Fiverr Live Project

Fiverr Live Project At Present More Than 4.5 Billion People Use The Internet, While Social Media Users Have Passed The 3.8 Billion Mark.

Nearly 60% Of The World’s Population Is Already Online, A Number Projected To Increase To Almost 4.41 Billion In 2025. I Also Offer Custom Offers Based On Your Requirements/adjustments.

New OrderJob: Facebook Pixel issues fix and Instagram Shop fix
15/12/2022

New Order
Job: Facebook Pixel issues fix and Instagram Shop fix

Fiverr English Test || ৪০ মিনিটের পরীক্ষা ৯ মিনিটেই শেষ
26/08/2022

Fiverr English Test || ৪০ মিনিটের পরীক্ষা ৯ মিনিটেই শেষ

In this video, I will be going to show you How to Pass Fiverr English Skills Test 2022, Fiverr test answers 39/40. Score 9.8/10. Watch This Video. Let's star...

Order completed and 5 Star review with $25 tip
09/08/2022

Order completed and 5 Star review with $25 tip

★ Level Two Seller ★ 175 reviews ★ Google certified 2022 ★ E-commerce marketing technologies.🔥 The services I offer 🔥🔎 G...
09/08/2022

★ Level Two Seller ★ 175 reviews ★ Google certified 2022 ★ E-commerce marketing technologies.

🔥 The services I offer 🔥

🔎 GA4 Migrations 🐞Debugging 💰Revenue Tracking 💡Insights Reporting

►Contact me if you want to:

🟢 Develop a business report for stakeholders to determine the best course of action
🟢 Design a custom Data Viz product.
🟢 Understand how people are using your website/app
🟢 Implement website tracking with Google Tag Manager.
🟢 Track events and goals.
🟢 Understand the performance of your marketing channels.
🟢 Visualize and analyze bottlenecks at your funnel.
🟢 Compare the PPC with Organic growth.

I have a wealth of experience in the management of Google Analytics UA and GA4, Google Tag manager, Google Data Studio, Facebook Pixel, Google Ads Conversion Tracking, and the strategy required to grow and scale a brand.

🔆 Google Analytics GA4 🔆
✔ Google Analytics Enhanced Ecommerce implementations using Google Tag Manager
✔ Multi-channel ROAS analysis for 3rd party ad networks
✔ Custom Dashboards in Google Data Studio
✔ Lead tracking solutions between CRM systems and Google Analytics
✔ Call tracking setups and everything in between.
✔ E-commerce Event tracking (View Content, Add to Cart, Initiate Checkout, Add Payment info, Purchase)
✔ Any Custom Events Tracking
✔ Video tracking
✔ Form submissions
✔ Lead Event tracking
✔ Calendly Schedule Event tracking
And
✔ Facebook Pixel setup

Order now on Fiverr:

For only $10, Salmankabirbd will setup and troubleshoot facebook pixel, tag manager and analytics ga4. | Any Errors Can Greatly Affect Your Data, Conversion Reporting, Strategic Decision Making And Cost You Revenue. I Will Ensure That Your Facebook Pixel, Google Tag | Fiverr

07/01/2022

How to setup events on custom build website using GTM - Rubi Language | Part - 1

17/09/2021

উন্নত দেশে যেখানে Stirpe বা Paypal সাপোর্ট করে সেসব দেশের থেকে dropshipping করা যত না কঠিন বাংলাদেশ থেকে করা তারচে কয়েক গুন বেশি কঠিন শুধুমাত্র কোন payment processor না থাকায়।

আজকে আমি আপনেদের বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ লিগাল ভাবে কিভাবে Stripe এবং PayPal ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করবো।

Stipe, Paypal অথবা আরও অন্যান্য payment processor non-supported দেশ থেকে ব্যবহার করার কিছু শর্ত হল-

১) যে দেশে এগুলা support করে ওগুলার মধ্যে যেকোনো একটি দেশে আপনার একটি কোম্পানি থাকতে হবে।

২) কোম্পানি এর registered office address এবং director's office address থাকতে হবে।

৩) সে দেশের ফোন নাম্বার থাকতে হবে।

এগুলা পাওয়া খুবি সহজ। আপনি USA বা UK তে একটি কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন বাংলাদেশে বসেই। USA তে করতে অনেক খরচ পরে তাই UK তে করা ভাল এবং সহজ। UK তে মাত্র কয়েক ঘন্টায় রেজিস্ট্রেশন হয়ে যায়। যে ওয়েবসাইট থেকে রেজিস্ট্রেশন করাবেন তাদের থেকেই Office Address গুলি পেয়ে যাবেন। আর ফোন নাম্বার দেয় এরকম অনেক সার্ভিস আছে।

কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার অনেক গুলি ওয়েবসাইট আছে যেমন-

www.1stformations.co.uk
www.1stchoice-formations.co.uk

এরকম আরও আছে আমি www.1stchoice-formations.co.uk থেকে করি কারন অন্য গুলাতে প্রিপেইড কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করা যাচ্ছিলোনা। আমি এখান থেকে "Limited Company Formation With Registered Office" এই সার্ভিস টি নেই। এটি নিতে আপনার £32 খরচ হবে অর্থাৎ $40। এখন দাম আরো কম £24 অর্থাৎ $32। এটির সাথে আপনি একটি address পাবেন যেটা আপনি PayPal এবং Stripe এ ব্যবহার করবেন।

কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে আপনার নাম, ঠিকানা, Smart NID Card or Passport or Driving License, Address proof দিলেই হবে।

রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে আপনি একটি কোম্পানি নাম্বার পাবেন যেটি Stripe, Paypal এ রেজিস্ট্রেশন করার সময় দিবেন।

এরপর একটি ফোন নাম্বার নিবেন। আমি www.zadarma.com থেকে UK নাম্বার নিয়েছি মাত্র $2 মাসে। তবে আপনাকে ৩ মাসের জন্য একবারে পেমেন্ট করে নিতে হবে এবং NID or Passport or Driving License দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে SMS সার্ভিস নেয়ার জন্য।

এবার Stripe এ রেজিস্ট্রেশন করার পালা। Stripe.com এ ঢুকে রেজিস্ট্রেশন করবেন। কোম্পানি এর ঠিকানা যেটা পেয়েছেন সেটা দিবেন। Personal information দেয়ার সময় বাংলাদেশের ঠিকানা দিবেন।

রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে আপনার NID এবং Address Proof চাবে সেটা দিবেন। বাস এরপর আপনি Stripe ব্যবহার করতে পারবেন। একি ভাবে PayPal ও রেজিস্ট্রেশন করে ব্যবহার করতে পারবেন।

Stripe, PayPal এ 2 Step Verification এ Google Authenticator App ব্যবহার করবেন তাহলে আর লগিন এর সময় ফোন নাম্বার এ SMS আসবেনা APP এ কোড যাবে।

Stripe এ আপনি Payoneer USD ব্যাংক একাউন্ট এড করতে পারবেন। PayPal এ আপনাকে Transferwise ব্যবহার করতে হবে।

Collected from: Dropshipping Bangladesh Group

New orderTask: Fix Google Analytics bounce rate
09/09/2021

New order
Task: Fix Google Analytics bounce rate

07/09/2021

কিভাবে ডোমেইনের রেজিষ্ট্রেশন এবং মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য জানবেন?

কোনো ডোমেইনের রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য যেমনঃ রেজিষ্ট্রেশনের তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ, ডোমেইন রেজিস্টার, নেমসার্ভার, ডোমেইন টি কার নামে রেজিস্ট্রেশন করা এই সকল তথ্য WHOIS এর মাধ্যকে চেক করা যায়। WHOIS এর পূরণ রূপ হলো who is responsible for this domain.

WHOIS lookup মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশনের তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ, নেমসার্ভার, ডোমেইন রেজিস্টার ইত্যাদি তথ্য গুলো এমনিতেই দেখায়। আর যদি প্রাইভেসি প্রটেক্টেড থাকে তাহলে যার নামে ডোমেইন টি কেনা অর্থাৎ মালিকের ইনফরমেশন দেখাবে না আর যদি প্রাইভেসি প্রটেক্টেড না থাকে তাহলে মালিকের ইনফরমেশনও দেখায়।

জনপ্রিয় কিছু WHOIS Lookup ওয়েবসাইট লিংকঃ https://who.is, whois.com ইত্যাদি। এছাডাও গুগলে WHOIS Lookup লিখে সার্চ করলে অনেক ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন। এমনকি প্রতিটি ডোমেইন রেজিষ্ট্রেশন সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠান এর ওয়েবসাইট থেকেও WHOIS চেক করার সুযোগ থাকে।

Find information on any domain name or website. Large database of whois information, DNS, domain names, name servers, IPs, and tools for searching and monitoring domain names.

ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং কি ( What is Data Driven Marketing) ? কেনই বা এই মার্কেটিং পদ্ধতি এত বেশি জনপ্রিয় ও সফল? ধরুন আপন...
22/08/2021

ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং কি ( What is Data Driven Marketing) ? কেনই বা এই মার্কেটিং পদ্ধতি এত বেশি জনপ্রিয় ও সফল?

ধরুন আপনি একটি অনলাইন শপ দিয়েছেন যেই শপের পণ্য ডেলিভারি হবে শুধু ঢাকার মধ্যে!
এখন খুলনাতে বিজ্ঞাপন দিয়ে তো আপনার কোন লাভ নেই। আবার মনে করি আপনার সেই অনলাইন শপের মাধ্যমে নতুন একটি বিশেষ ধরণের বিস্কুট আপনি বিক্রয় করতে চাচ্ছেন। এই বিস্কুটটি বিশেষ ভাবে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে।
এখন আপনি ঢাকায় বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু সেভাবে আপনার পণ্যটি কেউ কিনছে না। দেখা গেল কোন একটি মাধ্যমে আপনার বিজ্ঞাপন এক হাজার জনের কাছে পৌঁছে গেছে, তাদের মধ্যে কেবল মাত্র পঞ্চাশ জন ডায়াবেটিক রোগী। এই এক হাজার জনের কাছে বিজ্ঞাপন পৌঁছানর পর আপনার পণ্য বিক্রয় হল মাত্র দশটি।
কিন্তু আপনি যদি কোন ভাবে এক হাজার জন ডায়াবেটিক রোগীর কাছে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারেন, তাহলে তো অবশ্যই আপনার বিক্রয়ও অনেক বেশি হবে।
ঢাকায় ডায়াবেটিক রোগী কারা এই তথ্যের ভিত্তিতেই কিন্তু আপনাকে এই বিজ্ঞাপন দেয়া লাগবে। আর এই ধরণের তথ্য এবং উপাত্তের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন বা মার্কেটিং করাকেই বলা হয় ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং (Data Driven Marketing) ।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন এই ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং এর মাধ্যমে ভোক্তাদের যাবতীয় তথ্য এবং উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আরো অনেক বেশি কার্যকরী ভাবে বিজ্ঞাপন পৌঁছে দেয়া হয়ে থাকে। এভাবে ডাটা ড্রিভেন মার্কেটিং যে সাধারণ বিজ্ঞাপনের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর হবে সেটা তো বুঝাই যাচ্ছে। তবুও আসুন এই ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং এর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেই…
ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং (Data Driven Marketing) এর উপকারিতা
ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং এর হাজারো উপকারিতা রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম হল এটি অনেক বেশি কার্যকর…
ডেটা ড্রিভেন পদ্ধতি অনুসরণ করে মিডিয়া ক্রয় অর্থাৎ ট্রাফিক ক্রয় অনেক বেশি কার্যকর। কেননা কোন মানুষটি ঠিক কি পছন্দ করতে পারে, সেটা নিয়ে আমাদের খুব বেশি ভাবতে হয় না। বরং তথ্য ও উপাত্তগুলো ব্যবহার করার মাধ্যমেই আমরা সেটা খুব ভালো ভাবেই বুঝতে পারি।
এছাড়া এই পদ্ধতি অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনি একদম সঠিক কাস্টোমারের কাছে পৌঁছাতে পারবেন। ধরুন যার রাত জেগে বই পড়ার অভ্যাস নেই, তার কাছে যদি আপনি গিয়ে বলেন, রাতে বই পড়ার লাইট কিনবেন? সেটা আদৌ কোন কার্যকর ফল নিয়ে আসবে? তথ্য উপাত্তের মজাই এটা, আপনি জানবেন যে এই শহরে ডায়াবেটিক রোগী কয়জন আর সেই ডায়াবেটিক রোগীদের কাছেই আপনি ডায়াবেটিক বিস্কুটের বিজ্ঞাপন পৌঁছাতে পারবেন।
এমনকি আপনি চাইলে এই ডায়াবেটিক রোগীদের কাছে নিজের পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন স্বরূপ সোশ্যাল মিডিয়া অথবা মোবাইল নাম্বারে মেসেজও করতে পারবেন। অথবা ধরুন যার বই পড়ার অভ্যাস রয়েছে তার কাছে যদি আপনি নতুন কোন আকর্ষণীয় বইয়ের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করেন তাহলে সেই পাঠকের বইটি ক্রয় করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
এই কার্যকরী বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই আপনার পণ্য অনেক বেশি বিক্রয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ক্ষেত্রে আপনার ব্যবহৃত টাকা রিটার্ন (ROI) আসার সম্ভাবনাও একই সাথে অনেক বৃদ্ধি পায়।
কীভাবে এলো এই ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং?
আদতে সবকিছুর আধুনিকায়নের মাধ্যমেই ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং এর ধারণা চলে আসে। গুগুল ও ফেসবুকের মত জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর ফ্রি সেবা নিচ্ছেন এমন মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। আর মূলত এই পৃথিবীতে ফ্রি বলতে কিছু নেই—আপনি এই ফ্রি ব্যবহারের বদলে নিজের সব ডেটা তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনি কি ধরণের ছবি লাইক করছেন, কি ধরণের পণ্য বেশি কিনছেন, এমনকি কোন সময়ে আপনি কোন জিনিসটি ক্রয় করছেন তার সবই ডেটা আকারে এই জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর কাছে রয়ে যায়।
এই জায়ান্ট কোম্পানিগুলোতে যখন কেউ বিজ্ঞাপন প্রদান করতে যায়, তখন সেই বিজ্ঞাপন যাতে অনেক বেশি কার্যকর হয়ে থাকে, সে জন্যই কাস্টোমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট (CRM) ধরণের সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয় যে বিজ্ঞাপনটি কোথায় প্লেস করলে এবং কীভাবে প্লেস করলে সেটা থেকে বেশি বিক্রয় আসার সম্ভাবনা বেশি।
আবার বর্তমানে এই ডেটার উপর ভিত্তি করে ‘Marketo’ এবং ‘Eloqua’ এর মত বড় বড় কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যাদের কাজ হল এই সব ডেটা নিয়ে গবেষণা করা এবং এই সব ডেটা’র সর্বচ্চ ব্যবহারের জন্য সেই গবেষণার ভিত্তিতে ডেটা কালেকশনের জন্যও বিভিন্ন সফটওয়্যার, ট্র্যাকার তৈরি করা।
বর্তমানে আপনি ফেসবুকে অথবা গুগুলে যখন বিজ্ঞাপন দিতে যাবেন, তখন দেখতে পাবেন যে সবকিছুই অটোমেটিক হচ্ছে। এই বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের বিষয়গুলো সম্পূর্ণ অটোমেটিক সফটওয়্যার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং এবং ক্রিয়েটিভ মাইন্ড
ডেটা অনুযায়ী বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ব্যবহার শুরু হওয়ার পূর্বে বিজ্ঞাপনগুলো সাধারণত সবার কথা বিবেচনা করেই তৈরি করা হত এবং সব ধরনের মাধ্যমেই প্রচার করা হত। কিন্তু বর্তমানে কি হচ্ছে? একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি ভালো ভাবে বুঝবেন।
মনে করি ঢাকায় বসবাসরত ইউজারদের মধ্যে অনলাইনে যারা খাবার অর্ডার করেন, তাদের দশ ভাগ বিকেলে চিকেন দিয়ে তৈরি খাবার অর্ডার করেন এবং দশ ভাগ বিফ দিয়ে তৈরি খাবার অর্ডার করেন।
এখন যে দশভাগ চিকেন দিয়ে তৈরি খাবার খেতে পছন্দ করেন, তাদেরকে কি বিফ দিয়ে তৈরি খাবারের বিজ্ঞাপন দিয়ে তেমন কোন বিক্রয় হবে? আবার যারা বিফ দিয়ে তৈরি খাবার খেতে পছন্দ করেন তারা কি চিকেন দিয়ে তৈরি খাবারের বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হবেন?
এখানে মনে রাখতে হবে তারা উভয়েই কিন্তু অনলাইনে অর্ডার করে খাবার খাচ্ছেন! এখন ক্রিয়েটিভ মাইন্ড এর বিচরণ এখানেই—আপনাকে দুটো আলাদা বিজ্ঞাপন তৈরি করতে হবে। প্রথম দশভাগের জন্য বৈকালিক নাস্তা হিসেবে চিকেন দিয়ে তৈরি পণ্যের বিজ্ঞাপন আর দ্বিতীয় দশ ভাগের জন্য বিফ দিয়ে তৈরি পণ্যের বিজ্ঞাপন।
এর পাশাপাশি এই বিজ্ঞাপনগুলো যদি ঠিক বিকেলের আগে যদি প্রদর্শন করা হয় তাহলে অনেক বেশি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বৈকি! আবার আপনি যদি ক্রিয়েটিভ ভাবে চিকেন এবং বিফ উভয় দিয়ে তৈরি খাবার একটি বিজ্ঞাপনের মধ্যে নিয়ে আসতে পারেন তাহলে আপনার বিজ্ঞাপন তৈরির খরচ কমাতে পারে। আর ঠিক এখানেই যে যত বেশি ক্রিয়েটিভ ভাবে কাজ করতে পারবে, তার সফলতাও ঠিক ততটা বেশি হবে।
কীভাবে ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং এ ডেটা ব্যবহৃত হয়ে থাকে
ধরুন আপনার একটি ব্লগ আছে যেখানে প্রতি মাসে তিন থেকে চার মিলিয়ন ভিজিটর আছে। এখন এই চার মিলিয়ন ভিজিটর যেহেতু আপনার ব্লগে আছে, তাই আপনি চাইলে সেই ভিজিটরদের ডেটা ব্যবহার করে তাদের বিভিন্ন ধরণের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারবেন। কিন্তু কীভাবে এই ডেটাগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারবেন? একদম ব্যাসিক কিছু ধারণা দিচ্ছি, তাহলে বুঝতে পারবেন সহজে।
ধরুন আপনি চাচ্ছেন আপনি একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করবেন। কিন্তু সবাইকে গণহারে সেই বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করলে ফল তেমন একটা পাওয়া যাবে না। আবার ইউজাররা তাদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিজ্ঞাপন দেখে বিরক্তও হয়ে যেতে পারে। এখন সেই ভিজিটরদের লোকেশন দেখুন, তারা কে কোন ধরণের এলাকায় বসবাস করে।
যারা দেখবেন একটু আর্দ্র এলাকায় বসবাস করে, মনে করবেন তাদের শ্যাম্পুর বেশি প্রয়োজন
যারা আপনার ব্লগে চুলের যত্ন নিয়ে আর্টিকেল বেশি পরে তাদেরকে আপনি এই শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপন দিতে পারেন
আবার আপনার কাছে নেটফ্লিক্সের মত অন্য কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন আসল, তখন আপনি,
শুধুমাত্র তাদেরকেই টার্গেট করুন, যারা ব্লগের মুভি সেকশনে বেশি সময় পার করছে
নিত্য নতুন মুভি রিভিউ বা গসিপ নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী তাদের এই বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করলে বেশি কার্যকর হবে
এছাড়া আপনার ওয়েবসাইটে কে কি লিখে সার্চ দিচ্ছে, সেই অনুযায়ী আপনি নিজের ওয়েবসাইটের বিভিন্ন কন্টেন্ট সাজিয়ে তুলতে পারেন, যাতে ভিজিটররা আরো বেশি করে আপনার ওয়েবসাইটের প্রতি আগ্রহী হয়। ঠিক একই ভাবে, যারা আপনার ওয়েবসাইটের টেক ক্যাটাগরিতে বেশি সময় অতিবাহিত করছে, নিত্য নতুন গ্যাজেট অথবা মোবাইলের রিভিউ পড়ছে আগ্রহের সাথে। তাদেরকে আপনি নতুন মোবাইল বা গ্যাজেটের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারেন।
আদতে এভাবেই ডেটাগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যত বড় কোম্পানি এবং যত বেশি ভিজিটর তাদের এই ডেটা ম্যানেজমেন্ট আরো অনেক বেশি প্রয়োজন হয়। এবং এই ডেটা ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন তাদের জন্য আরো অনেক বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে জায়ান্ট মার্কেটিং কোম্পানি যেমন গুগুল, ফেসবুক সহ অন্যান্য সবাই এই ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং এর উপর নির্ভরশীল।
আপনি যদি ইউজার হয়ে থাকেন!
আপনি বর্তমানে যেই ওয়েবসাইটেই যান না কেন, দেখবেন তাদের কুকি এবং প্রাইভেসি পলিসি মেনেই আপনাকে সেই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে হচ্ছে। এখন আপনি যদি সেই পলিসি বিস্তারিত পড়ে দেখেন তাহলে বুঝবেন, আপনার প্রাইভেসি বলতে আদতে কোন কিছুই নেই। আপনি কি করছেন, কি খাচ্ছেন কোথায় যাচ্ছেন সবকিছুর ডেটাই গুগুল কিংবা ফেসবুকের কাছে রয়েছে।
আপনি কেমন মানুষ, একজন ভোক্তা হিসেবে আপনি কেমন আচরণ করছেন সেটাও এই সব জায়ান্টদের কাছে সংরক্ষিত হতে থাকে। আর বিভিন্ন ধরণের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সময় আপনার এই ব্যক্তিগত তথ্যগুলোকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
পরিশেষে এটা বলা যায় যে, বর্তমানে ইউজার হিসেবেও ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং এর উপর আমাদের নির্ভরশীল হওয়াটাই ভালো। কেননা এর মাধ্যমে আমাদের কাছে অপ্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপনগুলো দেখা লাগছে না বরং আমাদের প্রয়োজনীয় এবং নিজেদের কাছে আকর্ষণীয় এমন বিজ্ঞাপনগুলোই আমরা দেখছি।
আর বিজ্ঞাপন দাতা হিসেবে ডেটা ড্রিভেন মার্কেটিং থেকেই যেহেতু বেশি লাভবান হচ্ছি তাই ডেতা ড্রিভেন মার্কেটিং এর ভাণ্ডারে জমা পড়ছে আমাদের সকল আকর্ষণ। প্রতিনিয়তই বিভিন্ন গবেষণা চলছে এবং এই ডেতা ড্রিভেন মার্কেটিং দিন দিন আরো অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। সুত্রঃ bsocialtoday(dot)net

আপনারা যারা ইনবক্সে বার্তা পাঠাতে পাঠাতে ক্লান্ত , তাদের জন্যই এই পোস্ট। মনোযোগ দিয়ে পড়েন , আর এই একটা মাস কষ্ট করেন , ব...
28/05/2021

আপনারা যারা ইনবক্সে বার্তা পাঠাতে পাঠাতে ক্লান্ত , তাদের জন্যই এই পোস্ট। মনোযোগ দিয়ে পড়েন , আর এই একটা মাস কষ্ট করেন , বলতে পারেন শেষ কষ্ট , যদি তারপর ও আপনার দ্বারা না হয় তাহলে ভাই আর কখনোই হবে না।

শুক্রবার , ঘুম থেকে উঠেই লিখতে শুরু করে দিছি , আবার কবে সময় পাবো কে জানে , তবে লিখাটা অনেক বেশি দরকার হয়ে পড়েছে।

প্রথম থেকেই শুরু করা যাক ,

আপনি যদি ফাইভার মার্কেটপ্লেস কে , আসলাম , দেখলাম , জয় করলাম ভেবে থাকেন তাহলে আপনার প্রথম ভুল এইটাই 😒

ফাইভার মার্কেটপ্লেস হলো ,

আসলাম , শিখলাম , আরো শিখলাম , ভেঙ্গে পড়লাম , উঠে দাড়ালাম , আবার হোচট খেলাম, জয়ের একটু তৃপ্তি পেলাম। 😊

যদি মনে করেন ৩৫০ টাকায় ১২ টা কোর্স কিনে , কোন ভাবে একটা লগো ডিজাইন অথবা পোস্টার ডিজাইন শিখে , অথবা একটা এড প্লেসিং করতে পারলেই , মার্কেটপ্লেসের হিরো হয়ে যাবেন , তাহলে সেগুড়ে বালি। আশা করা ও ছেড়ে দেন, আমাকে এমন একজন দেখান যে কিনা কোর্স কিনে , কোর্স করে আজকে লেভেল টু সেলার।

স্কিল ছাড়া এখানে কিছুই হচ্ছেনা , বেলা বাড়ি ফিরে যাও , এখানে স্কিল মানুষদের দর কষাকষির ভীড়ে তুমি হারিয়ে যাবে বেলা ।

আবার বলি স্কিল ছাড়া ফাইভারের সোনার হরিন ধরা যাবে না। আপনি যে জিনিস জানেন ওই জিনিস এর ওপর শতভাগ কনফিডেন্ট না থাকলে , দু পা পেছনে যান , শিখেন তারপর রান আপ নিয়ে ফাইভারে দোড়ান ।

স্কিলড মানুষগুলোদের বসে থাকতে হয় না , কাজের জন্য যে শুধু মার্কেটপ্লেস আছে তা না আপনি কাজ জানলে কাজ এসে আপনার কাছে ধরা দিবে, ( সময় পেলে কখনো লিখবো , স্কিলড বিক্রির বাজার নিয়ে একটা আর্টিকেল ।

আমি টপিক্স এ ফিরে আসি , ধরে নিলাম আপনি ফ্রিলান্সিং শিখলেন , আজকাল ফ্রিলান্সিং এর বড় ট্যাগলাইন হলো , " ঘরে বসে ইনকাম করুন হাজার হাজার ডলার" , কথাটা এমন যেমন এককালে আমার দাদার ৫০ টা ঘোড়া ৫০০ শতক জমি , জমিদারি ছিল । যা পুরাতন হয়ে গেছে। মাসিক ৪০০০$ এর তৃপ্তিটা গত মাসে পেলাম , বোঝাতে পারবোনা সেই ফিলিংস , জব কনফার্ম হলো হয়তো এই বছর পর চলে যেতে হবে এই দেশ ছেড়ে তবুও একটা আক্ষেপ কি জানেন , আক্ষেপ হলো ফ্রিলান্সিং ব্যবসায়ীরা আপনাদের অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে পাঠাচ্ছে। আর দিনশেষে আপনারা হতাশ হয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন মার্কেটপ্লেস , মা বাবাকে বলছেন , অমুক কোর্স করছি আর কোন টেনশন নাই , তারপর শুধু ডলার আর ডলার , কষ্টের দিন ফুরাবে, আসলেই কি ফুরায়?

লিখে ফেলুন আপনার সাথে ঘটে যাওয়া সেই অন্ধের দেশের আয়না বিক্রি করার কাহিনি যাতে করে বাকি সবাই বুঝতে পারে , যতোটা সহজ এই ফ্রিলান্সিং নামটা আগে লাগানো ততোটাই কঠিন একজন ফ্রিলান্স্যার হওয়া।

--------------------------------------------------------------------------
আজকে শুক্রবার ২৮ ই মে , খাতা কলম নিয়ে বসে পড়ুন এই ৩০ দিন নিজেকে বন্দি করে ফেলুন , গার্লফ্রেন্ড থাকলে বলুন স্বপ্ন সাজাচ্ছি কটা দিন অপেক্ষা করো, বয়ফ্রেন্ড কে বলুন , "বাবু খাইছো" এই কথাটা একমাস পরে জিজ্ঞেস করবোঃ

আমি ধরে নিলাম আপনারা কাজ জানেন , গ্রাফিক্স ডিজাইন , ্ডিজিটাল মার্কেটিং , ওয়েব ডেভেলপিং , অথবা এপ ডেভেলপমেন্ট । যা জানেন তার মধ্যে বেস্ট জানেন এমন ৪ টা স্কিল রেডি করেন , রেডি করা শেষ হলে নিচের কথা গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেন ,

এই ৩০ দিন কে ৫ ভাগে ভাগ করেন ,

প্রথম ৬ দিনঃ

প্রথম ৬ দিন , কিছুই করবেন না , শুধু আপনার সার্ভিস গুলোর সেইম টপ রেটেড ( বেস্ট রিভিউ গিগ গুলো ভিজিট করবেন , দেখবেন তারা কেমন সার্ভিস দিচ্ছে , কিভাগে গিগ সাজাচ্ছে , কি ডেলিভারি দিচ্ছে ( গিগ ইমেইজ এর সাথে এট্টাচ পাবেন ), বায়ার গুলো তাকে কি ধরনের রিভিউ দিচ্ছি । পোকার মতো টপ গিগ গুলোয় ভিজিট করুন । সাবধান কখনো তাদের টেক্সট করবেন না , অথবা টেক্সট করার ট্রাই ও করবেন না ।

ধরেন আপনার লগো ডিজাইনে ব্যাপক পারদর্শিতা আপনি লগো ডিজাইনের উপর থাকা ১০টা গিগ এর লিংক এক্সেল শিট এ রাখেন তাদের টাইটেল , প্রাইজ পাশে লিখে রাখেন।

লিখা শেষ , ৪ টা সার্ভিস বলেছিলাম , এবার এই ৪ টা সার্ভিস এর জন্য ৪ দিন সময় নিন , উপরের কাজ করার জন্য আর বাকি ২ দিনে , ৪ টা সার্ভিস রিলেটেড ৮ টা ( মিনিমাম) গিগ ইমেইজ রেডি করেন , ভাই বিশ্বাস করেন ওই ৪ দিনে ওই টপ গিগ থেকে যা শিখছেন তা আপনারা এই ৫/৬ মাসে ও শিখতে পারবেন না , শুধু এই ভাই ওই ভাই এর অর্ডার এর কাহিনীই ই শুনবেন।

দ্বিতীয় ৬ দিনঃ
আইডিয়া নেওয়া শেষ , তাহলে এবার শুরু করা যাক , নিজের প্রথম পার্ফেক্ট গিগ দেওয়ার।

৩ টা কথা বলি কীওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে,
👉 লং টেইল কীওয়ার্ড , উইথ এট্রাকটিভ ওয়ার্ডস
👉 কীওয়ার্ড এর ডিফিকাল্টি ( মানে এভেইলভল সার্ভিস ২৫০০ এর কম)

👉 ৭০ ওয়ার্ডের বেশি নয়।

(১ দিন সময় দেন , দেখবেন অনেক অনেক ভালো কীওয়ার্ড পাবেন)

১ টা টিপস ক্যাটাগরি নিয়েঃ

👉 রিলিভেন্ট ক্যাটাগরি , যে ক্যাটাগরি আপনার সার্ভিসের সাথে যায় , ওই ক্যাটাগরি এবং সাব ক্যাটাগরি সিলেক্ট করেন , আর হ্যা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন স্কিল টেস্ট আসলে তা দিতে পারেন।

ডেস্ক্রিপশনঃ

যে টাইটেল টা দিছেন উপরে সার্ভিসের জন্য সেইম টাইটেল টা বসিয়ে দেন , তারপর লিখা শুরু করেন ,
১০ টা গিগ যেগুলো রিসার্চ এর সময় নিয়েছিলেন আবার কষ্ট করে পড়েন , নিজে নিজে একটা ড্রাফট সাজান , তারপর আপনি কি দিবেন কিভাবে দিবেন লিখে ফেলুন , মিনিমাম ১০০০ ওয়ার্ডস লিখার ট্রাই করবেন।

টিপসঃ

👉 যে কীওয়ার্ড নিয়ে টাইটেল দিয়েছিলেন ওই কীওয়ার্ড টা ৩-৪ বার রাখার চেষ্টা করবেন।
👉 টাইটেল , কন্টেন্ট এর শুরুতে , কন্টেন্ট এর মধ্যেখানে এবং কন্টেন্ট এর শেষের দিকে ( কন্টেন্ট হলো আপনার ডেস্ক্রিপশন ।

👉 যা দিতে পারবেন তাই লিখবেন , শুধু শুধু যা পারেন না তা লিখতে যাইয়েন না , পরে বাজে রিভিউ পড়বে ,ক্লাইন্ট ডিরেক্ট অর্ডার করার পর যদি গিগ ডেস্ক্রিপশন অনুযায়ী সার্ভিস না দিতে পারেন।

ট্যাগঃ

যে ১০ টা গিগ কপি করে এক্সেল শিটে রাখতে বলছিলাম ১০ টা গিগের ৫০ টা ট্যাগ পাবেন , খুজে বের করুন কমন ৫ টা ট্যাগ যা সবাই ব্যবহার করেছে( বেশিরভাগ) ব্যাস আপনি ওইগুলোই ব্যবহার করেন , ইনশাল্লাহ ভালো ইম্প্রেশন আসবে।

প্রাইজঃ

বেসিক প্রাইজটা অন্যদের চেয়ে ৫$ এর মতো কম রাখতে পারেন , তবে দয়া করে মাছ বাজার বানাইয়েন ফাইভার টাকে , আপনি আপনার কাজের কোয়ালিটি ঠিক রেখে রেগুলার প্রাইজ অন্য সবাই যে প্রাইজ দেয় আপনি তার থেকে কিছুটা কম দিতে পারেন , এইটা কখনো কইরেন না যে অন্য কেউ আপনার সেইম সার্ভিস এর জন ৫০-৯০ ডলার চার্জ করছে আর আপনি ৫$ .

FAQ টা কপি করে দিতে পারেন তবে অবশ্যই দিবেন।

জীবনের সবচেয়ে বড় ফাইভার লেসন এই ১২ দিনে শিখা হয়ে যাবে , ৬ দিনে গিগ রিসার্চ পরের ৬ দিনে প্রথম ১ টা গিগ।

তৃতীয় ও ৪র্থ ৬ দিনঃ

গিগ কিভাবে ক্রিয়েট করতে হয় জেনে গেছেন , গিগ এখন ২ দিনে একটা পাবলিশ করুন , এই ১২ দিনে মেইক শিউর যে আপনার ৪ টা গিগ ক্রিয়েট করা শেষ।

পাশের বায়ার রিকোয়েস্ট অপশন টা নতুন ট্যাবে খুলে রাখুন আপনার কাজ রিলেটেড বায়ার রিকোয়েস্ট আসলে বিড করুন ।

বি;দ্রঃ রবিবার আমি বায়ার রিকোয়েস্ট টিপস নিয়ে লিখবো , ইনশাল্লাহ ।

প্রতিদিন ১০টা বায়ার রিকোয়েস্ট মাস্ট সেন্ড করবেন এইটা শেষ না করে ঘুমাতে যাবেন না ।

৫ম ৬ দিনঃ

নিজেই বুঝতে পারবেন ইম্প্রুভমেন্ট , এইবার বের হয়ে আসুন ফাইভার থেকে ৪ টা সার্ভিসের গিগ লিংক নিয়ে Social Media গুলোতে যান , লিঙ্কডীন , টুইটার , ইন্সটা , ফেইসবুক , আপনার সার্ভিস লিখে সার্চ করুন , অনেক রিলেভেন্ট গ্রুপ আছে ওইখানে বায়ার খুজার ট্রাই করুন ,

ভাই কিভাবে?
আর্টিকেল লিখছি , খুব তাড়াতাড়ি পাবলিশ করে দিবো।

গিগ গুলোর পারফেরমেন্স দেখুন , আর যদি দেখেন ১ মাসে ২৩০-৫০০ এর মতো ইম্প্রেশন আসছে তার মানে আপনি সব টিকঠাক করছেন যদি তার চেয়ে কম আসে , যে গিগ এ কম আসছে ওই গিগ টা নিয়ে পুনরায় রিসার্চ করেন , দেখেন ভুল কোন জায়গায় , ইনশাল্লাহ ভুলটা খুজে পাবেন ।

আজ এতটুকুই আবার লিখবো সময় পেলে ।
৫ টা সর্ট টিপ্সঃ

১। আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন , কষ্ট বিফলে যায় না , আবার কষ্ট না করলে ফল ও পাওয়া যায় না । আপনার কষ্ট ই এখানে আপনার পুজি ।
২। একটিভ থাকুন , যতটুকু পারেন পিসি তে আর না হলে মোবাইল এপ্স এ ।
৩। বায়ার রিকোয়েস্ট সেন্ড করুন , মোবাইল দিয়ে ও সেন্ড করা যায়।
৪। স্বপ্ন শুধু দেইখেন না সফল করার জন্য উঠে পড়ে লাগুন ।
৫ । সুস্থ রাখুন নিজেকে।

সবার জন্য শুভকামনা

ক্রেডিট: হৃদয় ভাই

Address

Dhaka
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fiverr Live Project posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share