Sakhawat Post

Sakhawat Post Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sakhawat Post, Dhaka.

ব্যবসায়িক সফলতার গল্প, মার্কেটিং, সেলস, AI সহ বাস্তব কৌশল নিয়ে লিখি ও কথা বলি। নিজের শেখা কৌশল আর অভিজ্ঞতাগুলোই এখানে শেয়ার করি। ক্যারিয়ার ও ব্যবসা শেখার এই সুন্দর যাত্রায় আপনিও সঙ্গী হতে পারেন।

Sales to Cash ই-বুক লিঙ্কঃ
https://sales.xeomedia.com/

23/07/2026

সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো নিজের মতো থাকা। কারণ পৃথিবীর সবাই চায় তুমি অন্য কারও মতো হও।

22/07/2026

একজন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগকারীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,
আপনি প্রথম কবে মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন? তিনি উত্তর দিলেন,
প্রায় ৩১ বছর বয়সে। আজ তাঁর বয়স ৫৪। তিনি শুধু একজন বিনিয়োগকারী নন, তিনি এমন একজন উদ্যোক্তা যিনি নতুন কোম্পানি তৈরি করেন এবং সম্ভাবনাময় স্টার্টআপে বিনিয়োগ করেন।
তিনি MoviePass-এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন, Ring-এর প্রাথমিক বিনিয়োগকারী, আর বর্তমানে Feno নামে একটি স্মার্ট টুথব্রাশ কোম্পানি পরিচালনা করছেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ধনী হতে চাইলে নেটওয়ার্কিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ? তিনি এক মুহূর্তও দেরি না করে বললেন,
সবকিছু। তারপর ব্যাখ্যা করলেন, অনেক সময় শুধু দক্ষতা আপনাকে যেখানে নিয়ে যেতে পারে না, সম্পর্ক সেই দরজাটা খুলে দেয়।
যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হলো,আপনি এত টাকা কীভাবে উপার্জন করেছেন?
তিনি বললেন, আমি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং নতুন কোম্পানি তৈরির ব্যবসায় আছি। এরপর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, একটি স্টার্টআপে বিনিয়োগ করার আগে আপনি কী দেখেন? তিনি বলেন, আমি যত সফল কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছি, তাদের তিনটি জিনিস সবসময় মিলেছে।
প্রথমত, একজন অদম্য (Relentless) প্রতিষ্ঠাতা, যে সহজে হাল ছাড়ে না।
দ্বিতীয়ত, একটি বড় ও বাস্তব সমস্যা, যার সমাধান মানুষ সত্যিই চায়।
তৃতীয়ত, গভীর উদ্ভাবন (Deep Innovation)—যেটা অন্যদের থেকে আলাদা মূল্য তৈরি করে।

এরপর তাঁকে বলা হয়, অনেকে বলে আইডিয়ার কোনো মূল্য নেই। আপনি কি একমত? তিনি মাথা নেড়ে বললেন, না। আমি একদমই একমত নই। তারপর যোগ করলেন, বড় আইডিয়াই পৃথিবী বদলে দেয়।
তবে শুধু একটি বড় আইডিয়া থাকলেই হবে না। তিনি বলেন,
প্রতিদিন নতুন বড় আইডিয়া দরকার।
নিয়োগের জন্য বড় আইডিয়া।
নতুন পার্টনারশিপের জন্য বড় আইডিয়া।
নতুন পণ্যের জন্য বড় আইডিয়া দরকার।

সৃজনশীলতা কোনো একদিনের কাজ নয়। এটা প্রতিদিনের অভ্যাস। যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, এক বছরে সবচেয়ে বেশি কত টাকা আয় করেছেন? তিনি বিনয়ের সঙ্গে উত্তর দেন, আমি এমন মানুষ দেখেছি যারা এক বছরে ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করেছে। আমার ক্ষেত্রে, কয়েক মিলিয়ন ডলারের মতো। এরপর প্রশ্ন করা হয়,
আপনি কীভাবে সাত অঙ্কের আয়ে পৌঁছালেন? তিনি হেসে বললেন,
আমি এখনও শেখার পথে আছি। আমার বয়স ৫৪, তবুও আমি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছি এবং নিজেকে আরও উন্নত করছি।
তাঁকে দেখে বয়স বোঝা কঠিন ছিল। তাই প্রশ্ন করা হলো,
এত তরুণ দেখান কীভাবে? তিনি বললেন,
Alignment.
অর্থাৎ—যে কাজ ভালোবাসেন, সেই কাজ করুন।
যাদের সঙ্গে কাজ করতে ভালো লাগে, তাদের সঙ্গেই কাজ করুন।
এমন সমস্যার সমাধান করুন, যেটা কেউ টাকা না দিলেও আপনি করতে চাইতেন। আমি এভাবেই জীবন কাটাই। সবশেষে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, যদি আগামীকাল আপনার জীবনের শেষ দিন হতো, তাহলে তরুণদের জন্য শেষ কী বার্তা রেখে যেতেন? তিনি ধীরে ধীরে তিনটি কথা বললেন—

প্রথম... নিজেকে জানো।
দ্বিতীয়... নিজেকে ভালোবাসো।
তৃতীয়... নিজের মতো থাকো।
তারপর তিনি বললেন,
সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো নিজের মতো থাকা। কারণ পৃথিবীর সবাই চায় তুমি অন্য কারও মতো হও।

"তাই নিজেকে জানো। নিজেকে ভালোবাসো। আর নিজের মতোই বাঁচো।"

21/07/2026

একজন শতকোটি ডলারের রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি প্রথম কবে মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন?
তিনি হেসে বললেন, কাগজে-কলমে আমি বিশের কোঠাতেই মিলিয়নিয়ার ছিলাম। তবে হাতে বড় অঙ্কের নগদ টাকা পাই পঞ্চাশের পর, যখন আমার কোম্পানি থেকে বড় এক্সিট করি।
তিনি হলেন জন (John)।
আজ তিনি রিয়েল এস্টেট, ফাইন্যান্স এবং প্রাইভেট ইকুইটি নিয়ে কাজ করেন। পাশাপাশি মানুষের সম্ভাবনাকে বড় পরিসরে কাজে লাগানোর ব্যবসাও গড়ে তুলেছেন। কিন্তু তাঁর শুরুটা মোটেও ধনী পরিবার থেকে হয়নি। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনার আর্থিক স্বাধীনতার সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট কী ছিল?
তিনি এক কথায় উত্তর দেন, আমি নিজেই।
তারপর যোগ করেন, আমি নিজের ওপরই সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ করেছি। আমি নিজেই আমার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, রিয়েল এস্টেট থেকে ধনী হওয়ার সবচেয়ে বড় রহস্য কী? তিনি বলেন, রিয়েল এস্টেটের দাম সাময়িকভাবে কমতে পারে, কিন্তু ইতিহাস বলে—দীর্ঘমেয়াদে সবসময়ই বাড়ে। তাই কিনুন এবং ধরে রাখুন। আরও একটি প্রশ্ন ছিল, আজও কি রিয়েল এস্টেট সেরা বিনিয়োগ?তিনি উত্তর দেন, অবশ্যই। কারণ পৃথিবীতে নতুন জমি আর তৈরি হচ্ছে না। উদ্যোক্তা হওয়া কি সবার জন্য?
তিনি বলেন, না। সবাই উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য তৈরি নয়। তাহলে একজন তরুণ উদ্যোক্তার মধ্যে কী খোঁজেন? তিনি বলেন,
প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়ার ক্ষমতা (Resilience)
অদম্য অধ্যবসায় (Grit)
নিজের ওপর নির্ভর করার মানসিকতা (Self-reliance)
নিজের প্রতি অটল বিশ্বাস

এরপর তিনি একটি অসাধারণ লাইন বলেন—
রংধনু সবসময় ঝড়ের পরেই দেখা যায়।

বিক্রি এবং নেগোশিয়েশন নিয়ে তাঁর পরামর্শ ছিল আরও সরাসরি।
মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন না। ভান করবেন না।
তিনি বলেন, মানুষ খুব দ্রুত বুঝে ফেলে আপনি আসল নাকি নকল।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রোডাক্ট আপনি নিজেই। মানুষ শুধু আপনার পণ্য কেনে না, তারা আপনাকে বিশ্বাস করে বলেই কেনে। সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে তাঁর পরামর্শও ছিল অসাধারণ। তিনি বলেন,
নিজের কথা কম বলুন। অন্য মানুষের কথা বেশি শুনুন।
তাদের পরিবার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করুন।
তাদের জীবন সম্পর্কে আগ্রহ দেখান।
কখনো শুধু নেওয়ার মানুষ হবেন না।
সবসময় দেওয়ার মানুষ হওয়ার চেষ্টা করুন।

এরপর তিনি একটি দারুণ কথা বলেন—
দুজন যদি একে অপরকে দেয়, সেটা অসাধারণ সম্পর্ক।
একজন যদি শুধু দেয় আর অন্যজন শুধু নেয়, সেটা অস্বাস্থ্যকর সম্পর্ক।
আর দুজনই যদি শুধু নিতে চায়, সেটা সম্পর্ক নয়, সংঘর্ষ।"

নিজেকে এমন মানুষের মাঝে রাখুন, যারা দিতে ভালোবাসে। আপনার পুরো জীবন বদলে যাবে। সবশেষে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়,
এক বছরে সবচেয়ে বেশি কত টাকা আয় করেছিলেন?
তিনি শুধু হেসে বললেন,
নয় অঙ্কেরও বেশি (Over Nine Figures)।
তারপর একটি ঘটনা শোনালেন।
যেদিন আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জীবনের সবচেয়ে বড় অঙ্কের টাকা ঢুকেছিল, সেদিন আমি টাকো বেলে বসে একটা সাধারণ 'নাম্বার ৩' মিল অর্ডার করছিলাম। তারপর তিনি বললেন, শেষ পর্যন্ত বিষয়টা কখনোই শুধু টাকার নয়। আর তাঁর শেষ কথাটি ছিল—
যথেষ্ট সময় ধরে ছোট থাকুন। একদিন দেখবেন, আপনি বড় হয়ে গেছেন।

একজন বিলিয়নিয়ার বিনিয়োগকারীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,আপনি কীভাবে বিলিয়নিয়ার হলেন?তিনি শান্তভাবে উত্তর দিলেন, আমি বিনিয...
20/07/2026

একজন বিলিয়নিয়ার বিনিয়োগকারীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,
আপনি কীভাবে বিলিয়নিয়ার হলেন?
তিনি শান্তভাবে উত্তর দিলেন, আমি বিনিয়োগ, ব্যাংকিং এবং নিউক্লিয়ার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করি। তার নাম মাইকেল লি-চিন।
আজ তিনি বিশ্বের অন্যতম সফল বিনিয়োগকারীদের একজন। কিন্তু তাঁর শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ।

তিনি জ্যামাইকায় জন্মেছিলেন। ধনী পরিবারে বড় হননি। তাঁর মা ছিলেন এতিম, আর দুজনকেই দত্তক নেওয়া হয়েছিল। পড়াশোনার জন্য কানাডায় যান, কিন্তু সঙ্গে ছিল মাত্র এক বছরের খরচ। দ্বিতীয় বছরের টাকারও কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

তখন তিনি জ্যামাইকার প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠির ফলেই তিনি স্কলারশিপ পান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করতে সক্ষম হন।

এক পর্যায়ে তিনি মাত্র ৫ লাখ ডলারে একটি মিউচুয়াল ফান্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি কিনে নেন। নিজের মোট সম্পদের চেয়েও বেশি ঋণ নিয়ে সেই বিনিয়োগ করেছিলেন। অনেকেই এটাকে পাগলামি বলেছিল। কিন্তু মাত্র চার বছর পর, সেই কোম্পানির মূল্য বেড়ে দাঁড়ায় ৩.৫ মিলিয়ন ডলার। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,
ধনী মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিল কী?

তিনি পাঁচটি বিষয় বলেছিলেন—
- তারা কয়েকটি উচ্চমানের ব্যবসার মালিক হয়।
- তারা সেই ব্যবসাগুলো গভীরভাবে বোঝে।
- দীর্ঘমেয়াদে বাড়বে এমন ইন্ডাস্ট্রিতে বিনিয়োগ করে।
- বহু বছর ধরে সেই বিনিয়োগ ধরে রাখে।
- ধৈর্য হারায় না।

আরও জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কম টাকা নিয়ে কীভাবে একটি ব্যবসা কেনা সম্ভব? তিনি উত্তর দেন, ক্যাশ ফ্লো তৈরি করুন। আমি মিউচুয়াল ফান্ড বিক্রি করতাম। সেই আয়কে কাজে লাগিয়ে ঋণ নিয়েছিলাম এবং ভালো ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছিলাম। ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় সুযোগ কোন খাতে এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানবসভ্যতার ইতিহাসে যখনই জ্বালানির প্রধান উৎস বদলেছে, তখনই অর্থনৈতিক শক্তির কেন্দ্রও বদলেছে। এখন আমরা নিউক্লিয়ার এনার্জির দিকে এগোচ্ছি।"

৭৫ বছর বয়সেও তিনি সক্রিয়, সুস্থ এবং প্রাণবন্ত। যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, টাকা কি সুখ কিনতে পারে? তিনি উত্তর দেন,
না। সত্যিকারের সুখ আসে অন্য মানুষের ভালো করতে পারার মধ্য থেকে। জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান পরামর্শ কী—এই প্রশ্নে তিনি বলেন,
যে মানুষটি পৃথিবীতে আপনার কাঙ্ক্ষিত ক্ষেত্রে সবচেয়ে সফল, তাকে খুঁজে বের করুন। সে কীভাবে সফল হয়েছে, সেটা ভালোভাবে শিখুন। তারপর সেই পথ থেকে অযথা বিচ্যুত হবেন না।

সবশেষে তিনি এমন একটি কথা বললেন, যা পুরো সাক্ষাৎকারের সবচেয়ে শক্তিশালী বার্তা হয়ে যায়।
তিনি বলেন,
সফল হতে হলে একটি PhD দরকার।

তবে সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের PhD নয়।
P = Poor (দরিদ্র হও, শুরুটা কঠিন হলেও থেমো না)
H = Hungry (সবসময় শেখার ও এগিয়ে যাওয়ার ক্ষুধা রাখো)
D = Driven (লক্ষ্যের প্রতি অটল থেকো)

আর যখন তুমি সফল হবে, তখন তোমার সন্তানেরাও একটি নতুন PhD পাবে—Papa Has Done.

Post Notes:
মানুষ যেমন রক্ত ছাড়া বাঁচে না, ব্যবসাও ক্যাশ-ফ্লো ছাড়া টিকে না। আর এই ক্যাশ-ফ্লো চালু রাখার একটাই উপায় - সেলস। সেলস বন্ধ মানেই ব্যবসার শ্বাস বন্ধ। এই সেলসকে সহজ ও প্রেডিক্টেবল করতে আমি লিখেছি ২৩৬ পেজের ই-বুক “সেলস টু ক্যাশ”। যেখানে আছে প্র্যাকটিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক, যা না জানলে আপনি হারাচ্ছেন লক্ষ টাকার সুযোগ। এটা শুধু বই না, আপনার ব্যবসা চালু রাখার গাইড। নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্টে যদি ৩৫০ টাকা ইনভেস্ট করতে না পারেন, তাহলে হয়তো ব্যবসাটা এখনও আপনার জন্য নয়। যদি আপনি আগ্রহী হন লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে।

মাসে মাত্র ৬০০ ডলার বেতন পেতেন। পরে এমন একটি কোম্পানি গড়লেন, যা ২০০০ সালে ২ বিলিয়ন ইউরোতে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়...
19/07/2026

মাসে মাত্র ৬০০ ডলার বেতন পেতেন। পরে এমন একটি কোম্পানি গড়লেন, যা ২০০০ সালে ২ বিলিয়ন ইউরোতে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়! একজন বিলিয়নিয়ার উদ্যোক্তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আপনি কীভাবে এত ধনী হলেন? তিনি শান্তভাবে উত্তর দিলেন,
আমি এমন একটি কোম্পানি তৈরি করেছিলাম, যেটি ২০০০ সালে প্রায় ২ বিলিয়ন ইউরো মূল্যে শেয়ারবাজারে (IPO) তালিকাভুক্ত হয়েছিল।
তার কোম্পানিটি ছিল একটি Encryption Technology Company।
তারা সামরিক বাহিনী এবং বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য উচ্চ নিরাপত্তার এনক্রিপশন হার্ডওয়্যার তৈরি করত, যাতে সংবেদনশীল তথ্য নিরাপদ রাখা যায়। অনেকে ভাবেন, এত বড় উদ্যোক্তারা হয়তো ধনী পরিবার থেকেই আসেন। কিন্তু তার গল্প ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি বলেন, আমি যখন জ্যামাইকায় ছিলাম, তখন মনে হতো আমরা ধনী। কিন্তু ছোটবেলায় আমেরিকায় যাওয়ার পর বুঝলাম, আমরা মোটেও ধনী নই। সেখান থেকে আমাকে নতুন করে সবকিছু শুরু করতে হয়েছে। সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, মানুষ কি আপনাকে নিয়ে সন্দেহ করেছিল?
তিনি হাসতে হাসতে বললেন, অবশ্যই। বিশেষ করে যখন আমি সেনাবাহিনীতে যোগ দিই। সবাই বলেছিল, ওখানে গিয়ে কখনও বড়লোক হওয়া যাবে না। তখন তার মাসিক বেতন ছিল মাত্র ৬০০ ডলার। কিন্তু তিনি সেই চাকরিটাকে শুধু আয়ের উৎস হিসেবে দেখেননি। তিনি বলেন,
সেনাবাহিনী আমার স্নাতক ডিগ্রি, স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং বিভিন্ন স্কলারশিপের পুরো খরচ বহন করেছে। আমার নিজের পকেট থেকে এক ডলারও খরচ করতে হয়নি। অর্থাৎ, অল্প বেতনের চাকরিই পরে তার সবচেয়ে বড় বিনিয়োগে পরিণত হয়েছিল—নিজের শিক্ষায়।

যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, আজ যদি কোনো তরুণের কাছে একেবারেই টাকা না থাকে, তাকে আপনি কী পরামর্শ দেবেন?
তিনি উত্তর দেন, আমি হলে আবারও সেনাবাহিনীতে যোগ দিতাম। কারণ সেখানে শুধু বেতন নয়, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা এবং মানুষের সেবা করার শিক্ষা পাওয়া যায়। এগুলোর মূল্য টাকায় মাপা যায় না।

ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক সুযোগ কোথায় এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। অনেকেই বলেন Artificial Intelligence (AI)-ই ভবিষ্যৎ।
কিন্তু তিনি বলেন, সবাই AI-এর কথা বলছে। কিন্তু AI চালাতে শক্তি (Power) দরকার। তাই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় সুযোগ হবে এমন ব্যবসায়, যারা টেকসই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে।

এরপর তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, আপনার দেখা সবচেয়ে ধনী মানুষদের মধ্যে একটি মিল কী? তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য কখনোই শুধু টাকা ছিল না। তারা বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছে। আগে ছিল কাজের প্রতি ভালোবাসা, পরে এসেছে সম্পদ।
কোম্পানি বড় করার গোপন রহস্য কী? তিনি এক লাইনে উত্তর দেন,
নিরন্তর সম্পর্ক তৈরি করা এবং নিরন্তর বিক্রি করা। তার মতে, ব্যবসা শুধু পণ্য বা সেবার নয়, মানুষের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরির খেলাও।
বিশ্বে ব্যবসা শুরু করার জন্য সবচেয়ে ভালো দেশ কোনটি—এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র। কারণ সেখানে ব্যবসার জন্য সবচেয়ে সহজে বিনিয়োগ (Capital) পাওয়া যায়। তারপর আসে অর্থ ব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, অনেক মানুষ এমন মানুষের কাছে নিজেকে বড় দেখানোর জন্য এমন টাকা খরচ করে, যা তাদের কাছেই নেই। অথচ যাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, তাদের তারা আসলেই পছন্দও করে না। আগে সঞ্চয় করো, তারপর খরচ করো। তিনি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জোর দেন। ব্যবসা শুরু করার প্রথম দিন থেকেই সঠিক কোম্পানি স্ট্রাকচার তৈরি করো। এতে ভবিষ্যতে অনেক বড় সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে পারবে। সাক্ষাৎকারের শেষে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়,
যদি আগামীকাল আপনার জীবনের শেষ দিন হতো, তাহলে তরুণদের জন্য কী বার্তা রেখে যেতেন?

তিনি বলেন,
সম্পর্কই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। মানুষের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলো। যারা তোমার চেয়ে ভালো, তাদের কাছ থেকে শেখো। একসঙ্গে বেড়ে ওঠো। কারণ শেষ পর্যন্ত সম্পদের চেয়েও মূল্যবান হলো মানুষ।

Post Notes:
মানুষ যেমন রক্ত ছাড়া বাঁচে না, ব্যবসাও ক্যাশ-ফ্লো ছাড়া টিকে না। আর এই ক্যাশ-ফ্লো চালু রাখার একটাই উপায় - সেলস। সেলস বন্ধ মানেই ব্যবসার শ্বাস বন্ধ। এই সেলসকে সহজ ও প্রেডিক্টেবল করতে আমি লিখেছি ২৩৬ পেজের ই-বুক “সেলস টু ক্যাশ”। যেখানে আছে প্র্যাকটিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক, যা না জানলে আপনি হারাচ্ছেন লক্ষ টাকার সুযোগ। এটা শুধু বই না, আপনার ব্যবসা চালু রাখার গাইড। নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্টে যদি ৩৫০ টাকা ইনভেস্ট করতে না পারেন, তাহলে হয়তো ব্যবসাটা এখনও আপনার জন্য নয়। যদি আপনি আগ্রহী হন লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে।

১৭ বছর বয়সে স্কুল ছেড়ে দিয়েছিলেন। প্রথম শো থেকে আয় মাত্র ২৫০ ডলার। পরে এক বছরেই আয় করেন ২ কোটি ডলার! বিশ্বখ্যাত র‍্...
18/07/2026

১৭ বছর বয়সে স্কুল ছেড়ে দিয়েছিলেন। প্রথম শো থেকে আয় মাত্র ২৫০ ডলার। পরে এক বছরেই আয় করেন ২ কোটি ডলার! বিশ্বখ্যাত র‍্যাপার অফসেট (Offset)-কে এক সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,
আপনি কীভাবে মিলিয়নিয়ার হলেন?
অফসেট কোনো জটিল উত্তর দেননি। তিনি বললেন,
আমি আমার স্বপ্ন আর নিজের প্যাশনকে অনুসরণ করেছি। সেটাই আমাকে মিলিয়নিয়ার বানিয়েছে। তার সেই প্যাশনের নাম ছিল—সংগীত।
শুরুর দিকে মানুষ তাকে বলত, তোমাদের গান ভালো না।
কিন্তু সমালোচনা শুনে তিনি থেমে যাননি। বরং তিনি বলেন, মানুষ যখন বলত আমার গান বাজে, তখন আমি আরও কঠোর পরিশ্রম করতাম যেন আরও ভালো গান বানাতে পারি। যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়,
মানুষের সমালোচনা কি আপনাকে প্রভাবিত করত?
তিনি উত্তর দেন, না। আজও করে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ অনেক কিছু বলে। কিন্তু তাদের মতামত কোনোদিন আমার বিল পরিশোধ করেনি। আমার পরিবার ভালো আছে, এটাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এরপর আসে অর্থের প্রসঙ্গ।
এক বছরে সবচেয়ে বেশি কত টাকা আয় করেছিলেন?
অফসেট বলেন, ২০১৮ সালে, Migos-এর সময়। আমাদের প্রত্যেকে প্রায় ২০ মিলিয়ন ডলার করে আয় করেছিলাম। অর্থাৎ, এক বছরেই তার ব্যক্তিগত আয় ছিল প্রায় ২ কোটি মার্কিন ডলার। কিন্তু তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও স্বীকার করেন। অনেক শিল্পী প্রচুর টাকা আয় করার পরও শেষ পর্যন্ত নিঃস্ব হয়ে যান। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়,
এত টাকা আয় করার পর কীভাবে সেটা ধরে রাখা যায়?
তিনি বলেন, টাকা এমন জায়গায় রাখো, যেখানে সেই টাকা তোমার জন্য আরও টাকা উপার্জন করবে। এমন অ্যাকাউন্টে বা বিনিয়োগে রাখো, যেটা তুমি সহজে খরচ করতে পারবে না। তরুণ বয়সে সব টাকা উড়িয়ে দেওয়া খুব সহজ। তাই বুদ্ধিমানের মতো সঞ্চয় করতে শিখতে হবে।
ব্যবসায় প্রতারণার অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও তিনি খোলামেলা কথা বলেন।
তিনি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে Migos একটি রেকর্ড চুক্তিতে সই করেছিল, যেখানে মাত্র ১ লাখ ডলার তিনজনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের গান একের পর এক হিট হতে শুরু করে।
কিন্তু যতই তারা সফল হচ্ছিলেন, ততই অফসেট নিজের চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেন। তিনি বুঝতে পারেন, তিনি নিজের সংগীতের মালিক নন। শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের অর্থ খরচ করে সেই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন, যাতে নিজের কাজের মালিকানা নিজের কাছেই থাকে।
অফসেটের শুরুর জীবনও মোটেও সহজ ছিল না। তিনি বলেন,
আমি কোনো ধনী পরিবার থেকে আসিনি। একদমই না।
তার জীবনের মোড় ঘুরে যায় ১৭ বছর বয়সে। তিনি স্কুল ছেড়ে দেন।
কলেজে যাওয়ার প্রচলিত পথ অনুসরণ না করে নিজের স্বপ্নের পেছনে ছুটতে শুরু করেন। ছোট ছোট ওপেন মাইক অনুষ্ঠানে গান গাইতেন, যেখানে দর্শক থাকত মাত্র ১০ জন। তার প্রথম পারফরম্যান্সের পারিশ্রমিক ছিল মাত্র ২৫০ ডলার। সেই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তাদের চার ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে যেতে হতো। যাতায়াতের খরচ বাদ দিলে হাতে প্রায় কিছুই থাকত না। তবুও তারা যেতেন। কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল টাকা নয়, মানুষকে নিজের প্রতিভা দেখানো।
বিশ্বাসের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি একজন খ্রিস্টান। ছোটবেলা থেকেই আমার দাদি আমাকে গির্জায় নিয়ে যেতেন। আমি গির্জার কোরাসে গান গাইতাম। আমাদের পরিবার দরিদ্র ছিল, তাই ছোটবেলা থেকেই ঈশ্বরের ওপর আমাদের বিশ্বাস ছিল। সাক্ষাৎকারের শেষে তরুণদের উদ্দেশে তার বার্তা ছিল, তোমার চারপাশে এমন একটি দল তৈরি করো, যাদের লক্ষ্যও তোমার মতোই। সেটা সংগীত, ফ্যাশন, শিল্প কিংবা সাধারণ কোনো চাকরিই হোক না কেন। কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কোনো স্বপ্ন পূরণ হয় না। সহজে কোনো কিছুই আসে না।

Post Notes:
মানুষ যেমন রক্ত ছাড়া বাঁচে না, ব্যবসাও ক্যাশ-ফ্লো ছাড়া টিকে না। আর এই ক্যাশ-ফ্লো চালু রাখার একটাই উপায় - সেলস। সেলস বন্ধ মানেই ব্যবসার শ্বাস বন্ধ। এই সেলসকে সহজ ও প্রেডিক্টেবল করতে আমি লিখেছি ২৩৬ পেজের ই-বুক “সেলস টু ক্যাশ”। যেখানে আছে প্র্যাকটিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক, যা না জানলে আপনি হারাচ্ছেন লক্ষ টাকার সুযোগ। এটা শুধু বই না, আপনার ব্যবসা চালু রাখার গাইড। নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্টে যদি ৩৫০ টাকা ইনভেস্ট করতে না পারেন, তাহলে হয়তো ব্যবসাটা এখনও আপনার জন্য নয়। যদি আপনি আগ্রহী হন লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে।

17/07/2026

কারও রিজিকে হাত না দিয়ে এইটা করা বেস্ট মনে হয়

২৭ বছর ডাক্তারি করেছেন। তারপর মাইক্রোসফট ও ফেসবুকে এমন সময় বিনিয়োগ করেছিলেন, যখন খুব কম মানুষ তাদের চিনত!একজন বিলিয়নি...
16/07/2026

২৭ বছর ডাক্তারি করেছেন। তারপর মাইক্রোসফট ও ফেসবুকে এমন সময় বিনিয়োগ করেছিলেন, যখন খুব কম মানুষ তাদের চিনত!
একজন বিলিয়নিয়ার বিনিয়োগকারীকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,
এটা কি আপনার ফেরারি? আপনি কীভাবে এত ধনী হলেন?
তিনি শান্তভাবে উত্তর দিলেন,
আমি ২৭ বছর ডাক্তার ছিলাম। পাশাপাশি বিনিয়োগ করেছি। মাইক্রোসফটে একেবারে শুরুর দিকে বিনিয়োগ করেছি, পরে ফেসবুকেও। কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং সবসময় বুদ্ধিমানের মতো বিনিয়োগ করার চেষ্টা করেছি।"
তার সাফল্যের গল্প শুধু বড় কোম্পানিতে বিনিয়োগ করার নয়, বরং ধৈর্য, অভিজ্ঞতা এবং ভুল থেকে শেখার গল্প।
যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, বিনিয়োগ করার আগে একটি কোম্পানিতে আপনি কী খোঁজেন?
তিনি বলেন,
এটা মোটেও সহজ নয়। যখন মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানি একেবারে নতুন ছিল, তখন আমিও কয়েকবার আমার শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিলাম। কারণ তখন তাদের কম্পিউটার আমার ভালো লাগেনি। পরে দেখলাম কোম্পানিটি উড়ে যাচ্ছে। আবার নেটফ্লিক্সের আইডিয়াটাও শুরুতে দারুণ মনে হয়েছিল। তাই শুধু একটি কোম্পানি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়। কঠোর পরিশ্রম করতে হয়, টাকা জমাতে হয় এবং যতটা সম্ভব বুদ্ধিমানের মতো বিনিয়োগ করতে হয়।

তিনি ছোটবেলায় নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বড় হয়েছেন। পরে জীবনের এক পর্যায়ে মোনাকোতে চলে যান। তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে চাননি। সাক্ষাৎকারের শেষ দিকে উপস্থাপক তাকে জিজ্ঞেস করেন, যদি আজই আপনার জীবনের শেষ দিন হতো, তাহলে তরুণ প্রজন্মের জন্য কী বার্তা রেখে যেতেন?
তিনি কোনো জটিল আর্থিক কৌশল বলেননি।
বরং বলেছিলেন,
মানুষের প্রতি সদয় হও। তোমার কাছে কত টাকা আছে, সেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়। মানুষ তোমাকে কীভাবে মনে রাখবে, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর যদি তোমার কাছে কিছুই না থাকে, তবুও দিনে ২৪ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে প্রস্তুত থাকো।
এরপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা হয়,
আজকের প্রতিযোগিতাপূর্ণ পৃথিবীতে একজন মানুষ কীভাবে ব্যবসায় সফল হতে পারে? তার উত্তর ছিল সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শক্তিশালী—
কঠোর পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়।
এই বিনিয়োগকারীর গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখায়।
সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারীরাও সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেন না। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন, একসময় মাইক্রোসফটের শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি থেমে যাননি। তিনি শিখেছেন, আবার বিনিয়োগ করেছেন এবং দীর্ঘমেয়াদে সম্পদ গড়েছেন।

সফল বিনিয়োগের জন্য শুধু ভালো কোম্পানি খুঁজে পেলেই হয় না—ধৈর্য, ধারাবাহিকতা এবং দীর্ঘমেয়াদি চিন্তাভাবনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Post Notes:
মানুষ যেমন রক্ত ছাড়া বাঁচে না, ব্যবসাও ক্যাশ-ফ্লো ছাড়া টিকে না। আর এই ক্যাশ-ফ্লো চালু রাখার একটাই উপায় - সেলস। সেলস বন্ধ মানেই ব্যবসার শ্বাস বন্ধ। এই সেলসকে সহজ ও প্রেডিক্টেবল করতে আমি লিখেছি ২৩৬ পেজের ই-বুক “সেলস টু ক্যাশ”। যেখানে আছে প্র্যাকটিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক, যা না জানলে আপনি হারাচ্ছেন লক্ষ টাকার সুযোগ। এটা শুধু বই না, আপনার ব্যবসা চালু রাখার গাইড। নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্টে যদি ৩৫০ টাকা ইনভেস্ট করতে না পারেন, তাহলে হয়তো ব্যবসাটা এখনও আপনার জন্য নয়। যদি আপনি আগ্রহী হন লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে।

স্কুলে বন্ধুদের কাছে ক্যান্ডি বিক্রি করতেন। আজ তার কোম্পানির এক প্রান্তিকের (৩ মাস) আয় ১০ বিলিয়ন ডলার! অনেকেই মনে করেন...
14/07/2026

স্কুলে বন্ধুদের কাছে ক্যান্ডি বিক্রি করতেন। আজ তার কোম্পানির এক প্রান্তিকের (৩ মাস) আয় ১০ বিলিয়ন ডলার! অনেকেই মনে করেন আফ্রিকায় বড় ব্যবসা করা সম্ভব নয়। কিন্তু আফ্রিকার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি আলিকো ড্যাংগোটে সেই ধারণাটাকেই ভুল প্রমাণ করেছেন।
একটি সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,
আপনি কীভাবে এত ধনী হলেন?
তিনি বলেন, শুরুতে তার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না যে তিনি একদিন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য গড়বেন। শৈশবে তিনি সহপাঠীদের কাছে ক্যান্ডি বিক্রি করতেন। তখনও তিনি বুঝতে পারেননি যে ব্যবসাই একদিন তার জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে উঠবে। বর্তমানে তার ব্যবসা শুধু একটি খাতে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি পরিচালনা করেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় Single Train Oil Refinery, যার দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ৭ লাখ ব্যারেল তেল। এছাড়াও তার রয়েছে—
— সিমেন্ট শিল্প
— সার (Fertilizer)
— তেল ও গ্যাস
— পেট্রোকেমিক্যাল
— কৃষি ও খাদ্যশিল্প

শুধু এক প্রান্তিকে (৩ মাসে) তার কোম্পানির আয় ছিল প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। তার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে আফ্রিকার ভেতর থেকেই ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বার্ষিক আয়ের একটি শিল্পগোষ্ঠী তৈরি করা।
কিন্তু তার সবচেয়ে বড় উপলব্ধি ছিল অন্য জায়গায়।
তিনি দেখলেন, আফ্রিকা কাঁচামাল বিদেশে পাঠায়, আর পরে সেই একই পণ্য তৈরি হয়ে অনেক বেশি দামে আবার আফ্রিকাতেই ফিরে আসে।

তিনি বলেন,
আমরা যদি নিজেরাই উৎপাদন না করি, তাহলে আমরা শুধু পণ্য আমদানি করছি না—আমরা চাকরিও আমদানি করছি না, বরং নিজেদের চাকরি বিদেশে রপ্তানি করছি।
এই চিন্তা থেকেই তিনি ট্রেডিং ছেড়ে উৎপাদনে (Manufacturing) বিনিয়োগ শুরু করেন। অনেকে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন,
এত বড় বড় আন্তর্জাতিক কোম্পানির সঙ্গে কীভাবে প্রতিযোগিতা করবেন? তার উত্তর ছিল খুবই আত্মবিশ্বাসী।
আমি প্রতিযোগিতাকে কখনও ভয় পাইনি। আমি আমার ব্যবসাকে তাদের চেয়ে ভালো বুঝি। বিক্রয় ও আলোচনার (Sales & Negotiation) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কী?
তিনি বলেন, গ্রাহকই রাজা। যদি আপনি পণ্য বিক্রি করতে না পারেন, তাহলে ব্যবসা কখনও বড় হবে না। তাই সবসময় গ্রাহককে রাজা হিসেবে বিবেচনা করুন।

ফোর্বসের হিসেবে তার সম্পদের পরিমাণ কয়েক দশক বিলিয়ন ডলার হলেও, তিনি বলেন তিনি কখনও নিজের নেটওয়ার্থ নিয়ে ভাবেন না।
তার ভাষায়, এসব সংখ্যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। আমি ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চাই। আজও তার সবচেয়ে বড় শখ ব্যবসা।
তিনি বলেন, আমি যা করি, সেটা আমি ভালোবাসি। আর যদি নিজের ব্যবসাকে সত্যিকার অর্থে না বোঝেন, তাহলে সেই ব্যবসা কখনও সফলভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না।

তার মতে, পৃথিবীর সবচেয়ে সফল মানুষদের মধ্যে একটি বিষয় মিল আছে—
— তারা ফোকাসড।
— তারা নিজেদের ব্যবসা গভীরভাবে বোঝে।
— তারা শুধু টাকা আয়ের জন্য ব্যবসা করে না; তারা একটি উত্তরাধিকার (Legacy) তৈরি করতে চায়।

ড্যাংগোটের জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন শুধু ধনী হওয়া নয়।
তিনি চান মানুষ তাকে এমন একজন হিসেবে মনে রাখুক, যিনি আফ্রিকাকে কাঁচামাল রপ্তানিকারক মহাদেশ থেকে শিল্পায়িত মহাদেশে রূপান্তর করার চেষ্টা করেছিলেন।

শেষে তরুণদের উদ্দেশে তার বার্তা ছিল—
সৎ থাকুন। কৌশলী হোন। আপনি কী করছেন, সেটা পরিষ্কারভাবে জানুন। জীবনে উত্থান-পতন আসবেই। কিন্তু লক্ষ্য থেকে সরে যাবেন না। ফোকাস ধরে রাখতে পারলে একদিন অবশ্যই সফল হবেন।

Post Notes:
মানুষ যেমন রক্ত ছাড়া বাঁচে না, ব্যবসাও ক্যাশ-ফ্লো ছাড়া টিকে না। আর এই ক্যাশ-ফ্লো চালু রাখার একটাই উপায় - সেলস। সেলস বন্ধ মানেই ব্যবসার শ্বাস বন্ধ। এই সেলসকে সহজ ও প্রেডিক্টেবল করতে আমি লিখেছি ২৩৬ পেজের ই-বুক “সেলস টু ক্যাশ”। যেখানে আছে প্র্যাকটিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক, যা না জানলে আপনি হারাচ্ছেন লক্ষ টাকার সুযোগ। এটা শুধু বই না, আপনার ব্যবসা চালু রাখার গাইড। এই বইটি সবার জন্য না । মাত্র ২০০ জন উদ্যোক্তার হাতে তুলে দিতে চাই, যার আসলেই কাজে আসবে। তবে নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্টে যদি ৩৫০ টাকা ইনভেস্ট করতে না পারেন, তাহলে হয়তো ব্যবসাটা এখনও আপনার জন্য নয়। যদি আপনি আগ্রহী হন লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে।

অতিরিক্ত ভাবা বন্ধ করুন।অনেক সময় আমাদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দেয় অন্য কেউ নয়, আমাদের নিজের চিন্তাগুলো।বারবার অতীতের ব...
14/07/2026

অতিরিক্ত ভাবা বন্ধ করুন।
অনেক সময় আমাদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দেয় অন্য কেউ নয়, আমাদের নিজের চিন্তাগুলো।

বারবার অতীতের ব্যর্থতার কথা ভাবলে মনে হয়, "আমি পারব না।"
আবার ভবিষ্যতের অজানা ভয় কল্পনা করতে করতে আমরা নিজেই নিজের পথ আটকে দিই।

মনে রাখুন, অতীত বদলানো যায় না, আর ভবিষ্যৎ এখনো আসেনি।
আপনার হাতে আছে শুধু এই মুহূর্ত।

তাই ভয় নয়, শুরু করুন।
সন্দেহ নয়, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন।
কারণ আত্মবিশ্বাস আসে কাজ থেকে, শুধু ভাবনা থেকে নয়।

কম ভাবুন, বেশি কাজ করুন। সফলতা তখনই আপনার দিকে এগিয়ে আসবে। 💙

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sakhawat Post posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sakhawat Post:

Shortcuts

Share