Desh Live News - দেশ লাইভ নিউজ

16/09/2026

কক্সবাজারে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিলের প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ—

#কক্সবাজার

16/09/2026

চকরিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আসনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল-

চৌমুহনীর প্রধান সড়কেই ময়লার স্তূপ, নজর নেই কর্তৃপক্ষের!
16/09/2026

চৌমুহনীর প্রধান সড়কেই ময়লার স্তূপ, নজর নেই কর্তৃপক্ষের!

রামুতে ছাত্রদল নেতার নিয়ন্ত্রণে মাদক চোরাচালান, গরুপাচার, ও এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব। * রামুতেই নতুন ইয়াবা মাফিয়া ওয়ার্ড ছা...
16/09/2026

রামুতে ছাত্রদল নেতার নিয়ন্ত্রণে মাদক চোরাচালান, গরুপাচার, ও এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব।

* রামুতেই নতুন ইয়াবা মাফিয়া ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা সায়েদ, অল্পদিনেই ডাকাত শাহীনের সম্রাজ্য গড়ে তুলেন এই পিচ্চি ইয়াবা সম্রাট ।

(নিজস্ব প্রতিবেদক)

(পর্ব - ১)
কক্সবাজারের রামু উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকার গর্জনীয়া ইউনিয়নের একজন ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বেই চলছে মাদক চোরাচালানের নিয়ন্ত্রণ। প্রতিটি মাদক কারবারিদেরকে একাই শেল্টার দিয়ে বিলাসী জীবনযাপন করেন সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা। পাশাপাশি গরু চোরাচালানের সময় সীমান্তের ওপার থেকে ছটকে নিয়ে আসেন মাদক এবং বিনিময়ে পাচার করেন জালানি তেল, সিমেন্টসহ নানা অবৈধ সামগ্রী।

তার নেতৃত্বেই রয়েছে একটি শক্তিশালী পাচারকারী সেন্ডিকেট। তবে তিনি এসব রপ্ত করেছেন একই ইউনিয়নের মাঝিরকাটা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাস ডাকাত শাহীন থেকে। তিনি হলেন ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড থোয়াইঙ্গাকাটা এলাকার ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সায়েদ। হঠাৎ করেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেই মাদক চোরাচালান, সীমান্ত পেরিয়ে গরু চোরাচালানের সাথেও বেশ সক্রিয়। এছাড়াও এলাকায় ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে চালাচ্ছে ত্রাসের রাজত্ব। পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন এনজিও আইএনজিও থেকে গোপনে চাঁদাবাজি করতে বিভিন্ন চাকরিজীবীদের হয়রানি করেন বলেও জানা যায়।

গভীর রাত হলেই তার নেতৃত্বে একদল যুবক মিয়ানমারের ওপারে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য সাপ্লাই করেন। এসবের বিনিময়ে ইয়াবা-আইসসহ নিয়ে আসেন বান্ডিল বান্ডিল মাদক।

সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে একেরপর এক অভিযোগ এনে এলাকাবাসী এমন লোমহর্ষক তথ্যের বর্ণনা দেন। স্থানীয় এক মুদির দোকানদার (নাম প্রকাশেঅনিচ্ছুক) বলেন, সায়েদ নামের একজন ছাত্রদল নেতা আমাদের এলাকায় বিভিন্ন সময় নিজেকে নেতা পরিচয়ে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তার একটি শক্তিশালী সেন্ডিকেট রয়েছে, যারা রাতে মাদক, অস্ত্র, গরু চোরাচালানের সাথে সরাসরি জড়িত। তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই নিজেকে ডাকাত শাহীনের একান্ত সচিব এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের নানা ব্যক্তির পরিচয় দিয়ে থাকেন।

একই এলাকার নুর আয়েশা (৩৫) নামের একজন নারী বলেন, সায়েদের পরিবার একসময় নুন আনতে পান্তা ফুরাতো যেখানে, সেখানে ছাত্রদল নেতা হওয়ার পর থেকেই ভিআইপি মোটরসাইকেল, চালচলন এবং কথাবার্তা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই আমূল-পরিবর্তন হয়েছে। সবকিছুই অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে হয়েছে। এলাকায় তার একটি শক্তিশালী সেন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। যাদেরকে দিয়েই নিয়মিত অপরাধ সম্রাজ্য গড়ে তুলার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

স্থানীয় সাবেক ওয়ার্ড মেম্বার আবদুল জব্বার (৪৩) বলেন, সামান্য একজন ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে অল্প বয়সী একজন ছেলে মানুষ যদি হঠাৎ পরিবর্তন দেখা যায়, সেখানে অদৃশ্য কোন কারণ অবশ্যই থাকতে পারে। তবে প্রশাসন এবং ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরা মিলে যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা প্রয়োজন বলে মনে করছি। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও তার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছি।

এদিকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেন, আসন্য স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তার নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী চাঁদাবাজ সেন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। যাদের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিটি প্রার্থীকে নানা প্রতিশ্রুতি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করার। এমনকি তাকে চাঁদা না দিলে নির্বাচন না করারও হুমকি দেন গোপনে। একইসাথে এলাকার প্রতিটি ভোটের জন্যও তাকে মোটা অংকের টাকা দিতে হবে বলে এমন অভিযোগ তুলেন স্থানীয়রা।

সর্বশেষ অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে একেরপর এক তলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে। যা শুনা মাত্রই শিহরে উঠার মতো অবস্থা। রামু উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাস ডাকাত শাহীন একসময় পুরো উপজেলা জুড়ে যেমন মাদক,গরু চোরাচালান থেকে শুরু করে সবকিছুই যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করতো, তেমনি শাহাদাত হোসেন সায়েদও এখন গর্জনীয়া ইউনিয়ন নিয়ন্ত্রণ করেন মাফিয়া স্টাইলে, যদিওবা তার ফেসবুক পেইজে নিজেক সবসময় মানবিক ও প্রতিবাদী বলে দাবী করেন। বিভিন্ন সময় মানুষকে হয়রানিমূলক হুমকি দেয়ারও কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরগরম হয়ে উঠে।

তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করার পরেও কোন বক্তব্য দেয়নি,
পরবর্তী মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

স্থানীয়দের একটাই দাবি, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা বা গেলে, ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে, পাশাপাশি এলাকায় মাদকের আগ্রাসন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়ে যাবে। অতিদ্রুত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য আকুল আবেদন করছেন এলাকার সচেতন মহল পেশাজীবি সর্বস্তরের মানুষ।

#রামু #কক্সবাজার #দেশলাইভনিউজ

16/09/2026

চকরিয়া সিটি কলেজে আধুনিক ল্যাব উদ্বোধন—

#দেশলাইভনিউজ-

কক্সবাজারে সদর মডেল থানার অভিযানে ১৫ আসামি গ্রেপ্তার—
16/09/2026

কক্সবাজারে সদর মডেল থানার অভিযানে ১৫ আসামি গ্রেপ্তার—

চোর সন্দেহে মহেশখালীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগপ্রকাশ্য দিবালোকে মারধর, শরীরে আঘাতের চিহ্ন; জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি ...
15/09/2026

চোর সন্দেহে মহেশখালীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশ্য দিবালোকে মারধর, শরীরে আঘাতের চিহ্ন; জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি পরিবারের

কক্সবাজার প্রতিনিধি: মাহফুজ মুক্তাদির

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় প্রকাশ্য দিবালোকে চোর সন্দেহে ফয়সাল (২৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাঘোনা এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ফয়সাল ওই এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সোমবার ফয়সালকে চোর সন্দেহে একদল লোক ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে কেফায়েত উল্লাহ ও তার সহযোগীরা তাকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।

মারধরে গুরুতর আহত ফয়সালকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবারের দাবি, চোর সন্দেহে কাউকে এভাবে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাদের অভিযোগ, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তারা কেফায়েত উল্লাহ ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহেশখালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝিলংজা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রশিদ আহমদ আবারও অসুস্থ—
14/09/2026

ঝিলংজা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক রশিদ আহমদ আবারও অসুস্থ—

মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাবল পাচার, চালিয়াতলীতে লুটের অভিযোগজব্দ করা মালামালও সরিয়ে নেওয়ার দাবি, পুলিশের ভূমিক...
13/09/2026

মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাবল পাচার, চালিয়াতলীতে লুটের অভিযোগ

জব্দ করা মালামালও সরিয়ে নেওয়ার দাবি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন; স্ক্র্যাপ নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা থেকে পাচারের সময় আটক হওয়া বিপুল পরিমাণ দামী বৈদ্যুতিক ক্যাবল (তার) চালিয়াতলী এলাকায় প্রকাশ্যে লুটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি জব্দ অবস্থায় থাকা মালামালের একটি অংশ পরবর্তীতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকা থেকে একটি গাড়িতে করে বিপুল পরিমাণ ক্যাবল পাচারের সময় চালিয়াতলী এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে মালামালসহ গাড়িটি আটক করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

জব্দ করা গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ ১২-১৯০১।

পুলিশের উপস্থিতিতেই ক্যাবাল সরানোর অভিযোগ

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকা অবস্থাতেই একপর্যায়ে কয়েকজন লোক গাড়ি থেকে ক্যাবল নামিয়ে নিয়ে যেতে শুরু করে। কেউ কাঁধে করে, কেউ সিএনজিচালিত অটোরিকশায় এবং কেউ আশপাশের দোকানে এসব ক্যাবল সরিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এ সময় ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জব্দ করা সরকারি প্রকল্পের মালামাল নিরাপদ হেফাজতে নেওয়ার পরিবর্তে কীভাবে সেগুলো প্রকাশ্যে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ীর দোকানের সামনে জব্দ, পরে মালামাল সরানোর অভিযোগ

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, চালিয়াতলী এলাকার স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী লিয়াকতের দোকানের সামনে পাচারকৃত ক্যাবলগুলো জব্দ অবস্থায় ছিল। পরে এসব মালামালের একটি অংশ সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, লিয়াকত দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প এলাকার স্ক্র্যাপ ও পরিত্যক্ত মালামালের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাকে ঘিরে প্রকল্পের মালামাল চুরি, পাচার ও অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে বলে তারা দাবি করেন। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ‘গডফাদার’ হিসেবেও আখ্যা দিচ্ছেন।

তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে লিয়াকতের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, জব্দ করা ক্যাবলগুলো নিরাপদ হেফাজতে নেওয়ার পরিবর্তে ঘটনাস্থলেই রাখা হয়েছিল। পরে লিয়াকত ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে জব্দকৃত মালামালের একটি অংশ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

এ নিয়ে স্থানীয়দের প্রশ্ন—পুলিশের উপস্থিতিতে জব্দ হওয়া সরকারি প্রকল্পের মালামাল কীভাবে পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো এবং কার সহযোগিতা বা অবহেলায় তা সম্ভব হলো?

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ

ঘটনার সময় পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও মালামাল উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, প্রকাশ্যে বিপুল পরিমাণ ক্যাবল সরিয়ে নেওয়া হলেও পুলিশ মূলত পাচারে ব্যবহৃত গাড়িটি জব্দ করার মধ্যেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রেখেছে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু গাড়ি জব্দ করলেই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে না। পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, মালামাল গ্রহণকারী, লুটে অংশ নেওয়া ব্যক্তি এবং জব্দের পর মালামাল সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততা থাকলে তদন্তের মাধ্যমে তা শনাক্ত করতে হবে।

প্রকল্পের বিভিন্ন সাইট থেকে মালামাল সরানোর অভিযোগ

এদিকে মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিভিন্ন সাব-কনট্রাক্টর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কাজ শেষে কিংবা বিভিন্ন সুযোগে প্রকল্পের মালামাল বাইরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও দীর্ঘদিনের বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

তাদের দাবি, প্রকল্পের বিভিন্ন সাইটে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা Scrap ও অন্যান্য মালামাল যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় চুরি বা অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

বিশেষ করে পসকো ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন সাইটসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রকল্পের মালামাল চুরি কিংবা বিভিন্ন কৌশলে বাইরে চলে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবে প্রকল্পের মালামাল বেহাত হলে একদিকে সরকারি সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হতে পারে।

টেন্ডারের মালামাল সময়মতো বুঝে না পাওয়ার অভিযোগ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের এক ঠিকাদার জানান, তিনি প্রায় ৪ কোটি ৫ লাখ টাকা জমা দেওয়ার পরও চার মাস অতিবাহিত হলেও টেন্ডারে থাকা Scrap Cable-এর অর্ধেক মালামাল এখনো বুঝে পাননি।

ওই ঠিকাদারের দাবি, টেন্ডারে থাকা মালামালের একটি বড় অংশ এরই মধ্যে চুরি হয়ে গেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। টেন্ডার হওয়ার পর বিভিন্ন নিয়মনীতি ও আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে মালামাল বুঝে দেওয়া সম্ভব হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় মালামাল পড়ে থাকায় চোরেরা সুযোগ পেয়েছে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত মালামাল বুঝিয়ে দিলে এ ধরনের চুরি অনেকটাই কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

ওসি আব্দুস সুলতান: প্রমাণ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা

চালিয়াতলীতে ক্যাবল পাচার, জব্দ করা মালামাল সরিয়ে নেওয়া এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মো. আব্দুস সুলতান বলেন, ঘটনার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। ক্যাবল পাচার, লুট কিংবা জব্দ করা মালামাল সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে অভিযোগের সত্যতা ও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দ্রুত তদন্ত ও মালামাল উদ্ধারের দাবি

স্থানীয়দের মতে, চালিয়াতলীতে ক্যাবল লুটের ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা কি না, নাকি প্রকল্পের বিভিন্ন সাইট থেকে দীর্ঘদিন ধরে মালামাল সরিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সংঘবদ্ধ কোনো চক্র জড়িত—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করা জরুরি।

তারা প্রকল্পের মালামাল পাচার, জব্দের পর তা সরিয়ে নেওয়া এবং বিভিন্ন স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ীর কাছে এসব মালামাল যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে চালিয়াতলী থেকে সরিয়ে নেওয়া ক্যাবল দ্রুত উদ্ধার, পাচার ও লুটের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং প্রকল্পের বিভিন্ন সাইটে থাকা মালামালের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে প্রকল্পের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মালামালও পর্যায়ক্রমে চুরি বা পাচার হয়ে যেতে পারে। এতে প্রকল্প ও সরকার উভয়ই বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

তবে ক্যাবল পাচার, লুট, জব্দ মালামাল সরিয়ে নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। সংশ্লিষ্ট স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী লিয়াকতের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ইউএনওর নির্দেশ অমান্য করে রেড ক্রিসেন্টের পুকুর দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধেকক্সবাজার প্রতিনিধি :কক্সবাজারের নবগঠি...
13/09/2026

ইউএনওর নির্দেশ অমান্য করে রেড ক্রিসেন্টের পুকুর দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

কক্সবাজার প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাইক্লোন সেন্টার সংলগ্ন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি পুকুর দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল হাসান হান্নানের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ মার্চ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি থেকে পুকুরটি ইজারা নেন স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আলম। ইজারা নেওয়ার পর তিনি পুকুরে মাছ চাষের কার্যক্রম শুরু করতে গেলে বিএনপি নেতা হান্নান তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নুরুল আলমের দাবি, চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হান্নান তার চাচাতো ভাই মুস্তাফিজুর রহমান, এস্তফিজুর রহমান, আব্দুল হামিদ ও শেখ সালাউদ্দিনসহ কয়েকজনকে দিয়ে পুকুরে জোরপূর্বক মাছের পোনা ছাড়েন এবং পুকুরটি দখলে রাখেন।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে নুরুল আলম চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি পরিদর্শন করে। এ সময় নুরুল আলমের পক্ষে পুলিশকে সাক্ষ্য দেওয়ায় স্থানীয় জাকির হোসাইনের ওপর হামলার অভিযোগও ওঠে শেখ সালাউদ্দিন, সিফাত, আব্দুল হামিদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

পরবর্তীতে পুকুরের দখল নিয়ে নুরুল আলমের ছোট ভাই শফিউল আলম চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে ডেকে বিষয়টি শুনানি করেন মাতামুহুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন দেলোয়ার। শুনানি শেষে পুকুরে থাকা মাছের পোনা এক সপ্তাহের মধ্যে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে অভিযোগকারীর পরিবার জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইজারা গ্রহীতা নুরুল আলম ও তার পক্ষের লোকজনকে পুকুরটি ভোগদখলের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয় বলে দাবি তাদের।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাছ তুলে না নেওয়ায় ইউএনওর নির্দেশ বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন নুরুল আলমের পরিবার। তাদের দাবি, প্রশাসনের নির্দেশনার পরও পুকুরে মাছ রেখে দখল বজায় রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে মাতামুহুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন দেলোয়ার বলেন, “রেড ক্রিসেন্ট পুকুরটি ইজারা দিয়েছে। আরেক পক্ষ উপজেলা থেকে ইজারা নিতে চাইলে তা সম্ভব নয়।”

অভিযুক্ত ইমরুল হাসান হান্নানের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ১০ মিনিট পর ফোন করবেন বলে জানান। পরে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগকারীরা পুকুরটি প্রকৃত ইজারা গ্রহীতার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া এবং প্রশাসনের নির্দেশনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Address

21/1 B. N Tower Shop
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Desh Live News - দেশ লাইভ নিউজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Desh Live News - দেশ লাইভ নিউজ:

Shortcuts

Share