Xpart Soft

Xpart Soft Xpartsoft is a leading Software and web company in Bangladesh Xpart Soft is a privately owned raising software company and locally established in Bangladesh.

It is a solid IT platform which really intends to connect you in the next with our latest developed technologies like software, E-commerce website etc. We have been trying best to meet the people’s requirements here locally since couple of years. Since 2011, this organization has connected with the software technology and working hard on to provide our best solutions in order to create a satisfact

ory technological edge in the market. We are empowering the individuals, teams and organizations with the huge business potential hidden in world of internet. Also we are always with the excellence of services and affordability to grave your focus on us. Our intension is always to research and identifying markets to bridge with latest technologies that shape our IT industry definitely

26/06/2021
08/06/2021

বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সরকারি ও সংবাদপত্রের ওয়েবসাইটগুলো মঙ্গলবার একাধিকবার ইন্টারনেট বিভ্রাটে পড়ে...

05/06/2020

Forget UNICORN, Be a CAMEL During the Corona-crisis!

মিথলজিতে ইউনিকর্ণ অত্যন্ত রহস্যময় এবং বিখ্যাত একটী প্রানী - যেটি দেখতে অনেকটা শুভ্র অশ্ব বা ঘোড়ার মতো, কিন্তু মাথায় একটি খাড়া শিং! সৌন্দর্য্য, শুদ্ধতা, তেজ, হিলিং পাওতার, বিদ্যুৎ বেগ এবং জাদুকরী ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ইউনিকর্ণকে দেখা হয়েছে সুপ্রাচীন কাল থেকে।

বিজনেস ওয়ার্ল্ডে আমরা Unicorn টার্মটি ব্যবহার করি 1 Billion ডলার ($1B+) বা 8500 কোটি টাকার উপর ভ্যালুয়েশন এর প্রাইভেট লিমিটেড স্টার্টআপ কোম্পানী বোঝাতে।

আমার জানামতে পৃথিবীতে এই মূহুর্তে 472 টি ইউনিকর্ণ কোম্পানি রয়েছে (May, 2020), যাদের টোটাল ভ্যালুয়েশন ~ $1,382B. এদের মধ্যে Airbnb, SpaceX, Stripe, Go-Jek, Ola, Quora, Reddit, Asana, Coursera ইত্যাদি আমাদের কাছে বেশ পরিচিত।

ফাউন্ডার থেকে শুরু করে ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট, এমপ্লয়ী সহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডার সবার কাছেই পরম আরাধ্য - ইউনিকর্ণ কোম্পানি। বিজনেসের শুরু থেকেই অনেক ফাউন্ডারের স্বপ্ন থাকে disruptive innovation এর মাধ্যমে একটা ইউনিকর্ণে পরিণত হওয়া।

শুধুমাত্র স্টার্টআপ না, COVID-19 ক্রাইসিস এর আগে Unicorn Strategy অনেক অনেক কোম্পানিই ফলো করতে চেষ্টা করতো।

অর্থাৎ হিউজ পরিমানে cash burn করে মার্কেট শেয়ার বাড়িয়ে নেয়া, প্রচুর ডিসকাউন্ট দিয়ে স্বল্পতম সময়ে বিপুল সংখ্যক কাস্টোমার acquisition করা, একটার পর একটা ইনোভেটিভ ফিচার রিলিজ করা, ড্রামাটিক মার্কেটিং স্ট্যান্স এর মাধ্যমে চারিদিকে আলোড়ন সৃষ্টি করা, month-by-month গ্রোথ কার্ভটাকে যে কোন মূল্যেই steep রাখার আপ্রাণ চেষ্টা ইত্যাদি।

এবং মার্কেটও এতদিন এই ইউনিকর্ণ স্ট্রাটেজিতে বেশ পজিটিভ রেসপন্স করে আসছিল। ইনভেস্টররা চাইতো 100x থেকে 1000x ROI, এমপ্লয়ীরা চাইতো lucrative বেনিফিট প্যাকেজ, কাস্টোমাররা চাইতো shiny নতুন ফিচার, গাদা গাদা ডিসকাউন্ট আর মাথা নষ্ট সব অফার…

Who doesn’t love a Unicorn??

অপরপক্ষে Camel বা উট কখনোই ইউনিকর্নের মতো অতটা charming ছিল না।

প্রাণী উটকে একনামে আমরা সবাই চিনি মরুভূমির জাহাজ হিসেবে। বালিতে ধীরে ধীরে চলাচলের উপযোগী লম্বা লম্বা পা, অস্বাভিক ভার বহনের ক্ষমতা, দিনের পর দিন পানি না খেয়ে চলতে পারা, এবং প্রতিকূল পরিবেশে মানিয়ে নেবার অবিশ্বাস্য সহ্যশক্তি রয়েছে উটের।

বিজনেস টার্মে Camel কোম্পানি বলতে আমরা বুঝি সেইসব কোম্পানি যেগুলো slow and steady, তেমন কোন ড্রামাটিক গ্রোথ স্ট্রাটেজি নেই, ধীরে সুস্থে প্রতিকূলতা পেরিয়ে অবিরাম এগিয়ে চলছে তো চলছেই।

Sounds Kind of boring compared to Unicorn, right?
But not anymore during this global crisis...

এই ইকোনোমিক ডাউনটাইমের সময় ফাউন্ডার, ইনভেস্টর, মার্কেটার, ব্র্যান্ড প্রাকটিশনার সহ সকল স্টকহোল্ডারকে Camel Company হবার চেষ্টা করতে হবে।

এখন এমন একটা সিচুয়েশন যখন কোম্পানি গুলো কাস্টোমার খুজে পেতে ভয়াবহ স্ট্রাগল করছে; ইনভেস্টররা রিস্ক নিতে ভয় পাচ্ছে; অনেক কোম্পানি কস্ট কাটিং করে শুধুমাত্র বেসিক ফাংশনালিটি গুলো রানিং রাখছে - ইনোভেশন, গ্রোথ, স্ট্যান্টবাজির পিছনে টাকা-পয়সা খরচ করাতো অনেক দূরের কথা।

Camel Thinking এখন আপনাকে হেল্প করবে চিন্তা করতে কিভাবে একটা গেরিলা ক্যাম্পেইন করে বেশ কিছু ক্যাশ জেনারেট করা যায়। ঠিক যেমন একটা উট ৩ মিনিটে ২০০ লিটার পর্যন্ত পানি খেয়ে নিতে পারে।

তারপর কিভাবে সেই ক্যাশ রিজার্ভ করে এবং খুব কেয়ারফুলি খরচ করে এই ক্রাইসিস সিচুয়েশন আরো বেশিদিন সারভাইব করা যায়। যেভাবে উট নতুন করে পানি পান না করেও রিজার্ভ করা পানি দিয়ে টিকে থাকতে পারে তপ্ত মরূভুমিতে। যেভাবে এক টুকরো খাবার না পেলেও পিঠের কূজের ফ্যাট থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে দিনের পর দিন চলতে পারে।

আমার পরম শ্রদ্ধ্যেয় শিক্ষক Dr. Syed Ferhat Anwar (Director, IBA, DU) স্যার সেদিন লাইভে বলছিলেন "কোম্পানি গুলো যেন এই মূহুর্তে কোনভাবেই মার্কেটিং ইফোর্ট পুরোপুরি বন্ধ না করে দেয়।"

খেয়াল করুন এখানেই কিন্তু unicorn এবং camel এর মধ্যে পার্থক্য। Camel company প্রতিকূল পরিস্থিতি এর মধ্যে দিয়েও অবিচলভাবে চলতে পারে। কারণ সেই কোম্পানিগুলো জানে কিভাবে innovative এবং minimalist way তে profitably চলতে হয়, কিভাবে দুর্যোগ শেষ হওয়া পর্যন্ত টিকে থেকে consistently সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়।

অন্যদিকে Unicorn strategies followers রা কিন্তু অধিকাংশ সময় ক্রাইসিস (স্পেশালি ক্যাশ ক্রাইসিস) এ পড়লে খেই হারিয়ে ফেলে - এবং অতঃপর Erratic বিহেভিয়ার শো করে। একদিকে employee downsize করে তো আরেকদিকে ইনভেস্টর এর পিছনে দিকভ্রান্তের মতো দৌড়াতে থাকে …. আর শেষ পর্যন্ত বিজনেস স্ট্রাটেজির ভুল বুঝতে পেরে অপ্রয়োজনীয় সার্ভিস গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়!

[চোখ বন্ধ করলেই বেশ কিছু জ্বলজ্যান্ত টাটকা উদাহরণ আপনার চোখের সামনে ভেসে উঠবে, আমি এখানে নাম মেনশন করলাম না!!]

যারা বিলিয়ন ডলার কোম্পানির স্বপ্ন দেখছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ সম্ভবত এই লেখাটা পড়ে অখুশি হবে। তাহলে কি ইউনিকর্ণ স্ট্রাটেজি ভুল?

উত্তর হচ্ছে - Of Course Not!

যখন সব কিছু আবার স্বাভাবিক হবে - নিউ নরমাল যখন নরমাল হবে তখন আপনি আবার ইউনিকর্ণ স্ট্রাটেজি নেবার কথা চিন্তা করবেন।

But try to become a Camel during this Pandemic.

উটও কিন্তু জানে সুযোগের সদ্ব্যবহার কখন কিভাবে করতে হয়। সামনে একটা পানির সোর্স পেলে কিন্তু লিটার কি লিটার পানি খেয়ে নিতে ভুল করবে না।

কিন্তু সে এটাও জানে - Survival First.
Being a Camel Company is all about ADAPTING.
It’s about knowing when to go slow, and when to run. When to spend money, when to reserve. Knowing how to not panic. Knowing how to balance.

সারভাইভাল ইন্সটিংক্ট এবং দূরদৃষ্টি একজন লিডারের জন্য সবসময়ই অন্যতম প্রধান পূজি, কি সুসময় কি দুঃসময়।

সুতরাং, একজন লিডার হিসেবে, এই ক্রাইসিস মোমেন্টে আপনার কোম্পানিকে রক্ষার উপযুক্ত মডেল হিসেবে বেছে নিন - Camel, Not Unicorn!

লেখা: Anupom Mollick

05/04/2020

সাইকোলজিস্টের উপদেশ:-

১) করোনা সংবাদ থেকে দুরে থাকুন (যা জানার তা আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি)।

২) কতজনের মৃত্যু হলো জানা দরকারি নয়, এটা ক্রিকেট ম্যাচ নয় যে ঘন্টায় ঘন্টায় স্কোর জানতে হবে।

৩) ইন্টারনেট ঘেঁটে করোনা নিয়ে আরো তথ্য জানা আপনার খুব দরকার নেই।

৪) অন্যকে করোনা নিয়ে আতঙ্কজনক মেসেজ পাঠাবেন না - সকলে আপনার মতন শক্ত মনের মানুষ নন, এতে তার ভালর চেয়ে খারাপই করবেন। ডিপ্রেশন আসতে পারে তার।

৫) সম্ভব হলে বাড়িতে ভাল - শান্ত গান (কম জোরে) শুনুন। সাথে ৫ওয়াক্ত নামাজ আর কোরআন পড়তে হবে। বাচ্চাদের গল্প শোনান, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে গল্প করুন, ওদের সঙ্গে 'বোর্ড গেম' খেলুন।

৬) বাড়িতে হাত ধোয়া সহ সব নিয়ম ঠিকমতন পালন করুন।

৭) পজেটিভ মানসিকতা শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায় , আর নেগেটিভ
মানসিকতা, ডিপ্রেশন আনে আর প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমায়।

৮) মনের জোর রাখুন এই অবস্থা আমরা ঠিক পেরিয়ে যাবো।

৯) প্রতিদিন ৩০-৪৫ মিনিট হাল্কা ব্যায়াম করুন।

বাড়িতে থাকুন -- পজেটিভ থাকুন -- সুরক্ষিত থাকুন।

19/03/2020

মহামারীতে ইসলামের ৫ নির্দেশনা

বিশ্বের ১৬৬টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে নভেল করোনা ভাইরাস। প্রাণঘাতী এ রোগটির প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে বাংলাদেশেও। এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ধর্মানুরাগী মুসলিম। এমন ক্রান্তিকালে ইসলামের নির্দেশনা কী- অনেকেই তা জানতে আগ্রহী। আর জনমানুষের এ আগ্রহের সুযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভুলভাল তথ্য দিয়ে সৃষ্টি করা হচ্ছে বিভ্রান্তি। এ সবের অবসান প্রয়োজন, প্রয়োজন ইসলামের প্রকৃত নির্দেশনা তুলে ধরা।
করোনার মতো ভয়াবহ রোগ পৃথিবীতে নতুন নয়; ইসলামের সূচনালগ্নেও এ ধরনের মহামারী বিভিন্ন দেশে দেখা গেছে। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (স) এ সময় মুসলিমদের করণীয় কী তা-ও বলে দিয়েছেন। সাহাবিরা সেই নির্দেশনা পালন করেছেন এবং সুফল পেয়েছেন।
তা ছাড়া এ রোগের প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার হয়নি সত্য, কিন্তু সর্বশক্তিমান আল্লাহর জন্য কোনো রোগ নিরাময় অসাধ্য নয়। রোগব্যাধি তিনিই দেন এবং তিনিই নিরাময় দান করেন। ‘যখন আমি অসুস্থ হই তখন তিনিই আমাকে নিরাময় দান করেন’ (কোরআন- ৭৮:৮০)। তিনি রোগব্যাধি দিয়ে আমাদের পরীক্ষা করেন। আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন- ‘আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব ভয়, ক্ষুধা, তোমাদের জান-মাল ও ফসলাদির ক্ষতিসাধনের মাধ্যমে; ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও!’ (কোরআন- ২:১৫৫)।
প্রশ্ন ওঠে যে, আল্লাহ এমন মহামারীর পরীক্ষায় আমাদের কেন ফেললেন? প্রথমত, এভাবে কারা ইমানের ওপর অবিচল থাকে, তা তিনি দেখতে চান, বিশ্বাসীদের মর্যাদা বৃদ্ধি করতে চান। দ্বিতীয়ত, এসব বিপর্যয়ের কারণ আদতে মানুষ নিজেই। মহান রব বলেন, ‘মানুষের কৃতকর্মের জন্য জলে-স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে তাদের কোনো কোনো কর্মের শাস্তি আস্বাদন করানো হয়, যেন তারা সৎপথে ফিরে আসে।’ (কোরআন ৩০:৪১)।
মহানবি (স) বলেছেন, ‘যখন প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে, তখন মহামারী দেখা দেয়; যখন ওজন ও পরিমাপে কারচুপি হয়, তখন দুর্ভিক্ষ নামে এবং যখন জাকাত আদায় করা না-হয়, তখন অনাবৃষ্টি হয়।’ (ইবনে মাজাহ- ৪০১৯)।
মহামারীর সময় ইসলামের নির্দেশনা হলো : এক. অহেতুক আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধারণ করা। ইমানের ওপর অবিচল থাকা। দুই. আক্রান্ত অঞ্চলে যাতায়াত না করা। মহানবী (স) বলেছেন, কোনো অঞ্চলে প্লেগের (বা অন্য কোনো মহামারীর) সংবাদ শুনলে সেখানে প্রবেশ করো না। আর তা তোমাদের অবস্থানে ছড়ালে সেখান থেকে বেরিয়ে যেও না।’ (বোখারি- ৫২০৪)।
তিন. সংক্রমণের ভয় হলে জনসমাগম এড়িয়ে চলা। নবীজি (স.) এরশাদ করেছেন- ‘কুষ্ঠ রোগী থেকে দূরে থাকো, যেভাবে বাঘ থেকে দূরে থাকো।’ (বোখারি- ৫৭০৭)। অন্যদিকে ‘ইসলামে সংক্রমণ বলতে কিছু নেই’ বলে যে উক্তি রয়েছে, তার অর্থ- গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাবে সৃষ্ট সংক্রমণ ও স্বয়ংসক্ষম সংক্রমণ বলে কিছু নেই। অর্থাৎ গ্রহ-নক্ষত্র বা রোগের নিজস্ব ক্ষমতা নেই। ‘নবীজি সফরে বৃষ্টি বা শীতের রাতে মুয়াজ্জিনকে আজান দিতে বলতেন এবং সাথে সাথে এ কথাও ঘোষণা করতে বলতেন যে, ‘তোমরা আবাসস্থলেই নামাজ আদায় করে নাও!’ (বোখারি- ৫৭২৯)।
চার. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা। মহানবী স. বলেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইমানের অর্ধেক’ (সহি মুসলিম- ২২৩)। ইউনিসেফ ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, নিয়মিত হাত ধোয়া এবং সম্ভাব্য সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে মেলামেশা না করা করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর সর্বোত্তম উপায়।
পাঁচ. রোগ থেকে বেঁচে থাকার জন্য দোয়া পড়া। বিশুদ্ধ হাদিসে এ সময় পাঠ্য একটি দোয়া রয়েছে। তা হলো- ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বারাছি ওয়াল জুনুনি ওয়াল জুযামি ওয়ামিন সায়্যিল আসক্বাম।’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ, আমি শ্বেত রোগ, উন্মাদনা, কুষ্ঠরোগ এবং দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে আপনার আশ্রয় চাই।’ (আবু দাউদ- ১৫৪৯)।
সব শেষে, এ বিপর্যয় থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রতিষেধক আবিষ্কার থেকে শুরু করে মহামারী মোকাবিলায় সবাইকে সর্বাত্মক উদ্যোগী হতে হবে। আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন- ‘আমি কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করি না, যতক্ষণ না তারা নিজে নিজের অবস্থা পরিবর্তন করে।’ (কোরআন- ১৩ :১১)। দয়াময় রব সবাইকে এ মহামারী থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

Source : ১৯ মার্চ ২০২০ ০৮:৫৪ daily Amader shomoy

23/01/2020

মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইনটেল বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ওমর ইশরাককে প্রতিষ্ঠানটির পরিচ....

পহেলা ফাল্গুন " শুভ বসন্ত"
13/02/2018

পহেলা ফাল্গুন " শুভ বসন্ত"

Address

479 Medical Road, Ashkona
Dakshin Khan
1230

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 18:00

Telephone

+8801911331012

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Xpart Soft posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Xpart Soft:

Share

Category