে ১০০-১৫০ পন্য সেলের প্রত্যাশা রাখতে পারেন।
এই ঘটনা গুলো প্রায় সব নতুন উদ্দোক্তার মধ্যে খুজে পাই। আপনাদের জন্য সাজেশন নতুন ব্যবসার ক্ষেত্রে আগে পরিচিতি বাড়ান। পরে সেল নিয়ে ভাবুন। যদি কিছু সেল এই সময়ে পেয়ে যান সেটা বোনাস।
এবার আলোচনায় আসি অনলাইন ব্যবসা নিয়ে আলোচনায়।
আমাদের দেশে দু ধরনের অলনাইন ব্যবসা প্রচলিত।
১. ফেইসবুক কেন্দ্রিক
২. পূর্নাঙ্গ অনলাইন
****ফেইসবুক কেন্দ্রিক***
ফেইসবুক কেন্দ্রিক ব্যবসাটি আমাদের দেশের অধিকাংশ অনলাইন ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে থাকে। এটি একটি অল্প পূজিতে ভালো ব্যবসার মাধ্যম। কিন্তু এখানে গুরুত্বপূর্ণ স্টেপগুলো ফলো না করলে ফেইল করার সম্ভাবনাই বেশি। চলুন কিভাবে শুরু করতে হবে।
১. পন্য নির্বাচণঃ এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। আমাদের দেশের অধিকাংশ অনলাইন ব্যবসায়ীরা দুই ধরনের পন্য নিয়ে কাজ করেন।
ক. পোশাক খ. বিউটি
যার ফলে মার্কেটে প্রচুর প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। আর এই প্রোডাক্ট গুলোর ক্ষেত্রে আমাদের দেশের মানুষজন দোকানে গিয়ে পন্য কিনতেই পচ্ছন্দ করেন। আর অনলাইনে তখনই কেনে যদি কিছু ইউনিক কিছু পেয়ে থাকেন। তাই পন্য নির্বাচণ গুরুত্বপূর্ণ। এমন পন্য নির্বাচণ করুন যার মার্কেটে চাহিদা বেশি, প্রতিযোগিতা কম।
২. ব্রান্ডিংঃ পন্য নির্বাচনের পর এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যা আপনার ব্যবসার ভবিষ্যৎ নির্বাচন করবে। তাই পেইজটি সুন্দর ভাবে সাজান।
একটি নিজস্ব লোগো অবশ্যই বানান। কোন কপি ডিজাইন নিবেন না, বা অনলাইন থেকে কারো লোগো নিবেন না। এটি অন্যায় এবং আপনার জন্য ক্ষতিকারক। আপনি এর জন্য কপিরাইট মামলায় জড়াতে পারেন। অপরদিকে অন্যের লোগো দিয়ে নিজের ব্যবসার পরিচয়। তাই এদিকে অবশ্যই গুরুত্ব দিন।
এরপর আপনার পেইজের জন্য একটি সুন্দর কাভার ফটো নির্বাচন করুন এবং এটি প্রত্যেকটি চলমান ইভেণ্টের উপর সুন্দর কাভার ফটো ডিজাইন করুন।
এরপর পেইজের about সেকশনটিকে সঠিক তথ্য দিয়ে তুলে ধরুন। যা আপনার ব্যবসার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ক্লায়েন্টের কাছে ফুটে ওটে এবং আপনার নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
এরপর ট্যাবগুলোকে পর্যায়ক্রমিকভাবে সাজান এবং সঠিক কল টু একশন বাটন যুক্ত করুন।
এবার পেইজে একটি সুন্দর শপ তৈরী করুন। যাতে করে আপনার ক্লায়েন্টরা পেইজে প্রবেশ করার পর আপনার পন্যগুলো দেখতে পারে। এটি ব্যবসার সেল বৃদ্ধি করে।
এছাড়া পেইজের রিভিঊ পেইজের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং অরগানিক রিচ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাই প্রত্যেক পন্য বিক্রয়ের পর ক্লায়েন্ট থেকে তার ফিডব্যাক নিন।
৩. কন্টেন্ট ম্যানেজম্যান্টঃ ফেইসবুক একটি সোস্যাল মিডিয়া। আর ফেইসবুক পেইজ থেকে ভালো কিছু পেতে অরগানিক রিচ পেতে গেলে কন্টেন্ট ম্যানেজম্যান্ট এর বিকল্প নেই।
আপনার পেইজে ব্যবসার প্রচারের জন্য ভালো মানের কন্টেন্ট তৈরী করুন। যেমনঃ
ক. ছবি
খ. ব্যানার
গ. ভিডিও
ঘ. লাইভ
ঙ. পোল
চ. কন্টেস্ট
ছ. অন্যান্য
প্রত্যেক কন্টেন্ট পাবলিশের ক্ষেত্রে অব্যশই ব্যবসার ব্র‍্যান্ডিং মাথায় রাখবেন। আর সর্বদাই ব্যবসার সাথে যায় এমন পোস্ট করা যাবে না। কারণ আপনার ক্লায়েন্ট প্রতিদিন আপনার থেকে পন্য কিনবেন না। পোস্টে ভ্যারিয়েশন নিয়ে আসবেন। যা আপনার পেইজে আপনার ক্লায়েন্টকে ধরে রাখে।
আর হ্যা শুধু কন্টেন্ট বানালেই হবে না। এগুলো সঠিক সময়মত পোস্ট করতে হবে। এমন সময়ে পোস্ট করবেন না, যখন আপনার ক্লায়েন্টরা আপনার পোস্টকে রিচ করবে না। প্রত্যেকদিন কমপক্ষে ১-৩ টি পোস্ট করুন। এবং পোস্টের সময় একই রাখুন।
৪. ম্যাসেজিং এবং কমেন্টঃ পন্য বিক্র‍য়ের ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্লায়েন্টেদের সাথে কমেন্টে এবং ম্যাসেজে সর্বদা ভালো আচরণ করুন যেন তারা আপনার ব্যবসা থেকে একটি ভালো অভিজ্ঞতা লাভ করেন। আর একটা বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন ক্লায়েন্টকে আপনার পন্য কেনার জন্য চাপ প্রয়োগ করবেন না।
৫. ব্যবসার প্রমোশনঃ ব্যবসার প্রমোশনের ফেইসবুক ব্যবসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর জন্য একটি সঠিক action plan তৈরী করতে হবে এবং এটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে। ফেইসবুক ব্যবসার ২ ভাবে প্রচার করা যায়। একটি পেইড একটি নন-পেইড।
নন-পেইড মার্কেটিং এর মধ্যে রয়েছে
ক. ফেইসবুক গ্রুপ
খ. ফেইসবুক ফ্রেন্ডলিস্ট
গ. ফেইসবুক ব্যক্তিগত টাইমলাইন
এছাড়াও আপনি সেল বৃদ্ধির জন্য লোকাল মাল্টি ভেন্ডর প্লাল্টফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।
ক. দারাজ খ. ইভ্যালি গ. পিকাবো ইত্যাদি
পেইড মার্কেটিং এর মধ্যে রয়েছে,
ক. ফেইসবুক এডস
খ. SMS মার্কেটিং
ফেইসবুক এডস ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবসার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, ক্রেতার অবস্থান এবং পন্যের ধরণ বুঝে বাজেট করুন। অবশ্যই ফেইসবুক বিজনেসের ক্ষেত্রে এই বাজেটটির কথা মাথায় রেখে ব্যবসায় আসবেন। অনথ্যায় মাঝ পথে থেমে যাবেন।
আরেকটি বিষয় মনে রাখবেন পেইজের লাইকারদের কথা সবসময় বিবেচনা করবেন। প্রত্যকটা এডসের জন্য বাজেটকে দুভাগে ভাগ করবেন। ১টি পেইজের লাইকারদের জন্য অপরটি নতুন কাস্টমারের জন্য। কারণ যে ইতিমধ্যে আপনার পেইজ লাইক করেছে সে আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ইতিমধ্যে জানে এবং আপনার সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে। তাই এখানে সেল হবার সম্ভাবনা বেশি। আর এই পদক্ষেপ আপনার পেজের সেল বৃদ্ধি না করলেও অরগানিক রিচ বৃদ্ধি করে দিবে।
পরবর্তীতে এডস নিয়ে একটি বিস্তারিত আর্টিকেল লিখবো সেখানে বিস্তারিত লিখবো।
৬. এনালাইসিস এবং ট্রাকিংঃ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আপনার ব্যবসার অবস্থান ধরে রাখবে এবং আপনার ভুল গুলো তুলে ধরবে।
উদাহরণসরুপ, আমি কোন এডস পরিচালনা করলে ক্লায়েন্টদের থেকে পাওয়া মেসেজগুলোকে নিয়ে একটি মাসিক পর্যালোচনা করি। এখানে কিছু বিষয় বিবেচনা করি।
ক. আমাকে কয়জন ব্যক্তি মেসেজ করেছে।
খ. আমার থেকে কয়জন কিনেছে।
গ. আমার থেকে কয়জন কেনেন নি।
ঘ. আমার থেকে কেন কেনেন নি।
ঙ. আমার সেল বৃদ্ধিতে নতুন কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।
এই ধরনের এনালাইসিস আপনাকে একটি পূর্নাঙ্গ ধারণা দিবে।
এছাড়াও আমি আমাকে মেসেজ করা প্রত্যেকটি ক্লায়েন্টের একটি লিস্ট করি যারা আমার থেকে পন্য ক্রয় করেছে এবং করেনি তাদের একটি লিস্ট করি এবং পুনরায় পন্যের সাথে ক্লায়েন্টের কানেকশন বিবেচনা করে মার্কেটিং করি।
উপরে উল্লেখিত এই বিবেচনা গুলো আপনার ফেইসবুক ব্যবসাকে সচল রাখবে এবং সাফল্যমন্ডিত করবে। তাই এটি চলমান রাখার চেষ্টা করবেন।
***পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যবসা***
পূর্নাঙ্গ অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। যা আপনাকে সঠিক ভাবে মেনে চলতে হবে। তবেই ব্যবসাকে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন।
চলুন পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যবসার ধাপগুলো আলোচনা করা যাক।
১. পণ্য নির্বাচণঃ এই ধাপটি ফেইসবুক বিজনেসের মতই। পন্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে একই ধাপ মেনে করুন।
২. ওয়েবসাইট/ এপসঃ আপনার ব্যবসার জন্য একটি সুন্দর ওয়েবসাইট তৈরী করুন। এখানে সুন্দরভাবে আপনার পন্য গুলোকে উপস্থাপন করুন। এটি অনেকটা অফলাইনের দোকানের মত। দোকান যেভাবে লাইটিং, ডেকোরেশন প্রভৃতি করে দোকনটিকে কাস্টমারের কাছে আকর্ষনীয় করে তোলে সেইভাবে আপনি অনলাইনের ব্যবসার জন্য একটি আকর্ষনীয় ওয়েবসাইট তৈরী করুন। ওয়েবসাইট তৈরীর সময় ওয়েবসাইটের স্পিডের দিকে খেয়াল রাখবেন যেন ৩-৫ সেকেন্ডের মধ্যে ওয়েবসাইটটি লোড হয়ে যায়। অনথ্যায় ক্লায়েন্ট বিরক্ত বোধ করবেন। আপনার থেকে পন্য ক্র‍য় না করেই চলে আসবেন।
এছাড়াও আপনার বাজেট ভালো মানের থাকলে ওয়েবসাইটের পাশাপাশি একটি মোবাইল এপস তৈরি করতে পারেন।
৩. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ আপনার ব্যবসার প্রসার এবং প্রচারের জন্য জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে আপনার ব্যবসার জন্য পেইজ তৈরি করুন। সেখানে আপনার পন্যের জন্য ওয়েবসাইটের অনুরূপ একটি সপ সোস্যাল মিডিয়া একাউন্ট গুলোতে তৈরী করুন।
যেসব সোস্যাল মিডিয়াতে একাউন্ট খুলবেন?
ক. গুগল মাই বিজনেজ
খ. ফেইসবুক
গ. ইন্সটাগ্রাম
ঘ. ইউটিউব
পরবর্তীতে সোস্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
৪. ট্রাকিং টুলস ইন্সটল ও ম্যানেজম্যান্টঃ আপনার ব্যবসার কাস্টমারদের গতিবিধি নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্রাকিং টুলস আপনার ওয়েবসাইটে ইন্সটল করুন। উল্লেখযোগ্য ট্রাকিং টুলস সমূহঃ
ক. গুগল ট্যাগ ম্যানেজার
খ. গুগল এনালাইটিক্স
গ. গুগল সার্চ কনসল
ঘ. ফেইসবুক পিক্সেল
এছাড়াও অনেক টুলস রয়েছে ব্যবসার উপর ভিত্তি করে আপনি আরো বিভিন্ন টুলস ব্যবহার করতে পারেন।
৫. এসইওঃ এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এসইও আপনার ওয়েবসাইটের অর্গানিক কার্জপদ্ধতি বৃদ্ধি করবে। এবং সার্চ ইঞ্জিন থেকে আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত ক্লায়েন্ট আপনার ব্যবসায় ডাইভার্ট করবে।
৬. Ads management: এটিও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। সঠিক Ads প্লাটফর্ম সঠিক ভাবে ব্যবহার করে আপনি সহজেই আপনার ব্যবসাকে সঠিক অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য Ads প্ল্যাটফর্ম সমূহ।
ক. Google ads
খ. Facebook Ads
গ. Instagram Ads
ঘ. YouTube Ads
এডস মিডিয়াগুলো ব্যয়বহুল, তবে অনলাইন ব্যবসার জন্য অনস্বীকার্য। তাই Ads মিডিয়া গুলো ব্যবহারের জন্য ব্যবসার পরিকল্পনার জন্য হাতে ভালো বাজেট রাখবেন। অন্যথায় মাঝ পথে থেমে যাবেন।
৭. ইমেইল মার্কেটিংঃ ই-মেইল মার্কেটিং অনলাইন ব্যবসার আরেকটি প্রয়োজনীয় মাধ্যম। আপনার ক্লায়েন্টদের মাসে অত্যন্ত একটি ই-মেইল পাঠান।
৮. SMS মার্কেটিংঃ SMS এর মাধ্যমে আপনার ক্লায়েন্টেদের আপনার ব্যবসার আপডেট গুলো জানান।
৯. Affiliate মার্কেটিংঃ Affiliate মার্কেটিং সেল বৃদ্ধি করার অন্যতম মাধ্যম। এটিকে চাইলে ব্যবহার করুন।
১০. এনালাইসিসঃ প্রত্যেক সপ্তাহে অথবা মাসভিত্তিক আপনার ব্যবসার অবস্থান নিয়ে আলোচনা করুন, সমস্যা গুলো খুজে বের করুন, সমাধানের উপায় খুজুন।

21/02/2021

আপনি কি বুস্টিং নিয়ে চিন্তিত ?

বুস্টিং করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ভুল পদ্ধতি অবলম্বন করছেন আর যে কারনে আপনার বুস্টে রিচ কম হওয়া থেকে শুরু করে সেল কম হচ্ছে।
শুধুমাত্র কার্ড থাকলেই আর বুস্টে ক্লিক করেই পোস্ট বা পেজ বুস্ট করে
আপনি ভালো ফলাফল পাবেন না।

আপনাকে অবশ্যই যথাযথ ভাবে বুস্ট করতে হবে, আর যথাযথভাবে বুস্ট করার ফলেই আপনি ফেসবুকের সেল এবং রিচ বাড়াতে সক্ষম হবেন।

বর্তমানে আপনাকে ফেসবুকে বুস্ট করে ভালো ফলাফল পেতে হলে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন কৌশল, নীতিমালা ফলো করতে হবে।

বর্তমানে কাঙ্ক্ষিত ফলাফলে পেতে চাইলে প্রতিনিয়ত আপনাকে প্রচার করতেই হবে।

আমাদের মাধ্যমে আপনি ফেসবুকে যে ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন -
Message AD
Video AD
Facebook AD
Instragram AD
Page Like AD
Website Traffic AD
Brand Awareness AD
Lead generation
Reach AD

আমাদের মাধ্যমে প্রতিটি বিজ্ঞাপন প্রদান করলে আমরা analysis & strategy তৈরী করে Properly AD campaign setup / boost করে থাকি .
আমরা প্রতিটি পেজের কাঙ্ক্ষিত ক্লায়েন্ট রিসার্চ করে সে অনুসারে বিজ্ঞাপন প্রদান করে থাকি।

এছাড়া AD চলাকালীন সময়ে আমরা সর্বদা এড মনিটরিং করে থাকি।
যেকোন ধরনের অনলাইন ব্যবসায়ের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

যোগাযোগের সময়ঃ- দিনে ২৪ ঘণ্টা সপ্তাহে ৭ দিন

08/11/2016

ফেসবুকে অ্যাড দেয়ার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় :

ফেসবুক হচ্ছে অনলাইনে ব্যবসায় প্রচার করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। বাংলাদেশের প্রায় ২+ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। বর্তমান এ নতুন কোন পণ্য বা তথ্য পৌঁছে দেয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ফেসবুক। খুব দ্রুত এবং খুব সহজেই ফেসবুকে প্রচারণা সম্ভব ।

যেকোন ছোট বা বড় ব্যবসায় তাদের প্রচারের জন্য এখন ফেসবুককে বড় একটি প্লাটফর্ম হিসেবে বেছে নিচ্ছে। ফেসবুক ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে অল্প খরচে ব্যবসায় সম্পর্কিত যেকোন তথ্য টার্গেটেড কাস্টমারদের কাছে পৌছে দেয়া যায়। যেমন আপনি যদি চান কোন নির্দিষ্ট এলাকার নির্দিষ্ট বয়সের মানুষের কাছে আপনার অ্যাড পৌছে দিতে তা দেয়া সম্ভব। শুধু তাই নয়, টার্গেট টা আরো নিখুঁত সম্ভব , যেমন – আপনি এমন কাউকে টার্গেট করতে চাচ্ছেন যিনি iPhone user (বুজতেই পারছেন টার্গেট অনেক নিখুঁত করা সম্ভব)। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখলে একটি লাভজনক অ্যাড ক্যাম্পেইন করা সম্ভব। তবে অ্যাড থেকে ভালো রেজাল্ট পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে প্রোফেশনাল অ্যাড তৈরি করতে হবে।

কিভাবে একটি কার্যকরী লাভজনক ফেসবুক অ্যাড তৈরি করতে হয় তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এখন কথা বলবোঃ

১। উদ্দেশ্যকে জানাঃ

আপনি যখনি ফেসবুকে কোন একটি অ্যাড দিতে যাবেন আপনাকে অবশ্যই অ্যাড ক্যাম্পেইন এর নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নির্ধারন করতে হবে। উদ্দেশ্য বলতে বোঝানো হয়, আপনি কি কারণে ফেসবুকে অ্যাড দিতে চাচ্ছেন, সেই বিষয়ে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে । যেমন – আপনি কি আপনার ফেসবুক ব্যবসায়িক পেজ এর জন্য অ্যাড দিতে চান নাকি আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য অ্যাড দিতে চান, আপনি শুধু ব্রান্ড পরচিতির জন্য অ্যাড দিতে চান নাকি লাইক বৃদ্ধির জন্য অ্যাড দিতে চান ইত্যাদি।

২। আপনার মার্কেটকে জানুনঃ

আপনি যদি আপনার মার্কেটকে খুব ভালো ভাবে জানতে পারেন তাহলে আপনি একটি ভালো অ্যাড ক্যাম্পেইন তৈরি করতে পারবেন। ভালো এবং লাভজনক ক্যাম্পেইন তৈরি করতে আপনাকে অবশ্যই কিছু বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা থাকতে হবে। যেমনঃ

>> কাস্টমারদের বয়স।
>> কাস্টমার ছেলে না মেয়ে?
>> তারা কোথায় বসবাস করে?
>> তারা কি সিঙ্গেল নাকি কোন সম্পর্কে আবদ্ধ?
>> তাদের পছন্দ-অপছন্দ।
>> তারা কিভাবে ফেসবুক ব্যবহার করে থাকে?
>> তারা কিভাবে আপনার পণ্যকে গ্রহণ করতে পছন্দ করতে পারে ইত্যাদি ।

এই বিষয়গুলি সম্পর্কে আপনি যত ভালো জানতে পারবেন আপনার অ্যাড ক্যাম্পেইন তত ভালো হবে এবং লাভজনক হওয়ার সম্ভবনা বৃদ্ধি পাবে। এই তথ্যগুলো না জেনে অনেকে অ্যাড ক্যাম্পেইন তৈরি করে এবং সেই অ্যাড ক্যাম্পেইন থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পায় না।

৩। শিরোনাম বা হেডলাইনঃ

একটি ভালো ক্যাম্পেইনের অবশ্যই আকর্ষনীয় শিরোনাম বা হেডলাইন থাকতে হবে। এই শিরোনাম একজন কাস্টমারকে আপনার অ্যাড এর দিকে মনোযোগী হতে অনেক সাহায্য করে। তাই সবসময় শিরোনামটি এমন হওয়া উচিত যেন কোন একটি বিশেষ বিষয় সম্পর্কে একটা ধারনা পাওয়া যায়।তবে ২৫ অক্ষর এর বেশি শিরোনাম লেখা যাবে না। হেডলাইন লেখার ক্ষেত্রে যে বিষয় গুলো সম্পর্কে লিখতে পারেন তা হলঃ

>> আপনার মার্কেট যা চায়।
>> কিভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়।
>> কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন।
>> বিশেষ আকর্ষনীয় কিছু শব্দ যেমনঃ ফ্রী, প্রমানিত, শর্টকাট, গোপন, শব্দগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
>> একটি নাম্বার যুক্ত করে দিতে পারেন। যেমন – সুস্থ্য থাকার ১০টি পদ্ধতি ইত্যাদি।

৪। কন্টেন্টঃ

কন্টেন্ট একটি অ্যাড এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই আপনাকে কন্টেন্ট লেখার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। সবাই প্রথম অ্যাড দেখার পড়ে সেই অ্যাড এর কন্টেন্ট পড়ে। কারণ কন্টেন্ট পড়েই জানা যায় অ্যাডটি কি সম্পর্কে দেয়া হয়েছে। কন্টেন্টটি অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হতে হবে। কন্টেন্টে লেখার ক্ষেত্রে যে বিষয় গুলোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে তা হচ্ছে –

>> আপনি কি অফার করছেন?
>> আপনার পণ্য বা সেবার সাথে কি আপনার অ্যাড মিল রয়েছে কি না?
>> কাস্টমার কেন ক্লিক করবে?
>> ক্লিক করতে আগ্রহ তৈরি করে এমন call-to-action দেয়া হয়েছে কি না?

৫। ছবিঃ

একটি ফেসবুক অ্যাড এর সফলতা অনেকটাই ছবির উপর নির্ভর করে। যদি আপনার অ্যাড এর ছবিটি আকর্ষনীয়, সহজে চোখে পড়ে এবং যারা অ্যাড দেখে তাদের কে ক্লিক করতে প্রলোভিত করে তাহলে আপনি ক্লিক বেশি পাবেন যা আপনার পণ্য বিক্রয়ে অনেক সাহায্য করবে।

অ্যাড এর জন্য একটি ছবি নির্বাচন করতে যা যা বিবেচনা করতে হয় তা হল –

>> এটা কি মনোযোগ আকর্ষন করবে?
>> ছবিটি তথ্য বহুল কিনা?
>> এটা কি সত্যি আপনার অফারকে তুলে ধরছে কি না?
>> কোন বিশেষ মূল্য থাকলে তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে কি না ডিজাইন এর মধ্যে ?

মনে রাখবেন, ছবির মধ্যে ২০% এর বেশি লেখা থাকলে আপনি ভালো রেসপন্স পাবেন না ।

ফেসবুক অ্যাড হচ্ছে একটি বিনিয়োগ। সুতরাং আপনাকে বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই কোথায় করছেন, কিভাবে করছেন তা সম্পর্কে সব ধারনা থাকতে হবে। তাহলে আপনি আপনার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাবেন। তাই এই বিষয় গুলো বিবেচনায় রেখে ফেসবুক অ্যাড তৈরি করতে হবে। তাহলেই সেই অ্যাড অনেক কার্যকরী হবে এবং আপনার জন্য লাভজনক হবে।

=================================================
বিঃদ্রঃ বিজ্ঞাপনটি কত লোকজনের কাছে যাবে অথবা পেজ-এ কতটি লাইক পড়বে এটা মুলত নির্ভর করে পণ্যের ধরণ, বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ছবি ও নির্ধারিত দর্শকবৃন্দের উপর। উপরের হিসেবটি অনুমান নির্ভর করে দেয়া।
=================================================
আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের ফোন করুন অথবা আমাদের মেসেজ করুন।
01617028443 / 01717026041

05/11/2016

আপনি কি ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে চান?
আপনাদের বিজ্ঞাপনের কাজকে আরও সহজ করতেই আমাদের এই প্যাকেজসমূহ।

(১) ৫০০ টাকায় ১ থেকে ৫ দিনের মেয়াদে বিজ্ঞাপন। (আনুমানিক ১০,০০০ থেকে ২৫,০০০ লোকজনের কাছে যাবে অথবা ৫০০ থেকে ২,০০০ পেজ-এ লাইক আসবে।)

(২) ১,০০০ টাকায় ১ থেকে ৫ দিন মেয়াদে বিজ্ঞাপন। (আনুমানিক ২০,০০০ থেকে ৫০,০০০ লোকজনের কাছে যাবে অথবা ১,০০০ থেকে ৪,০০০ পেজ-এ লাইক আসবে।)

(৩) ২,০০০ টাকায় ১ থেকে ১০ দিন মেয়াদে বিজ্ঞাপন। (আনুমানিক ৪০,০০০ থেকে ১২০,০০০ লোকজনের কাছে যাবে অথবা ২,০০০ থেকে ৮,০০০ পেজ-এ লাইক আসবে।)

(৪) ৫০০০ টাকায় ১ থেকে ১০ দিন মেয়াদে বিজ্ঞাপন। (আনুমানিক ১০০,০০০ থেকে ২৫০,০০০ লোকজনের কাছে যাবে অথবা ৫,০০০ থেকে ২০,০০০ পেজ-এ লাইক আসবে।)

(৫) ১০,০০০ টাকায় ১ থেকে ১০ দিন মেয়াদে বিজ্ঞাপন। (আনুমানিক ২০০,০০০ থেকে ৫০০,০০০ লোকজনের কাছে যাবে অথবা ১০,০০০ থেকে ৪০,০০০ পেজ-এ লাইক আসবে।)

=================================================
বিঃদ্রঃ বিজ্ঞাপনটি কত লোকজনের কাছে যাবে অথবা পেজ-এ কতটি লাইক পড়বে এটা মুলত নির্ভর করে পণ্যের ধরণ, বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত ছবি ও নির্ধারিত দর্শকবৃন্দের উপর। উপরের হিসেবটি অনুমান নির্ভর করে দেয়া।
=================================================
আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের ফোন করুন অথবা আমাদের মেসেজ করুন।
01617028443 / 01717026041

31/10/2016

দেশে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক এখন ব্যবসায়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। গড়ে উঠেছে রমরমা সব ব্যবসা। অনেকেই করছেন বিকল্প উপায়ের এই ই-কমার্স।

এতে কর্মসংস্থান হচ্ছে বহু মানুষের। স্বল্প পুঁজিতেই অনেকে এই ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বেকারত্বকে দূর করেছেন।
ফেসবুকের কারণে বা ফেসবুকে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন উদ্যোক্তা। শাড়ি, সালোয়ার, কামিজ, পাঞ্জাবি, জুয়েলারি, ম্যাট, কার্পেটসহ সৌখিন সব অাইটেম কেনা যাচ্ছে ফেসবুক থেকে।

ফেসবুকভিত্তিক বেশ কিছু অনলাইন শপ তৈরি হয়েছে দেশে। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ফেসবুকে এমন হাজারও শপ তৈরি হয়েছে। ঘরে বসেই এই শপের উদ্যোক্তারা ব্যবসা করেন। ঝক্কি ঝামেলা এড়াতে তাই অনেকে ফেসবুক শপের আশ্রয় নিচ্ছেন।
ফেসবুক শপের ব্যবসার শুরুটা হয় ভিন্ন আঙ্গিকে, ছোট পরিসরে। মূলত উদ্যোক্তার ফেসবুকের বন্ধুরাই তার পণ্যের ক্রেতা। প্রথমে উদ্যোক্তা তার ফেসবুক বন্ধুদের মধ্যে পণ্যের প্রচার করেন। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে এক ধরনের আস্থা তৈরি হয়। তাই অগ্রিম মূল্য পরিশোধে অপেক্ষাকৃত ঝুঁকি কম থাকে।

ফেসবুকে গিয়ে দেখা গেছে বাংলাদেশি গিফট শপ, বাংলাদেশি গহনা, সুহানি’স কালেকশন, জেএস ক্রিয়েশন, রেজোয়ান অনলাইন শপিং, এওয়াইএস, মুনসন অনলাইন শপিং -এমন অসংখ্য অনলাইন ফেসবুক শপ রয়েছে। ফেসবুক শপে পাঞ্জাবি, শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, জুয়েলারিসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যই পাওয়া যায়। এসব ফেসবুক শপের উদ্যোক্তাদের কোনও প্রতিষ্ঠান নেই। ফলে এ সংক্রান্ত কোনও খরচও উদ্যোক্তাদের করতে হয় না। এ কারণে উদ্যোক্তারা দ্রুত ব্যবসা বড় করতে পারেন।
ফেসবুক নবীন উদ্যোক্তা তৈরিতে বিরাট ভূমিকা পালন করছে। নারীর পোশাক নিয়ে বিশাল এক মার্কেট গড়ে উঠেছে ফেসবুকে। ফেসবুক নির্ভর অনেক বুটিক শপ তৈরি হয়েছে। এসবই অামাদের মতো উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

স্বল্প খরচে, স্বল্প অায়োজনে এবং কম পরিশ্রমে ফেসবুকে ব্যবসা গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি বলেন, কোন ধরনের ব্যবসা করতে চান সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করে ফেসবুকে একটি ফ্যানপেজ খুলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা অর্থাৎ পণ্যের ছবি, দরদাম, মূল্য পরিশোধের পদ্ধতি, ডেলিভারির দিনক্ষণ ইত্যাদি উল্লেখ করে দিতে হবে।

দাম পরিশোধের বিষয়টিই যা একটু জটিল হয়ে থাকে। অনেকে ক্যাশ অন ডেলিভারি বা হাতে হাতে মূল্য পরিশোধ, বিকাশ, ব্যাংকে জমা, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করে থাকেন। দেশের বাইরে যারা পণ্য বিক্রি করেন তা অনলাইন পেমেন্ট প্রসসের পে-পল, মানিবুকার্স ও অ্যালার্টপের মাধ্যমে পেমেন্ট নিয়ে থাকেন। মোটামুটিভাবে এসব এবং ইন্টারনেটটা ভালো জানলে ফেসবুকেই এই অন্যরকম ই-কমার্স করে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করা সম্ভব।

ফেসবুক শপে পাওয়া যায় জুয়েলারি অাইটেম। দিন দিন তার ব্যবসা বাড়ছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, কর্মচারী না থাকা এবং অানুষাঙ্গিক খরচ না থাকায় মুনাফা করা খুব সহজ বলে তিনি জানান।

অনেকেই সতর্ক করলেন, ফেসবুকে ভুয়া অনলাইন শপের উপস্থিতি সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ব্যাপক হারে। এরাই প্রকৃত উদ্যোক্তাদের ইমেজ নষ্ট করছে। এদের থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

31/10/2016

বাংলাদেশে অনলাইনে বিক্রি এখন বেশ লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। নতুন পুরাতন অনেক ব্যবসায়ীই এখন অনলাইনে বিক্রিকেই তাদের ব্যবসার পথ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। তাদের সামনে খোলা আছে অনেক পথ। কোনটি বেছে নিবেন সেটা নির্ভর করে তাদের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য, ব্যবসার প্রকৃতি, ব্যবসার আকার এই রকম অনেক কিছুর উপরে। আসুন দেখে নেই অনলাইনে বিক্রি করার সেরা উপায় এবং তার সুবিধা কি হতে পারে।

উপায়ঃ ফেসবুক পেজ
আমাদের দেশে অনলাইনে বেচাকেনার সবচেয়ে সহজ এবং সম্ভবত জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন বিজনেস পেজ। এখানে যে কেউ কোন ধরণের টাকাপয়সা খরচ না করে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বিজনেস পেজ খুলে পণ্য বিক্রয় শুরু করে দিতে পারেন।

সুবিধা
আমাদের দেশে অনেকের কাছে এখনো ইন্টারনেট মানেই ফেসবুক। আমরা সবাই প্রতিদিন কিছু না কিছু সময় ফেসবুকে ব্যয় করি। অধিক সংখ্যক ফেসবুক ব্যবহারকারীর কারনে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে পণ্য বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌছায়।

ফেসবুক পেজ চালাতে কোন কারিগরী জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না।
ফেসবুক স্ট্যাটাস আপডেট এবং ফটো আপলোড করতে পারে এমন যে কেউ বিজনেস পেজ খুলে পণ্য বিক্রয় শুরু করতে পারেন।
ফেসবুকে মানুষ লাইক বা কমেন্ট দিতে পছন্দ করে। এ কারনে নিজের বিজনেস পেজে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কে engage করা বা interaction বাড়ানোর ক্ষেত্রে ফেসবুক অন্য যে কোন মাধ্যম থেকে বহুগুণে এগিয়ে।
ফেসবুকে ক্রেতা পণ্য ক্রয়ের জন্য কমেন্ট বা ইনবক্স মেসেজ করে থাকেন। ক্রেতার জন্য পণ্য অর্ডার করা প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ, একই ভাবে বিক্রেতার জন্য অর্ডার প্রসেস করার কাজটিও সহজ।
টাকা খরচ করে ফেসবুক পোস্ট বুস্ট করে অনায়েশেই সম্ভাবনাময় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা যায়।

31/10/2016

ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের জন্য আপনাদের কিছু প্রশ্ন এবং আমাদের উত্তর :

প্রশ্ন -১ : ফেসবুকে আমরা কেন বিজ্ঞাপন দিব?
উত্তর : সহজে ও কম খরচে আপনার ব্যাবসার পরিচিতি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে ফেইসবুক এ্যাডভার্টাইজিং এর জুড়ি নেই। অন্য বিজ্ঞাপন মাধ্যমগুলোর চাইতে ফেসবুক অনেক সুবিধাজনক এ্যাডভার্টাইজিং প্ল্যাটফর্ম। কারন এখানে নিজের প্রয়োজন মতো বাজেট এবং টার্গেট অডিয়েন্স (বয়স, স্থান, ছেলে/মেয়ে ইত্যাদী) বলে দেয়া যায়। এই সেবা ব্যবহার করে আপনি অতি সহজে ক্ষুদ্র বা মাধ্যম ব্যবসা, যে কোন পন্যের প্রচার বা ব্যাক্তিগত প্রচারে আপনার ফেসবুক পেজ, পেজের পোস্ট, ছবি, ভিডিও, কিংবা ওয়েবসাইটকে পৌছে দিতে পারেন বাংলাদেশের কোটি কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারী সহ সমগ্র পৃথিবীর ফেসবুক ইউজারদের কাছে।

ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের সুবিধা:
☑ টার্গেট কাস্টমারকে বিজ্ঞাপন দেখানোর সুবিধা
☑ লোকেশন অনুসারে বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুবিধা
☑ বয়স,লিঙ্গ,ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে বিজ্ঞাপন দেখানোর সুবিধা
☑ অল্প সময়ে অধিক মানুষের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন পোঁছানো
☑ কারা আপনার বিজ্ঞাপন দেখলো,কতজন আপনার বিজ্ঞাপন দেখলো তা সরাসরি দেখার সুবিধা
☑ বিজ্ঞাপন শেষে আপনার বিজ্ঞাপনের রিপোর্ট দেখুন।
এখন সিদ্ধান্ত আপনার !

প্রশ্ন -২ : আপনাদের কাছে বিজ্ঞাপন দিতে কত টাকা খরচ হবে সর্বনিম্ন?
উত্তর : আমাদের কাছে সর্বনিম্ন ২৫০০/- টাকা দিয়ে এ্যাড দিতে পারবেন, পরে প্রয়োজন মনে করলে বাড়াতে পারবেন।

প্রশ্ন -৩ : এই টাকায় কতবার বিজ্ঞাপন দেখাবে ফেসবুক?
উত্তর : এটা ফেসবুকের নিজস্ব নিয়মে নির্ধারিত হয় তবে সাধারণত এই টাকায় বিজ্ঞাপনটি কয়েক লক্ষবার দেখাবে ফেসবুক।

প্রশ্ন -৪: এই বিজ্ঞাপন কতদিন চলবে/দেখাবে?
উত্তর : আপনার বাজেট যত হবে তার উপর নির্ভর করবে, আপনার বিজ্ঞাপন কত দিন ধরে চলবে; তবে ২৫০০/- টাকায় ১-৫ দিনের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন। আর আপনার বাজেট যত হবে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিজ্ঞাপন চলবে, আপনার টাকা শেষ হওয়ার সাথে সাথে বিজ্ঞাপন স্থগিত হবে।

প্রশ্ন -৫ : বিজ্ঞাপনের টাকা কিভাবে খরচ হয়?
উত্তর : কেউ আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক অথবা লাইক করলে টাকা খরচ হয়।

প্রশ্ন -৬: আমি বুঝব কিভাবে বিজ্ঞাপন কেমন চলছে বা কত টাকা খরচ হল?
উত্তর : আপনি ফেসবুকের ডান দিকে লক্ষ্য করলেই বিজ্ঞাপন দেখতে পারবেন, কি পরিমান লোক বিজ্ঞাপন দেখলো তা আমরা আপনাকে রির্পোট পাঠাবো।

প্রশ্ন -৭: আমি বিজ্ঞাপন দিতে চাই এখন কি করতে হবে?
উত্তর : আপনার একটি ফেসবুক পেইজ অথবা ওয়েব সাইট থাকতে হবে আর যদি না থাকে আমরা করে দিতে পারব এবং আপনার বাজেটের টাকা আমাদেরকে বিজ্ঞাপনের পূর্বে জমা দিতে হবে, সরাসরি অথবা বিকাশ এর মাধ্যমে।

প্রশ্ন -৮ : আপনাদের কোন মোবাইল নম্বর?
উত্তর : 01817028443 / 01617028443

bkash - Personal 01817028443

17/10/2016

➡➡ মাত্র ১০০ টাকায় শুরু হোক আপনার বিজ্ঞাপন,,,,,

☑ আপনি কি কোন ধরণের ঝামেলা ছাড়াই ফেসবুকে আপনার প্রোডাক্ট, পত্রিকা, ইকমার্স, শপ, বিশ্ববিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এজেন্সি - এর অ্যাড দিতে চান ?

★আপনার ফেসবুক Post Boost করতে চান?
★অ্যাড দিয়ে আপনার পেজ এর Like বাড়াতে চান?
★আপনার Event Boost করতে চান?
★আপনার ওয়েবসাইট এ ভিজিটর বাড়াতে চান?

প্রচারেই প্রসার, তাই আমরা আপনার পন্যের প্রচারের দায়িত্ব নিচ্ছি।

অ্যাড দেওয়ার নিয়মাবলী :
১। প্রথমে আপনাকে এই ইমেইলটিকে : আপনার পেইজের Advertiser বানিয়ে দিতে হবে। যেভাবে আমরা কাউকে পেইজের Admin অথবা Editor বানাই ঠিক সেই প্রসেসটা ফলো করে পেইজের Advertiser যে কাউকে বানাতে পারবেন। জাস্ট অপশনে "Advertiser" হিসেবে সিলেক্ট করে দিবেন।
২। এরপর অ্যাডের নির্ধারিত সার্ভিস চার্য বিকাশ ফি সহ এই নাম্বারে : 01817028443 পাঠানোর পর আমরা অ্যাড চালু করে দিবো।
৩। টাকা পাঠানোর ২৪-৪৮ ঘন্ঠার মধ্যেই অ্যাড চালু হবে।

=================================================
➡➡ আমাদের সেবাসমূহ :
-- টার্গেটেড অডিয়েন্স খুজে বের করা
-- ব্যবসার জন্য কাস্টম ফেসবুক পেজ খোলা
-- ফেসবুক বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইন রান করা
-- ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মনিটরিং ও ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস
-- কম টাকায় অধিক কাস্টমারের কাছে পৌছানোর দায়িত্ব আমাদের

=================================================
➡➡ আপনি কেন ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিবেন ?

★প্রচারের সবচেয়ে বড় মাধ্যম (বাংলাদেশে ইউজার ২ কোটির ও বেশি)
★এলাকা ভিত্তিক বিজ্ঞাপন প্রচারের সুবিধা
★বয়স নির্ধারনের সুবিধা
★নারী/পুরুষ নির্ধারন করে দেওয়া যায়
★প্রতিষ্ঠান টার্গেট অনুসারে ক্লাইন্ট বাছাই করার সুবিধা
★তুলনামূলক অন্যান্য মাধ্যমের চেয়ে খরচ কম

আমরা আলোচনা সাপেক্ষে বিভিন্ন এড রান করে থাকি
মাত্র ১০০ টাকায় আপনার প্রমোশন শুরু করুন খুব সহজে, কম খরচে

=================================================
➡➡ আমাদের বর্তমান প্যাকেজ সমূহ :

প্যাকেজ 1 : ৫ ডলার অ্যাড (সার্ভিস চার্জ সহ ডলার ১০০ টাকা করে)= ৫০০ টাকা
প্যাকেজ 2 : ৫০ ডলার অ্যাড (সার্ভিস চার্জ সহ ডলার ৯৮ টাকা করে) = ৪,৯০০ টাকা
প্যাকেজ 3 : ১৫০ ডলার অ্যাড (সার্ভিস চার্জ সহ ডলার ৯৬ টাকা করে) = ১৪,৪০০ টাকা
প্যাকেজ 4 : ৩০০ ডলার অ্যাড (সার্ভিস চার্জ সহ ডলার ৯৪ টাকা করে)=৩৮,২০০ টাকা
কর্পোরেট প্যাকেজ 5 : ৩০০ ডলার এর উপরে অ্যাড = Call for Price

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সার্ভিস চার্জ এর সাথে বিকাশ চার্জ অন্তৰ্ভূক্ত নয়।

=================================================

সেরা মাধ্যম ফেসবুকে আপনার এবং আপনার পণ্যের প্রচারণার জন্য আজই বিজ্ঞাপন দিন। “ব্যবসা আপনার, প্রসারের দায়িত্ব আমাদের” ।

➡➡ বিস্তারিত জানতে কল করুন :-
For Inquiry / booking
+ Call ☏ : +8801817028443 // ☏ +8801617028443
+ E-mail ✉ : [email protected]

Address

New Market, Chittagong
Chittagong
4000

Telephone

01817028443

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Advertising Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share