03/04/2020
কিছু মাস আগে একটা অদ্ভুদ সমস্যার মধ্যে পড়লাম। আমার এক পরিচচিত বড় ভাই একজন ওয়ার্ডপ্রেস এক্সপার্ট। আমার থেকে তিনি অন্তত এই আইটি সেক্টরে সিনিয়র।
আমার থেকে ১ বছর আগে তিনি ওয়ার্ডপ্রেসের উপর কাজ করা শুরু করেছিলেন এবং শুনেছিলাম তিনি ফাইভারে খুব ভালোও করেছেন।
নিজের টাকা দিয়ে বাইক কিনে সেটার ছবিও ফেসবুকে আপলোড করেছেন। আমার তখন অবশ্য খুব একটা খারাপ লাগত না। দেখে অনুপ্রেরনা নিতাম।
উনি পারলে আমি কেন পারব না!
এরকম একটা ব্যাপার কাজ করত আমার মধ্যে। যাই হোক, তো সেই বড় ভাই কিছুদিন আগে একটা অদ্ভুদ সমস্যা নিয়ে আমাকে নক করলেন।
তার সমস্যা হচ্ছে তিনি আগে ফাইভারে খুব ভালো সেল পেতেন কিন্তু বর্তমানে ফাইভারে নাকি তিনি খুব একটা সেল পাচ্ছেন।
যেহেতু আমি এসইও নিয়ে কাজ করছি (উনি অবশ্য এই জিনিসটা বুঝেন না। উনি ভাবেন আমি বোধহয় ডিজিটাল মার্কেটিং করি। আমি যে করি না তা নয়। তবে নিজেকে একজন ডিজিটাল মার্কেটার এখন বলাটা মনে হয় আমার পক্ষে ঠিক হবে না) তাই উনার কথা হচ্ছে উনার প্রোফাইলকে বা উনার গিগগুলোর মার্কেটিং করে দিতে হবে।
এ ধরনের কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার খুব একটা নেই। তার কারন আমি নিজে ফাইভারে খুব একটা কাজ করি নি বা এই ধরনের মার্কেটপ্লেসে কাজ করাটা আমার নিজের কাছে ব্যক্তিগতভাবে খুব একটা ভালো লাগে না।
যাই হোক, চিন্তা করলাম সারা জীবন তো ওয়েবসাইট এর জন্য ট্রাফিক আনলাম, এবার এই গিগের জন্য কিছুটা কাজ করতে হবে।
ইউটিউব আর গুগল ঘাটাঘাটি করে যতটুকু বুঝলাম এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ছাড়া খুব একটা উপায় নেই।
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর যে মেথডগুলো সেখানে দেখানো হয়েছে এগুলো আসলে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর তেমন কোনো ইফেক্টিভ মেথড বলে আমার নিজের কাছে মনে হলো না।
তার গিগগুলোর মার্কেটিং করার জন্য ২টা কাজ করব।
১। এসইও
২। ফেসবুক মার্কেটিং
কিন্তু সমস্যায় যেটা পড়লাম সেটা হলো ফাইভার সাধারনত আমাকে খুব একটা এসইও ফ্রেন্ডলীভাবে কাজ করতে দিবে না।
আর তাছাড়া বড়ভাই তার একাউন্টের পাসওয়ার্ডও অবশ্যই আমাকে দিবে না যে তার প্রোফাইলের ভিতরে ঢুকে একটু দেখব কিছু করা যায় কি না।
তারমানে যা করার আমাকে করতে তার গিগগুলিকে এডিট না করে।
তেমন কোনো কিছুই মাথায় আসছিল না।
হঠাৎ একটা আইডিয়া কাজ করল।
বড়ভাইয়ের একটা পোর্টফোলিও সাইট ছিল। যেহেতু উনি ওয়ার্ডপ্রেস ডেভলোপিং এর কাজ করেন তাই একটা পোর্টফোলিও সাইট উনার থাকাটা অবশ্যই দরকার ছিল তখন।
বড়ভাইয়ের কাছে জিজ্ঞেস করলাম, উনার এই সাইটটা উনি সাধারনত কি কাজে ব্যবহার করেন?
বললেন যে তেমন কিছু নয়। জাস্ট একটা পোর্টফোলিও সাইট হিসেবে ব্যবহার করছেন আপাতত। ক্লায়েন্ট দেখতে চাইলে এটি মাধ্যমে তিনি তার কাজগুলিকে প্রদর্শন করেন।
তার কাছ থেকে সাইটের একটা এডমিন এক্সেস নিলাম। সুন্দরভাবে সাইটটা গুগল সার্চ কনসোল এবং গুগল অ্যানালিটিক্সে ভেরিফাই করালাম।
সুন্দর মতো একটা এসইও অডিট করলাম।
দেখলাম সাইটের অবস্থা পুরাই ঝালা ফালা। মারাত্নক খারাপ অবস্থা।
এসইও ফ্রেন্ডলী লিংক তো খুজেঁই পেলাম না। হেডিং ট্যাগগুলো ঠিকভাবে করে দেওয়া নাই। মেটা ডিসক্রিপশনের কথা তো বাদই দিলাম।
একদম নাজেহাল অবস্থা।
ভাবলাম কিছু করতে হলে এটা দিয়েই করতে হবে। বহু কষ্ট করে অনেক চেষ্টা তদবির করে আস্তে আস্তে সব সমস্যা ঠিক করলাম।
মোটামুটি একটা এসইও ফ্রেন্ডলী সাইট দাঁড় করালাম।
সাইটের ডিজাইনেও কিছুটা পরিবর্তন করলাম। মোদ্দা কথা সাইটের সকল লিড মোটামুটি ফাইভারে তার প্রোফাইলের দিকেই ছুটে। 😅
যাই হোক, সাইট তো বানানো হল। এবার এটিকে মার্কেটিং করার পালা। কিন্তু সমস্যায় পড়লাম অন্য জায়গায়।
ওয়ার্ডপ্রেস মোটামুটি একটি খুবই হাই কম্পিটিটিভ নিশ। তাই সেখানে কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে গিয়ে বুঝলাম যে এতো সহজে এসইও করে রাংক করা যাবে না।
কি আর করার! সময় লাগবে।
কিন্তু কাজ ফেলে রাখলাম না। কাজ চালিয়ে গেলাম।
কয়েকটি মোটামুটি লো কম্পিটিটিভ কীওর্য়াড বের করলাম। তারপর ওই সব কীওয়ার্ড প্রমিনেন্স অনুযায়ী সাইটে প্লেস করলাম।
একটা ”ব্লগ” সেকশন রাখলাম। কিছু ইনফরমেটিভ আর্টিকেল দিলাম ব্লগ সেকশনে।
প্রধান লক্ষ্য: ওয়েবসাইটটিকে এসইও করে গুগলের ১ম পেজে রাংক করানো।
কিন্তু এই কাজটা করতে কিছুটা সময় লাগবে। তাছাড়া এতো সহজে এটি হবেও না। অন্যদিকে বড়ভাইয়েরও সেল দরকার।
গুগলে অ্যাডস দিতে খুব একটা ইচ্ছা করল না। এমনিতেই নিশটা মোটামুুটি ভালোই কম্পিটিটিভ তার উপরে কীওয়ার্ড এর সিপিসি কিছুটা বেশি।
তাই চিন্তা করলাম ফেসবুকে কিছু অ্যাড দেওয়া যায় নাকি!
যেই ভাবা সেই কাজ। কথা মতো ফেসবুকে সুন্দর মতো একটা এড সেটাপ করলাম।
ভাববেন না যে ফেসবুক ট্রাফিককে সরাসরি আমি ফাইভারে পাঠিয়ে দিয়েছি।
ওয়েবসাইটে আগে থেকেই ফেসবুক পিক্সেল সেটাপ করে রেখেছি যাতে পরে রিটার্গেটিং করতে পারি।
বারবার তো আর ভাই এতো টাকা দিয়ে ফেসবুকে অ্যাড দেওয়া সম্ভব না।
খুব সুন্দর একটা ব্যানারে কিছু এড কপি বসিয়ে Spilt Test করলাম।
সুন্দরভাবে এডটা রানও হলো।
মোটামুটি বাজেট অনুসারে বেশ ভালোই ট্রাফিক পেলাম।
পরবর্তীতে আবার রিটার্গেটিং এর মাধ্যমে যারা প্রথমবার সাইটে এসেছিল এবং যাদের সেশন টাইম কিছুটা বেশি ছিল কিন্তু ফাইভারে যায় নি তাদেরকে আবার রিটার্গেটিং এর মাধ্যমে এড ক্যাম্পেইন রান করেছিলাম।
মোটামুটি বেশ ভালোই ট্রাফিক পাচ্ছিলাম সেখান থেকে।
এদিকে ওয়েবসাইটটি গুগলেও আস্তে আস্তে রাংকিং করে এগিয়ে গিয়েছিল। অফপেজ বা লিংক বিল্ডিং চালিয়ে যাচ্ছিলাম।
যেহেতু বাজেট কম, তাই সময় দিচ্ছিলাম আস্তে আস্তে।
কারন এক্ষেত্রে আমার কিছু করার ছিল না। বড়ভাইকে বললে হয়ত কিছুটা বাজেট পেতাম কিন্তু আমিই চাচ্ছিলাম না সেটি করতে।
নিজের মধ্যে একটি এক্সপেরিমেন্ট এর মতো বিষয় কাজ ছিল, যে দেখি না কি হয়।
সবশেষে সাইটটি গুগলে রাংক করে এবং ফেসবুক ট্রাফিকের মাধ্যমে সেই বড়ভাই বেশ ভালো সেল জেনারেট করতে পারে।
কিন্তু মজার ব্যাপারটা কি জানেন? সেই বড় ভাইকে আমি পরে সাজেশন দিয়েছিলাম যে আপনি যেহেতু এখন এভাবে করে সেল পাচ্ছেন, তাই ফাইভারটা বাদ দিয়ে না হয় এখন নিজেই কিছু একটা করুন।
না, তার এক কথা। সত্যিকার অর্থে সরাসরি ক্লায়েন্ট এর সাথে ডিল করাটা নাকি বেশ ঝামেলার।
তাই তিনি এই পদ্ধতিতে এখন যেতে রাজি নন।
তবে তিনি আমাকে নিরাশ করেন নি। তার কাছ থেকে পরে অবশ্য ছোট্ট একটা খাম পেয়েছিলাম আমি। 😉
এই যে এতোক্ষন ধরে এতো কষ্ট করে পুরো পোস্টটি পড়লেন তার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
বুঝাতে পেরেছি কি না জানি না ভাইজান, তবে সত্যি কথা বলতে আমার কাছে সব সময় মনে হয়েছে, বর্তমান সময়ে দেশের প্রত্যেকটি আইটি ইন্সটিটিউটে যেকোনো স্কিল শেখানোর পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তত ব্যাসিকটুকু শেখানো উচিত।
আর কিছু হোক বা না হোক, অন্তত লিংকডিন মার্কেটিংটি শেখানো উচিত বলে আমি মনে করি।
আমাদের সবাইকে শেখানো হয় কিভাবে ফাইভারে একাউন্ট করতে হয়, কিভাবে আপওর্য়াকে একাউন্ট এপ্রুভাল করাতে হয়, এগুলি।
এগুলো যে জানার বা বুঝার দরকার নেই আমি তা বলছি না। বরং আমার মনে হয় এগুলো পাশাপাশি যদি আমাদেরকে মোটামুটি লিংকডিন মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং সহ ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তত ব্যাসিকটুকু শেখানো হয় যাতে অন্তত নিজের প্রোফাইলটাকে মার্কেটিং করাতে পারি তাহলে সেটা খুব ভালো হবে।
কারন দিনের পর দিন মার্কেটে কম্পিটিশন বাড়ছে, কমছে না। তাই মার্কেটপ্লেসগুলোতে একাউন্ট করে গিগ পাবলিশ করার আগে একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন - ক্লায়েন্ট কেন আপনাকেই কাজটি দিবে?
এতো কষ্ট করে পোস্টটি পড়েছেন। শেষ সময়ে আপনাদেরকে কিছু ছোটখাট টিপস শেয়ার করছি।
১। আপনার নিশটি যদি মোটামুটি কম্পিটিটিভ হয়, তাহলে সর্বোচ্চ সম্ভাবনা আছে যে আপনি হয়ত খুব একটা সহজে লো কম্পিটিটিভ তেমন কোনো ভালো কীওয়ার্ড পাবেন না (কীওয়ার্ড যে নেই তা নয়, সব নিশেই কিছু না কিছু লো কম্পিটিটিভ কীওয়ার্ড আছে)।
সেক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে আপনার কম্পিটিটরদের থেকে ধারনা নিন। সবার প্রথমে আপনার কম্পিটিটরদের একটা লিস্ট করুন।
কারন আপনি আপনার প্রতিদ্বন্দীকে যতো ভালো চিনবেন, সে আপনার ক্ষতি করার সুযোগ ততো কম পাবে।
নিজের কম্পিটিটর হিসেবে মিডিয়াম টাইপ ওয়েবসাইটকে নির্বাচন করুন। আপনার নিশের খুব হাই অথোরিটি সাইটের সাথে আপনি ফাইট দিতে পারবেন না।
যেমন ধরুন আমি যদি এসইও নিয়ে কাজ করি তাহলে আমি যদি nailpatel.com, backlinko.com - এদেরকে আমার কম্পিটিটর হিসেবে ধরি তাহলে কিন্তু হবে না।
কারন নেইল প্যাটেল বা ব্রায়ান ডিন হয়ত তাদের একেকটা কনটেন্ট শুধুমাত্র পাবলিশ বা ডিজাইন করার জন্য ১ হাজার ডলার খরচ করতে পারবে কিন্তু সেটা আমি পারব না।
তাই আমার কম্পিটিটর হিসেবে তাদেরকে নিতে হবে যারা আমার থেকে মোটামুটি উপরের লেভেলে কিন্তু খুব হাই অথোরিটি সাইট এমন নয়।
যেমন: আমার ডোমেইন অথোরিটি যদি ৫ হয়, তাহলে যেসব সাইটের ডোমেইন অথোরিটি ১৫/২০, আমি প্রথমে তাদেরকে আমার কম্পিটিটর হিসেবে নিব (আপনি আরও বেশি নিতে পারেন যদি আপনি আরও ভালো বাজেট নিয়ে আরও ভালো ভাবে এসইও করে রাংক করাতে পারেন)।
কারন যে সাইটের ডোমেইন অথোরিটি ৩০/৪০, সেই সাইট যেই কীওয়ার্ডে রাংক করেছে ওই একই কীওয়ার্ডে যে গুগল আমাকেও রাংক দিবে এমন কোনো কথা নেই।
কারন অথোরিটি আমার থেকে ৬/৮ গুন বেশি। তার থেকে আমি যদি ১৫/২০ অথোরিটির সাইটকে আমার কম্পিটিটর হিসেবে নিয়ে তাদের কীওয়ার্ড আমি অ্যানালাইসিস করি তাহলে আশা করা যায় আমি যদি তাদের থেকে একটু ভালো মানের কনটেন্ট দিতে পারি তাহলে হয়ত গুগল আমাকে রাংক দিবে।
২। যতো পারেন আপনার কম্পিটিটরদের লিস্ট বড় করুন। অন্তত ১০ জনকে টার্গেট করুন আপনার কম্পিটিটর হিসেবে।
কীওয়ার্ড রিসার্চ থেকে শুরু করে অফ পেজ পর্যন্ত বেশ অনেক জায়গায় খুব ভালো হেল্প পাবেন।
৩। ফেসবুকে ইন্টারেস্টে পুরো আমেরিকা বা পুরো ইউকে টার্গেট না করে ছোট্ট কোনো একটি শহর টার্গেট করুন।
বড় শহর বা পুরো দেশ টার্গেট করলে আপনার কম্পিটিশন বেড়ে যাবে এবং সে হিসেবে কোল্ড মার্কেটিং (রিটার্গেটিং করা ছাড়া প্রথমবার সাইটের ট্রাফিক আনার জন্য আপনি যে মার্কেটিং করে থাকেন) এ আপনার সিপিসি বেড়ে যাবে।
৪। ইন্টারেস্টে কোনো ওয়ার্ডপ্রেস ডেভলোপার বা ওয়ার্ডপ্রেস টার্গেট না করে যারা বিভিন্ন শপ পেজের এডমিন বা বিভিন্ন ব্যবসায়ীদেরকে টার্গেট করার চেষ্টা করুন।
যে ব্যক্তি ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে অলরেডি আগ্রহী উনি আপনাকে দিয়ে সাইট ডিজাইন করাবে না। কিন্তু যে ব্যক্তি ওই শহরের একটি ছোট্ট দোকানের মালিক তিনি হয়ত আপনাকে দিয়ে একটি ইকর্মাস সাইট বানাতে পারেন বা একজন ব্যবসায়ী আপনাকে দিয়ে একটি সাইট তৈরি করতে পারেন।
৫। সব সময় Split Test করার চেষ্টা করুন। এতে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার কোথায় ভুল হচ্ছে, কোথায় আপনার আরেকটু নজর দেওয়া দরকার ইত্যাদি।
৬। মাঝে মাঝে চেষ্টা করুন Lookalike Audience সেটাপ করার। এতে আপনার ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি করার পাশাপাশি আপনার টার্গেট মার্কেটও বৃদ্ধি পাবে মোটামুটি কম খরচ।
চেষ্টা করেছি একটি কিছুটা ভিন্নভাবে ফাইভার মার্কেটিং করার চেষ্টা করতে। জানি না আপনাদের বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি কি না। তবে আশা করছি কিছুটা সময় দিলে ও পরিশ্রম করলে ইনশাল্লাহ আপনাদের সেলও আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাবে।
সব সময় "Think Outside The Box" করার চেষ্টা করবেন। সবাই চেষ্টা করছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার বা ফাইভারে গিগ রাংক করার এবং আপনিও যদি সেই একই পথে হাটেঁন তাহলে কিন্তু আপনাকে অনেকের সাথে ফাইট করতে হবে সেল পাবার জন্য।
ফাইভারে কিন্তু কোথাও বলা নেই যে আপনাকে সরাসরি ফাইভারে সার্চ থেকে ভিজিটর এর কাছেই গিগ সেল করতে হবে।
আপনি যেখান থেকে খুশি সেল আনতে পারেন। আর তাছাড়া ফাইভারে গিগ রাংকিং করার ক্ষেত্রে তাদের বিভিন্ন অ্যালগরিদম আছে।
সব সময় একই অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে ফাইভার আপনাকে রাংক দিবে না। কখনও যে গিগের ভালো অর্ডার আছে, সেটাকে তারা রাংক দেয় তো আবার কখনও বা যে গিগের ভালো সোশ্যাল ক্লিক আছে সেটাকে তারা রাংক দেয় আবার কখনওবা যে গিগের Queue ভালো আছে তাকে ওরা রাংক দেয়।
কখন কিসের ভিত্তিতে তারা রাংক দিচ্ছে সেটি অবশ্যই তারা আমাদের জানাবে না। তাই সব সময় অন্য সবার মতো একই পথে হাটাঁর থেকে একটু ভিন্ন পথে হাটাঁর চেষ্টা করে দেখুনই কি হয়!