কৃষি বার্তা

কৃষি বার্তা This pag is all about
News,Information ,job news,agriculture news.help desk,
Social Experiments, Advertisements, Marketing & Branding.

শান্তি💖
26/10/2025

শান্তি💖

27/05/2025

১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী এক হইছে। বইলা দিছে দুর্নীতি করার সুযোগ বহাল না করে ওরা ঘরে ফিরবে না।
কোন সংস্কার মানা হবে না।
ওদিকে ব্যবসায়ীরা শুরু করছে আরেক মিথ্যাচার। প্রথমে দাবি করেছে, ইউনূস সরকার নাকি গ্যাস দিতেছে না।
তো আজ সকালে ইউনূস একেবারে ডাটা দিয়ে দেখাইছে যে গত বছরের তুলনায় এই বছর ২২% গ্যাস বেশি সাপ্লাই দেওয়া হয়েছে।
এইবার শুরু করেছে নতুন নাটক।
ভোলা থেকে দেশের বিরাট অংশের গ্যাস আসে।
ঐখানে গতকাল থেকে অবরোধ শুরু করেছে যাতে গ্যাস ঢাকায় আসতে না পারে।
এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতেছে এক রাজনৈতিক দলের এক নেতা।
তো ঘটনা যা দাড়াইলো, দুর্নীতিবাজ আমলারা এক হয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান অচল করে দিছে।
বাটপার ব্যবসায়ীরা এক হয়ে মিথ্যা কথা বলতেছে যাতে সংস্কার না করা যায়। সিন্ডিকেটবাজি করে আমার আপনার রক্ত চুষবে।
ওদিকে রাজনৈতিক ধান্দাবাজের দল টাকার বিনিময়ে গুন্ডামি করে গ্যাস অফ করে দিছে।
সবকিছু অফ করে টরে এখন রাজনৈতিক দলের নেতারা বলবে, ইউনূস ব্যর্থ। ইউনূস কিছু পারে না। দেশ আমাদের হাতেই নিরাপদ।
অথচ ইউনূস যাতে না পারে, তার সমস্ত বন্দোবস্ত উনাদেরই করা।
কারণ ইউনূস সফল হলে প্রমাণ হবে যে গত ৫৩ বছরে দেশটাকে কারা খুবলে খুবলে খেয়ে ফেলেছে।
তাই ইউনূসকে ব্যর্থ করে দেওয়ার জন্য দেশের সমস্ত সিন্ডিকেট এক হয়ে গেছে।
আমরা এক বছর আগেও ভাবতাম, আমাদের দেশে সবাই বাইরে চলে যায় কেন? মেধাবীরা কেন দেশ গড়তে আসে না?
এই প্রশ্নের উত্তর ইউনূসের আজকের পরিস্থিতির মধ্যেই খুঁজে পাবেন।
দেশের সবচে মেধাবী মানুষদের মধ্যে একজন দেশ চালাতে আসলো। এরপর সহযোগিতা তো দূরের কথা, বাটপার ব্যবসায়ী, ধান্দাবাজ রাজনীতিবিদ আর দুর্নীতিবাজ আমলারা এক হয়ে এই লোকটার সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াইয়া গেল।
এখন সংস্কার তো দূরের কথা, উনার জান নিয়ে মেয়াদ শেষ করতে পারবেন কি না, আমার সন্দেহ আছে।
এবার বলেন, এই দেশে ভদ্র, শিক্ষিত আর মেধাবী মানুষেরা এরপরেও কেন দেশের জন্য কাজ করতে আসবেন?
Sadiq Khan

গাভীর দুধ বৃদ্ধির জন্য করনীয়ঃ1) ওরাকেল-ভেট সিরাপ দেশি গাভী হলে 100 মিলি, বড় গাভী হলে 150 মিলি করে দিনে 1বার,2) এ মিল্ক-ভ...
20/02/2025

গাভীর দুধ বৃদ্ধির জন্য করনীয়ঃ

1) ওরাকেল-ভেট সিরাপ দেশি গাভী হলে 100 মিলি, বড় গাভী হলে 150 মিলি করে দিনে 1বার,
2) এ মিল্ক-ভেট 2টা ট্যাবলেট দিনে 1বার করে,
3) এভেইলা 4 পাউডার প্রতিদিন 4 গ্রাম করে 1বার খাবারের সাথে দিতে হবে,
4) প্রচুর পরিমানে ঘাস দিতে হবে,
5) পুষ্টিকর দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে,

দুধের গাভীর পুষ্টিকর খাদ্যের মিশ্রণের তালিকাঃ

1) গমের ভুষি 20 কেজি
2) ভুট্টার ভুষি 20 কেজি
3) তিল/বাদাম/সয়াবিন এর খৈল 10 কেজি
4) ধানের কুড়া 15 কেজি
5) চালের মিহি কুড়া 10 কেজি
6) মশুরের ভুষি 10 কেজি
7) ছোলাবুট /মটরের ভুষি 10 কেজি
8) ডিসিপি 2 কেজি
9) ডিবি 2 কেজি
10) লবণ 1 কেজি

মোট 100 কেজি খাদ্যের তালিকা।

উল্লেক্ষিত পরামর্শ সঠিক ভাবে ফলো করলে গাভীর দুধ বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ্!

02/08/2024

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে যে সকল শিক্ষার্থীরা আ'হ'ত ও নি'হ'ত হয়েছে, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

তোমাদের ভেদ করে যাওয়া প্রতিটি বু'লে'ট এই হৃদয়ে র'ক্ত'ক্ষ'র'ণ করেছে যা কোন ভাবেই এই স্বাধীন দেশে কাম্য নয়। দয়া করে তাদের মতামতকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে তাদের সাথে কথা বলুন।

অ'কা'লে যেন আর কোন প্রা'ণ ঝড়ে না পরে। সেইসাথে আ'ট'ক'কৃ'ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের দ্রুত মু'ক্তি'দা'নে'র অনুরোধ করছি।

19/05/2021

জাতিসংঘ ও মুসলিম বিশ্ব: একনজরে
******

কাশ্মিরে বিগত ৭০ বসরে কম করে হলেও ৬০ হাজার প্রাণ ঝরে গেছে। ১৯৪৮ সালের ২১ শে এপ্রিল পাস হওয়া জাতিসংঘের ৪৭ নম্বর রেজুলেশনটা বাস্তবায়নে ভারতকে বাধ্য করতে পারেনি। স্বাধীনতার প্রশ্নে সেখানে কোন গণভোট আজ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়নি।

কিন্তু ১৯৯৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১২৬৪ নম্বর রেজুলেশনা কয়েক মাসের মধ্যেই পূর্ণ বাস্তবায়ন করে পূর্ব তিমুরকে ইন্দোনেশিয়া হতে পৃথক ও স্বাধীন করে দিতে পেরেছে। একই কথা প্রযোজ্য দক্ষিণ সুদানের বেলাতে, ২০১১ সালে জাতিসংঘের ১৯৯৬ নম্বর রেজুলেশন বাস্তবায়ন করে খৃষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ, তেল সমৃদ্ধ দক্ষিণ সুদানকে সুদান হতে স্বাধীন করে দিতে কোন সমস্যা হয়নি তার।

বসনিয়া হার্জেগোভিনার ক্ষেত্রেও আরও ভয়াবহ অবস্থা ছিল তার। ১৯৯১ সালের ৭১৩ নম্বর জাতিসংঘ রেজুলেশন দ্বারা বসনীয়দের উপরে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করতে পারলেও সেই নিরস্ত্র দেশবাসীকে রক্ষার জন্য পাশকৃত, ১৯৯৩ সালের ৮১৯ নম্বর রেজুলেশনটা সন্ত্রাসী সার্বীয়দের মানাতে পারেনি। ফলত আড়াই লক্ষ মুসলমানকে প্রাণ দিতে হয়েছে বর্বরোচিতভাবে। লক্ষ লক্ষ নারীর সম্ভ্রমহানী হয়েছে। জাতিসংঘ মুখে কুলুপ এঁটে বসে থেকেছে।

২০০১ খৃষ্টাব্দের ২০ শে এপ্রিল রেজুলেশন পাশ করেও তা রাশিয়াকে মানানো যায়নি, ফলে চেচনিয়ায় হত্যযজ্ঞ সে বন্ধ করতে পারেনি।

সাদ্দাম হোসেনের ইরাককে কুয়েত হতে প্রয়োজনে শক্তির জোরে বের করার জন্য ১৫ই জানুয়ারি, ১৯৯১, ৬৭৮ নম্বর রেজুলেশন পাশ করে জাতিসংঘ, তা বাস্তবায়িত হয়। ২০০২ সালের ৮ই নভেম্বর আবার ১৪৪১ নম্বর রেজুলেশন পাশ করে আমেরিকা ও তার মিত্রদের ইরাক আক্রমণ করার সুযোগ করে দেয়া হয়। মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশটিকে ধ্বস করা হয় এভাবেই।

ইরানের পারমানবিক বোমা ঠেকাতে ২০০৬ সাল (রেজুলেশন ন: ১৬৯৬) থেকে ২০১৫ সালের ২২ শে জুলাই পর্যন্ত (রেজুলেশন ন: ২২৩১) মোট ১১টি রেজুলেশন পাশ করে তার প্রতিটি বাস্তবায়ন করে ইরানের পারমানবিক কর্মসূচীকে নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। বাড়ির পাশে বার্মায় রোহিঙ্গা নিধনের বেলাতে জাতিসংঘ বাগাড়াম্বর করলেও একটা রেজুলেশনও পাশ করতে পারেনি।

উদাহারণ দিতে গেলে এরকম কয়েক ডজন ঘটনার উদারাণ টেনে দেখানো যাবে, খৃষ্টান ও ইহুদি স্বার্থ রক্ষার বেলায় জাতিসংঘের সফলতা একশতভাগ। কিন্তু তার বিপরিতে মুসলিম স্বার্থরক্ষায় ঠিক একশতভাগই ব্যর্থ! ঘটনা কি?

আজ থেকে বেশ ক’টা বসর আগে (২০০৬ খৃ:) London থেকে ট্রেনে Newcastle ফেরার পথে ঘটনাক্রমে সহযাত্রী হিসেবে পেয়েছিলাম একটি ইরাকি পরিবারকে। তারা এডিনবার্গ যাচ্ছিলেন। সারাটা পথ ইরাকি পেট্রোকেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ভদ্রলোকের সাথে আলাপ করতে করতে এসেছিলাম। স্ত্রী’সহ সাথে তার বসর দমেকের দুটো জমজ ছেলে ছিল।

আমাদের মুখে বার বার উমামুল মুত্তাহিদা (জাতিসংঘ) নামটি শুনতে শুনতে একটা ছেলে হঠাৎ করেই তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে বসেছিল; ‘উমামুল মুত্তাহিদা‘ কি? আরব বাচ্চাকে জাতিসংঘের সঙ্গা বুঝাতে গিয়ে যা বলেছিলাম, সেটাকেই পরে ছোট্ট একটা কবিতায় রুপ দিয়েছিলাম এভাবে;

শোনো বাহে-
নিত্য যেথা আসর বসে চিত্তসূখের উল্লাসে-
বিত্ত যেথা সত্য কেনে দর্প-দাপট উচ্ছাসে!
জাতির যেথা জাত চলে যায়, মৃত্যু যেথা ক্রুর হাসে।
শোনো বাহে, জাতি সংঘ তারেই কহে।

ফিলিস্তিনে চলমান মুসলিম হত্যাযজ্ঞের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটার সাথে সাথে মুসলিম স্বার্থ রক্ষায় জাতিসংঘের অনীহা ও ব্যর্থতার ইতিহাসটা আবারও মনের মধ্যে ভেসে উঠলো। জাতিসংঘ নামে ইবলিশের এই চক্র হতে মুসলমানদের মুক্তির পথ খুঁজতেই হবে।

গরুর খামার ঘর (সেড) তৈরিঃ (বিস্তারিত বর্ণনা)গরুর খামারে মুনাফার ৪টি শর্তের একটি হল গরুর জন্য আরামদায়ক ঘরের ব্যবস্থা করা।...
09/11/2020

গরুর খামার ঘর (সেড) তৈরিঃ
(বিস্তারিত বর্ণনা)

গরুর খামারে মুনাফার ৪টি শর্তের একটি হল গরুর জন্য আরামদায়ক ঘরের ব্যবস্থা করা।

গরুর খামার ঘর তৈরি করতে জানা অর্থ কিভাবে আপনি নিজের নির্দিষ্ট টাকা ও জায়গা দিয়ে গরুর জন্য সর্বোচ্চ আরামদায়ক সেডের ব্যবস্থা করবেন। এর জন্য আপনাকে গরুর ঘরের বিভিন্ন অংশের মাপ এবং এই মাপগুলো কম-বেশি করলে কি সুবিধা-অসুবিধা তা জানতে হবে।

গরুর ঘর তৈরির নিয়ম
প্রথমে আমরা ঠিক করব খামারে দুই সারিতে নাকি এক সারিতে গরু পালব। দুই সারির নিয়ম বুঝলে এক সারি সহজেই বোঝা যাবে। দুই সারি করে হিসাব করলে ১০ টি গরুর জন্য প্রতি সারিতে ৫ টি করে গরু থাকে। আর মাঝে হাটার জন্য একটি রাস্তা। সুতরাং এক সারি গরু ও মাঝের রাস্তার জায়গার হিসাব করলেই ঘরের জায়গার হিসাব বেড়িয়ে যাবে ইংশাল্লাহ।

গরুর খামার তৈরির নকশা
প্রথমে ঘরের চওরা। একটি গরুর জন্য মাথা থেকে পেছন পর্যন্ত ৬ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত জায়গা দিতে হবে। আমরা ধরে নিলাম এটি ৭ ফুট(জায়গা বেশি থাকলে ৮ ফুট করা ভাল) । গরুর সামনে খাবার পাত্রের জন্য ২.৫ ফুট জায়গা আর পেছনে ড্রেনের জন্য 0.৫ ফুট জায়গা রাখা হল।
সুতরাং এক সারি গরুর জন্য টোটাল ৭ + ২.৫ + 0.৫ = ১০ ফুট জায়গা দরকার। এবং দুই সারির জন্যে চওরায় ২০ ফুট।

গরুর খামার তৈরির নকশা
মাঝের রাস্তা মিনিমাম ৪ থেকে ১০ ফুট রাখতে হয়। আমরা এখানে ৪ ফুট ধরলাম। সুতরাং ঘরের চওড়া টোটাল ২০ + ৪ = ২৪ ফুট।

একটি গরুর জন্য তার সামনে ৪ ফুট( জায়গা বেশি থাকলে সাড়ে ৪ ফুট) জায়গা দিতে হবে, অর্থাৎ গরু থেকে গরুর দুরত্ব হবে ৪ ফুট। তাহলে ৫ টি গরুর জন্য ২০ ফুট। সাথে গেটের জন্য ৪ ফুট লাগবে।
সুতরাং মোট লম্বা ২৪ ফুট, গেট মাঝ রাস্তা দিয়ে হলে ২০ ফুট।

আমাদের দেশের শেডের উচ্চতা নরমালি ১০/১৩ বা ১২ / ১৫ ফিট বা ১২ / ১৪ ইত্যাদি হয়ে থাকে। শেড যত উচু হবে তত ভালো। আধুনিক বড় খামারগুলোতে ৪০-৫০ ফিট শেড উচু করতে হয়।

হেড টু হেড / টেল টু টেল
হেড টু হেডঅর্থ হল গরু গুলো ভেতরে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়াবে। এক্ষেত্রে গোবর বাইরে পড়বে।
টেল টু টেল অর্থ গরুগুলো পরস্পরের বিপরীতে দাঁড়াবে, গোবর ভেতরে পড়বে।

দুটো সিস্টেমেরই সুবিধা – অসুবিধা আছে। নিচে তুলে ধরা হল-

হেড টু হেডের সুবিধাঃ
১। খাবার দিতে সুবিধাঃ হেড টু হেডের ক্ষেত্রে গরুগুলো মুখোমুখি দাড়াবার কারনে দ্রুত ও ভালোভাবে খাবার দেওয়া যায়।
২। গ্যাসের সমস্যা কমঃ গোবর – প্রসাব বাইরের দিকে পড়ার কারনে ভেতরে গ্যাসের সমস্যা কম হয়।
৩। গরুর গুতোর বিপদ নেইঃ গরু গুলো খাবার পাত্রের অপর পাশে থাকার কারনে গুতো খাবার বিপদ কম।
৪। ছেড়ে গরু পালনের জন্য সুবিধাঃ গরুর পেছনে খালি মাঠ বা জায়গা থাকে। ফলে এক্ষেত্রে হেড টু হেড সিস্টেম একমাত্র উপায়।

টেল টু টেলের সুবিধাঃ
১। পর্যাপ্ত আলো বাতাসঃ গরুর মুখ বাহিরের দিকে থাকার কারনে পর্যাপ্ত আলো বাতাস পায়।
২। দ্রুত গোবর-মূত্র পরিস্কার করা যায়ঃ দুই সারির গোবর এক দিকে পরার কারনে সহজে ও দ্রুত পরিস্কার করা যায়।
৩। দুধ দোয়ানোতে সুবিধাঃ ভেতরের দিকে থাকার কারনে দুই সারি গাভি থেকে সহজে দুধ নেওয়া যায়।
৪। শ্বাসজনিত রোগ সহ অন্যান্য রোগ ছড়াবার সম্ভাবনা কমঃ প্রায় সব রোগ মুখের শ্বাস, লালা, নাকের মিউকাস ইত্যাদি দিয়ে ছড়ায়। গরুগুলো একে অপরের বিপরীত দিকে থাকার কারনে এটির সম্ভাবনা কম।
৫। একটি ড্রেনই যথেস্টঃ পাশে একটু বেশি জায়গা দিয়ে মাঝে একটি ড্রেন দিয়েই সমস্ত ময়লা দূর করা যায়।
৬। গোসলে সুবিধাঃ দ্রুত ও সহজে গোসল দেওয়া যায়।

এবার আলোচনা করা যাক কোনটি ভালো। দেখা যাচ্ছে টেল টু টেলের সুবিধা অনেক বেশি। কিন্তু হেড টু হেডের সুবিধাগুলো কি আসলেই সুবিধা কিনা, কিংবা সেগুলোর গুরুত্ব কতটুকু সেটা একটু দেখা যাক।

প্রথমত, খাবার দেবার সুবিধার কথা যদি ভাবা হয় তাহলে অন্য দিকে গোবর পরিস্কার, গোসল, দুধ দোয়ানো সহ অনেক কাজে অসুবিধা বেশি। কাজেই এ পয়েন্টটি টিকছে না। দ্বিতীয়ত, গোবরের গ্যাসের কথা ভাবতে গিয়ে গরু যদি আলো বাতাস কম পায় তাহলে সেটা তেমন কাজে দিবে না।
এদিকে গাভির ক্ষেত্রে গুতোর তেমন সম্ভাবনা নেই। ফ্যাটেনিং এর ক্ষেত্রে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ন। তবে টেল টু টেলে যদি খাবার বাইরে থেকে দেওয়া যায় তাহলে এ সমস্যাটা থাকছে না।
তবে ছেড়ে গরু পালার ক্ষেত্রে হেড টু হেডের বিকল্প নেই। আমাদের দেশে এখন অনেক আধুনিক খামার গড়ে উঠছে যেগুলোতে গরু ছেড়ে পালার সিস্টেম থাকে। এসব ক্ষেত্রে হেড টু হেড সবচেয়ে ভালো। অন্যথায় টেল টু টেল সিস্টেম হেড টু হেডের চেয়ে অনেক গুনে ভালো।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে একটি ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে যে শেড বানাবার সময় বেশিরভাগ খামারি নিজের সুবিধার কথা ভাবে, গরুর সুবিধা না (অবশ্য বর্তমানে অনেক শিক্ষিত খামারির সংখ্যা বাড়ছে) । হেড টু হেড হলে সে সহজেই খাবার পানি দিতে পারবে। অথচ খামারে লাভ করার সূত্রের ৪ নাম্বার শর্ত ছিল গরুকে আরামদায়ক পরিবেশ দেওয়া।

তবে অনেক খামারির পক্ষে আসলে হেড টু হেড ছাড়া উপায় থাকে না। আলাদা ঘর না থাকার কারনে চোরের উপদ্রপের ভয়ে বাহিরের দেয়াল উচা বা টিন দিয়ে ঘেরাও করে ফেলতে হয়। ফলে গরুকে হেড টূ হেড রাখতে হয়। আবার জায়গার স্বল্পতার কারনে অনেকের বাহিরে গিয়ে খাবার দেবার উপায় থাকে না।
কিন্তু একটু বুদ্ধি করে টিনের মাঝে জানালার মত করে ফাকা করে রাখলে বাহির থেকে খাবার দেওয়া যায়। আবার রাতে বন্ধ করে রাখা যায়। কিন্তু ওই যে বললাম, বেশিরভাগ খামারি এই কস্ট টুকু করতে চায় না।

ঘরের মেঝে কেমন হবে
উদ্দেশ্য হল যাতে সহজের পরিস্কার করা যায় এবং গরুর জন্য কোন সমস্যার না হয়।
ফ্লোর বা মেঝে দুই ভাবে বানানো যায় –
১। ইট দিয়ে সলিং
২। ঢালাই

১। ইট দিয়ে সলিংঃ বালু দিয়ে তার উপর ইটের সলিং পেতে সিমেন্ট বালুর মশলা তৈরি করে দুইটি ইটের সংযোগ স্থলে মশলা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে।
এটি খুব ভালো ভাবে করতে হবে। অন্যথায় কদিন পর পর ইট উঠানোর ঝামেলা আছে। এমনকি এখন না হলেও ৪/৫ বছর পর ইট উঠে যায় এবং উচু নিচু হয়ে যায়। ফাকা জায়গা দিয়ে গরুর প্রসাব ও গাসলের পানি কাদা তৈরি হয়।

২। ঢালাইঃ সিমেন্ট মশলা দিয়ে একেবারে ঢালাই দেওয়া হয়। ভালভাবে না দিলে এখানেও কদিন পর পর ঢালাই উঠে যায়।
ঢালাইতে পিছলে গরু পরে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তাই সাবধান থাকতে হবে।

খামারে ঘরের মেঝে ঢালু দিতে হবে যাতে গোবর ময়লা সহজেই ড্রেনে চলে যায়। মাঝের রাস্তার স্লোপ বা ঢালু মাঝখান থেকে দুই দিকে যাবে। এতে পানি দু দিকে চলে যাবে। মেঝের ঢাল সামনে থেকে ড্রেনের দিকে গাভীর ক্ষেত্রে প্রতি ফিট এর জন্য ০.২৫ ইঞ্চি এবং ষাড় গরুর জন্য ০.৫০ ইঞ্চি করে দিতে হবে। ফলে ৮ ইঞ্চির জন্য গাভির ক্ষেত্রে ২-৩ ইঞ্চি এবং ষাড় গরুর ক্ষেত্রে ৪-৫ ইঞ্চি ঢাল দিতে হবে।
গাভির চেয়ে ষাড় গরুতে ঢাল বেশি দেবার যুক্তি হিসেবে বলা হয় যে পেছনে বেশি ঢালু থাকলে পেছনে মাংস তারাতারি বাড়ে। কিন্তু এটি সাইন্টিফিক কিনা জানি না।

গরুর খাবার ও পানির হাউস ( চারি )
অনেকে ভাবেন খাবার হাউস যত উচু হবে তত ভালো, গরু সহজে খেতে পারবে। ব্যাপারটাকে তারা অনেকটা ডাইনিং টেবিলের মত বানিয়ে ফেলেছেন। মানুষের যেমন ডাইনিং টেবিলে খেতে সুবিধা হয়, গরুর ক্ষেত্রেও তেমনটা ভাবা হচ্ছে।

কেন ডাইনিং টেবিল নয় ?

গরু স্বাভাবিক ভাবে মাঠে নিচে থেকে ঘাস খায়। এটাই তার স্বভাব। তাই খাবার জায়গা উচা করে দেওয়া অর্থ তার স্বভাবের বিরুদ্ধে কাজ করা।
এছাড়া মুখ নিচের দিকে থাকার কারনে মুখ দিয়ে যথেস্ট লালা আসে যা খাবারের হজমে সহায়ক। অথচ খাবার স্থান উচা করে দিলে যথেস্ট পরিমান লালা আসে না।
আলাদা খাবার ও পানির পাত্র করতে ব্যাপক পরিমান খরচ হয়, অথচ এই খরচের কোন প্রয়োজন ছিল না।

তাই গরুর সামনে সামান্য উচু দেওয়াল করে লোহার পাইপ বা বাশ টেনে দিতে হবে (নিচের ছবির মত)। এর সামনে ফ্লোরেই খাবার রাখতে হবে। পানি আলাদা একটি পাত্র বা কাটা ড্রামে দেওয়া যেতে পারে কিংবা জায়গা থাকলে পানির জন্য আলাদা লাইন করতে হবে।

কিন্তু কিছু পুরোনো গরুর খামার ভিসিট করলে অনেকের মনে নিচের প্রশ্নগুলো আসবে ?

পুরোনো খামারে তো খাবার হাউজ উচু করে দেওয়া আছে। তাদের তো লস হচ্ছে না।
পাত্র উচু করে দেওয়ার জন্য গরু খাচ্ছে না বা অসুস্থ হয়েছে এমন তো কোন প্রমান নেই।
এভাবে ফ্লোরে খাবার দিলে খাবার নস্ট হয়।
হ্যা, পুরোনো পদ্ধতিতে খাবার দিলে আপনার লস হবে তা নয়, কারন গরু তো এর জন্য খাওয়া বন্ধ রাখবে না। তবে

এটি গরুর জন্য আরামদায়ক বা স্বাভাবিক হবে না।
হাউজ উচু করতে অতিরিক্ত খরচ হবে।
প্রযুক্তি সর্বদাই পরিবর্তন হয়। টিকে থাকে তারাই যারা প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।
আর ফ্লোরে খাবার নস্ট দূর করার জন্য উপরের ব্যাপারটিকে ঠিক রেখেই আমরা একটি ব্যবস্থা নিতে পারি। সেটা হল খাবারের হাউস বানানো হবে কিন্ত তার গভীরতা হবে একেবারে ফ্লোরের কাছাকাছি, উচ্চতা গরুর সামনে ১২ ইঞ্চি এবং বাইরের দিকে ১৮ ইঞ্চি।

প্রাচীর থেকে নালা দিকে খাবার ও পানির হাউজের জন্য ২.৫ ফিট। প্রতি গরুর জন্য সামনে ৪ ফিট। সুতরাং দুই গরু তে ৮ ফিট। তাহলে মাঝে একটা ২ ফিট পানির হাউজ বানিয়ে বাকি ৬ ফিট অর্থাৎ ৩ ফিট করে প্রতি গরুতে একটা খাবার হাউজ হবে। পানির হাউজ একত্রে বানাবার কারনে জায়গা কম লাগবে, ওদিকে খাবার হাউজে বেশি জায়গা দেওয়া যাবে। এছাড়া আলাদা ভাবে বানালে ৪ ফিটের মধ্যে খাবার হাউজে ২.৫ ফিট এবং পানির হাউজে ১.৫ ফিট করে নিতে হবে। আলাদা রাখার সুবিধা হল এক গরুর রোগ হলে পাশের গরু সহজে সেই রোগে আক্রান্ত হবে না। এছাড়া বোঝা যাবে কোন গরুটি কেমন পানি খাচ্ছে।

ঘরের চাল কেমন হবে ?
কয়েক ধরনের আছে। যেমন –

১। ঢালাইঃ খরচ বেশি, কিন্তু গরমে তাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে। গরুর প্রধান সমস্যা হয় গরমে, শীতে না।
২। টিনের চালঃ খরচ কম, কিন্তু গরম বেশি কিন্তু শীতে ঘর অনেক ঠান্ডা থাকে। এক্ষেত্রে গরম কমাতে চালের নিচে ইন্সুলেসন দেওয়া যেতে পারে।
৩। প্লাস্টিকের চাল = মরিচা ধরে না, রোদের তাপে গরম হয় না, দিনের বেলা আলো পৌছায়।

শেডের চারপাসে ওয়াল কিভাবে দিতে হবে ?
ওয়াল ২.৫ ফুট সবচেয়ে ভালো। তবে চোরের ভয় থাকলে ৩ ফুট পর্যন্ত করে এর উপরে জানালাসহ টিন দেওয়া যেতে পারে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় নেট দিয়ে ঘিরে দিলে। অনেকে ভাবেন শীতে ঠান্ডা লাগবে। কিন্তু আমাদের দেশে গরুর জন্য শীত নয়, প্রধান সমস্যা হয় গরমে।

গরুগুলোকে কি পাইপ /বাশ দিয়ে আলাদা করে দিতে হবে ?
সেডে গরুগুলোকে পাইপ বা বাশ দিয়ে আলাদা করে দিলে এক গরু অন্য গরুর দিকে পায়খানা করতে পারবে না, পেছনের দিকে করবে, ফলে পরিস্কারের সময় সুবিধা হবে। কিন্তু পায়খানা করবে সে গরু বসলে সেটির অপর বসবে, আর গাভি হলে টিট দিয়ে জীবাণু ঢুকে যাবে।

ড্রেনের মাপ কেমন হবে ?
প্রসাব ও গোবর যাবার ড্রেনের জন্য – ড্রেন ০.৫ থেকে ১.৫ ফিট লম্বা এবং ১ থেকে ২.৫ ফিট গভীর হতে হবে। তবে ড্রেনের ওপর খোলা থাকলে গভীরতা যাতে বেশি না হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে। গরুর পা পড়ে এক্সিডেন্ট হবার সম্ভাবন রয়েছে।

শেড কি পূর্ব পশ্চিম নাকি উত্তর দক্ষিন ?
পূর্ব – পশ্চিমে শেড করার ব্যাপারটি পোল্ট্রিতে যত গুরুত্বপূর্ণ, গরুর খামারের ক্ষেত্রে তত নয়। কারন পোল্ট্রিতে এমোনিয়া গ্যাস জমলে অনেক রোগের সৃষ্টি হয়ে মুরগি মারা যায়, যেমন, ঠান্ডা বিশেষ করে মাইকোপ্লাসমা দ্বারা এবং পরবর্তীতে ঠান্ডার কারনে আরো অনেক রোগের আগমন। কিন্তু গরুর ক্ষেত্রে প্রোডাকসনে প্রবলেম নিয়ে আসে তা নয়। তবে চেস্টা করতে হবে পূর্ব পশ্চিমে করার।

শীতকালে আমাদের দেশে বায়ু সাধারণত উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে ভূ-পৃষ্ঠের প্রচন্ড উত্তাপে ভারতের পশ্চিম-কেন্দ্রভাগ জুড়ে একটি নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। ফলশ্রুতিতে বঙ্গোপসাগর থেকে একটি উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুস্রোত বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে উল্লিখিত নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়। কাজেই সেড পূর্ব পশ্চিম বরাবর লম্বা করলে সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারবে।

আরো একটি সুবিধা হল যে সূর্যের আলো তখন গরুর পেছনে অর্থাৎ প্রসাব ও গোবরের ওপর পরে, ফলে ন্যাচারালি কিছুটা জীবানুমুক্ত হয়। কিন্তু সেড উত্তর দক্ষিনে লম্বা করলে সূর্যের আলো সরাসরি গরুর মুখে পড়বে।

ডাঃ মোঃ শাহীন মিয়া
বিসিএস(প্রাণিসম্পদ)
ভেটেরিনারি সার্জন
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
০১৭১৬-১৬২০৬১
rafiashahinurhurram@gmail

Khalid H Sarker Robin সাহেবের "সুপেরিয়া এগ্রো"  পেজের ডেইরি সম্পকিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট লিংক,,,,,আপডেট করা ০৮/১২/২০১...
23/10/2020

Khalid H Sarker Robin সাহেবের "সুপেরিয়া এগ্রো" পেজের ডেইরি সম্পকিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট লিংক,,,,,

আপডেট করা ০৮/১২/২০১৯
===============================

০০১ঃ ''কুড়া কাহিনী ''

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247744625546691/

০০২ঃ “ইনব্রিডিং কাহিনী 🎈🎈🎈🎈

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247745498879937/

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2490728807914937/

০০৩ঃ ক্রসব্রীডিং কাহিনী (ডেইরী)

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247746325546521/

০০৪ঃ (Expected Progeny Differences) বা EPD কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247750598879427/

০০৫ঃ ডেইরী খামার কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247752675545886/

০০৬ঃ নতুন খামার কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247753532212467/

০০৭ঃ কৃত্রিম প্রজনন কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247754248879062/

০০৮ঃ নাইট্রোজেন ক্যান বা সিমেন ট্যাংক কাহিনী:

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247755572212263/

০০৯ঃ "হাইব্রীড ভিগর" কাহিনী

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247756025545551/

০১০ঃ ভুট্টা কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247758382211982/

০১১ঃ 'বীফ ক্যাটেল' বা 'মাংসের গরু' কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247759835545170/

০১২ঃ "হীট ডিটেকশন" কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247760715545082/

০১৩ঃ "ম্যাস্টাইটিস" কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247762018878285/

০১৪ঃ "পেডিগ্রী- প্রজেনী- EPD" কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247762872211533/

০১৫ঃ "কনফিউশন" কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247763945544759/

০১৬ঃ "মাফ্রিওয়াল" কাহিনীঃ-

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247765918877895/

০১৭ঃ "গিরোলান্ডো" কাহিনীঃ- ১ম পর্ব

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247766785544475/

০১৮ঃ "গিরোলান্ডো" কাহিনীঃ- ২য় পর্ব

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247768662210954/

০১৯ঃ "ডেইরীর প্রধান সমস্যা ও তার সমাধান" কাহিনীঃ-

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247769842210836/

০২০ঃ "যোগ্য পাত্র চাই" কাহিনীঃ-

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247770388877448/

০২১ঃ ডেইরী গাভীর দানাখাদ্য ও রাফেজ (ঘাস/সাইলেজ) কাহিনীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247807392207081/

০২২ঃ "জেনেটিক্স কাহিনী"

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247821635538990/

০২৩ঃ "ব্রীডিং বুল কাহিনী - অধিকার, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি"

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2248132885507865/

০২৪ঃ "চল্লিশ লিটার কাহিণীঃ"

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2253674614953692/

০২৫ঃ “পয়স্বিনীর সন্ধানে”

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2317378635249956/

ক্যাটেল ব্রীডিং পলিসি ও প্রজনন নীতিমালায় যা চাইঃ-

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247770798877407/

সিমেন বানিজ্য, এ.আই. কর্মী ও অসহায় খামারীঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247771045544049/

"খাঁটি দুধ পেতে চান--
খামার থেকে কিনে খান।"

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247771838877303/

""ভিজা খড়ের সাইলেজ""- এখনই করুন, এখনই সময়।

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247809192206901/

সময় এখন স্মার্ট খামারীদেরঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247810718873415/

"সিমেনের তথ্য চাহিয়া লজ্জা দিবেন না"-

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2247815265539627/

Calving Ease (কাভিং ইজ) বা সহজ প্রসবঃ

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2248130342174786/

"DIAMANTE DE BRASILIA"

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2248142388840248/

বুলটির নাম নেপোলিটানো (Napolitano)
জাতঃ গিরোলান্ডো।

https://www.facebook.com/1616473845340442/posts/2253188078335679/

June 10, 2017
০০১ঃ ''কুড়া কাহিনী ''

অটো কুড়া আর নরমাল কুড়ার মধ্যে পার্থক্য কি?
আসুন কয়েকটি ভাগে বোঝার চেষ্টা করি।

১. ধানকে ক্রস সেকশস করলে সর্ববহিস্থ লেয়ারটি হল ধানের হলদে খোসা বা তুষ, মধ্য লেয়ারটি লালচে কুড়া আর ভিতরের লেয়ারটি হল সাদা চাল। তুষের কোন খাদ্যগুন নেই, কুড়া স্বাস্হ্যকর তেলসমৃদ্ধ, এন্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও ডায়েটারী ফাইবারযুক্ত পুষ্টিকর খাদ্য আর চাল ফাইবার বিহীন নিখাদ কার্বোহাইড্রেট। অর্থাৎ তুষ গরুর জন্য অখাদ্য, কুড়া উৎকৃষ্ট খাদ্য আর চাল সহজপাচ্য বিধায় রক্তের চর্বি তৈরী করে তাই গরুকে না খাওয়ানোই ভাল।

২. সাধারন চাউলকলে ধানকে একটিমাত্র হলার মেশিনে ভাঙানো হয়। এই মেশিনের আয়রন রোলার ধানকে ডলা বা ঘষা দিয়ে তা থেকে চাল বের করে। এই প্রক্রিয়াটি কয়েকবার রিপিট করা হয় ফলে প্রথমে তুষ আলাদা হয় ও পরে চাল থেকে কুড়া আলাদা হয়। তুষের আকৃতি চালের চেয়ে বড় এবং কুড়া মিহি হয়। তাই প্রথম ছাকনিতে তুষ আলাদা হয় আর দ্বিতীয় ছাকনিতে চাল আলাদা হয়ে কুড়া থেকে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে কুলা দিয়ে চাল ও কুড়া আলাদা করতে হয়। কিন্তু মেশিন অনুন্নত হওয়ায় এই ঘষার মাত্রাটি নিয়ন্ত্রিত নয়। ফলে প্রচুর তুষ গুড়া হয়ে কুড়াতে মিশে যায়। তাই সাধারন কুড়া হল তুষের গুড়া মিশ্রিত কুড়া যার পুষ্টিমান কম এবং তেল (ব্রান অয়েল) সংগ্রহের অনুপযোগী। তাই দামে সস্তা। ১০ টাকা।

৩. অটোমেটিক রাইসমিলে অনেক রকম আধুনিক মেশিন ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে নিউমেটিক হলার, হোয়াইটেনার ও ব্রান সিফটার মেশিন তিনটি এই আলোচনায় প্রাসঙ্গিক। নিউমেটিক হলারের রাবার রোলার ধানকে নিয়ন্ত্রিতভাবে চাপ দিয়ে কুড়াসহ চালকে স্কুইজ করে বের করে দেয়। ফলে তুষ ভাঙ্গে না। সাধারণত ৩ টি হোয়াইটেনার মেশিন পর পর ব্যবহৃত হয়। ১ম হোয়াইটেনার কুড়াসহ চালকে ঘষা দিয়ে বেশিরভাগ কুড়া আলাদা করে ফেলে। এই কুড়াটি সর্বোৎকৃষ্ট কুড়া। কিন্তু বিপত্তি ঘটে ২য় ও ৩য় হোয়াইটেনারে- এখানে চালকে অধিক সাদা, চকচকে ও চিকন করতে গিয়ে কুড়ার বাকি অংশের সাথে চালের অংশও উঠে আসে। অর্থাৎ হোয়াইটেনার থেকে প্রাপ্ত কুড়ায় তুষ না থাকলেও গুড়া চাল আছে। এর দাম ২০ টাকা যা অটো কুড়া বা রাইস পলিশ নামে পরিচিত। ব্রান সিফটার মেশিনে এই কুড়া থেকে চালের গুড়া আলাদা করা যায়। কিন্তু এ কাজটি বেশিরভাগ অটো মিল করে না। করে রাইস ব্রান অয়েল মিল যারা কুড়া থেকে তেল বের করে। আর কোন অটোরাইসমিল ব্রান সিফটার ব্যবহার করলে তাদের কুড়া ৩২-৩৫ টাকা দরে অয়েলমিল কিনে নেয়।

সিদ্ধান্ত: ১০ টাকার কুড়ায় তুষ আছে আর ২০ টাকার কুড়ায় চালের গুড়া আছে। ৩২ টাকার কুড়া সবচেয়ে ভাল - কিন্তু আমরা তা পাচ্ছি কি? আর পুষ্টিবিদেরা যখন কুড়ার কথা বলেন তারা আসলে কোনটি মীন করেন এবং তারা কুড়ার এত রকমভেদ সম্পর্কে জানেন কি? - প্রশ্ন রইল।

হিলি চিকেন - বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের (বিশেষ করে বান্দরবন জেলা) স্থানীয় একটি জাত। এটি সম্পূর্ণ দেশী মুরগীর জাত যা মা...
12/10/2020

হিলি চিকেন - বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের (বিশেষ করে বান্দরবন জেলা) স্থানীয় একটি জাত। এটি সম্পূর্ণ দেশী মুরগীর জাত যা মাংস উৎপাদনের দিক থেকে সাধারন দেশী মোরগ ও মুরগি থেকে প্রায় দ্বিগুণ । আর স্বাদের (ডিম ও মাংস) দিক থেকেও অনন্য হওয়ায় স্থানীয়ভাবে এসব হিলি মোরগ ও মুরগি খুবই জনপ্রিয় এবং স্থানীয় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এসব মোরগ ও মুরগি অন্যান্য দেশী বা বিদেশী মোরগ ও মুরগির তুলনায় ২-৩ গুন বেশী দামে বিক্রি হয় অর্থ্যাত স্থানীয় দেশীয় জাতের তুলনায়, এ মুরগির ডিম উৎপাদন প্রায় ৩ গুনেরও বেশী তেমনি দৈহিকভাবে দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় ৮ (৫৬ দিনে ) সপ্তাহেই বাজারজাত করা যায় । গ্রামীন কৃষক পর্যায়ে আংশিক সম্পুরক খাদ্য প্রদানের মাধ্যমে ৬ টি মুরগি ও ২ টি মোরগ লালন-পালন করলে আয় ব্যয়ের অনুপাত ১.৮:১ হয় অর্থ্যাৎ ১ (এক) টাকা ব্যয় করে ১.৮০ টাকা লাভ করতে পারে। তাছাড়াও অল্প কিছু পুজি বিনোয়োগ করে ৫০০ বা ১০০০ মাংস উৎপাদনের জন্যে হিলি জাতের দেশী মোরগ ও মুরগি পালন করে মাত্র ৮ ( ৫৬ দিনে ) সপ্তাহে ভাল মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।
হিলি মোরগ ও মুরগির দেহের গঠন এবং বৈশিষ্ট্য :
----------------------------------------------------------
* সাদার মধ্যে কালো ছিটাযুক্ত রঙের হিলি মুরগি সবচেয়ে বেশী দেখা যায় তবে ধূসর এবং লালচে মুরগিও দেখা যায়।
* এ জাতের মুরগি সাধারন দেশী মুরগির চেয়ে অপেক্ষাকৃত বৃহদাকার হয়।
* পালকহীন পা ও হলদে চামড়া এদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ।
* একক ঝুটি বিশিষ্ট এবং ঝুটির রং লাল তবে বাদামি এবং ধূসর বর্ণের ঝুটিও দেখা যায়।
* কানের লতি সাদা তবে লাল এবং সাদার মিশ্রণযুক্ত লতিও দেখা যায়।
* পায়ের নলা সাদাটে তবে হলুদ এবং কালো রঙের নলাও দেখা যায় ও পায়ের নলার দৈর্ঘ্য ১১.৮ সে:মি ।
* ডিমের খোসার রঙ হালকা বাদামি।
* ডিম পাড়া শেষে ডিমে (কুচে হয়) তা দিতে বসে এবং সফলভাবে বাচ্চা ফুটায়। তবে আবদ্ধ অবস্থায় বা খাচায় দীর্ঘদিন ফালন করলে এই বৈশিষ্ট্যটি কমে যায়।
* রোগ বালাই খুবি কম হয়।
দৈহিক ওজন :
-------------------
* একদিন বয়সের বাচ্চার ওজন ২৬-৩২ গ্রাম।
* ৮ ( ৫৬ দিন )সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত দৈহিক ওজন - মুরগি :৫৫০-৭০০ গ্রাম ও মোরগ : ৭০০-৮০০ গ্রাম
* পূর্নাংগ বয়সের(৪০ সপ্তাহ বা ২৮০ দিন) মোরগের ওজন ২.৫-৪ কেজি ও মুরগির ওজন ১.৮-২ কেজি ।
* প্রথম ডিম পাড়ার সময় মুরগির ওজন ১৫০০-১৬০০ গ্রাম ।
ডিম উৎপাদন :
--------------------
* গড়ে ডিম উৎপাদন ক্ষমতা বছরে প্রায় ১৩০-১৪০টি ( স্থানীয় দেশীয় জাতের তুলনায়, এ মুরগির ডিম উৎপাদন প্রায় ৩ গুনেরও বেশী )।
* প্রথম ডিম পাড়ার বয়স ১৯-২১ সপ্তাহ বা ১৩৩-১৪৭ দিন (কিন্তু আমাদের ফার্মের মুরগি গুলো ১৬০-১৮০ দিনে মধ্যে প্রথম ডিম দিয়েছে।)
* প্রথম ডিম পাড়া সময়কালীন ডিমের ওজন : ২৮-৩০ গ্রাম।
* ৪০ সপ্তাহ বয়সে ডিমের ওজন ৪৫-৪৭ গ্রাম ।
* শতকরা উর্বর ডিম হার ৮৮%।
* বাচ্চা ফুটার হার ৭০%-৮০% ( আমাদের ফার্মের ফুটানো বাচ্চার মধ্যে মোরগের সংখ্যা ৭০%-৮০% হয়েছে)।
খাদ্য গ্রহন :
---------------
* ০-৮ সপ্তাহ পর্যন্ত দৈনিক প্রতি বাচ্চার খাদ্য গ্রহন ২০-২২ গ্রাম ।
* ৪০ সপ্তাহ পর্যন্ত দৈনিক প্রতি মোরগ ও মুরগির খাদ্য গ্রহন ৮৫-৯০ গ্রাম ।
* হিলি মোরগ ও মুরগি মোটমুটি সব ধরনের ঘাস প্রচুর খায়।
* ২.৮ কেজি খাদ্য খেয়ে ১ কেজি মাংস বৃদ্ধি পায়।
মৃত্যু হার :
--------------
* ০-৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ১.৫৭% ।
* ৫-১৬ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ০.৫২% ।
* ১৭-২৪ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ০% ।
* ২৫-৩৬ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ১.২৫% ।
* ৪০ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ৩.৩৩% ।

খামার লোকেশনঃ নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান জেলা।

collected

12/10/2020

ই-পাসপোর্টের আদ্যোপান্ত

শুরু করছি মহান সৃষ্টিকর্তার নামে যিনি পরম করুণাময় এবং অসীম দয়ালু।

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কিংবা ইলেকট্রনিক পাসপোর্টের কার্যক্রম ২০১৯ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বেশ কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে ২০২০ সালের ২২শে জানুয়ারি এই কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনের পর থেকেই ই-পাসপোর্টের আবেদনসহ যাবতীয় সকল বিষয় নিয়ে অনেকেই দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভুগছেন। ভোগাটাও স্বাভাবিক কারণ, ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত সুস্পষ্ট তথ্য আমরা সব জায়গায় পাই না। দেখা যায়, এ সকল যাবতীয় তথ্যের জন্যে আমাদের একমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার উপরেই নির্ভর থাকতে হয় যেখানে মানুষজনের ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতার কারণে আমরা সঠিক তথ্যটি না পেয়ে বেশ বিভ্রান্তিতে থাকি।

তাই আমার এই পোস্টের উদ্দেশ্য থাকবে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যগুলো ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে সবার মাঝে তুলে ধরার এবং খুঁটিনাটি সকল বিভ্রান্তি দূর করার।

তবে এই পোস্টটি সবচেয়ে উপকারী হবে তাদের জন্যে, যারা কিনা সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে, কোনো দালালের সাহায্য ছাড়া, সম্ভাব্য তারিখের মধ্যেই জীবনের প্রথম পাসপোর্ট এবং ই-পাসপোর্ট হাতে পেতে চান।

আমার ই-পাসপোর্ট জার্নিঃ

48 pages, 10 years.

পাসপোর্ট টাইপঃ ORDINARY
ডেলিভারী টাইপঃ REGULAR

Account Create: 16th September 2020
Application Submitted: 16th September 2020
Enrollment Completed: 23rd September 2020
Enrolled, Pending Approval: 23rd September to 6th October 2020
Approved: 6th October 2020
Passport Shipped: 7th October 2020
Passport Received: 8th October 2020
Tentative Collection Date: 14th October 2020

২১ দিনের পাসপোর্ট ১৫ দিনেই হাতে, আলহামদুলিল্লাহ!

ই-পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার ধাপ সমূহঃ

১. অনলাইনে আবেদন এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া।
২. পেমেন্ট।
৩. অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী সকল ডকুমেন্টসহ নিজ নিজ পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হয়ে সেগুলো জমা দিয়ে, ছবি তোলা, বায়োমেট্রিকসহ যাবতীয় সকল কাজ শেষ করে ডেলিভারি স্লিপ নিয়ে আসা।
৪. পুলিশ ভেরিফিকেশন।
৫. পাসপোর্ট হাতে পাওয়া।

কোন কোন ব্যাংক ই-পাসপোর্টের ফি জমা নেয়ঃ

১. ওয়ান ব্যাংক
২. ব্যাংক এশিয়া
৩. সোনালী ব্যাংক
৪. প্রিমিয়ার ব্যাংক
৫. ট্রাস্ট ব্যাংক
৬. ঢাকা ব্যাংক

ই-পাসপোর্টের যাবতীয় ফিঃ

৪৮ পেইজ, মেয়াদঃ ৫ বছর।

রেগুলারঃ ৪,০২৫ টাকা, ২১ কার্য দিবসে।
এক্সপেসঃ ৬,৩২৫ টাকা, ১০ কার্য দিবসে।
সুপার এক্সপ্রেসঃ ৮,৬২৫ টাকা, ২ কার্য দিবসে।

৪৮ পেইজ, মেয়াদঃ ১০ বছর।

রেগুলারঃ ৫,৭৫০ টাকা, ২১ কার্য দিবসে।
এক্সপেসঃ ৮,০৫০ টাকা, ১০ কার্য দিবসে।
সুপার এক্সপ্রেসঃ ১০,৩৫০ টাকা, ২ কার্য দিবসে।

৬৪ পেইজ, মেয়াদঃ ৫ বছর।

রেগুলারঃ ৬,৩২৫ টাকা, ২১ কার্য দিবসে।
এক্সপেসঃ ৮,৬২৫ টাকা, ১০ কার্য দিবসে।
সুপার এক্সপ্রেসঃ ১২,০৭৫ টাকা, ২ কার্য দিবসে।

৬৪ পেইজ, মেয়াদঃ ১০ বছর।

রেগুলারঃ ৮,০৫০ টাকা, ২১ কার্য দিবসে।
এক্সপেসঃ ১০,৩৫০ টাকা, ১০ কার্য দিবসে।
সুপার এক্সপ্রেসঃ ১৩,৮০০ টাকা, ২ কার্য দিবসে।

ই-পাসপোর্টের জন্যে কি কি কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা অত্যাবশ্যকীয়ঃ

মূল কপিঃ

১. নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র
২. নিজের স্টুডেন্ট কিংবা জব আইডি (আবেদনের সময় প্রোফেশন “ছাত্র” দিয়ে থাকলে আপনাকে স্টুডেন্ট আইডি প্রদর্শন করতে হবে, “চাকুরীজীবী” দিয়ে থাকলে জব আইডি)
৩. নাগরিক সনদ/প্রত্যয়ন পত্র (স্থায়ী এবং অস্থায়ী এই দুই ঠিকানা থেকেই আপনাকে সেই এলাকার কাউন্সিলর কিংবা চেয়ারম্যানের কাছ থেকে এই নাগরিক সনদ/প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে হবে। এই নাগরিক সনদ/প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহনের জন্যে আপনাকে আপনার এনআইডি কার্ডের এক কপি ফটোকপি এবং স্থায়ী/অস্থায়ী ঠিকানার বিদ্যুৎ বিলের এক কপি ফটোকপি সাথে করে নিয়ে কাউন্সিলর কিংবা চেয়ারম্যানের অফিসে যেতে হবে। সকালে কাগজপত্র জমা দিলে বিকেলের মধ্যেই সনদ হাতে পেয়ে যাবেন। এই সনদের জন্যে কোনোরকম আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজন হয় না।)

ফটোকপিঃ

১. নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র।
২. নিজের স্টুডেন্ট কিংবা জব আইডি।
৩. এসএসসি সার্টিফিকেট।
৪. এইচএসসি সার্টিফিকেট।
৫. নাগরিক সনদ/প্রত্যয়ন পত্র।
৬. বাবার জাতীয় পরিচয় পত্র।
৭. মা’র জাতীয় পরিচয় পত্র।
৮. ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ/ওয়াসা/টেলিফোন) তবে বিদ্যুৎ বিলটাই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।
৯. খতিয়ান কিংবা সিটি করপোরেশনের ট্যাক্স পেমেন্টের রশিদ। (ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকেই মূলত খতিয়ান বলে। যাদের স্থায়ী ঠিকানায় নিজেদের বাড়ি আছে তাদের কাছ থেকে এই খতিয়ান কিংবা সিটি করপোরেশনের ট্যাক্স পেমেন্টের রশিদের এক কপি ফটোকপি পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় প্রয়োজন হবে)

সাজেশনঃ সবগুলোরই একাধিক কপি সাথে রাখবেন, যে কোন সময়ই কাজে লাগতে পারে।

কিভাবে অনলাইন আবেদন করবেনঃ

১. প্রথমে ই-পাসপোর্টের ( https://epassport.gov.bd/ ) এই ওয়েবসাইটে ঢুকে আপনাকে “Apply Online for e‑Passport / Re‑Issue” অপশনটির নিচে থাকা “Directly to online application” এ ক্লিক করে সেখানে যাবতীয় তথ্য ইনপুট দেওয়ার পর আপনার ই-মেইলে একটি কনফার্মেশন মেইল যাবে। সেই মেইলে একটি অ্যাকটিভেশন লিংক দেওয়া থাকবে যাতে ক্লিক করার পর আপনার অ্যাকাউন্টটি অ্যাকটিভ হবে এবং এপ্লাই করার জন্য প্রস্তুত হবে। মেইলটি ইনবক্সে খুঁজে না পেলেও “জাংক/স্প্যাম” ফোল্ডারে পেয়ে যাবেন।

সাজেশনঃ ধরুন, আপনি অ্যাকাউন্ট খুললেন কিন্তু এপ্লাই করলেন না, সেক্ষেত্রে তাদের ওয়েবসাইটে বলা আছে আপনার একাউন্টটি ২১ দিন পর অটোমেটিক্যালি ডিলিট হয়ে যাবে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি হয় না। দেখা যায়, আপনার অ্যাকাউন্ট ডিলিট হয়ে গেলেও আপনার দেওয়া সকল তথ্য তাদের সার্ভারে থেকে যায়। অর্থাৎ সেই তথ্যগুলো (এনআইডি নাম্বার, মোবাইল নাম্বার, ই-মেইল) ব্যবহার করে আপনি নতুন করে আর কোনো অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না এবং আবেদন করতে পারবেন না। এইক্ষেত্রে আপনার অ্যাকাউন্টটি ডিলিট করতে আপনাকে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আলাদাভাবে আবেদন দাখিল করতে হবে। তাই সাজেশন থাকবে কেবলমাত্র আবেদন করতে চাইলেই সকল তথ্যগুলো দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলবেন। আবেদন করার মেন্টালিটি না থাকলে অযথা অ্যাকাউন্ট খুলে নিজের বিপদ ডেকে আনবেন না।

২. এরপর এক এক করে নির্ভুলভাবে সকল তথ্য দিয়ে আপনার আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

সাজেশনঃ আবেদন করার পূর্বে ইউটুব থেকে ১-২ টি টিউটোরিয়াল দেখে অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট করবেন। এটি আপনাকে নির্ভুল অ্যাপ্লিকেশন সাবমিট করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি হুবাবু এনআইডি অনুসরণ করে সকল তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করবেন, “ডট” থেকে শুরু করে “ঠিকানা”পর্যন্ত যা যা আছে সব কিছুই। এতে আপনার পাসপোর্ট করা খুবই সহজ হয়ে যাবে।

দুটি ভালো টিউটোরিয়ালের লিঙ্ক দিলামঃ

https://www.youtube.com/watch?v=gTT9frWc7AY&t=130s&ab_channel=TechUnlimited
https://www.youtube.com/watch?v=J8ce9Wsth1s&t=685s&ab_channel=AndroidLectureBD

৩. আবেদন সম্পন্ন করার পরের ধাপ হচ্ছে পেমেন্ট সিলেকশন। পেমেন্ট সিলেকশনের ক্ষেত্রে আপনি দুটি অপশন পাবেন, একটি “অনলাইন পেমেন্ট” যেটি আপাতত বন্ধ আছে। আরেকটি “অফলাইন পেমেন্ট” অর্থাৎ আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে।

সাজেশনঃ আমার ব্যাক্তিগত সাজেশন থাকবে, অফলাইন পেমেন্ট সিলেক্ট করে ব্যাংকে গিয়ে টাকা জমা দিয়ে আসুন।

৪. পেমেন্ট সিলেকশনের পরের ধাপ হচ্ছে “এপয়েন্টমেন্ট নেওয়া”। অর্থাৎ আপনি কোন দিন, কোন সময়ে পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত থেকে সকল কাগজপত্র জমা দিতে চান সেটির একটি এপয়েন্টমেন্ট নেওয়া লাগে।

সাজেশনঃ ধরুন, আপনি ২০ অক্টোবর এপয়েন্টমেন্ট নিলেন দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে। আপনার RPO যদি আগারগাঁও হয়ে থাকে তাহলে বলবো সেখানে শুধুমাত্র ডেট ম্যাটার করে, টাইম ম্যাটার করে না। অর্থাৎ, আপনি যদি ২০ অক্টোবর এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে ২০ অক্টোবরেই উপস্থিত থাকতে হবে। আপনি কোনোভাবে ১৯ অক্টোবরে কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন না। কিন্তু আপনার এপয়েন্টমেন্ট টাইম যদি ২০ অক্টোবর দুপর ১ টা ৩০ মিনিটে হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ২০ অক্টোবর যে কোনো টাইমেই সেটি জমা দিতে পারবেন। যেমন, আমার এপয়েন্টমেন্ট টাইম ছিলো দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে কিন্তু আমি সেখানে উপস্থিত হই সকাল ৯ টায় এবং সব কাজ শেষ করে বের হই দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিটে। তবে আপনি যদি কোনোভাবে ভীড়ের কারণে ২০ অক্টোবরে কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হন সেক্ষেত্রে আপনি পরের দিন এসে কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন।

৫. অ্যাপ্লিকেশন সাবমিটের পর আপনার সামনে “Print Summary” এবং “Download Application Form for Printing” নামক দুটি অপশন আসবে। এই ফাইল দুটি ডাউললোড করে রেখে দিবেন।

সাজেশনঃ আপনার ড্রাইভে পিডিএফ ফাইল দুটি আপলোড করে ব্যাকাপ হিসেবে রাখতে পারেন। বিপদের সময় কাজে আসবে।

আবেদন করার সময় আমি নিজে যেসব কনফিউশনে ভুগেছিঃ

১. Given Name এবং Surname: এটি অনেক কমন একটি কনফিউশন। সহজ বাংলায় যদি বলতে চাই তাহলে বলবো, “Given Name” হচ্ছে আপনার নামের “প্রথম অংশ” এবং “Surname” হচ্ছে আপনার নামের শেষের অংশ। অর্থাৎ, আপনার নাম যদি হয়ে থাকে “Asad Uz Zaman” তাহলে আপনার “Given Name” হবে “Asad Uz” এবং “Surname” হবে “Zaman”। কিংবা আপনার নাম যদি “Abdur Rahman” হয়ে থাকে তাহলে আপনার “Given Name” হবে “Abdur” এবং “Surname” হবে “Rahman”

২. Given Name (Optional): আবেদন করার সময় লক্ষ্য করলে দেখবেন তারা “Given Name” অর্থাৎ নামের প্রথম অংশের জায়গাটায় অপশনাল রেখেছে। তাদের ভাষ্যমতে, আবেদনের সময় আপনি আপনার নামের প্রথম অংশ ফিলাপ না করলেও আপনার আবেদনটি গ্রহণ হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এই “Given Name” ফিলাপ করা অত্যাবশ্যকীয়। আপনি যদি “Given Name” এর অংশটি ফাঁকা রাখেন তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাবে এই ভুলের কারণে আপনার বেশ ঝামেলা পোহাতে হবে। তাই সাজেশন থাকবে “Given Name” অপশনাল হলেও অবশ্যই অবশ্যই তা ফিলাপ করবেন।

৩. City/Village/House: এই অপশনটিতে অনেকেই ভুল করে বাসার ঠিকানা না দিয়ে নিজের জেলার নাম লিখে ফেলেন। এই ভুল কখনোই করবেন না। এই অপশনটি দেওয়া হয়েছে আপনার বাসার ঠিকানা লিখার জন্যে। আপনার বাসার যদি কোনো স্পেসিফিক “Road/Block/Sector” নাম্বার দেওয়া না থাকে তাহলে “City/Village/House” এই অপশনটিতে আপনার বাসার ঠিকানা সুন্দর করে স্পষ্ট করে ফিলাপ করবেন।

৪. Guardian Name: ফর্মে যদি বাবা-মায়ের সকল তথ্য দিয়ে থাকেন তাহলে আর গার্ডিয়ান নেম ফিলাপ করার প্রয়োজন নেই।

৫. Name or Address issue: আবেদন সম্পূর্ণ করার পর যখন অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের পিডিএফটা ওপেন করি তখন দেখতে পাই আমার গার্ডিয়ান নেইম একটু বড় হওয়ার কারণে ফর্মে সেটির অর্ধেক উল্লেখ হয় নি। এইরকম কেসে ঘাবড়ানোর কিছু নেই, আপনি যদি সঠিকভাবে সকল তথ্য দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার ফর্মের বারকোড স্ক্যান করলেই আপনার অনলাইন আবেদনের সকল তথ্য সেখানে নির্ভুল্ভাবে পাওয়া যাবে। ঠিকানার ক্ষেত্রেও সেইম। প্রিন্টেবল ফর্মে জায়গা সংকটের কারণে এরকমটা হয়ে থাকে কিন্তু তাদের সার্ভারে আপনার ইনপুট দেওয়া সকল তথ্যগুলোই থাকে যায়।

৬. অ্যাপ্লিকেশন ফাইনাল সাবমিশনের আগে তারা আপনাকে একটি ওভারভিউ দেখাবে যেখানে আপনি চাইলে আপনার তথ্যগুলো পুনরায় এডিট করতে পারবেন কিন্তু সাজেশন থাকবে সেখানে কোনো প্রকার এডিট করতে যাবেন না। কারণ অনেকেরই দেখলাম এডিট করার পরেও তাদের ফর্মে তথ্যের কোনো চেইঞ্জ হয় নি। তাই চেষ্টা করবেন প্রথম সাবমিশনেই প্রত্যেকটি তথ্য নির্ভুল্ভাবে দেওয়ার এবং সাবমিশনের আগে তথ্যগুলো বার বার চেক করে নেয়ার।

ই-পাসপোর্টের ফি জমা দেওয়াঃ

ই-পাসপোর্টের ফি জমা দেওয়া বেশ সহজ একটি কাজ। আমি ব্যাংক এশিয়াতে জমা দিয়েছিলাম। ব্যাংকে ঢুকেই গার্ডদের জিজ্ঞেস করার পর তারা আমাকে একটি “Deposit Slip” ধরিয়ে দেয় যেখানে কিনা “Passport fees for MRP” লিখা ছিলো। কনফিউশন দূর করতে তাদের এক কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করার পর জানতে পারি ব্যাংক এশিয়াতে “e-Passport” এবং “MRP” এর জন্যে একই ডিপোসিট স্লিপ। জাস্ট ফি জমার দেওয়ার মুহূর্তে তাদেরকে স্পষ্ট করে বলে নিবেন আপনি “ই-পাসপোর্ট”এর জন্যে ফি জমা দিচ্ছেন। তবে ফি জমা দেওয়ার সময় নাকি অনেকের কাছেই ই-পাসপোর্টের অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম দেখতে চেয়েছে কিন্তু আমার কাছে তা চায় নি। আমার কাছ থেকে তারা ফি'র সাথে এনআইডি কার্ডের এক কপি ফটোকপি রেখেছে। সবশেষ পেমেন্ট রিসিট নিয়ে বাসায় চলে আসলাম।

পেমেন্ট রিসিপটের ২ টি অংশ থাকবে, ১. “Applicant’s Copy” এবং ২. “PP Office Copy”। “Applicant’s Copy” টি ছিঁড়ে নিজের কাছে রেখে দিবেন এবং “PP Office Copy” টি অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের সাথে রেখে দিবেন। এটি এপয়েন্টমেন্টের দিন সাথে নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

সাজেশনঃ ব্যাংকে ফি জমা দেওয়ার সময় ই-পাসপোর্ট অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের এক কপি, নিজের এনআইডি কার্ডের এক কপি ফটোকপি এবং মূল এনআইডি সাথে রাখবেন।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন কি কি সাথে নিবেন এবং কিভাবে নিবেন?

কি কি সাথে নিবেনঃ

১. অবশ্যই “প্রিন্ট সামারি” (কালার প্রিন্ট, যেন বারকোড স্পষ্ট দেখা যায়, যেখান থেকে প্রিন্ট করাবেন সেখানে বলে নিবেন লেজার কালার প্রিন্ট করাতে চাই যেন বারকোড দেখা যায়)।

২. ই-পাসপোর্টের অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম (কালার প্রিন্ট, যেন বারকোড স্পষ্ট দেখা যায়, যেখান থেকে প্রিন্ট করাবেন সেখানে বলে নিবেন লেজার কালার প্রিন্ট করাতে চাই যেন বারকোড দেখা যায় এবং চেষ্টা করবেন ফর্মটা উভয় পেইজে প্রিন্ট করতে অর্থাৎ ২টি A4 সাইজ পেইজের মধ্যে ৩ পেইজ অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম)।

৩. ব্যাংক থেকে সংগ্রহ করা পেমেন্ট রিসিপ্ট।

মূল কপিঃ

১. নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র
২. নিজের স্টুডেন্ট কিংবা জব আইডি
৩. নাগরিক সনদ/প্রত্যয়ন পত্র
৪. অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনে্র সময় যদি বাবা-মা-গার্ডিয়ান অথবা ঠিকানায় কোনো প্রকার ভূল করে থাকেন সেক্ষেত্রে সেগুলো সঠিক প্রমাণ করে সংশোধনের জন্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল এবং ফটোকপি।

ফটোকপিঃ

১. নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র।
২. নিজের স্টুডেন্ট আইডি কিংবা জব আইডি।
৩. নাগরিক সনদ/প্রত্যয়ন পত্র।
৪. ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ/ওয়াসা/টেলিফোন) তবে বিদ্যুৎ বিলটাই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য। এখানে, কয় মাস আগের বিদ্যুৎ বিল দেখাতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই, আমি ২০১৭ সালের এক কপি দেখিয়েছিলাম কারণ ২০১৮ সাল থেকেই আমাদের বাসায় কার্ড সিস্টেমে বিদ্যুৎ বিল পে করতে হয়। তবে ব্যাকআপ হিসেবে ওয়াসা কিংবা টেলিফোনের রিসেন্ট এক কপি বিল সাথে রাখতে পারেন।

কিভাবে নিবেন?

এই সেকশনটায় বেশ কিছু তথ্য জানার আছে। এগুলো যদি বাসা থেকেই ঠিকঠাক করে যেতে পারেন তাহলে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে অযথা এদিক ওদিক দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না।

১. ব্যাংক থেকে সংগ্রহ করা আপনার পেমেন্ট রিসিপ্টের “PP Office Copy” টি ই-পাসপোর্ট অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের ডান পাশে একদম উপরে আঠা দিয়ে লাগাবেন, আই রিপিট আঠা দিয়ে। অনেকেই স্ট্যাপ্লার মেরে জমা দিয়েছে তবে আঠা দিয়ে লাগানোটাই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।

২. (প্রিন্ট সামারি - ই-পাসপোর্টের অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম - নিজের জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি - নিজের স্টুডেন্ট কিংবা জব আইডি কার্ডের ফটোকপি - বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি) বাম থেকে ডানে, অর্থাৎ সর্ব বামে যেটি আছে সেটি হবে সবার উপরে, এই ক্রমে সকল ডকুমেন্টসগুলো একসাথে স্ট্যাপল করে নিয়ে যাবেন, আপনার বেশখানেকটা সময় বাঁচবে।

৩. অ্যাপ্লিকেশন ফর্মের “৩ নাম্বার” পেইজের একদম নিচে “Signature of Applicant” ঘরে আপনার এনআইডি অনুযায়ী নিজ হাতে বলপেন দিয়ে সিগনেচার করবেন এবং পাশে থাকা “Date” ঘরে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডেটের তারিখটি বসিয়ে নিবেন।

মিশন পাসপোর্ট অফিসঃ

এবার হচ্ছে আপনার ই-পাসপোর্ট করার মূল ধাপ অর্থাৎ পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে সকল ডকুমেন্টস জমা দিয়ে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করে আসা। আমার RPO যেহেতু আগারগাঁও ছিলো সেহেতু চেষ্টা করবো আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সকল খুঁটিনাটি তথ্যাদি সরবরাহ করার।

১. প্রথম ধাপঃ প্রথম ধাপে আপনাকে গেটে ঢুকেই লাইনে দাঁড়িয়ে যেতে হবে। “MRP” এবং “E-Passport” এর জন্যে লাইন একই সুতরাং কনফিউজড না হয়ে সামনে থাকা লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। লাইন এগোতে এগোতে সামনে পাবেন একটি ডেস্কবক্স যেখানে আপনার সকল ডকুমেন্টস চেক করার পর আপনার ফর্মে “DHAKA RPO INTRANCE, তারিখ এবং একটি নাম্বার” সম্বলিত সিল দিয়ে আপনাকে পাশের রুমে যেতে বলবে।

সাজেশনঃ এই জায়গাটায় সাধারণত বেশ গরম থাকে এবং সকালের দিকে প্রচুর ভীড় থাকে। সুতরাং, যাদের গরম সহ্য হয় না তারা সাথে করে একটি হাত পাখা নিয়ে আসবেন এবং যারা এই লাইনের ভীড় এড়াতে চান তাদের জন্যে সকালে না আসাটাই উত্তম। চেষ্টা করবেন লাঞ্চ টাইমের আগে আসার, তখন এই জায়গাটা পুরোটাই ফাঁকা থাকে।

২. দ্বিতীয় ধাপঃ এই ধাপটি হচ্ছে সবচেয়ে ফালতু এবং কষ্টকর ধাপের মধ্যে একটি। আপনাকে যে পাশের রুমে যেতে বলবে সে রুমটির কাউন্টারের উপর দুটো নাম্বার দেখতে পাবেন যার প্রথমটি “১০৩”এবং দ্বিতীয়টি “১০৬”। “১০৬”নাম্বার নিয়ে আপনার মাথা ব্যাথার কোনো প্রয়োজন নেই কারণ সেটি “MRP” পাসপোর্ট এর জন্যে। আপনাকে “১০৩” নাম্বার কাউন্টারের “পুরুষ”কিংবা “মহিলা” লাইনে দাঁড়াতে হবে। যেখানে আপনার সকল ডকুমেন্টসের সাথে জাতীয় পরিচয় পত্রের মূলকপি এবং স্টুডেন্ট/জব আইডি কার্ডের মূলকপির সকল তথ্য যাচাই করার পর আপনার ফর্মে “Assistant Director” কর্তৃক একটি সিল এবং “আবেদিত”সিল দিয়ে আপনাকে “৩০৮” নাম্বার রুমে পাঠানো হবে।

সাজেশনঃ এই জায়গাটিতে সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা অথচ এই জায়গায় তাদের কাজের ধীরগতির কারণে আমাকে ৩ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। পাশাপাশি এখানকার এসির অবস্থা খুবই বাজে তাই হাতের কাছে একটি হাত পাখা এবং এক বোতল পানি রাখলে কষ্টের পরিমাণ কিছুটা হলেও কমবে।

৩. তৃতীয় ধাপঃ “৩০৮” নাম্বার মূলত কোনো রুম নয়, এটি ৩য় তলায় সিড়ির পাশে রাখা একটি ডেস্ক যেখানে একজন আর্মি আপনার ফর্মে একটি সিরিয়াল নাম্বার এবং একটি রুম নাম্বার লিখে দিবে। এই সিরিয়াল নাম্বার অনুসারে, ফর্মে লিখিত রুম নাম্বারে আপনার ছবি তোলা সহ যাবতীয় সকল বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করা হবে। আমার ক্ষেত্রে রুম নাম্বার ছিলো “৫০৩”। অনেকের ক্ষেত্রে সেই রুম নাম্বার ছিলো “৪০৩”।

সাজেশনঃ এখানে আগে আগে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন। কারণ, এখান থেকে যত দ্রুত সিরিয়াল নিতে পারবেন, আপনার বায়োমেট্রিকের কাজও তত দ্রুত শেষ হবে।

৪. চতুর্থ ধাপঃ এই ধাপে দেখা পাবেন পুরো পাসপোর্ট অফিসের সবচেয়ে সাপোর্টিভ মানুষজনদের। “৫০৩”অথবা “৪০৩” নাম্বার রুমে আপনার ছবি তোলাসহ সকল বায়োমেট্রিক (ফিংগারপ্রিন্ট, আইরিশ স্ক্যান, সিগন্যাচার) কাজ সম্পন্ন করা হবে। আপনার অ্যাপ্লিকেশন ফর্মে করা যেকোনো ধরনের ভুল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে আপনি এখান থেকে সংশোধন করে নিতে পারবেন। এরপর আপনার সকল ডকুমেন্টস এখানে স্ক্যান করা হবে। সকল কাজ শেষে আপনাকে একটি ডেলিভারী স্লিপ দিয়ে বলা হবে সকল তথ্য ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করে দেখতে। যাচাই করার পর সেখানে দুই জায়গায় আপনার সিগনেচার নিয়ে তারা নিজেদের কাছে অফিস কপি রেখে আপনাকে আপনার ডেলিভারী স্লিপ দিয়ে দিবে, যেটি প্রদর্শনের মাধ্যমে আপনি আপনার তৈরী হওয়া পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

সাজেশনঃ প্রথমত, সাদা এবং হালকা রঙের সকল পোষাক, টুপি, চশমা, ক্যাপ, কপালে টিপ ইত্যাদি পরে ছবি তোলা যাবে না। কালারফুল জামা পরে গেলে ছবি ভালো আসবে। মনে রাখবেন ছবি তোলার চান্স একবারই, সুতরাং, চেষ্টা করবেন সেই মুহূর্তে নিজেকে যতটা পারফেক্টভাবে তুলে ধরা যায়। দ্বিতীয়ত, ডেলিভারী স্লিপটি মনোযোগ সহকারে চেক করবেন এবং স্লিপে কোনোরকম ভুল লক্ষ্য করলে সাথে সাথে অপারেটরদের জানাবেন। তা না হলে আপনার পাসপোর্টে ভুল তথ্য চলে আসবে। তৃতীয়ত, এই রুমের সকল কাজ শেষ করার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পাসপোর্ট অফিসে অবস্থান করে চেক করবেন আপনার মোবাইল নাম্বারে “Your enrollment has been successfully completed” লিখা কোনো মেসেজ এসেছে কিনা। যদি না এসে থাকে, তাহলে আবারো সেই রুমে গিয়ে তাদেরকে বিষয়টা জানাবেন কারণ গ্রুপে অনেকেরই দেখলাম এই প্রব্লেমটির জন্যে ফের পাসপোর্ট অফিসে যেতে হয়েছে, যেখানে আপনি রুম থেকে বের হওয়ার আগেই এই মেসেজটি আপনার মোবাইল ফোনে চলে আসার কথা। আমার ক্ষেত্রে মেসেজটি ২ মিনিটেই চলে এসেছিলো সুতরাং, এই বিষয়টি মাথায় রাখবেন।

এর মাধ্যমেই পাসপোর্ট অফিসের সকল কাজ শেষ। ডেলিভারী স্লিপ নিয়ে বাসায় চলে যান।

পুলিশ ভেরিফিকেশনঃ

যেসব কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে (ফটোকপি) :

১. নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র।
২. নিজের স্টুডেন্ট কিংবা জব আইডি।
৩. এসএসসি সার্টিফিকেট।
৪. এইচএসসি সার্টিফিকেট।
৫. নাগরিক সনদ/প্রত্যয়ন পত্র।
৬. বাবার জাতীয় পরিচয় পত্র।
৭. মা’র জাতীয় পরিচয় পত্র।
৮. ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ/ওয়াসা/টেলিফোন) তবে বিদ্যুৎ বিলটাই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।
৯. খতিয়ান কিংবা সিটি করপোরেশনের ট্যাক্স পেমেন্টের রশিদ (মূলত যাদের স্থায়ী ঠিকানায় নিজেদের বাড়ি আছে তাদের কাছ থেকে এই খতিয়ান কিংবা সিটি করপোরেশনের ট্যাক্স পেমেন্টের রশিদটি চাওয়া হয়)

অভিজ্ঞতাঃ

পুলিশ ভেরিফিকেশন, কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়া! জ্বী, ঠিকই শুনেছেন।

আপনার ভাগ্য ভালো থাকলে, শত শত নর্দমার কীটের মাঝে দেখা পাবেন এমন কিছু সৎ মানুষের, যারা কিনা নিঃস্বার্থভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে যাবে, বাড়িয়ে দিবে সহযোগীতার হাত। ঠিক এমনই এক মানুষের দেখা পেয়েছিলাম পুলিশ ভেরিফিকেশনে। এনরোলমেন্ট কমপ্লিট হওয়ার ১ দিন পরেই (বৃহস্পতিবার) ফোনে মেসেজের মাধ্যমে তিনি জানিয়ে দেন কি কি কাগজপত্রগুলো রেডি রাখতে হবে। তার ঠিক পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবার সকালের ভিতর সব কাগজপত্র রেডি করে জুম্মার পর তাকে ফোন দেই এবং লাঞ্চের পর পরে সে এসে হাজির হয়। তিনি এসেই আমাকে ২টি ফর্ম ফিলাপ করতে দেয় যেখানে একটি ছিলো আমার নিজের পরিচয়, আরেকটি বাবার অঙ্গীকারনামা। কিভাবে কি লিখতে হবে উনিই সব বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। ফর্ম ফিলাপ শেষে সকল ডকুমেন্টস একসাথে স্ট্যাপল করে নিয়ে তিনি চলে যান, রেখে যান সততার পদচিহ্ন।

*উল্লেখ্য আমার স্থায়ী এবং অস্থায়ী ঠিকানা একই হওয়ার কারণে একবারই পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়েছে।

*আপনি যদি সাকসেসফুলি পাসপোর্ট অফিস থেকে আপনার এনরোলমেন্ট কমপ্লিট করে আসেন তাহলে ই-পাসপোর্টের ওয়েবসাইটে আপনার স্ট্যাটাস দেখাবে "Enroled, pending approval"। এর মানে হচ্ছে আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি পাসপোর্ট অফিস কর্তৃক এনরোল্ড হয়েছ, শুধুমাত্র পুলিশ ভেরিফিকেশনটি বাকি। অর্থাৎ, যখন আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়ে যাবে, তখন আপনার স্ট্যাটাস দেখাবে “Approved”।

তো, অনেকেরই দেখা যায় পুলিশ ভেরিফিকেশন কমপ্লিট হয়ে যাওয়ার পরেও অনেকদিন ধরে “Enroled, pending approval” স্ট্যাটাসে আটকে থাকে।

যেমন, আমার এই স্ট্যাটাসে ১৩ দিন আটকে ছিলো যেখানে এসআইকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করলে প্রতিবারই একই উত্তর পেতাম, “আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি পরের দিনেই পাঠিয়ে দিয়েছি”।

আবার, অনেকেই দেখলাম সেইম সিচুয়েশন ফেস করে পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করলে তাদের উত্তর, “আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন জমা হয় নি”।

এক্ষেত্রে আপনার করণীয় কি?

সর্বপ্রথম ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে "Contact" এ থাকা "Support Request" এ আমার সমস্যাটার কথা বিস্তারিত তুলে ধরি। সেখান থেকে আশানুরূপ প্রতিক্রিয়া না পেয়ে টানা ১৩ দিন “Enroled, pending approval” স্ট্যাটাসে আটকে থাকার পর সিদ্ধান্ত নেই AD ([email protected]) এবং DD ([email protected]) বরাবর একটি মেইল করবো। যদিও আমার পাসপোর্ট ডেলিভারি ডেট ছিলো ১৪ই অক্টোবর তাই ডেলিভারি ডেটের আগে পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করতে চাই নি। তবে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি যেন ১৪ তারিখের ভিতরেই পাসপোর্ট হাতে পাই, কোনোরকম লেট যেন না হয় এবং বিস্ময়করভাবে তাদেরকে মেইল করার ২ দিন পর আমার স্ট্যাটাস “Enroled, pending approval” থেকে “Approved” হয়ে যায়।

এখন, এটা কি এমনিতেই হলো নাকি মেইলের কারণে হলো সঠিক জানা নেই।

তবে যাদের ডেলিভারি ডেট পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনো “Enroled, pending approval” এ আটকে আছে তাদের বলবো অতি জলদি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে। যদি সেখান থেকে বলা হয় আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশনটি জমা হয় নি তখন তৎক্ষনাৎ থানায় যোগাযোগ করবেন এবং লেগে থাকবেন। এক পরিচিত ভাইয়ের সেইম সিচুয়েশন ফেস করতে হয়েছিলো এবং তিনি থানায় যোগাযোগের মাধ্যমে সমস্যাটা বেশ জলদি সমাধান করে ফেলেন।

ই-পাসপোর্ট কালেশনঃ

ই-পাসপোর্ট কালেক্ট করাও বেশ সহজ একটি প্রোসেস। সোজা তৃতীয় তলায় উঠে হাতের ডান পাশে এগোলেই দেখতে পাবেন ই-পাসপোর্ট ডেলিভারি কাউন্টার (৩০১)। সেখানে আপনার ডেলিভারি স্লিপ জমা নিয়ে আপনাকে একটি সিরিয়াল নাম্বার সম্বলিত টোকেন দেওয়া হবে যার ভিত্তিতে আপনার ই-পাসপোর্ট ডেলিভারি করা হবে। উপরে থাকা স্ক্রিনে আপনার টোকেন নাম্বার শো করলে আপনার ফিংগারপ্রিন্ট দেওয়ার মাধ্যমে আপনি পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত ই-পাসপোর্ট।

পোস্টটি বেশ বড় হয়ে যাওয়ায় আন্তরিক দুঃখিত। তবে চেষ্টা করেছি নিজের সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে, আশা করি তা পেরেছি।

ধন্যবাদ।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কৃষি বার্তা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share