26/09/2023
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে,তামিমকে দলে রাখলেও বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ আফগানিস্তানের বিপক্ষে তাকে ম্যাচে রাখা হবেনা,এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।এই সিদ্ধান্তে তামিম বেকে বসেন।কারণ তিনি প্রথম ম্যাচে খেলার জন্য মুখিয়ে ছিলেন।পরে তামিমের সাথে অনেক আলাপা আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হল ঠিক আছে, তামিম কে প্রথম ম্যাচে খেলানো হবে।তবে একটা শর্ত আছে।পরের ম্যাচ থেকে তাকে মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে হবে।একবার ভাবুন,যাকে আমরা ওপেনিং ছাড়া কখনো খেলতে দেখিনি তাকে এইরকম একটা উদ্ভট প্রস্তাব দেয়া হল।তামিমকে আমরা ওপেনিং ছাড়া কল্পনাই করতে পারিনা কখনো।দুই ম্যাচ খেলার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষের শেষ ম্যাচে তিনি রেস্টের কথা জানান বোর্ডকে যাতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিজেকে আরও একটু ভালোভাবে মেলে ধরতে পারেন। খানিকটা প্রফেশনালিজমের বাইরে গিয়ে কথা বলি,আনফিট অবস্থায় তো আমাদের মাশরাফি ভাইও অনেক ম্যাচ খেলসে দলের হয়ে।কই!!তখন তো ফিট আর আনফিটনেস নিয়ে এতো কথা হয়নি।
আরেকটা অবাক করার মতো পয়েন্ট বলি,তামিমের চাচা যথেষ্ট এক্সপেরিয়েন্সড একজন সদস্য বাংলাদেশ ক্রিকেটে। কেন হঠাৎ করেই পদত্যাগ করলেন তিনি?বিশেষ একজন ক্রিকেটারের চাওয়াতে তামিমের বড় ভাই নাফিস ইকবালকেও দলের সাথে সংযুক্ত রাখা যাবেনা।ব্যাপারগুলো কি আপনার মনে অন্যরকম প্রশ্ন জাগিয়ে তুলে না !!!
খান সাহেবকে একিদন তো ক্রিকেট টা ছাড়তেই হতো।তবে শেষ বিশ্বকাপ টা কি তার মনের মতো করে রাঙিয়ে যেতে পারতেন না!! বিশ্বকাপের মঞ্চে ডাউন দ্যা উইকেটে এসে আরও কয়েকটা ছক্কা দেখার ইচ্ছা ছিল তার ব্যাট থেকে।
বাংলাদেশ দলের জন্য শুভকামনা রইল!!