মা-নু-ষ

মা-নু-ষ আনন্দ ও জীবনের প্রয়োজনে সাথে থাকুন।

পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই হয়তো একটা সংকটহীন সাচ্ছন্দ্য নির্ভেজাল জীবন কাটাতে চায়। এই চাওয়াটাই যেন স্বাভাবিক ব্যাপার। অথচ জ...
26/05/2021

পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই হয়তো একটা সংকটহীন সাচ্ছন্দ্য নির্ভেজাল জীবন কাটাতে চায়। এই চাওয়াটাই যেন স্বাভাবিক ব্যাপার। অথচ জীবন মানেই প্রকৃতির মাঝে শত সংকটপূর্ণ প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যাওয়া।

মানুষের জীবনে সংকট থাকবেই, জীবনের প্রতি পদে পদে নতুন নতুন সংকট আসবেই। যে জীবনে কোনো সংকট নেই, সেই জীবনে সংকট থেকে মুক্তির জন্য কোন প্রচেষ্টা বা সংগ্রাম নেই, তাই কোন শিক্ষাও নেই। আর শিক্ষা বা সংগ্রামহীন জীবনে মনুষ্যত্ব থাকেনা। মনুষ্যত্বহীন জীবন কি কখনও মানুষের জীবন হতে পারে?

অথচ আমাদের সমাজে প্রতিটি বাবা-মা-ই চান তার সন্তানের জীবনটা সংকটমুক্ত নির্ভেজাল হোক। এর জন্য আজীবন চলতে থাকে প্রাণপন চেষ্টা। অথচ এটা কি সন্তানের জন্য কোন কাজে দেয়?

জীবনে সংকট থাকবেই। সংকটকে এড়িয়ে চলা সম্ভব না।
কিন্তু জীবনে জটিলতা থাকলে জীবন দূর্বিষহ হয়ে উঠে। তখন জীবনটাকে যাপন না করে বয়ে বেড়াতে হয়। এজন্যই যুগে যুগে মানুষ সরল পথের সন্ধান করেছে, বিশ্বাসই যেখানে মূল প্রাণশক্তি। বিশ্বাসী না হলে সরল পথের সন্ধান পাওয়া সম্ভব না।

একটা সুন্দর জীবনযাপন করার জন্য তাই দুটি জিনিসের খুবই প্রয়োজন। অভিজ্ঞতালব্দ শিক্ষা আর সরলতাপূর্ণ বিশ্বাস।

*****জীবন-মানে-সংগ্রাম*****

বিয়ে বা পরিবার গঠন ব্যাপারটা সমাজ ও পাত্র-পাত্রীর কাছে বিভিন্ন দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, বৈধ যৌনতা, ভবি...
03/12/2020

বিয়ে বা পরিবার গঠন ব্যাপারটা সমাজ ও পাত্র-পাত্রীর কাছে বিভিন্ন দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, বৈধ যৌনতা, ভবিষ্যত প্রজন্ম প্রাপ্তির পথ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং আরো অনেক কারণ হতে পারে। কিন্তু প্রকৃতি নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাথার স্বার্থেই বিয়ে বা পরিবার কে শুধুমাত্র প্রজন্মের ধারাবাহিকতা রক্ষার শর্তেই নির্দিষ্ট করেছে। যা প্রকৃতির আগামীর দিক। এই শর্তের সঙ্গে সম্পর্ক কেবল সন্তান জন্মদান, সন্তানের সুস্থভাবে বেড়ে উঠা ও টিকে থাকা । অন্যান্য সকল শর্ত সামাজিক জীবনে মানুষের মননজগতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ধরা দিলেও প্রকৃতির কাছে তা মূল শর্তের অনুষঙ্গ হয়ে এসেছে মাত্র, যা পাত্র-পাত্রীকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মৌলিক শর্তের প্রয়োজনে মোটিভেট করে।

কিন্তু বৈবাহিক জীবনে বা পারিবারিক জীবনে স্বামী বা স্ত্রী অথবা উভয়ের মধ্যে যখন মূল শর্তের চেয়ে যে কোন আনুসঙ্গিক শর্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে তখনি বিপত্তি ঘটে। প্রকৃতি তখন এই প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখা আর গুরুত্বপূর্ণ মনে করে না। প্রকৃতি তার শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার সময়কে ব্যবহার করে, সময় নির্দিষ্ট করে দেয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর লক্ষ্য মৌলিক শর্তের দিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত না হলে, দুজন আলাদা হয়ে যায়। আমরা দেখি ডিভোর্স হিসেবে।

সহজ কথায়, দু’জন মানুষ একসাথে পথচলার জন্য অভিন্ন লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা অনিবার্য। লক্ষ্য ভিন্ন তো পথ ভিন্ন, ভিন্ন পথে দু’জন একসাথে থাকতে পারে না।

আর প্রতিটি দাম্প্যত্যের প্রকৃতি-নির্দিষ্ট, কাল-নিরপেক্ষ মৌলিক লক্ষ্য বা আগামী হলো সন্তান।

অর্থাৎ যে দম্পতির মধ্যে সন্তানের চেয়ে অন্যকিছু বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে তাদের আর যা-ই হোক সংসার টিকবে না।

27/11/2020

ধর্মগ্রন্থ সমূহে বেশিরভাগ কথা কেন রুপকাশ্রয়ী হয়- এই ভিডিওটা দেখলে বুঝবেন।

16/11/2020

এই শতকে এসে আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাটি হলো আমরা এত বৈচিত্র্য চিন্তাধারার মধ্যে থেকেও কিভাবে আমরা একটা ঐক্যমতে পৌছাতে পারি? যেখানে প্রতিটি বিষয়ের উপর আলাদা আলাদা তথ্যযুক্ত ও গ্রহনযোগ্য যৌক্তিক ব্যখ্যা বা মতামত রয়েছে।

অসীমতা অনুভব করার একটিই উপায় আছে। চোখটাকে বন্ধ করা। বাইরের চোখদুটো বন্ধ করলে ভেতরের চোখটা খুলতে সহজ হয়। যাকে অনেকে তৃতীয়...
15/11/2020

অসীমতা অনুভব করার একটিই উপায় আছে। চোখটাকে বন্ধ করা। বাইরের চোখদুটো বন্ধ করলে ভেতরের চোখটা খুলতে সহজ হয়। যাকে অনেকে তৃতীয় নয়ন বলে থাকেন। যা দিয়ে দেখলে বোধোদয় হয়।

মানুষ কল্পনাপ্রবন কিন্তু পশু কল্পনা করতে পারে না। এই জন্য মানুষ চোখ খোলা রেখে যা দেখতে পায় চোখ বন্ধ করলে তার চেয়ে অনেক বেশি দেখে। যৌক্তিক-অযৌাক্তিক কোন কল্পনাই করতে পারে না পশু। মানুষ দুটোই পারে। এই বৈশিষ্ট্যও মানুষকে পশু থেকে আলাদা করে দেয়। যৌক্তিক কল্পনা মানুষকে আবিষ্কার করতে শেখায়। মানুষের বোধোদয় ঘটায়। স্রষ্টাকে উপলব্ধি করায়। শয়তানকে চেনায়। অযৌক্তিক কল্পনা ঈশ্বর আর শয়তানকে আলাদা করতে পারে না।

সত্য কথার বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে- তুমি কাউকে সবসময় খুশি রাখতে পারবে না যদি সে সত্যের অনুসন্ধানী না হয়।আমাদের সমাজটাই যেহেতু মি...
20/08/2020

সত্য কথার বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে- তুমি কাউকে সবসময় খুশি রাখতে পারবে না যদি সে সত্যের অনুসন্ধানী না হয়।

আমাদের সমাজটাই যেহেতু মিথ্যা আর পঙ্কিলতায় ডুবে আছে তাই আমাদের সবার জীবনে মিথ্যা-ই প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে।

আমাদের সমাজ যে মিথ্যা, অনাচার, অন্যায় আর পঙ্কিলতায় ডুবে আছে চারপাশে তাকালে এটা যে কেউ বুঝতে পারে। তবুও আমরা সবাই মনে করি নিজে যা করছি ঠিকই তো করছি। সেটাকেই আমরা জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় ভেবে মেনে চলছি।

কোন এক সময়ে এগিয়ে যাওয়ার শর্তে পূজিবাদী দর্শনকে পৃথিবী গ্রহন করলেও তা আজ কিছু মানুষের স্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। শিল্প, প্রযুক্তি আর মুক্তবাজার অর্থনীতির বিকাশ হতে হতে আজ তা দানবে পরিনত হয়েছে। অল্প কিছু মানুষের হাতে চলে এসেছে পৃথিবীর অর্ধেক সম্পত্তি। বলা হচ্ছে, পৃথিবীর ১ ভাগ মানুষের কাছে পৃথিবীর ৯৯ ভাগ সম্পত্তি চলে এসেছে। অন্যদিকে ৯৯ ভাগ মানুষের হাতে থাকে মোট সম্পত্তির ১ শতাংশ। আর এই ১ শতাংশের মধ্যে থেকে আমরা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগীতায় কামড়া কামড়িতে ব্যস্ত। এদিকে আর্থিক মানদন্ডই সমাজের মুল মানদন্ড হয়ে উঠেছে। এই মানদন্ডে কে বড় কে ছোট হলাম এই হিসেব করতেই আমাদের জীবন কেটে যায়। একে অপরকে হেয় করতে, অন্যের উপর প্রভাব বিস্তার করতে প্রতিনিয়ত নিজেদের মধ্যে বিভেদ করে চলছি। এই বিভেদ করার কূটকৌশল ও শিক্ষানীতি সমাজে তারাই জারি রেখেছে, যাদের হাতে বেশিরভাগ সম্পত্তি বন্দি হয়ে আছে। একদিকে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢালছে সমাজের চলমান দৃষ্টিভঙ্গি টিকিয়ে রাখতে আর অন্যদিকে শিক্ষাখাতে যথাযথ মান বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ করতে সরকারকে বাধা দিচ্ছে।

অথচ এই নীতি চলমান থাকলে পৃথিবীর ৯৯ ভাগ সম্পত্তিই অচিরেই হাতেগোনা কিছু পুজিপতিদের হাতে চলে যাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। তারা চাইলেই এটা করতে পারে। ফলে ভূমিহীন মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে, ঋণগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে, কর্মহীন বেকারের সংখ্যা বাড়তে থাকবে, চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই বাড়তে থাকবে, সামাজিক বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করবে, পূজিপতিরা নতুন নতুন ফর্মূলা এনে দাড় করাবে মানুষের সামনে- মুখের সামনে মুলো ঝুলানোর মত, সর্বোপরি মানুষ কৃতদাসের চেয়েও মূল্যহীন হয়ে পড়বে। পূজিপতিদের দয়া, দান-খয়রাত আর ঋণকার্যক্রম হয়ে উঠবে সাধারণদের বাঁচার একমাত্র মাধ্যম। একদিকে চলবে কিছু মানুষের বিলাসবহুল জীবনযাপন অপরদিকে দেশজুড়ে চলবে অসহায় মানুষের আর্তনাদ। এমতাবস্থায় বার বার দূর্ভিক্ষ, মহামারী হতেই থাকবে। এগুলোই মানব সৃষ্ট বা কৃত্রিম দূর্যোগ। অথচ পৃথিবীর তাবৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা ব্যক্তির হাতে সম্পত্তি কুক্ষিগত হওয়ার এই পথ খোলা রেখেছে। এভাবে যতখুশি সম্পত্তি অর্জন করা বর্তমান ব্যবস্থায় বৈধ বলে বিবেচিত হচ্ছে। কথাটাকে এভাবও বলা যেতে পারে, নিজ মেধা, শ্রম, যোগ্যতায় কোনো মানুষ যদি সারা পৃথিবীর সকল সম্পত্তির মালিক হয়ে যায়, আর বাকি সমস্ত মানুষ যদি ভুমিহীন, সম্পত্তিহীন, খাদ্যহীন, বস্ত্রহীন হয়ে যায়, এমনকি অসুস্থ হয়ে মারাও যায় তাতেও ভু-সম্পত্তির মালিককে দায়ী করা যাবে না। সে চাইলে তার সমস্ত সম্পত্তি অনাবাদী রাখতে পারে, তার সমস্ত অর্থ মাটির তলায় জমা করতে পারে, কোনো মানুষকেই তার সম্পত্তির ভাগ নাও দিতে পারে তবুও সে আইনত বৈধ। পৃথিবীর
বর্তমান ব্যবস্থায় তাকে দোষী বলার কোনো সুযোগ নেই। সত্যিকার অর্থেই আমরা এমন একটা ব্যবস্থার মধ্যে বাস করছি এবং এর জন্য অনেকটা আমরাই দায়ী। নিজের ঘাড়ে সমস্যার বোঝা না চাপলে এর তীব্রতা কেউ অনুভব করি না। যেন নিজে বাঁচলেই সব সমস্যা শেষ। চারপাশের সংকটকে নিজের সংকট হিসেবে ভাবতে চাই না তবে চারপাশে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে চাই ঠিকই। আমাদের এই চরিত্রটাও চলমান ব্যবস্থার ফল। আমাদের চরিত্রটা এই চলমান ব্যবস্থার মতোই স্বার্থান্ধ, মিথ্যা আর অমানবিক।

আসলে মানুষের জন্য বর্তমান পৃথিবীর চলমান ব্যবস্থাটাই অবৈধ হয়ে পড়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য দরকার নূতন ব্যবস্থা।

সমগ্র পৃথিবীর মানুষের জীবনের জন্য এত বড় নির্মম সত্য সামনে চলে আসলেও আমরা সত্যকে একপাশে ঠেলে ব্যক্তিস্বার্থকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবনকেই সত্য থেকে বহুদূরে ঠেলে দিয়েছি। তাই সত্যের প্রতি শ্রদ্ধা থাকলেও জীবনের সাথে সত্যের সম্পর্ক না থাকার জন্য সত্যকে ঠিকমতো চেনা হয় না, জানা হয় না, উপলব্ধি করা হয় না। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোন কথা যদি আমার ফেবারে থাকে তবে তা আমরা সত্য বলে মেনে নেই, খুশি হই, আর ফেবারে না থাকলে তা মিথ্যা বলে ছুড়ে ফেলি, অখুশি হই।

তাই কাউকে খুশি করার উদ্দেশ্য নিয়ে সত্যের সাথে থাকা যায় না। সত্যের সাথে থাকতে হলে নির্মোহ হতে হয়। সত্যের অনুসন্ধান করতে হয় জীবন ও জগৎকে সঠিকভাবে চেনার জন্য, উপলব্ধি করার জন্য, চিন্তা, লক্ষ্য ও কর্মে জগতের সাথে জীবনের ঐক্যতা স্থাপনের জন্য, প্রকৃতির সকল উপাদানের সাথে ভারসাম্য বজায় রেখে ভালো থাকার জন্যে, নিজে ভালো থেকে সবাইকে ভালো রাখার জন্য।

17/08/2020

ALL_OF_US - award winning animated short film. Everyone should watch this film. This ‍short film has a big message for everyone.

Address

Ganai Vorua Para, Chaitankhila, Sherpur Sadar
Dhaka
1230

Telephone

+8801710066667

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মা-নু-ষ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share