31/01/2018
আসুন দেখে নেয়া যাক HONDA CB HORNET 160R বাইকটি কেন 160 cc বাইক গুলোর মধ্যে সেরা।
প্রথমেই জেনে নেই বাইকটির ইঞ্জিন সর্স্পকে:
• ইঞ্জিন ডিসপ্লেজমেন্ট: ১৬২.৭১ সিসি।
• পাওয়ার (পিএস@আরপিএম): ১৫.২৫ পিএস @ ৮৫০০ আরপিএম।
• র্টক (এনএম@আরপিএম): ১৪.৭৬ এনএম @ ৬৫০০ আরপিএম।
এবার বাইকটির বডি সর্ম্পকে জেনে নেই:
• হুয়েলবেস (দুইচাকার মধ্যবর্তী দূরত্ব): ১৩৪৬ এমএম (যা অন্যান্য বাইকের থেকে বেশি এবং আপনাকে নিশ্চিত করবে আরামদায়ক রাইডের অভিজ্ঞতা।
• গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স: ১৬৪ এমএম (এটা অন্যান্য বাইকের থেকে বেশি। যার জন্য আপনি যেকোনো স্পিড ব্রেকার অথবা বাধা অতিক্রম করতে পারবেন কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই) ।
• সাসপেনশনঃ বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে মনোশক সাসপেনশন, যা নিশ্চিত করবে যেকোনো রাস্তায় বাইক রাইডের আরামদায়ক অনুভূতি।
নিরাপত্তা এবং নির্ভরযোগ্যতা:
• পেটাল ডিস্ক ব্রেক: এতে ব্যবহার করা হয়েছে পেটাল ডিস্ক ব্রেকিং সিস্টেম, যা ব্রেকিংয়ের সময় উৎপন্ন তাপ হ্রাস করবে ও নিশ্চিত করবে স্মুথ ব্রেকিং এবং বাড়িয়ে তুলবে আপনার আত্মবিশ্বাস।
• টায়ার: রিয়ার টায়ারের প্রশস্ততা (১৪০/৭০-১৭), যা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুন। এটি ব্রেকিং এবং কর্নারিং এর অভিজ্ঞতা বদলে দিবে আশা করা যাই। (অধিকাংশ প্রিমিয়াম সেগমেন্টের বাইকে একই টায়ার ব্যাবহার করা হয়)
• ফুটপেগ: ছোট রিয়ার সেট ফুটপেগ আপনাকে প্রদান করবে স্পোটি + ক্লাসিক রাইডিং এর আরামদায়ক অনুভূতি।
• ক্লাস: Honda এর ক্লাস বা মান সর্ম্পকে নতুন করে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। কারন সারা বিশ্বেই Honda একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের নাম।
• মেটারিয়াল: খুব কাছ থেকে Hornet কে লক্ষ্য করলে, অন্যান্য বাইকের সাথে (Yahama FZS - fi, Suzuki Gixxer, TVS RTR, Pulsar etc.) Hornet এর বিভিন্ন পার্থক্য দেখতে পারবেন। পার্থক্য বুঝার জন্য Rider's Foot-peg, Fuel Tank Material, Exhaust, Handlebar, X-shaped LED tail Lamp ইত্যাদি অংশগুলো খেয়াল করুন।
• ড্যাশবোর্ড: Hornet এর মিটারটি te ODO Meter, RPM, Speedometer, Fuel Gauge Meter, Clock, 2 Trip Meters দেখতে পারবেন। সেই সাথে সহজেই Turning Indicator, High beam indicator and Neutral indicator ব্যবহার করতে পারবেন।
বাইকটির সর্ম্পকে আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকেন।