Covid-19 Virus করোনা নিউজ updates

Covid-19 Virus করোনা নিউজ updates Rini Akter একটি বিনোদনমূলক Page . সবাই page টি Follow দিয়ে সাথে থাকবেন। আপনারা যদি Online এ Dollar বেচাকেনা করতে চান ? তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ৷

08/05/2026
03/05/2026

আমি আমার শশুরকে বিয়ে করেছিলাম—শুধু আমার সন্তানদের বাঁচানোর জন্য।

বিয়ের পর প্রথম রাত… ঘরে ঢুকেই তিনি দরজা বন্ধ করলেন। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললেন—
“এখন আর ফেরার পথ নেই… তোমাকে একটা কথা বলতেই হবে—আমি কেন তোমাকে বিয়ে করেছি।”

আমার বুকটা কেঁপে উঠেছিল।

আমার দুইটা সন্তান… বড় ছেলে রিদ, বয়স সাত। ছোট মেয়ে আয়রা, বয়স পাঁচ।
ওদের নিয়েই আমার পৃথিবী।

আমার প্রথম স্বামী—এহসান।
শুরুর দিনগুলোতে সে ছিল একদম অন্য মানুষ।
সব সময় বলত—
“তুমি শুধু আমার জন্য থাকো… সংসারটা আমি সামলে নেবো।”

তার কথায় বিশ্বাস করে আমি নিজের চাকরিটাও ছেড়ে দিয়েছিলাম।
ভাবতাম—এই তো স্বপ্নের সংসার…

কিন্তু সময় বদলাতে বেশি দেরি হয়নি।

একদিন বুঝলাম… আমি আর তার প্রয়োজন নেই।
আমি শুধু একটা দায়িত্ব… একটা অভ্যাস…
একটা “থাকা”—যার কোনো মূল্য নেই।

দিন যেতে যেতে সে বদলে গেল ভয়ংকরভাবে।
প্রতিদিন হুমকি দিত—
“তোর থেকে বাচ্চাদের নিয়ে নেবো… তুই কিছুই করতে পারবি না!”

আমি ভেঙে পড়তাম… কিন্তু চুপ করে থাকতাম।
কারণ আমি জানতাম—আমি একা।

এই পৃথিবীতে আমার কেউ নেই।
আমি এতিম।

কিন্তু একটা মানুষ ছিল…
যে কখনো আমার পাশে থাকা ছাড়েনি।

সে ছিল—সোলায়মান সাহেব… আমার শ্বশুর।

তিনি খুব শান্ত স্বভাবের মানুষ।
কথা কম বলতেন… কিন্তু সব বুঝতেন।

রিদের জন্মদিনে, আয়রার অসুস্থতার সময়—সব সময় তিনি পাশে থাকতেন।
হাসপাতালে আমি যখন একা ছিলাম… তখন তিনিই আমার হাতটা ধরে বলেছিলেন—
“ভয় পেয়ো না… আমি আছি।”

ধীরে ধীরে… অজান্তেই…
তিনি হয়ে উঠেছিলেন আমার একমাত্র ভরসা।

তারপর একদিন—সব শেষ হয়ে গেল।

এহসান আমাকে ঠকিয়েছিল।
অন্য এক মহিলাকে নিয়ে সরাসরি আমার ঘরে ঢুকেছিল…
আর আমাকে বের করে দিয়েছিল সেই ঘর থেকে।

সেদিন আমি রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম—দুইটা বাচ্চা নিয়ে…
কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই… কেউ নেই।

আমি শেষ ভরসা নিয়ে সোলায়মান সাহেবের কাছে গেলাম।

তিনি দরজা খুললেন…
কিছু জিজ্ঞেস করলেন না…
শুধু ভেতরে আসতে বললেন।

তারপর কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন—
“যদি নিজেকে বাঁচাতে চাও… আর বাচ্চাদেরও… তাহলে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে… আমাকে বিয়ে করতে হবে।”

আমি ভেবেছিলাম—তিনি মজা করছেন।

কিন্তু তার চোখে কোনো হাসি ছিল না।
শুধু ছিল দৃঢ়তা।

আমার মাথা কাজ করছিল না।
কিন্তু আমার সামনে তখন কোনো পথও ছিল না।

আদালত শেষমেশ রায় দিল—
আমার সন্তানরা থাকবে সোলায়মান সাহেবের ছায়ায়।
আর আমি… নয় বছরের সংসার শেষ করে… একেবারে খালি হাতে বের হয়ে এলাম।

সেদিন আমি বুঝেছিলাম—
কখনো কখনো বাঁচতে হলে… নিজের সবকিছু ভুলে যেতে হয়।

তাই আমি রাজি হয়েছিলাম।

সোলায়মান সাহেব তখন ৬৭ বছরের একজন মানুষ।

এহসান যখন খবরটা জানল—
সে পাগলের মতো আচরণ করেছিল।
আমাকে অপমান করেছিল…
বিয়েতেও আসেনি।

কিন্তু আমি কিছুই অনুভব করিনি।

কারণ তখন আমার জীবনে একটাই সত্য ছিল—
আমার সন্তান।

বিয়ে হয়ে গেল।

সবকিছু যেন স্বপ্নের মতো কেটে গেল।

কিন্তু…

যেই না আমরা বাড়িতে ফিরলাম…
সবকিছু বদলে গেল।

দরজা বন্ধ হলো…
ঘরে শুধু আমরা দু’জন…

প্রথমবার… একজন স্বামী আর স্ত্রীর মতো একসাথে।

তিনি ধীরে ধীরে আমার দিকে তাকালেন…
তার চোখে অদ্ভুত একটা গভীরতা…

তারপর বললেন—
“এখন আর ফেরার পথ নেই… তোমাকে বলতেই হবে—আমি কেন তোমাকে বিয়ে করেছি…”

আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল…

#নিষিদ্ধ_আশ্রয়
#গল্প_ঘর
যদি গল্প ভালো লাগে আমার পেইজ ফলো করুন প্লিজ কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।

01/05/2026
29/04/2026
27/04/2026
17/04/2026

গল্পঃ #পাঁচ_সন্তানের_প্রতিশোধ
পর্ব-০২
লেখক~ 𝐒𝐭𝐨𝐫𝐲 𝐨𝐟 𝐘𝐞𝐚𝐬𝐢𝐧 𝐍𝐞𝐞𝐥

ঢাকার সেই ব্যস্ত রাস্তায় বসে থাকা বৃদ্ধ মানুষটা অনেকক্ষণ ধরেই একই জায়গায় স্থির হয়ে ছিল।

চারপাশে মানুষজন আসছে যাচ্ছে, গাড়ির হর্ন, ধুলা, গরম সবকিছু যেন তার কাছে নিঃশব্দ হয়ে গেছে।

তার চোখ শুধু পত্রিকার ওই ছবিগুলোর ওপর আটকে আছে।

পাঁচটা মুখ। পাঁচটা আলাদা পরিচয়। কিন্তু প্রতিটা চোখে একই আগুন, একই দৃঢ়তা।

আর সেই চোখগুলো সে চিনতে পারছে। ঠিক যেমন ছিল জন্মের সময়, যখন তারা প্রথমবার কান্না করেছিল।

ইয়াসিনের বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। এত বছর ধরে সে নিজেকে বুঝিয়েছে—সে ঠিক করেছে, সে নিজের জীবন বাঁচিয়েছে।

কিন্তু আজ, এই একটা খবর তার সব যুক্তি ভেঙে দিল। সে মনে করার চেষ্টা করল শেষবার কবে সে লাবণ্যকে দেখেছিল। সেই রাতটা তার মাথায় স্পষ্ট হয়ে উঠল।

লাবণ্যের চোখের পানি, তার কাঁপা গলা, আর তার নিজের নিষ্ঠুর কথাগুলো। “শাপ”—এই শব্দটা যেন এখন তার কানে বাজতে লাগল, বারবার।

সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। তার পা কাঁপছিল, কিন্তু মনে এক অদ্ভুত তাড়না কাজ করছিল। তাকে ওদের খুঁজে বের করতেই হবে।

এই শহরে এত বছর কাটিয়েছে, অনেক কিছু করেছে ভালো, খারাপ সবই। কিন্তু কখনো নিজের অতীতের দিকে ফিরে তাকায়নি।

আজ আর পালানোর জায়গা নেই।
পরদিন সকালেই সে সেই পত্রিকার অফিসে গেল।

অনেক অনুরোধ, অপেক্ষা, আর অপমান সহ্য করার পর অবশেষে সে কিছু তথ্য পেল। পাঁচ ভাইবোন এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত।

একজন বড় ব্যবসায়ী, একজন সরকারি উচ্চপদে, একজন চিকিৎসক, একজন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, আর একজন সমাজকর্মী। তারা একসাথে থাকে না, কিন্তু নিয়মিত যোগাযোগ রাখে।

ইয়াসিনের মাথা ঘুরে গেল। যাদের সে একদিন না খেয়ে মরবে ভেবেছিল, তারা আজ হাজার মানুষের জীবন বদলে দিচ্ছে। তার মনে এক মুহূর্তের জন্য গর্ব আসল, কিন্তু সাথে সাথে লজ্জা সেই গর্বকে মাটিতে মিশিয়ে দিল।

সে প্রথমে ঠিক করল, সবচেয়ে ছোট সন্তানের কাছে যাবে। পত্রিকায় লেখা ছিল, সে ঢাকাতেই থাকে এবং একটি বড় এনজিও চালায়। দরিদ্র মানুষের জন্য কাজ করে।

এই কথাটা শুনে ইয়াসিনের বুকটা আরও ভারী হয়ে গেল।

যে সন্তানকে সে দুধ পর্যন্ত দিতে দেয়নি, সে আজ অন্যদের খাওয়াচ্ছে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সে সেই অফিসের সামনে এসে দাঁড়াল। বড় বিল্ডিং, গেটে নিরাপত্তা।

সে নিজের মলিন কাপড়ের দিকে তাকাল। ভেতরে ঢোকার মতো অবস্থাও তার নেই। তবুও সাহস করে গার্ডের কাছে গেল। কাঁপা গলায় বলল, সে ভেতরের ম্যাডামের সাথে দেখা করতে চায়।
গার্ড প্রথমে তাকে তাড়িয়ে দিতে চাইল।

কিন্তু ইয়াসিন বারবার অনুরোধ করল। শেষে গার্ড বিরক্ত হয়ে ভেতরে খবর পাঠাল। কিছুক্ষণ পর একজন সহকারী এসে তাকে ভেতরে নিয়ে গেল, হয়তো ভিক্ষুক ভেবে সাহায্য করবে ভেবে।

ইয়াসিন যখন সেই কক্ষে ঢুকল, তার চোখ এক মুহূর্তে আটকে গেল।

সামনে বসে থাকা নারীটি মাথা নিচু করে কাজ করছিল। পরিপাটি পোশাক, আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গি।

কিন্তু তার মুখের একটা অদ্ভুত পরিচিত ছায়া ছিল।

“আপনি কী সাহায্য চান?” নারীটি মাথা না তুলেই বলল।
ইয়াসিনের গলা শুকিয়ে গেল।

এত বছর ধরে সে এই মুহূর্তটার জন্য প্রস্তুত ছিল না। সে কিছু বলতে পারছিল না।

নারীটি এবার মাথা তুলল। দুজনের চোখ একসাথে আটকাল। একটা অদ্ভুত নীরবতা নেমে এল ঘরে।

নারীটির চোখ ছোট হয়ে এল। সে কিছু একটা খুঁজতে লাগল ইয়াসিনের মুখে। তারপর হঠাৎ তার মুখের ভাব বদলে গেল। বিস্ময়, সন্দেহ, তারপর ধীরে ধীরে এক ধরনের কঠোরতা।

“আপনি…” সে থেমে গেল।
ইয়াসিন কাঁপা গলায় বলল, “আমি… আমি তোমার বাবা…”
এই কথাটা ঘরের ভেতর ভারী হয়ে ঝুলে রইল।

নারীটি কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে রইল। তারপর ধীরে ধীরে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াল। তার চোখে কোনো পানি ছিল না, কোনো আবেগও না। শুধু ঠান্ডা এক দৃষ্টি।

“আমার বাবা?” সে ধীরে বলল। “আমার বাবা তো মারা গেছে। অন্তত আমার কাছে।”

ইয়াসিনের বুকটা যেন ছিঁড়ে গেল। সে এগিয়ে আসতে চাইল, কিন্তু নারীটি হাত তুলে থামিয়ে দিল।

“আর এক পা এগোবেন না,” সে শক্ত গলায় বলল।

ইয়াসিন থেমে গেল। তার চোখ ভিজে উঠল। “আমি ভুল করছিলাম… আমি বুঝতে পারি নাই…”
নারীটি হেসে উঠল, কিন্তু সেই হাসিতে কোনো আনন্দ ছিল না। “ভুল? আপনি আমাদের শাপ বলেছিলেন।

আমাদের ফেলে রেখে গিয়েছিলেন। মায়ের শেষ দিনগুলোতেও আপনি আসেননি।”

ইয়াসিন স্তব্ধ হয়ে গেল। “লাবণ্য… সে কোথায়?”
এই প্রশ্নে নারীটির চোখে প্রথমবারের মতো কষ্টের ছায়া ফুটে উঠল।

“মা আর বেঁচে নেই,” সে শান্তভাবে বলল। “অনেক বছর আগেই মারা গেছেন। শেষ সময়েও তিনি আপনাকে দোষ দেননি। শুধু বলেছিলেন, আপনি যেন ভালো থাকেন।”

এই কথাটা শুনে ইয়াসিন ভেঙে পড়ল। তার পা কাঁপতে লাগল, সে মাটিতে বসে পড়ল। এতদিন পরে, সে সব হারানোর সত্যিটা বুঝতে পারল।

নারীটি কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকল। তারপর বলল, “আপনি কেন এসেছেন?”

ইয়াসিন কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমি শুধু একবার… তোমাদের সবারে দেখতে চাই… ক্ষমা চাইতে চাই…”
নারীটি কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তার চোখে এখন একটা দ্বন্দ্ব কাজ করছিল।

মায়ের শেখানো ক্ষমা আর নিজের কষ্ট দুটোর মধ্যে লড়াই।
শেষ পর্যন্ত সে বলল, “আমি একা সিদ্ধান্ত নিতে পারব না।

আমরা পাঁচজন একসাথে সিদ্ধান্ত নেই। আমি বাকিদের খবর দিচ্ছি। আপনি কাল আসবেন।”

ইয়াসিন মাথা নেড়ে সম্মতি দিল। তার ভেতরে ভয় আর আশা একসাথে কাজ করছিল।

সে ধীরে ধীরে অফিস থেকে বের হয়ে এল। আজ রাতে তার ঘুম হবে না। ৩০ বছর আগের প্রতিটা মুহূর্ত তাকে তাড়া করবে।
আর আগামীকাল… সে তার জীবনের সবচেয়ে বড় বিচার মুখোমুখি হবে।

চলবে, তোমাদের সবার কাছে আমার অনুরোধ গল্প পড়ে অবশ্যই একটা কমেন্ট কইরো
!

16/04/2026

যে পিতা তার পাঁচ সন্তানকে “শাপ” বলে ডাকতেন… ৩০ বছর পর, তারা ক্ষমতাশালী হলেই সে তাদের খুঁজতে এলো।

বছরটা ছিল ১৯৯৫।

বাংলাদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামের প্রান্তে মাটির আর বাঁশের তৈরি এক ছোট্ট ঘরে, একই সময়ে পাঁচটা নবজাতকের কান্নার আওয়াজ ভেসে উঠল ভেজা বাতাসে।

এটা কোনো বাড়িয়ে বলা কথা ছিল না সত্যিই পাঁচটা শিশু, সবাই একসাথে জন্ম নেওয়া, সবাই তাদের পুরো শক্তি দিয়ে কাঁদছিল… যেন শুরু থেকেই বলে দিচ্ছে তাদের জীবন সহজ হবে না।

লাবণ্য একটা পুরনো চারপাই খাটে শুয়ে ছিল, ঘামে ভেজা শরীর, ক্লান্তিতে ফ্যাকাশে মুখ।

সে মাত্রই একসাথে পাঁচটা সন্তানের জন্ম দিয়েছে।

পাঁচটা।
পাঁচটা ছোট্ট প্রাণ, পাতলা কাপড়ে মোড়ানো, একটা পুরনো কম্বলের ওপর মাটিতে শুইয়ে রাখা।

ঘরের ভেতর ভেজা মাটির গন্ধ, দারিদ্র্যের চাপা কষ্ট, আর আগামীর অজানা ভয়ের ভার।

লাবণ্য মাথা তুলতেই পারছিল না। দুইটা বাচ্চাকে বুকে টানার চেষ্টা করতে করতে তার হাত কেঁপে উঠছিল। বাকি তিনটা মাটিতে অসহায়ভাবে কাঁদতেছিল উষ্ণতা, দুধ… আর বেঁচে থাকার প্রথম স্পর্শের খোঁজে।

কিন্তু খুশির বদলে, ঘরে হঠাৎ রাগ ফেটে পড়ল।

“পাঁচটা?! লাবণ্য, পাঁচটা বাচ্চা?!” মিস্টার ইয়াসিন চিৎকার করে উঠল।

সে ছোট্ট ঘরের মধ্যে পায়চারি করতে করতে একটা পুরনো ছেঁড়া বস্তায় কাপড় গুঁজতেছিল। তার মুখে বিরক্তি, রাগ যেন এই বাচ্চাগুলাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় শাস্তি।

“একটা বাচ্চাকেই ঠিকমতো মানুষ করতে পারি না!”

সে চিৎকার করে ঘরের বাঁশের খুঁটিতে আঘাত করল। “আর এখন একসাথে পাঁচটা? আমরা তো না খাইয়া মরুম!”

লাবণ্য কষ্ট করে মুখ তুলল। চোখের পানি গাল বেয়ে পড়তেছিল।

“ইয়াসিন… তুমি যাইও না,” সে আস্তে করে বলল।

“আমরা কোনোভাবে চালায়া নেব… আমি কাজ করমু… তুমি কাজ করবা… আমরা একসাথে থাকলে পারমু…”
কিন্তু ইয়াসিন আর কিছু শুনতেছিল না।

তার কাছে ওই পাঁচটা নবজাতক কোনো আশীর্বাদ ছিল না ছিল শুধু বোঝা।
তার পায়ে শিকল।
“আমি এই জীবন চাই না!” সে রেগে বলল।

“আমি শহরে যামু। বড় মানুষ হমু! এই বাচ্চাগুলা… শাপ!”

কথাগুলো ছোট্ট ঘরের মধ্যে এমনভাবে পড়ল, যেন কারও বুক চিরে ফেলল।

লাবণ্য নিঃশব্দে কেঁদে উঠল, বাচ্চাগুলাকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।

তারপর আরও কষ্টের একটা ঘটনা ঘটল।
ইয়াসিন ঘরের কোণের তাক থেকে একটা ছোট টিনের বাক্স নামাইল।

খুলে দেখল ভেতরে লাবণ্যের জমানো টাকা, বাচ্চাগুলার দুধ আর দরকারি জিনিস কেনার জন্য।

“ইয়াসিন! এটা নিও না! এটা বাচ্চাগুলার জন্য!” লাবণ্য কাঁদতে কাঁদতে বলল।

কিন্তু সে ঠান্ডা হেসে বলল
“এইটাই ধরো… আমার নতুন জীবনের দাম।”

সেই রাতেই সে বাড়ি ছেড়ে চলে গেল।
ঢাকাগামী একটা বাসে উঠে, একবারও পেছনে তাকায় নাই অন্ধকারের মধ্যে হারায় গেল।

পিছনে রেখে গেল একজন অসহায় মা… আর পাঁচটা কাঁদতে থাকা নবজাতক।

পরবর্তী বছরগুলো লাবণ্যের জন্য ছিল নিষ্ঠুর।

স্বামী নাই। কোনো সহায়তা নাই। কোনো ঠিকঠাক আয় নাই। কিন্তু পাঁচটা সন্তান পুরোপুরি তার ওপর নির্ভরশীল।

সকালে সে মানুষের বাড়িতে কাপড় ধুত, বাসন মাজত।

দুপুরে হাটে বসে শাকসবজি বিক্রি করত। রাতে রাস্তার পাশের ছোট্ট হোটেলে থালা-বাসন পরিষ্কার করত।

ঘুম হইত খুব কম। তবুও প্রতি সকালে আবার উঠে দাঁড়াইত হাল ছাড়ে নাই কখনো।

গ্রামের মানুষ হাসত, কথা শোনাইত।

“দেখছস, পাঁচটা পেট নিয়া কেমনে ঘুরে!”

“এই জন্যই তো স্বামী ছাইড়া গেছে!”

লাবণ্য কিছু বলত না। শুধু চুপচাপ নিজের লড়াই চালায় যেত।

প্রতি রাতে, যখন পাঁচটা বাচ্চা একসাথে একটা পুরনো চাদরের নিচে গাদাগাদি করে ঘুমাইত।

সে তাদের বুকের কাছে টানত… আর আস্তে করে বলত
“তোমরা কখনো তোমাদের বাবারে ঘৃণা করবা না…” বাচ্চাগুলা বুঝত না।

তবুও সে প্রতিবারই বলত
“আমারে কথা দাও… একদিন সবাইরে দেখাইবা—তোমরা বোঝা না… তোমরা আশীর্বাদ” বছর কাইটা গেল।

পাঁচটা সন্তান মায়ের কষ্ট দেখে বড় হইল। অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী। অনেকদিন শুধু লবণ-পেঁয়াজ দিয়ে ভাত খাইছে।

কিন্তু তাদের ভিতরে জন্ম নিল এক অন্যরকম জেদ নিজেদের প্রমাণ করার জেদ।

শিক্ষা, পরিশ্রম, আর মায়ের ত্যাগ এই তিনটা জিনিস তাদের বদলাইয়া দিল।

ত্রিশ বছর পর…
ঢাকার এক ব্যস্ত এলাকায়, রাস্তার পাশে বসা এক বৃদ্ধ মানুষ কাঁপা হাতে একটা পত্রিকা ধরছে।

সে মিস্টার ইয়াসিন।
হঠাৎ তার চোখ আটকা গেল একটা খবরে।

শিরোনামটা পড়ে তার বুক ধক করে উঠল “গ্রামের পাঁচ সন্তান আজ দেশের শীর্ষ সফল মানুষ” নিচে পাঁচজনের ছবি।

ইয়াসিনের হাত কাঁপতে লাগল। এরা… তারই সন্তান।
যাদের সে একদিন “শাপ” বলছিল।

আজ তারা দেশের গর্ব। তার চোখ ভিজা হয়ে গেল। বুকের ভেতরটা হাহাকার করে উঠল।

৩০ বছর পর…

ইয়াসিন বুঝল, সে যাদের ফেলে গেছিল, তারা বোঝা ছিল না…
তারা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় মঙ্গল ছিল।

আর সেই মুহূর্তেই… তার মনে একটাই চিন্তা এল “ওদের খুঁজে বের করতেই হবে।”

চলবে.. আজকেই যদি পরবর্তী অংশ পড়তে চাও তাহলে ৫'শ কমেন্ট করো সবাই মিলে।

গল্পঃ #পাঁচ_সন্তানের_প্রতিশোধ
পর্ব-০১
লেখক~ 𝐒𝐭𝐨𝐫𝐲 𝐨𝐟 𝐘𝐞𝐚𝐬𝐢𝐧 𝐍𝐞𝐞𝐥

পরবর্তী অংশ সবার আগে পড়তে পেইজে ফলো করে রাখো! Rini Akter

04/04/2026

কে লিখেছেন জানিনা তবে লেখককে সাধুবাদ জানাই।

৩০ হাজার টাকা বেতনের একটা চাকরি জুটিয়েই বিয়ে করে ফেলবো। এরপর ৩৫ হাজার টাকার ভাড়া বাসায় উঠবো, শালীসহ। ইন্টারপাশ শালীটাকে ভর্তি করাবো নর্থ সাউথে।

ছেলেটাকে দিয়ে দিবো পশ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। ক্লাস ওয়ানেই যার মাসিক বেতন ১৭ হাজার টাকা। ওর স্কুলে যাতায়াতের জন্য একটা টয়োটা প্রিমিও কিনে দিবো, সাথে থাকবে পার্মানেন্ট ড্রাইভার।

বউ, ছেলে আর শালীকে নিয়ে উইকেন্ডে ফাইভ স্টারে যাবো ব্যুফে খেতে, কলিগসহ। বেতনের টাকায় পোষাচ্ছে না মর্মে সবাই মিলে হা হুতাশ করবো। এরমধ্যেই শালীটা আবদার ধরবে আইফোনের লেটেস্ট ভার্সনটার জন্য।

ছেলেটা ক্লাস ফাইভে উঠতে উঠতে আমি প্রমোশন পেয়ে যাবো, বেতন হবে ঝাড়া ৪৫ হাজার। এবার ছেলের স্কুলে যাওয়ার জন্য কিনে দিবো Lexus IS250, ৪৩ লাখ টাকা দাম। ওর বন্ধুরা অডিতে করে স্কুলে আসে, লেক্সাসে না চড়লে ওর মান সম্মান থাকে না আসলে। জন্মদিনে আমার বাবাটাকে গিফট দিবো একটা আইফোন।

ততদিনে শালীটা পাশ করে মডেলিং এর নামে ফাত্রামি করে বেড়াবে। ওটাকে বিয়ে দিয়ে দিবো আমার মত ৩০ হাজার টাকা বেতনে ঢোকা কোন ছোকরার কাছে। বিয়েতে খরচা হবে আড়াই কোটি টাকা।

ছেলেটা ক্লাস এইটে উঠলে ওকে একটা ইয়ামাহা R15 V4 কিনে দিবো। এই বয়সে গার্লফ্রেন্ড হবে, এদিক সেদিক ঘুরতে যেতে মন চাবে। শখ আহ্লাদ বলে তো কিছু জিনিস আছে, নাকি??

ছেলেটার ও লেভেল পাশ করার খুশীতে ওকে একটা ফ্ল্যাট কিনে দিবো, গুলশানে। ততদিনে আরেকটা প্রমোশনে আমার বেতন ৫৫ হাজার। দুই কোটি টাকার একটা ফ্ল্যাট তো ও ডিজার্ভ করে। ছেলের বয়স হচ্ছে, গার্লফ্রেন্ড বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসার জন্য, মাঝেমধ্যে পার্টি দেয়ার জন্য একটা পার্সোনাল প্লেস তো লাগে!! আমার দুই নয়নের মণিটার জন্য সব থাকা দরকার।

বাবাটা এ লেভেল পাশ করে ফেলবে চিল করতে করতেই। সেই খুশীতে একটা অডি কিনে দিয়ে জানতে চাইবো ও কোথায় পড়তে চায়। আমেরিকা কানাডার সেরা সব ইউনিভার্সিটির মধ্যে যেটা ও পছন্দ করবে, ভর্তি করিয়ে দিবো। কয় টাকা আর লাগবে?? ৬০ হাজার বেতন পাই, আমার কি টাকার অভাব??

মাঝেমধ্যে ছেলেকে দেখতে কানাডা যাবো, দেশ থেকে অনেক উপহার নিয়ে যাবো। ততদিনে আমার লাস্ট প্রমোশন ডান। কানাডার সাসকেচুয়ানে বরফের মধ্যে বাপ ছেলে ওভারকোট পরে জড়াজড়ি করে হাসিমুখে ছবি তুলবো। বাবা দিবসে ছেলে ইন্সটাগ্রামে আমার ছবি আপলোড দিয়ে ক্যাপশন দিবে, "বেস্ট ড্যাড ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড!!"

যেদিন ছা-পোষা চাকরিটা থেকে অবসরে যাবো, ফেয়ারওয়েল প্রোগ্রামে এটেন্ড করার জন্য কানাডা থেকে আমার বাবুটা আসবে। হলভর্তি লোকের সামনে দাঁড়িয়ে আর্দ্র গলায় বলবে, "পৃথিবীতে অনেক খারাপ মানুষ আছে, কিন্তু একটা খারাপ বাবাও নেই। আই লাভ মাই ড্যাড, হি ইজ মাই হিরো!!"

সফল বাবা হওয়ার সুখে আমার চোখের কোণ বেয়ে গড়িয়ে নামবে অশ্রু। এ অশ্রু সুখের, এ অশ্রু সার্থকতার, এ অশ্রু আনন্দের!!

ওটাই হবে বাবা দিবসে আমার শ্রেষ্ঠ উপহার!!

এইসকল সফল, দূর্নীতিবাজ, ঘুষখোর বাবা ও তার পরিবারের সকলের উপর আল্লাহর গজব নাজিল হোক। আমিন।

31/01/2026

২০১০ সাল। জসিমের মায়ের চোখ দুটো তখন আর আলো চেনে না। চারপাশে দিন না রাত—সবই এক অন্ধকার। কিন্তু এই অন্ধকারের মধ্যেও একটা আলো সে প্রতিদিন খোঁজে—তার ছেলে জসিম।
চোখে সে দেখতে পায় না ঠিকই, কিন্তু কানে সে এখনো শব্দ শোনে। প্রতিটা পায়ের আওয়াজে তার বুক কেঁপে ওঠে। দরজার বাইরে কারো হাঁটার শব্দ হলেই সে বলে ওঠে—
—“কে? জসিম নাকি?”
প্রতিবারই উত্তর আসে নীরবতা। কিংবা অয়নের ভারী নিঃশ্বাস—
—“না মা… আমি অয়ন।”
এই কথাটা শুনলেই জসিমের মা চুপ করে যায়। চোখের কোটর থেকে পানি গড়ায়, কিন্তু সে আর মুছতে পারে না। অয়ন এগিয়ে এসে মায়ের চোখ মুছে দেয়।
অয়ন তখন কলেজে পড়ে। বাবার বয়স বেড়েছে। ঘরে এখন সে-ই ভরসা।

অন্ধ হওয়ার পর জসিমের মায়ের জীবনটা বদলে যায়। সে আর উঠানে বের হতে পারে না। উঠানের আমগাছটা সে আর দেখতে পায় না, কিন্তু পাতার শব্দ শুনে বুঝে যায় বাতাস বইছে। সন্ধ্যায় আজান শুনলে তার বুকটা হু হু করে ওঠে।
আজান মানেই মাগরিব।
মাগরিব মানেই সেই সময়—যে সময়ে জসিম একসময় বাড়ি ফিরতো।
সে তখন অয়নকে ডেকে বলে—
—“অয়ন… আজ কি দরজাটা খোলা রাখবি?”
অয়ন বোঝে। প্রতিদিনের মতোই বলে—
—“হ্যাঁ মা, খোলা রাখবো।”
দরজা খোলা থাকে। কিন্তু কেউ আসে না।

জসিমের বাবা এখন আর আগের মতো কথা বলে না। মানুষটা যেন ভেতরে ভেতরে শুকিয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে রাতে উঠানে বসে থাকে। চুপচাপ। মাথার চুল সাদা হয়ে গেছে। চোখ দুটো গর্তে ঢুকে গেছে।
একদিন গভীর রাতে অয়ন দেখে—বাবা উঠানে বসে কাঁদছে।
অয়ন এগিয়ে যায়।
—“বাবা… তুমি কাঁদছো কেন?”
জসিমের বাবা মুখ ঢেকে বলে—
—“আমি যদি সেদিন রাগ না করতাম… যদি ওর গায়ে হাত তোলার পরও ওকে জড়িয়ে ধরতাম… আজ আমার ছেলেটা হারিয়ে যেতো না।”
এই প্রথম অয়ন দেখে—তার শক্ত বাবা ভেঙে পড়েছে।

গ্রামের মানুষ এখন আর আগের মতো আসে না। সময় সবকিছু ভুলিয়ে দেয়। কিন্তু এই বাড়ির মানুষরা ভুলতে পারেনি।
পোস্টমাস্টার হামিদ মিয়া এখনো মাসে একবার খোঁজ নিতে আসে।
—“খালাম্মা কেমন আছেন?”
জসিমের মা অন্ধ চোখে হাসে—
—“ভালো আছি হামিদ। কোনো চিঠি আসেনি?”
হামিদ মিয়া চুপ করে থাকে। কী বলবে?

২০১১ সাল।
একদিন দুপুরে হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ে।
অয়ন দরজা খুলে দেখে—একজন অপরিচিত লোক।
—“এখানে কি জসিমের বাবা-মা থাকেন?”
অয়নের বুক ধড়াস করে ওঠে।
—“আপনি কে?”
লোকটা বলে—
—“আমি ঢাকার এক হাসপাতালে কাজ করি। জসিম নামে একজন লোক আমাদের এখানে ভর্তি আছে। সে বারবার এই ঠিকানাটা বলছে।”
এই কথা শুনে অয়নের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়।

ঘরের ভেতর থেকে মায়ের কণ্ঠ—
—“কে এসেছে অয়ন?”
অয়ন কিছু বলতে পারে না। লোকটা ভেতরে ঢোকে।
—“খালাম্মা… আপনার ছেলে জসিম খুব অসুস্থ।”
এই কথাটুকুই যথেষ্ট ছিল।
জসিমের মা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়। গ্রামের মানুষ আবার জড়ো হয়। সবাই বলে—
—“এবার হয়তো জসিম ফিরবে।”
কিন্তু কেউ জানে না—সে কী অবস্থায় আছে।

হাসপাতালে পৌঁছে তারা দেখে—জসিম শুয়ে আছে। শরীর শুকিয়ে গেছে। চোখের নিচে কালো দাগ। কিন্তু মুখটা একেবারে জসিমের মতোই।
মা অন্ধ। তবু সে ছেলের গায়ে হাত রাখতেই বলে ওঠে—
—“এই হাত… এই বুক… আমার জসিম।”
জসিম কাঁপতে থাকে।
—“মা… আমাকে ক্ষমা করো।”
মা কাঁদে না। শুধু বলে—
—“তুই বেঁচে আছিস… এইটাই অনেক।”

জসিম ক্যান্সারে আক্রান্ত। অনেকদিন ধরে লুকিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছিল। টাকা শেষ হয়ে গেছে। শরীর ভেঙে পড়েছে। শেষমেশ সে আর লুকোতে পারেনি।
বাবা ছেলের পাশে বসে হাত ধরে বলে—
—“বাবা… আমি তোকে অনেক আগেই ক্ষমা করে দিয়েছি।”
এই কথায় জসিম হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে।

সাদিয়া খবর পেয়ে আসে। অনেক বছর পর জসিম তাকে দেখে।
দুজন দুজনের দিকে তাকায়। কিছু বলে না। সব কথা চোখে জমে থাকে।
সাদিয়া শুধু বলে—
—“তুমি একবারও জানালে না।”
জসিম বলে—
—“আমি কাউকে কষ্ট দিতে চাইনি।”

চিকিৎসা চলে। কিন্তু সময় কম।
একদিন রাতে জসিম মাকে ডাকে—
—“মা… তোমার চোখ কেন নষ্ট হলো?”
মা হালকা হাসে—
—“তোর জন্য বেশি কেঁদেছি রে।”
জসিম নিজের মুখে থাপ্পড় মারে।
—“আমি অপরাধী মা।”
মা হাত ধরে থামায়—
—“না। তুই আমার সন্তান। সন্তান কখনো অপরাধী হয় না।”

শেষ দিন।
জসিম সবার হাত ধরে বলে—
—“আমি যদি আগে আসতাম…”
বাবা বলে—
—“আল্লাহ যা করেছেন ভালো করেছেন।”
জসিম শেষবার মায়ের কোলের মাথা রাখে।
—“মা… আমি যাচ্ছি।”
মা অন্ধ চোখে শূন্যের দিকে তাকিয়ে বলে—
—“যা বাবা… কিন্তু তুই আর হারাস না।”

জসিম চলে যায়।
বাড়িতে আবার সেই নীরবতা। কিন্তু এবার অপেক্ষা নেই। আছে স্মৃতি।
জসিমের মা প্রতিদিন ফজরের পর বলে—
—“আজ জসিম আসবে না… কিন্তু সে আমার ভেতরে আছে।”
শেষ কথা
এই গল্প শুধু জসিমের নয়।
এই গল্প প্রতিটা অভিমানী সন্তানের।
যারা রাগে বাড়ি ছাড়ে, কিন্তু ফিরে আসতে দেরি করে ফেলে।
চলবে…

৩য় পর্ব শেষ। চতুর্থ পর্ব শীগ্রই দেওয়া হবে। পেইজের সাথেই থাকুন।
লিখেছেন AB Shorman Hossain Robin
যদি গল্প ভালো লাগে আমার পেইজ ফলো করুন প্লিজ বেশি বেশি শেয়ার করুন অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Covid-19 Virus করোনা নিউজ updates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Covid-19 Virus করোনা নিউজ updates:

Share