Md Moniruzzaman

Md Moniruzzaman Md Moniruzzaman is ready to give you full Engineering , computer skill and freelancing service. Hello Everyone. I am Muhammad Moniruzzaman.

I am Digital Marketer, Entrepreneur.

06/12/2022

শুভ দুপুর।
আজ মঙ্গলবার।
১০ই জমাদিউল আওয়াল ১৪৪৪ হিজরি।
৬ ডিসেম্বর,২০২২
২১ শে অগ্ৰাহায়ণ,১৪১৯ বঙ্গাব্দ এবং হেমন্ত কাল।
সকলের দিন সুন্দর হোক।

 #ফেসবুকের নতুন  #সংযোজন Sub Account ফিচার, যা সকলের জন্য উন্মুক্ত!🤍👉ফেসবুক প্রতিনিয়ত তাদের নতুন নতুন আপডেট আমাদের সামনে...
20/10/2022

#ফেসবুকের নতুন #সংযোজন Sub Account ফিচার, যা সকলের জন্য উন্মুক্ত!🤍

👉ফেসবুক প্রতিনিয়ত তাদের নতুন নতুন আপডেট আমাদের সামনে এনে আমাদের তাক লাগিয়ে দেয়ার চেষ্টায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেই যাচ্ছে, তারই ধারাবাহিকতার ফলাফল স্বরুপ ফেসবুক নিয়ে এলো Sub Account বা এক একাউন্ট থেকে একাধিক একাউন্ট পরিচালনা করার উপায়।

এখন থেকে আমরা নিজের একাউন্ট থেকে চাইলেই আরো ৫ টি একাউন্ট তৈরি করতে পারব।

👉 ফিচারটি কেনো দেয়া হলো?
ফিচারটি মূলত ফেক একাউন্ট খোলা বন্ধ করতে, চালু করা হয়েছে, এক ব্যাক্তি যেনো একাধিক একাউন্ট খুলে বিভ্রান্তিতে না পরতে হয় সে জন্য এই ফিচারটি সংযোজন করা হয়েছে।

এতে করে এক ব্যাক্তি চাইলেই তার একাউন্ট থেকে তার Family Members Add রাখার জন্য একটা Active অফিস Colleagues Add রাখার জন্য একটি Account ,কলেজ Friends দের জন্য একটি একাউন্ট এভাবে মোট ৫ টি একাউন্ট খুলে ব্যবহার করতে পারবেন।

👉কিভাবে খুলতে হবে সাব একাউন্ট?
আপনার একাউন্ট এ ঢুকে প্রোফাইলে যাবেন, তারপর থ্রিডটে যাবেন (যেখান থেকে নিজের আইডির লিংক কপি করে নিতে হয়) সেখান থেকে একেবারে নিচে লেখা দেখবেন Create Another Profile.

বিঃদ্রঃ অনেকের অপশনটি এখনো কাজ করছেনা বলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। অপেক্ষায় থাকুন, খুব শীঘ্রই অপশনটি কাজ করবে।

মধুমতী সেতু!বাংলাদেশ -জাপান বন্ধুত্বের স্মারক!
13/10/2022

মধুমতী সেতু!
বাংলাদেশ -জাপান বন্ধুত্বের স্মারক!

Feel Happy with your smile ................................
19/09/2022

Feel Happy with your smile ................................

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত ক...
19/09/2022

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।"

সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।

সব বাচ্ছারা স্কুলে এ্যডমিশন হয়ে গেলো।। রাজামশাইয়ের পার্সোনাল স্কুল ,, সবাইকে যথাযথ শিক্ষা দেওয়া হবে।।

শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!

হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।‌। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উঁট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্ছা স্কুলে পৌঁছে গেলো।।

শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।‌।

"ফাষ্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্ছা ফেল।।

- "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।‌।

-- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।"

হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।

শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।।

হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! "গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।।

ফাষ্ট সেশন অতিক্রান্ত।। ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।। দেখা গেলো - হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্ছা ফেল।। বাঁদরের বাচ্ছা টপার হয়ে গেছে।।

প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।। সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্ছার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।।

বাঁদর আনন্দে আত্মহারা।। তার ছেলে টপার হয়েছে।। এ গাছ থেকে সে গাছে,, কি ভীষণ লাফালাফি করে চলেছে।।

চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।। এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!!
তারা মেনে নিতে পারলো না।।

-- "ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।। শেখ,, বাঁদরের বাচ্ছার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।"

ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।। সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র "সাঁতার" কাটা ছাড়া।।

প্রিন্সিপাল বললো -- "আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।"

মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।।

বাচ্ছা বলে --" মা-গো,, দম নিতে পারি না,, ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??"

মাছ বলে -- "চুপ কর বেয়াদব।। এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।"

হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্ছাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।।

শিয়াল বলে -- "আহা,, তোমরা মারো কেনো,, ছোট ছোট বাচ্ছাদের ??"

উঁট বলে - "মেরেই ফেলবো একে।। আমার মানসম্মান কিছু বজায় রাখলো না।।"

শিয়াল বলে -- "কি হয়েছে সেটা তো বলো ??"

হাতি বলে -- "এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।। বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।"

শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।
-- "আচ্ছা,, তোমরা গাছে চড়তে পারো?? "

জিরাফ বলে -- "আমরা তো নিরক্ষর।। তখন এসব স্কুল-টুল ছিলো না।। থাকলে শিখে নিতাম,, অবশ্যই গাছে চড়তে পারতাম।।"

শিয়াল বলো -- "তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই বুঝতে পারলাম না‌।। শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।"

-- "উঁট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।"

-- "বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।। ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।। দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।। সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবো।। ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।। ও মারা যাবে।।"

❇️❇️❇️❇️❇️❇️❇️❇️

মনে রাখতে হবে,, শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়
প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে ।
আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা। তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া। তাহলেই দেখবেন,, সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।

হাতির বাচ্ছাকে জোর করে গাছে চড়াতে যাবেন না। মনে রাখবেন , মাছের বাচ্ছা জল বিহীন স্কুলে গেলে দম ফেটে মারা যাবে।

শিক্ষা-দীক্ষা , খেলা-ধুলা, নাচ-গান, শিল্প-কলা, অভিনয়, ব্যাবসা,যে কোনো ক্ষেত্রেই হোক, সন্তানের প্রতিভার মূল্যায়ন করে নিন।‌ ওদের ইচ্ছেগুলো চিনে নিন, ওদের প্রতিভার মূল্য দিন।

আপনার দায়িত্ব শুধু একটাই, সন্তানকে সদাচারণ, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মানবতার শিক্ষা দিয়ে যাওয়া।

লেখাটি সংগৃহীত

যে সকল সম্পর্ক ও ভালোবাসা কেবল মাত্র আল্লাহ্ তা'য়ালার জন্যই হয়, এমন সম্পর্কে মাঝে মাঝে অনেক বাঁধা-বিপত্তি, নানা রকমের প...
16/09/2022

যে সকল সম্পর্ক ও ভালোবাসা কেবল মাত্র আল্লাহ্ তা'য়ালার জন্যই হয়, এমন সম্পর্কে মাঝে মাঝে অনেক বাঁধা-বিপত্তি, নানা রকমের পরীক্ষা আসতেই থাকে। এই বাঁধা-বিপত্তি কেবল ক্ষণিকের জন্য হয়ে থাকে। এতো কখনো হতাশ হবেন না। নিরাশ হবেন না। এই বাঁধা-বিপত্তির মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা সম্পর্কগুলোকে আরো দৃঢ় করে দেন।
এমন সম্পর্ক গুলোকে দেখে যেমন শয়তানরা হিংসা করে, তেমনি মানুষরূপী কিছু শয়তানও হিংসা করে। শয়তানরা যেমন ছল চাতুরী করে, ঠিক তেমনি মানুষরূপী কিছু শয়তান গুলো নানা রকমের পথ অবলম্বন করে। যেমন: একজনের কথা অন্যজনকে বলে বেড়ানো, একজনের দোষ অন্য জনকে বলে বেড়ানো, নানা রকমের বাজে কথা বলে অন্যের কান ভারী করা ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তুু তারা হয়তো এটা জানেনা যে আল্লাহ্ তা'আলা উত্তম পরিকল্পনাকারী। তারা যতই সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরাতে চান না কেন, তারা এই চেষ্টায় বার
বার ব্যর্থই হবে। হ্যাঁ, ক্ষণিকের জন্য হয়তো একটু দূরত্ব সৃষ্টি হলেও হতে পারে। কিন্তুু পরবর্তিতে এই সম্পর্কটি পূর্বের থেকে আরো বেশি দৃঢ় হবে ইনশা আল্লাহ।
একটি বইয়ে পড়েছি...

"সত্য লুকিয়ে রেখে ভালো সাজতে যেয়ো না। ভালো থাকতে পারবে না। মন্দ তোমার সঙ্গী হবে।"
বই : তাদের বাড়ি সুখপাহাড়ে
সত্য লুকিয়ে রেখে ভালো সাজার লোক গুলোই আসলে মানুষরূপি কিছু শয়তানেরর মতো কাজকর্ম করে থাকে। তাদের মনে/অন্তরে রাখে এক রকম, বাইরে প্রকাশ করে তার বিপরীত। যা মুনাফিকের তিনটি চিহ্নের একটি প্রকাশ পায়।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

মুনাফিকের চিহ্ন তিনটিঃ
১. যখন কথা বলে মিথ্যা বলে;
২. যখন অঙ্গীকার করে ভঙ্গ করে এবং
৩. আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে।

(২৬৮২,২৭৪৯,৬০৯৫; মুসলিম ১/২৫ হাঃ ৫৯, আহমাদ ৯১৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২)

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩৩
_________________________________

এরকম লোকজন আমারদের চারপাশেই ঘুরে বেড়ায় আমরা নিজেরাও জানা না। আল্লাহ্'তালা তাদের সঠিক বুঝ দান করুক। এবং পরিপূর্ণ হেদায়েত দান করুক। আমিন
লেখা :- আখিরুল ইসলাম আকাশ
লিখতে সহায়তা করেছেন:- সাজ্জাদ মোস্তফা (বড় ভাই)

****আত্মকর্মসংস্থান এর গুরুত্ব*******নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করাকে আত্মকর্মসংস্থান (Self-employment) বলে।নিজস্ব অথবা ঋণ ...
14/09/2022

****আত্মকর্মসংস্থান এর গুরুত্ব****

***নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করাকে আত্মকর্মসংস্থান (Self-employment) বলে।নিজস্ব অথবা ঋণ করা স্বল্প সম্পদ, নিজস্ব চিন্তা, জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ন্যূনতম ঝুঁকি নিয়ে আত্মপ্রচেষ্টায় জীবিকা অর্জনের ব্যবস্থাকে আত্মকর্মসংস্থান বলা হয়।

জীবিকা অর্জনের বিভিন্ন পেশার মধ্যে আত্মকর্মসংস্থান একটি জনপ্রিয় পেশা। বিভিন্ন খুচরা বিক্রয়, রেডিও ও টেলিভিশন মেরামত, হাঁস - মুরগি পালন, মৌমাছি চাষ ইত্যাদি আত্মকর্মসংস্থানের আওতাভুক্ত।

বাংলাদেশের বেকারত্ব নিরসণে আত্মকর্মসংস্থানের ভূমিকা
নিচে ধারাবাহিকভাবেপ্রদান করা হলো।

ক) আত্মকর্মসংস্থানের ধারণা;
নিজেস্ব পুজি অথবা ঋণ করা স্বল্প সম্পদ , নিজেস্ব চিন্তা ,জ্ঞান ,বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ন্যুনতম ঝুকি নিয়ে আত্ম প্রচেষ্টায় জীবিকা অর্জনের ব্যবস্থাকে আত্মকর্মসংস্থান বলে।জীবিকা অর্জনের বিভিন্ন পেশার মধ্যে আত্মকর্মসংস্থান একটি জনপ্রিয় পেশা। বিভিন্ন খুচরা বিক্রয় ,রেডিও ও টেলিভিশন মেরামত, মেরামত ,হাসঁ মুরগী পালন,মৌমাছি চাষ ইত্যাদি আত্মকর্মসংস্থানের আওতাভুক্ত।

ব্যবসায় উদ্যোগের সাথে আত্মকর্মসংস্থানের সম্পর্ক খুব নিবিড়। আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এতজন ব্যক্তি নিজের কর্মসংস্থানের চিন্তা করে কাজে হাত দেন । একজন আত্মকর্মসংস্থানকারী ব্যক্তিতখনই একজন উদ্যোক্তায় পরিনত হবেন। যখন তিনি নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সমাজের আরও কয়েকজনের কর্মসংস্থানের চিন্তা নিয়ে কাজ শুরু করেন, ঝুকি আছে জেনেও এগিয়ে যান এবং একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

খ) আত্মকর্মসংস্থানের উপযুক্ত ও লাভজনক ক্ষেত্র;
আত্মকর্মসংস্থানের অনুপ্রেরণায় নিজ মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় চালিত যে কোনো ক্ষুদ্র ব্যবসায় নিয়োজিত থেকে যেমন সম্মানজনক জীবিকা উপার্জন করা যায়, তেমনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অবদান রাখা যায়। চাহিদা আছে এমন পন্য উৎপাদন ও বিক্রয় করে বা সেবাদান করে অর্থ উপার্জন করা যায়। সবসময় খেয়াল রাখতে হবে আমাদের যে সকল সম্পদ রয়েছে তার সঠিক ব্যবহার করে কীভাবে সম্মানজনক জীবিকা উর্পাজন করা যায়। এসব বিষয় বিশ্লেষন করে আমরা আত্মকর্মসংস্থানের উপযুক্ত ও লাভজনক ক্ষেত্র-

• হস্তচালিত তাঁত, মাদুর বা ম্যাট তৈরি, মৃৎশিল্প, বাঁশজাত দ্রব্য প্রস্তুতকরন, লবণ উৎপাদন, টেইলারিং, পোশাক প্রস্তুতকরণ, মাটির বাসন প্রস্তুতকরণ, মাছ শুকানো, আলুর চিপস তৈরি, কলার চিপস তৈরি, মাখন তৈরি;

• গবাদি পশু ও হাঁস মুরগির খামার, বেতের সামগ্রী তৈরি, পাটেঁর শৌখিন দ্রব্য তৈরি, গেঞ্জি তৈরি, ঝিনুক দ্রব্য তৈরি, বেকারি, আটা ময়দা তৈরি, এমড্রয়ারী, কাঠের খেলনা তৈরি, ফটো ফ্রেম তৈরি, পিঠা তৈরি, কাঠের ও বাঁশের টুথপিক তৈরি;

গ) আত্মকর্মসংস্থানে উদ্বুদ্ধকরণের উপায়;
আত্মকর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজন ব্যক্তিগত দক্ষতা ও স্বনির্ভর পেশায় নিয়োজিত থেকে জীবিকা অর্জনের প্রবল ইচ্ছাশক্তি । যেহেতু দেশে চাকরির সুযোগ সীমিত এবং ইচ্ছা করলেই সরকারী বা বেসরকারী উদ্যোগে এত অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব না তাই একমাত্র বিকল্প হচ্ছে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করা কিন্তু এদেশের যুবসমাজের নিকট আত্মকর্মসংস্থানের ধারণা স্বচ্ছ ও যথেষ্ঠ নয়। অন্যদিকে র্দীঘদিনের সামাজিক মূল্যবোধ ও পুথিঁগত পড়াশুনার কারনে যুবসমাজ জীবিকা বলতে চাকরিকে বুঝে।তাই বেকরের সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে।

ঘ) আত্মকর্মসংস্থানের গুরুত্ব;
আত্মকর্মসংস্থানের গুরুত্ব:আত্মকর্মসংস্থান হল ব্যক্তি নিজের দক্ষতা ও গুনাবলী দিয়ে যে কাজ করে থাকে তাই আত্মকর্মসংস্থান। একজন ব্যক্তির জন্য আত্মকর্মসংস্থান খুবই গুরুত্ব বিষয়। কেননা একজন ব্যক্তির সাবলম্বী হওয়ার জন্য কর্মসংস্থানের ধাপটি প্রয়োজন।

কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস:
১. সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্রম জীবী ও চাকরীজীবি লোকের সংখ্যা বেড়েছেভ কর্মসংস্থানের চাহিদা যে হারে বৃদ্ধি পায় সে হারে কর্ম সংস্থানের বাড়ে না।

২. অন্যান্য পেশায় আয়ের সম্ভাবনা সীমিত । কিন্তু আত্মকর্মসংস্থানের থেকে প্রথমে কম আয় হলেও ধীরে ধীরে আয় বাড়তে থাকে ।

৩. আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত ব্যক্তিদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।

৪. আত্মকর্মসংস্থানের মানসিকতা যুবসমাজকে দেশপ্রেম ও সেচ্ছামূলক কাজে উৎসাহিক করে।

৫. আত্মকর্মসংস্থানের জন্য বয়স কোনো সমস্যা নয় এর মাধ্যমে যে কোনো বয়সের মানুষ তার দক্ষতা অনুযায়ী অর্থ উর্পাজন করতে পারে।

৬. আত্মকর্মসংস্থানের সাথে যুক্ত থাকলে তরুনরা কোনো সমাজ বিরোধী কজে লিপ্ত হয় নৃ।

৭. আত্মকর্মসংস্থানের মূল এবং বড় মুলধন হলো নিজের দক্ষতা।

৮. আত্মকর্মসংস্থান একটি স্বাধীন পেশা । তাই এখানে নিজের বাড়িতে কাজ করা যায় আলাদা খরচ করতে হয় না।

অতএব বলা যায় বর্তমান দেশে আত্মকর্মসংস্থানের গুরুত্ব অপরিহার্য। যেকোনো বেকার ব্যক্তির জন্য এই বিষয়টি অনুকরণীয়।

*****দেশের বেকারত্ব সমস্যা*******জন্মগত ভাবেই প্রত্যেক মানুষ প্রচন্ড রকম মেধাবী হয়েই  পৃথিবীতে আসে। শুধুমাত্র পর্যাপ্ত ...
14/09/2022

*****দেশের বেকারত্ব সমস্যা*****
**জন্মগত ভাবেই প্রত্যেক মানুষ প্রচন্ড রকম মেধাবী হয়েই পৃথিবীতে আসে। শুধুমাত্র পর্যাপ্ত ভিত্তি খুঁজে না পাওয়ার কারনেই অনেক মেধা বিকশিত হয় না। আমরা কেউ ই বেকার থাকতে চাই না কিন্তু তারপরও কেউ সুযোগের অভাবে বেকার, আবার কেউ স্বভাবে বেকার। এই বেকারত্ব এখন আমাদের দেশের জন্য মারাত্মক বোঝা, অভিশাপ এবং হুমকিতে রুপান্তরিত হচ্ছে।
**উচ্চ শিক্ষা গ্ৰহনের পাশাপাশি কর্ম মুখী শিক্ষার বিস্তার না ঘটাতে পারলে ইহা দিন দিন বাড়বেই কিন্তু কমবে না।
**আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের অসম্ভব ভালো লাগার বাক্যগুলো আজ ফিকে হয়ে যাচ্ছে। বেকারত্বের ভয়াবহতায় মানুষ নিজেকেই ভালোবাসতে ভুলে যায়, সেখানে দেশের জন্য ভালোবাসা কিভাবে থাকে?
**বাংলাদেশের শ্রমশক্তি সম্পর্কিত জরিপের বেকারত্বের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এই ভাবে: ‘১৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের এমন ব্যক্তিকে বেকার বিবেচনা করা হয়েছে, যে সক্রিয়ভাবে কাজের সন্ধান করা বা কাজের জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও কোনো কাজ করেনি।’
**অর্থনীতিবিদেরা এই সংজ্ঞার সঙ্গে একমত হতে পারেননি। তাদের দাবি, এই সংজ্ঞা বাংলাদেশে বেকারত্বের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য আংশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং এই সংজ্ঞা দেশের মোট উৎপাদনের অন্যান্য উপাদানের মধ্যকার মৌলিক ভারসাম্যহীনতাকেই প্রতিফলিত করে।
**আইএলওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে দেড় যুগ আগে ২০০০ সালে সার্বিক বেকারত্বের হার ছিল ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০১০ সালে তা ৩ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়ায়। ২০১৩, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের হিসাবে এই হার একই থাকে (৪ দশমিক ৪ শতাংশ)। বাংলাদেশে পুরুষের ক্ষেত্রে বেকারত্ব ৩ দশমিক ৩ শতাংশ ও নারীর ক্ষেত্রে ১২ দশমিক ৮ শতাংশ।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে তরুণদের মধ্যে বেকারত্ব ২০১০ সালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে ২০১৭ সালে ১২ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের তরুণদের বড় অংশ আবার নিষ্ক্রিয়। তারা কোনো ধরনের শিক্ষায় যুক্ত নন, প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন না, আবার কাজও খুঁজছেন না। দেশে এমন তরুণের হার ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ। মেয়েদের মধ্যে এই হার বেশি, ৪৫ শতাংশের কাছাকাছি।
**দেশে কর্মজীবী শক্তির চেয়ে শ্রমশক্তির বেশি বৃদ্ধির কারণে বেকার সংখ্যার পরিমাণ বেড়েই চলেছে।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৬-১৭ জরিপ মতে, বেকার সংখ্যা ৪ কোটি ৮২ লক্ষ ৮০ হাজার।
**২০২২ সালে বিশ্বে বেকার মানুষের সংখ্যা ২০ কোটি ৭০ লাখে দাঁড়াবে বলে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবের আগে ২০১৯ সালের বেকারের সংখ্যার সঙ্গে আরও ২ কোটি ১০ লাখ বেকার যোগ হবে বলে এতে বলা হয়।
**বেকারত্বের কারনে বাড়ছে হতাশা, বাড়ছে পারিবারিক কলহ, বাড়ছে নৈতিক অবক্ষয়, বাড়ছে আত্নহত্যার প্রবণতা। বেকার জীবন একটা জীবন্ত লাশের মত। এই মিছিল দীর্ঘায়িত হতে থাকলে একসময় দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে না।
**তাই আসুন বেকারত্ব নিরসনে কর্ম মুখী শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেই, যেকোন কাজকে অবহেলার চোখে না দেখে অভিজ্ঞতার আলোকে দেখি। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্ৰহনের মাধ্যমে অনলাইন সেবা প্রদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করার মানসিকতা তৈরি করি। নিজেকে দক্ষ জনশক্তি তে রূপান্তরিত করি।
*******
Md Moniruzzaman
SUCCESS BIZ FAMILY
Student and Project Member

For More details Please contact with us.
13/09/2022

For More details Please contact with us.

Address

Shantinagar, Polton
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Moniruzzaman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md Moniruzzaman:

Share