Digital Potato BD

Digital Potato BD We are bunch of potatoes helping individuals business identity,companies and communities to make the

পাসপোর্ট অফিসে গেলাম একটা জরুরি পাসপোর্ট করার জন্য। জিজ্ঞেস করলাম কত দিন লাগবে। বল্লেন সাধারনত ১২ দিনে পাওয়ার কথা। তবে ...
09/10/2023

পাসপোর্ট অফিসে গেলাম একটা জরুরি পাসপোর্ট করার জন্য। জিজ্ঞেস করলাম কত দিন লাগবে। বল্লেন সাধারনত ১২ দিনে পাওয়ার কথা। তবে এখন বই সংকট। ১ মাসও লাগতে পারে। মন খারাপ করে বাইরে চলে এলাম। অমনি এক দরবেশ বাবা ডাক দিলো। হে বৎস, মন খারাপ করে কোথায় যাচ্ছিস? তোর কি লাগবে আমাকে বল। বললাম, বাবা আমার জরুরি পাসপোর্ট দরকার। কিন্তু ওনারা বলছে ১ মাসও লাগতে পারে।

হোক মাওলা, দেখি তোর কাগজপত্র গুলো। তারপর দরবেশ বাবা আমার কাগজ গুলো নিয়ে ফচাৎ করে ছিড়ে ফেললেন। তারপর নতুন ফরম দিয়ে বললেন এটা পুরন কর। বললাম, বাবা আমিতো অরিজিন্যাল কুমিল্লার রসমালাইর মতো খাটি ফার্স্ট ক্লাশ গেজেটেড কর্মকর্তা দিয়ে সত্যায়িত করে এনেছিলাম। এখন আবার গ্যাজেটেড কর্মকর্তা পাব কোথায়?

বাবা বললেন, আমার চেয়ে বড় কর্মকর্তা আর কে আছেরে এই জগতে। তুই পূরণ কর। সত্যায়িত আমি করব। ফরম পূরণ করে বাবার হাতে দিলাম। বাবা বললেন হাদিয়া দিয়ে ছবি তুলে তুই যাগা। ঠিক ৪ দিন পর তোকে স্বপ্নে কল দেব। এসে বই নিয়ে যাবি।
বলেন কি বাবা, মাত্র ৪ দিন! এ কি করে সম্ভব! সত্যি করে বলেন বাবা, আপনি মানুষ নাকি জিবন্ত অলি? পাসপোর্ট অফিসের লোকজন বলে ১ মাস লাগবে। আর সরকারি নিয়মে ১২ দিনের নিচে কোন ভাবেই বই পাওয়া যায় না, কিন্তু আপনি ৪ দিনে কিভাবে দেবেন?
এসব তুই বুঝবি নারে, সব উপরওয়ালার লীলা খেলা। তারাতারি টাকাটা দে, উপর ওয়ালাকে দিয়ে আসি।

৬.৫ হাজার সরকারি ফি। আর বাবার হাদিয়া ৮ হাজার। মোট ১৪.৫ হাজার টাকা দিলাম। বাবা কাগজগুলো নিয়ে উপরওয়ালার কাছে চলে গেলেন। এই টাকার ভাগ বাবা একা নেবেন না। ভাগ পাবেন বাবা, তার বাবা, তার বাবা পর্যন্ত। বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, পুলিশ বাড়িতে যাবে না ভেরীফিকেশন করতে?
বাবা বললেন তুইতো ভেরী বোকা লোকরে। পুলিশের দুই চোখে দুইটা কচকচে নোট নিয়ে চাপ দিয়ে একটা ফু দেব, অমনি তোর বাড়ি ঘর সব স্বপ্নে ভেরীফিকেশন করে ফেলবে। সব উপর ওয়ালার লীলা খেলারে। হোক মাওলা।

ঠিক চার ওয়ার্কিং ডে এর পর আজকে বাবা কল দিলেন। আয় বৎস পাসপোর্ট নিয়ে যা। আজকে ১৫মে, অথচ ডেলিভারী স্লিপে লিখা ডেলিভারী ডেট ১৯ মে।
সত্যি দরবেশ বাবার হেকমত বড় কড়া। আমি বাবার চরন দুটিতে লুটিয়ে পড়লাম। বাবা আপনিই সেরা। আপনার পদধুলি দেন।

হাসপাতাল, বিআরটিএ, পাসপোর্ট অফিস,ভূমি অফিস সহ সরকারী সব প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে এমন অনেক দরবেশ বাবা দলে দলে বসে জিকির আসগারে মত্ত আছেন। উপর ওয়ালার সাথে উনাদের ডাইরেক্ট কানেকশন।
----- ----- সংগৃহীত।

আমরা যখন কারও বাসায় মেহমান হয়ে যাব, তখন অবশ্যই মেহমান হিসেবে আমাদের কিছু আদব রয়েছে, যেগুলো অনেক সময় আমরা মানি না, বা আমর...
01/10/2023

আমরা যখন কারও বাসায় মেহমান হয়ে যাব, তখন অবশ্যই মেহমান হিসেবে আমাদের কিছু আদব রয়েছে, যেগুলো অনেক সময় আমরা মানি না, বা আমরা ভাবি এগুলো তো সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু এই সাধারণ ব্যাপারগুলো মেনে চললে আমরা হয়ে উঠতে পারি ভালো মেহমান। যার আগমনে কেউ বিরক্ত হবে না।

১. প্রয়োজন ছাড়া শুধু মাত্র ঘুরতে মাসের শেষে কারও বাসায় না যাওয়া।
মনে করুন আপনি আপনার খুব কাছের একজন মানুষের বাসায় যাচ্ছেন, প্রয়োজনে পড়ে নাহয় স্রেফ ঘুরতে। মাসের শেষ, মানুষটা আপনাকে না-ও বলতে পারল না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে তার পকেট ফাঁকা। তখন কিন্তু মেহমান আসছে বলে তার মুখে হাসি ফুটবে না। মেহমানকে তখন আর তার কাছে বরকত মনে হবে না। সে তখন বিরক্ত হবে। তাই মনে রাখতে হবে আপনার পকেট মাসের শেষে পূর্ণ থাকলেও সবার এক অবস্থা থাকে না।

২. না জানিয়ে কারও বাসায় উপস্থিত না হওয়া।
মনে করুন একজন সদ্য মা হওয়া মেয়ে, ঘর যার সব সময় অগোছালো থাকে, আপনি না বলে তার বাসায় উপস্থিত হলেন। সে আপনাকে দেখে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ল। কারণ মানুষ মাত্রই চায় কেউ বাসায় আসার আগে তার বাসাটা একটু প্রেজেন্টেবল করার। অনেকে আবার এমন অগোছালো বাসা দেখলে ভাবে, ‘ইশশশ! মেয়েটা কী নোংরা!’

৩. সময়জ্ঞান রাখা।
আপনি আপনার আত্মীয়ের বাসায় এমন সময় হাজির হলেন যে তারা তখন আপনাকে দেখে বিরক্ত হলো। যেমন : দুপুরের সময় কিংবা রাত আটটার পর। প্রয়োজন ছাড়া এমন সময়ে কারও বাসায় যাওয়া উচিত না। আমার মতে কারও বাসায় দুপুর বা রাতের দাওয়াত ছাড়া বিকালে গিয়ে সন্ধ্যার আগে ফিরে আসাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৪. অহেতুক কৌতূহল না দেখানো।
আপনাকে হোস্ট গেস্টরুমে বসিয়েছে। কিন্তু আপনি তার অনুমতি ছাড়াই তার বাসা ঘুরে ঘুরে দেখতে থাকলেন। অনেকে ফ্রিজ খুলে দেখেন, শোকেস খুলে কী আছে বের করে দেখতে থাকেন, এমনকি বিনা পারমিশনে বেডরুমে ঢুকে পড়ে কাবার্ড খুলে দেখতে থাকেন। বিষয়টা খুবই বিব্রতকর। কত পার্সোনাল জিনিস থাকতে পারে একজন মানুষের কাবার্ডে। আপনি যতই কাছের কেউ হন না কেন কেউই এটা পছন্দ করবে না।

৫. নিজের বাচ্চাদের সামলিয়ে রাখা।
ধরুন আপনার বাচ্চার বয়সী আরও একটা বাচ্চা আছে যেই বাসায় আপনি বেড়াতে গিয়েছেন। আপনার বাচ্চা আর সে বাচ্চা খেলনা নিয়ে খেলছে। এমন সময় আপনার বাচ্চা চিৎকার করে কাঁদছে। কারণ আপনার বাচ্চা চায় খেলনাটা নিতে। আর ঐ বাচ্চাটা তার খেলনা দেবে না। তখন মা হিসেবে আপনার মনে হবে খেলনাটা দিলে কী হয়? কিন্তু এই ভাবনাটাই আসা উচিত না। একটা বাচ্চা তার খেলনা কখনও অন্য বাচ্চাকে দেবে না, আর এটা তো তার বাসা! বাসা থেকে বাচ্চাকে বুঝিয়ে নিতে হবে যে যেন ঐ বাসায় গিয়ে দুষ্টুমি না করে। এবং বাচ্চাকে নিজের দায়িত্বে রাখতে হবে যাতে সে অন্য কারও বিরক্তির কারণ না হয়। অনেকে বাচ্চাকে একা খেলতে দিয়ে এমন গল্পে মগ্ন হন যে বাচ্চা কী করছে না-করছে সে খেয়ালই থাকে না।

৬. খাওয়ার খুঁত না ধরা।
হয়তো গরুর মাংসে ঝালটা কম হয়েছে। হোস্ট জিজ্ঞেস করল রান্না কেমন হয়েছে। আপনি অকপটে বলে দিলেন মাংসে ঝাল কম হয়েছে। এই একটা কথা একজন মানুষকে কতটা কষ্ট দিতে পারে শুধু সে-ই বোঝে যে কষ্ট করে রান্না করে। খাওয়ার খুঁত আমার নবিজি ﷺ ধরতেন না। এখানে আপনি এভাবে বলতে পারেন–রান্নাটা খুব ভালো হয়েছে, কিন্তু আমি খুব ঝাল খাই তো, তাই আমার কাছে ঝালটা একটু কম লেগেছে। এতে কিন্তু হোস্ট কষ্ট পেল না। তার কাছে আপনার ইমেজটাও ভালো মেহমানের মতোই থাকল।

এই বিষয়গুলো আমাদের সবার খেয়াল রাখা উচিত। মনে রাখতে হবে–কখনো অন্যের কষ্টের কারণ হওয়া যাবে না। কারও মনে কষ্ট না দেওয়াও কিন্তু একটা ভালো কাজ।

04/02/2021
03/02/2021

We are bunch of potatoes helping individuals,
companies and communities to make themselves a brand which can help them stand out among the crowd!

Address

Kapasgola, Chwakbazar, Chattagram
Chittagong

Telephone

+8801705409171

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital Potato BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Digital Potato BD:

Share