28/03/2026
শুরুতেই কিছুকথা, কিছু প্রশ্ন...
আচ্ছা বলুন তো-- যাদের উচ্চারণ জড়তা আছে, আঞ্চলিকতা আছে, তারা যদি অনলাইনে ২০/৩০/৫০/১০০ জনের একটা গ্রুপে বসে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস প্রশিক্ষণ নেন, তাহলে কি তাদের উচ্চারণ জড়তা দূর হবে? উত্তর: হবে না। কেন হবে না? কারণ-- উচ্চারণ জড়তা বা আঞ্চলিকতা শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত সমস্যা। শিক্ষার্থীর এই ব্যক্তিগত সমস্যা বা উচ্চারণ ত্রুটিকে কাটিয়ে তাকে একজন দ্ক্ষ বাচিকশিল্পী বা ভয়েস আর্টিস্টরূপে গড়ে তুলতে দরকার অনুশীলন, ব্যক্তিগত অনুশীলন। অর্থাৎ শিক্ষার্থীর যে বর্ণে বা শব্দে উচ্চারণ ত্রুটি রয়েছে সেটিকে ধরে সে ৫ বার/১০ বার/.... অনুশীলন করবে, যতক্ষণ না তার মুখ দিয়ে সঠিক উচ্চারণটা আসছে, আর এ অনুশীলনটি চলবে অবশ্যই সম্মানিত প্রশিক্ষকের উপস্থিতিতে, যা কোনো অবস্থাতেই সম্ভব নয় ঐ ২০/৩০/৫০/১০০ জনের গ্রুপে অনলাইনে বসে। তাহলে কি অনলাইন প্রশিক্ষণে বাচিকশিল্পী হওয়া সম্ভব নয়? সম্ভব। অবশ্যই সম্ভব। তবে সেটা হতে হবে ১ জন/২ জন... উর্ধ্বে ৫ জনের একটি গ্রুপ। অথবা একই ক্যামেরায় অসংখ্য শিক্ষার্থীর উপস্থিতি। এখানে প্রশ্ন আসতে পারে, তাহলে স্কুল/কলেজ/বিশ্বদ্যিালয়ে কি করে পড়াশোনা চলছে অনলাইনে? ওখানে যে নির্দিষ্ট সিলেবাস! ২১৪০ সালে এই সিলেবাস কেন্দ্রীক পড়াশোনায় কাগজের কোনো বইপত্রই থাকবে না।তখনও বাচিকশিল্পী হতে গেলে ১ জন/২ জন/... উর্ধ্বে ৫ জনের গ্রুপই হতে হবে, যদি আমরা রোবট হয়ে না যাই। তাই আসুন, এই উন্নত প্রযুক্তির যুগে ঘরে বসেই হয়ে উঠি একজন দক্ষ আবৃত্তিশিল্পী, বাচিকশিল্পী কিংবা একজন তুখোড় ভয়েস আর্টিস্ট। আপনি নিশ্চয়ই গভীর আত্মবিশ্বাসী এবং সময় সচেতন।তাহলে ‘অদ্রি’ই পৌঁছে দিবে আপনার স্বপ্নচূড়াই, সঙ্গে লাগবে নিজের সুস্খতা।
তাহলে আর দেরি কিসের, ক্লিক করি Google Form-এ এবং হয়ে যাক এক প্রাণবন্ত ফ্রী আড্ডা ৩০ মার্চ’২৬-এ!
https://forms.gle/K9624R68kjrwKuuj6