14/12/2024
সরকরী হাসপাতালের ডাক্তারদের অনিয়ম নিয়ে কিছু কথা।
আসসালামু আলাইকুম,
আমরা সাধারনত বেশির ভাগ লোকজন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাই সেখানে টিকিট কেটে দেখাই।অনেক সময় টেস্টের দরকার হয় কিনতু সেটাও হয়তো অন্য যায়গা থেকে করা লাগে। এর পরে যখন টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় ডাক্তার এর কাছে আসা হয় প্রাই দেখা যায় ১টার মধ্যেই ক্লোজ করে চলে যায় তাহলে কি এই রিপোর্ট ওনাকে আবার প্রাইভেট ভাবে দেখাতে হবে?
সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের দুপুর ১টার পরডিউটি ছেড়ে চলে যাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য একটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অগ্রহণযোগ্য বিষয়। সরকারি হাসপাতালগুলো সাধারণ মানুষের চিকিৎসার শেষ আশ্রয়স্থল। প্রতিদিন হাজারো রোগী এখানে চিকিৎসার জন্য আসেন, যারা বেসরকারি হাসপাতালের ব্যয়বহুল সেবা নিতে অক্ষম। কিন্তু ডাক্তাররা দায়িত্বপালন থেকে বিরত থাকলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা এবং পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন। এতে শুধু রোগীর ভোগান্তিই বৃদ্ধি পায় না, অনেক সময় প্রাণহানিও ঘটে।
ডাক্তারদের দায়িত্বশীলতা এবং পেশাদারিত্বের অভাব এই সমস্যার মূল কারণ। দুপুর ১টার পর কাজ বন্ধ করার এই সংস্কৃতি রোগীর অধিকার লঙ্ঘন এবং জাতির প্রতি ডাক্তারদের অঙ্গীকারের ব্যত্যয়। এটি চিকিৎসা সেবার মান এবং জনগণের আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সরকারি হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা ও মনিটরিংয়ের জন্য যথাযথ নীতি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। ডাক্তারদের যথাসময়ে দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে হবে এবং এ বিষয়ে প্রশাসনের তৎপরতা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকেও তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। চিকিৎসা সেবা কোনো পেশা নয়, এটি একটি মহান দায়িত্ব; এর প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধাশীল হওয়া সবার দায়িত্ব।
একটু সময় লস করার জন্য আমি সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থি।