Darsana Image Gallary

Darsana Image Gallary Darsana Store & Online Shop is an online grocery shopping site.

You can order your daily essentials groceries from Darsana Store & Online Shop and get it delivered in your doorstep.

আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আমাদের গর্ব ”বাংলা ভাষা”।বিনম্র শ্রদ্ধা আত্নত্যাগকারী সেই সকল ভাষা শহীদদের প্রতি।।
21/02/2020

আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আমাদের গর্ব ”বাংলা ভাষা”।
বিনম্র শ্রদ্ধা আত্নত্যাগকারী সেই সকল ভাষা শহীদদের প্রতি।।

চুয়াডাঙ্গা জেলার কোন এলাকাতে বেশী আম ও লিচু বাগান আছে? #উপজেলা_ও_ইউনিয়ন #চুয়াডাঙ্গা_সদরঃ১ আলুকদিয়া২ মোমিনপুর৩ কুতুবপুর৪ ...
18/05/2019

চুয়াডাঙ্গা জেলার কোন এলাকাতে বেশী আম ও লিচু বাগান আছে?

#উপজেলা_ও_ইউনিয়ন
#চুয়াডাঙ্গা_সদরঃ
১ আলুকদিয়া
২ মোমিনপুর
৩ কুতুবপুর
৪ শংকরচন্দ্র
৫ বেগমপুর
৬ তিতুদহ
৭ পদ্মবিলা

#আলমডাঙ্গাঃ
১ ভাংবাড়ীয়া
২ হারদী
৩ কুমারী
৪ বাড়াদী
৫ গাংনী
৬ খাদিমপুর
৭ জেহালা
৮ বেলগাছি
৯ ডাউকী
১০ জামজামী
১১ নাগদাহ
১২ খাসকররা
১৩ কালিদাসপুর
১৪ চিৎলা
১৫ আইলহাঁস

#দামুড়হুদাঃ
১ জুড়ানপুর
২ নতিপোতা
৩ কার্পাসডাঙ্গা
৪ কুড়ুলগাছি
৫ পারকৃষ্ণপুর মদনা
৬ হাউলী
৭ দামুড়হুদা
৮ নাটুদহ

#জীবননগরঃ
১ উথলী
২ আন্দুলবাড়ীয়া
৩ বাঁকা
৪ সীমান্ত
৫ হাসাদাহ
৬ রায়পুর
৭ মনোহর
৮ কেডিকে

আরবি বার মাসের একটি মাস রমজান। এ মাসটি ইসলাম ধর্মে সম্মানিত। অন্য মাসগুলোর তুলনায় এ মাসের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা...
18/05/2018

আরবি বার মাসের একটি মাস রমজান। এ মাসটি ইসলাম ধর্মে সম্মানিত। অন্য মাসগুলোর তুলনায় এ মাসের বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা রয়েছে। যেমন :

১. আল্লাহ তাআলা এ মাসে রোজা পালন করাকে ইসলামের চতুর্থ রুকন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :

(شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدىً لِلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِنَ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْه) [ 2 البقرة : 185]

“রমজান মাস এমন মাস যে মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে; মানবজাতির জন্য হিদায়েতের উৎস, হিদায়াত ও সত্য মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী সুস্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে। সুতরাং তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তি এই মাস পাবে সে যেন রোজা পালন করে।” [২ সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৮৫]

وثبت في الصحيحين البخاري ( 8 ) ، ومسلم ( 16 ) من حديث ابن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال : ” بني الإسلام على خمس شهادة أن لا إله إلا الله , وأن محمدا عبد الله ورسوله , وإقام الصلاة , وإيتاء الزكاة ، وصوم رمضان , وحج البيت” .

সহীহ বুখারী (৮) ও সহীহ মুসলিম (১৬)-এ ইবনে উমর (রাঃ) এর হাদিস থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইসলাম পাঁচটি খুঁটির উপর নির্মিত।
(১) এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ (উপাস্য) নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল
(২) সালাত কায়েম (প্রতিষ্ঠা) করা
(৩) যাকাত প্রদান করা
(৪) রমজান মাসে রোজা পালন করা এবং
(৫) বায়তুল্লাহ শরিফের হজ্জ আদায় করা”।

২. আল্লাহ তাআলা এই মাসে কুরআন নাযিল করেছেন। যেমনটি তিনি ইতিপূর্বে উল্লেখিত আয়াতে বলেছেন:

(شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنْزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدىً لِلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِنَ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ ) [ 2 البقرة : 185]

“রমজান মাস এমন মাস যে মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে; মানবজাতির জন্য হিদায়েতের উৎস, হিদায়াত ও সত্য মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী সুস্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে। [২ সূরা আল-বাক্বারা: ১৮৫] তিনি আরও বলেছেন :

(إنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ) [ 97 القدر: 1]

“নিশ্চয়ই আমি একে (কুরআনকে) লাইলাতুল কদরে নাযিল করেছি।” [৯৭ সূরা আল-ক্বাদ্‌র:১]

৩. আল্লাহ তাআলা এ মাসে লাইলাতুল কদর বা ভাগ্য রজনী রেখেছেন। যে রাত্রি হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

( إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ . وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ . لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ . تَنَزَّلُ الْمَلائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ . سَلامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ) [97 القدر: ١ – ٥]

১. নিশ্চয়ই আমি এটা (কুরআন) লাইলাতুল কদরে নাযিল করেছি। ২. আপনি কি জানেন– লাইলাতুল কদর কি? ৩. লাইলাতুল কদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। ৪. এই রাতে ফেরেশতাগণ ও রূহ (জিবরীল আলাইহিস সালাম) তাঁদের রবের অনুমতিক্রমে সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করেন। ৫. ফজরের সূচনা পর্যন্ত শান্তিময়।”[৯৭ আল-কাদর : ১-৫]

তিনি আরও বলেছেন :

( إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ إِنَّا كُنَّا مُنْذِرِينَ ) [ 44 الدخان: 3]

“নিশ্চয়ই আমি এটা (কুরআন) এক মুবারকময় (বরকতময়) রাতে নাযিল করেছি। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী।” [৪৪ আদ-দুখান : ৩]

আল্লাহ তা‘আলা রমজান মাসকে লাইলাতুল কদর দিয়ে সম্মানিত করেছেন। আর এই বরকতময় রাতের মর্যাদা বর্ণনায় সূরাতুল কদর নাযিল করেছেন। এ ব্যাপারে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

“তোমাদের কাছে রমজান উপস্থিত হয়েছে। এক বরকতময় মাস। আল্লাহ তোমাদের উপর এ মাসে সিয়াম পালন করা ফরজ করেছেন। এ মাসে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। এ মাসে অবাধ্য শয়তানদের শেকলবদ্ধ করা হয়। এ মাসে আল্লাহ এমন একটি রাত রেখেছেন যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। যে ব্যক্তি এ রাতের কল্যাণ হতে বঞ্চিত হল সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষেই বঞ্চিত।” [হাদিসটি বর্ণনা করেছেন নাসা’ঈ (২১০৬) ও ইমাম আহমাদ (৮৭৬৯) এবং শাইখ আলবানী ‘সহীহুত তা্রগীব’ (৯৯৯) গ্রন্থে হাদিসটিকে সহীহ আখ্যায়িত করেছেন]

আর আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং সওয়াবের আশায় লাইলাতুল ক্দর বা ভাগ্য রজনীতে নামাজ আদায় করবে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।” [হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারী (১৯১০) ও মুসলিম (৭৬০)]

৪. আল্লাহ তাআলা এই মাসে ঈমান সহকারে ও প্রতিদানের আশায় সিয়াম ও ক্বিয়াম পালন (রোজা ও নামাজ আদায়) করাকে গুনাহ মাফের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যেমনটি সহীহ বুখারী (২০১৪) ও সহীহ মুসলিম (৭৬০) -এ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমজান মাসে ঈমান সহকারে ও সওয়াবের আশায় রোজা পালন করবে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।” এবং সহীহ বুখারী (২০০৮) ও সহীহ মুসলিম (১৭৪)-এ আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে আরও বর্ণিত হয়েছে যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমজান মাসে ঈমান সহকারে ও সওয়াবের আশায় নামায আদায় করবে তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।”

মুসলিমগণ এ ব্যাপারে ইজমা (ঐকমত্য) করেছেন যে, রমজান মাসে রাতের বেলা ক্বিয়াম পালন (নামায আদায় করা) সুন্নত। ইমাম নববী উল্লেখ করেছেন: “রমজান মাসে ক্বিয়াম করার অর্থ হল তারাবীর নামায আদায় করা। অর্থাৎ তারাবীর নামায আদায়ের মাধ্যমে ক্বিয়াম করার উদ্দেশ্য সাধিত হয়।”

৫. আল্লাহ তাআলা এই মাসে জান্নাতগুলোর দরজা খোলা রাখেন, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ রাখেন এবং শয়তানদেরকে শেকলবদ্ধ করেন। যেমনটি দুই সহীহ গ্রন্থ সহীহ বুখারী (১৮৯৮) ও সহীহ মুসলিম (১০৭৯)-এ আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হাদিস হতে সাব্যস্ত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রমজান আগমন করে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানদেরকে শেকলবদ্ধ করা হয়।”

৬. এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে তাঁর বান্দাদের মুক্ত করেন। ইমাম আহমাদ (৫/২৫৬) আবু উমামাহ -এর হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “প্রতিদিন ইফতারের সময় আল্লাহ কিছু বান্দাকে (জাহান্নাম থেকে) মুক্ত করেন।” আল-মুনযিরী বলেছেন হাদিসটির সনদে কোন সমস্যা নেই। আলবানী ‘সহীহুত তারগীব’ (৯৮৭) – গ্রন্থে হাদিসটিকে সহীহ আখ্যায়িত করেছেন।

বাযযার (কাশফ ৯৬২) আবু সা’ঈদের হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: “নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা রমজান মাসে প্রতি দিনে ও রাতে কিছু বান্দাকে (জাহান্নাম থেকে) মুক্তি দেন। আর নিশ্চয় একজন মুসলিমের প্রতি দিনে ও রাতে কবুল যোগ্য দুআ’ রয়েছে।”

৭. রমজান মাসে সিয়াম পালন পূর্ববর্তী রমজান থেকে কৃত গুনাহসমূহকে মিটিয়ে দেয়; যদি কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা হয়। যেমনটি প্রমাণিত হয়েছে ‘সহীহ মুসলিম’ (২৩৩)-এ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুমা থেকে অপর জুমা, এক রমজান থেকে অপর রমজান এদের মধ্যবর্তী গুনাহসমূহের জন্য কাফফারা হয়ে যায়; যদি কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকা হয়।”

৮. এই মাসে সিয়াম পালন বছরের দশমাস সিয়াম পালন তুল্য। সহীহ মুসলিম (১১৬৪)-এ আবু আইয়ূব আনসারীর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমজান মাসে সিয়াম পালন করল, এরপর শাওয়াল মাসেও ছয়দিন রোজা রাখল সে যেন সারা বছর রোজা পালন করল”।

ইমাম আহমাদ (২১৯০৬) বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রমজান মাসে সিয়াম পালন করল– রমজানের একমাস রোজা দশমাস রোজা রাখার সমতুল্য। আর ঈদুল ফিত্বরের পর (শাওয়াল মাসের) ছয় দিন রোজা রাখলে যেন গোটা বছরের রোজা হয়ে গেল।”

৯. এই মাসে যে ব্যক্তি ইমামের সাথে ইমাম যতক্ষণ নামায পড়েন ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামুল লাইল (তারাবী নামায) আদায় করবে সে ব্যক্তি সারা রাত নামায পড়ার সওয়াব পাবে। দলিল হচ্ছে- আবু দাউদ (১৩৭০) ও অন্যান্য মুহাদ্দিস আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদিস বর্ণনা করেন তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইমাম নামায শেষ করা পর্যন্ত ইমামের সাথে কিয়াম করবে তার জন্য সারারাত কিয়াম করার সওয়াব লেখা হবে।” আলবানী ‘সালাতুত তারাবী’ গ্রন্থ (পৃঃ ১৫) –এ হাদিসকে সহীহ আখ্যায়িত করেছেন।

১০. এই মাসে উমরা আদায় করা হজ্জ করার সমতুল্য। ইমাম বুখারী (১৭৮২) ও মুসলিম (১২৫৬) ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক আনসারী মহিলাকে জিজ্ঞেস করলেন: “কিসে আপনাকে আমাদের সাথে হজ্জ করতে বাধা দিল?” মহিলা বললেন: “আমাদের পানি বহনকারী শুধু দুটো উট ছিল।” তাঁর স্বামী ও পুত্র একটি পানি বহনকারী উটে চড়ে হজ্জে গিয়েছিলেন। তিনি বললেন: “আর আমাদের পানি বহনের জন্য একটি পানি বহনকারী উট রেখে গিয়েছেন।” তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তাহলে রমজান এলে আপনি উমরা আদায় করুন। কারণ এ মাসে উমরা করা হজ্জ করার সমতুল্য।”

সহীহ মুসলিমের রেওয়ায়েতে আছে: “……আমার সাথে হজ্জ করার সমতুল্য।”

১১. এ মাসে ইতিকাফ করা সুন্নত। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রমজানে ইতিকাফ করেছেন। যেমনটি বর্ণিত হয়েছে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীগণও ইতিকাফ করেছেন।[হাদিসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী (১৯২২) ও মুসলিম (১১৭২)]



১২. রমজান মাসে পারস্পারিক কুরআন তেলাওয়াত ও ব্যক্তিগতভাবে বেশি বেশি তেলাওয়াত করা তাগিদপূর্ণ মুস্তাহাব্ব। মুদারাসা বা পারস্পারিক তেলাওয়াত বলতে বুঝায় একজন তেলাওয়াত করা অন্যজন সেটা শুনা। আবার দ্বিতীয়জন তেলাওয়াত করা এবং প্রথমজন সেটা শুনা। এই পারস্পারিক তেলাওয়াত মুস্তাহাব্ব হওয়ার দলীল হলো:

أَنَّ جِبْرِيلَ كَانَ يَلْقَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ رَمَضَانَ فَيُدَارِسُهُ الْقُرْآنَ ” رواه البخاري ( 6 ) ومسلم ( 2308 )

“জিবরাইল (আঃ) রমজান মাসে প্রতি রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং পরস্পর কুরআন তেলাওয়াত করতেন।” [হাদিসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম বুখারী (৬) ও মুসলিম (২৩০৮)]

যে কোন সময় কুরআন তেলাওয়াত করা মুস্তাহাব। আর রমজানে এটি আরো বেশি তাগিদপূর্ণ মুস্তাহাব।

১৩. রমজান মাসে রোজাদারকে ইফতার খাওয়ানো মুস্তাহাব্ব। এর দলীল হচ্ছে- যায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : ” مَنْ فَطَّرَ صَائِمًا كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِهِ , غَيْرَ أَنَّهُ لا يَنْقُصُ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ شَيْئًا ” رواه الترمذي (807) وابن ماجه ( 1746 ) وصححه الألباني في صحيح الترمذي (647).

“যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করাবে সে ব্যক্তি রোজাদারের সমতুল্য সওয়াব পাবে। কিন্তু সেই রোজাদারের সওয়াবের কোন কমতি করা হবে না”।[হাদিসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম তিরমিযী (৮০৭) ও ইবনে মাজাহ (১৭৪৬)। শাইখ আলবানী ‘সহীহুত তিরমিযী’(৬৪৭) গ্রন্থে হাদিসটিকে সহীহ আখ্যায়িত করেছেন]

“ হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে। যেমন ফরজ করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর । যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। ”

আল কুরআন

রমজান মাস রহমতের মাস। এই মাসে মুসলিম জাতি ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে বিজয় লাভ করেছে। ইহলৌকিক ও পারলৌকিক আরো অগণিত নেয়ামত আমরা এ মাসেই পেয়েছি। তাই, আমাদের করণীয় হলো অধিকহারে ইবাদতের মাধ্যমে স্রষ্ঠার প্রতি সেসব নেয়ামতের শুকরিয়া জ্ঞাপন করা। আল্লাহ পাক আমাদের তাওফিক দিন, আমিন।

লাইক কমেন্ট করে পেজটির সাথে থাকুন। শেয়ার করতে ভুলবেন না।আপনাদের এই সাহায্যই আমাকে আমার গন্তব্যে পৌছাতে সাহায্য করবে।

14/04/2018
ফ্রিল্যান্সিং করার আগে এই ভিডিও টা দেখুন। আপনার উপকার হতে পারে।
12/04/2018

ফ্রিল্যান্সিং করার আগে এই ভিডিও টা দেখুন। আপনার উপকার হতে পারে।

Graphic Design Bangla Tutorial যারা নতুন গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে চাচ্ছেন বা শুরু করেছেন তাদের জন্য কিছু গাইডলাইন নিয়ে একটা ভিডিও বানা....

বিজনেস শুরু করার ১০ টিপসমানুষিক প্রস্তুতি:বিজনেস করে টাকা কামাবা, ভাব পেটাবা, আয়েশ করবা কিন্তু কষ্ট করবা না, সেক্রিফাইস ...
11/04/2018

বিজনেস শুরু করার ১০ টিপস
মানুষিক প্রস্তুতি:
বিজনেস করে টাকা কামাবা, ভাব পেটাবা, আয়েশ করবা কিন্তু কষ্ট করবা না, সেক্রিফাইস করবা না- তা হবে না। একজন সাধারণ চাকরিজীবী যে পরিশ্রম করে তার চাইতে দ্বিগুণ, তিনগুণ শ্রম, চেষ্টা সাধনা দেয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে না পারলে- বিজনেস তোমার জন্য না।
ছ্যাঁচড়ামি ওরফে মার্কেটিং:
বিজনেস শুরু করার প্রথম মাসে- তোমাকে হাজারটা জায়গায় ঠুসা দিতে হবে। খোঁচা মারতে হবে। একবার দুইবার না করে দিবে তারপরেও আবার যাইতে হবে। অন্য মানুষের খুঁজে বের করতে হবে। আগে ইগোর জন্য যার সাথে কথা বলতে চাইতে না। এখন তাকে তেল মারতে হবে। বিজনেস করতে করতে একটা লেভেলে উঠার আগ পর্যন্ত তোমাকে এইটা চালিয়ে যেতে হবে। তারপর তুমি লোক হায়ার করবা তারা একটা প্রসেস ডেভেলপ করে বাকিটা চালিয়ে নিবে। কিন্তু শুরুটা তোমাকেই করতে হবে।
আইডিয়া:
তোমার বিজনেসের আইডিয়া ইউনিক হতে হবে এমন কোন কথা নাই। তোমার টেকনিক ভালো হতে এমন কোন কথা নাই। বরং বিজনেস করতে করতে তোমার আইডিয়া মডিফাই হবে, চেইঞ্জ হবে। আমার এক বড়ভাই বলছেন- "in the world of transaction, your idea/skill/knowledge brings as much value as much you you can sell" সো, তুমি যদি রেভিনিউ জেনারেট না করতে পারো- তোমার আইডিয়ার ভ্যালু শূন্য।
বিজনেস প্ল্যান:
একটু চেখে দেখলাম, ট্রাই মারলাম। সেটা মনের মধ্যে থাকলে, বিজনেস করার দরকার নাই। স্ট্যাবল জব করো। সেটাই তোমার জন্য ভালো।
বিজনেস করার ইচ্ছা থাকলে একটা কথা মানে রাখবে- "Do or do not. There is no try."।
হাতের কাছের মুরগি ধরো:
স্টার্ট উইথ ইউর ফ্রেন্ড। তুমি স্পেশাল ডিজাইনের ড্রেস বিক্রি করতে চাও। অনলাইনে বা দোকানে। দোকান দেয়ার আগে তোমার ফ্রেন্ডদের কাছে বিক্রি করো। কলিগদের সাথে ট্রাই করো। আশেপাশের লোকজনের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করো। তোমার ডিজাইন সেন্স অন্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য কিনা। সেটা বুঝে ফেলবে। প্রোডাক্টের কোয়ালিটি এডজাস্ট করা লাগলে এদের সাথে সহজেই করে ফেলতে পারবে। তুমি যদি ভালো প্রোডাক্ট বা ভালো সার্ভিস দাও তাহলে এদের কাছে তোমার প্রোডাক্ট দেখে অন্যরা জানতে চাইবে। এবং তুমি তোমার টার্গেট মার্কেট পেয়ে যাবে।
অথবা তোমার টার্গেট মার্কেট যদি তোমার আশেপাশের মানুষ না হয়। তাহলে সেই টার্গেট গ্রুপের লোকজনের সাথে গিয়ে মিশে তাদের ফ্রেন্ড হও। তারপর তাদের কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করো।
লার্ন কুইকলি, এডজাস্ট কুইকলি:
ধরো তুমি প্লাস্টিকের জুতা বিক্রি করতে চাচ্ছ। কিন্তু ৯০% লোকজন বলতেছে চামড়ার জুতা চায় তারা। সো, তোমার হয় প্লাস্টিকের জুতা চেইঞ্জ করে চামড়ার জুতা বানাতে হবে। অথবা যাদের কাছে এতদিন বিক্রি করার চেষ্টা করছো তাদের বাদ দিয়ে অন্য কারা প্লাস্টিকের জুতা করা কিনতে পারে তাদের কাছে যেতে হবে। এমনও হতে পারে এক বছরে আট-দশবার তোমার প্ল্যান, স্ট্রাটেজি, এপ্রোচ চেইঞ্জ করতে হবে। এই চেইঞ্জ করাটাই, এই গেইম খেলাটাই বিজনেসের আসল মজা।
শুরুতে সব খাইতে যাইও না পেট খারাপ হবে:
একটা প্রোডাক্ট বা একটা সার্ভিস নিয়ে শুরু করো। যা পাব তাই খাবা করতে গেলে, কিংবা সবার জন্য কাস্টমাইজড করে জিনিস রেডি করতে গেলে, তোমার শুরুর দিকে ফোকাসড থাকাটা টাফ হয় যাবে। কাস্টমার লয়াল্টি পাওয়া টাফ হয়ে যাবে। আর লয়াল কাস্টমার ছাড়া একটা বিজনেস বেশিদিন টিকবে না। তাই একটা জিনিস করো, সেটা ভালোভাবে করো।
কত চার্জ করবো
শুরুর দিকে লাভ কত বেশি হচ্ছে সেটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করা যাবে না। বরং কাস্টমার ধরার দিকে বেশি ফোকাসড হওয়া লাগবে। এইজন্য অনেক কোম্পানি শুরুতে কম দামে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস দেয়। পরে অল্প একটু ফিচার বাড়িয়ে দিয়ে বলে- তুমি যদি বেসিক প্যাকেজ নাও তাইলে আগের সমান দাম আর এক্সটা এইটা নিতে চাইলে এতো বেশি দিতে হবে।
বিজনেসের নাম:
কোম্পানির নাম যত চমৎকারই হোক না কোনো, কেউ যদি তোমার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস না নিতে চায়। নাম দিয়ে কোন লাভ হবে না। তাই বিজনেস শুরু করার প্রথম মাসে নাম, রেজিস্ট্রেশন, বিজনেস প্ল্যান এইগুলা নিয়ে সময় নষ্ট করবা না। সামনের মাসে এইগুলা নিয়ে চিন্তা করা যাবে।
একটাই জিনিস মেটার করে:
সেটা হচ্ছে ইমপ্লিমেন্টেশন। কত আলতু ফালতু লোক দেখবা, ফাউল কনসেপ্টের বিজনেস করে, ক্লায়েন্টের সাথে ভালো রিলেশন মেনটেইন করে বহাল তবিয়তে দেদারসে ব্যবসা করে যাচ্ছে। তুমিও সেই স্টেজে যেতে পারবে যদি মিনিমাম ৫ বছর লেগে থাকতে পারো। এর মধ্যে অনেক ঝড় ঝাঁপটা আসবে, অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে তারমধ্যে লেজ গুটিয়ে না পালালেই তুমি একটা সময় পরে স্ট্যাবল হয়ে যাবে।

(কপি পোস্ট)

02/03/2018

বিশ্ব দিবস তালিকাঃ-

জানুয়ারি
★ ১ জানুয়ারি --> নববর্ষ।
গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি ব্যবহারকারী।
★ ২৬ জানুয়ারি --> আন্তর্জাতিক শুল্ক দিবস।
★ ২৭ জানুয়ারি --> International Day of Commemoration in Memory of the Victims of the Holocaust.
জাতিসংঘ।
★ ৩১ জানুয়ারি --> পথশিশু দিবস।
জানুয়ারি মাসের শেষ রবিবার বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস।
ফেব্রুয়ারি
★ ২ ফেব্রুয়ারি --> বিশ্ব জলাভূমি দিবস। জাতিসংঘ।
★ ৪ ফেব্রুয়ারি --> বিশ্ব ক্যান্সার দিবস।
জাতিসংঘ, WHO.
★ ১২ ফেব্রুয়ারি --> বিশ্ব ডারউইন দিবস।
★ ১৪ ফেব্রুয়ারি --> বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে।
★ ১৫ ফেব্রুয়ারি --> বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস।
★ ২০ ফেব্রুয়ারি --> সামাজিক ন্যায় বিচার দিবস।
★ ২১ ফেব্রুয়ারি --> আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। জাতিসংঘ, ইউনেস্কো।
★ ২২ ফেব্রুয়ারি --> বিশ্ব স্কাউট দিবস।
মার্চ
★ ৮ মার্চ --> আন্তর্জাতিক নারী দিবস। জাতিসংঘ।
★ ৯ মার্চ --> বিশ্ব কিডনি দিবস।
★ ১৪ মার্চ --> বিশ্ব পাই দিবস।
★ ১৫ মার্চ --> বিশ্ব ক্রেতা দিবস।
★ ২১ মার্চ --> বিশ্ব বন দিবস।
★ ২১ মার্চ --> আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য দিবস।
★ ২১ মার্চ --> বিশ্ব কবিতা দিবস।
★ ২৩ মার্চ --> বিশ্ব আবহাওয়া দিবস।
★ ২৪ মার্চ--> বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস।
★ ২৭ মার্চ -->বিশ্ব নাট্য দিবস।
এপ্রিল
★ ২ এপ্রিল --> বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস।
জাতিসংঘ।
★ ২ এপ্রিল --> আন্তর্জাতিক শিশুপাঠ্য দিবস।
★ ৪ এপ্রিল --> International Day for Mine Awareness and Assistance in Mine Action.
★ ৬ এপ্রিল --> International Day of Sport for Development and Peace.
★ ৭ এপ্রিল --> Day of Remembrance of the Victims of the Rwanda Genocide.
জাতিসংঘ।
★ ৭ এপ্রিল --> বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
★ ২২ এপ্রিল --> বিশ্ব ধরিত্রী দিবস।
মে
★ ১ মে --> মে দিবস বা আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস।
★ ৮ মে --> আন্তর্জাতিক প্রেস ফ্রিডম ডে।
★ ১০ ও ১১ মে --> বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস।
ইউনেস্কো।
জুন
★ ৮ জুন --> আন্তর্জাতিক মহাসাগর দিবস।
১৯৯২ সালে এই দিবস পালনের প্রচলন হয়েছিল। ঐ বছর ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরোতে সংঘটিত ধরিত্রী সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
★ ১৩ জুন --> আন্তর্জাতিক কবুতর দিবস।
★ ২০ জুন --> আন্তর্জাতিক বাস্তুহারা দিবস।
জুলাই
★ 11জুলাই --> বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।
★ 2 জুলাই --> বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস।
আগস্ট
★ ১ আগস্ট --> বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ/স্তন্যদান(Breast
-feeding) সপ্তাহ/দিবস।
★ আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস।
★ ৬ আগস্ট --> পরমাণু বোমা বিরোধী দিবস, হিরোশিমা দিবস।
★ ৯ আগস্ট --> নাগাসাকি দিবস, বিশ্ব আদিবাসী দিবস।
★ ১২ আগস্ট --> আন্তর্জাতিক যুব দিবস।
★ ১৩ আগস্ট --> আন্তর্জাতিক বাহাতি দিবস।
★ ১৫ আগস্ট --> জাতীয় শোক দিবস।
★ ১৯ আগস্ট --> বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস।
★ ২০ আগস্ট --> বিশ্ব মশক দিবস।
★ ২৩ আগস্ট --> দাস বাণিজ্য স্মরণ এবং রদ দিবস।
★ ২৭ আগস্ট --> দিঘলিয়ার দেয়াড়া গণহত্যা দিবস।
★ ৩০ আগস্ট --> International Day of the Victims of Enforced Disappearances.
সেপ্টেম্বর
★ ৮ সেপ্টেম্বর --> আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।
জাতিসংঘ, ইউনেস্কো।
অক্টোবর
★ ১ অক্টোবর --> বিশ্ব প্রবীণ দিবস।
★ ৯ অক্টোবর --> বিশ্ব ডাক দিবস।
১৮৭৪ সাল থেকে এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
★ ১৫ অক্টোবর --> বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস।
★ ১৬ অক্টোবর --> বিশ্ব খাদ্য দিবস।
★ ১৮ অক্টোবর --> বিশ্ব রজঃক্ষান্তি দিবস।
★ ২২ অক্টোবর --> টাইপ রাইটার এবং কম্পিউটারে ক্যাপস লকের গুরুত্ব ও এর প্রতি গভীর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীরা প্রতি বছরের ২২ অক্টোবরকে ‘ক্যাপস্ লক ডে' হিসেবে পালন করে থাকে।
নভেম্বর
★ ১৪ নভেম্বর --> বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস।
সারা বিশ্বের ১৬০টি দেশে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশান (আই-ডি-এফ) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় এই দিবসটি উদযাপন করে। ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে এই দিবস প্রথম উদযাপিত হয়।
ডিসেম্বর
★ ১ ডিসেম্বর --> বিশ্ব এইডস দিবস।
★ ৩ ডিসেম্বর --> বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস।
★ ১০ ডিসেম্বর --> মানবাধিকার দিবস।
দিবসটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত এবং বিশ্বের সর্বত্র পালিত হয়। কিন্তু, দক্ষিণ আফ্রিকায় শার্পেভিল গণহত্যাকে স্মরণ করে দিবসটি পালন করা হয় ২১ মার্চ।
★ ১৮ ডিসেম্বর --> আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস।
(সংগ্রহিত)

01/02/2018

Address

মুজিব নগর সড়ক, পুরাতন বাজার রেলগেট
Darsana
7221

Telephone

01717-744214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Darsana Image Gallary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Darsana Image Gallary:

Share